Cyclone Jawad: রাতভর বৃষ্টিতে মাথায় হাত আমতা-উদয়নারায়ণপুরের কৃষকদের

Farmers suffered

নিজস্ব সংবাদদাতা: একই বছরে দু’বার বন্যার ক্ষত কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবারও চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হলেন আমতা, উদয়নারায়ণপুরে বহু চাষি। ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ (Cyclone Jawad) হানা না দিলেও‌ নিম্নচাপের জেরে রবিবার থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

সেই বৃষ্টির জল চাষের জমিতে জমায় বিপাকে পড়েছেন আমতার চাষীরা। সোমবার বেলায় একটু বৃষ্টি থামতেই জমিতে জমা জল বার করতে মাঠে নেমে পড়েন চাষীরা। উল্লেখ্য, বন্যার জল নেমে যেতেই ঋণ নিয়ে কোনোরকম আবার সবজি চাষে মাঠে নেমেছিলেন চাষিরা। সেই সমস্ত সবজি এখন জলের তলায়।

তুফা সামন্ত নামে এক কৃষকের কথায়, বেসরকারি সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে আলু সর্ষে চাষ করেছিলাম। সমস্তটাই এখন জলের তলায়। সেগুলোকে বাঁচানো সম্ভব হবে না। চাষ না হলে কী করে সেই ঋন শোধ করব সেই চিন্তায় ভাবাচ্ছে এখন। সরকারি সাহায্যের দিকে তাকিয়ে চাষীরা।

ইতিমধ্যে আমতা-২ নং ব্লকের কৃষি দফতরের পক্ষ থেকে আধিকারিকরা বিভিন্ন এলাকায় পরিদর্শনে বেরিয়েছেন। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানানো সম্ভব নয় বলে জানান কৃষি প্রযুক্তি সহায়ক নন্দগোপাল মারান্ডি। সমস্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সংগ্রহ করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে বলে তিনি আরও জানান। আমতা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন মিদ্দ্যা জানান,”বৃষ্টির ফলে চাষীদের চাষ করা সব্জি ও আলু নষ্ট হয়ে গিয়েছে। চাষী ভাইদের পাশে আছে রাজ্য সরকার।”

Cyclone Jawad: বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতার একাধিক জায়গা

kolkata

নিউজ ডেস্ক : শক্তি হারিয়ে পুরী উপকূল দিয়ে এগিয়ে বাংলায় প্রবেশ করেছে নিম্নচাপ জাওয়াদ (Cyclone Jawad)। যার প্রভাবে রবিবার রাত থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। যা জারি রয়েছে সোমবার সকালেও। কলকাতায় রাতভর বৃষ্টি হয়েছে। ঠনঠনিয়া সহ বেশ কয়েকটি অপেক্ষাকৃত নীচু অঞ্চলে জলও জমেছে। আজও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। বাংলাদেশ লাগোয়া ৩ জেলায় ভারী বৃষ্টির সর্তকতা রয়েছে। এছাড়া আরও ৪ জেলায় মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সোমবার সকাল পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। 

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ (Jawad) শক্তি ক্ষয় করে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে এগিয়ে যাবে। সুস্পষ্ট নিম্নচাপ রূপে বাংলার উপকূলে নিম্নচাপের প্রভাব দেখা যাবে। এই মুহূর্তে এই নিম্নচাপ বাংলা ও বাংলাদেশ উপকূলে উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এরপর তা ক্রমশ নিম্নচাপ রূপে বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ লাগোয়া জেলাগুলিতে যেমন উত্তর ২৪ পরগনা, নদীয়া এবং মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমানে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে পরিস্থিতি উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়েছে, সোমবার কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টি হবে। দিনভর আকাশ মেঘলা থাকবে। তবে, সময় যত এগোবে ততই আবহাওয়ার উন্নতি হবে। বৃষ্টি কমবে। মঙ্গলবার থেকে ক্রমশ স্বাভাবিক হবে  আবহাওয়া। পশ্চিমবঙ্গের উপূকল বরাবর ও পাশ্বর্বর্তী অঞ্চলে আজ দুপুর পর্যন্ত ঘণ্টায় প্রায় ৪০-৬০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। তবে বিকেলের পর ঝোড়ো হাওয়ার বেগ ক্রমশ কমবে। মঙ্গলবার থেকে আবহাওয়ার ক্রমশ উন্নতি হবে। এরপর কয়েকদিন আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকবে। ১১ ডিসেম্বর থেকে পারদ পতন শুরু হতে পারে। তারপর থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে স্থায়ীভাবে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়ার সম্বাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

Cyclone Jawad: শক্তিক্ষয় হলেও জাওয়াদের প্রভাবে আজ অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

cyclone jawad

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: সমুদ্রে থাকাকালীনই শক্তি হারিয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় জওয়াদ (Cyclone Jawad)। আজ দুপুর নাগাদ তা ওড়িশা (Odisha) উপকূলে পৌঁছবে। বর্তমানে বিশাখাপত্তনম থেকে ১৮০, গোপালপুর থেকে ২০০, পুরী থেকে ২৭০ ও পারাদ্বীপ থেকে ৩৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। ওড়িশা উপকূল ধরে বাংলার দিকে এগোলেও আগামী ১২ ঘণ্টায় ক্রমশ দুর্বল হবে নিম্নচাপ।

জাওয়াদ শক্তি হারালেও দুর্যোগের হাত থেকে রেহাই পাবে না বঙ্গবাসী। ইতিমধ্যে এর প্রভাবে শনিবার থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবে রবিবার সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় হালকা বৃষ্টি শুরু। বেলা যত বাড়বে বৃষ্টির প্রকোপ ততই বাড়বে। আজ কলকাতা-সহ দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। ঝাড়গ্রামেও আজ প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা। কোনও কোনও জেলায় আজ বজ্রবিদ্যুত্‍-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবারও কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টি হবে। মত্স্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগ মোকাবিলায় তৈরি রাজ্য সরকার। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত সেচ, বিদ্যুত্‍ ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফরের কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রতিনিয়ত আবহাওয়ার পরিস্থিতি ও তার মোকাবিলায় নেওয়া একাধিক ব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকাগুলির সমুদ্র সৈকতে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। শনিবার রাত থেকেই সমুদ্র উত্তাল। পর্যটকদের সমুদ্রে নামতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, কাকদ্বীপ থেকে কলকাতায় সকাল থেকে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। উপকূলবর্তী এলাকায় চলছে মাইকে প্রচার। 

Odisha: জাওয়াদের হামলা হবে সৈকত শহর পুরীতে, ফেনিল ঢেউয়ে দুলছে সাগর

odisha-cyclone-jawad

News Desk: পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত গভীর নিম্নচাপ সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে ওডিশা (Odisha)ও অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

পিআইবি জানাচ্ছে, উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে জাওয়াদ নামে এই ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওডিশা উপকূলের কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছবে। উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে, ওডিশা উপকূল বরাবর বাঁক নিয়ে, রবিবার দুপুর নাগাদ এটি পুরীর কাছে গিয়ে পৌঁছবে বলে, আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাস।

জাওয়াদ হামলার কারণে ৪ ডিসেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বঙ্গোপসাগর উপকূলের পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে জারি সতর্কতা। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।

পড়ুন: Asani cyclone: জাওয়াদের পর জন্ম নেবে অশনি, সাগর দানবের মরণ নেই

পিআইবি জানাচ্ছে, ঘূর্ণিঝড়-জাওয়াদ উপকূলের দিকে এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার পাশাপাশি সমুদ্র উত্তাল হতে পারে। ঝড়ের গতি ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। মৎস্যজীবীদের ৫ তারিখ পর্যন্ত সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যারা গেছেন, তাঁদের দ্রুত ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সাইক্লোন জাওয়াদ সতর্কতার প্রেক্ষিতে দক্ষিণ পূর্ব এবং দক্ষিণ মধ্য রেলের বেশ কিছু এক্সপ্রেস ও সুপার ফাস্ট ট্রেন শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত বাতিল থাকবে। দক্ষিণ পূর্ব রেল সূত্রে এই খবর।

Cyclone Jawad Updates: এগোচ্ছে জাওয়াদ, জেনে নিন এর বর্তমান অবস্থান

Cyclone Jawad

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: দ্রুত উপকূলের দিকে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ (Cyclone Jawad)। উত্তর-মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর অবস্থিত সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় “জাওয়াদ” গত ৬ ঘন্টায় ২২ কিমি/ঘঃ বেগে উত্তর -উত্তরপশ্চিম অভিমুখে অগ্রসর হয়েছে। এটি এখন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর অবস্থান করছে। এর কেন্দ্রবিন্দু ১৫.০ ডিগ্রী উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৫.৩ ডিগ্রী পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত।

বিশাখাপত্তনম (অন্ধ্রপ্রদেশ ) থেকে দক্ষিণ -দক্ষিণপূর্ব দিকে প্রায় ২২০ কিমি দূরে , গোপালপুর থেকে দক্ষিন -দক্ষিণপূর্ব দিকে ৪৪০ কিমি দূরে , পুরী (ওড়িশা ) থেকে দক্ষিন -দক্ষিণপশ্চিম দিকে ৪০০ কিমি দূরে এবং পারাদ্বীপ (ওড়িশা ) থেকে দক্ষিন -দক্ষিণপশ্চিম দিকে ৬০০ কিমি দূরে অবস্থিত। এরপর এটি উত্তর-উত্তরপশ্চিম অভিমুখে অগ্রসর হয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ- দক্ষিণ ওডিশা উপকূলের অদূরে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর অবস্থান করবে আগামী কাল, ৪ডিসেম্বর সকালে।

এরপর এর গতির অভিমুখ পরিবর্তন করে ওডিশা উপকূল বরাবর উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে আগামী ৫ ডিসেম্বর দুপুরে পুরীর (ওডিশা ) নিকট অবস্থান করার সম্ভাবনা আছে। তারপর ঘূর্ণিঝড় টি উত্তর-উত্তরপূর্ব অভিমুখে অগ্রসর হয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে অবস্থান করার সম্ভাবনা আছে।