Mid Day Meal: নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য মিড ডে মিল চালুর দাবি উঠল

mid day meal

নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের মিড-ডে-মিল (mid day meal) দেওয়া হয়। এবার নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের মিড-ডে-মিল দেওয়া হোক, এমনই দাবি জানিয়ে রাষ্ট্রপতি(president ), প্রধানমন্ত্রী (prime minister ) এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (chief minister ) ও শিক্ষামন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিল মানবাধিকার সংগঠন এপিডিআর (apdr)।

বুধবার গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা সমিতির (এপিডিআর) বেশ কয়েকজন সদস্য বিকাশ ভবনে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অফিসেও এই দাবি জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে সংগঠনটি। এপিডিআর-এর দাবি, ১০ ডিসেম্বর গোটা দেশে মানবাধিকার দিবস পালিত হবে। ওই দিনই কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের মিড-ডে-মিল দেওয়ার ঘোষণা করুক।

মানবাধিকার সংগঠনটি জানিয়েছে, করোনাজনিত লকডাউনের কারণে বহু মানুষ তাদের কাজ হারিয়েছেন। সংসার চালাতে বহু ছেলেমেয়ে পড়াশুনো ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। ছেলেরা বিভিন্ন ধরনের কাজ শুরু করেছে। অন্যদিকে মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দায় ঝেড়ে ফেলেছে মা-বাবা। ছেলেমেয়েদের স্কুলছুট হওয়ার মূল কারণ আর্থিক অভাব। করোনা পরিস্থিতিতে মিড-ডে মিল ব্যবস্থা ও যথাযথ। রূপায়িত হয়নি। দেশের চলতি পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের মিড- ডে মিলের আওতাভুক্ত করার জন্য দাবি জানাল এপিডিআর।

এদিন সংগঠনের সদস্য অপূর্ব রায় বলেন, আমাদের দেশের বহু পরিবার আজও চরম দারিদ্র্যে ভুগছে। ওই সমস্ত পরিবারের বহু পড়ুয়া পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার পায় না। স্বাভাবিক সময়ে যখন স্কুল চলত সে সময় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত কোনও পড়ুয়া যখন মিড-ডে মিল খাচ্ছে তখন নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির অভুক্ত পড়ুয়ারা সেটা শুধু দেখত। স্কুল কর্তৃপক্ষ বা প্রশাসনিক কর্তাদের এই বিষয়টি উপেক্ষা করা উচিত নয়। তাই এপিডিআর দাবি জানাচ্ছে, ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবসের দিন এ ব্যাপারে একটি বড়সড় ঘোষণা করুক কেন্দ্র বা রাজ্য।

Farmers Protest: আন্দোলনের পথ সরে আসার কথা ভাবছেন কৃষক নেতারা

farmer movement

News Desk, New Delhi: শেষ পর্যন্ত আন্দোলনের পথ থেকে সরে আসতে চলেছেন কৃষক নেতারা (Farmers Leader), এমনটাই ইঙ্গিত মিলল। সূত্রের খবর, তিন কৃষি আইন (Farm Law) বাতিলের পর কৃষকরা যে সমস্ত দাবি জানিয়েছিলেন সেগুলিও বেশিরভাগই মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার (Narendra Modi Government)।

সরকারের এই লিখিত আশ্বাসের মধ্যে ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করার বিষয়টিও রয়েছে। এরপরই শোনা যাচ্ছে প্রায় ১৫ মাস ধরে যে আন্দোলন চলছে সেই আন্দোলন থেকে সরে আসার পরিকল্পনা (Planning) করছেন কৃষক নেতারা।

বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষক সংগঠনগুলির কাছে কেন্দ্রের মোদি সরকার যে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তাতে জানানো হয়েছে, ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য একটি কমিটি তৈরি করা হবে। ফসলের গোড়া পোড়ানোর জন্য কৃষকদের বিরুদ্ধে যে সমস্ত মামলা করা হয়েছে সেগুলি তুলে নেওয়া হবে। গত এক বছরে কৃষক আন্দোলন চলাকালীন কৃষকদের বিরুদ্ধ যে সমস্ত মামলা দায়ের হয়েছে সেই মামলাগুলি যদি কেন্দ্র প্রত্যাহার বা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় সেক্ষেত্রে কৃষক নেতারা আন্দোলনের পথ থেকে সরে আসবেন বলে সরকারকে পাল্টা আশ্বাস দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০২০-র সেপ্টেম্বর মাসে সংসদে তিন কৃষি আইন তৈরি হয়েছিল। সরকারের দাবি ছিল, ওই আইন কৃষকদের জীবনের মানোন্নয়ন করবে। কিন্তু কৃষকদের পাল্টা দাবি ছিল, তাদের বড় মাপের ক্ষতি করবে এই আইন। সে কারণেই তাঁরা এই আইন প্রত্যাহার করার জন্য প্রায় ১৫ মাস ধরে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়েছেন। কৃষকদের সেই প্রবল আন্দোলনের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে সাংবিধানিকভাবেই মোদি সরকার তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

ছোট কৃষকরা যাতে ন্যায্যমূল্যে তাঁদের ফসল বিক্রি করতে পারেন সে জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছেন কৃষক নেতারা।

টাকা দিলে তবেই ভোট মিলবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন গ্রামবাসীরা

vote for cash

News Desk, New Delhi: রাত পোহালেই তেলেঙ্গানার হুজুরাবাদ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। কিন্তু এই উপনির্বাচনের আগে ওই কেন্দ্রের বীনাবাঙ্কা গঙ্গারাম গ্রামের গ্রামবাসীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে রাজনৈতিক কাজিয়া। বিধানসভা নির্বাচনে হুজুরাবাদ কেন্দ্রটি দখল করেছিল রাজ্যের শাসক দল টিআরএস। কিন্তু বিধায়কের মৃত্যু হওয়ায় ওই কেন্দ্রে উপ-নির্বাচন হচ্ছে আগামীকাল শনিবার।

উপ নির্বাচনের আগে গত কয়েকদিন ধরেই বীনাবাঙ্কা গঙ্গারাম গ্রামের বাসিন্দারা তুমুল বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। গ্রামবাসীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁদের একটি মূল্যবান ভোট পেতে হলে টাকা দিতে হবে। আগে টাকা পরে ভোট। টাকা না পেলে কোনওভাবেই তাঁরা বুথমুখো হবেন না।

গ্রামের মহিলাদের অভিযোগ, আগের বিধানসভা নির্বাচনে টিআরএস তাঁদের ভোট দেওয়ার জন্য টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেকারণেই তাঁরা টিআরএস প্রার্থীকে ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু ভোট মিটে গেলেও টিআরএসের পক্ষ থেকে আর টাকা দেওয়া হয়নি।

শুক্রবার সকালে ওই গ্রামের সরপঞ্চের বাড়ির সামনে বহু মহিলা বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের অভিযোগ, বেছে বেছে কিছু পরিবারকে মুখ বন্ধ খামে টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু টাকা যদি দিতেই হয় তবে সকলকেই দিতে হবে। টাকা না দিলে তাঁরা কেউ ভোট দিতে যাবেন না। ওই মহিলারা আরও বলেন, তাঁরা নিতান্তই গরীব। তাঁদের বাড়িঘর কিছুই নেই। দু’বেলা দু’মুঠো খাবারও জোটে না। এই অবস্থায় ভোট দিলে যদি কিছু টাকা মেলে তো সেটাই লাভ। তাই টাকা না পেলে তাঁরা ভোট দেবেন না।

গ্রামবাসীদের দাবি মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর তাঁদের জন্য টাকা পাঠান। কিন্তু স্থানীয় নেতারা সেই টাকা নিজেদের পকেট পুরেছেন। মহিলাদের বিক্ষোভ ও দাবির বিষয়টি সামনে আসতেই সরব হয়েছে কংগ্রেস। তেলেঙ্গানার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অভিযোগ করেছেন, বিজেপি ও টিআরএস দুই দলই ভোটারদের কিনতে এভাবেই টাকা ছড়িয়ে থাকে।

এতদিন তাঁরা টাকা দেওয়ার অভিযোগ করলেও কেউ সে কথা বিশ্বাস করেনি। কিন্তু বীনাবাঙ্কা গ্রামের বাসিন্দাদের এই বিক্ষোভই প্রমাণ করে দিল যে, বিজেপি এবং টিআরএস রীতিমতো টাকা দিয়ে ভোট কেনে। এই মুহূর্তে কেন্দ্রে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে রাজ্যে টিআরএস। তাই তাদের টাকার কোনও অভাব নেই। টিআরএস তো এক একটি পরিবারকে ছয় থেকে আট হাজার টাকা দিচ্ছে। বিজেপিও পিছিয়ে নেই। তারাও দিচ্ছে দেড় থেকে দু’হাজার টাকা।

কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, নির্বাচন কমিশনের উচিত হুজুরাবাদ কেন্দ্রের উপনির্বাচন বাতিল করা। কারণ এই নির্বাচনে বিজেপি ও টিআরএস টাকা দিয়ে ভোট কিনছে। তাই এই ভোটে মানুষের মতামতের প্রকৃত প্রতিফলন হবে না। বিজেপিও টিআরএস ক্ষমতার অপব্যবহার করে নির্বাচনকে পরিহাসে পরিণত করেছে।

চাঞ্চল্যকর অভিযোগ: আরিয়ান খান মামলায় ১৮ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন

Aryan Khan

News Desk: এই মুহূর্তে খবরের শিরোনামে রয়েছে নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো বা এনসিবি। শাহরুখ খানের বড় ছেলে আরিয়ানকে মাদক কাণ্ডে গ্রেফতারের পরই এনসিবির নাম নিয়ে সর্বত্র আলোচনা চলছে। এবার এনসিবির বিরুদ্ধেই ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ করলেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। ওই ব্যক্তির দাবি আরিয়ান খান মামলায় ১৮ কোটি টাকার ঘুষ দেওয়া নেওয়া হয়েছে।

প্রমোদতরীতে আরিয়ান খানের সঙ্গে এক ব্যক্তির তোলা সেলফি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল। ওই ব্যক্তিকে নিয়ে প্রথম থেকেই ছিল বিতর্ক। কারণ ওই ব্যক্তি এনসিবির কেউ ছিলেন না। তাহলে তিনি কেন বা কী কারণে আরিয়ানের পাশে ছিলেন তা নিয়েই বিতর্ক বাধে। পরে জানা যায় ওই ব্যক্তির নাম কেপি গোসাভি। তিনি একজন প্রাইভেট ডিটেকটিভ। এই গোসাভির দেহরক্ষী প্রভাকর সইল ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।

প্রভাকরের দাবি, তিনি নিজের চোখে ১৮ কোটি টাকা লেনদেন হতে দেখেছেন। কেপি গোসাভি এবং শ্যাম ডিসুজা নামে দুই ব্যক্তির মধ্যে ১৮ কোটি টাজার একটি চুক্তি হয়। এই ১৮ কোটি টাকা থেকেই ৮ কোটি টাকা পাওয়ার কথা এনসিবি কর্তা সমীর ওয়াংখেড়ের। প্রভাকরের দাবি, সমীর ওই টাকা ঘুষ হিসেবেই পেতেন। সাক্ষী হিসাবে সাদা কাগজে তাঁকে দিয়ে সই করিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

যথারীতি প্রভাকরের এই দাবি সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে এনসিবি। যার বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠছে সেই সমীর ওয়াংখেড়ে এদিন জানিয়েছেন তিনি এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করবেন। ঘুষ নেওয়ার যে অভিযোগ প্রভাকর করেছেন, সেটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং কল্পনাপ্রসূত। যদি তিনি প্রকৃতই এই বিপুল পরিমাণ টাকা নিতেন তাহলে কি এখনও আরিয়ানকে জেলে থাকতে হত, বলে পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন সমীর।

অন্যদিকে এনসিবি দফতরের যে সমস্ত সিসিটিভির ফুটেজ রয়েছে সেখানেও আর্থিক লেনদেনের এমন কোনও কিছুর খোঁজ মেলেনি। এনসিবি পক্ষ থেকে পাল্টা জানানো হয়েছে, আরিয়ান খান একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির পুত্র। কিন্তু মাদক মামলায় তাঁকে জেলে থাকতে হচ্ছে। তাই আরিয়ানকে ছাড়িয়ে আনতে এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হচ্ছে। আসলে এনসিবির গায়ে কালি ছেটাতেই এটা করা হচ্ছে। তবে এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত। ওই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে এনসিবির দফতরে আরিয়ানের পাশে বসে তাঁর সঙ্গে কথা বলছেন গোসাভি। পরবর্তী ক্ষেত্রে গোসাভির মোবাইল থেকে আরিয়ান অন্য কারও সাথে কথা বলছেন। রাউত প্রশ্ন তুলেছেন, আরিয়ান গোসাভির ফোন থেকে কার সঙ্গে কথা বলছিলেন তা জানাক এনসিবি। অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে বলেছেন, মহারাষ্ট্রে বদনাম করতেই কেন্দ্রের ইশারায় এনসিবি চক্রান্ত করছে।