वरिष्ठ कवि और गीतकार जावेद अख्तर ने गुरुवार को सहिष्णु होने के लिए हिंदू समुदाय की प्रशंसा की और कहा कि भारत में लोकतंत्र हिंदू संस्कृति और परंपरा के कारण मौजूद है। अख्तर ने समाज में असहिष्णुता बढ़ने पर चिंता जताते हुए कहा कि हिंदू उदार और बड़े दिल वाले होते हैं। 78 अख्तर ने कहा कि कुछ लोग हैं जो हमेशा असहिष्णु रहे हैं। हिंदू ऐसे नहीं हैं। उनके पास उदार और बड़े दिल वाले जैसे यह महान गुण है।भारतीय मुसलमानों की प्रगतिशील और उदारवादी आवाज़ों में माने जाने वाले अख्तर ने यह भी कहा कि हमने हिंदुओं के जीवन जीने के तरीके से सीखा है। ब्लॉकबस्टर ‘शोले’ के बारे में बात करते हुए अख्तर ने कहा कि अगर आज यह फिल्म बनती तो मंदिर में हेमा मालिनी और धर्मेंद्र के डायलॉग पर बहुत बड़ा विवाद होता। यह हिंदू संस्कृति है, यह सभ्यता है। इसने हमें लोकतांत्रिक दृष्टिकोण सिखाया है। इसलिए इस देश में लोकतंत्र है। यह सोचना कि हम सही हैं और बाकी सभी गलत हैं, यह हिंदुओं का काम नहीं है। जिसने भी आपको यह सिखाया है वह गलत है।
Myanmar: ভারত সীমান্ত প্রদেশে বর্মী সেনার ‘গণহত্যা’, মাটি খুঁড়লেই দেহ
News Desk: মায়ানমারে ‘গণহত্যা’ চালাচ্ছে দেশটির সামরিক সরকার। এই ভয়াবহ ঘটনার কেন্দ্র দেশটির সাগাইং প্রদেশ। বিবিসি জানাচ্ছে সাগাইং প্রদেশের সাগাইং জেলায় ‘গণহত্যা’ চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও কোনওরকমে বেঁচে যাওয়া কয়েকজনের বিবরণে উঠে এসেছে মৃতদেহগুলি মাটির তলায় চাপা দেয় সেনা। দু চার হাত মাটি খুঁড়লেই দেহ মিলছে। ভয়াবহ পরিস্থিতি এই জেলায়।
সাগাইং প্রদেশটি ভারত সীমান্ত লাগোয়া। তবে এই প্রদেশের সাগাইং জেলাটি সীমান্ত থেকে দূরে। এখানেই অন্তত ৪০ জনকে খুন করেছে বর্মী সেনা। সাগাইং প্রদেশের সাগাইং জেলাটি বর্মী সেনার বিরোধী গোষ্ঠী শক্তিশালী।
বিবিসি জানাচ্ছে, প্রত্যক্ষদর্শী এবং বেঁচে থাকা ব্যক্তিরা বলেছেন এলাকাবাসীদের জড়ো করে তাদের মধ্য থেকে পুরুষদের আলাদা করে হত্যা করে বর্মী সেনা। এদের মধ্যে অনেকের বয়স মাত্র ১৭ বছর।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিডিও ফুটেজ এবং ছবি দেখে জানা যায় যে, নিহতদের বেশিরভাগকে প্রথমে নির্যাতন করা হয়েছিল। তারপর তাদের খুন করে অগভীর কবরে মাটি চাপা দেওয়া হয়।
মায়ানমারের সাগাইং জেলায় বিরোধীদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কানি শহর। এখানে চারটি আলাদা ঘটনায় জুলাই মাসে এই গণহত্যাকাণ্ড হয়েছিল।
বেঁচে যাওয়া কয়েকজন ভয়াবহ নির্যাতন ও খুনের বর্ণনা দিয়েছেন। কয়েকজন গোপনে মোবাইলে গণহত্যার ছবি রেকর্ড করেন। সেই ভিডিও ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ থেকে বিবিসি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
মায়ানমারে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে দেশটির জনগণ প্রবল বিদ্রোহে সামিল হয়েছেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচিত আউং সান সু কি-এর সরকারকে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে উৎখাত করা হয়। ক্ষমতা দখল করেন বর্মী সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং। তিনিই এখন মায়ানমারের সামরিক সরকারের প্রধান।
Biplab Deb birthday: গণতন্ত্রের নামে প্রহসন-ভোট লুঠ করে জন্মদিন সেলিব্রেট-অভিযোগ বিরোধীদের
Biplab Deb celebrates birthday
নিউজ ডেস্ক, আগরতলা: মানুষ নিজের জন্মদিন সেলিব্রেট করতে কত কিছুই না করে। কিন্তু ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব (Biplab Deb) কিভাবে জন্মদিন (Birthday) সেলিব্রেট করেছে জানেন! তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamul congress) ও সিপিএমের (CPM) অভিযোগ, ত্রিপুরায় পুরভোটে গণতন্ত্র (Democracy ) লুঠ করে নিজের জন্মদিন সেলেব্রেশন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।
এদিন ত্রিপুরা সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক জীতেন চৌধুরী বলেন, পুর ভোটের নামে প্রহসন হল ত্রিপুরায়। এর আগে এ রাজ্যের মানুষ কখনও এত নির্লজ্জ সরকার দেখেনি। ত্রিপুরার বিজেপি সরকার আইন-আদালত কিছুই মানে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশকেও বুড়ো আঙুল দেখায়। ভোটের নামে কার্যত লুঠপাট চালিয়েছে বিপ্লব দেব সরকার। তাঁদের এই অভিযোগ যে ভিত্তিহীন নয় তার প্রমাণ হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কথাই তুলে ধরেন জিতেন চৌধুরী। তিনি বলেন, ভোট চলাকালীন কোন রাজ্যে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানোর নির্দেশ এই প্রথম।
রাজ্য বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান নারায়ণ কর বলেন, ভোটের নামে বিজেপির দুষ্কৃতী বাহিনী দাপিয়ে বেড়িয়েছে। কী প্রয়োজন ছিল অর্থ খরচ করে এই প্রহসনের। এরচেয়ে সব আসনেই তো বিজেপি নিজেদেরকে জয়ী বলে ঘোষণা করতে পারত। অন্যদিকে তৃণমূল নেতা সুবল ভৌমিক বলেছেন, যে সমস্ত বুথে ভোট হয়েছে সেখানেই ব্যাপক সন্ত্রাস চালিয়েছে বিজেপি। এই নির্বাচন বাতিল করে নতুন করে নির্বাচন করতে হবে। সুবলের দাবি, আগরতলার একাধিক ওয়ার্ডে তৃণমূল প্রার্থীদের ওপর নৃশংস হামলা হয়েছে। তাঁদের এক মহিলা প্রার্থীর চোখ নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সিপিএম দাবি করেছে, এই নির্বাচন বাতিল করে দিয়ে নতুন করে ভোট গ্রহণ করতে হবে। কারণ শুধু আগরতলা নয়, এদিন কোনও বুথেই ভোট দিতে পারেনি সাধারণ মানুষ। বিজেপি বিধায়ক সুদীপ রায়বর্মন অনেকটা বিরোধীদের সুরেই কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনও এমন ভোট দেখেননি। এদিন শুধু বহিরাগতরাই দাপিয়ে বেড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এমন ভয় দেখিয়ে ভোট না করলেই ভালো করতেন। কারণ এতে বিজেপিকে মানুষের অভিশাপ কুড়োতে হচ্ছে। যা ২০২৩ সালে বিধানসভা নির্বাচনের সময় বুমেরাং হতে পারে।
অন্যদিকে বিজেপি তাদের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিরোধীরা নিজেদের পরাজয় বুঝতে পেরে এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছে। তবে আজকের নির্বাচনে মানুষ বিরোধীদের উপযুক্ত জবাব দিয়েছে। পুলিশকর্মী থেকে শুরু করে যারা ভোট গ্রহণের কাজে যুক্ত ছিলেন তাঁদের সকলকেই ধন্যবাদ জানিয়েছে বিজেপি।
Africa: অভ্যুত্থান বিরোধী জনতা যেন ইঁদুর! তাড়া করছে সুদানের সেনা
News Desk: সরকার ফেলে দেওয়ার পর জরুরি অবস্থা জারি করেছে সুদানের সেনা। আফ্রিকার আরও এক নীল নদের দেশ হিসেবে পরিচিত সুদান রক্তাক্ত। শুরু হয়েছে অভ্যুত্থান বিরোধী জনতাকে ইঁদুরের মতো খাঁচা বন্দি করার পালা।
বিবিসি জানাচ্ছে, সুদানের সেনাবাহিনী দেশটির অসামরিক নেতাদের বেছে বেছে গ্রেফতার করছে। তবে মুক্তি পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী হামদক। তিনি এখন নজরবন্দি।
আল জাজিরার খবর, সুদানের সেনা ক্ষমতা দখল করার পর দেশটির জনগণের একাংশ সেনা শাসনের বিরোধিতা করে। তবে অভ্যুত্থানের পক্ষে রয়েছেন বহু সুদানি। এদিকে ক্ষমতা দখল করেই সুদানি সেনা শুরু করেছে ব্যাপক ধরপাকড়। গণতন্ত্র চাওয়া বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলিও চালাচ্ছে। বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।
বিবিসি জানাচ্ছে, সেনার হাতে বন্দি স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সেচমন্ত্রী, মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিকরা।অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা গ্রেফতার। সোমবার সুদানের সেনাবাহিনী দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে। সেনা অভ্যুত্থানের বিষয়ে জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল বুরহান বলেন সরকার অকার্যকর হয়ে পড়েছিল।
সুদানে সেনা শাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে একদা তিরিশ বছরের স্বৈরশাসক ওমর আল বাশিরের সমর্থকরা। ২০১৯ সালে প্রবল গণবিক্ষোভের জেরে তার সরকার পড়ে গিয়েছিল। অভ্যুত্থানের পর বশিরের সমর্থকরা ফের সক্রিয় হয়েছেন।
বিবিসি জানাচ্ছে, ২০১৯ সালে ওমর আল বশিরের স্বৈরশাসন শেষের পর সুদানি সেনা ও রাজনৈতিক দলগুলি মিলিতভাবে সরকার গড়ে। সেই সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগির ভিত্তিতে গঠিত পরিষদ ঘিরে জনগণের একাংশ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। প্রকাশ্যে সেনা শাসনের পক্ষে আন্দোলন শুরু হয়। অভিযোগ, জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ বুরহান পূর্ণ ক্ষমতা দখল করতে এই বিক্ষোভ সংঘটিত করেন।
পরিস্থিতি আরও ঘোরতর। গৃহযুদ্ধের পথে যাচ্ছে সুদান।
Africa : এবার সেনা অভ্যুত্থান বিরোধী গোষ্ঠীর গণতন্ত্রকামী বিক্ষোভ! সুদান রক্তাক্ত
News Desk: সেনা শাসনের বিরোধিতা করাই জনগণের চরিত্র। যেমনটা হচ্ছে মায়ানমারের সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে। তবে আফ্রিকার দেশ সুদানে জনমানসের বিপরীত চরিত্র সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যায়নি কোনও দেশে। একপক্ষ সেনা শাসনের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। সেনাবাহিনী অভ্যুত্থান ঘটিয়ে সরকারকে উৎখাত করেছে। তারপর সুদানে শুরু হয়েছে গণতন্ত্রের দাবিতে অন্যপক্ষের বিক্ষোভ।
বিবিসি জানাচ্ছে, সুদানের সেনাবাহিনী ক্ষমতা গ্রহণ করার পর রাজধানী খার্টুম সহ দেশটির সর্বত্র রাজপথে বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিয়ে, পতাকা উড়িয়ে রাস্তায় রাস্তায় ব্যারিকেড তৈরি করেছে। বিক্ষোভ রুখতে গুলি চালিয়েছে সেনা। কমপক্ষে দশ জন মৃত।
মনে করা হচ্ছে, এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে সুদানের একদা তিরিশ বছরের স্বৈরশাসক ওমর আল বাশিরের সমর্থকরা। ২০১৯ সালে প্রবল গণবিক্ষোভের জেরে তার সরকার পড়ে গিয়েছিল। সাম্প্রতিক সেনা অভ্যুত্থানের মাঝে বশিরের সমর্থকরা ফের সক্রিয় হয়েছেন।
ওমর আল বশিরের স্বৈরশাসন শেষের পর সুদানি সেনা ও রাজনৈতিক দলগুলি মিলিতভাবে সরকার গড়ে। বিবিসি জানাচ্ছে, সেই সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে ২০১৯ সালে যে চুক্তি হয়েছিল তাতে সুদানে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে এগনোর কথা ছিল। ক্ষমতা ভাগাভাগির ভিত্তিতে গঠিত পরিষদের প্রধানের পদে ছিলেন জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ বুরহান। তিনি বলেছেন, এরপরেও সুদানের সেনা অসমারিক শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসেনি। ২০২৩এর জুলাইয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।
সরকারের দুপক্ষের মধ্যে ফাটল বাড়তে থাকে। এর জেরে সরকার পরিচালনা থমকে যায়। সেনাবাহিনী দ্রুত সরকার পরিচালনা করুক দাবিতে পুঞ্জীভূত হতে থাকে বিক্ষোভ। অভিযোগ, অর্ধেক নয় সরকারের পূর্ণ ক্ষমতা দখল করতেই বিক্ষোভে মদত দিয়েছে সুদানের সেনাবাহিনী।হাজার হাজার সুদানি দাবি তোলেন, অসমারিক সরকার নয় সামরিক সরকার চাই। বিক্ষোভকারীরা ঘেরাও করেন প্রেসিডেন্ট হাউস। পার্লামেন্ট ঘেরাও করা হয়। সুদানি সেনা তাদের বাধা দেয়নি। সোমবার সুদানি সেনা বন্দি করে প্রধানমন্ত্রীকে। অভ্যুত্থানের নেতা জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ বুরহান সরকার ভেঙে দেন। জরুরি অবস্থা জারি করেন। তিনি যুক্তি দিয়েছেন রাজনৈতিক অন্তর্দ্বন্দ্বের কারণে এই অভ্যুত্থান ঘটানো হয়েছে।
এর পরেই ফের গণতন্ত্র চেয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে সুদানে। সেই বিক্ষোভ থামাতে রক্তাক্ত পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বিশ্বজুড়ে সমালোচিত হয়েছেন অভ্যুত্থানের নেতা জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ বুরহান। পরিস্থিতি আরও জটিল। রাজধানী শহরের বিমানবন্দর বন্ধ। ইন্টারনেট এবং মোবাইল ফোন সংযোগও বন্ধ। তীব্র রাজনৈতিক ঘনঘটার মুখে ফের দাঁড়িয়েছে আরও এক নীল নদের দেশ সুদান।
Africa: জনগণের দাবি মেনে সেনা অভ্যুত্থান ! সুদানের প্রধানমন্ত্রী বন্দি
নিউজ ডেস্ক: সুদানি জনগণ লাগাতার বিক্ষোভ করছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল ‘অপদার্থ’ সরকার সরিয়ে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করুক। দরকার নেই গণতন্ত্রের, আসুক সামরিক সরকার। প্রবল গণবিক্ষোভের মুখে পড়ে অবশেষে অভ্যুত্থান ঘটালো আফ্রিকার দেশ সুদান। বন্দি করা হয়েছে সুদানের প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লাহ হামদুক কে।
সুদানের সেনা অভ্যুত্থানের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে দেশটির জনগণ। রয়টার্স জানাচ্ছে, সামরিক বাহিনীর একটি দল সোমবার সুদানের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার বাড়িতে ঢুকে পড়ে। সেখানেই ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে আটক করা হয়। সুদানি সশস্ত্র বাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন দেশটির চার মন্ত্রী সহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

গত কয়েকদিন ধরেই রাজধানী খার্টুমের প্রেসিডেন্ট ভবনের সামনে জড়ো হয়ে তাঁরা সরকারের পতনের দাবিতে সোচ্চার হন। সেনা বাহিনীকে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলে নেওয়ার আহ্বান জানান বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের অভিযোগ, বর্তমান সরকার বিচার ও সমতা আনতে পুরোপুরি ব্যর্থ।
বিবিসি জানাচ্ছে, সম্প্রতি বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট ভবনের মূল ফটক ঘেরাও করেন। নিরাপত্তারক্ষীরা বাধা দেয়নি।
রয়টার্সের খবর, ২০১৯ সালে গণ আন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হন সুদানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ওমর আল বশির। এরপর আলোচনার মাধ্যমে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেয় সেনাবাহিনী ও রাজনৈতিক দল। কিন্তু কিন্তু এতে সুদানের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং খাদ্য সংকট আরও বেড়েছে। এই পরিস্থিতির থেকে বেরিয়ে আসতে সুদানিরা এবার পূর্ণ সামরিক সরকার চাইছেন।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, সরকার ফেলে দিয়ে সেনাপ্রধান প্রধান জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ অল বুরহান অবিলম্বে সরকার পরিচালনা গ্রহণ করুন।
ওপারে বাড়ি জ্বলছে, রাস্তায় মৃতদেহ বর্মী সেনার ভয়ে হাজার হাজার শরণার্থী মিজোরামে
নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের দিকে যাচ্ছে মায়ানমার। দেশটির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত, প্রধান নেত্রী আউং সান সু কি-কে বন্দি করার প্রতিবাদে বর্মী সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে নেমেছে গণতন্ত্রী মিলিশিয়া বাহিনী। দু তরফের সংঘর্ষে রক্তাক্ত মায়ানমারের চিন প্রদেশ।
বর্মী সেনার অভিযানে ঠিক কতজনের মৃত্যু তার হিসেব নেই। তবে প্রানভয়ে মায়ানমারের দিক থেকে ভারতে ঢুকে পড়া হাজার হাজার বর্মীর একটাই কথা, বাড়ি জ্বলছে রাস্তায় পড়ে বহু দেহ। বিবিসি, গার্ডিয়ানের এমন খবর।
মিজোরাম সরকার চিন্তিত। আইজলের সংবাদমাধ্যমের খবর, ভীত বর্মীরা মায়ানমারে চিন প্রদেশের বাসিন্দা। এই এলাকাটি আন্তর্জাতিক সীমান্তের মিজেরাম রাজ্য ঘেঁষা। ফলে হাজার হাজার বর্মীরা এখন মিজোরামের মাটিতে শরণার্থী। মিজোরাম সরকার কড়া চোখে রাখলেও পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। এদের মধ্যে অন্তত সাড়ে পাঁচ হাজার বর্মী নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে মিজোরামে ঢুকে পড়েছেন।
মায়ানমারের চিন প্রদেশের থান্টলাং এলাকায় বার্মি সেনা ও সেদেশের গণতন্ত্রপন্থি মিলিশিয়াদের সংঘর্ষ চলছেই। গার্ডিয়ান জানাচ্ছে, বর্মী সেনার বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণে যাচ্ছে মায়ানমারের দুর্গম এলাকায় সক্রিয় সরকার বিরোধী মিলিশিয়া চিন ডিফেন্স ফোর্স। তাদের দাবি, গত কয়েক দিনের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন মিলিশিয়া মৃত।
পরিস্থিতি সবথেকে খারাপ চিন প্রদেশের থান্টলাংয়ে। বার্মী সেনারা থান্টলাং এলাকা বারবার হামলা চলায়। এর পরেই ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে মিজোরামে আসতে শুরু করেন স্থানীয় চিন জাতির বাসিন্দারা। এমনই জানাচ্ছে উত্তর পূর্বের সংবাদমাধ্যমগুলি।
মায়ানমারের জাতীয় নির্বাচনে ব্যাপক রিগিং করে জিতেছেন সু কি এমন অভিযোগ তুলে দেশটির সেনাবাহিনী রক্তপাতহীন অভ্যুত্থান ঘটিয়ে সরকারকে অপসারিত করে। চলতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি বন্দি করা হয় সু কি সহ সরকারের সবাইকে। সেনা শাসন শুরু হয়। মায়ানমারের ক্ষমতা এখন সেনা বাহিনীর প্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের নিয়ন্ত্রণে। গণতন্ত্র ফেরাতে তীব্র আন্দোলনে এর পর থেকে রক্তাক্ত হচ্ছে মায়ানমার।

