মানসিক অবসাদ কাটাতে অবাধ সহবাসের দাওয়াই দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা

intercourse-can-reduce-mental-fatigue

মানসিক অবসাদে আমরা প্রত্যেকেই কম বেশি ভুগি থাকি৷ এর জন্য অনেকে চিকিৎসাও করায়৷ এর মধ্যে গত বছর থেকেই করোনা সংক্রমণের কারণে গৃহবন্দী প্রত্যেকে। ফলে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মানসিক অবসাদ, বিরক্তি ইত্যাদি। ডাক্তারেরা বলছেন, ঠিক সময়ে মনের যত্ন না নিলে তা প্রভাব ফেলবে শরীরেও।

কিন্তু মানসিক অবসাদ কাটানোর উপায় কি? ডাক্তারেরা জানাচ্ছেন নিজের পছন্দমতো কাজ করা, কোথাও ঘুরতে যাওয়া কিংবা যোগব্যায়ামে কাটে ডিপ্রেশন। অনেক ক্ষেত্রে ক্লিনিক্যাল ট্রিটমেন্ট বা ওষুধের সাহায্যও নিতে হয়। যদিও এছাড়া আরও এওকটি উপায় রয়েছে মানসিক অবসাদ কাটানোর। তা হল সেক্স বা যৌন মিলন।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সেক্স শুধুই শরীর মনকে তৃপ্তি দেয় না৷ বরং শরীরকে রাখে সুস্থ সবল এবং তরতাজা৷ শুধু মানসিক বা শারীরিক তৃপ্তি পাওয়াই নয়, সৌন্দর্য বাড়াতেও জরুরি সেক্স৷ গবেষণা বলছে, নিয়মিত সেক্স শুধু আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে না, বাড়বে আত্মবিশ্বাস৷ আর মানসিক অবসাদে আত্মবিশ্বাস চলে যায় তলানিতে, তা ফিরে এলে মানসিক অবসাদও কেটে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তাহে ২-৩ বার সেক্স করলে নিজের সৌন্দর্য যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি মনও ফুরফুরে হয়ে যায়৷ যদিও মনের রোগই নয়, সেক্সে বাড়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। বিশেষজ্ঞদের মতে সেক্সের ফলে আমাদের শরীরে যে ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয় তা আমদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকরী৷ তাই পরস্পরের ঘনিষ্ঠ হওয়া খুবই দরকার৷

Depression: দু পেগ মেরে দিলে উবে যায় না অবসাদ

Depression

News Desk: পৃথিবীতে ৫% মানুষ ডিপ্রেশান (Depression) বা অবসাদের শিকার। ডিপ্রেশান থেকে মানুষ আত্মহত্যা পর্যন্ত করে। এই ডিপ্রেশান বা অবসাদ দুপেগ মেরে দিলে, বা বন্ধুদের সাথে দীঘা বেড়াতে গেলে সেরে যায়না। ডিপ্রেশান অন্যান্য শারীরিক রোগের মতই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ লাগে।

গত বছর সুশান্ত সিংহের ঘটনার পর সারা ফেসবুকে লাখো লাখো স্বঘোষিত মনোরোগ বিশেষজ্ঞর দেখা পাওয়া গিয়েছিল, তাঁদের ধারণা ছিল, তাঁদের সাথে কথা বললেই তাঁদের ফেসবুক বন্ধু বা এমনি বন্ধুদের ডিপ্রেশান সেরে যাবে।

ডিপ্রেশন কেন হয়?
ডিপ্রেশন হওয়ার কারণ আকাশের তারার সমান৷ আমরা জানি যে মানুষের মগজ পৃথিবীর সবথেকে জটিল জিনিস৷ তাই তার একটা খুব কমন অসুখেরও এক দুটো কারণ হবে না তা স্বাভাবিক৷

১) বায়োলজিকাল কারণে ডিপ্রেশন সবথেকে বেশি হয়৷ জিন, হর্মোন, মগজের বিভিন্ন সাবস্ট্যান্সের অ্যাবনর্মালিটি মূলত দায়ী হয় ডিপ্রেশনের জন্য৷ মানে, আপনি পেইন্টার হতে চান, কবি হতে চান, পাইলট হতে চান বা এই ধরণের চিরাচরিত প্রফেশনের (ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি কেরানি) বাইরে গিয়েও কিছু হতে চান এবং আপনার পরিবার মেনেও নিয়েছে তবু আপনার ডিপ্রেশন হতে পারে৷ আপনি নিজের কাজে সফল, আপনি প্যাশন ফলো করে সাকসেসও পেয়েছেন, সব আছে আপনার৷ তবু আপনার ডিপ্রেশন হতে পারে৷ ঋত্বিক রোশনের (শাহরুখের নাম নেব না, ও হুদাই ভালো আছে এখন) ডিপ্রেশন হতে পারে, সব থাকা স্বত্ত্বেও৷ (গুগুল করুন, ঋত্ত্বিক রোশন সত্যিই ডিপ্রেশনে ভুগেছেন।) কারণ, সেই বায়োলজি৷

২) বায়োলজিকালি আপনার কোনও সমস্যা নেই, তাও আপনার ডিপ্রেশন হতে পারে৷ ছোটবেলার কোনও ইন্সিডেন্ট, পারিপার্শ্বিক সমস্যা, বুলিং, যা চেয়েছেন তা পাননি, প্রেম-ভালবাসা, বন্ধুবিচ্ছেদ, কেরিয়ারে চাপ, ষড়যন্ত্রের শিকার ইত্যাদি বহু জিনিস আপনাকে ডিপ্রেশনে ফেলতে পারে৷

৩) কেউ জানে না৷ হ্যাঁ ঠিক, কেউ জানে না কেন আপনি অবসাদে ভুগছেন, এমনও হয়৷ আপনার জিনে ডিপ্রেশন নেই৷ আপনার সমস্ত হর্মোন ঠিকঠাক ক্ষরিত হয়৷ আপনার লাইফ একদম অন ট্র‍্যাক, তবুও আপনার ডিপ্রেশন হয়েছে, এমনও হয়৷ প্রথমেই বলেছি, মানুষের মস্তিষ্ক সবথেকে জটিল জিনিস৷

মনখারাপ ও ডিপ্রেশনঃ কবিতায় যাবেন না৷ একদম যাবেন না৷ মনখারাপ আর ডিপ্রেশন এক নয়৷ দরকার হলে হাতের লেখা প্র‍্যাকটিসের মতো বার বার লিখুন, এ দুটো এক নয়৷ হেল এন্ড হেভেন পার্থক্য৷ মনখারাপ আমাদের পার্টিকুলার কোনও কারণে সাময়িক ভাবে হয়৷ সাময়িক মানে এই নয় কিন্তু যে দেড় ঘণ্টার৷ মনখারাপ দেড় বছরও থাকতে পারে৷ কিন্তু তাকে ডিপ্রেশন দাগিয়ে দেওয়া যায় না৷ মনখারাপ আমাদের মানসিক অবস্থার একটা পার্ট৷ আমরা খুশি থাকি, আনন্দে থাকি, ব্যাজার থাকি বা না থাকি, ‘এই তো চলছে’ টাইপ৷ এর বাদ দিয়েও মনখারাপ হয়৷ বন্ধু ধোঁকা দিলে, অ্যাচিভমেন্ট না হলে, প্রেম কেটে গেলে৷ এগুলো লাইফের অংশ৷ জিন্দেগী এক রঙ্গমঞ্চ হেয়, হাম কাঠপুতলিয়া হেয়৷ তার সঙ্গে ডিপ্রেশনের সম্পর্ক নেই৷ মনখারাপ ভালো৷ মনখারাপ হওয়া দরকারও৷ মনখারাপ না হলে আমরা বুঝব কী করে, যে কী করলে মন ভালো হবে৷ ‘সব পেয়েছির দেশে’ কেউ ভালো থাকে না৷ কিছু পেতে গেলে খাটনি লাগে এবং ধৈর্য্য লাগে৷ তবে না ভালোর স্বাদ পাবো৷

ওদিকে ডিপ্রেশন আলাদা জিনিস৷ তার কোনও ডেফিনেশন নেই৷ সব পেয়েও লোকে বিষণ্ণ থাকে৷ আবার কিছু না পেয়েও একই কষ্টে থাকে৷ তার মানে কিচ্ছু না পাওয়া সব লোক কি ডিপ্রেসড? একদমই নয়৷ বহু লোক কিচ্ছু না পেয়েও হেব্বি ভালো থাকে৷ বিশ্বাস না হলে আপনার নিকটবর্তী বাসস্ট্যান্ডে যান একবার রাত একটায়৷ সমাজের প্রান্তিক মানুষদের মস্তি দেখতে পাবেন৷ তাই দয়া করে কবির কথায় মনখারাপ আর ডিপ্রেশন গোলাবেন না৷
কীভাবে বুঝবেন আপনার ডিপ্রেশন হয়েছে?

ডিপ্রেশন মানসিক হলেও এর সিম্পটম একদমই শারীরিক৷ একটা উদাহরণ দিই৷ ধরুন কাল আপনার পরীক্ষা৷ আপনার মনখারাপ খুব৷ সে প্রেমিক ছেড়ে যাক বা প্রিয় বান্ধবী মুখ করুক৷ আপনি স্টুডিয়াস হলে কোনওদিন পড়াশুনো থামাবেন না৷ কিন্তু ডিপ্রেশন হলে? আপনার শরীর দেবে না৷ পাহাড়প্রমাণ ক্লান্তি আপনার শরীরে জাঁকিয়ে বসবে৷ আপনি টপ করা ছাড়া বোঝেন না কিছু৷ তবুও ডিপ্রেশন আপনাকে বইয়ের পাতা উল্টাতে দেবে না৷ একদম পেটখারাপের মতো৷ মনখারাপ আপনাকে পড়তে দেবে চাপ খেলে (বাবা মায়ের রাগী মুখ চোখের সামনে ভেসে ওঠে)৷ পেটখারাপ হলে আপনাকে বাথরুমেই কাটাতে হবে৷ কোনও দ্বিতীয় রাস্তা নেই৷ সে বাবা-মা যতই ‘বেরো রে এবার, কমোড জ্যাম হয়ে যাবে তো’ বললেও৷

ডিপ্রেশন হলে বুঝবেন কীভাবে?
যতই আমরা অঙ্ককে গালাগাল দিই, জীবন অঙ্ক মেনেই চলে৷ আমাদের ফুসকুড়ি হলে বোরোলিন লাগাই, গোড়ালি ফাটলে ক্র‍্যাকক্রিম৷ ঠিক তেমনভাবেই আমাদের মগজও চলে৷ যখন দেখবেন আপনার মানসিক সমস্যার কোনও কারণ নেই, থাকলেও তা ওভারকাম করার আপনার ক্ষমতা নেই, কিছুতেই বাস্তব পরিস্থিতি ২+২= ৪ হচ্ছে না, বুঝে নিন যে আপনার কাব্যিক বা পাতি মনখারাপ হয়নি৷ বুঝুন যে এটা স্বাভাবিক নয়৷
কী করতে হবে?

এমন একটা রোগ, না জানাটাই স্বাভাবিক৷ আপনার বন্ধুও চায় আপনি ভালো থাকুন৷ কেন আড্ডায় আসছেন না, বিনা কারণে মুখ ব্যাজার করে আছেন, এটা তাকে কষ্ট দিচ্ছে৷ (শুধু বন্ধু নয়, ফ্যামিলিও হতে পারে, বাবা মা’ও) সে বা তারা কিছু না জেনে চেষ্টা করছে আপনাকে ঠিক করার৷ পারবে না৷ আপনাকে ঠিক করার একটাই উপায়…

কী করবেন?
না, দীঘা ঘুরতে গিয়ে আপনি ঠিক হবেন না৷ কাছের মানুষের কাছে আপনার কান্না ঢেলে দিলেও হবেন না৷ কিছুটা শান্তি পেতে পারেন এসব করলে, তবে সেটা পার্মানেন্ট নয়৷ পরিবারের সঙ্গে কোয়ালিটি টাইম কাটালেও নয়৷ ওসবে মনখারাপ কাটে৷ ডিপ্রেশন নয়৷ আপনি মনে করেন, এসসেল ওয়ার্ল্ডে গেলে আপনার উদুরী সেরে যাবে? নয় তো? সেম কেস৷ সাইকোলজিস্ট বা সায়কায়াট্রিস্ট৷ সাধারণত বায়লজিকাল কারণ না হলে স্পিচ থেরাপিতেই আপনি সেরে যাবেন (ম্যান্ডেটরি নয়, ওষুধ লাগতে পারে), তবে বায়োলজিকাল কারণ হলে আপনার ওষুধ লাগবেই৷

Cyclone Jawad: সপ্তাহান্তে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ

cyclone jawad

নিউজ ডেস্ক: ইয়াসের পর এবার ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ (Cyclone Jawad)। সপ্তাহের শেষে কলকাতা সহ উপকূল সংলগ্ন জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে অতিভারী বৃষ্টির সর্তকতা জারি করা হয়েছে।

আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, দক্ষিণ থাইল্যান্ডের ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। সেটি ক্রমশ দক্ষিণ আন্দামান সাগরের দিকে ঢুকবে। শক্তি সঞ্চয় করে এই গভীর নিম্নচাপ সেখানেই ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। নাম হবে জাওয়াদ।

শনিবার সকালে এটির উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ অথবা ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাবে শনিবার সকালে পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্র উপকূলে বাতাসের গতিবেগ ৬৫ থেকে ৮০ কিলোমিটার হতে পারে। আবহাওয়া দফতর শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করেছে। যারা সমুদ্রের রয়েছেন তাঁদের বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে ফিরে আসতে বলা হয়েছে।

এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টি, উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনি ও রবিবার ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা দুই মেদিনীপুরে ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু অংশে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট বাড়বে।

শুক্রবার থেকে কলকাতাতেও আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে। মেঘলা আকাশ সঙ্গে হালকা পূবালী বাতাস থাকবে। বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার কলকাতায় বৃষ্টি ও ঝড়ের ব্যাপকতা বাড়বে। উল্লেখ্য, বুধবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রি।

 

 

পছন্দের খাবারেই দূর করুন মানসিক অবসাদ

অবসাদ ধীরে ধীরে আমাদের মন থেকে শরীরে প্রভাব ফেলতে শুরু করে। মনের অসুখের দ্রুত চিকিৎসা না করালে ছুটতে হয় শরীর নিয়েও। ফলে মানসিক অস্থিরতায় ভুগলে পরামর্শ নিতে হবে মনরোগ বিশেষজ্ঞের। অবশ্য মন খারাপ কাটানোর জন্য আছে বিশেষ কিছু খাবারপ। জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে বলা হয়েছে, ‘কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো আসলেই মন ভালো করে দেয়। এই খাবারগুলো মস্তিষ্কে এক ধরনের রাসায়নিক নিঃসরণে সাহায্য করে যাতে আনন্দ হওয়ার বোধ তৈরি হয়।’

আরও পড়ুন মানসিক অবসাদ কাটাতে অবাধ সহবাসের দাওয়াই দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা

বড় মাছ: রুই-কাতলা, স্যামন বা টুনার মতো বড় মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এই ফ্যাটি অ্যাসিড ডিপ্রেশন এবং মুড সুইঙ্গের ক্ষেত্রে খুবই কার্যকরী। মস্তিষ্কে বিকাশের ক্ষেত্রেও এই ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ডার্ক চকোলেট: মন খারাপ হলেই এক টুকরো ডার্ক চকোলট খেয়ে নিন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডার্ক চকোলেটের উপাদানগুলি মন ভাল করতে খুবই কার্যকরী। এই উপাদানগুলির মধ্যে ফিল-গুড রাসায়নিক এনডরফিন ও সেরোটোনিন রয়েছে। এগুলি আমাদের মস্তিষ্কে ফিল-গুড ফ্যাক্টর বজায় রাখে। এর ফলে মন চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

টম্যাটো: টম্যাটোর মধ্যে রয়েছে লাইকোপেন।এটি মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং শরীরের ক্লান্তিভাব দূর করে। মন খারাপ থাকলে টমেটোর সালাদ খেতে পারেন। মন কিছুটা হলেও চাঙ্গা লাগবে।

পাকা কলা: পাকা কলায় ভিটামিন বি রয়েছে যা ডোপামাইন ও সেরোটোনিন মতো রাসায়নিকগুলো আমাদের শরীরে নিঃসৃত করে। তাই পাকা কলা খেলেই নিমেষেই মন চাঙ্গা হয়ে ওঠে। শরীরে শক্তির সঞ্চার হয় এবং নিজেকে তরতাজা মনে হয়। রক্তে শর্করার মাত্রা ও মুড ঠিক রাখতে পাকা কলা খুবই উপকারী। কলার মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ অ্যামাইনো এসিড ও ট্রিপটোফেন। এসব উপাদান মনকে শিথিল করতে সাহায্য করে এবং এতে ঘুম ভালো হয়।

Foods to Help Fight Depression | Public Health First | Top Health OPD Care  of India

আরও পড়ুন মাত্রাতিরিক্ত ঘুম হয়ে উঠছে সাইলেন্ট কিলার, বলছে গবেষণা

সূর্যমুখির বীজ: এই বীজ মনকে ভালো করতে কাজে দেবে। এটি এমাইনো এসিডের একটি ভালো উৎস। এটি মস্তিষ্কে সুখী রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করতে কাজ করে এবং বিষণ্ণতার দূর করে।

বাদাম: মনের শান্তি তো বটেই, সুস্বাস্থ্যের পক্ষে বেশ উপকারী বাদাম। কাঠবাদাম ও আমন্ড তো বটেই, এ ছাডা় হেজেলনাট বা চিনেবাদামও মস্তিষ্ক বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ডিপ্রেশনের সম্ভাবনা কমাতে খুবই কাজ দেয় বিভিন্ন বাদাম।

<

p style=”text-align: justify;”>ওটস: সকালের খাবারে ওটস থাকলে মন থেকে শরীর ভাল থাকে সবকিছুই। মুড বুস্টার্স হিসেবে ওটস বেশ কার্যকরী। সারাদিনের মতো শরীর চাঙ্গা রাখে। এ ছাড়া রাতের খাবারে ওটস খেলে ভাল ঘুমও হয়। অনেক সময় কম ঘুম বা ঘুমের ব্যঘাত ঘটলেও তার প্রভাব পড়ে আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর।

Depression: সাত উপায়ে ডিপ্রেশনের সঙ্গে লড়াই করে জয়ী হোন

fight against depression

অনলাইন ডেস্ক: আপনি যদি বিষণ্ণতার সাথে লড়াই করেন, তবে এটি আপনার শক্তিকে নষ্ট করে দিতে পারে এবং আপনি জীবনে একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখতে সংগ্রাম করতে পারেন। বিষণ্নতা আপনাকে অভ্যন্তরে ফাঁপা বোধ করতে পারে কারণ এই মানসিক অবস্থা আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার উপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য আপনি নিজেরাই চেষ্টা করতে পারেন এমন অনেক কৌশল রয়েছে। যেমন –

১। একটি রুটিন তৈরি করুন এবং এটিতে লেগে থাকুন: বিষণ্নতা আপনার জীবনকে এলোমেলো এবং লক্ষ্যহীন করে তুলতে পারে। আপনি হারিয়ে যাওয়া এবং দিশাহীন বোধ করতে পারেন। একটি রুটিন পেতে আপনার জীবনের কিছু দিকনির্দেশ এবং কাঠামো প্রদান করতে সাহায্য করতে পারে. প্রথমে এটি অনুসরণ করা আপনার পক্ষে কঠিন মনে হতে পারে, কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, আপনি লক্ষ্য করতে পারেন যে এটি আপনার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে এবং আপনি এটি জানার আগেই আপনি নিজেকে ট্র্যাকে ফিরে পেতে পারেন।

২। যথেষ্ট বিশ্রাম এবং ঘুম: এটা গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি ভাল বিশ্রাম আছে. হতাশার সাথে মোকাবিলা করা লোকেদের জন্য কিছুটা শান্তিপূর্ণ ঘুম পাওয়া কঠিন। যাইহোক, ঘুম বা বিশ্রামের অভাব আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং এটি আরও খারাপ করতে পারে। আপনি কিছু লাইফস্টাইল পরিবর্তনগুলি অনুসরণ করে ভালভাবে ঘুমানোর চেষ্টা করতে পারেন যেমন দিনের বেলা ঘুম না নেওয়া, বিছানায় যাওয়া এবং তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা, আপনার ঘর থেকে যে কোনও ধরণের বিভ্রান্তি দূর করা ইত্যাদি, যা আপনাকে আরও ভাল ঘুমাতে সাহায্য করতে পারে।

fight against depression

৩। একটি ভাল খাদ্য: বিষণ্নতা আপনাকে মানসিকভাবে এবং শারীরিকভাবে ক্লান্ত বোধ করে আপনার শক্তিকে নিংড়ে দিতে পারে। চর্বিযুক্ত বা তৈলাক্ত খাবারের মতো ভুল ধরণের খাবার খাওয়া আপনাকে আরও খারাপ করতে পারে। যদিও বিষণ্ণতার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য কোন নিশ্চিত-শট ডায়েট নেই, আপনার ডায়েটে আরও তাজা ফল, সবুজ শাকসবজি এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর খাবারগুলি আপনাকে ভাল বোধ করতে সাহায্য করতে পারে এবং আপনাকে ভেতর থেকে শক্তি যোগাতে পারে। ফলিক অ্যাসিড এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবারগুলি আপনার বিষণ্নতার তীব্রতা কমাতেও সাহায্য করতে পারে।

৪। আরও হাসুন: যখনই আপনি হাসেন, আপনার সেরোটোনিনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়ে যায়, যা আপনাকে নিজের সম্পর্কে ভালো এবং খুশি করে। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে হাসিকে সেরা ওষুধ বলা হয়। আপনি যখন খুশি হন তখন আপনার শরীরও ভালো থাকে।

৫। ইতিবাচক বিষয়গুলিতে ফোকাস করুন: এটি করার চেয়ে বলা সহজ কারণ আমরা বিষণ্নতায় ভুগছি বা না করি, আমাদের বেশিরভাগই আমাদের কাছে নেই এমন জিনিসগুলিতে ফোকাস করতে পছন্দ করে এবং জীবন আমাদের যা দিয়েছে তা আমরা খুব কমই মনোযোগ দিই। পরিবর্তে, জীবন আপনাকে দিতে পারে এমন সমস্ত ভাল জিনিসগুলিতে আপনার ফোকাস করা উচিত এবং আপনার আশীর্বাদগুলি গণনা করা উচিত। আপনি যখন বিষণ্নতায় ভারাক্রান্ত হন, তখন আপনার জীবনের ছোট ছোট ইতিবাচক দিকগুলির সন্ধান করা আপনাকে নিজের সম্পর্কে ভাল বোধ করতে সহায়তা করতে পারে।

৬। প্রিয়জনদের সাথে আরও বেশি সময় কাটান: আপনার পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে সময় কাটানো থেরাপির মতো। এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে যারা আপনাকে ভালোবাসে এবং আপনার যত্ন নেয় তারাই আপনার সমর্থন ব্যবস্থা। যখন তাদের কাছে আসে তখন আপনার কোন নেতিবাচক অনুভূতিগুলিকে প্রবেশ করতে দেওয়া উচিত নয়, তবে পরিবর্তে, আপনার পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য আরও বেশি সময় ব্যয় করুন। যদি আপনার ভয় আপনাকে গ্রাস করে তবে আপনার কাছের এবং প্রিয়জনদের সাথে তাদের সম্পর্কে কথা বলুন৷

<

p style=”text-align: justify;”>৭। ধ্যান অনুশীলন করুন: আপনি যদি খুব বেশি চাপ বা উদ্বিগ্ন বোধ করেন তবে এটি আপনার বিষণ্নতা বাড়িয়ে তুলতে পারে। ধ্যান অনুশীলন করা হল স্ট্রেস এবং উদ্বেগ এড়াতে এবং আপনার মনকে শান্ত ও শিথিল রাখার একটি দুর্দান্ত উপায়। আপনি যদি গর্ভাবস্থায় বা প্রসবোত্তর বিষণ্নতার সাথে লড়াই করে থাকেন, ঠিক আছে, মধ্যস্থতা হল শান্ত করার একটি দুর্দান্ত উপায় এবং নিজেকে বর্তমান সময়ে আরও বেঁচে থাকার জন্য মনে করিয়ে দেওয়া।