এক ধাক্কায় ৯০ কেজি কম, কোন ডায়েটে বাজিমাত ভুমির

bhumi pednekar

একের পর এক ছবিকে ক্রমেই যেন ভুমি হয়ে উঠছেন পার্ফেক্ট ফেস অব সিনসেল টাউন। গ্ল্যামার থেকে ফিগার, দুইয়ের জাদুতেই কাবু দর্শকেরা। অভিনেত্রীর এই গোপন রহস্যের পেছনে রয়েছে তাঁর সিক্রেট ডায়েট। এক ধাক্কায় ভুমি কমিয়েছিলেন ৯০ কেজি। হয়ে উঠেছিলেন হট আইক্যুন। তবে কীভাবে তা সম্ভবপর হল জানেন!

bhumi

একমাত্র কড়া ডায়েটই ছিল ভুমির সুন্দর অনবদ্য লুকের টপ সিক্রেট। সারা দিনে ভুমি খেয়ে থাকেন, দিনের শুরুতে একগ্লাস গরম জল। জিমের আগে তাঁর চাই দুটো ডিমের সাদা অংশ, পাউরুটি, পেঁপে বা আপেল। জিমের পর ৫ ডিমের সাদা অংশ। এরপর খানিক বিরতি।

bhumi pednekar

লাঞ্চে মাল্টি গ্রেইন রুটি সাবা মাখন দিয়ে, ডাল, সেদ্ধ সব্জি, একবাটি ঘরে পাতা দই, বাটার মিল্ক বা, গ্রিল্ড চিকেন, ব্রাউন ব্রেড ভেজ স্যান্ডুইচ বা, ব্রাউন রাইস, চিকেন গ্রেভি। বিকেলে টিফিনে পেঁপে বা আপেল বা পেয়ারা। এর ঠিক একঘণ্টা পর গ্রিন টি। সন্ধে সাতটা নাগাদ স্যালাড।

<

p style=”text-align: justify;”>এরপর আসে ডিনারের পালা। সেখানে ভেজ হলে ফ্রেশ গ্রিল্ড পনির, সেদ্ধ সব্জি। নন ভেজ হলে গ্রিল্ড ফিস বা চিকেন
এসবের পাশাপাশি পরিমাণ মত জল পান করা, নিত্য শরীরচর্চা করা ও নিয়ম মেনে চলা, রাতে সময় মত ডিনার শেষ করেই ঘুম। শ্যুটিং-এর সময় ছাড়া অন্য সময় ঘড়ির কাঁটা ধরে চলেন বলিউড ডিভা ভুমি পেডনেকর।

হার্টের ঝুঁকি এড়াতে চান, তবে অবশ্যই ডায়েটে রাখুন এই খাবারগুলি

heart

অতিরিক্ত মেদ, উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যাএগুলোও হার্টের সমস্যার অন্যতম কারণ। তাই এই অসুখগুলির হাত থেকে রেহাই পেলে হার্টও ভাল থাকবে। আমাদের খাবার পাতেও আসলে অনেক রোগের সমাধান লুকিয়ে থাকে। তবে ডায়েটের দিকেও নজর দিতে হবে। জেনে রাখা যাক, হার্ট ভালো রাখতে কী কী খাবার খাওয়া উচিত-

গ্রিন টি:
সকাল-বিকেল অন্তত ২ কাপ গ্রিন টি পাণ করুন । মেটাবলিজম বাড়ানোর জন্য খুবই কার্যকর এটি। গ্রিন টি মেটাবলিজম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও সাহায্য করে।

ব্রকোলি:
শাক সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন কে। ফলে পাতে রাখুন ভিটামিন কে । ধমনীর স্বাস্থ্য রক্ষা করতে ও রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে তাই বিশেষ ভূমিকা পালন করে এই সবজি।

আনার বা বেদানা:
শরীরে আয়রনের জোগান দিয়ে রক্তের পরিমাণ বাড়াতে ও রক্ত শোধন করতে বিশেষ সাহায্য করে আনার। ফাইটোকেমিক্যাল নামের যে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ধমনীকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে তার অনেকটাই মেলে আনার বা বেদানা থেকে।

বেরি জাতীয় ফল:
রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটা কমিয়ে দিতে পারে এই ধরনের ফল। তাই সুযোগ পেলেই ফলের স্যালাডে মিশিয়ে নিন ক্রানবেরি, ব্লু বেরিদের।

সাবধান ! খাবারের ককটেল করতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনছেন না তো

food

একসঙ্গে অনেক ধরনের খাবার খেতে পছন্দ করেন অনেকেই। তবে পাকস্থলীর বিষয়টাও মাথায় রাখতে হবে। কিছু কিছু খাবার আছে যা একসঙ্গে খেতে ভালো লাগলেও, তা মোটেও শরীরের পক্ষে সুখকর নয়। এতে ঘটতে পারে চরম বিপত্তি। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।
জেনে নিন কোন খাবারগুলো কখনওই একসঙ্গে খাবেন না

কলা আর দুধ-
একসাথে দুধ আর কলা খুবই সুস্বাদু। তবে এই খাবার দুটি একসাথে খেলে শরীরের ব্যাপক ক্ষতি হয়। কলা অ্যাসিড তৈরি করে। দুধ কলার সংস্পর্শে এলে ছানা হয়ে যায়। এটি পেটে মারাত্মক গ্যাস সৃষ্টি করে। সহজে হজম হয় না। যা শরীরের ক্ষতি করে। তাই কলা আর দুধ কখনোই একসঙ্গে নয়।

চিজ আর মাংস-
সাধারণত পাস্তা কিংবা পিজাতে আমরা এই দুটি খাবার একসঙ্গে খেয়ে থাকি। তরুণদের কাছে এই খাবার দুটি খুবই জনপ্রিয়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে চিজ এবং মাংস কখনোই একসাথে খওয়া ঠিক নয়। এই দুটি খাবারই প্রোটিন সমৃদ্ধ। তাই একসাথে এই দুটি খাবার খেলে শরীরে ব্যাপক ভাবে প্রোটিনের মাত্রা বেড়ে যায়। তার সঙ্গে লিভারের প্রোটিনের মাত্রাও বৃদ্ধি পায়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

ডিম আর লেবু-
অনেকেই আছেন যারা এগ স্যালাড খেতে পছন্দ করেন। তার মধ্যে স্যালাডের ওপর যদি একটু লেবু দিয়ে দাওয়া যায় তালে তো কথাই নেই। খেতে ভালো লাগলেও এটি শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর। ডিম আর লেবু ভুল করেও একসঙ্গে খাবেন না। এতে রক্তজালিকা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। যা হার্ট অ্যাটার্কের সম্ভাবনা বাড়ায়।

পিজা আর কোল্ড ড্রিংক-
পিজার সাথে কোল্ড ড্রিংক হলে ব্যাপারটা জমে যায়। অনেকেই এই দুটি খাবার একসাথে খেতে পছন্দ করেন। তবে আদতে এই দুটি খাবার একসঙ্গে খওয়া একেবারেই ঠিক নয়। পিজায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। তার সাথে সোডা জাতীয় পানীয় খেলে মুশকিলে পড়তে পারেন। কেন না সোডায় প্রচুর পরিমাণে সুগার থাকে। যার ফলে হজমের সমস্যা দেখা দেয়।

দুধ আর ডিম-
শরীর ফিট রাখতে অনেকেই দুধ আর ডিম সেদ্ধ খাবার পরামর্শ দেন। তবে এই দুটি খাবার একসঙ্গে খেলে এর ফল হবে উল্টো। প্রোটিন সমৃদ্ধ পানীয়ের মধ্যে দুধের জুরি মেলা ভার। অন্যদিকে ডিমেও প্রচুর প্রোটিন থাকে। যার ফলে শরীরে হজমের সমস্যা দেখা দেয়। তাই দুধ এবং ডিম একসঙ্গে খেতে বারণ করা হয়।

খাবার খেতে খেতে জল খাওয়া-
আমরা প্রায় সকলেই খাবার খেতে খেতে জল কিনবা জুস খেয়ে থাকি। যা একেবারেই ঠিক নয়। খাবারের সাথে জল খেলে পেট ফুলে যায় এবং গ্যাস সৃষ্টি হয়। তাই চিকিৎসকদের মতে সব সময় খাবার খাওয়ার ১০ মিনিট আগে কিংবা খাবার গ্রহণের ৩০ মিনিট পরে জল খওয়া উচিৎ।

একসময় ভক্তদের মনে ঝড় তুলতে বিপাশা, কীভাবে ধরে রেখেছিলেন চাবুক ফিগার

Online Desk: বিপাশা বসু, মানেই এক সময় পর্দায় উষ্ণ আবেদন, যাঁর লুকে ঝড় উঠত ভক্তমহলে। যে কোনও পোশাকেই ছিলেন তিনি সাবলীল। জনের সঙ্গে দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক। একের পর এক হিট ছবি উপহারও দিয়েছেন তিনি। এই স্টানিং ডিভা কীভাবে  নিজেকে ধরে রাখতেন। তাঁর মত পার্ফেক্ট ফিগার পেতে গেলে এবার জেনে নিন বিপাশার গোপন ডায়েটের রহস্য। 

বিপাশার এই পার্ফেক্ট ফিগারের পেছনে রয়েছে কড়া ডায়েট। শরীর চর্চার পাশাপাশি খাবারের প্রতি বিশেষ নজর দিয়ে থাকেন বিপাশা। ভোরবেলায় বিপাশা বসু ঘুম থেকে উঠে খেয়ে থাকেন এক কাপ কফি, আমন্ড সঙ্গে গরম জল। এরপর ব্রেকফাস্টে চাই তাঁর ডিমের সাদা অংশ, দুধ বা ফলের রস।

Bipasha

দুপুরে পাতে থাকে অল্প ভাত, সঙ্গে ডাল, সব্জি মাছ। বিকেলে শরীরচর্চার আগে হালকা স্ন্যাক্স, কখনও ফল বা সেক আর ডিনার বলতে আলাদা কিছু নয়। দুপুরে ও রাতের মেনু প্রায় একই থাকে, সব্জি, স্যালাড, চিকেন। এছাড়া সাধারণত বিপাশা বসু বাড়ির তৈরি খাবারই বেশি পছন্দ করেন। অবসরে একাধিক পদ রান্না করে থাকেন তিনি।

এছাড়াও নিয়মিত শরীরচর্চা করে থাকেন তিনি। নিজেকে ফিট রাখতে ও নিজের ইয়ং লুক ধরে রাখতে সব সময় বিপাশা জিম ও যোগায় সময় কাটাতেন। এখনও তিনি একই রুটিন ফলো করে থাকেন। রাজ হোক বা ধুম, বিপাশার চাবুক ফিগার ও অভিনয়ের দক্ষতাই ছিল ছবি হিট হওয়ার পেছনে মূল রহস্য। 

সেক্সিয়েস্ট পুরুষের তকমা, এই ফিগার কী খেয়ে ধরে রেখেন হৃত্বিক

hrithik-roshan

সেক্সিয়েস্ট সুপারস্টারের তকমা, কখনও আবার সবথেকে বেশি ফ্যানেদের চাহিদার পুরুষের তকমা নিয়ে বারে বারে খবরের শিরোনামে উঠে আসেন। কীভাবে হৃত্বিক এই ফিগার ধরে রেখেছেন! এই প্রশ্ন অনেকেরই। হেয়ারস্টাইল থেকে আউটফিট, সবই ফলো করা ভক্তদের অভাব হয় না। কিন্তু ডায়েটের গোপন রহস্য কি জানা আছে হৃত্বিকের!

দিনে মাত্র তিনবার খেতে হবে এটা মেনে চলেন না হৃত্বিক। অনেক স্টারেরাই রয়েছেন, যাঁরা মনে করেন তিন বেলা খাবারটাই শ্রেয়। ছোট ছোট মিলেই ভরপুর হৃত্বিকের ডায়েট। খিদে পাওয়া মাত্রই খেয়ে থাকেন তিনি। লাঞ্চ ও ডিনারের জন্য অপেক্ষা করা নয়। ব্রেকফাস্টে এগ হোয়াইট থাকতেই হবে। প্রতিদিন এই আইটেমটা চাই-ই চাই। প্রোটিনের ব্যালন্স নিয়ে সচেতন হৃত্বিক।

Hrithik Roshan

প্রোটিন শেক খেয়ে থাকেন ওয়ার্ক আউটের আগে খেয়ে থাকেন তিনি। সারাদিনে ফলও খেয়ে থাকেন যথেষ্ট পরিমাণে। ব্রাউন রাইস, সুইট পোটাটো থাকে তাঁর লাঞ্চে। ফলে পোটাটো খেলেই যে ফিট থাকা যায় না, এই ধারনা ভুল। সিদ্ধ সব্জি সঙ্গে স্যুপ চিকেন পছন্দ করেন হৃত্বিক, ফলে প্রতিদিনের লাঞ্চে তা রাখতেই হয়। এছাড়াও সব্জি তো রয়ছেই। সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করে থাকেন। ওয়ার্ক আউটে বেশি সময় দিতে হয় হৃত্বিককে। যার ফলে তাঁর মেনুতে অলটাইম জল আবশ্যিক।

Jacqueline Fernandez: পার্ফেক্ট ডায়েটের ব্যালন্সেই জ্যাকলিন Fit To Hit, রইল দিনভরের মেনু

jacqueline fernandez Fit To Hit

Online Desk: জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ (Jacqueline Fernandez) বলিউডে যাঁর উপস্থিতি মানেই এক উষ্ণ আবেদন। আইটেম নম্বর থেকে শুরু করে লিড, প্রতিটা ক্ষেত্রেই একশো শতাংশ পার্ফেক্ট জ্যাকলিন। নিজেকে তাই ধরে রাখতে প্রতি নিয়ত কড়া নিয়মের ঘেরাটোপে বেঁধে রাখেন। শরীরচর্চা থেকে শুরু করে ডায়েট টিপস। কোনও কিছুই তাঁর নজর এড়ায় না।

jacqueline fernandez Fit To Hit

বাইরের খাওয়ারে সাফ না। পাশাপাশি প্রতিটা দিন মেডিটেশন করা, ঘড়ি ধরে জিম, শরীরচর্চা ও নিজেকে ফিট রাখার জন্য সঠিক সময় সঠিক ডায়েট ফলো করা। এভাবেই জ্যাকলিন এখনও নিজেকে পার্ফেক্ট করে রেখেছে। তাঁর এই ফিগারের পেছনে থাকা ডায়েটের সিক্রেট কী জানেন!

jacqueline fernandez Fit To Hit

চলুন জেনে নেওয়া যাক সকাল থেকে রাত কী কী খান জ্যাকলিন –

ব্রেকফাস্টের আগে এক গ্লাস জলে লেবু ও মধু মিশিয়ে খান জ্যাকলিন। ব্রেকফাস্টে ডিম সেদ্ধ, ফল, ও গ্রিন টি থাকে। দুপুরে ব্রাউন রাইস ও স্যালাড থাকে জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের। মাছের মধ্য়ে সুশি ও স্যামন ফিশ খান জ্যাকলিন। ডিনারে একদম হালকা খাবার পছন্দ করেন তিনি। জ্যাকলিন দিনে দুবার অন্তত গ্রিন টি পান করে থাকেন। এছাড়াও প্রতিদিন সকাল ৭ টায় ঘুম থেকে উঠে যোগ ব্য়ায়াম করেন জ্যাকলিন। শক্তি বাড়াতে ও ফিট থাকে কার্ডিও এক্সারসাইজ করে থাকেন এই বলিডিভা। 

Salman Khan: বলিউডের এলিজেবেল ব্যচেলার, কোন রহস্য ফিট ফিগারে হিট সলমন

Online Desk: বয়স পেরিয়েছে ৫০-শের কোটা, তবুও আজও ভক্তদের মনে একটাই প্রশ্ন ভাইজানকে (Salman Khan) নিয়ে, কবে তিনি বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন! আর জবাব এখনও রহস্য। তবে বয়স যে বাড়ছে বছর বছর, সলমনকে দেখলে তা বোঝা দায়। সদ্য মুক্তি পাওয়া ছবি রাধের সেটে তাক লাগিয়ে ধরা দিয়েছেন তিনি পার্ফেক্ট ফিগার ও অ্যাপে।

বিপরীতে দিশা পাটানি। হট সিজলিং এই অভিনেত্রী ভাইজানের অর্ধেক বয়সের সমান হলেও, এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলে বসেন, তাঁকে দিশার মতই ইয়ং লেগেছে। সলমনের এই ফিটনেসের রহস্য কি! শরীরচর্চা জিম তো রয়েছেই, সঙ্গে মেনে চলের কড়া ডায়েট।

কী কী থাকে সলমন খানের মেনুতে-
ব্রেকফাস্ট- ঘুম থেকে উঠেই জিমের জন্য শুরু হয়ে যায় প্রস্তুতি। সকালে তিনি খান চারটে ডিমের সাদা অংশ ও লো-ফ্যাট দুধ।
লাঞ্চ- সাধারণত সলমন খান দুপুরে খেয়ে থাকেন পাঁচটা রুটি, গ্রিল্ড ভেজিটেবল ও স্যালাড।
বিকেলে জিমের আগে- প্রোটিন শেক খেয়ে থাকেন সলমন। এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে জল পান করে থাকেন তিনি।
জিমের পর- খুব খিদে পেলে সলমন এই সময়টা প্রোটিন বার বা ওটস খেয়ে থাকেন। মাঝে মধ্যে অবশ্য তিনি বাদামও খান।
ডিনার- রাতে শোওয়ার আগে সলমনের পাতে থাকে দুটি ডিমের সাদা অংশ, পাশাপাশি মাছ ও চিকেন সুপের সঙ্গে তিনি খেয়ে থাকেন।

দিনে দিনে ফিগার যেন আরও বোল্ড, ফাঁস ডায়েটের গোপন রহস্য

janhvi kapoor

Online Desk: জাহ্নবীর প্রথম লুক যেমন অনেকেই পছন্দ করেছিলেন, তেমনই আবার অনেকেই ভেবেছিলেন, আলিয়াদের টেক্কা দেওয়ার ফিগার বা লুকের অভাব। সত্যিই কি তাই! প্রমাণ হয়ে গেল নদীয় পাড়, গানের বোলে। বেলি ডান্স থেকে শুরু করে সেক্সি ফিগারে আগুন ধরিয়েছিলেন জাহ্নবী। এক কথায় ভক্তদের চোখ হয়েছিল ছানাবড়া। 

তবে এই লুকের রহস্য কি! কীভাবে নিজেকে পার্ফেক্ট লুক দিলেন জাহ্নবী কাপুর, এবার রইল সেই রহস্য। প্রতিনিয়ত কোন কোন পদে ফিগার হয়ে উঠছে স্টানিং! 

ঘুম থেকে উঠেই জাহ্নবীর চাই একগ্লাস জল, ব্রেকফাস্টে মেনুতে থাকে জাহ্নবীর থাকে টোস্ট, ফলের রস, ডিমের সাদা অংশ ও দুধ। এরপর লাঞ্চের পালা তাতে, স্যালাড ব্রাউন রাইস, চিকেন স্যান্ডুইচ। রাতে খাবারের তালিকাতে জাহ্নবীর থাকে ভেজিটেবল স্যুপ, ডাল, গ্রিল্ড ফিস, স্যালাড।

রাতে শোওয়ার ঠিক তিন ঘণ্টা আগে খাবার খেয়ে থাকেন জাহ্নবী। বাউরের খাবারে তাঁর সাফ না। বেবল বাড়িতে তৈরি খাবারই খেয়ে থাকেন জাহ্নবী। শ্যুটিং থাকলেও বাড়ি থেকেই খাবার নিয়ে যান শ্রীদেবী কন্যা। তবে সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করে থাকেন জাহ্নবী। শরীরচর্চাতেও কড়া নজর দিয়ে থাকেন তিনি।

পার্ফেক্ট লুকে ফ্রেমবন্দি পিগি চপস, কোন গোপন রহস্যে খুলছে রূপ

priyanka

বায়োস্কোপ ডেস্ক, মুম্বই- ১০ বছরের ছোট নিকের পাশে মোটেও বেমানান নন এখন প্রিয়ঙ্কা। উল্টো বয়স যেন তাঁর উল্টো পথেই হাঁটছে, নিজেকে এভাবেই পার্ফেক্ট লুকে সাজিয়ে নিলেন হটস্টার। দিন দিন এভাবে রূপের ছটা কীভাবে ফেটে পড়ছে পিগি চপসের, প্রশ্ন অনেকেই। তাই এবার আর কোনও রকম রাখ-ঢাক ছাড়াই নিজের ফিটনেস রহস্য নিজেই ফাঁস করলেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Priyanka (@priyankachopra)

 

দিনভর তাঁর রুটিনে জড়িয়ে থাকে ডায়েট, সঙ্গে শরীর চর্চা, কোন কোন বিশেষ দিকে নজর দিয়ে থাকেন তিনি! এবার প্রসঙ্গে আসা যাক।

প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে প্রিয়ঙ্কা যোগা করেন। নিয়মিত যোগা অভ্যাস করায় তিনি মনে করেন শরীর সতেজ থাকে ও এনার্জি পাওয়া যায়।

নিয়মিত জিমও করে থাকেন প্রিয়ঙ্কা। দিনে দুঘণ্টা তিনি জিমে সময় কাটান। এই সময় কার্ডিও, পুশআপ, বাইসেপ করে থাকেন তিনি।

ওয়েট তুলে থাকেন প্রিয়ঙ্করা। কিন্তু তা নিয়মিত নয়। লেগ করে থাকেন সপ্তাহে তিন দিন।

প্রিয়ঙ্কা সারাদিনের পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করে থাকেন। সারাদিন তিন লিটার জল পান করেন প্রিয়ঙ্কা।

তেল জাতীয় খাবারে প্রিয়ঙ্কার সাফ না। তিনি বাড়ির খাবারই বেশি পছন্দ করেন। শ্যুটিং-এও তিনি তাই খেয়ে থাকেন।

টাকটা ফল ও টাকটা সব্জি খেলে শরীর ভালো থাকে, প্রিয়ঙ্কার মতে এতে ইমিউনিটি শরীরে ভালো হয়।

বর্তমানে নিজের রেস্তোরাঁ সোনা নিয়ে বেস ব্যস্ত তিনি। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের খাবারের স্বাদ নিতে সেখানে নিত্য উপচে পড়ে ভিড়। মেলে কন্টিনেন্টালও। তবে নিজে খুব একটা ফুডি নন প্রিয়ঙ্কা। শরীর ধরে রাখতে একাধিক নিয়ম মেনে জীবনযাপন  করেন নিক ঘরনী। 

আপনার সন্তানের কী স্মৃতি নষ্ট হতে বসেছে, তবে অবশ্যই ডায়েট পাল্টে ফেলুন

mental health

স্মৃতিশক্তি আমাদের জন্য কতটা প্রয়োজন তা বলার অবকাশ থাকে না। ভুলে যাওয়া খুবই সাধারণ প্রক্রিয়া। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বিশ্বজুড়ে ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ বৃদ্ধি সম্পর্কে এক ভয়ংঙ্কর তথ্য প্রদান করেছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিশ্বে স্মৃতি শক্তি সমস্যাজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ কোটি ৭৫ লক্ষ। প্রতিবছর এই দলে যুক্ত হচ্ছে আরও ৭০ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষ। মস্তিষ্কে থাকা বিভিন্ন উপাদানের কর্ম ক্ষমতা ধরে রাখতে কিছু বিশেষ খাদ্য আছে, তা যদি আমাদের রোজদিনের খাদ্যতালিকায় থাকে তাহলে স্মৃতিভ্রংশ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

সেই খাদ্যগুলি সম্পর্কে জানব-

মাছ

তৈলাক্ত মাছ স্মৃতি শক্তি বাড়াতে উপকারী, যেমন- স্যামন, সার্ডিন, টুনা, ম্যাকারেল ইত্যাদি মাছ নিয়মিত খাওয়া উচিত। মাছের চর্বি মাছের চর্বিতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আছে, যা মস্তিষ্কের গঠন ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুবই সহায়তা করে। অনাগত সন্তানের সুস্বাস্থ্যের এবং মস্তিষ্কের গঠনের জন্য সপ্তাহে দু তিন দিন মাছ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

টমেটো

টমেটো স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। টমেটোতে রয়েছে লাইকোপেন। যা খুবই শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়মিত স্যালাডের সাথে টমেটো খেলে তা মস্তিষ্কের জন্য বিশেষ উপকারী।

ভিটামিন ‘বিসমৃদ্ধ খাবার

ভিটামিন বি, বি-৬, বি-১২ সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খাওয়া প্রয়োজন। মাছ, মাংস, ডিম এবং শাক-সব্জিতে এগুলি প্রচুর মাত্রায় থাকে।

শষ্য জাতীয় খাবার

শষ্য জাতীয় খাবার যেমন- কাঠবাদাম, ব্রকোলি, কুমড়োর দানা মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই রোজ একটু করে খাওয়া ভালো।

মধু ও দারুচিনি

মধু ও দারুচিনি স্নায়ুকে শিথিল করে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে কিছু পরিমাণ দারুচিনি নাকে নিয়ে শুকলেও স্মৃতিশক্তি বাড়ে এবং রাতে ঘুমানোর আগে শুঁকলে মানসিক চাপ কমে, ঘুম ভালো হয়।

সূর্যমূখীর বীজ

এই বীজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ই থাকে যা মস্তিষ্কের কার্যাবলীকে মসৃণ গতিতে পরিচালিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বেরি

স্ট্রবেরি, ব্ল্যাকবেরি, ব্লুবেরিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে যা মস্তিষ্কে সংকেত পাঠানোর পথকে শক্তিশালী করে।

বিটমূল

এর মধ্যে নাইট্রেটের পরিমাণ বেশি থাকায় এটি মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ করতে সাহায্য করে। ডিমেনশিয়া আক্রান্তদের মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক করে।

কালো চকলেট

এর মধ্যে প্রাকৃতিক উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী উপাদান এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে। এছাড়াও এর মধ্যে থাকা ক্যাফেইন মস্তিষ্ক এবং মেজাজ ঠিক রাখে। এই খাবারগুলি অবশ্যই রোজদিনের খাদ্য তালিকায় রাখা উচিত, শুধু মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্যই নয়, সুস্বাস্থ্যের জন্যও। আর এর সাথে বিভিন্ন ধরণের ব্যায়াম এবং প্রাতঃভ্রমণ মস্তিষ্কের জন্য ভালো। আর যারা ঘরে থাকেন তারা যেকোনো ধারাবাহিক সিরিয়াল কম দেখুন।

জানেন কি ফিট থাকতে নো-ডিনার, ক্রিকেট দুনিয়ার ফার্স্ট লেডি অনুষ্কার

anushka sharma

অনুষ্কা শর্মা, এক কথায় বলতে গেলে যাঁর ফিটনেস নিয়ে কোনও তুলনাই হয় না। সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর কয়েকদিনের মাথায় আবারও তিনি ফিট ফিগারে ধরা দিয়েছেন। সেই স্টানিং লুকের রহস্য লুকিয়ে কোথায় জানেন! অনুষ্কার অদ্ভুত ডায়েট প্ল্যানিং। রাত্রে না কি তিনি তেমন কিছু খানই না। এও কি সম্ভব! এভাবেই কিন্তু নিজের বডিকে সকলের সামনে পার্ফেক্ট লুক দিয়েছেন অনুষ্কা। চলুন জেনে নেওয়া যাক কী কী থাকে দিনভর অনুষ্কার পাতে-

 সকালে উঠে অনুষ্কা খান দুটো ডিমের সাদা অংশ, এক গ্লাস ফলের রস এরপর বেশ খানিকটা বিরতি। দুপুরে অনুষ্কার চাই সব্জি তরকারি, ডাল, দুটো রুটি ও স্যালাড। এরপর বিকেলে তাঁর পাতে থাকে প্রোটিন বার বা ঋতু ভিত্তিক ফল। তবে চমক হল রাতের বেলায়। অনুষ্কা টিফিনের পর তেমন কিছুই খান না আর। রাতে শোওয়ার আগে একগ্লাস দুধ হলেই যথেষ্ট। 

এতেই ইতি। অনুষ্কার নেই কোন চিট ডে। এক কথায় বলতে গেলে অনুষ্কা যখনই কিছু খান তখনই চেষ্টা করেন তা যেন বাড়িতে তৈরি হয়ে থাকে। ফলে শ্যুটিং ফ্লোরেও তিনি খাবার নিজেই নিয়ে যান। পাশাপাশি ফলের রস জল পান করে থাকেন ঘড়ি ধরে। বাইরে পার্টি হোক কিংবা আচার অনুষ্ঠান। সামান্য কনটিনেন্টালেই খুশি থারেন তিনি।