By Election: জামানত খুইয়ে বিজেপির অভ্যন্তর যেন আগ্নেয়গিরি

BJP-begal

News Desk: অশালীন বাক্য ব্যবহার, কু মন্তব্য, পারস্পরিক দেখে নেব গোছের হুমকির জেরে রাজ্য বিজেপির অভ্যন্তরে আগ্নেয়গিরির মতো পরিস্থিতি। উপনির্বাচনে দলের ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর এমনই অবস্থা বিরোধী দলের।

চারটি আসনের উপনির্বাচনে তিনটি আসনে জামানত খুইয়েছে বিজেপি। গতবারের জয়ী দুটি আসন এবার হাতছাড়া। এমনটা ভাবেননি রাজ্য নেতৃত্ব। ফলে আকচা আকচি শুরু হয়েছে।

কেউ টুইটে তো কেউ ব্যক্তিগত মহলে কেউ আবার প্রকাশ্যেই শুরু করে দিয়েছেন আক্রমণ। কেথাও কোথাও লাভা বের হতে শুরু করেছে। এর পরেই জ্বালামুখ ফেটে পড়ার আশঙ্কা প্রবল। সূত্রের খবর, বিভিন্ন জেলায় দলীয় দফতরগুলিতে নেতাদের ও তাঁদের গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

উপনির্বাচনে চার কেন্দ্রেই পরাজয়। ফলাফল বলে দিচ্ছে বিরোধী দলটির বিধায়কের সংখ্যা কমে গেল বিধানসভায়। আরও সূত্রের খবর, উত্তরবঙ্গ থেকে ধস নামছে দীপাবলির পরেই।

ফলাফল ঘোষণা শেষ হতেই বিজেপির নেতারা যেভাবে হামলা শুরু করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় তাতে আশঙ্কা দলের রাজ্য দফতরে না খণ্ডযুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়। এমনই আশঙ্কা বাঁকুড়া ও পূর্ব বর্ধমান জেলার একাংশ নেতাদের। তাঁরা স্পষ্ট জানান, তেমন হলে তৃণমূলে সামিল হয়ে যাব। আর কোনও পথ নেই।

অভিযোগ আরও প্রবল, রাজ্য সভাপতি সুকান্তবাবু, প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপবাবু, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুবাবু সহ বিভিন্ন সাংসদ ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীরা কড়া নিরাপত্তা পান। কিন্তু যাদের উপর ভরসা করে দল চলে সেই নিচু তলার কর্মীরা অসুরক্ষিত। তাঁরা এবার দলে দলে ভিড় জমাবেন তৃণমূল শিবিরে।

<

p style=”text-align: justify;”>রাজনৈতিক গতি বলে দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে যে স্রোত বয়েছিল বিধানসভা ভোটে এবার উপনির্বাচনের ফলে তার উল্টো স্রোত বইছে।

এবার বিজেপির লকেট হারানোর পালা, তালিকায় রূপা

.bjp MP locket chatterjee may quit from her party

নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুরের ভোটের আগেই কি ফের বিজেপিতে ধ্বস ? অন্তত তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুনাল ঘোষের টুইট থেকে এমনই গুঞ্জন ছড়াচ্ছে। কুনাল ঘোষ টুইটে বিজেপি নেত্রী সাংসদ লকেট চ্যাটার্জিকে ভবানীপুরে প্রচার না করার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি লিখেছেন-দুনিয়া ছোট।

কেন ‘দুনিয়া ছোট’ এই শব্দ লিখলেন কুনাল ঘোষ ? এখানেই জল্পনা প্রবল। কারণ বাম জমানায় সিঙ্গুরে টাটা কারখানার জমি নিয়ে বিরোধিতার সময়ে তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে দেখা যেত লকেটকে। এমনকি মমতার ‘বিখ্যাত’ অনশন মঞ্চেও লকেট গিয়েছিলেন। পরে তিনি বিজেপির নেত্রী হন। প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির বাইকে চড়ে দেদার জনসভা করেছেন।

After durga puja Bjp bengal will face masive blow

দিলীপ ঘোষকে সম্প্রতি রাজ্য বিজেপির পদ থেকে অপসারিত করা হয়েছে। লকেট যে এর পরেই টার্গেট হবেন তা স্পষ্ট। গুঞ্জন লকেট গোপনে যোগাযোগ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তৃণমূল কংগ্রেস তাদের ‘পুরনো বন্ধু’ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে ফেরাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। যে কোনও সময় রাজ্য বিজেপিতে আরেকটি সাংসদ কমবে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

www.ekolkata24 সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ‘বিজয়ার পরেই বঙ্গ বিজেপিতে ‘বিচ্ছেদ সুর’ চড়া হচ্ছে’ এই শিরোনামে। তাতে সাংসদ লকেট যে দলত্যাগ করতে চলেছেন তারই ইঙ্গিত দিয়েছি আমরা। সোমবার কুনাল ঘোষের টুইট থেকে তেমনই ইঙ্গিত স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। লকেট চট্টোপাধ্যায় নীরব। তেমনই নীরব রূপা গাঙ্গুলী। বিজেপির অন্দরে কান পাতলে শোনা যাবে রূপা যে কোনও দিন…!

সূত্রের খবর, আসন্ন শারোদতসবের পর বিজয়া পালন করেই বিচ্ছেদ টানতে চলেছেন বিজেপি সাংসদ বিধায়করা। তৃণমূল কংগ্রেসের দাপুটে নেতা তথা বীরভূম জেলার দলীয় সভাপতি অনুব্রত মন্ডল (কেষ্ট) জানিয়েছেন, ভয়ঙ্কর খেলা হবে। মমতা ব্যানার্জি ভয়ঙ্কর খেলা খেলবেন।

যখন তোমার কেউ ছিল না…এখন আর অভিমানী রাহুলের বুক ভাঙে না

Rahul Sinha

নিউজ ডেস্ক: বঙ্গ রাজনীতির ইনিও চর্চিত। বিতর্কিত। তবে এখন একাকী। রাহুল সিনহা। এই নাম আর বিজেপি একসময় পশ্চিমবঙ্গে একসাথে উচ্চারিত হতো। ত খন বাজপেয়ী-আদবানী যুগ। রাজ্যে বিজেপি শূন্য ছিল।

তারপর তৃণমূলের উঠতি বয়স। এনডিএ অংশীদারি সুবাদে রাহুল-মমতার পাশাপাশি অবস্থান। রাজ্য থেকে কৃষ্ণনগরের জলুবাবু, দমদমের তপন শিকদারের মতো নেতৃত্বের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হলেও বিধানসভায় হালে পানি পেত না বিজেপি। রাহুল সিনহা রাজ্যের ‘ভাজপা’ মুখ হয়ে শাসক বামফ্রন্ট বিরোধী আন্দোলন চালাতেন।

দিন গত হয়েছে। বিজেপি রাজ্যে বিরোধী দল। বামেরা শূন্য। তৃণমূল সরকার। দলের নির্দেশে রাহুলবাবু সেই যে দিলীপ ঘোষের হাতে দায়িত্ব দিয়ে একপেশে হলেন, আর তেমন নেই তাঁর ভূমিকা এমনই মনে করেন তাঁর নিন্দুক গোষ্ঠী। বঙ্গ বিজেপিতে দিলীপ শাসন এখন অতীত। তবে তাঁর হাতেই বিজেপি রাজ্যে ঐতিহাসিক সাফল্য পায়। তাঁকে অপসারণের পর বিরোধী দলের নতুন রাজ্য সভাপতি হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার।

রাহুল সিনহা, দিলীপ ঘোষ দুই বিজেপি রাজ্য সভাপতির আমলে রাজ্যে বাম জমানার পতন ও তৃণমূল জমানা এমনই রাজনৈতিক সমীকরণ। এর মাঝে মোদী ঝড়কে আশীর্বাদ মাথায় করে দিলীপবাবু বিধানসভা ও সংসদে পৌঁছে গেলেন, আর এই ঝড়েও রাহুল সিনহার জয় হলনা। ‘হেরো’ তকমা নিয়েই একলা তিনি।

বিজেপির অভ্যন্তরে কান পাতলে শোনা যায় ‘রাহুল দা কেন যে জিততে পারেন না, রাম-ই জানেন!’ যদিও তাঁর বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর কটাক্ষ, একটা কাউন্সিলর ভোটেও জয়ের ক্ষমতা নেই রাহুল সিনহার। আসলে জয় ব্যাপারটাই ওর নামের সঙ্গে যায় না।

রাহুলবাবুর মন ভাঙে তবু বুক ভাঙে না। যে বঙ্গ বিজেপি একদিন তারকা শূন্য, বিধায়ক শূন্য তখন তিনি হাতে ধরে টানতেন সেই দলেই কোনঠাসা।
নতুন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে তেমন বনিবনা হবে না রাহুলবাবুর এটা ধরেই নিচ্ছেন রাজ্য নেতৃত্বের বড় অংশ। কারণ, সুকান্তবাবু আসলে বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ।

সূত্রের খবর, দিলীপ ঘোষকে সময়ের আগেই রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরানোর কারণ তাঁর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে বিজেপি হওয়া শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে ‘মনকষাকষি’। জানা যাচ্ছে বিষয়টি নিয়ে দলের অভ্যন্তরে তুমুল আলোড়ন চলছে। অনেকেই সুকান্তবাবুকে মানতে পারছেন না। এখানেই আশায় বুক বাঁধছেন রাহুল সিনহা।

সূত্রের খবর, শারোদতসবের পরে বিরাট ভাঙনের মুখে পড়তে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। সভাপতি হয়ে তা কতটা রুখতে পারবেন সুকান্ত মজুমদার সেটার উপরেই হবে বিচার।

Politics: ভাঙন রোখা ‘অসম্ভব’ সুকান্তবাবুর পক্ষে, বঙ্গ বিজেপি সরগরম

Sukanta mazumdar

নিউজ ডেস্ক: এ যেন কাঁটার মুকুট ! বিরেধী দলের রাজ্য সভাপতি হয়েছেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তাঁকে লাড্ডু খাওয়ানোর হিড়িক লেগেছে। আবার মিষ্টিমুখের আড়ালেই রয়েছে তেতো বিষয়-বঙ্গ বিজেপির একাধিক নেতা নারীঘটিত বিষয়ে অভিযুক্ত। বেশ কিছু নেত্রীর বিরুদ্ধে বারবার অশালীন কাজের অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন ভাইরাল ভিডিও তেমনই ইঙ্গিত দেয়।

সূত্রের খবর, নতুন দায়িত্ব নিয়েই সুকান্ত মজুমদার এই বিষয়গুলি সমাধানে জোর দিচ্ছেন। অভিযোগ, রাজ্য বিজেপির এক প্রাক্তন বিধায়কের নারীঘটিত বিষয়ে বারবার প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে কর্নপাত করেননি দিলীপ ঘোষ।

বিজেপি নতুন রাজ্য সভাপতি সংগঠনে পরিচ্ছন্নতা আনতে চাইছেন বলেই খবর। তবে রাজ্য বিজেপির বহু নেতার মনোভাব দলে যেভাবে ভাঙন ধরাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাতে সুকান্তবাবুর মতো নরম নেতার পক্ষে সব সামাল দেওয়া অসম্ভব।

Sukanta majumdar

এদিকে আরএসএস নেতৃত্বের একাংশের মত, যেভাবে আদর্শবিহীন হয়ে বিজেপিতে সবাইকে আনা হচ্ছিল তার ফল পেতেই হবে। সুকান্তবাবুর সামনে কঠিন পরীক্ষা।

সূত্রের খবর, বিধানসভা ভোটে বিজেপি কেন ক্ষমতা দখল করতে পারল না, সেই কারণ খুঁজবেন নতুন রাজ্য সভাপতি। তাঁর কর্মসূচিরর মধ্যে আছে বিস্তারকদের জন্য দেওয়া টাকার হিসেব। এখানে বিস্তর নয়ছয় হয়েছে বলে সাংগঠনিক স্তরেই অভিযোগ ও সরগরম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বারবার।

After durga puja Bjp bengal will face masive blow

সুকান্ত মজুমদার রাজনীতিতে নবীন মুখ। তিনি আগে ভালো করে রাজ্য চিনুন, জানিয়েছেন প্রবীন বিজেপি নেতা ও ত্রিপুরার প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়।

প্রশ্ন উঠছে, ভাবানীপুর বিধানসভার উপনির্বাচনের আগেই কেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি পদ থেকে দিলীপবাবুকে অপসারিত করা হলো? সূত্রের খবর, সাম্প্রতিক যে ভাঙন ধরেছে বঙ্গ বিজেপিতে তা রুখতে পারছিলেন না দিলীপ ঘোষ। তাঁর বিরুদ্ধে দলেরই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে অভিযোগের পাহাড় জমেছে।

বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দিলীপ ঘোষের সম্পর্কের ফাটল বেড়েছে। দু পক্ষ পরস্পরকে কটাক্ষ করেন অবিরত। বিভিন্ন জেলা থেকে দিলীপবাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগের ফিরিস্তি আসছে।

মমতা-সরকারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশিদের ভুয়ো ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার অভিযোগ দিলীপের

Dilip Ghosh and mamata banerjee

নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো আইএএস, ভুয়ো সিবিআই, ভুয়ো সিআইডি অফিসার, ভুয়ো মানবাধিকার সংগঠনের কর্ণধার… গত কয়েকদিনে রাজ্যে বহু ‘ভুয়ো’ পদাধিকারী ধরা পড়েছে। স্বভাবতই তাতে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস এবং তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোণঠাসা করার চেষ্টা করেছে বিরোধী দলগুলি।

আরও পড়ুন ত্রিপুরা: মমতার টার্গেট কংগ্রেস ভোট! সন্তোষমোহন কন্যা সুস্মিতায় আপ্লুত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার

এবার একধাপ এগিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বাংলাদেশি নাগরিকদের ভুয়ো ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হচ্ছে, এবং ভোটব্যাঙ্ক বাড়ানোর লোভে তা করছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার। এমনটাই দাবি করেছেন দিলীপ। 

আরও পড়ুন একবছর হয়ে গেল বাণিজ্য সম্মেলনের তথ্য চেয়েও পাইনি;, রাজ্যকে আক্রমণ ধনখড়ের

কয়েক ঘন্টা আগেই জাল সরকারি পরিচয় পত্র তৈরি চক্রের মূল পান্ডা শেখ গোলাম মোর্তজাকে গ্রেফতার করেছে লেক টাউন থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর আমডাঙার বাসিন্দা এই অভিযুক্ত নিউটাউন এলাকায় ভুয়ো সরকারি নথি এবং ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরির কাজ চালাতো।

আরও পড়ুন উত্তরে বিজেপির ধস নামছে, চিন্তা বাড়ছে দিলীপ-শুভেন্দুর

কিছু টাকা দিলেই পাওয়া যেত ভুয়ো নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র। গত ১৯ জুন ভুয়ো নথি সহ এক বাংলাদেশী নাগরিককে গ্রেফতার করে লেক টাউন থানার পুলিশ। তাঁর কাছ থেকেই উঠে আসে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। বেআইনি ভাবে প্রবেশের পর টাকা দিয়ে তৈরি করেছিল ভারতীয় নাগরিকত্বের জাল নথি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে লেকটাউন থানার পুলিশ। 

‘দুটো ঢিল খেয়েই সমস্ত বিপ্লব শেষ’, দেবাংশুদের কটাক্ষ দিলীপের

নিউজ ডেস্ক: “দুটো ঢিল মেরেছে, আর তাতেই বিপ্লব শেষ।” ত্রিপুরায় আক্রান্ত যুব তৃণমূল নেতৃত্বকে এভাবেই কটাক্ষ করলেন ভারতীয় জনতা পার্টি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার ‘খেলা হবে’ দিবসের দিনে তৃণমূল নেতৃত্বকে কটাক্ষ করে দিলীপ বলেন, “খেলা তো সব জায়গায় শুরু হয়ে গিয়েছে। ত্রিপুরাতেও খেলা শুরু হয়ে গিয়েছে। ওঁরা শুরু করার আগে।”

আরও পড়ুন উত্তরবঙ্গে বন্যা, মালদায় গিয়ে ছবি তুলে লোক দেখাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী: দিলীপ ঘোষ

আজ থেকে রাজ্য জুড়ে ‘খেলা হবে’ দিবস পালন করছে তৃণমূল। গত বিধানসভা নির্বাচন থেকেই এই স্লোগানে ঝাঁপিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তারপরেই রাজ্যে নির্বাচনে জিতে তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। নির্বাচনের জেতার পরেই অন্যান্য রাজ্যের দিকে নজর দিয়েছে জোড়াফুল নেতৃত্ব। সেই লক্ষ্যেই পড়শি রাজ্য ত্রিপুরায় গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্ব।

চলতি সপ্তাহের রবিবার ফের ত্রিপুরায় আক্রান্ত হন তৃণমূল নেতৃত্ব। দুই মহিলা সাংসদের গাড়ি ঘিরে ব্যাপক ভাঙচুর চলে বলে অভিযোগ। এমনকি সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের ব্যাগ ছুড়ে ফেলা দেওয়া হয়। সাংবাদিক বৈঠক এই ঘটনার নিন্দা করার পাশাপাশি ত্রিপুরার রাজ্যপাল, মানবাধিকার কমিশন ও মহিলা কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে রাজ্যের শাসক দল।

আরও পড়ুন দিল্লির কৃষক আন্দোলন ভুয়ো, বিরোধীদের মদতপুষ্ট: দিলীপ ঘোষ

প্রসঙ্গত, ত্রিপুরায় প্রশান্ত কিশোরের আইপ্যাকের টিমকে আটকে রাখার নিয়ে শুরু হয় বিরোধ। কয়েকদিন আগে ত্রিপুরায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হন তৃণমূল কংগ্রেসের যুব নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা এবং জয়া দত্তরা। তারপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরায় পৌঁছালে তাঁর ওপরেও হামলার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় বিজেপি শিবিরের বিরুদ্ধে।

বারবার এই ঘটনায় বিপ্লব দেবের সরকারের দিকে আঙুল তুলছে রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই প্রসঙ্গেই দিলীপ ঘোষ বলেন, “এই ঘটনা নিয়ে খুব কান্নাকাটি করছে ওরা। ত্রিপুরায় বাচ্চা বাচ্চা ছেলেদের নিয়ে গিয়েছে। তাঁদের কেন নিয়ে যায়? কেউ বলছে সুইসাইড করব, কেউ বলছে রাস্তায় শুয়ে থাকবে- দুটো ঢিল মেরেছে আর তাতেই সব বিপ্লব শেষ!”

উত্তরবঙ্গে বন্যা, মালদায় গিয়ে ছবি তুলে লোক দেখাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী: দিলীপ ঘোষ

Mamata-Dilip

কলকাতা: রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে শাসক-বিরোধী চাপানউতোর বাড়ল। এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বন্যার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা ডিভিসি-র জল ছাড়াকে দায়ী করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছেন। তা নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেছিলেন, রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ‘বিভ্রান্তিকর তথ্য’ দিচ্ছেন।

আরও পড়ুন কালের গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে ইতিহাস

এবার একধাপ এগিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বসলেন তিনি। এদিন তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভ্যাস হয়ে গিয়েছে অন্যদের দোষারোপ করা। তিনি মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন কি করেছেন? কলকাতাকে বাঁচাতে পারছেন না। ঘাটাল, ময়না ইত্যাদি জায়গার অবস্থা আরও শোচনীয়। উত্তরবঙ্গে বন্যা হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু মালদা গিয়ে জলে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে নিয়ে চলে এসেছিলেন।”

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মুখ্যমন্ত্রীকে আশ্বাস দিয়েছেন এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিস্থিতিতে রাজ্যের পাশেই আছে কেন্দ্র। প্রয়োজনে সব ধরনের সাহায্য করবে কেন্দ্রীয় সরকার। মুখ্যমন্ত্রীও প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন, ‘আমি ইতিমধ্যেই উপদ্রুত এলাকা পরিদর্শনে বেরিয়েছি। নবান্নে ফিরে এসে সামগ্রিক রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠাব।’ তা নিয়েও অভিযোগ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি এদিন বলেন, সেচের বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য কেন্দ্র টাকা পাঠিয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকার প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমি দিতে না পারায় টাকা দিল্লিতে ফেরত চলে গিয়েছে।

আরও পড়ুন নয় দশক পেরিয়েও বঙ্গ জীবনের অঙ্গ বোরোলিন

এর পরেই দুর্গতদের সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশনের জল ছাড়ার বিষয়ে অভিযোগ জানান। এই বন্যাকে ‘ম্যান মেড’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীকে তিনি বলেন, ‘ডিভিসি রাজ্যকে না জানিয়েই জল ছেড়েছে। তার উপর প্রবল বর্ষণের জন্যই রাজ্যে কার্যত বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।’ তা নিয়ে কার্যত তৃণমূল সূপ্রিমোকেই দায়ী করেছেন দিলীপ ঘোষ। ‘রাজ্য সরকারকে জানিয়েই জল ছাড়ে ডিভিসি। সমস্ত ঘটনাই রাজ্য সরকার জানে। এখন নাটক করছে”, মন্তব্য দিলীপের।

দিল্লির কৃষক আন্দোলন ভুয়ো, বিরোধীদের মদতপুষ্ট: দিলীপ ঘোষ

Dilip Ghosh

কলকাতা: চলতি বছরের মে মাসেই কৃষকদের টাকা বিলি বন্ধ করা হোক, এই দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এবার তিন মাস কাটতে না কাটতেই আবার কৃষকদের বিরুদ্ধে সরব হলেন তিনি। গত বছর থেকেই দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারের এবং তাদের আনা কৃষি বিলের বিরোধিতায় নেমেছে দেশের কৃষকেরা।

এবার সেই কৃষক আন্দোলন নিয়ে সরব হলেন তিনি। তিনি বলেন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে দিল্লির রাজপথে চলা কৃষক আন্দোলন ভুয়ো। সরাসরি অভিযোগ করলেন, এই আন্দোলন সংগঠিত নয়।, টাকা দিয়ে ভাড়া করে লোককে আনা হয়েছে। এদের শুধু মোদি বিরোধিতা করাই লক্ষ্য।

আরও পড়ুন বাস্তবের সিধুজ্যাঠাই ছিলেন কলকাতার শেষ বাবু

অবশ্য এটাই প্রথমবার নয়, এর আগেও বেশ কয়েকবার এই অভিযোগ এনেছেন দিলীপ ঘোষ সহ বিজেপির অন্যান্য নেতানেত্রীরা। কৃষকদের আন্দোলনকে বিরোধীদের মদতপুষ্ট বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় নেতারাও। এর আগে চলতি বছরের মে মাসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্যোগে রাজ্যে চালু হয়েছে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মাননিধি প্রকল্প। প্রথম দফার টাকা পেয়েছেন প্রথম দফায় নথিভূক্ত বাংলার কৃষকরা।

এতদিন রাজ্য সরকার কেন প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মাননিধি চালু করেনি তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সহ অন্যান্য নেতা-নেত্রীরা। ২০০–র বেশি আসন নিয়ে হ্যাট্রিক করে রাজ্যের মসনদে বসার পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রকল্প চালু করতে ছাড়পত্র দিয়েছেন। এই প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মাননিধি প্রকল্পে কৃষকদের আর্থিক সাহায্য দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজ্যে দুর্নীতি হতে পারে বলে আশঙ্কাও প্রকাশ করেছিলেন দিলীপ ঘোষ।

নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি পাঠিয়ে তিনি দিলীপ দাবি করেছিলেন, রাজ্যে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে ২৩ লাখ কৃষক নির্দিষ্ট পোর্টালে আবেদন করলেও প্রথম দফার টাকা পেয়েছেন মাত্র ৭ লাখ চাষি। বাকি কৃষকদের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়নি। এবার সরাসরি কৃষকদের বিরুদ্ধেই তোপ দেগেছেন তিনি। যদিও, দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের মধ্যে বেশিরভাগই উত্তর ভারতের, বাংলার কৃষকরা তাতে অংশ নেয়নি বলেই দাবি বিজেপি শিবিরের।