T20 World Cup: নিউজিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া

Winners as Australia

Sports desk: রবিবার টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অল ট্রান্স-তাসমান লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয় নিউজিল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়া টসে জিতে বোলিং’র সিদ্ধান্ত নেয়।

অস্ট্রেলিয়া জিতলো ৮ উইকেটে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। মিচেল মার্স ৭৭ এবং গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ২৮ রানে দুজনেই অপরাজিত থেকে অস্ট্রেলিয়াকে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন করেছে।
বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া নিজেদের উইনিং (সেমিফাইনাল জয়ের টিম) কম্বিনেশন অপরিবর্তিত রাখে। অন্যদিকে চোট পাওয়া কনওয়ের জায়গায় উইকেটরক্ষক টিম সেফার্ট কিউইদের প্রথম একাদশে জায়গা করে নেয়।

নিউজিল্যান্ড ২০ ওভারে ৪ উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে রান তুলেছে স্কোরবোর্ডে ১৭২ রান। জেমস নিসহ্যাম ১৩ এবং টিম সেফার্ট ৮ রানে অপরাজিত থাকে।

নিউজিল্যান্ডের কোণঠাসা অবস্থা থেকে কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়াসন নিজের অর্ধশতরান করে ফেলেন। ম্যাক্সওয়েলের বলে টানা দুই বলে দুটি ছক্কা মেরে স্টাইলে ৫০ রান নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের।

১৭ ওভার শেষে নিউজিল্যান্ড ২ উইকেটে ১৪৪ রান। ক্রিজে কেন উইলিয়মসন ৪৫ বলে ৮১ এবং গ্লেন ফিল্পিস ১৫ বলে ১৮ রান করে নট আউট। কিন্তু এতকিছুর মাঝে ফের অজিদের ব্রেক থ্রু দেয় জোস হ্যাজলউড। গ্লেন ফিল্পিস ম্যাক্সওয়েলের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে আসে, ব্যক্তিগত ১৮ রান করে। নিউজিল্যান্ড ৩ উইকেটে ১৭.২ ওভারে ১৪৪ রান।

১৭.৫ ওভারে নিউজিল্যান্ডের কাছে বড় ধাক্কা। জোস হ্যাজলউডের বলে স্টিভ স্মিথের হাতে ক্যাচ দিয়ে বসেন কিউই ক্যাপ্টেন কেন উইলিয়মসন ৮৫ রানের মাথায়। ১৪৮ রানে ৪ উইকেট নিউজিল্যান্ডের।

১৮ তম ওভারে জোস হ্যাজলউডের জোড়া ধাক্কা কিইউ শিবিরে, দ্বিতীয় বলে গ্লেন ফিল্পিস এবং পঞ্চম ডেলিভারিতে কেন উইলিয়মসনের উইকেট তুলে নিয়ে। তবে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নিউজিল্যান্ড ক্যাপ্টেন কেন উইলিয়মসনের ৪৮ বলে ৮৫ রানের দুরন্ত অধিনায়কোচিত ইনিংস মনে রাখার মতো।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া ২.৩ ওভারে ট্রেন্ট বোল্টের বলে অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের (৫) উইকেট দ্রুত হারিয়ে বসে, ১৫ রানে, এক উইকেট। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে কিউই পেসার ট্রেন্ট বোল্টের বলে ড্যারিল মিচেলের দুর্দান্ত ক্যাচ। অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের উইকেট নিউজিল্যান্ডের কাছে বড় প্রাপ্তি।
ক্রিজে ডেভিড ওয়ার্নার এবং মিচেল মার্স। অস্ট্রেলিয়া ১০.৫ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৯৬ রান। ওয়ার্নারের অর্ধশতরান ৩৫ বলে ৫২ এবং মার্সের ২৩ বলে ৩৭ রানে দুজনেই নট আউট।

১২.২ ওভারে ট্রেন্ট বোল্টের বলে অজি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার আউট ৩৮ বলে ৫৩ রান করে। স্কিড থ্রু এবং ডেভিড ওয়ার্নার তার শট পুরোপুরি মিস করেন। বোল্ট তার গতিতে ওয়ার্নারকে অবাক করে দেয়। অস্ট্রেলিয়া ১০৭ রানে দুই উইকেট। ৪১ বলে ৫৭ রান দরকার অস্ট্রেলিয়ার জেতার জন্য।

মিচেল মার্স অর্ধশতরান করে ৫৯ রানে ক্রিজে আর গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ১ রানে ক্রিজে। ৩৮ বলে ৫০ রান অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য। অস্ট্রেলিয়া ১৩.৪ ওভারে ২ উইকেটে ১২৩ রান। নিউজিল্যান্ডের পেসার ট্রেন্ট বোল্টে তিন ওভারে ৮ রান দিয়ে এখনও পর্যন্ত ২ উইকেট নিয়েছে।

নিউজিল্যান্ড উইকেটের খোঁজে টিম সাউদি বল হাতে। ক্রিজে ব্যাট করছে মিচেল মার্স এবং ম্যাক্সওয়েল। ২৮ বলে ২৬ রান দরকার অস্ট্রেলিয়ার জেতার জন্য।

১৬ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়া ২ উইকেটে ১৪৯ রান। ২৪ বলে ২৪ রান জয়ের লক্ষ্যমাত্রা অস্ট্রেলিয়ার সামনে। ক্রিজে মিচেল মার্স ৬৭ এবং ম্যাক্সওয়েল ২১ রানে ব্যাট করছে।

১৮ বলে ১৪ রান দরকার অস্ট্রেলিয়ার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জেতার জন্য। ক্রিজে মার্স ৪৪ বলে ৬৯ এবং ম্যাক্সওয়েল ১৩ বলে ২২ রানে ব্যাট করছে। কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়মসন ব্রেক থ্রু পাওয়ার আশায় ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদিকে দিয়ে বল করিয়েও অজিদের উইকেট তুলতে এখনও ব্যর্থ।

১৩ বলে ১২ রান দরকার অজিদের জেতার জন্য। বল হাতে মিলনে। মার্স ৭০ ম্যাক্সওয়েল ২৩ রানে ক্রিজে। ১২ বলে ১১ রান দরকার অস্ট্রেলিয়ার জেতার জন্য। টিম সাউদির হাতে বল। ক্রিজে মিচেল মার্স ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।

১০ বলে ৬ রান অজিদের জেতার জন্য। অস্ট্রেলিয়া জিতলো ৮ উইকেটে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে।

T20 World Cup: রবিবাসরীয় মেগা ফাইনালে অজিদের বিরুদ্ধে তুরুপের তাস ট্রেন্ট বোল্ট

Sports desk: দুবাইয়ে দুর্দান্ত রেকর্ড রয়েছে নিউজিল্যান্ডের পেসার ট্রেন্ট বোল্টের। ২০২০ সাল থেকে নয়টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১৮ উইকেট নিয়েছেন। রবিবারের ফাইনালে বোল্ট নিউজিল্যান্ডের হয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে সাহায্য করার লক্ষ্যে থাকবেন। অস্ট্রেলিয়া বিরুদ্ধে ৮ টি-টোয়েন্টিতে ১০ উইকেট নিয়েছেন। চলতি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ট্রেন্ট বোল্ট নিয়েছেন ১১ উইকেট।

নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া উভয়ই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফেভারিটদের মধ্যে ছিল না, কিন্তু ফাইনালে তাদের জায়গা বুক করার জন্য সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠেছে। ট্রান্স-তাসমান প্রতিদ্বন্দ্বীরা এখন প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জেতার জন্য মুখোমুখি হবে, দুই টিমই আগে কখনও এই টাইটেল জিতেনি।

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ডেভিড ওয়ার্নারকে ঘিরে দাঁড়িয়ে কিন্তু অজি ব্যাটিং শিবিরে কিছু দুর্বলতা রয়েছে যা সেমিফাইনালে পাকিস্তানি বোলারদের বিরুদ্ধে ব্যাট করার সময়ে সামনে এসেছিল এবং নিউজিল্যান্ডও এটি করতে চাইবে।

ইশ সোধি এবং মিচেল স্যান্টনারের স্পিন হুমকি ছাড়াও, নিউজিল্যান্ডের গো-টু অস্ত্র বাঁহাতি পেসার ট্রেন্ট বোল্ট অজিদের কাছে মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ।

দুবাইয়ে বোল্টের একটি উজ্জ্বল রেকর্ড রয়েছে। ২০২০ সাল থেকে নয়টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১৩.৫০ গড়ে ১৮ উইকেট নিয়েছেন এবং ১১.৩০ এর স্ট্রাইক রেট রয়েছে, যার মধ্যে দুটি মেডেন ওভারও রয়েছে।

অ্যারন ফিঞ্চ এবং তার দলের জন্য বিষয়টি আরও খারাপ কেননা বাঁ-হাতি পেসার ট্রেন্ট বোল্ট অজিদের বিপক্ষে বোলিং পছন্দ করে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৮ টি-টোয়েন্টিতে বোল্ট ১০ টি উইকেট নিয়েছেন, যা টি-টোয়েন্টিতে যেকোনো দলের বিপক্ষে তার জন্য সবচেয়ে বেশি উইকেট।

T20 World Cup: মার্কাস স্টয়নিস এবং ম্যাথু ওয়েড জুটিতে ভর করে অস্ট্রেলিয়া ফাইনালে

Australia

Sports desk: দুবাই আন্তজার্তিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে টসে জিতে অস্ট্রেলিয়া বোলিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। ২০ ওভারে পাকিস্তান ৪ উইকেটে ১৭৬ রান তোলে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া শুরুতেই পাক বোলার সাহিন আফ্রিদির ডেলিভারিতে বেসামাল হয়ে পড়ে, অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ রানের খাতা না খুলেই এলবিডব্লু’র শিকার হয় সাহিনের দুরন্ত ডেলিভারিতে। অস্ট্রেলিয়া ০.৩ ওভারে ১ উইকেট খুঁইয়ে ১ রানের মাথায় সোজা খাদের কিনারায় চলে গিয়েছে। সাহিনের ওই একটা ডেলিভারি, অ্যারন ফিঞ্চের উইকেট হারিয়ে ফেলা অজি টিমের শিরদাঁড়ায় গোড়াতেই আঘাত করে।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত দুরন্ত লড়াই অস্ট্রেলিয়ার। শেষ পর্যন্ত মার্কাস স্টয়নিস ৪০ এবং ম্যাথু ওয়েড ৪১ নট আউট জুটি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় এবং জয়ের লক্ষ্যমাত্রা ১৯ ওভারে ১৭৭ রান তুলে পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে চলে যায়। ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া মুখোমুখি হতে চলেছে নিউজিল্যান্ডের।

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এদিন পাকিস্তানের ডানহাতি লেগব্রেক বোলার সাহাদাব খান বল হাতে এককথায় অনবদ্য সঙ্গে অজি শিবিরের কাছে ত্রাস হয়ে ওঠেন। মিচেল মার্শ যখন ২৮ রানে ক্রিজে সেট হয়ে গিয়েছে ডেভিড ওয়ার্নারকে জুটি করে, ঠিক তখনই সাহাদাব খান মিচেল মার্শের উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানকে দ্বিতীয় ব্রেক থ্রু দেয়।

এরপর সাহাদাবের শিকার স্টিভ স্মিথ। মাত্র ৫ রান করে স্মিথ প্যাভিলিয়ন ফিরে আসে। অস্ট্রেলিয়া ৮.৩ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ৭৭ রান স্কোরবোর্ডে তুলতে পেরেছে।

ধারাবাহিক ভাবে অস্ট্রেলিয়ার উইকেট পড়তে থাকলেও ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার উইকেটের একদিক ধরে রেখেছিলেন। কিন্তু প্রতিকূল স্রোতে কতক্ষণ সাঁতার কাটা যায়! ব্যক্তিগত ৪৯ রানে সাহাদাব খানের বলে রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে আসেন। অস্ট্রেলিয়া ১০.১ ওভারে ৪ উইকেটে ৮৯ রান তুলেছে তখন।

মাত্র সাত রানের ব্যক্তিগত স্কোরে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল সাহাদাব খানের শিকার হয়,হারিস রউফের হাতে ক্যাচ দিয়ে।১৩ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া ১০৩ রান স্কোরবোর্ডে তুলেছে।

এমন পরিস্থিতিতে মার্কাস স্টয়নিস ক্রিজে আসেন, ম্যাথু ওয়েডকে সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মারণ কামড় দেওয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েন। অস্ট্রেলিয়া ১৪৯ রান ৫ উইকেট হারিয়ে। জয়ের জন্য ১৫ বলে ২৮ রান দরকার। এই দুই জুটি ক্রমেই ক্রিজে জমে যেতে শুরু করে। অন্যদিকে বাবর আজমের পাকিস্তান উইকেটের জন্যে হন্যে হয়ে ওঠে। ১৮ ওভার শেষে মার্কাস স্টয়নিস ২৯ বলে ৪০ এবং ম্যাথু ওয়েড ১৩ বলে ২১ রানে ক্রিজে। অস্ট্রেলিয়া ১৫৫ রান, ৫ উইকেটের বিনিময়।

৯ বলে ১৮ রান দরকার অস্ট্রেলিয়ার। ক্রিজেমার্কাস স্টয়নিস এবং ম্যাথু ওয়েড। পাক অধিনায়ক বাবর আজম সাহিন আফ্রিদির হাতে বল তুলে দেয়, ব্রেক থ্রু পাওয়ার আশায়, ১৮.৪ ওভার সাহিনের হাতে বল।
৭ বলে ৬ রান দরকার অজিদের জেতার জন্য।মার্কাস স্টয়নিস ৪০ এবং ম্যাথু ওয়েড ৪১ রানে ক্রিজে রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মার্কাস স্টয়নিস এবং ম্যাথু ওয়েড জুটি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় এবং জয়ের লক্ষ্যমাত্রা ১৯ ওভারে ১৭৭ রান তুলে পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে চলে যায়। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সাহাদাব খান ৪, সাহিন আফ্রিদি একটি উইকেট নিয়েছে।

T20 World Cup: ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা ভারত-পাকিস্তানের: হরভজন সিং

Harbhajan Singh

Sports Desk: ভারতের প্রাক্তন অফ-স্পিনার হরভজন সিং (Harbhajan Singh) টি-২০ বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তান মুখোমুখি হওয়ার পরে সোশাল মিডিয়া জুড়ে এক্সচেঞ্জের বাধা সম্পর্কে কথা বলেছেন।

ভাজ্জি আত্মবিশ্বাসের সুরে বলেছেন,”এটা পাকিস্তানের হয়ে থাকতে পারে কিন্তু বিশ্বকাপে আমরা তাদের ১২ বার পরাজিত করেছি, এটা ভুলে গেলে চলবে না। ভারত-পাকিস্তান আবার মুখোমুখি হলে ভারত আরও ভালো খেলবে এবং জিতবে।”

এখানেই শেষ নয়। ভাজ্জির কথায়, যদি ভারত ও পাকিস্তান উভয়েই সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে এবং তাদের নিজেদের চূড়ান্ত লড়াইয়ে জয়লাভ করে, তারা ফাইনালে মুখোমুখি হবে, অনেকটা ২০০৭ সালের উদ্বোধনী সংস্করণের মতো।

পাকিস্তান স্বচ্ছন্দ্যে জয়ী হয়ে চলে গেল এবং বিশ্বকাপে ভারতের কাছে ভয়ঙ্কর হারের ধারাবাহিকতার বোঝাও শেষ করেছে। হরভজন সিং সোশাল মিডিয়ার জগতে এই ম্যাচ ঘিরে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে তার উল্লেখ করেছেন, ক্রিকেট ভক্তরা এবং প্রাক্তন ক্রিকেটার উভয়ই ম্যাচটি নিয়ে তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে কথা বলার সময় হরভজন সিং পাকিস্তান দলকে তাদের জয় থেকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে সতর্ক করে বলেছেন, এই টুর্নামেন্টে ভাগ্য যদি আরেকটি মিটিং লেখা থাকে তবে ভারত শীর্ষে উঠে আসবে।

এই প্রসঙ্গে হরভজনের সাফ কথা,”ভারত বিশ্বকাপে প্রথমবার পাকিস্তানের বিপক্ষে হেরেছে, যদিও এটি টি-২০ বিশ্বকাপ ছিল, তবুও এটি ঘটেছিল। সোশাল মিডিয়ায় অনেক বিশৃঙ্খলা রয়েছে যেন তারা একটি বিশাল কাজ করেছে।” ভারতের বিরুদ্ধে ১০ উইকেটের ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বাবর আজমের পাকিস্তান। শাহিন আফ্রিদির ঝড়ের কবলে পড়ে ভারতের গর্বের ব্যাটিং লাইন আপ খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে। আর মহম্মদ রিজওয়ান এবং বাবর আজম জুটি অপরাজিত থেকে ভারতীয় বোলিং লাইন আপকে পিটিয়ে ক্লাব স্তরে নামিয়ে এনেছে। টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত পাকিস্তানের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনাকে উস্কে দিয়ে হরভজন সিং বলেছেন,ওই ম্যাচ শেষ, তাই এগিয়ে যান।

Kolkata League: কলকাতা লিগের ফাইনাল পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা

Kolkata League

স্পোর্টস ডেস্ক: ১৮ অক্টোবর কলকাতা লিগের (Kolkata League) ফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে, পূর্ব নির্ধারিত ফাইনাল ম্যাচ ১৮ নভেম্বর হতে পারে,যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে।

যদিও বঙ্গ ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা (আইএফএ) নিশ্চিত ভাবে কিছুই জানায়নি।১৫ অক্টোবর দশমী, শুক্রবার। পরের দিন শনিবার। রবিবার ১৭ অক্টোবর এবং ১৮ অক্টোবর, সোমবার। সোমবারের মধ্যে সার্ব্বজনীন দুর্গোপুজোর নিরঞ্জনের শেষ দিন। সূত্রে খবর, নিরঞ্জনের জন্য পর্যাপ্ত পুলিসি নিরাপত্তা নিয়ে একটা প্রশ্ন উঠেছে।

তাছাড়া গোটা অক্টোবর মাস উৎসবের মরসুম। ৪ নভেম্বর, বৃ্হস্পতিবার, কালীপূজো। এছাড়াও ৩০ সেপ্টেম্বর রাজ্যে বিধানসভা উপনির্বাচন রয়েছে। সব মিলিয়ে পর্যাপ্ত পুলিসি নিরাপত্তার অভাব দেখা দিতে পারে কলকাতা লিগের ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে। তাই ১৮ নভেম্বর, যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে কলকাতা লিগের ফাইনাল ম্যাচের সম্ভাবনা উকি দিচ্ছে।

মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব বনাম রেলওয়ে এফসি’র মধ্যে এই ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করে দিয়েছে। কেননা, ১৯৮১ সালে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব শেষবার কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এরপর ৪০ বছরের লিগ জয়ের খরা অব্যাহত। তাই ব্ল্যাক প্যাহ্নার্সরা সুযোগ হাতছাড়া করতে নারাজ। ১১ বারের লিগ চ্যাম্পিয়ন ১৩০ বছরের মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, রেলকে লাইনচ্যুত করতে টগবগ করে ফুঁটছে।

অন্যদিকে রেলওয়ে এফসি কলকাতা লিগে বড় দলের লিগ জয়ের মৌরসিপাট্টা ভেঙে দিয়ে ফের একবার ইতিহাস গড়ার দোড়গোড়ায় দাঁড়িয়ে। রেল সাদা কালো শিবিরকে ফাইনাল ম্যাচে বল পায়ে ছেড়ে কথা বলবে না তা বলাই চলে। এককথায় এই ফাইনাল ম্যাচ দু’দলের কাছে ‘ইজ্জতের লড়াই’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিরাচরিত মিথ ভেঙে ইতিহাস গড়ার, অন্যদিকে ৪০ বছরের লিগ খেতাবের খরা কাটানো। তাই প্রহর গুনছে কলকাতা লিগের ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে বঙ্গবাসী।

Kolkata League: মার্কোসের গোলে কলকাতা লিগের ফাইনালে মহামেডান

Mohammedan in the final of Kolkata League

#Kolkata League স্পোর্টস ডেস্ক: কল্যাণী স্টেডিয়ামে ৩৯ মিনিটে ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাবের তন্ময় মণ্ডল বক্সের ভিতরে বল পায়ে থাকা আজহারউদ্দীন মল্লিককে ট্রিপ করে ফেলে দেয়। রেফারি প্রতীক মণ্ডল পেনাল্টির নির্দেশ দেয়। ৪০ মিনিটে ওই পেনাল্টি থেকে মার্কোস জোসেফ গোল করে মহামেডানকে লিড দেয়।

আগামী ১৮ অক্টোবর ফাইনাল, কলকাতা লিগের (Kolkata League)। ইতিমধ্যেই রেলওয়ে এফসি কলকাতা লিগের ফাইনালে চলে গিয়েছে। এবার মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ফাইনালে মুখোমুখি হবে রেলের। লীগের ম্যাচে মহামেডান বনাম ইউনাইটেড ম্যাচ ২-২ গোলে ড্র হয়েছিল। তাই সেমিফাইনালে মহামেডানের মহা সপ্তমীতে ইউনাইটেড বধ মধুর প্রতিশোধ বলা যেতেই পারে।

প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে ইউনাইটেড স্পোর্টিং ক্লাব গোলের সমতায় ফিরে আসার সুযোগ পায়। শিলিগুড়ির রোনাল্ডো নামে পরিচিত করণ রাই’র দুরন্ত ব্যাক ভলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। দ্বিতীয়ার্ধে ইউনাইটেড স্পোর্টস গোলের লকগেট খোলার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে। তরুণ তুর্কি ব্রিগেড ইউনাইটেডের ফুটবলারেরা মহামেডান ডিপ ডিফেন্সে বল পায়ে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ালেও গোল হয়নি। তারক হেমব্রম, তন্ময় মণ্ডল, ডেনিসরা কাজের কাজ করতে পারেনি। ৮২ মিনিটে তন্ময় মণ্ডল জগন্নাথ ওরাও’কে লক্ষ্য করে মহামেডানের ডিপ ডিফেন্সে বল বাড়িয়ে দিলেও সিরিয়ান ডিফেন্ডার সাহিন বল ক্লিয়ার করে দেয়। রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই ইউনাইটেড এসসি’কে ০-১ গোলে হারিয়ে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব কলকাতা লিগের ফাইনালে চলে যায়। ফাইনাল ম্যাচের ভেন্যু এখনও ঠিক হয়নি।

Durand Cup: বড় ব্যবধানে জিতে ডুরান্ডের ফাইনালে মহামেডান স্পোর্টিং

Mohammedan Sporting Club in the final

স্পোর্টস ডেস্ক: ১৩০ তম ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব।৪-২ গোলে এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডকে হারিয়ে ফাইনালে সাদা কালো শিবির।

মহামেডানের হয়ে মার্কোস জোসেফ(৮),ফৈজল আলি(৩৭),ব্র‍্যান্ডন (১০৬) এবং নিকোলার পেনাল্টি থেকে গোল করে কালো চিতারা ডুরান্ড ফাইনালের আগে হুঙ্কার দিচ্ছে। এই জয়ের সঙ্গে গ্রুপ ম্যাচের মধুর প্রতিশোধ নিল মহামেডান। দীর্ঘ ৮ বছর পর এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডকে হারিয়ে ডুরান্ডের ফাইনালে।

কলকাতা ফুটবলের মক্কা তা ফের একবার প্রমাণিত হল আজকের সেমিফাইনাল ম্যাচ ঘিরে। ডুরান্ডে কলকাতার হয়ে খেলছে একমাত্র মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। এদিনের ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকেরা মহামেডান ক্লাবের সমর্থনে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বসে গলা ফাটায়।অন্যদিকে মোহনবাগান সমর্থকেরাও যুবভারতীর গ্যালারিতে বসে মহামেডান ক্লাবকে সমর্থনের সঙ্গে#Break The Merger পোস্টার নিয়ে প্রতিবাদ জানায়।

তবে যুবভারতীর পুরনো রোগ ফের একবার মাথা চাড়া দেয়,ম্যাচ শুরুর আগে।আলো বিভ্রাটে গোটা যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন অন্ধকার হয়ে যায়।ফলে ম্যাচ শুরু হতে বিলম্ব হয়।ম্যাচ চলাকালীন ৯১ মিনিটে এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের পেড্রো মানঝি লাল কার্ড দেখেন। ম্যাচ পেন্ডুলামের মতো ঘুরেছে বয়স যত গড়িয়েছে।ম্যাচের ৩৬ সেকেন্ডে পেড্রো মানঝির ১৮ গজ দূর থেকে নেওয়া জোরালো শট আর ৭৮ মিনিটে কিংশুক দেবনাথ এফসি বেঙ্গালুরুর হয়ে গোল করেন।মার্কোস মহামেডানকে ৮ মিনিটের মাথায় ১-১ গোলের সমতায় ফেরায়।ম্যাচের ৩৬ সেকেন্ডে ঝটিকায় পেড্রো মানঝির করা দুরন্ত গোল সাদা কালো শিবিরকে জোরালো ধাক্কা দেয়।

কিন্তু মহামেডান ম্যাচে দ্রুত কামব্যাক করে গোলের সমতায় ফিরে আসে।৩৭ মিনিটে মার্কোসের পাস থেকে ফৈজল গোল করে মহামেডানকে ২-১ লিড দেয়। ম্যাচের ৯০ মিনিটে স্কোরলাইন ২-২ গোল হওয়ার জন্য ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়।১০৬ মিনিটে ব্র‍্যান্ডন এবং ১০৯ মিনিটে এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের রাভাননের হাত বল লাগলে রেফারি পেনাল্টির অর্ডার দেয়। নিকোলা মহামেডানকে পেনাল্টি শ্যুট আউটে ৪-২ গোলে ডুরান্ডের সেমিফাইনাল ম্যাচ জিতিয়ে ফাইনালের টিকিট পকেটে পুড়ে ফেলে।