হার্টের ঝুঁকি এড়াতে চান, তবে অবশ্যই ডায়েটে রাখুন এই খাবারগুলি

heart

অতিরিক্ত মেদ, উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যাএগুলোও হার্টের সমস্যার অন্যতম কারণ। তাই এই অসুখগুলির হাত থেকে রেহাই পেলে হার্টও ভাল থাকবে। আমাদের খাবার পাতেও আসলে অনেক রোগের সমাধান লুকিয়ে থাকে। তবে ডায়েটের দিকেও নজর দিতে হবে। জেনে রাখা যাক, হার্ট ভালো রাখতে কী কী খাবার খাওয়া উচিত-

গ্রিন টি:
সকাল-বিকেল অন্তত ২ কাপ গ্রিন টি পাণ করুন । মেটাবলিজম বাড়ানোর জন্য খুবই কার্যকর এটি। গ্রিন টি মেটাবলিজম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও সাহায্য করে।

ব্রকোলি:
শাক সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন কে। ফলে পাতে রাখুন ভিটামিন কে । ধমনীর স্বাস্থ্য রক্ষা করতে ও রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে তাই বিশেষ ভূমিকা পালন করে এই সবজি।

আনার বা বেদানা:
শরীরে আয়রনের জোগান দিয়ে রক্তের পরিমাণ বাড়াতে ও রক্ত শোধন করতে বিশেষ সাহায্য করে আনার। ফাইটোকেমিক্যাল নামের যে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ধমনীকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে তার অনেকটাই মেলে আনার বা বেদানা থেকে।

বেরি জাতীয় ফল:
রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটা কমিয়ে দিতে পারে এই ধরনের ফল। তাই সুযোগ পেলেই ফলের স্যালাডে মিশিয়ে নিন ক্রানবেরি, ব্লু বেরিদের।

যৌবন ধরে রাখতে চান, তবে হাতের কাছে থাকা রসুন হতে পারে দাওয়াই

হাতের নাগালেই পাওয়া যায় নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটি। সহজলভ্য এই রসুনে এমন সব গুন আছে যা শরীরের জন্য মহার্ঘ্য হিসেবে কাজ করে। বিশেষত, শারীরিক সৌন্দর্য ও যৌবন ধরে রাখতে কিংবা হারানো যৌবন ফিরে পেতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার। এছাড়াও নানা রোগের কার্যকর ওষুধ হিসেবেও রসুন খুবই কার্যকরী।

আজকাল খবরের কাগজ খুললেই চোখে পড়ে বিবাহবিচ্ছেদের রমরমা খবর। কারণ হিসেবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উল্লেখ করা হয় দাম্পত্য কলহের কথা। যার মূলে থাকে শারীরিক সম্পর্ক, রূপ অনেক ক্ষেত্রেই। অনেকক্ষেত্রে যার পরিণামে ডেকে আনে বিচ্ছেদ।

food

অথচ আপনি চাইলেই যৌবনে পরাতে পারেন রাজটীকা। এবং সেটা খুব সহজে। এক কোয়া রসুন আপনার হারানো যৌবন শক্তি ফিরিয়ে দিতে পারে। স্ত্রীর চোখে আপনি হতে পারেন আস্থাশীল পুরুষ।

মধু ও লেবুর রসের সঙ্গে প্রতিদিন সকালে এক কোয়া রসুন মিশিয়ে খান। দেখবেন বয়সটা তখন আপনার হাতের মুঠোয় চলে আসবে। তারুণ্য ফিরে পাবেন সকল কাজে। বাড়বে যৌবনশক্তি।

<

p style=”text-align: justify;”>রসুন আবার গ্যাসটিকের রোগী কিংবা যাদের হার্টের সমস্যা আছে তাদের জন্যও দারুণ কার্যকরী। ত্বকের যেকোনও দাগ মুছে ফেলতে ও ত্বককে আরও কোমল করতেও রসুনের বিকল্প মেলা কঠিন।

বলিউডে কামব্যাক, কাজলের রূপে ঝলসেছিল চোখ, ফাঁস গুডলুকের গোপন রহস্য

kajol

কাজল, নব্বই দশকের সেরার সেরা অভিনেত্রীদের তালিকায় থাকা অন্যতম নাম। যাঁর প্রতিটা ছবিই এক কথায় ছিল সুপারহিট। বিপরীতে শাহরুখ হোক বা অজয়, তবে জল্পনার কেন্দ্রে ছিল একটাই সমস্য, কাজলের লুক, গায়ের রঙ থেকে শুরু করে রূপচর্চা, একাধিকবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। যদিও সে সব দিন এখন অতীত। অভিনয় গুণে সেদিন সকলকে চুপ করিয়ে দেওয়া অভিনেত্রী আজ তাক লাগাচ্ছে বিটাউনে।

গুণের ঝলক মিলেছে কয়েকদশকেই, তবে রূপ, কীভাবে কাজল নিজেকে এভাবে পাল্টে ফেললেন! কীভাবেই বা সমসাময়িক নায়িকাদের টেক্কা দিয়ে কামব্যাকে নজর কাড়লেন! নানা প্রশ্ন ঘুরে ছিল কাজলকে ঘিরে, যখন দিলওয়ালের লুক প্রথম প্রকাশ্যে আসে। স্টানিং ত্বক থেকে শুরু করে পার্ফেক্ট ফিগার, কী রহস্য এই ভোলবদলের! নিজেই শেয়ার করেছিলেন কাজল সেই গোপন রহস্য।

কাজলের বিউটি ও ফিটনেস টিপসের মূল মন্ত্রে সবার আগে পড়ে জাঙ্ক ফুডে সাফ না। বাইরের কোনও খাবার সেভাবে পছন্দই করেন না কাজল। বদলে তিনি অনেক বেশি বাড়িতে রান্না করে থাকেন। শরীরকে স্লিম রাখতে অল্প খাবার খেয়ে থাকা নয়, পরিমাণ মত খাবার খান তিনি, কিন্তু তা স্বাস্থ্যকর। মন ভালো রাখতে প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে যোগা কাজলের নিত্য রুটিন।

এখানেই শেষ নয়, সারাদিনে মেপে মেপে জল পান, সঙ্গে শরীরচর্চা, সব দিকে কড়া নজর রাখেন কাজল। তবে লাঞ্চ হোক বা ডিনার ঘড়ি ধরে খাওয়া চাই, এতো গেল শরীরচর্চা, আর ত্বকের রহস্য একটাই কেনা ক্রিমে সাফ না, কাজলের পছন্দ ঘরোয়া ভেসজ টিপস, তাই দিয়েই নিজেকে আমুল পাল্টে ফেলেছেন এই বলিস্টার।

Salman Khan: বলিউডের এলিজেবেল ব্যচেলার, কোন রহস্য ফিট ফিগারে হিট সলমন

Online Desk: বয়স পেরিয়েছে ৫০-শের কোটা, তবুও আজও ভক্তদের মনে একটাই প্রশ্ন ভাইজানকে (Salman Khan) নিয়ে, কবে তিনি বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন! আর জবাব এখনও রহস্য। তবে বয়স যে বাড়ছে বছর বছর, সলমনকে দেখলে তা বোঝা দায়। সদ্য মুক্তি পাওয়া ছবি রাধের সেটে তাক লাগিয়ে ধরা দিয়েছেন তিনি পার্ফেক্ট ফিগার ও অ্যাপে।

বিপরীতে দিশা পাটানি। হট সিজলিং এই অভিনেত্রী ভাইজানের অর্ধেক বয়সের সমান হলেও, এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলে বসেন, তাঁকে দিশার মতই ইয়ং লেগেছে। সলমনের এই ফিটনেসের রহস্য কি! শরীরচর্চা জিম তো রয়েছেই, সঙ্গে মেনে চলের কড়া ডায়েট।

কী কী থাকে সলমন খানের মেনুতে-
ব্রেকফাস্ট- ঘুম থেকে উঠেই জিমের জন্য শুরু হয়ে যায় প্রস্তুতি। সকালে তিনি খান চারটে ডিমের সাদা অংশ ও লো-ফ্যাট দুধ।
লাঞ্চ- সাধারণত সলমন খান দুপুরে খেয়ে থাকেন পাঁচটা রুটি, গ্রিল্ড ভেজিটেবল ও স্যালাড।
বিকেলে জিমের আগে- প্রোটিন শেক খেয়ে থাকেন সলমন। এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে জল পান করে থাকেন তিনি।
জিমের পর- খুব খিদে পেলে সলমন এই সময়টা প্রোটিন বার বা ওটস খেয়ে থাকেন। মাঝে মধ্যে অবশ্য তিনি বাদামও খান।
ডিনার- রাতে শোওয়ার আগে সলমনের পাতে থাকে দুটি ডিমের সাদা অংশ, পাশাপাশি মাছ ও চিকেন সুপের সঙ্গে তিনি খেয়ে থাকেন।

ঘুম থেকে ওঠার পর এই কাজগুলো ভুলেও করবেন না, ঘটতে পারে চরম বিপদ

sleep

বর্তমানে সময় শব্দটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দিনের পর দিন কাজ যেন আরও বাড়ছে। নিজের দিকে তাকানোর মত সময় নেই , অনেকেই ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই কাজ করতে শুরু করেন। যা আমাদের শরীরের পক্ষে মোটেও সুখকর নয়। ঘুম থেকে ওঠার পর আমরা এমন অনেক কাজ করে থাকি, যার ফলে শরীরে নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে ঘুম থেকে ওঠার পর কখনোই এই কাজ গুলো করবেন না।

১) এখন প্রায় সকলেই ঘুম থেকে ওঠার পর ফোনে ব্যাস্ত হয়ে পরেন। এটি কোন ভাবেই ঠিক নয়। ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইলের আলো চোখে গেলে, তা চোখের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। যা চোখের ক্ষতি করে। তাই ঘুম থেকে উঠে আগে সবুজ কিছু দেখার চেষ্টা করুন।

২) ঘুম থেকে উঠে সঙ্গে সঙ্গে কাজ শুরু করলে, তা আপনার পিঠের মাংসপেশির ক্ষতি করতে পারে। এছাড়াও ঘুম থেকে উঠেই যদি আপনি দাড়িয়ে কাজ করতে শুরু করেন, তাহলে শরীরের রক্তগুলো পায়ের দিকে এসে জড়ো হয়। যা শরীরের পক্ষে ঠিক নয়।

৩) ঘুম ভাঙ্গার সঙ্গে সঙ্গেই আচমকাই উঠে পরবেন না। এতে ব্যাপক ভাবে হার্টে চোট্ পরে। যা পরবর্তী সময়ে হার্টের সমস্যার কারন হতে পারে। তাই ঘুম থেকে চোখ খোলার পর ২-৩ মিনিট নিজেকে সময় দিন, তার পর বিছানা থেকে উঠুন।

৪) ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকেরই তেমন খিদে থাকে না। যার ফলে অনেকেই সকালের জলখাবারে তেমন একটা জোড় দেন না। এই বিষয়টি মোটেও ঠিক নয়। সারা রাত খালি পেটে থাকার পর সকালে উঠে সবসময় ভারী খাবার খওয়া উচিৎ। এতে দেহের স্বাভাবিক উদ্যম ফিরে পাওয়া যায়।

৫) অনেকেই এখন বেড-টি খেতে পছন্দ করেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে, বিছানায় বসেই চা কিনবা কফি খান। চিকিৎসকদের মতে এটি খুবই অস্বাস্থ্যকর একটি অভ্যাস। সকালে উঠে ব্রাস না করলে দাঁতে টারটার নামের একধরণের পদার্থ জমতে শুরু করে। যার ফলে মুখে দুর্গন্ধ, ক্যাভেটি ছারাও দাঁতের অন্যান্য রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ঘুম থেকে উঠে কোন কিছু খাওয়ার আগে ব্রাস করতেই হবে।

ওয়ার্ক ফর্ম হোম করছেন, সাবধান, হতে পারে ভয়ানক ক্ষতি

office

Online Desk: একটানা দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকার কারণে স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকারক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বেশ কয়েকজন স্বাস্থ্য গবেষক পরামর্শ দিয়েছেন যে, দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা বা শুয়ে থাকার ফলে হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের মতো দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে স্বাস্থ্যের যে সব ক্ষতি

হৃদরোগ:
দীর্ঘ সময় বসে থাকার কারণে রক্ত ​​প্রবাহ কমে যায় এবং ফ্যাটি অ্যাসিডগুলো আরও সহজেই হার্ট ব্লক করতে পারে। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার সাথে উচ্চ রক্তচাপের যোগসূত্র রয়েছে। যারা কম সময় বসে কাটান, তাদের চেয়ে দীর্ঘ সময় বসে কাটানো মানুষের হৃদরোগজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণের বেশি।

নরম পেশী:
আপনি যখন দাঁড়ান বা সোজা হয়ে বসেন, পেটের পেশী আপনাকে সোজা রাখতে সহায়তা করে। কিন্তু চেয়ারে সোজা হয়ে না বসলে এই পেশী কোনো কাজে আসে না এবং মেরুদণ্ডের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

পায়ের ব্যাধি:
দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকার কারণে রক্ত সঞ্চালন বাধাপ্রাপ্ত হয়, যার ফলে পায়ে তরল পদার্থ সঞ্চারিত হয়।এর থেকে পায়ের গোড়ালি ফুলে যাওয়া এবং শিরায় রক্তও জমে যেতে পারে।

নরম হাড়:
হাঁটা এবং দৌড়ানোর মতো ক্রিয়াকলাপগুলো দেহের নিম্নাংশের নরম হাড়কে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।সম্প্রতি অস্টিওপোরোসিস বৃদ্ধির জন্য আংশিকভাবে কার্যকলাপের অভাবকে দায়ী করেছেন বিজ্ঞানীরা।

মস্তিষ্ক:
চলন্ত পেশীগুলো মস্তিষ্কের মাধ্যমে তাজা রক্ত ​​এবং অক্সিজেনকে পাম্প করে এবং মস্তিষ্কের সমস্ত প্রকার এবং মেজাজ-বর্ধনকারী রাসায়নিকগুলার ক্রিয়া সচল রাখে। কিন্তু যখন আমরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বসে থাকি তখন মস্তিষ্কের সকল ক্রিয়া ধীর হয়ে যায়।

ঘাড়:
যদি আপনার বেশিরভাগ সময় কাজের জন্য কোনো ডেস্কে বসে থাকতে হয়, এসময় টাইপ করার জন্য আপনার ঘাড় কীবোর্ডের দিকে বা মাথা ফোনের দিকে ঝুঁকে থাকলে তা মেরুদণ্ডে চাপ সৃষ্টি করে এবং এর ফলে স্থায়ী ভারসাম্যহীনতা হতে পারে।

কাঁধ:
দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকার কারণে শুধু ঘাড়ই না, কাঁধেরও ক্ষতি হয়। বিশেষ করে ট্র্যাপিজিয়াস, যা ঘাড় এবং কাঁধকে সংযুক্ত করে।

কোমর:
আমরা যখন দীর্ঘক্ষণ সামনের দিকে ঝুঁকে বসে থাকি, তখন আমাদের মেরুদণ্ডের ডিস্কগুলোতে অনেক চাপ পড়ে। সেই সাথে চাপ পড়ে মেরুদণ্ডের পাশে থাকা বিভিন্ন মাংশ পেশি ও লিগামেন্টের ওপর।

ডিস্কগুলো নরম হওয়ায় অস্বাভাবিক চাপের কারণে ধীরে ধীরে তা স্ফিত হয়ে মেরুদণ্ডের ভেতর থেকে শরীরের বিভিন্ন নার্ভের ওপর চাপ দেয়। আর এজন্য আমরা ব্যথা অনুভব করি। চাপের তারতম্য বা তীব্রতার ওপর ব্যথার ধরণ নির্ভর করে। চাপ যত বেশি হবে, ব্যথার তীব্রতাও বেশি হবে, সেই সাথে কোমরে ব্যথা ছড়িয়ে পড়বে।

পার্ফেক্ট লুকে ফ্রেমবন্দি পিগি চপস, কোন গোপন রহস্যে খুলছে রূপ

priyanka

বায়োস্কোপ ডেস্ক, মুম্বই- ১০ বছরের ছোট নিকের পাশে মোটেও বেমানান নন এখন প্রিয়ঙ্কা। উল্টো বয়স যেন তাঁর উল্টো পথেই হাঁটছে, নিজেকে এভাবেই পার্ফেক্ট লুকে সাজিয়ে নিলেন হটস্টার। দিন দিন এভাবে রূপের ছটা কীভাবে ফেটে পড়ছে পিগি চপসের, প্রশ্ন অনেকেই। তাই এবার আর কোনও রকম রাখ-ঢাক ছাড়াই নিজের ফিটনেস রহস্য নিজেই ফাঁস করলেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Priyanka (@priyankachopra)

 

দিনভর তাঁর রুটিনে জড়িয়ে থাকে ডায়েট, সঙ্গে শরীর চর্চা, কোন কোন বিশেষ দিকে নজর দিয়ে থাকেন তিনি! এবার প্রসঙ্গে আসা যাক।

প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে প্রিয়ঙ্কা যোগা করেন। নিয়মিত যোগা অভ্যাস করায় তিনি মনে করেন শরীর সতেজ থাকে ও এনার্জি পাওয়া যায়।

নিয়মিত জিমও করে থাকেন প্রিয়ঙ্কা। দিনে দুঘণ্টা তিনি জিমে সময় কাটান। এই সময় কার্ডিও, পুশআপ, বাইসেপ করে থাকেন তিনি।

ওয়েট তুলে থাকেন প্রিয়ঙ্করা। কিন্তু তা নিয়মিত নয়। লেগ করে থাকেন সপ্তাহে তিন দিন।

প্রিয়ঙ্কা সারাদিনের পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করে থাকেন। সারাদিন তিন লিটার জল পান করেন প্রিয়ঙ্কা।

তেল জাতীয় খাবারে প্রিয়ঙ্কার সাফ না। তিনি বাড়ির খাবারই বেশি পছন্দ করেন। শ্যুটিং-এও তিনি তাই খেয়ে থাকেন।

টাকটা ফল ও টাকটা সব্জি খেলে শরীর ভালো থাকে, প্রিয়ঙ্কার মতে এতে ইমিউনিটি শরীরে ভালো হয়।

বর্তমানে নিজের রেস্তোরাঁ সোনা নিয়ে বেস ব্যস্ত তিনি। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের খাবারের স্বাদ নিতে সেখানে নিত্য উপচে পড়ে ভিড়। মেলে কন্টিনেন্টালও। তবে নিজে খুব একটা ফুডি নন প্রিয়ঙ্কা। শরীর ধরে রাখতে একাধিক নিয়ম মেনে জীবনযাপন  করেন নিক ঘরনী। 

কেবল ডাবের জলেই স্টানিং লুক, প্রিয়ঙ্কার হট ফিগারের রহস্য কোথায়

priyanka

ডায়েট প্ল্যানিং মানেই সারা দিন ব্যালন্স করে বুঝে খাবার খাওয়া। নিজেকে ফিট রাখতে সেলেব মহল প্রতিটা মুহূর্তে নিজের পার্ফেক্ট ডায়েট মেনে চলেন। প্রিয়ঙ্কার ক্ষেত্রে বিষয়টা আরও গুরুতর। কারণ একটাই। পিগি চপস ও নিক জোনাসের সম্পর্কের সমীকরণ। ১০ বছরের ছোট স্বামীর পাশে বেমানান নন তো প্রিয়ঙ্কা! ট্রোলারদের খোরাক হতে নারাজ। তাই নিজের যত্নে কোনও রকমের খামতি রাখেন না প্রিয়ঙ্কা। 

আর তাই ফিগার ধরে রাখতে পিগি চপসের খাবারে সিক্রেটেই বাজিমাত। সকাল থেকে রাত তাঁর পাতে কী কী পদ থাকে জেনে নিন

priyanka

ব্রেকফাস্টে প্রিয়ঙ্কার চাই এক গ্লাস দুধের সঙ্গে ওট মিল খান। অথবা দুটো ডিম খান। লাঞ্চে খান দুটি রুটি, ডাল ও সবজি। বারোটার মধ্যে প্রিয়ঙ্কা দুপুরে খাবার খেয়ে থাকেন। সন্ধের জলখাবার হিসেবে টার্কি স্যান্ডউইটচ ও স্যালাড খান। শরীরচর্চার পর হালকা খাবার খেয়ে থাকেন তিনি।

ডিনারে সুপ, গ্রিলড চিকেন বা ফিশ খান। রাতে আটটার মধ্যে খাবার খেয়ে থাকেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। এছাড়া প্রতি দু ঘণ্টা অন্তর নারকেলের জলের সঙ্গে বাদাম খান তিনি। এতে শরীর চরতাজা থাকে ও রিফ্রেশ হয়ে যান পিগি চপস। শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার জন্য অনেকটা জল খান। এতে ত্বকও ভালো থাকে।