Sikkim: এসেছে ওমিক্রন,পর্যটকদের জন্য কড়া নিয়ম লালপাণ্ডার দেশে

News Desk: তুষারে মুড়েছে সিকিম। গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের ভিড় আছে। নতুন বছরে আরও ভিড়ের সম্ভাবনা। এদিকে করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট সংক্রমণ বাড়তে থাকায় চিন্তার কালো মেঘ সিকিমের আকাশে। পরিস্থিতি বুঝে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা জারি করল রাজ্য সরকার।

গ্যাংটকে সিকিম রাজ্য পর্যটন দফতর থেকে জানানো হয়েছে, পর্যটন সংক্রান্ত নতুন বিধিনিষেধ আগামী ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত মানতেই হবে সকলকে। বিশেষত হোটেল মালিকদের।

সিকিম সরকারের বিধিনিষেধগুলি:

ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট সংক্রমণের গতি বাড়ছে। আগামী ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত সমস্ত হোটেল, লজে আবাসিকদের সংখ্যা ৫০ শতাংশ করতে হবে।

নতুন বছর উপলক্ষে এক জায়গায় জড় হয়ে ফুর্তি, কোনও জলসা বা হুল্লোড় করা যাবে না।

হোটেল বা লজে দূরত্ব বিধি মানতে হবে। স্বাস্থ্যবিধির উপর কড়া নজরদারি থাকবে।

গত কয়েকদিনে ভারি তুষারপাত হয়েছে সিকিমে। নাথু লা ও ছাঙ্গু লেক দেখতে যাওয়া পর্যটকরা আটকে পড়েছিলেন। হাজারের বেশি পর্যটককে উদ্ধার করেছে সেনা বাহিনী ও সিকিম পুলিশ।

Sikkim: তুষারবন্দি হাজার পর্যটক উদ্ধার, সাহায্যে সেনা

News Desk: উদ্বেগের অবসান হয়েছে। সিকিমে তুষারপাতে কারণে আটকে পড়া পর্যটকদের অবশেষে নিরাপদ স্থানে সরানোর সংবাদ এসেছে। সিকিম সরকার জানাচ্ছে, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহযোগিতায় হাজারেরও বেশি পর্যটক নেমে আসতে পেরেছেন।

শীতের মরশুমে সিকিমে পর্যটনের জোয়ার আসে। বিখ্যাত নাথু লা সীমাম্ত দেখতে পশ্চিমবঙ্গ সহ বিভিন্ন রাজ্যের পর্যটকরা এই রাজ্যে আসেন। এবারও তেমনই হয়েছে।

শনিবার থেকে ভারি তুষারপাত হয় সিকিমে। তুষারপাতের কারণে রাজধানী গ্যাংটকের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রগুলির সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

চিন সীমান্তের কাছে ছাঙ্গু হ্রদ দেখতে গিয়ে তুষারপাতের জেরে আটকে পড়েন বহু পর্যটক। এই পরিস্থিতিতে সিকিম সরকার শুরু করে জরুরিকালীন উদ্ধার কাজ। রবিবার বিকেলের মধ্যে পর্যটকদের নিরাপদ এমনই জানানো হয়।

সিকিম রাজ্য প্রশাসন সূত্রের খবর, শুক্রবার থেকেই আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে নাথু লা যাওয়ার অনুমতি দেয়নি সিকিম প্রশাসন। এর জেরে ছাঙ্গু হ্রদ দেখতে বাড়তি ভিড় হয়েছিল পর্যটকদের।  হঠাৎই আবহাওয়া ক্রমাগত খারাপ হতে থাকে। তুষারপাতে ছাঙ্গুতেই আটকে পড়েন পর্যটকেরা। পরে তাঁদের উদ্ধার করে নিজেদের ছাউনিতে নিয়ে যায় সেনাবাহিনী।

সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার পর্যটকদের সবরকম সাহায্য করবে। তাদের নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই।

Sikkim: জ্যোতিবাবুর রেকর্ড ভাঙা চামলিংকে দিয়ে কূটচাল মমতার ? BJP চিন্তিত

Tmc trying to reach sikkim's assembly as opposition party

News Desk: পশ্চিমবঙ্গ প্রতিবেশি সিকিমের (Sikkim) রাজনীতিতে কোনওদিনই বঙ্গ প্রভাব পড়েনি। অথচ সিকিমের যোগসূত্র শিলিগুড়ির সঙ্গেই বেশি। দীর্ঘ বাম আমলে রাজ্যের লাগোয়া সিকিমের একটাও গ্রাম পঞ্চায়েতে সিপিআইএম ছিল না।

বঙ্গ বামেদের দাপটের সেই চৌত্রিশ বছরের জ্যোতিবাবু-বুদ্ধবাবু মু়খ্যমন্ত্রী। আর সিকিমে ছিলেন নরবাহাদুর ভাণ্ডারি ও পবন কুমার চামলিং। সিকিম সংগ্রাম পরিষদের নরবাহাদুর থেকে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়েছিল সিকিম ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের চামলিংয়ের হাতে।

উত্তর পূর্বাঞ্চলের সিকিমের রাজধানী গ্যাংটক তো বটেই, রাজ্যটির যে কোনও পাহাড়ি শহরে বাঙালিদের দেখা পাওয়া কোনও ব্যাপারই না। বাংলা শোনা যায় কান পাতলেই। তেমনই রাজ্যে এবার নজর তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

পড়ুন: Manipur: বিরোধী আসন দখলে মমতার অভিযান, কংগ্রেস কাঁপছে মনিপুরে

সূত্রের খবর, সিকিমে জোড়াফুলের পতাকা তুলতে ক্ষমতা হারানো চামলিংকে বেছে নিয়েছেন মমতা। অচিরেই দুজনের মধ্যে রাজনৈতিক সমঝোতা হতে চলেছে। সেক্ষেত্রে টিএমসি চাইছে ‘ঘটিহারা’ চামলিংকে তাদের দলে টেনে আনতে।

সিকিমের সর্বশেষ বিধানসভা ভোটে নীরবে পরিবর্তন হয়। ১৯৯৪ সাল থেকে টানা সাড়ে ২৪ বছর (২৪.৪ বছর) একটানা ক্ষমতায় থাকা চামলিং সরকারের পতন হয় ২০১৯ সালে। ক্ষমতা হারানোর ঠিক আগে চামলিং একটি নজির গড়েন। তিনি দেশের সর্বাধিক সময়ে কুর্সিতে থাকা মুখ্যমন্ত্রী। এক্ষেত্রে ২৩ বছর টানা কুর্সিতে থেকে দ্বিতীয় স্থানে প্রয়াত জ্যোতি বসু।

জ্যোতিবাবু যখন পশ্চিমবঙ্গের শাসনে তখনই সিকিমের মধ্যগগনে চামলিং। দুই রাজ্যের দুই শক্তিশালী মু়খ্যমন্ত্রী পারস্পরিক সৌহার্দ্য ছিল। তেমনই সৌহার্দ্য চামলিং ও মমতার মধ্যে। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে চাইছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী।

আরও পড়ুন: Meghalaya: মেঘের দেশে ‘কংগ্রেসের শেষের কবিতা’ লিখলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা

গত বিধানসভা ভোটে সিকিমে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়েছিল এসডিএফ তথা চামলিং সরকার। নতুন দল হিসেবে ক্ষমতায় আসে সিকিম ক্রান্তিকারি মোর্চা। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন প্রেমসিং তামাং।

সিকিমের এই ক্রান্তিলগ্নে বিজেপি ছিল না ভোট যুদ্ধে। বিধানসভার ভোটে না থেকেও আচমকা চামলিং শিবিরে ‘অপারেশন লোটাস’ ধাক্কায় কোণঠাসা হয়ে যান চামলিং। ভোট না লড়েও বিজেপি ঢোকে বিধানসভায়! আপাতত চামলিং একমাত্র এসডিএফ নেতা। তাঁর পুরো দলকেই ভাঙিয়ে নিয়েছে বিজেপি।

সূত্রের খবর, যেভাবে বিনা ভোটযুদ্ধে সিকিমের রাজনীতিতে ঢুকেছে বিজেপি, একই কায়দায় টিএমসি চেষ্টা শুরু করেছে। বিশেষ সূত্রে kolkata24x7.in জানতে পেরেছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চামলিংকে দিয়েই বিজেপিতে চলে যাওয়া বিধায়কদের টেনে আনতে পরিকল্পনা শুরু করেছে টিএমসির ভোটকুশলীরা।

এক নজরে সিকিম বিধানসভার অংক
মোট আসন ৩২
সরকারপক্ষে আছে ৩১ জন
সিকিম ক্রান্তিকারি মোর্চা ১৯
বিজেপি ১২

বিরোধী পক্ষ
সিকিম ডেমোক্রেটিক পার্টি ১

তবে হামরো সিকিম নেতা প্রাক্তন টিএমসি ও ভারতীয় ফুটবল অধিনায়ক বাইচুং ভুটিয়ার ভূমিকা নিয়েও বিশেষ ভাবনা রয়েছে মমতার। বাইচুংকে ঘোড়া করেও ২০১৪ সালের দার্জিলিং লোকসভা ও ২০১৬ সালে শিলিগুড়ির বিধানসভাতে সফলতা পাননি মমতা। টিএমসি ছেড়ে সিকিম গিয়ে নতুন দল গড়েছেন বাইচুং।

২০২১ বিধানসভা ভোটে বাইচুং সরাসরি সিপিআইএমের অশোক ভট্টাচার্যের হয়ে সমর্থনে মিছিল করেন। শিলিগুড়িতে সিপিআইএম হেরে যায়। বাইচুং কি মমতার জন্য অনুকূল, ভাবছে টিএমসির ভোটকুশলীরা। সেক্ষেত্রে চামলিং পাচ্ছেন বেশি গুরুত্ব।

Kalimpong: হিমালয়ে হাতির মতো দাপাচ্ছে মেঘ, রাংপো সেতুর পিলার ভেসে সিকিম বিচ্ছিন্ন

rangpo Bridge

নিউজ ডেস্ক: কে বলবে কখন কী হয়? সবারই মনে ভয়। এই বুঝি কিছু হয়। পরিস্থিতি এমনই। হিমালয়ের মাথায় মেঘের দল মত্ত হাতির মতো দাপাচ্ছে। প্রবল বৃষ্টির জেরে সিকিমের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের যোগাযোগ ভেঙেই গেল। কারণ, আন্তঃরাজ্য সীমানার কালিম্পং জেলার সিকিমের সংযোগকারী বিখ্যাত রাংপো সেতুর পিলার ভেসে গিয়েছে।

শিলিগুড়ির সঙ্গে গ্যাংটকের মূল সংযোগ ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে কোনও যোগাযোগ নেই আপাতত। ফলে সিকিম সড়কপথে প্রায় বিচ্ছিন্ন।

পশ্চিমবঙ্গের কালিম্পং জেলার সঙ্গে সিকিমের পেকইয়ং জেলার মধ্যে যাতায়াত করার বিখ্যাত রাংপো সেতুর কোনও পিলারই আর নেই। রাংপো নদীর জলের তোড়ে ভেঙে ভেসে গিয়েছে পিলারগুলো। পুরো সেতু এখন বিপজ্জনকভাবে ঝুলে রয়েছে। যে কোনও সময় বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

অতি বৃষ্টির কারণে বিপদসীমার কাছাকাছি বইছে তিস্তা। প্রবল গতিতে বইছে রাংপো নদী। দুই নদীর সংযোগ এলাকায় সিকিমের বিখ্যাত রাংপো বাজার। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে এই সেতু দিয়েই সিকিমের যোগাযোগ। রাংপো চেক পোস্টের কাছে সেতু বিপজ্জনকভাবে ঝুলে আছে। দুদিকের দুই রাজ্যের বাসিন্দারা আশঙ্কিত। যেভাবে বৃষ্টি পড়ছে তাতে রাংপো নদীর জলস্তর আরও বাড়বে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতেই ভেসে গিয়েছে সেতুর পিলারগুলো। সকাল থেকে আবহাওয়া আরও খারাপ থাকায় পশ্চিমবঙ্গের দিক থেকে কোনও গাড়ি আসেনি।

সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেমসিং তামাং জরুরি পরিস্থিতিতে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়েছেন। গ্যাংটকের খবর, রাংপো সেতু বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রতিবেশি পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ি এখন অগম্য।

১০ নম্বর জাতীয় সড়কের পশ্চিমবঙ্গের সেবক, সিকিমের রানিপুল, সিংটাম, মেলির কাছে পাহাড়ি ঝর্নাগুলো ভয়াবহ রূপ নিতে শুরু করায় ধসে বেশকিছু ঘরবাড়ি ভেঙে পড়ার মুখে। মেলি বাজারের কাছে নদীর জল খাদের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার মুখে।

সিকিম সরকার জারি করেছে সতর্কতা। বলা হয়েছে শিলিগুড়ি যাওয়ার অতি প্রয়োজন না থাকলে বের হওয়ার দরকার নেই। তবে এই দুর্যোগেও কয়েকজন জীবন হাতে করে বের হয়েছেন। তাঁদের তোলা ছবিতে স্পষ্ট, কী ভয়াবহ পরিস্থিতি। আবহাওয়া বিভাগের সতর্কতা, দুর্যোগ চলবে আরো দুদিন। দুর্যোগ কাটার পরেও ধসের সম্ভাবনা থাকছে।

Sikkim: প্রবল বৃষ্টিতে ভয়ঙ্করী তিস্তা, গ্যাংটক-শিলিগুড়ি যোগাযোগ ভাঙছে

landslide-at-sikkim

নিউজ ডেস্ক: হিমালয়ের মাথায় মেঘের পর মেঘ জমেছে। দুর্যোগের ঘনঘটা। প্রবল বৃষ্টিতে হিমালয় সন্নিহিত এলাকাগুলি বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করেছে। অতি বৃষ্টির দাপটে সিকিম থেকে পশ্চিমবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার মুখে। ভয়ঙ্করী তিস্তা।

landslide-at-sikkim

শিলিগুড়ি থেকে গ্যাংটক যাওয়ার ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের ছবি দেখলে স্পষ্ট, তিস্তার জলস্তর ভয়াবহ আকার নিতে শুরু করেছে। জাতীয় সড়কের বিভিন্ন জায়গায় নেমেছে ধস।

পশ্চিমবঙ্গের কালিম্পং ও সিকিমের মধ্যে যাতায়াত স্তব্ধ। তেমনি দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যাওয়ার সড়ক স্তব্ধ।

Flood situation in North Bengal due to heavy rains

১০ নম্বর জাতীয় সড়কের সেবক, রানিপুল, সিংটাম, মেলির কাছে পাহাড়ি ঝর্নাগুলো ভয়াবহ রূপ নিতে শুরু করায় ধসে বেশকিছু ঘরবাড়ি ভেঙে পড়ার মুখে। মেলি বাজারের কাছে নদীর জল খাদের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার মুখে।

teesta
মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে ভয়ঙ্করী তিস্তা

সিকিম সরকার জারি করেছে সতর্কতা। বলা হয়েছে শিলিগুড়ি যাওয়ার অতি প্রয়োজন না থাকলে বের হওয়ার দরকার নেই। তবে এই দুর্যোগেও কয়েকজন জীবন হাতে করে বের হয়েছেন। তাঁদের তোলা ছবিতে স্পষ্ট, কী ভয়াবহ পরিস্থিতি।

আবহাওয়া বিভাগের সতর্কতা, দুর্যোগ চলবে আরো দুদিন। দুর্যোগ কাটার পরেও ধসের সম্ভাবনা থাকছে।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট সক্রিয়, লালপাণ্ডার দেশ সিকিম নিচ্ছে পর্যটনের রিস্ক

Yumthang Valley red ponda

নিউজ ডেস্ক: জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বিভাগ থেকে আসন্ন অক্টোবর মাসে দেশে করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে। করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট এখনও সক্রিয়-বিশেষ করে সিকিম ও উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জেলায়। এর পরেও সিকিম সরকার অন্য রাজ্যের পর্যটক টানতে ঝুঁকি নিল।

সিকিমের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট সংক্রমণ প্রতিবেশি পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাংশে ছড়িয়েছে। দার্জিলিং এখনও করোনার মারাত্মক সংক্রমণ কেন্দ্রের একটি। এই জেলায় এখন কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনার সংক্রমণের থেকেও বেশি। শৈলশহরের করুণ চিত্র পর্যটনের জন্য বিরুপ পরিবেশ।

এরই মাঝে সিকিম সরকার দীর্ঘদিন পর আবার পর্যটনের জন্য দরজা খুলে দিচ্ছে। সিকিম পর্যটন দফতর জানিয়েছে, অতি সুন্দর লাচুংয়ের ইয়ুমথাং উপত্যকায় পর্যটকরা যেতে পারবেন।

Yumthang Valley red ponda

সিকিমের আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র চিন সীমান্তের নাথু লা, ছাঙ্গু লেক, বাবা মন্দিরে প্রচুর পর্যটক যান। কিন্তু গত দু বছর করোনা সংক্রমণের কারণে উত্তর পূর্বাঞ্চলের সিকিম প্রায় অবরুদ্ধ ছিল। প্রথমদিকে করোনা ঠেকাতে পারলেও পরে সিকিমে ছড়ায় এই জীবানু সংক্রমণ। মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডুর নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সিকিম আসার সড়ক পর্যটকদের জন্য বন্ধ করা হয়।

এদিকে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং ও জলপাইগুড়িতে করোনার সংক্রমণ বেশি ছড়ায়। জলপাইগুড়িতে করোনা নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও দার্জিলিংয়ে সংক্রমণ নিয়ে চিন্তিত নবান্ন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই জেলা প্রশাসন আপ্পাণ চেষ্টা চালাচ্ছে।

সিকিমে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট সংক্রমণ দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় ছড়ানোর আশঙ্কা ছিলই। সংক্রমণ ছড়িয়েছে। উত্তরবঙ্গের আকাশে জীবাণুর মেঘ ছড়িয়েছে।

আসন্ন অক্টোবরে দেশজোড়া করোনার তৃতীয় ঢেউ আসছে। কেন্দ্র সরকার উদ্বেগে। এরই মাঝে সিকিম সরকার যেভাবে পর্যটন টানতে ঝাঁপ দিচ্ছে তাতে এই রাজ্য তো বটেই পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে চিন্তার।সূত্রের খবর, নবান্ন থেকে গ্যাংটকে বার্তা পাঠানো হবে।

এদিকে সিকিম সরকার জানিয়েছে, এই রাজ্যে ঘুরতে আসার আগে প্রতি পর্যটককে করোনা টিকার দুটি ডোজ নেওয়ার সার্টিফিকেট দেখাতে হবে। সেটি না থাকলে প্রবেশের অনুমতি মিলবে না।