तुष्टीकरण की राजनीति हमारी विकास यात्रा में सबसे बड़ी बाधा: मोदी

पीएम नरेन्द्र मोदी ने मंगलवार को कहा कि तुष्टीकरण की राजनीति देश की विकास यात्रा में सबसे बड़ी बाधा है। उन्होंने यह भी कहा कि एक बहुत बड़ा राजनीतिक वर्ग है जो सकारात्मक राजनीति करने का कोई रास्ता नहीं देख सकता तथा अपने स्वार्थ के लिए देश की एकता के साथ समझौता भी कर सकता है।

उन्होंने कहा कि देश की जनता को जानने, पहचानने और समझने तथा देश की एकता पर हमला करने वालों से सावधान रहने की जरूरत है। मोदी ने कहा कि देश में एक बहुत बड़ा राजनीतिक वर्ग’ है जिसे सकारात्मक राजनीति करने का कोई रास्ता दिखाई नहीं देता। उन्होंने कहा कि दुर्भाग्य से यह राजनीतिक वर्ग ऐसे हथकंडे अपना रहा है जो समाज और देश के विरुद्ध हैं। मोदी कहा कि इस सदी के अगले 25 साल भारत के लिए सबसे महत्वपूर्ण हैं और हमें इसे एक समृद्ध एवं विकसित देश बनाना है।

सरदार साहब एक भारत-श्रेष्ठ भारत’ की भावना का प्रतिबिंब है : मोदी

प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी के दो दिवसीय गुजरात दौरे का आज दूसरा दिन है। सरदार पटेल की जयंती के मौके पर मंगलवार सुबह ही वे केवड़िया में स्टैच्यू ऑफ यूनिटी पहुंचे। यहां उन्होंने देश के पहले गृह मंत्री को श्रद्धांजलि अर्पित की। पीएम मोदी इस दौरान रैंप से स्टैच्यू ऑफ यूनिटी के बराबर गए और वहां से सरदार पटेल को फूल चढ़ाए। इसके बाद पीएम ने एकता नगर में इकट्ठा हुए लोगों को भी संबोधित किया।पीएम मोदी ने कहा कि एकता नगर में आने वालों को सिर्फ इस भव्य प्रतिमा के ही दर्शन नहीं होते बल्कि उसे सरदार साहब के जीवन, त्याग और एक भारत के निर्माण में उनके योगदान की झलक भी मिलती है। इस प्रतिमा की निर्माण गाथा में ही ‘एक भारत-श्रेष्ठ भारत’ की भावना का प्रतिबिंब है।पीएम ने केवड़िया में एक सभा को संबोधित करते हुए कहा कि मन के अनेक है, लेकिन माला एक है। तन अनेक है, लेकिन मन एक है। जैसे 15 अगस्त हमारी स्वतंत्रता के उत्सव का, 26 जनवरी हमारे गणतंत्र के जयघोष का दिवस है, उसी तरह 31 अक्टूबर का ये दिन देश के कोने-कोने में राष्ट्रीयता के संचार का पर्व बन गया है।

Goa : আরব সাগরের নোনা জলে সাফ হচ্ছে ঘাসফুল

Goa

বিধানসভা জিতেই জাতীয় স্তরে চলে গিয়েছিল তৃণমূল। ত্রিপুরার পর গোয়াতেও (Goa) হাজির তৃণমূলের (TMC) প্রতিনিধিরা৷ শনিবার প্রকাশিত হয়েছে ভোটের নির্ঘন্ট। আদৌ কি কোনো কাজে আসবে তৃণমূলের এতো ছুটোছুটি, থাকছে প্রশ্ন।

নিজ রাজ্যে জয়ের হ্যাটট্রিক করার পরেই সাড়া ফেলে দিয়েছিল তৃণমূল। গোয়াতে গিয়েছিল স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কংগ্রেসে (Congress) ভাঙন ধরিয়ে তুলে নিয়েছিলেন লুইজিয়ানহো ফার্নান্ডেজকে৷ অনুঘটকের কাজ করেছিকেন ডেরেক ও’ ব্রায়েন। সেই সময় ‘গোয়ায় তৃণমূল’ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে লেখালিখি হয়েছিল বিস্তর। এখন যেন ভাটার টান। কমেছে আলোচনা।

গোয়ায় তৃণমূলের দায়িত্বে থাকা নেত্রী মহুয়া মৈত্র এর আগে মন্তব্য করেছিলেন যে তাঁর দল কংগ্রেস ও গোয়া ফরোয়ার্ড পার্টির সঙ্গে প্রাকনির্বাচনী জোট গড়তে প্রস্তুত ছিল। তৃণমূলের সাক্ষাৎ এড়িয়েছিল ফরোয়ার্ড ব্লক। দলের কোনও প্রতিনিধিই দেখা করেননি মমতার সঙ্গে। পরে মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক পার্টির সঙ্গে জোট করেছে তৃণমূল। যদিও ঘাসফুল শিবিরকে পাত্তাই দিচ্ছে না গোয়া কংগ্রেস। পি চিদম্বরম তৃণমূলের সঙ্গে সাঁটিয়ে দিয়েছিলেন ‘প্রান্তিক’ লেবেল।

পাঞ্জাবের মতো গোয়াও কংগ্রেসের অন্যতম মূল ভোট ব্যাঙ্ক। অন্য রাজ্যের কোনো দল এসে তা ছিনিয়ে নেবে তা নিশ্চয় বরদাস্ত করবে না হাত শিবির। তবে বিজেপিকে ঠেকাতে সুর নরম করেছেন চিদম্বরম৷ বলেছেন, ‘গোয়ায় নিজের দমেই বিজেপিকে হারাতে পারে কংগ্রেস। তবে বিজেপিকে হারাতে যদি কোনো দল কংগ্রেসকে সমর্থন করতে চায়, তাহলে তাদের স্বাগত জানানো হবে।’

আরব সাগর পারে গিয়ে তৃণমূল যতই চেষ্টা চালাক না কেন, তাদের বারংবার এটাই বোঝানো হচ্ছে, ‘তোমরা বহিরাগত’। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করেছিলেন, ডেরেককে সামনে রেখে তৃণমূল খেলতে চাইছে ধর্মের তাস। ক্যাথলিক ভোট টানার প্রয়াসে মমতার চার্চে গমন। এই একই ট্যাক্টিস পশ্চিমবঙ্গে নিয়েছিল বিজেপি৷ যার ফল মিলেছে ২ মে। যে স্বপ্নের ফানুসে ভর করে গোয়ায় পাড়ি দিয়েছিল তৃণমূল, তা শীঘ্রই নেমে আসবে বাস্তবের মাটিতে। অনুমান রাজনৈতিক বোদ্ধাদের একাংশের।

Rafale: নৌবাহিনীর জন্য গোয়ায় শুরু হল রাফাল ফাইটারের প্রদর্শনী

China’s new fighter jet deployed near Taiwan

ভারতীয় নৌবাহিনীর ফাইটার জেট চুক্তির দিকে তাকিয়ে, বৃহস্পতিবার গোয়ায় নৌবাহিনীর কাছে ফ্রান্স (France) একটি রাফালে সামুদ্রিক যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে তার যুদ্ধের ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য। ভারতীয় নৌবাহিনী দেশীয় বিমানবাহী রণতরী বিক্রান্তের (Vikrant) জন্য ফাইটার জেট কেনার পরিকল্পনা করছে যা অগাস্টে চালু হতে পারে।

জানা গেছে, রাফালে জেটের প্রদর্শনীটি গোয়ার উপকূল-ভিত্তিক পরীক্ষা কেন্দ্রে (SBTF) শুরু হয়েছে। ২০১৭ সালে ভারতীয় নৌবাহিনী তার বিমানবাহী রণতরীটির জন্য ৫৭টি মাল্টি-রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফ্ট কেনার জন্য রিকোয়েস্ট ফর ইনফরমেশন (RFI) জারি করেছে। চুক্তির প্রতিযোগিতায় ৪টি বিমান রয়েছে। যেমন- রাফালে (ডাসল্ট, ফ্রান্স), এফ-১৮ সুপার হর্নেট (বোয়িং, ইউএস), এমআইজি-২৯কে (রাশিয়া) ও গ্রিপেন (সাব, সুইডেন)। F-18, রাফালে ও MIG-29K টুইন ইঞ্জিনের জেট। অন্যদিকে, গ্রিপেন একক ইঞ্জিনের বিমান। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বাকি প্রতিযোগীরাও তাদের বিমান ভারতে প্রদর্শনের জন্য নিয়ে আসবে। সরকার ভারতেও এই বিমানগুলি তৈরি করতে চেয়েছিল। আরএফআই-তে জানতে চাওয়া হয় কোম্পানিগুলি ভারতের সঙ্গে প্রযুক্তি স্থানান্তর (ToT) ও গভীর মেরামতের দক্ষতা কোন স্তর পর্যন্ত শেয়ার করতে ইচ্ছুক।

ভারত তার বিমান বাহিনীর জন্য প্রায় ৫৯,০০০ কোটি টাকা ব্যয় করে ৩৬টি রাফালে যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে ফ্রান্সের সঙ্গে একটি সরকারি চুক্তি স্বাক্ষর করে। ফরাসি সংস্থা নির্মাতা ডাসাল্ট এভিয়েশন (Dassault Aviation) দ্বারা নির্মিত ৫টি রাফালে জেটের প্রথম ব্যাচ ২৯ জুলাই, ২০২০ সালে ভারতে পৌঁছায়। ইতিমধ্যেই নির্মাতা ডাসাল্ট এভিয়েশন ৩৩টি রাফালে জেট IAF-কে দিয়েছে। ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ফ্লোরেন্স পার্লি, গত মাসে ভারত সফরের সময় ইঙ্গিত দেন যে ফ্রান্স ক্যারিয়ার ভিত্তিক জেট সরবরাহ করতে আগ্রহী।

PM Narendra Modi: সরদার প্যাটেল বেঁচে থাকলে অনেক আগেই মুক্ত হত গোয়া

Narendra Modi

News Desk, New Delhi: রবিবার ছিল গোয়ার (Mukti Divas) মুক্তি দিবস। এই দিনটিকে স্মরণ করতে আয়োজন করা হয়েছিল এক বিশেষ অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সেখানেই তিনি বলেন, সর্দার বল্লভভাই (Ballavbhai Patel) প্যাটেল যদি বেঁচে থাকতেন তাহলে অনেক আগেই গোয়া স্বাধীন হত। এদিন গোয়ার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Shyamaprasad Mukherjee) স্টেডিয়ামে এই বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মোদি।

উল্লেখ্য, ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হলেও গোয়া থেকে গিয়েছিল পর্তুগীজদের শাসনে। ভারতীয় সেনার অপারেশন বিজয় পর্তুগীজদের হাত থেকে গোয়াকে মুক্ত করে। সেই দিনটি স্মরণ করতে গোয়া প্রতি বছর ১৯ ডিসেম্বর মুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে। এদিন অনুষ্ঠানের শুরুতেই অপারেশন বিজয়ে অংশগ্রহণকারী সেনাদের হাতে স্মারক সম্মান তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী বছরের শুরুতেই গোয়া বিধানসভা নির্বাচন। নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে এদিন একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন সারেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী এদিনের অনুষ্ঠানে বলেন, গোয়ার মুক্তির জন্য আমাদের বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। কিন্তু যদি সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল বেঁচে থাকতেন তবে গোয়াকে কখনওই এত দীর্ঘ সময় মুক্তির জন্য অপেক্ষা করতে হত না। চলতি বছরেই দেশ আজাদি কা অমৃত মহোৎসব পালন করছে। সেই অনুষ্ঠানের সঙ্গে মিশে গিয়েছে গোয়ার মুক্তি দিবস। এটা ভেবে অত্যন্ত আনন্দ লাগছে।

এদিনের অনুষ্ঠানে গোয়ার বিজেপি জোট সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ন্তের নেতৃত্বে রাজ্যে উন্নয়নের যে কাজ চলছে তা রীতিমতো হিংসা করার মত। মুখ্যমন্ত্রীর চেষ্টাতেই এ রাজ্যের প্রাপ্তবয়স্ক সকল মানুষই করোনার টিকা পেয়েছেন। যথারীতি এদিনের অনুষ্ঠানে গোয়ার প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পারিক্করের কথাও উল্লেখ করেন। আবেগের সঙ্গে তিনি বলেন, মনোহর যে কাজ শুরু করেছিলেন সেই কাজই শেষ করেছেন প্রমোদ। এটা অত্যন্ত ভালো একটা দিক। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে নিশ্চিতভাবেই গোয়ার এই উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে।

Goa: তৃণমূলের সঙ্গে কোনও জোটই নয়, জানাল গোয়া প্রদেশ কংগ্রেস

goa congress

নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের শুরুতেই গোয়া (Goa) বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ২ বার গোয়া সফর করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কংগ্রেসের ক্ষতি করতে গোয়ায় এসেছে তৃণমূল। তাই তাদের সঙ্গে কোনোভাবেই জোট নয়। এমনটাই জানিয়ে দিল গোয়া প্রদেশ কংগ্রেস। অন্যদিকে, বিজেপিকে বাঁচানোর জন্যই ওদের সঙ্গে কংগ্রেস বন্ধুত্ব করেছে বলে আক্রমণ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

গোয়ায় এদিনও  তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘আমিও কংগ্রেসে ছিলাম। কেন ছেড়ে দিলাম? আপনার সঙ্গে বন্ধুত্ব দেখে। আপনারা বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেছেন, ওদেরকে বাঁচানোর জন্য। কিন্তু এখন আর সেটা হবে না।’

এদিন গোয়ার প্রদেশ কংগ্রেস (Congress) সভাপতি গিরীশ চোড়নকর বলেছেন, ‘গোয়ায় তৃণমূলের (TMC) সঙ্গে কখনই জোট নয়।’ গোয়ায় জমি তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল। একসঙ্গে গোয়া সফরে এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির পাশাপাশি গোয়ার মাটিতে দাঁড়িয়ে নিয়ম করে কংগ্রেসকেও লাগাতার আক্রমণও করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন,  ‘কোনও কোনও রাজনৈতিক দল নিজেদের জমিদার মনে করে, নিজেরাও করে না, কাউকে করতেও দেয় না। আমি এই জন্যই কংগ্রেস ছেড়ে দিয়েছি।’

তবে আক্রমণের পাশাপাশি সোমবার কৌশলে কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে জোট বার্তা দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী। বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, জোট করতে হলে তৃণমূলের নেতৃত্বে করতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘আমি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বলতে চাই না। যদি কংগ্রেস ভাবে বিজেপিকে হারানোর জন্য কাজ করবে, আমাদের কোনও আপত্তি নেই। আমরা তো গোয়ায় জোট করে ফেলেছি। MGP পার্টি, ফরওয়ার্ড পার্টিকে নিয়ে। NCP-র যিনি ছিলেন, ৪-৫টা দল নিয়ে জোট করে নিয়েছি। এটাই বিকল্প। আপনারা যদি যোগ দিতে চান, দিন।’

গোয়ার  প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেছেন, ‘তৃণমূল আমাদের ক্ষতি করতে এসেছে। তাই তৃণমূলের সঙ্গে কখনই জোট করবে না কংগ্রেস।’ এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করছেন তারা ভোট ভাগ করতে গোয়া আসেননি। পাল্টা কংগ্রেসের দাবি, তৃণমূলের একটাই লক্ষ্য বিরোধী ভোগ কেটে বিজেপিকে ক্ষমতা ধরে রাখতে সাহায্য করা। এ নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেছেন, বিজেপি বিরোধী ভোট ভাগ করার জন্য বিজেপিই তৃণমূলকে গোয়ায় এনেছে। চার্চিল আলেমাও বিজেপির কথাতেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। বিজেপি সরকার চার্চিলের ক্লাবকে ১ কোটি টাকা দিয়েছে।

Alvito D’Cunha: গোয়ায় মমতার সভায় তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রাক্তন ফুটবলার অ্যালভিটো

Alvito D'Cunha

নিউজ ডেস্ক, পানাজি : গোয়ায় (Goa) ক্ষমতা বাড়াতে চাওয়া তৃণমূলে এবার নাম লেখালেন কলকাতার ময়দানের জনপ্রিয় প্রাক্তন ফুটবলার অ্যালভিটো ডি কুনহা (Alvito D’Cunha)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) উপস্থিতিতে মঙ্গলবার গোয়ায় তৃণমূলে যোগ দিলেন তিনি।

এর আগেই জনপ্রিয় টেনিস প্লেয়ার লিয়েন্ডার পেজও তৃণমূলে (TMC) যোগ দিয়েছিলেন। গোয়ায় তৃণমূলের সংগঠন বিস্তারে এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছেন লিয়েন্ডার। তাঁর বান্ধবী অভিনেত্রী কিম শর্মাকেও এখন তৃণমূলের নানা কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে। এরই মধ্যে অ্যালভিটোকে দলে এনে চমক দিল ঘাসফুল শিবির। তৃণমূলে সামিল হয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন অ্যালভিটো।

প্রসঙ্গত, ভবানীপুর উপনির্বাচনে জয়ের পরদিনই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে ভবানীপুরের একটি শীতলা মন্দির ও গুরুদ্বারে পুজো দিতে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দেখা গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের তারকা ফুটবলার অ্যালভিটো ডি-কুনহাকে। তারপর থেকেই জল্পনা ছড়িয়েছিল, গোয়ার ভূমিপুত্র কি এবার তৃণমূলে নাম লেখাবেন? অবশেষে সেই জল্পনা সত্যি হল।

উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বরেই কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন ভারতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন খেলোয়াড় অ্যালভিটো। গোয়ার ভূমিপুত্র অ্যালভিটো কংগ্রেসে যোগ দিয়ে বলেছিলেন, বর্তমান রাজ্য সরকার গোয়ার ক্রীড়াবিদ ও ফুটবলারদের যথাযোগ্য সম্মান দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই তিনি গোয়ার ক্রীড়ার উন্নয়নের জন্য কাজ করতে চান। এবার সেই অ্যালভিটো কয়েক মাসের মধ্যেই দলবদলে তৃণমূলে যোগ দিলেন। গোয়ার রাজনৈতিক মহল সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই গোয়ায় জাঁকিয়ে বসেছে তৃণমূল। কংগ্রেসের ঘর ভেঙে নিজেদের ঘর গোছাচ্ছে তাঁরা।

গোয়ার ২ বারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফ্যালেইরো কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই ২ বার গোয়া সফর করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী বছরের শুরুতেই গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল যে কোমর বেঁধে নামতে চলেছে, তা নিশ্চিত।

তিনি রোজ চণ্ডীপাঠ করেন-পুরো চণ্ডীই তাঁর মুখস্ত, গোয়ায় বললেন Mamata Banerjee

mamata banerjee in Goa

News Desk: বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) মুখে প্রায়শই চণ্ডীপাঠ (chandi) শুনে থাকেন। তবে গোয়ার (goa) মানুষ এই প্রথম বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর মুখে চণ্ডীপাঠ শুনলেন। মঙ্গলবার পানাজির (panaji)এক সভায় মঞ্চে উঠেই চণ্ডীর বেশ কয়েকটি শ্লোক পাঠ করেন মমতা (Mamata Banerjee)।

কইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, গোটা চণ্ডীই নাকি তাঁর মুখস্ত। তিনি নিয়মিত চণ্ডীপাঠ করেন। আর কেউ কেউ শুধুমাত্র ভোট এলেই গঙ্গায় ডুব দেন। এভাবেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কটাক্ষ করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, সোমবার বেনারসে কাশী বিশ্বনাথ করিডোরের উদ্বোধন করতে গিয়ে গঙ্গায় স্নান করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি।

গোয়ায় তৃণমূলের নতুন জোটসঙ্গী মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক পার্টিকে সঙ্গে নিয়ে এদিন পানাজিতে সভা করেন মমতা। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, সাংসদ তথা গোয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত মহুয়া মৈত্র প্রমুখ। যথারীতি পানাজির এই সভায় প্রধান মন্ত্রী মোদি তথা বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন।

সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নাম না করে বলেন, কেউ কেউ ভোট এলেই গঙ্গায় ডুব দেয়। উত্তরাখণ্ডের মন্দিরে গিয়ে পূজা-অর্চনা করেন। ঘটা করে যে গঙ্গায় এত আরতি করেন সেই গঙ্গাতেই করোনায় মৃতদের দেহ ভাসিয়ে দেয়। এরাই গঙ্গাকে অপবিত্র করে। নেত্রী দাবি করেন, তিনি ব্রাহ্মণ। তাই বিজেপি বা অন্য কোনও দলের কাছ থেকে তাঁর সার্টিফিকেট পাওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর বাড়িতে কালীপুজো হয়। তিনি দুর্গাপুজো জগদ্ধাত্রী পূজা সবই করেন বলে নেত্রী জানান।

পানাজির মঞ্চ থেকে মমতা বলেন, গোয়ায় তৃণমূলের শক্তি দেখে ইতিমধ্যেই বিজেপি ভয় পেয়েছে। গোয়ার মানুষকে আশ্বস্ত করে বলেন, ভয় নেই ২০২২- এর নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসে এরাজ্য সরকার গড়বে। সরকার গড়ার লক্ষ্যে তৃণমূল ও এমজিপি একসঙ্গে লড়াই করবে। গোয়ার অন্য বিরোধী দলগুলিকেও তার দলের সঙ্গে জোট করার জন্য আহ্বান জানান নেত্রী।
একইসঙ্গে কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে বলেন, যারা বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে চান তারাই আমাদের সঙ্গে আসুন। আর যদি না আসেন তবে অনুরোধ করব দয়া করে আমাদের ভোট কাটবেন না। গেয়ায় বিজেপির বিকল্প একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গোয়ায় বিজেপিকে ক্ষমতায় আনার পেছনে বিশেষ ভূমিকা ছিল গোমন্তক পার্টির। যদিও দু’বছর পর এই দল বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করেছিল। এ প্রসঙ্গটি তুলে মমতা বলেন, বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধার কি ফল তা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে এমজিপি। সেজন্যই তারা জোট থেকে বেরিয়ে এসেছে।

Mamata in Goa: ভোট ভাগ নয়, বিজেপিবিরোধী জোটকে একাট্টা করতেই আমরা গোয়ায়: মমতা

Mamata in Goa

নিউজ ডেস্ক, পানাজি: আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হচ্ছে আমরা নাকি বিজেপি ভোট ভাগ করার জন্যই গোয়ায় পা রেখেছি। মনে রাখবেন এই অভিযোগ একেবারেই ঠিক নয় আমার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো গোয়াতে ও বিজেপি বিরোধী জোটকে এক জায়গায় নিয়ে আসা। সোমবার গোয়ায় এক জনসভায় (Mamata in Goa) এই মন্তব্য করলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের পর এই জনসভায় নেত্রী দিলেন খেলা হবে স্লোগান নাম না করে তীব্র কটাক্ষ করলেন কংগ্রেসকে।

প্রত্যাশামতোই সোমবার তৃণমূল নেত্রী মমতা উপস্থিতিতে এনসিপি ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তবে আলেমা ও এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দিয়েছিলেন 2014 সালে তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচনে লড়াই করলেও তিনি পরাজিত হন তারপরই তুমি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন আজ ফের কার্যত ঘরে ফিরলেন তিনি বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল almahmud7 তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর ব্যস্ত কর্মসূচির কারণে তিনি তৃণমূলে যোগ দিতে পারেননি৷

উল্লেখ্য এর আগে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে এসেছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের তার রাজনৈতিক মহল মনে করছে আগামী বছরের শুরুতেই বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেস এড়াচ্ছে যেভাবে তৃণমূলের শক্তি বাড়ছে তার বিজেপির কাছে যথেষ্ট অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠছে একসময় মনে করা হচ্ছিল এই রাজ্যে বিজেপি কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির ত্রিমুখী লড়াই হবে কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে লড়াইটা হতে চলেছে ত্রিমুখী রাজনৈতিক মহলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে গোয়ায় আলেম চার্চিলের যথেষ্টই প্রতিপত্তি রয়েছে সংগঠনেও তিনি দক্ষ পরিচিত মুখ তাই তাদেরকে নিজেদের ঘরে আনতে পারে তৃণমূল রাজনৈতিকভাবে অনেকটাই এগিয়ে গেল

তৃণমূল নেত্রী এদিন বলেন আমাদের দল জাতীয় স্তরের একটি দল তাই আমাদের কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী সব জায়গায় গিয়ে প্রচার করার নির্বাচনে লড়ার অধিকার আছে। যারা আমাদের গোয়ায় আশা নিয়ে এত কথা বলছে তারা কেন 2021 এর মে মাসে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ধরতে গিয়েছিল। আগামী বছরের শুরুতেই গোয়া বিধানসভার ভোট তার আগে তৃণমূল নেত্রী এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোয়া সফর এবং তাদের সক্রিয়তা স্পষ্ট করে দিল আগামী দিনে তারা এই সমুদ্র উপকূলের এই রাজ্যে বিজেপি কে বিনা যুদ্ধে এতোটুকু মারবে না।

3 দিনের সফরে ভাইপো অভিষেককে নিয়ে রবিবারে গোয়া পৌঁছেছেন নেত্রী। দলের বিভিন্ন দল ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দেওয়া নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে নেত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন গোয়ায় তারা লড়াই থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবেন না দরকার হয় প্রাণ দেবেন তবু বিনাযুদ্ধে 16 যেটুকু মোটা সেটুকু কাউকে দেবেন না। তৃণমূল নেত্রী এদিনে বলেন বাংলাদেশের মধ্যে সেরা আমরা গোয়া কেউ সেই জায়গায় নিয়ে যেতে চাই এ রাজ্যের মহিলাদের উন্নয়নে আমরা বিশেষ গৃহলক্ষী প্রকল্প এনেছি। পাশাপাশি বিজেপিকে তুলোধোনা করে বলেন এই দল শুধু প্রতিশ্রুতি দিতে জানে প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে জানেনা।

অন্যদিকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন তদন্ত নাগপুর থেকে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে আর কংগ্রেস করে দিল্লি থেকে কিন্তু তৃণমূল হলো একমাত্র দল যারা চায় শাসন করবে। আমরা এখানে এসেছি ঠিকই কিন্তু আগামী দিনে এরাজ্যে সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করবেন গুহার মানুষ আমাদের তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে গোয়ার ভূমিপুত্র হবেন এখানকার মুখ্যমন্ত্রী।

Mamata Banerjee: এ মাসেই অসম-মেঘালয়ে মমতা ও অভিষেক

mamata banerjee abhishek banerjee

নিউজ ডেস্ক : চলতি মাসে অসম, মেঘালয় ও গোয়া সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর সঙ্গে যাবেন দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

সূত্রের খবর, আগামী ২০ ডিসেম্বর মুখ্যমন্ত্রী অসমে (Assam) যাবেন। তবে ওই রাজ্যে এখনও তাঁর কোন দলীয় কর্মসূচি নেই। ওইদিন গুয়াহাটিতে কামাখ্যা মন্দিরে (Kamakhya temple) পুজো দিয়ে তারপর দিন অর্থাৎ ২১ ডিসেম্বর সেখান থেকে সড়ক পথে শিলং (Shilong) যাবেন। সেখানে সংগঠনের কাজ খতিয়ে দেখার পর সাংবাদিক সম্মেলন করতে পারেন তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো।

এদিকে আগামী ১৩ ডিসেম্বর আবার গোয়া (Goa) যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে দুজনেই গোয়ায় রাজনৈতিক সফর করেছেন। আগামী সপ্তাহে গোয়ায় ফের তাঁদের ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে। গত ২৫ নভেম্বর সদলবলে তৃণমূলে (TMC) যোগ দিয়েছেন মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা (Mukul Sangma)-সহ ১২ জন বিধায়ক। এ রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইঞার উপস্থিতিতে ঘাসফুল শিবিরের পতাকা হাতে তুলে নেন তাঁরা। আর তাঁরা কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিতেই মেঘালয়ের প্রধান বিরোধী দলের তকমা পেয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

অন্যদিকে, মেঘালয়ে সম্প্রতি যথেষ্ট শক্তি বাড়িয়েছে তৃণমূল। কংগ্রেসের ১২ জন কাউন্সিলরকে নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। মমতা এই প্রথম মেঘালয়ে গিয়ে সেখানকার তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক বৈঠক করবেন। দলীয় সূত্রে খবর একটি জনসভা করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সবমিলিয়ে, তৃণমূল নেত্রীর শিলং সফর বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।

TMC in Goa: এবার গোয়াতেও দিদির দূত

TMC in Goa

নিউজ ডেস্ক : বাংলার ছকেই এবার গোয়ায় জনসংযোগে নামতে চলেছে তৃণমূল (TMC)। জানা গেছে, তৃণমূল নেতারা পশ্চিম ভারতের এই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রচারে যাবেন। থাকবেন তৃণমূল স্তরের নেতা-কর্মীদের এলাকায়। মত্‍স্যজীবী, কৃষক, সাফাই কর্মী সকলের কাছেই পৌঁছে যেতে চাইছেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। তাই বাংলার শাসক দলের (TMC in Goa) এই বিশেষ প্রচার কৌশল।

তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, ‘বিজেপি শাসিত রাজ্যে সর্বত্র স্বৈরতন্ত্র চালাচ্ছে সরকার। অন্য কোনও দলকে মাঠে নামতে দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের কাছে মানুষকে পৌঁছতে দিচ্ছে না। আমরা মানুষের কাছে পৌঁছব। বিজেপিকে স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমরা তৃণমূল কংগ্রেস। কাউকে ভয় পাই না।’

গোয়ায় প্রচারের জন্য একাধিক দল গঠন করা হয়েছে। রাজ্যজুড়ে মমতার বার্তা ছড়িয়ে দেবেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। পাশাপাশি প্রশাসনের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানানো হবে। গোয়ার এই কর্মসূচিতেও বিজেপি বাধা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে নেতৃত্ব। ‘গোয়েঞ্চি নভি সকাল’ ক্যাম্পেনের সূচনা করে তৃণমূল আগেই জানিয়েছে, ‘আমরা বিজেপির ঘৃণা ও হিংসার রাজনীতিকে ভয় পাই না। গোয়ায় প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে আমরা দায়বদ্ধ।’

গোয়ায় কর্মসূচির জন্য ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি প্রচার-গাড়ি রাস্তায় নামিয়েছে ঘাসফুল শিবির। নীল-সাদা গাড়িগুলির গায়ে লেখা ‘গোয়েঞ্চি নভি সকাল’ (Goenchi Navi Sakal)। এই গাড়িতে চড়েই গোয়ার প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছাতে চায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটে তৃণমূলের খারাপ ফলের পর মানুষের সঙ্গে জনসংযোগে প্রশান্ত কিশোরের টোটকায় শুরু হয়েছিল ‘দিদিকে বলো’ (Didike Bolo) কর্মসূচি। নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করে অভাব-অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি তৃণমূল নেতারা জেলায় জেলায় ঘুরেছেন। সেই কৌশলেই এবার গোয়ায় নামছে মমতার দল (TMC in Goa)।

আগামী সপ্তাহেই মমতা-অভিষেক গোয়া যেতে পারেন। বিধানসভা ভোটের আগে একাধিকবার গোয়া ছুটে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এরমধ্যে বিজেপি শাসিত এই রাজ্যে পায়ের তলার মাটি শক্ত করতে নতুন করে কোমর বাঁধছে জোড়াফুল শিবির। তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা ঠিক করেছেন, ভোট ঘোষণা হওয়া পর্যন্ত গোয়া জুড়ে দলের একটানা কর্মসূচি চলবে।

Mamata Banerjee: অভিষেকের সঙ্গে ফের গোয়া সফরে যেতে পারেন মমতা

mamata banerjee abhishek banerjee

নিউজ ডেস্ক : ত্রিপুরার পর এবার গোয়া বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করেছে তৃণমূল (TMC)। আর সে কারণেই ফের গোয়া (Goa) সফরে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই সফরে তাঁর সঙ্গী হতে পারেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

সূত্রের খবর, আগামী ১৩ ডিসেম্বর তাঁরা গোয়া যেতে পারেন। ২ দিনের এই সফরে ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে। তার আগে অবশ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেলা সফরে যাওয়ার কথা। সম্ভবত ৭ ডিসেম্বর উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। ওইদিনই প্রথমে গঙ্গারামপুরে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মমতা। এরপর যাবেন রায়গঞ্জে। সেখানেও প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা রয়েছে।

৮ তারিখ মালদহ এবং মুর্শিদাবাদে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেখানকার সমস্ত কাজের খতিয়ান নেবেন। কথা বলবেন জেলাশাসক, বিডিও ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে। ৯ তারিখ মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠক করবেন নদিয়ার কৃষ্ণনগরে। তারপরেই তিনি যাবেন গোয়ায়। মূলত সংগঠন বিস্তারের কাজই করবেন।

ইতিমধ্যে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোয়ায় ঘুরে এসেছেন। তাঁর হাত ধরে সেখানে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছেন খ্যাতনামা টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ, অভিনেত্রী নাফিসা আলি, গায়ক রেমো ফার্নান্ডেজ। পরে অবশ্য তিনি গোয়ায় সংগঠন তৈরির ভার সঁপে দিয়েছেন দলের অন্যতম ভরসাযোগ্য সাংসদ মহুয়া মৈত্রর (Mohua Moitra) হাতে। তাঁর হাত ধরেও তৃণমূল শিবিরে নাম লেখাচ্ছেন আরও অনেকে। শোনা যাচ্ছে, গোয়ার একমাত্র এনসিপি বিধায়ক চার্চিল আলেমাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এরই মাঝে অবশ্য রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) গোয়ায় গিয়ে ফরোয়ার্ড পার্টির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। জোটের কথা ঘোষণাও করে দিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে জাতীয় স্তরে জমি শক্ত করার মরিয়া চেষ্টায় তৃণমূল। ত্রিপুরা, গোয়া, মেঘালয়ে চলছে সংগঠনকে শক্তিশালী করার কাজ।

Mamata Banerjee: আরব সাগর তীরে ডুবলেন মমতা ? ক্ষণিকের বন্ধু ‘বিশ্বাসঘাতক’

mamata banerjee in mumbai

News Desk: মহারাষ্ট্রে তেমন সাড়া মিলছে না। সিদ্ধিবিনায়ক আশীর্বাদ পেতে পুজো দিলেও ঈশ্বর কি মু়খ ফিরিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দিক থেকে এমনই আলোচনা মুম্বই থেকে জাতীয়স্তরে। গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে ক্ষণিকের বন্ধু গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টি টিএমসির ছায়া পরিত্যাগ করেছে। আপাতত তারা কংগ্রেসের দিকে।

পশ্চিমবঙ্গে তিনবার জয়ী হয়ে পশ্চিম ভারতের গোয়া বিধায়নসভা যুদ্ধে নেমেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। তাঁর সঙ্গে এসেছেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তবে যাকে নিয়ে বিরাট আশা ছিল টিএমসির সেই গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির ঘোষণা, কংগ্রেসের সঙ্গেই তারা আছে। গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টি প্রধান বিজয় সরদেশাই সম্প্রতি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুমুল প্রশংসা করেন।

টিএমসির ভোটকুশলীরা গোয়ার সমীকরণে নিজেদের তুলে ধরতে গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির সঙ্গে বিস্তর যোগাযোগ করেন। তবে সব আশায় জল ঢেলে দিয়েছে দলটি। ফলে টিএমসির তরফে দলটিকে এখন বিশ্বাসঘাতক বলেই চিহ্নিত করা হচ্ছে।

এদিকে মুম্বইতেও ক্ষমতাসীন শিবসেনা জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে অসুস্থ তাই তিনি দেখা করেননি মমতার সঙ্গে। মুম্বই রাজনৈতিক মহলে খবর, গোপনে আড়কাঠি চেলেছেন প্রবীণ এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ার। তিনিই বিজেপি বিরোধী পাওয়ার প্নে জনক।

Goa: ‘সব কুছ কর দেঙ্গে’ মৎস্যজীবী মহল্লায় মমতার ‘প্রথম প্রতিশ্রুতি’

Mamata Banerjee

News Desk: রাজ্যের বাইরে গোয়ার ভোট যুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দিলেন নির্বাচনের ‘প্রথম প্রতিশ্রুতি’। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর গোয়া সফর রীতিমতো সাড়া জাগানো। পরিপূর্ণ কর্পোরেট ছাপ সর্বত্র।

বৃহস্পতিবার গোয়ায় পৌঁছতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে রাজ্যটির রাজনৈতিক মহল আরও তপ্ত হয়েছিল। শুক্রবার মমতার পূর্ব নির্ধারিত সফর তলিকায় ছিল রাজধানী পানজিম পানজিম(পানাজি) লাগোয়া মৎস্যজীবী মহল্লা।

তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফালেইরো কে সঙ্গে নিয়ে মমতা ঢুকে পড়েন সেই মহল্লায়। ‘দিদি আ রহি ‘ এই খবর আগেই ছিল। মৎস্যজীবীরাও তাঁদের রীতিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে বরণ করলেন।

mamata-leander

পানজিমের এই মৎস্যজীবী মহল্লা থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মাইকে ঘোষণা করলেন, গোয়ার মৎস্যজীবীরা খুব সমস্যার মধ্যে আছেন। তাঁদের রফতানি বন্ধ করা হয়েছে। করোনার জন্য পরিস্থিতি আরও খারাপ। আমি জানি গোয়ায় মৎস্যজীবীরা বৃহত্তম সংখ্যা।তৃণমূল কংগ্রেস আপনাদের জীবনের মানোন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা তৈরি করছে। আপনাদের ভর্তুকি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই ভর্তুকি বাড়িয়ে দেব আমরা।

এর পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মৎস্যজীবীদের জন্য যা যা করা দরকার সব চিন্তা করে রেখেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তিনি বলেন, সব কুছ কর দেঙ্গে’

মমতার গোয়া সফর ঘিরে আরব সাগর তীরে রাজ্যটি বেশ আলোড়িত। আসন্ন বিধানসভা ভোটে এ রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস লড়াই করবে।

Mamata Bnerjee: কী হবে গোয়া সফরে? মমতা পৌঁছনোর আগেই ‘জয় শ্রী রাম’ ছড়াছড়ি

mamata banerjee

News Desk, Kolkata: দার্জিলিং পার্বত্যাঞ্চল থেকে আরব সাগর তীরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তিনি গোয়া পৌঁছতেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটে কতটা দাগ কাটতে পারবেন মমতা?

ইতিমধ্যেই গোয়া জুড়ে মমতার পোস্টার ছেঁড়া, কালি লেপে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। প্রতিক্ষেত্রেই অভিযুক্ত বিজেপি। যদিও পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দল বিজেপির দাবি, গোয়া গিয়ে গণতন্ত্র শিখে আসবেন দিদি।

বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দার্জিলিংয়ের বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি গোয়ার ভাস্কো আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছান। তিনি আসার আগেই গোয়ার সর্বত্র জয় শ্রী রাম পোস্টার ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে এই পোস্টার কারা দিল তা স্পষ্ট নয়। তবে রাজনৈতিক মহলের ধারণা, বিজেপি এই কাজটি করিয়েছে।

তৃ়নমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোয়া সফর রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর উপস্থিতিতে গোয়ার বিজেপি ও কংগ্রেস শিবিরে ভাঙন ধরবে। স্থানীয় দলেও ভাঙন ধরতে চলেছে।আসন্ন গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে তৃ়ণমূল কংগ্রেস গোয়ায় লড়াই করবে।

গত গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয় হয়। ৪০ আসনের বিধানসভায় কংগ্রেস বৃহত্তম দল হলেও বিজেপির বিরুদ্ধে ঘোড়া কেনাবেচার অভিযোগ ওঠে। তীব্র রাজনৈতিক ডামাডোলের মাঝে ক্ষমতা দখল করে বিজেপি।

আসন্ন গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে গোয়া দখল করতে মরিয়া কংগ্রেস। তার মাঝেই তৃণমূল কংগ্রেস এন্ট্রি নেওয়ায় রাজনৈতিক ‘খেলা হবে’ শুরু হয়েছে গোয়া জুড়ে।

গোয়ার সুইমিং পুলে মভ রঙের বিকিনিতে HOT LOOK তৃণা

Trina Saha

বায়োস্কোপ ডেস্ক: বাংলা ধারাবাহিকের জনপ্রিয় মুখ তৃণা সাহা। অন্যদিকে তাঁর স্বামী নীলও কম যান না। বেশি দিন হয়নি ভালোবেসে বিয়ে করেছেন দুজনে। বিয়ের ৬ মাসের মাথায় গোয়ায় ছুটি কাটিয়ে এলেন এই জুটি। টলি-পাড়ায় নীল এবং তৃণার জুটি বেশ চর্চিত। তাঁদের অনুরাগীরা ভালোবেসে এই জুটির নাম দিয়েছেন ‘তৃনীল’। অভিনয়ের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশ অ্যাক্টিভ তৃণা। জীবনের বিভিন্ন মুহূর্তকে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভালোবাসেন অভিনেত্রী।

Trina Saha in Goa

এর আগে গোয়ায় নীলের সঙ্গে কাটানো বেশ কিছু মুহূর্তের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন তৃণা। এবারে তাঁকে দেখা গেলো একেবারে অন্যরূপে। সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট করেন তৃণা। ইতিমধ্যেই সেই ছবি নেটদুনিয়ায় ঝরের মতো ভাইরাল হয়েছে। বিকিনি পরে পুলে নেমে জলকেলি করার ছবি পোস্ট করে নেটিজেনদের অবাক করে দেন তৃণা। মভ রঙের বিকিনি এবং ট্রান্সপারেন্ট অফ শোল্ডার বিচ-টপ পরে পুলে জলের ভেতরে আংশিক ডুবে ছবির পোজ দিতে দেখা যায় তাঁকে। তৃণার এই অবতার দেখে রীতিমতো চোখ কপালে উঠেছে নেটিজেনদের।

Trina Saha in Goa

গ্ল্যামার জেন ঠিকরে বেরচ্ছে। ছবির প্রতিটি পরতে ধরা পড়ছে উষ্ণতার ছোঁয়া। ছবিটি পোস্ট করে অভিনেত্রী ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘পুল লাইফ কুল’। তৃণার এই ছবি দেখে চোখ সরাতে পারচ্ছেন না তাঁর ইনস্টা ফোলয়াররা। ছবিতে লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গেছে। চলতি বছরেই ফেব্রুয়ারি মাসে বিয়ের বাঁধনে আবদ্ধ হন নীল এবং তৃণার। ‘খরকুটো’ ধারাবাহিকে গুণগুণ এবং সৌজন্য-এর জুটি যতই হিট হোক না কেন ক্যামেরার পিছনেও তৃণা এবং নীলের বাস্তবিক জুটিও বেশ চর্চিত। দুজনকে সবসময় একসঙ্গে দেখতেই পছন্দ করেন নীল এবং তৃণার অনুরাগীরা।

Trina Saha in Goa