যৌবন ধরে রাখতে চান, তবে হাতের কাছে থাকা রসুন হতে পারে দাওয়াই

হাতের নাগালেই পাওয়া যায় নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটি। সহজলভ্য এই রসুনে এমন সব গুন আছে যা শরীরের জন্য মহার্ঘ্য হিসেবে কাজ করে। বিশেষত, শারীরিক সৌন্দর্য ও যৌবন ধরে রাখতে কিংবা হারানো যৌবন ফিরে পেতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার। এছাড়াও নানা রোগের কার্যকর ওষুধ হিসেবেও রসুন খুবই কার্যকরী।

আজকাল খবরের কাগজ খুললেই চোখে পড়ে বিবাহবিচ্ছেদের রমরমা খবর। কারণ হিসেবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উল্লেখ করা হয় দাম্পত্য কলহের কথা। যার মূলে থাকে শারীরিক সম্পর্ক, রূপ অনেক ক্ষেত্রেই। অনেকক্ষেত্রে যার পরিণামে ডেকে আনে বিচ্ছেদ।

food

অথচ আপনি চাইলেই যৌবনে পরাতে পারেন রাজটীকা। এবং সেটা খুব সহজে। এক কোয়া রসুন আপনার হারানো যৌবন শক্তি ফিরিয়ে দিতে পারে। স্ত্রীর চোখে আপনি হতে পারেন আস্থাশীল পুরুষ।

মধু ও লেবুর রসের সঙ্গে প্রতিদিন সকালে এক কোয়া রসুন মিশিয়ে খান। দেখবেন বয়সটা তখন আপনার হাতের মুঠোয় চলে আসবে। তারুণ্য ফিরে পাবেন সকল কাজে। বাড়বে যৌবনশক্তি।

<

p style=”text-align: justify;”>রসুন আবার গ্যাসটিকের রোগী কিংবা যাদের হার্টের সমস্যা আছে তাদের জন্যও দারুণ কার্যকরী। ত্বকের যেকোনও দাগ মুছে ফেলতে ও ত্বককে আরও কোমল করতেও রসুনের বিকল্প মেলা কঠিন।

চুলে পুষ্টি জোগাতে চাই ডিপ্ কন্ডিশনিং, এবার ঘরোয়া পদ্ধতিতেই ঘটবে ম্যাজিক

hair

শুধু শ্যাম্পু করলেই চুল মনের মতো উজ্জ্বল ও মসৃণ হয় না। তার জন্য চাই কন্ডিশনিং। অনেকসময় দেখা যায়, নিয়মিত কন্ডিশনিং করার পরেও চুল পছন্দ মতো উজ্জ্বল, মসৃণ হয় না। তখন বুঝতে হবে আপনার চুলের চাই আরও পুষ্টি। ডিপ্‌ কন্ডিশনিং-ই চুলে একমাত্র প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগান দিতে পারে।

নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল
৪ চামচ নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল একটা বাটিতে নিয়ে সামান্য গরম করবেন। গরম থাকতে থাকতেই ঐ তেল আঙুলের ডগায় নিয়ে চুলের গোড়ায় ঘসে ঘসে মাখুন। পুরো মালিশ চালান ১০ মিনিট ধরে। এরপর একটা বড় তোয়ালে গরম জলে চুবিয়ে নিংড়ে নিন। তোয়ালেটা গরম থাকাকালিন পাগড়ির মতো মাথায় জড়ান। তোয়ালে ঠান্ডা হয়ে গেলে আবার পাগড়ির মতো মাথায় জড়ান। এভাবে দু’বার করার পর তোয়ালে খুলে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর ভালোভাবে শ্যাম্পু করে ফেলুন। শুষ্ক, ডগা চিরে যাওয়া ও ভঙ্গুর চুলের পক্ষে এই কন্ডিশনার খুবই কার্যকরী ।

রেড়ির তেল বা ক্যাস্টর অয়েল
৪ চামচ ক্যাস্টর অয়েল বা রেড়ির তেল একটা বাটিতে নিয়ে সামান্য গরম করুন। এরপর আঙুলের ডগায় তেল নিয়ে মাথার তালুতে অর্থাৎ চুলের গোড়ায় ঘসে ঘসে ৫-১০ মিনিট মালিশ করুন। বাকী তেল সারা চুলে মাখুন।
এরপর চিরুনি দিয়ে মাথা ভালো করে আঁচড়ান। একটা বড় তোয়ালে গরম জলে চুবিয়ে নিংড়ে নিয়ে ঘোমটা দেওয়ার মতো জড়িয়ে সমস্ত চুল সামনের দিকে এনে তোয়ালে দিয়ে মুড়ে রাখুন। ২০ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন। যাদের চুল খুব পাতলা তাদের পক্ষে এই কন্ডিশনার উপযোগী।

মধু ও অলিভ অয়েল
ডিপ্‌ কন্ডিশনিং করার আগের দিন এই কন্ডিশনার তৈরি করে রাখতে হবে। একটা পরিষ্কার শুকনো শিশিতে ৪ চামচ মধু ও ৪ চামচ অলিভ অয়েল নিয়ে ভালো করে ঝাঁকিয়ে ১২ ঘন্টা রেখে দিন। পরদিন মিশ্রণটি ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিয়ে আঙুলের ডগার সাহায্যে চুলের গোড়ায় ভালো করে ঘসে ঘসে লাগান ও ৫-১০ মিনিট তালুতে মালিশ করুন। সরু দাড়ার চিরুণি দিয়ে আঁচড়ে গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত ছড়িয়ে দিন সারা চুলে সমানভাবে।
চুল আঁচড়ানোর পর সাঁতারের টুপি বা পলিথিনের প্যাকেট মাথায় এমনভাবে পরুন, যাতে চুলে বাইরের বাতাস না লাগে। ৩০ মিনিট এভাবে থেকে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নেবেন। যাদের চুল ঘন ও কালো তাদের পক্ষে এই কন্ডিশনার খুবই উপযোগী । চুল উজ্জ্বল ও ঝলমলে হবে।

ডিম ও অলিভ অয়েল
একটা ডিম বাটিতে ফেটিয়ে নিয়ে ২ চামচ অলিভ অয়েল তার সাথে ভালোভাবে মেশান।
পাকা পাতিলেবুর আধ চামচ রস ও আধ চামচ গ্লিসারিন-এর সাথে মিশিয়ে ভালোভাবে নাড়ান।
শ্যাম্পু করা চুল ভালোভাবে মুছে মিশ্রণটি আঙুলের সাহায্যে চুলের গোড়ায় ঘসে ঘসে লাগান। বাকী অবশিষ্ট চুলেও লাগান। ১৫ মিনিট বাদে এগ্‌ শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সব ধরনের চুলের জন্যই এই কন্ডিশনিং উপযোগী ।

সানবার্ন-ত্বকের স্পট মুহূর্তে হবে দূর, মধুর ম্যাজিকে হয়ে উঠুন বিউটিফুল

skin

মধুর গুণাগুণ সম্পর্কে আমরা অনেকেই ওয়াকিবহাল। তা সে মিষ্টি হিসাবেই হোক বা রূপচর্চার উপাদান হিসাবেই হোক না কেন। রূপচর্চায় প্রয়োগ করুন মধু, মিলবে মসৃণ সুন্দর ত্বক। 

রূপচর্চায় মধুঃ-

সান বার্ন কমায়ঃ– মধু ও অ্যালোভেরা জেলের মিশ্রণ ত্বকের রোদে পোড়া অংশে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ বার করে অন্তত ২ মাস ব্যবহার করলে উপকার মিলবে।

ত্বকের দাগ দূর করেঃ– এক চামচ মধু ও এক চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে ত্বকের ক্ষত জায়গায় লাগান এবং ম্যাসাজ করুন। তারপর গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ভাপ নিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

honey

চুলের ঔজ্জ্বল্য বজায় রাখেঃ– মধু ও জলের মিশ্রণ সপ্তাহে একবার চুলে লাগিয়ে রেখে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুলের ঔজ্জ্বল্য বজায় থাকে।

হেয়ার কন্ডিশানার হিসাবেঃ– নারিকেল তেল ও মধুর মিশ্রণ ২০ মিনিট চুলে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। তা অবশ্যই কন্ডিশানার হিসাবে উপকার দেবে।

ত্বকের রুক্ষতা দূর করেঃ– টকদই ও মধুর মিশ্রণ নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকের রুক্ষতা দূর হয়।

ত্বকের ঔজ্বল্য বজায় রাখেঃ– মুলতানি মাটি ও মধুর মিশ্রণ ত্বকের পক্ষে সব থেকে উপকারি। সপ্তাহে অন্তত ৩ বার এই মিশ্রণ ব্যবহার করলে উপকার মিলবেই।

 

রূপ থেকে স্বাস্থ্য, অ্যালোভেরার ম্যাজিকে পার্ফেক্ট ফ্রেম

aloe vera

রূপচর্চায় বা ত্বকের যত্ন নিতে অ্যালোভেরার জুরি মেলা ভার। রূপচর্চায় জাদুকাঠি। জেনে নিন অ্যালোভেরার গুণাগুণ। স্কিনের ছোটো-বড় যেকোনো ক্ষত সারিয়ে ফেলতে ব্যবহার করুন অ্যালোভেরা জেল।

জেনে নিন অ্যালোভেরার গুণাগুণ-

  • অ্যালোভেরা জেল পাওয়া যায় এই গাছের পাতা থেকে। গাছের পাতা কেটে ভিতরের জেল মুখে মাখুন। এতে আপনার ত্বক হবে মসৃণ ও উজ্জ্বল।
  • অ্যালোভেরা জেল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টযুক্ত যা ত্বককে সতেজ রাখে।
  • অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টিভাইরাল এই বৈশিষ্ঠ্যগুলি থাকায় রোদ, ধুলো, দূষণে ক্ষতিগ্রস্ত স্কিন সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
  • কাটা দাগ, ক্ষতচিহ্ন, ব্রণর দাগ কমিয়ে আপনাকে দেয় উজ্জ্বল ত্বক।
  • রোদে পুরে যাওয়া চামড়া, চর্ম রোগ সারাতে অধিকাংশ ডাক্তার অ্যালোভেরা জেল লাগানোর পরামর্শ দেন।
  • আগুনে পুরে যাওয়া ক্ষতের দাগ কমিয়ে আপনার যন্ত্রণা উপশম করে।
  • বেশিক্ষণ রোদে থাকার ফলে ত্বকে জ্বালার অনুভূতি হয়। মুখ ভালো করে ধুয়ে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে নিন। জ্বালার অনুভূতি আর হবে না।
  • দাঁতের সমস্যা, দাঁত হলদে হয়ে গেলে অ্যালোভেরা জুস দিয়ে মুখ ধুন। মাত্র ৪ দিনের ব্যবহারে আপনার দাঁতের সমস্যা নিরাময় হয়ে যাবে।
  • অ্যালোভেরা রুক্ষ ত্বক হাইড্রেট ও ময়েশ্চারাইজ করে।

#Fitness জ-লাইন উধাও, গালে চর্বি, ডবল চিনের সমস্যা মেটান এবার পাঁচটি টিপস

face

শরীরের ওজন বাড়লে সবার আগে তাঁর প্রভাব পড়ে মুখে। মুখ ভারী দেখায়, গাল ফুলে যায়, বিশেষ করে থুতনিতে মেদ জমে। এতে মুখের আদলটাই বদলে যায়। তাই মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে থুতনির নিচে জমা মেদ ঝরিয়ে ফেলা জরুরি। মেকআপ দিয়ে এই সমস্যা ঢাকা গেলেও, তা সাময়িক। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ উপায় হলো মুখের কিছু এক্সারসাইজ। আসুন জেনে নেওয়া যাক এমন কয়েকটি ব্যায়াম যা মুখে এবং থুতনির নিচে জমে থাকা চর্বি ঝরাতে খুবই কার্যকর।

১) ব্যায়াম ১
মুখ যতটা সম্ভব খোলার চেষ্টা করুন, যতক্ষণ না গালে, ঠোঁটে, ও থুতনিতে টান অনুভব করছেন। এই ভাবে ২-৩ মিনিট থাকার চেষ্টা করুন। তারপর ২০ সেকেন্ড বিশ্রাম নিয়ে আবার শুরু করুন। প্রতিদিন এই ব্যায়াম করলে উপকার পাবেন।

২) ব্যায়াম ২
মাথাটা ধীরে ধীরে পিছনের দিকে হেলাতে থাকুন, যতক্ষণ না ঘাড়ে আর থুতনিতে চাপ অনুভব করছেন। এবারে চোয়াল ডান দিক থেকে বাঁ দিক ও বাঁ দিক থেকে ডান দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করুন। সারাদিনে ১০ মিনিট করে ৬-৭ বার এই ব্যায়াম করুন। এতে সহজেই ঘাড় ও গলার অতিরিক্ত চর্বি ঝরে যাবে।

৩) ব্যায়াম ৩
প্রথমে মুখের মধ্যে আঙুল ঢোকান। এবারে ওই ভঙ্গিতে মুখের ভিতরে হওয়া টেনে গাল দুটোকে যতটা সম্ভব সংকুচিত করুন। এই ভাবে ২০ সেকেন্ড থাকুন, বিশ্রাম নিয়ে পুনরায় শুরু করুন। প্রতিদিন অন্তত ১০ বার এই পদ্ধতিতে ব্যায়াম করতে পারলে, গালের ফোলাভাব থেকে অনেকাংশে মুক্তি পাওয়া যাবে।

৪) ব্যায়াম ৪
মাথা পেছন দিকে হেলিয়ে দু’হাত দিয়ে গালের ওপর সমান ভাবে চাপ সৃষ্টি করুন। একই সঙ্গে যতটা সম্ভব মুখ বন্ধ অবস্থাতেই হাসার চেষ্টা করুন। দিনে অন্তত ১০ মিনিট এই ব্যায়াম করুন। কাজ করবে ম্যাজিকেরমতো।

৫) ব্যায়াম ৫
চোখ বন্ধ করে চোখের ওপর আঙুল রেখে চোখের পাতা নিচের দিকে নামানোর সঙ্গে ভ্রু ওপরে তোলার চেষ্টা করুন। এতে কপাল টান টান হবে। নিয়মিত এই ব্যায়াম করতে পারলে চোখের কোলে জমে থাকা মেদ খুব সহজেই উধাও হয়ে যাবে।