केंद्रीय बजट 2024-25 की तैयारी शुरू, मोदी सरकार के तीसरे कार्यकाल का होगा पहला बजट

नई दिल्ली : पीएम मोदी ने लगातार तीसरी बार प्रधानमंत्री पद की शपथ लेने के बाद से एक्शन मोड में नजर आ रहे हैं। अपने पहले कैबिनेट मीटिंग में किसानों और आम आदमी को बड़ी सौगात देने के बाद अब बहुत जल्द पूरे देश के लिए अपना पिटारा खोलने वाले हैं। वित्त मंत्री निर्मला सीतारमण जुलाई के तीसरे हफ्ते में मोदी सरकार के तीसरे कार्यकाल का पहला बजट पेश कर सकती है।

केंद्रीय बजट 2024-25 की तैयारी शुरू हो गई है। कल वित्त मंत्री निर्मला सीतारमण ने वित्त मंत्रालय का कार्यभार संभाला और वरिष्ठ अधिकारियों के साथ बैठक की। वित्त मंत्री ने सावधानीपूर्वक योजना और व्यापक विश्लेषण की आवश्यकता पर बल देते हुए अधिकारियों को बजट तैयारी प्रक्रिया शुरू करने का निर्देश दिया।

इसके अलावा, केंद्रीय वित्त मंत्री निर्मला सीतारमण की अध्यक्षता में वस्तु एवं सेवा कर  परिषद की बैठक 22 जून को राष्ट्रीय राजधानी में होने वाली है। अक्टूबर 2023 में हुई पिछली बैठक के बाद परिषद की यह पहली ऐसी बैठक है। जीएसटी परिषद के आधिकारिक एक्स हैंडल ने गुरुवार को लिखा, जीएसटी परिषद की 53वीं बैठक 22 जून, 2024 को नई दिल्ली में होगी।

GST: জিএসটি বাড়ছে, নতুন বছরে পাল্লা দিয়ে বাড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম!

GST is increasing, the price of daily necessities will increase with the new year!

নতুন বছরে টান পড়তে পারে পকেটে। খুব শীঘ্রই নিত্যপ্রয়োজনীয় যাবতীয় জিনিসের দাম একধাক্কায় অনেকটাই বাড়তে পারে। এই তালিকায় রয়েছে গাড়ি ও গাড়ি ভাড়াও।

কাঁচামালের খরচ বেড়ে গেছে কিন্তু মুনাফা কমে গেছে। ফলে বেশ লোকসান হচ্ছে। শিল্প বাঁচাতে বছরের শুরুতেই কাঁচামালের দাম বাড়ানো হতে পারে। গতবছরেও শিল্পে মুনাফা রাখতে এবং পরিবহণ ও সরবরাহ খরচের সমস্যা মেটাতে দফায় দফায় দাম বাড়ানো হয়েছিল।

বৈদ্যুতিক পণ্যের দাম বাড়তে পারে এবছর। ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, তামার মত পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে কাঁচামালের দাম ২০ শতাংশ বেড়েছে।

গত শুক্রবার বৈঠকে পোশাকে জিএসটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। যদিও পোশাক ডাই ও প্রিন্ট করার কাজে ইতিমধ্যেই ১২-১৮ শতাংশ জিএসটি বসানো হয়েছে।

একটি কথা পরিষ্কার, কেন্দ্রের জিএসটি বাড়ানোর সিদ্ধান্তর জন্য বছর ঘুরতেই পোশাক, জুতা, ওলা-উবেরের খরচ, এটিমের ফি পাল্লা দিয়ে বাড়বে।

GST: নতুন বছরে পোশাকের দামে আগুন লাগবে

GST: The price of clothes will catch fire in the new year

News Desk: নতুন বছরে বাড়তে পারে জামা কাপড়ের দাম। বছর শেষ হওয়ার আগে মিলল ঠিক এমনই ইঙ্গিত। নতুন বছরেই আসতে পারে জিএসটি-র নয়া রেট।

বর্তমান সময় দাঁড়িয়ে জামাকাপড় বা পোশাকের প্রতি পিসে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় মুল্যের ৫% জিএসটি দিতে হয়। নতুন বছর থেকে নয়া রেট চালু হলে প্রতি পিসে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় মুল্যের ১২% জিএসটি দিতে হবে। একই হিসেব চলবে একজোড়া জুতোর ক্ষেত্রেও।

ব্যবসায়ীদের সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জিএসটি বাড়ানো হলে তার প্রভাব পড়বে গ্রাহকদের উপর। পাশাপাশি, ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য মূলধন আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

উল্লেখ্য, জিএসটি কাউন্সিলের একটি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ১ জানুয়ারি, ২০২২ থেকেই নয়া রেট কার্যকরী করা হতে পারে।

GST: ২০১৭ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ সব রাজ্যকে মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে, দাবি কেন্দ্রের

GST is increasing, the price of daily necessities will increase with the new year!

News Desk, New Delhi: ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য গুডস অ্যান্ড এবং সার্ভিস ট্যাক্স বা GST বাবদ কেন্দ্র কী পরিমাণ ক্ষতিপূরণ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গুলিকে দিয়েছে? জিএসটি ক্ষতিপূরণ বাবদ বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের যে পাওনা আছে তা মিটিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে অর্থমন্ত্রক কী চিন্তা-ভাবনা করছে? সোমবার সংসদে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর কাছে এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চান তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ নুসরত জাহান।

নুসরতের এই প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী জানান, পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের প্রতিটি রাজ্যকে জিএসটি ক্ষতিপূরণ বাবদ ২০১৭-১৮, ২০১৮-১৯, এবং ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের পাওনা সম্পূর্ণ মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। করোনাজনিত পরিস্থিতিতে জিএসটি আদায় কম হলেও রাজ্যগুলিকে জিএসটি ক্ষতিপূরণ বাবদ অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন ছিল। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ২০২০-র এপ্রিল থেকে ২০২১- এর মার্চ পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ ৬১২৮ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। জিএসটি কাউন্সিলের ৪১ এবং ৪২ তম বৈঠকে প্রতিটি রাজ্যকে ক্ষতিপূরণ বাবদ কী পরিমাণ অর্থ দেওয়া হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, করোনাজনিত কারণে গত অর্থবর্ষে জিএসটির আদায় অনেকটাই কম ছিল। কিন্তু রাজ্যগুলিকে সাহায্য করতে কেন্দ্র ১.১ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে সেই অর্থ বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছে। প্রত্যেকটি রাজ্যের সঙ্গে আলোচনার পরেই এই অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ঋণ বাবদ নেওয়া অর্থ থেকে শুধু পশ্চিমবঙ্গকে ৪৪৩১ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। ২০২০-র এপ্রিল থেকে ২০২১-এর মার্চ পর্যন্ত জিএসটি ক্ষতিপূরণ বাবদ পশ্চিমবঙ্গের পাওনা রয়েছে ১৬৯৯ কোটি টাকা।

মন্ত্রী আরও বলেন, জিএসটি ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রতিটি পাই- পয়সা কেন্দ্র রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে মিটিয়ে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জিএসটি আইন ২০১৭ অনুযায়ী পরর্বর্তী পাঁচ বছর রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে জিএসটি ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ দেওয়ার কথা ছিল কেন্দ্রের। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে জিএসটি আদায় কম হওয়ায় সেই সময়সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে। জিএসটি ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ মেটাতে কেন্দ্র ২০২০-২১ অর্থবর্ষে বাজার থেকে ১.৫৯ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। বাজার থেকে নেওয়া এই ঋণ বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে বন্টন করে দিয়েছে কেন্দ্র।

একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী এদিন এবং বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির ২০২০-২১ অর্থবর্ষে জিএসটি ক্ষতিপূরণ বাবদ কী পরিমাণ অর্থ বকেয়া আছে তাও জানিয়ে দিয়েছেন। এই পরিসংখ্যান থেকে দেখা যাচ্ছে, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে এখনও পর্যন্ত জিএসটি ক্ষতিপূরণ বাবদ মহারাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি ৬৭২৩ কোটি টাকা বকেয়া আছে। কর্নাটকের বকেয়া আছে ৩৫২৮ কোটি টাকা। গুজরাতের বকেয়ার পরিমাণ ৩১৪৫ কোটি কোটি টাকা এবং উত্তরপ্রদেশের বকেয়া রয়েছে ৩১২০ কোটি কোটি টাকা।

High Court: পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় না আনার জন্য করোনা পরিস্থিতি কোনও কারণ হতে পারে না

petroleum products

নিউজ ডেস্ক, তিরুঅনন্তপুরম: প্রায় সব ধরনের পণ্যকেই জিএসটির (gst) আওতায় আনা হয়েছে। তাহলে পেট্রোল (petrol), ডিজেলের (disel) মত পেট্রোপণ্যকে কেন জিএসটির আওতায় আনা হল না। কেন্দ্রের কাছে এই প্রশ্নের জবাব চাইল কেরল হাইকোর্ট (High Court)।

পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় না রাখার জন্য করোনা, (corona cituation) পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জিএসটি কাউন্সিল। কিন্তু কাউন্সিলের এই বক্তব্যে স্পষ্টতই অসন্তোষ প্রকাশ করে কেরল হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার কেরল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি এস মণিকুমার এবং বিচারপতি শাহজি পি চালির বেঞ্চে পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় নিয়ে আসার বিষয়ে একটি মামলার শুনানি হয়।

এদিনের শুনানিতে জিএসটি কাউন্সিল আদালতকে জানায় করোনাজনিত কারণে বিষয়টি নিয়ে জিএসটি পরিষদের বৈঠকে আলোচনা হয়নি। কাউন্সিলের ওই বক্তব্যে দৃশ্যতই ক্ষোভ প্রকাশ করে বেঞ্চ। বেঞ্চের পক্ষ থেকে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতি একটা অজুহাত মাত্র। পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় না নিয়ে আসার বিষয়ে এটা কোনও কারণ হতে পারে না। কারণ করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও কাউন্সিল বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছে। ওই বৈঠকে বিভিন্ন পণ্যের উপর আরোপিত করের হার নিয়ে পর্যালোচনা হয়েছে। তাহলে কেন বাদ পড়ল পেট্রোল ডিজেল। কাউন্সিল যা বলছে এটা কখনওই কোনও কারণ হতে পারে না। আদালত জানতে চায়, পেট্রোপণ্যকে কী কারণে জিএসটির আওতায় আনা যাচ্ছে না।

আদালত বলে, পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় না আনার বিষয়ে কিছু সুনির্দিষ্ট কারণ থাকা উচিত। আদালত সেই কারণগুলি জানতে চায়। ওই বক্তব্যের পর বেঞ্চ জিএসটি কাউন্সিলকে পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় না আনার কারণ বিস্তারিত জানানোর জন্য নির্দেশ দেয়।

পেট্রোপণ্যের দাম বৃদ্ধি সম্পর্কে আদালতের পর্যবেক্ষণ, পেট্রোল-ডিজেলের সাম্প্রতিক অস্বাভাবিক দাম সাধারণ মানুষের জীবন বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলিকে চরম সঙ্কটে ফেলেছে। নষ্ট করেছে দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা। বেঞ্চ আরও বলে, পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় না নিয়ে আসার কারণে সংবিধানের ১৪ ও ২১ নম্বর ধারা লংঘন করা হয়েছে। পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় না আনার জন্য করোনা পরিস্থিতিকেই ঢাল করেছে কাউন্সিল।

কিন্তু হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সেই দাবি খারিজ করে দিয়েছে। আদালত স্পষ্ট বলেছে, করোনা পরিস্থিতির জন্য পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় আনা সম্বিভব হয়নি, এই যুক্তি হাস্যকর। এটা মেনে নেওয়া যায় না। কেন আনা হয়নি এ বিষয়ে পরিষদ উপযুক্ত কারণ দেখাক। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলে বেঞ্চ জানিয়েছে।

চলতি মাসেই বদল আসছে পিএফ, প্যান-আধার লিঙ্ক, জিএসটি সংক্রান্ত একগুচ্ছ নিয়মে

নয়াদিল্লি: পিএফ, প্যান-আধার লিঙ্ক, জিএসটি-সহ বেশ কয়েকটি নিয়ম সেপ্টেম্বর থেকে বদলে যেতে চলেছে। যেহেতু এই নতুন নিয়মগুলি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলবে, তাই এই পরিবর্তনগুলি সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানা গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন একে একে কমিছে বিধায়ক, বঙ্গে ক্রমশ ব্যাকফুটে বিজেপি

জিএসটি: জিএসটিএন তার উপদেষ্টায় বলেছে যে কেন্দ্রীয় জিএসটি বিধিমালার নিয়ম -৫৯ (৬) যা জিএসটিআর-১ জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ প্রদান করে, চলতি বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। যদি কেউ পূর্ববর্তী দুই মাসের জন্য জিএসটিআর-৩বি (GSTR-3B) ফর্মের রিটার্ন জমা না দেন তাহলে জিএসটিআর-১ (GSTR-1) ফর্মে পণ্য বা পরিষেবার বাহ্যিক সরবরাহের বিবরণ সরবরাহ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

নতুন পিএফ নিয়ম: পিএফ গ্রাহকদের, ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পিএফ অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার কার্ড লিঙ্ক করা বাধ্যতামূলক। তা না হলে ইপিএফ সুবিধাগুলি কমিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি পিএফ অ্যাকাউন্ট আধারের সাথে সংযুক্ত না হয় বা ইউএএন (UAN) আধার যাচাই না হয়, তাহলে তার ইসিআর-ইলেকট্রনিক চালান কাম রিটার্ন পূরণ করা হবে না।

আধারের সঙ্গে প্যান লিঙ্ক করা: আধারের সঙ্গে স্থায়ী অ্যাকাউন্ট নম্বর (PAN) সংযুক্ত করার সময়সীমা সেপ্টেম্বরে শেষ হচ্ছে। এর আগে সময়সীমা ছিল জুন, ২০২১, যা পরে তিন মাস বাড়ানো হয়েছিল।

এলপিজির দাম: এলপিজি সিলিন্ডার রান্নার গ্যাসের দাম প্রতি সিলিন্ডারে ২৫ টাকা বেড়েছে, আগের দাম ৮৫৯.৫০ টাকা। ১৪.২ কেজি ভর্তুকিযুক্ত এবং ভর্তুকিহীন এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এখন দিল্লি এবং মুম্বাইতে ৮৮৪.৫০ টাকা। কলকাতায় ১৪.২ কেজি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ৯১১ টাকা এবং চেন্নাইতে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হবে ৯০০ টাকা।

পজিটিভ পে সিস্টেম: RBI-এর পজিটিভ পে সিস্টেম যদিও ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্ক ইতিমধ্যেই নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক ১ সেপ্টেম্বর থেকে এটির বাস্তবায়ন করবে।

ভারত সিরিজ (বিএইচ-সিরিজ): পরিবহন মন্ত্রক নতুন যানবাহনগুলির জন্য একটি নতুন নিবন্ধন চিহ্ন চালু করেছে, যেমন “ভারত সিরিজ (বিএইচ-সিরিজ)”। এই নিবন্ধন চিহ্ন বহনকারী গাড়ির মালিক যখন এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাবেন, তখন নতুন নিবন্ধন চিহ্নের প্রয়োজন হবে না।

পিএনবি সেভিংস অ্যাকাউন্ট: পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক ১ সেপ্টেম্বর থেকে আমানত সংরক্ষণের সুদের হার পুনর্বিবেচনা করবে।

ব্যয়বহুল OTT সাবস্ক্রিপশন: ডিটিএন + হটস্টার গ্রাহকদের ওটিটি সাবস্ক্রিপশনের জন্য আরও বেশি ব্যায় করতে হবে। OTT প্লেয়ার ৩৯৯ টাকা থেকে ৪৯৯ টাকা হয়েছে।