মাথায় টাক পড়ছে! এবার ঘরোয়া উপায় মিলবে সমস্যার সমাধান

reduce-hair-fall-problem-with-this-tips

চুল পড়ার সমস্যায় জেরবার হয়ে গেছেন? টাকা খরচ করে পার্লারে গিয়ে ট্রিটমেন্ট করিয়ে কোনো লাভ হয় নি? জেনে নিন বাড়িতে বসে সহজে চুল পড়া বন্ধের উপায়। মাথায় টাক পড়ে গেছে? জেনে নিন সমস্যার সমাধান
চুলের যত্ন নিন ঘরোয়া উপায়ে

পার্লারে গিয়ে হাজার হাজার টাকা খরচ না করে ঘরোয়া উপায়ে চুলের যত্ন নিন।
শ্যাম্পুর সঙ্গে অ্যালো ভেরা জেল মিশিয়ে ব্যবহার করুন। অ্যালোভেরার গুণে আপনার চুল পড়া কমবে অনেকাংশে।

চুলের বিভিন্ন স্টাইল করার জন্য হেয়ার স্ট্রেটনারের বা ব্লো ড্রায়ারের ব্যবহার বেশি করলে চুলের গোড়া আলগা হয়ে যায় যার থেকে চুল পড়া বেড়ে যায়।
কেমিক্যাল প্রোডাক্টের ব্যবহার কমান।

চুলে রঙ করা, চুল স্ট্রেট করার জন্য কেমিক্যাল প্রোডাক্ট চুলের ক্ষতি করে। তাই চুল ভালো রাখতে মাইল্ড শ্যাম্পু ও তেল ব্যবহার করুন।

চুল ভিজে থাকা অবস্থায় আঁচড়াবেন না, ভেজা চুলের গোড়া আলগা থাকে।তাই চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায়।
দিনে অন্তত তিন থেকে চার বার চুল আঁচড়ান। চুলে জট কম পড়বে ও চুল পড়া কমবে।
বাইরে বেড়োলে রোদ, ধুলো ও দূষণের হাত থেকে চুল রক্ষা করুন। ছাতা ও টুপির ব্যবহার করুন রোদ থেকে বাঁচতে।

চুল বেঁধে রাখুন এতে চুল পড়া কমবে।
সুসম খাবার খান। আপনার খাবারের প্রভাব চুলের উপরেও পড়ে। ফল, সবজি বেশি খান। ফ্যাট জাতীয় খাবার কম খান। প্রোটিন, ভিটামিন ও বায়োটিন জাতীয় খাবারের গুণে আপনার চুল পড়ার সমস্যা বন্ধ হতে পারে।
মানসিক চাপ কম নিন। টেনশান ও স্ট্রেস থেকেও চুল পড়ার সমস্যা দেখা দেয় তাই টেনশান কম করুন।

ধূমপান বর্জন করুন। বিশেষজ্ঞদের মতে ধূমপান শরীরের সঙ্গে চুলেরও ক্ষতি করে। ধূমপান করলে সাধারণত চুল পড়ার সমস্যা দেখা যায় তাই চুল ভালো রাখতে এর থেকে বিরত থাকুন।

ঘুমের দিকে নজর দিন। রোজ ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান। ঘুমাতে যাওয়ার আগে চুল বেশি চেপে বাঁধবেন না।
চুল অপরিষ্কার রাখবেন না এতে চুল ওঠার সমস্যা বাড়ে। সপ্তাহে অন্তত তিন বার শ্যাম্পু করুন।
নিজের জীবনশৈলীতে এই ছোট্ট পরিবর্তন করুন আপনার চুল হবে মজবুত ও ঘন।

চুলে পুষ্টি জোগাতে চাই ডিপ্ কন্ডিশনিং, এবার ঘরোয়া পদ্ধতিতেই ঘটবে ম্যাজিক

hair

শুধু শ্যাম্পু করলেই চুল মনের মতো উজ্জ্বল ও মসৃণ হয় না। তার জন্য চাই কন্ডিশনিং। অনেকসময় দেখা যায়, নিয়মিত কন্ডিশনিং করার পরেও চুল পছন্দ মতো উজ্জ্বল, মসৃণ হয় না। তখন বুঝতে হবে আপনার চুলের চাই আরও পুষ্টি। ডিপ্‌ কন্ডিশনিং-ই চুলে একমাত্র প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগান দিতে পারে।

নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল
৪ চামচ নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল একটা বাটিতে নিয়ে সামান্য গরম করবেন। গরম থাকতে থাকতেই ঐ তেল আঙুলের ডগায় নিয়ে চুলের গোড়ায় ঘসে ঘসে মাখুন। পুরো মালিশ চালান ১০ মিনিট ধরে। এরপর একটা বড় তোয়ালে গরম জলে চুবিয়ে নিংড়ে নিন। তোয়ালেটা গরম থাকাকালিন পাগড়ির মতো মাথায় জড়ান। তোয়ালে ঠান্ডা হয়ে গেলে আবার পাগড়ির মতো মাথায় জড়ান। এভাবে দু’বার করার পর তোয়ালে খুলে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর ভালোভাবে শ্যাম্পু করে ফেলুন। শুষ্ক, ডগা চিরে যাওয়া ও ভঙ্গুর চুলের পক্ষে এই কন্ডিশনার খুবই কার্যকরী ।

রেড়ির তেল বা ক্যাস্টর অয়েল
৪ চামচ ক্যাস্টর অয়েল বা রেড়ির তেল একটা বাটিতে নিয়ে সামান্য গরম করুন। এরপর আঙুলের ডগায় তেল নিয়ে মাথার তালুতে অর্থাৎ চুলের গোড়ায় ঘসে ঘসে ৫-১০ মিনিট মালিশ করুন। বাকী তেল সারা চুলে মাখুন।
এরপর চিরুনি দিয়ে মাথা ভালো করে আঁচড়ান। একটা বড় তোয়ালে গরম জলে চুবিয়ে নিংড়ে নিয়ে ঘোমটা দেওয়ার মতো জড়িয়ে সমস্ত চুল সামনের দিকে এনে তোয়ালে দিয়ে মুড়ে রাখুন। ২০ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন। যাদের চুল খুব পাতলা তাদের পক্ষে এই কন্ডিশনার উপযোগী।

মধু ও অলিভ অয়েল
ডিপ্‌ কন্ডিশনিং করার আগের দিন এই কন্ডিশনার তৈরি করে রাখতে হবে। একটা পরিষ্কার শুকনো শিশিতে ৪ চামচ মধু ও ৪ চামচ অলিভ অয়েল নিয়ে ভালো করে ঝাঁকিয়ে ১২ ঘন্টা রেখে দিন। পরদিন মিশ্রণটি ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিয়ে আঙুলের ডগার সাহায্যে চুলের গোড়ায় ভালো করে ঘসে ঘসে লাগান ও ৫-১০ মিনিট তালুতে মালিশ করুন। সরু দাড়ার চিরুণি দিয়ে আঁচড়ে গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত ছড়িয়ে দিন সারা চুলে সমানভাবে।
চুল আঁচড়ানোর পর সাঁতারের টুপি বা পলিথিনের প্যাকেট মাথায় এমনভাবে পরুন, যাতে চুলে বাইরের বাতাস না লাগে। ৩০ মিনিট এভাবে থেকে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নেবেন। যাদের চুল ঘন ও কালো তাদের পক্ষে এই কন্ডিশনার খুবই উপযোগী । চুল উজ্জ্বল ও ঝলমলে হবে।

ডিম ও অলিভ অয়েল
একটা ডিম বাটিতে ফেটিয়ে নিয়ে ২ চামচ অলিভ অয়েল তার সাথে ভালোভাবে মেশান।
পাকা পাতিলেবুর আধ চামচ রস ও আধ চামচ গ্লিসারিন-এর সাথে মিশিয়ে ভালোভাবে নাড়ান।
শ্যাম্পু করা চুল ভালোভাবে মুছে মিশ্রণটি আঙুলের সাহায্যে চুলের গোড়ায় ঘসে ঘসে লাগান। বাকী অবশিষ্ট চুলেও লাগান। ১৫ মিনিট বাদে এগ্‌ শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সব ধরনের চুলের জন্যই এই কন্ডিশনিং উপযোগী ।

ভাতের মাড় ফেলে দেন, এখন থেকে ত্বক ও চুলের যত্নে কাজে লাগান

hair

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভাতের মাড় ফেলা যায়। ভাত ঝরঝরে করতে ভালোভাবে মাড় ঝরিয়ে নেন সকলেই। এছাড়াও ভাতে জমে থাকা মাড় দীর্ঘদিন খেলে, মোটা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ভাত থেকে মাড় আলাদা করেই, সেই মাড় ফেলে দেন অনেকেই। কিন্তু জানলে অবাক হবেন ত্বক এবং চুলের যত্নে ভাতের মাড়ের ভূমিকা অপরিসীম। তাই এবার থেকে ভাতের মাড়কে না ফেলে কাজে লাগান। চলুন এক নজরে জেনে নেওয়া যাক ত্বক ও চুলের যত্নে ভাতের মাড়ের ব্যবহার।

১) আপনার ত্বকে র‍্যাশ বা চুলকানির সমস্যা থাকলে, এখন থেকে ভাতের মাড়কে আপন করুন। প্রতিদিন জলের সঙ্গে ভাতের মাড় মিশিয়ে স্নান করুন। এতে চুলকানি ও র‍্যাশ এর পাশাপাশি ত্বকের জ্বালা ভাব থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে।

২) ভাতের মাড় ঠাণ্ডা করে তুলো দিয়ে ত্বকের ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগান। সপ্তাহে প্রতিদিন ৩ বার এইভাবে ত্বকের যত্ন নিন। এতে খুব সহজেই ব্রণ ও ফুসকুড়ির মতো সমস্যা দ্রুত সেরে যাবে।

৩) প্রথমে ভাতের মাড় ঠাণ্ডা করুন। এবারে খানিকটা জল মিশিয়ে পাতলা করে নিন। শ্যাম্পু করার পর চুলে এই মাড় ব্যবহার করুন। ৫ মিনিট রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন। চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার মতো সমস্যায় এই পদ্ধতি খুবই কার্যকর। এছাড়াও এতে চুল গোড়া থেকে মুজবুত হয়।

৪) অনেকেরই রোদে কাজ করে ত্বকে ট্যান পড়ে। ভাতের মাড় ট্যান পড়া ত্বকের পক্ষে খুবই উপকারী। নিয়মিত ভাতের মাড় ত্বকের ট্যান পড়া স্থানে ব্যবহার করুন। এতে খুব সহজেই ত্বকের ট্যান-এর সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

hair

৫) ভাতের মাড় ঠাণ্ডা করে তাতে সামান্য জল মিশিয়ে নিন। এবারে তুলো দিয়ে নিয়মিত এই মাড় ত্বকে ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের জেল্লা বাড়বে ও ত্বক সতেজ থাকবে। এর পাশাপাশি ত্বকের হাইপারপিগমেন্টেশন এবং ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া ঠেকাতে ভাতের মাড় অত্যন্ত কার্যকরী।

৬) চোখের তলায় ডার্ক সার্কেল থাকলে, ভাতের মাড় খুবই কার্যকরী। দিনে ৪ বার ত্বকের ডার্ক সার্কেলের জায়গায় ভাতের মাড় ব্যবহার করুন। কাজ করবে ম্যাজিকেরমতো। ত্বকের কালচে ভাবও দূর হবে।

সস্তায় তাক লাগানো চুলের পরিচর্যা, এবার ভাতের মাড় কাজে লাগান

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভাতের মাড় ফেলা যায়। ভাত ঝরঝরে করতে ভালোভাবে মাড় ঝরিয়ে নেন সকলেই। এছাড়াও ভাতে জমে থাকা মাড় দীর্ঘদিন খেলে, মোটা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ভাত থেকে মাড় আলাদা করেই, সেই মাড় ফেলে দেন অনেকেই। কিন্তু জানলে অবাক হবেন ত্বক এবং চুলের যত্নে ভাতের মাড়ের ভূমিকা অপরিসীম। তাই এবার থেকে ভাতের মাড়কে না ফেলে কাজে লাগান। চলুন এক নজরে জেনে নেওয়া যাক ত্বক ও চুলের যত্নে ভাতের মাড়ের ব্যবহার।

১) আপনার ত্বকে র‍্যাশ বা চুলকানির সমস্যা থাকলে, এখন থেকে ভাতের মাড়কে আপন করুন। প্রতিদিন জলের সঙ্গে ভাতের মাড় মিশিয়ে স্নান করুন। এতে চুলকানি ও র‍্যাশ এর পাশাপাশি ত্বকের জ্বালা ভাব থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে।

২) ভাতের মাড় ঠাণ্ডা করে তুলো দিয়ে ত্বকের ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগান। সপ্তাহে প্রতিদিন ৩ বার এইভাবে ত্বকের যত্ন নিন। এতে খুব সহজেই ব্রণ ও ফুসকুড়ির মতো সমস্যা দ্রুত সেরে যাবে।

৩) প্রথমে ভাতের মাড় ঠাণ্ডা করুন। এবারে খানিকটা জল মিশিয়ে পাতলা করে নিন। শ্যাম্পু করার পর চুলে এই মাড় ব্যবহার করুন। ৫ মিনিট রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন। চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার মতো সমস্যায় এই পদ্ধতি খুবই কার্যকর। এছাড়াও এতে চুল গোড়া থেকে মুজবুত হয়।

hair care

৪) অনেকেরই রোদে কাজ করে ত্বকে ট্যান পড়ে। ভাতের মাড় ট্যান পড়া ত্বকের পক্ষে খুবই উপকারী। নিয়মিত ভাতের মাড় ত্বকের ট্যান পড়া স্থানে ব্যবহার করুন। এতে খুব সহজেই ত্বকের ট্যান-এর সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

৫) ভাতের মাড় ঠাণ্ডা করে তাতে সামান্য জল মিশিয়ে নিন। এবারে তুলো দিয়ে নিয়মিত এই মাড় ত্বকে ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের জেল্লা বাড়বে ও ত্বক সতেজ থাকবে। এর পাশাপাশি ত্বকের হাইপারপিগমেন্টেশন এবং ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া ঠেকাতে ভাতের মাড় অত্যন্ত কার্যকরী।

৬) চোখের তলায় ডার্ক সার্কেল থাকলে, ভাতের মাড় খুবই কার্যকরী। দিনে ৪ বার ত্বকের ডার্ক সার্কেলের জায়গায় ভাতের মাড় ব্যবহার করুন। কাজ করবে ম্যাজিকেরমতো। ত্বকের কালচে ভাবও দূর হবে।