Haiti: গুলি চলল, পালিয়ে বাঁচলেন প্রধানমন্ত্রী

haiti-prime-minister

ষড়যন্ত্র বানচাল। ষড়যন্ত্রীরা গুলি চালিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে খুনের চেষ্টা করে পার পেল না। হাইতির প্রধানমন্ত্রীর দেহরক্ষীরা গুলি চালিয়ে একজনকে খতম করলেন।

হামলার চেষ্টার চাঞ্চল্যকর ছবি প্রকাশ করেছে হাইতি সরকার। দেখা যাচ্ছে গুলি করে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে হাইতির প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল হেনরিকে। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে হামলা চালানো হয়।  এক গির্জায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

গুলি শুরুর পর হাইতির প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল হেনরি ও তার নিরাপত্তা কর্মীরা গাড়ির দিকে ছুটে আত্মরক্ষা করেন। হাইতি নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে একজন নিহত ও দুজন আহত হয়। 

গত বছর থেকে পরপর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে তীব্র অস্থিরতা ক্যারিবিয়ান দ্বীপরাষ্ট্র হাইতিতে। গত বছর ৭ জুলাই রাতে হাইতির রাজধানী পোর্ট অউ প্রিন্সে প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মইসিকে খুন হন। সেই হত্যাকাণ্ডের পরে হাইতিতে শুরু হয়েছে ক্ষমতা দখলের চক্রান্ত।

এবার প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল হেনরিকে খুনের চেষ্টা তারই ইঙ্গিত। তিনি ক্ষমতায় আসার পর দেশটির অপহরণকারী চক্রগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর ঘোষণা করেছেন।

Haiti: বন্দুকের নল সামনে, হিম চোখে খুনের ইঙ্গিতে কাঁপছেন হাইতির অপহৃত মিশনারিরা

US missionaries and family kidnapped in Haiti

নিউজ ডেস্ক: দ্বীপরাষ্ট্র হাইতি কি আবারও গণহত্যার সাক্ষী থাকবে? অন্তত তেমনই আশঙ্কা বাড়ছে। ১৭ জন মার্কিন নাগরিককে বন্দি করা হয়েছে। অপহরণ করে তাদের বন্দুকের সামনে রেখে হিমশীতল চোখে তাকিয়ে আছে বন্দুকধারীরা। এএফপি, বিবিসি জানাচ্ছে, অপহৃত ১৭ জনই খ্রিস্টান মিশনারি। তাঁরা সেবামূলক কাজে হাইতি এসেছিলেন। তাঁদের বন্দি করা হয়েছে।

সংবাদ সংস্থা এপি জানাচ্ছে, হাইতির রাজধানী পোর্ট অউ প্রিন্স শহরে এই অপহরণ ও পণবন্দির ঘটনা ঘটায় কয়েকজন বন্দুকধারী। অপহৃত মার্কিন মিশনারিদের মধ্যে মহিলা ও শিশুরা আছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, হাইতি বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে মিশনারিদের একটি বাস ঘিরে নেয় অপহরণকারীরা। এর পরেই শুরু হয় তাদের ঘিরে বন্দুক উঁচিয়ে পাহারা।

অপহরণের সংবাদে আমেরিকা তোলপাড়। তবে হাইতির মার্কিন দূতাবাস বিষ়যটি নিয়ে সরাসরি কিছু জানাতে নারাজ। মনে করা হচ্ছে, অপহৃতদের সঙ্গে আলোচনা করে কী দাবি সেটা জানা প্রাথমিক লক্ষ্য।

বারবার ভূমিকম্প ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ক্যারিবিয়ান সাগরের দ্বীপরাষ্ট্র হাইতি বিধ্বস্থ। বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। হাইতিতে সেবামূলক কাজের জন্য এসেছিলেন এই মিশনারিরা।

উনিশ শতক থেকে গত শতকের আশির দশক পর্যন্ত গণহত্যার পরপর নজির দেখা গিয়েছে হাইতিতে। তবে সবই অন্তর্নিহিত রাজনৈতিক ঘটনাক্রম মিশনারিদের অপহরণ করে তেমন কিছু হলে এও এক নজির হয়ে যাবে। পরিস্থিতি তীব্র আতঙ্কের। ১৭ জন মার্কিন মিশনারির জীবন সংশয়।

ভয়াবহ ভুমিকম্পে কেঁপে উঠল হাইতি, ‘কৃত্রিম’ কিনা উঠছে প্রশ্ন

নিউজ ডেস্ক: শনিবার ৭.২ মাত্রার শক্তিশালী ভুমিকম্পে কেঁপে উঠল ক্যারিবিয়ান রাষ্ট্র হাইতির পশ্চিমাঞ্চলে। প্রায় গোটা ক্যারিবীয় দ্বীপপূঞ্জজুড়েই অনুভূত হয়েছে ভুমিকম্প। ভূমিকম্পের ফলে প্রচুর মানুষ হতাহত হয়েছেন এবং সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে কতজন মারা গেছেন এবং কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।

আরও পড়ুন জানতে চায় ভারত: আজব চুক্তি উপেক্ষা করে কেন ‘রিপাবলিক ভারত’ ছাড়তে চাইছেন কর্মীরা?

United States Geological Survey (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, হাইতির পেটিট ট্রুও ডি নিপ্পেস থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে ৭.২ মাত্রার এই ভূমিকম্পটি তৈরি হয়েছে। ভূপৃষ্ঠে এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। এটি ২০১০ সালে হাইতিতে হওয়া ভূমিকম্পের চেয়েও শক্তিশালী বলে জানিয়েছে তারা। ২০১০ সালের ওই ভূমিকম্পে প্রায় দু’লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ভেঙ্গে পড়েছিল অসংখ্য বাড়িঘর-ভবন। বহু মানুষ গৃহহীন হয়েছিল।

Haiti Earthquake "Strange," Strongest in 200 Years

যদিও অনেক বিশেষজ্ঞ দাবি করেন ২০১০ সালের ভয়াবহ ভুমিকম্প প্রাকৃতিক নয়, কৃত্রিম। ‘হার্প’ প্রযুক্তির সাহায্যে এই ভুমিকম্প ঘটিয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। HAARP অর্থাৎ ‘High Frequency Active Auroral Research Project’. এটি আমেরিকার সামরিক বাহিনী পরিচালিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি গোপন পরীক্ষা। তবে আমেরিকার পাশাপাশি রাশিয়াও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম ভাবে ভুমিকম্প, সুনামী ঘটানো সম্ভব। টেসলার বিখ্যাত ‘ফ্রী এনার্জি’ থিওরি থেকেই মূলত এই হার্প টেকনোলোজি এসেছে। শুধু হাইতিই নয়, ২০১৫ সালে নেপালের ভুমিকম্পকেও কৃত্রিম বলে দাবি করেছিলেন অনেক গবেষক।

আরও পড়ুন Chamba Lama: কলকাতার রুপোর গয়নার ওয়ান স্টপ শপ

ভূমিকম্প হলেও হাইতির সরকারের পক্ষ থেকে হতাহতের বিষয়ে এখনো কিছুই জানানো হয়নি। আশঙ্কা করা হচ্ছে ইতিমধ্যেই প্রচুর মানুষের মৃত্যু হয়েছে। প্রায় কয়েক লক্ষ মানুষ ঘরছাড়া। ভুকম্পন অনুভূত হওয়া হাইতির প্রতিবেশী দেশ কিউবার গুয়ানতানামো শহরের এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, ‘সকলে ভীষণ ভীত-সন্ত্রস্ত। দীর্ঘদিন এত শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়নি।’