Bad effect of use Headphone: দীর্ঘক্ষণ হেডফোন ব্যবহার করছেন, ভয়ানক বিপদ থেকে সাবধান

headphone

Online Desk: অনেকেই দিনের বেশিরভাগ সময় কানে হেডফোন (Headphone) গুঁজে রাখেন।বিশেষ করে রাস্তায় চলাচলের সময় কানে হেডফোন গুঁজে রাখা মোটেও ঠিক নয়। কারণ এটি সড়কদুর্ঘটনার অন্যকম কারণ। অতিরিক্ত ব্যবহার করছেন, ভয়ানক বিপদ এড়াতে সাবধান হয়ে যান। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় হেডফোন ব্যবহারে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা হতে পারে। 

আসুন জেনে অতিরিক্ত হেডফোন ব্যবহারে ৫ বিপদ-

১. হেডফোন ব্যবহার সময় ৯০ ডেসিবেল বা তার বেশি মাত্রার আওয়াজ সরাসরি কানে গেলে শ্রবণে সমস্যা হতে পারে।

২. হেডফোন কারও সঙ্গে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করবেন না।এতে 
সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। 

৩. বেশিরভাগ হেডফোন এয়ার-টাইট ধরনের। এ কারণে কানে বাতাস প্রবেশ করতে পারে না। এতে ঝুঁকি থেকেই যায়।

৪. এক গবেষণায় দেখা গেছে, হেডফোনে দীর্ঘ সময় উচ্চ শব্দে গান শুনলে সেটা খোলার পরও কিছুক্ষণ ভালোভাবে কানে শোনা যায় না। 

৫. হেডফোন দিয়ে উচ্চ শব্দে গান শোনা ঠিক নয়। চিরতরে শ্রবণ শক্তি হারাতে পারেন। 

কী করবেন?

হেডফোন গান শুনুন কিছু নিয়ম মেনে। এতে জীবন ও কান দুই-ই বাঁচবে। দীর্ঘ সময় হেডফোনের ব্যবহার করতে হলে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে হবে। 

হেডফোন ব্যবহারের এমন কিছু নিয়ম, যা অন্তত কিছুটা হলেও আপনাকে বাঁচাবে শারীরিক ক্ষতি থেকে। 

আসুন জেনে নেই এমন কিছু কৌশল-

১. যে সংস্থার মোবাইল ব্যবহার করছেন, ঠিক সেই সংস্থার, সেই মডেলটির ইয়ারফোনই ব্যবহার করুন। 

২. ইয়ারফোনে গান শোনার সময় দেখে নিন ওই ভলিয়্যুমে বাইরের চিৎকার, আওয়াজ এ সবও কানে পৌঁছচ্ছে কি না। তা না হলে আওয়াজ আরও কমান।

৩. হাঁটার সময় বা রাস্তা-লাইন পেরনোর সময় হেডফোন ব্যবহার করবেন না। 

৪. একটানা আধ ঘণ্টার বেশি ইয়ারফোন ব্যবহার করবেন না। মোবাইলে কোনও সিনেমা দেখতে হলে আধ ঘণ্টা বিরতি নিন।

মুখের দুর্গন্ধের সমস্যা, এই সহজ টিপসে এবার মুশকিল আসান

reduce-bad-smell-from-mouth indian girl

Online Desk: মুখের দুর্গন্ধের কারণে লোকসমাজে লজ্জায় পড়তে হয়। বর্তমানে অনেকেরই এই সমস্যা রয়েছে। প্রতিদিন ২ বার ব্রাশ করার পরেও এই সমস্যা পিছু ছারছে না। সাধারণত খাদ্যাভ্যাসে গণ্ডগোল, হজমে সমস্যা, বা লিভারের গোলযোগের কারণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। বাজারের বিভিন্ন ওষুধ ট্রাই করেও কোনও লাভ হয়নি। তবে চিন্তার কোনও কারণ নেই। সমাধান আপনার হাতের মুঠোয়।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে সহজেই মুখের দুর্গন্ধ দূর করা যায়

১) জল খান বেশি করে
সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খান। একেবারে নয়, একটু একটু করে বার বার খান। এতে মুখের খাবারের কণা এবং অতিরিক্ত ব্যাকটেরিয়া ধুয়ে যায়। এছাড়াও মুখ শুকনো হয়ে গেলেও মুখে দুর্গন্ধ হয়। তাই বার বার জল খওয়া প্রয়োজন।

২) নারকেল তেল
প্রতিদিন সকালে নারকেল তেল মুখের ভিতরে হালকা হাতে মালিশ করুন। তারপর উষ্ণ গরম জলে মুখ কুলকুচি করে ধুয়ে ফেলুন। নারকেল তেলে থাকা অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান সহজেই মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে।

৩) কিছু খাবার এড়িয়ে চলুন
আপনার যদি মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার সমস্যা থাকে, তাহলে আপনি কয়েকটি খাবার থেকে দূরে থাকুন। অতিরিক্ত ভাজাভুজি, চিপস বা চিনি যুক্ত স্নাক খাবেন না। এতে সমস্যা উলটে বাড়বে।

৪) পুদিনাপাতা
পুদিনাপাতে প্রাকৃতিক মাউন্ট ফ্রেশনার বলা যেতে পারে। এটি মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে খুবই কার্যকরী। তাই মুখে গন্ধ হলে ২-৩ টে পুদিনাপাতা চিবিয়ে ফেলুন। এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

৫) লবঙ্গ
মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে লবঙ্গর জুড়ি মেলা ভার। এতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রোপাটিজ, যা সহজেই মুখের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে। তাই মুখের এক কোনায় একটি লবঙ্গ ফেলে রাখুন। উপকার পাবেন।

৬) দারুচিনি
মুখের ভিতরে তৈরি হওয়া জীবাণু মেরে ফেলতে দারুচিনির কোনও বিকল্প নেই। ১ চামচ দারুচিনি পাউডারের সঙ্গে জল মিশিয়ে গরম করে নিন। এবারে মিশ্রণটি ছেঁকে নিয়ে কুলকুচি করুন। নিয়মিত এই অভ্যাস করলে মুখের দুর্গন্ধ থেকে অনেকাংশে মুক্তি মিলবে।

এছাড়াও মাথায় রাখবেন মুখ এবং গলার কিছু রোগের কারণেও মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। যেমন মাড়ির রোগ কিংবা টনসিলে পাথর হওয়া। কোনও উপায়েই যদি দুর্গন্ধ দূর না হয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

নিয়মিত আখের রস পানে বাড়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

নিউজ ডেস্ক: গত বছর থেকেই গোটা বিশ্ব জুড়ে শুরু হয়েছে করোনার প্রকোপ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই রোগ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা। ফলে, রোজই মুঠো মুঠো সাপ্লিমেন্ট খেয়ে ইমিউনিটি বাড়ানোর চেষ্টায় আছেন বহু মানুষ। কিন্তু ডাক্তারেরা বলছেন, এতে উলটো ফল হতে পারে। ফলে সিন্থেটিক ওষুধ নয়, ভরসা রাখতে হবে প্রতিদিনের খাবারে। বিশেষত শাক-সব্জি এবং ফল-মূল ইমিউনিটি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন সানবার্ন-ত্বকের স্পট মুহূর্তে হবে দূর, মধুর ম্যাজিকে হয়ে উঠুন বিউটিফুল

যে কোনও ফলের রসই শরীরের পক্ষে ভালো। কিছু ফলের রস আছে যা খেতেও সুস্বাদু আর স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। যেমন আখের রস। ভারত সহ বিভিন্ন দেশেই আখের রস বেশ জনপ্রিয়। শীতকালে এই রস শরীর গরম রাখে আবার গরম কালে শরীর ঠান্ডা করে। আখের রস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে এবং বহু রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা যোগায়। এই রস শরীরকে প্রচুর এনার্জি যোগায় ও শরীর ভালো রাখে। এছাড়াও এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। জন্ডিস, রক্তাল্পতা, অম্বল জাতীয় রোগে খুব কাজে দেয় আখের রস। শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এবং গ্যাসট্রিক সমস্যাতেও এর জুড়ি নেই।

DRINK SUGARCANE JUICE TO GET RID OF DISEASES ASSOCIATED WITH HEART |  NewsTrack English 1

আখের রসের গুনাগুন-

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: আখের রস পান করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে অনেক ধরনের অসুস্থতা থেকে শরীর রক্ষা পায়। করোনার সময়েও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে নিয়মিত আখের রস পান করার পরামর্শ দিচ্ছেন ডাক্তারেরা।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে: আখ আমাদের শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। ডায়বেটিস থাকলেও আখের রস পান করা নিরাপদ। আখের রসের মধ্যে প্রাকৃতিক মিষ্টি আছে, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে।

লিভার ভাল রাখে: আখের রস লিভারের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি লিভার সুস্থ রাখে এবং লিভারকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। জন্ডিসের রোগীদের ডাক্তারেরা আখের রস খেতে বলেন।

7 Amazing Benefits of Sugarcane Juice-A Sweet Deal to Good Health

ব্রণ দূর করে: আখের রস ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করতে পারে। আখের মধ্যে রয়েছে উচ্চ মাত্রার সুক্রোজ, যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। এটি মুখের দাগ দূর করে এবং শরীরের বিষাক্ত বা টক্সিক উপাদান পরিষ্কার করে।

উজ্জ্বল ত্বক: গ্রীষ্মকালের কড়া রোদ এবং ঘামের কারণে ত্বক উজ্জ্বলতা হারায়। আখের রস ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। আখের মধ্যে থাকা সুক্রোজ শরীরের টক্সিক উপাদান পরিস্কার করে।

আরও পড়ুন পুদিনার ম্যাজিক! উজ্জ্বল ত্বক পেতে জেনে নিন পুদিনার উপকারিতা

ওজন কমায়: আখের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এটি শরীরের বিপজ্জনক কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হার্ট ভালো রাখে।

হাড় শক্ত করে: আখের রসে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন এবং পটাশিয়াম রয়েছে – এই সমস্ত উপাদান হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

দাঁতের হলদে ভাব ও দাগ নিয়ে চিন্তিত, ঘরোয়া পদ্ধতিতে মিলবে প্রতিকার

How to get rid of yellow teeth

নিউজ ডেস্ক: এখন প্রায় অনেকেরই দাঁত হলুদ হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। কিছু কিছু বদভ্যাসের কারনেই আমরা দাঁতের সৌন্দর্যতা হারিয়ে ফেলি। ধূমপান, মদ্যপান, তামাক সেবন, অতিরিক্ত ফাস্ট-ফুড খাওয়া, ঠিকমতো ব্রাস না করা, সহ বিভিন্ন কারণে দাঁতে হলদে ভাব বা দাগ দেখা দেয়।

এতে দাঁতের সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। তাই এখন থেকেই সাবধান হওয়া প্রয়োজন। কারণ দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম না বুঝলে, এর ঝক্কি পোয়াতে হবে সারাজীবন। দাঁতের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে আধুনিক পধুতির সাহায্য নেওয়া যেতেই পারে। তবে কম খরচে দাঁতকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে, এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলিকে কাজে লাগান।

তুলসি পাতা: তুলসি পাতা দাঁতের পক্ষে খুবই উপকারী। বেশি করে তুলসি পাতা রোদে শুকিয়ে নিন। এবারে পাতাগুলি গুঁড়ো করে যে কোনও টুথপেস্ট মিশিয়ে নিয়মিত ব্রাস করুন। এতে সহজেই দাঁতের হলদে ভাব দূর হবে। সেই সঙ্গে দাঁতের অন্যান্য রোগের প্রকোপও হ্রাস পাবে।

কলার খোসা: কলার খোসার সাদা দিকটি নিয়মিত দাঁতে ঘষলে, দাঁতের দাগ ও হলদে ভাব কেটে যায়। তবে কলার খোসা ঘষার পর অবশ্যই হালকা গরম জলে কুলকুচি করে নিতে হবে।

খাবার সোডা: দাঁতের হলদে ভাব কাটাতে খাবার সোডার কোনও বিকল্প হয় না। প্রতিদিন সকালে টুথপেস্টের সঙ্গে সামান্য পরিমাণে খাবার সোডা মিশিয়ে ব্রাস করুন। তারপর উষ্ণ গরম জলে ভালো ভাবে মুখ ধুয়ে নিন। উপকার পাবেন।

নুন: দাঁত পরিষ্কার করতে নুনের জুড়ি মেলা ভার। এখন অনেক টুথপেস্টে নুন ব্যবহার করা হয়। রোজ সকালে চারকোলের (কাঠকয়লা) সঙ্গে নুন মিশিয়ে দাঁত মাজুন। টানা ৩ সপ্তাহ ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন। এছাড়াও নুন দাঁতের পুষ্টির ঘাটতি দূর করে।

কমলালেবুর খোসা: রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে কমলালেবুর খোসা ভালো করে দাঁতে ঘোষে নিন। ১০ মিনিট পর হালকা গরম জলে কুলকুচি করে নিন। নিয়মিত ব্যবহার করলে সহজেই দাঁতের হলদে ভাব থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

নিমের দাঁতন: দাঁতের যত্নে নিমের দাঁতন খুবই কার্যকর। নিমের ডালে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। যা দাঁতের ক্যাভেটির মতো সমস্যা দূর করার পাশাপাশি মুখের দুর্গন্ধও দূর করে। নিমের ডাল শুকিয়ে পাউডার বানিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজুন। এতে দাঁতের হলদে ভাব ম্যাজিকের মতো ভ্যানিস হয়ে যাবে। কাঁচা নিমের ডাল দিয়েও ব্রাস করতে পারেন।

ত্বকের কালচেভাব দূর করতে এবার পাতিলেবুর ম্যাজিক

lime

ছোটো হলে কি হবে তার ক্ষমতা আন্দাজ করা সহজ নয়। স্বাদ টক হলেও ‘খাট্টা নিমুরা’ রূপচর্চায় সবার প্রিয়। রোজ পাতিলেবু ব্যবহারে কীভাবে আমরা বাইরে থেকে সুন্দর ও ভেতর থেকে সুস্থ থাকতে পারি তাই জানব।

পাতি লেবুর বাহ্যিক ব্যবহার

  • ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে

রাতের বেলা মধুর সাথে পাতি লেবুর রস মিশিয়ে মুখে মাসাজ করুন। তারপর জলের মধ্যে গোলাপ জল মিশিয়ে তা দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এরপর মুখে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন লাগিয়ে নিন।

  • খুশকি দূর করতে

খুশকি নিয়ে জর্জরিত। তাই এই সময় হট টাওয়েল পদ্ধতির সাহায্য নিন। প্রথমে চুলের জট ছাড়িয়ে নিন। তারপর একটি পাতি লেবু দু-টুকরো করে কেটে নিন। লেবুটাকে সারা মাথা রাব করুন। তার ফলে লেবুর রস সারা মাথায় ছড়াবে। বিশেষ করে স্ক্যাপে লাগান। এরপর একটা টাওয়েল গরম জলে ভিজিয়ে নিন। সেটিকে নিকড়ে নিয়ে ২০ মিনিট মতো মাথায় জড়িয়ে রাখুন। তারপর ভালো করে শ্যাম্পু করে নিন। মাসে চারবার করলেই অনেক। কিন্তু যাদের একবার বা দু-বার ব্যবহারে খুশকি কমে যাবে তারা অকারনে হট টাওয়েল করবেন না।

  • কালো দাগ দূর করতে

 কনুই চেপে বসা আমাদের জন্মগত অধিকার আর এই কারণেই একটা বয়সের পরে আমাদের কনুই কালো হয়ে যায়। আর সেই কালো দাগ দূর করতে একটি পাতি লেবু দুই টুকরো কেটে কনুইয়ে ভালো করে রাব করুন তারপর ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি তিনদিন অন্তর ব্যবহার করুন, দেখবেন কনুইয়ের কালো ভাব চলে যাবে।

  • আর্মপিঠের সুস্থতা বজায় রাখতে

রোজ দিনের ব্যস্ত জীবনে সবাই নিট অ্যান্ড ক্লিন থাকার চক্করে সবার আগে বলি হয় আমাদের ত্বকে থাকা অবাঞ্চিত লোমগুলো। একদল বিশেজ্ঞদের মতে এই লোম অবাঞ্চিত, অন্যদের মতে এই গুলি দরকারী। তবে ক্রমাগত ওয়াক্স করার পর আমাদের আর্মপিঠ কালো হতে থাকে এবং অনেক রাফ হয়ে যায়। তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আলুর রসের সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ভালো করে রাব করুন, তাতে এই কালো ভাব দূর হবে এবং ত্বকের দুছ মেনটেন হবে, অবাঞ্চিত লোম হওয়া বন্ধ হবে, দুর্গন্ধ দূর হবে। ত্বকের সুস্থতা বজায় থাকবে।

  • দাঁতের হলুদভাব দুর করতে

কয়েকফোটা লেবুর রসের মধ্যে কিছুটা বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। এবার অ্যালুমিনিয়ামের ফয়েলর টুকরো নিয়ে তাতে এই মিশ্রণ লাগিয়ে নিন। এবার দাঁতে এই ফয়েলটিকে চেপে আটকে দিন। এরপর ২০ মিনিট এভাবে রেখে দিন। তারপর ভালো করে মুখ ধুয়ে নিন। এই ভাবে ২ দিন অন্তর ব্যবহার করুন। দাঁতের হলদে ভাব চলে যাবে।

এইবার ভেতর থেকে সুস্থ থাকার টিপস

 এক গ্লাস জলে ১টি লেবুর সম্পূর্ণ রস মিশিয়ে নিন। এরপর সেই জলটির স্বাদ এমনই হবে যে পান করাটা দুস্কর হবে। তবে চেষ্টা করে আধ ঘন্টার মধ্যে ওই জল শেষ করুন। এই জলটি আপনাকে ক্যালোরি বার্ণ করতে, চনমনে থাকতে, মেদ কমাতে এবং ভেতর থেকে সুস্থ রেখে ত্বকের বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করবে। ত্বকে রিংকেলস কমাবে, বয়স জনিত ছাপ এবং অবাঞ্চিত দাগ হওয়া ভেতর থেকে আটকাবে। যা আপনাকে সুস্থ ও সতেজ অনুভব করাবে।