Uttar Pradesh: রামরাজ্যের রাজপথে ভিক্ষের বাটি হাতে ঘোরে সর্বাধিক শিশু

child beggars

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতিটি শিশুর স্কুল যাওয়া বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। নিষিদ্ধ হয়েছে শিশুশ্রম (child labour)। কিন্তু এতকিছুর পরেও পথে-ঘাটে ঘুরতে গিয়ে দেখা যায় বহু শিশু হাত পাতছে মানুষের কাছে। অর্থাৎ তারা ভিক্ষা করছে (begging)। মঙ্গলবার সংসদে এই বিষয়টি উত্থাপন করেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ প্রতিমা মন্ডল (pratima mondal)।

তৃণমূল সাংসদ এদিন কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্যায় ও ক্ষমতায়ন (social justice and empowerment) মন্ত্রীর কাছে জানতে চান, দেশে কি শিশু ভিক্ষুকের সংখ্যা বাড়ছে? শিশু ভিক্ষুকের সংখ্যা কেন বাড়ছে? এই মুহূর্তে গোটা দেশে শিশু ভিক্ষুকের সংখ্যা কত? ভিক্ষা না করে এই শিশুরা যাতে সমাজের মূল স্রোতে ফিরেতে পারে তার জন্য কেন্দ্র কি কোনও ব্যবস্থা নিয়েছে?

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের ওই প্রশ্নের উত্তরে সামাজিক ন্যায় ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রী বীরেন্দ্র কুমার জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরে দেশে শিশু ভিক্ষুকের সংখ্যা বাড়েনি বরং অনেকটাই কমেছে। ২০০১ সালে দেশে শিশু ভিক্ষুকের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১২ হাজার ৭৯৪ জন। ২০১১ সালে সেটা কমে দাঁড়িয়েছে ৪৫ হাজার ২৯৬ জন। শিশুরা যাতে ভিক্ষা না করে তার জন্য কেন্দ্র ‘স্মাইল’ নামে একটি প্রকল্প চালু করেছে।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভিক্ষাজীবি শিশুদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দক্ষতা বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা হয়েছে। দরিদ্র পরিবারের এই সমস্ত শিশুদের সুরক্ষার জন্য কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক ‘চাইল্ড প্রোটেকশন সার্ভিসেস’ নামে একটি প্রকল্প চালু করেছে। এই প্রকল্পে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে ওই সমস্ত ভিক্ষাজীবি শিশুদের দেখভাল করার জন্য অর্থ সাহায্য করা হয়।

একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এদিন বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিতে ১৪ বছরের কম বয়সি কতজন ভিক্ষুক শিশু আছে তার একটি তালিকাও দিয়েছেন। মন্ত্রীর তালিকায় দেখা যাচ্ছে সবচেয়ে বেশি শিশু ভিক্ষুক আছে উত্তরপ্রদেশে। এই রাজ্যে শিশু ভিক্ষুকের সংখ্যা ১০১৬৭। পাশাপাশি আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, দাদরা ও নগর হাভেলিতে একটিও শিশু ভিক্ষুক নেই। লাক্ষাদ্বীপ এবং সিকিম এই দুই রাজ্যে শিশু ভিক্ষুকের সংখ্যা মাত্র একজন করে। পশ্চিমবঙ্গে শিশু ভিক্ষুকের সংখ্যা ৩২১৬। অন্যদিকে চণ্ডীগড়, মিজোরাম, দমন ও দিউ এবং পুদুচেরিতে শিশু ভিক্ষুকের সংখ্যা যথাক্রমে ১১, ৬, ৮ ও ৯ জন।

টি-২০ ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক সাকিব আল হাসান

Shakib Al Hasan

স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান পুরুষদের টি-২০ আন্তজার্তিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক হয়েছেন। নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের মাইকেল লিস্ককে আউট করে সাকিব এই অনন্য মাইলস্টোনের মালিক।

এই রেকর্ডের সঙ্গেই সাকিব শ্রীলঙ্কার বোলার লাসিথ মালিঙ্গার টি-২০ আন্তজার্তিক ক্রিকেটে ১০৭ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডকে ভেঙে চুরমার করে দিয়েছেন। লং অফে লিস্ককের ড্রাইভ শট লিটন দাসের হাতে জমা পড়তেই সাকিব আল হাসান ১০৮ টি উইকেট পকেটে পুরে ফেলেন।

৮৯ টি-২০ ম্যাচ খেলে বা হাতি স্পিন অলরাউন্ডার সাকিব মালিঙ্গার রেকর্ড ব্রেক করেন। চলতি বছরের শুরুতে বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১০০ তম উইকেট শিকার করেন। একই সঙ্গে সাকিব টি -টোয়েন্টিতে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১০০০ রান এবং ১০০ উইকেট নেন। সাম্প্রতিক সময়ে সাকিব আল হাসান আইসিসির টি -২০ অলরাউন্ডারদের র‍্যাঙ্কিং’এ প্রথমে রয়েছেন এবং আইসিসি’র ওয়ানডে অলরাউন্ডারদের তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন।

জুলাই মাসে সাকিব ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক হন। সাকিবের টিমমেট মাশরাফি মুর্তজার দেশের হয়ে ২৬৯ উইকেট সংগ্রহ করেছেন (এবং এশিয়া একাদশের জন্য একটি)। তিনি ইতিমধ্যেই টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী। বিশ্বের মাত্র চার অলরাউন্ডারের মধ্যে রয়েছেন যিনি ৬০০০ এর বেশি রান করেছেন এবং ওয়ানডেতে ২৫০’র বেশি উইকেট নিয়েছেন।

টি -২০ ক্রিকেটে বর্তমানে মোট উইকেট তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে সাকিব, ৩৫৬ ম্যাচে ৩৮৮ উইকেট নিয়ে। সাকিব আল হাসান টি -২০ ক্রিকেটে মাত্র চারজন খেলোয়াড়ের একজন কায়রন পোলার্ড, ব্রাভো এবং আন্দ্রে রাসেল এবং অন্য ক্রিকেটারেরা – ৫০০০ রান, ৩০০ উইকেট এবং ৫০ টি ক্যাচ আছে।