संसद में हिंदुओं को लेकर राहुल गांधी का विवादित बयान, बीच में खड़े हो गए मोदी

नई दिल्ली: लोकसभा में आज सोमवार(01 जुलाई) को भारी हंगामा देखने को मिला है। कांग्रेस सांसद और लोकसभा में नेता प्रतिपक्ष राहुल गांधी ने हिंदू समाज को लेकर विवादित टिप्पणी की है। इसके बाद जिससे पीएम मोदी को उठकर खड़ा होना पड़ गया। राहुल गांधी ने सत्ता पक्ष को कह दिया कि वे हिंदू है ही नहीं और उन्होंने हिंदू धर्म को हिंसा, नफरत से जोड़ दिया। राहुल के बयान पर खुद पीएम मोदी और गृह मंत्री अमित शाह दोनों ने ही राहुल गांधी को फटकार लगाई है।

लोकसभा में विपक्ष के नेता राहुल गांधी ने कहा- “हमारे सभी महापुरुषों ने अहिंसा और डर खत्म करने की बात की है…लेकिन, जो लोग खुद को हिंदू कहते हैं वे केवल हिंसा, नफरत, असत्य की बात करते हैं…आप हिंदू हैं ही नहीं।

पीएम मोदी ने राहुल को दिया जवाबराहुल गांधी की बयानबाजी के बीच प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी खुद अपनी कुर्सी से उठ खड़े हुए और राहुल गांधा को फटकार लगाई। पीएम मोदी ने राहुल गांधी पर हमला करते हुए कहा कि पूरे हिंदू समुदाय को हिंसक कहना बहुत गंभीर मामला है। पीएम मोदी ने कहा कि लोकतंत्र और संविधान ने मुझे सिखाया है कि मुझे विपक्ष के नेता को गंभीरता से लेना चाहिए।

राहुल गांधी की टिप्पणी पर केंद्रीय गृह मंत्री अमित शाह ने भी आपत्ति जताई। उन्होंने कहा कि जो लोग गर्व से हिन्दू कहते हैं क्या वो हिंसक हैं। विपक्ष के नेता को माफी मांगनी चाहिए। राहुल गांधी ने हिन्दुओं को हिंसक कहा है। इसके बाद सदन में राहुल गांधी का भाषण और हंगामा जारी रहा। प्रधानमंत्री को दोबारा अपनी सीट से खड़ा होना पड़ा और उन्होंने कहा कि मुझे संविधान ने सिखाया है कि विपक्ष के नेता को गंभीरता से लेना चाहिए।

Hindustan: হিন্দুদের ছাড়া ভারতের কোন অস্তিত্ব থাকতে পারে না: মোহন ভাগবত

Mohan Bhagwat

নিউজ ডেস্ক, গোয়ালি়র: ফের ভারতকে হিন্দুরাষ্ট্র (Hindustan) বলে দাবি করে নতুন বিতর্ক তৈরি করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। শনিবার গোয়ালিয়রে এক অনুষ্ঠানে ভাগবত বলেন, হিন্দুদের ছাড়া কখনওই ভারত হতে পারে না। আবার ভারতকে বাদ দিয়ে হিন্দুদের কোন অস্তিত্ব থাকে না। অর্থাৎ ভারত থেকে হিন্দুদের অস্তিত্ব কখনই আলাদা হতে পারে না। তাই ভারতে থাকতে হলে হিন্দুদের মেনে নিয়েই থাকতে হবে।

যথারীতি ভাগবতের মন্তব্য নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে। অনেকেই বলেছেন, কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকার থাকার কারণেই এভাবে উস্কানিমূলক কথাবার্তা প্রকাশ্যে বলতে পারছেন ভাগবত। এই প্রবীণ নেতা যেভাবে প্রকাশ্যেই উস্কানিমূলক মন্তব্য করছেন সেটা কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় না থাকলে কখনওই করা যেত না। ভাগবতের এ ধরনের মন্তব্যে দেশে সাম্প্রদায়িক অশান্তি তৈরি হতে পারে বলেও অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

শনিবার গোয়ালিয়রের ওই অনুষ্ঠানে সংঘ প্রধান বলেন, ভারত তার নিজের অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে। এটাই হিন্দুত্বের সারকথা। এ কারণেই তো ভারত হিন্দুদের দেশ। দেশভাগের সময় ভারতকে ভেঙে তৈরি হয়েছিল পাকিস্তান। আমরা হিন্দু এই ধারণাটি ভুলে যাওয়ার কারণেই ভারত এক সময় ভেঙে গিয়েছিল। ভাগবত দাবি করেন, হিন্দুদের সংখ্যা ক্রমশ কমছে। কমছে হিন্দুদের শক্তি। কমে গিয়েছে হিন্দুত্বের আবেগ। তাই হিন্দুরা যদি নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে চায় তাহলে ভারতকেও অখন্ড হতে হবে। এর আগেও একটি অনুষ্ঠানে দেশভাগ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ভাগবত বলেছিলেন, দেশভাগের কারণে ভারতকে কী ধরনের দূর্ভোগে পড়তে হয়েছে সেটা হিন্দুদের কখনওই ভুলে যাওয়া উচিত নয়। একমাত্র দেশভাগের ওই সিদ্ধান্ত বাতিল হলে তবেই সেই যন্ত্রণা ভোলা যাবে।

বাংলাদেশ নিয়ে সোস্যাল মাধ্যমে সোচ্চার এপার বাংলার বুদ্ধিজীবীরা

Intellectuals on bangladesh issue

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের ঘটনার বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন বুদ্ধিজীবীরা। ঋদ্ধি সেন থেকে শুরু করে পবিত্র সরকার সবাই এই ঘটনার বিরুদ্ধে এবার সরব হলেন। শুরুটা হল সোশ্যাল মাধ্যমে। পরবর্তীকালে পথেও নামবেন তাঁরা।

মূল উদ্যোগ ঋদ্ধি সেনের। তিনি লিখেছেন, “আমরা গভীর দুঃখ ও উদ্বেগ নিয়ে লক্ষ্য করলাম যে, বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায় তাঁদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা এবার নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে পারলেন না, বিভিন্ন পূজামণ্ডপে হামলা ও নানা অবাঞ্ছিত ঘটনার মধ্যে দিয়ে সে উৎসবে নানা উপদ্রব ঘটেছে।

বাংলাদেশের সরকার ও পুলিশের তৎপরতায় বড় রকমের বিপর্যয় হয়তো এড়ানো গিয়েছে, কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের উদার অসাম্প্রদায়িকতা আর মুক্তিযুদ্ধের আলোকিত চেতনা—যে চেতনাকে জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকার রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর বলে বিশ্বাস করি—সেই চেতনার বিরোধী এই সব অশুভ উদ্যোগ এই উপমহাদেশের সচেতন ও অখণ্ড মানবতায় বিশ্বাসী মানুষদের বিশেষভাবে বিচলিত করেছে।”

একইসঙ্গে তিনি বলেন, “নীতিগতভাবে সংখ্যালঘুর ধর্ম, সম্পত্তি, অধিকার, জীবন ইত্যাদি রক্ষার দায় সংখ্যাগুরুর হাতে—এ হল এক মানবিক দায়, এবং এই আবেদনপত্রে স্বাক্ষরকারীদেরও এই বিশ্বাস। শুধু সরকারের নয়, আপামর মানুষেরও দায়। দুঃখের বিষয় সীমান্তের এই পারে ভারতেও এই দায় রক্ষার বিষয়ে নানা শৈথিল্যের ঘটনা ঘটছে, তার কারণ ভারতের রাষ্ট্রশক্তির দর্শন ও আচরণ তার প্রতিরোধে যথেষ্ট সচেষ্ট নয় বলে আমাদের ধারণা।

ওদিকে বাংলাদেশে যারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে হত্যা করেছিল, যারা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল, তাদের রাজনৈতিক শাসন বাংলাদেশের জাগ্রত জনমতের বিদ্রোহের ফলে অপসারিত হয়েছে, কিন্তু তাদের সমর্থকদের বিপজ্জনক গোষ্ঠীগুলি নিশ্চিহ্ন হয়নি। আমরা জানি বাংলাদেশের বর্তমান সরকার সে সম্বন্ধে সচেতন। সেই গোষ্ঠীগুলিই, যাদের সঙ্গে ধর্মীয় মৌলবাদীদের গভীর সখ্য, কুমিল্লা ও অন্যন্য স্থানে এই উৎপাতগুলির মূলে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। তারা বাংলাদেশের বর্তমান সরকারেরও কখনও প্রকাশ্যে বিরোধী, এবং কখনও বা বন্ধুর ছদ্মবেশে নানা স্থানে সামাজিক অন্তর্ঘাতে লিপ্ত। ভারতেও ধর্মীয় মৌলবাদের নানামুখী হিংস্রতার অস্তিত্ব সম্বন্ধে আমরা সচেতন, এবং বাংলাদেশের মতো এখানেও সংখ্যাগুরু বুদ্ধিজীবী সহ অন্যান্যদের জাগ্রত জনমত ওই সব অশুভ তৎপরতার বিরুদ্ধে আদর্শগত সংগ্রাম করে চলেছে।”

তাঁরা বলছেন, “তাই বাংলাদেশের সংবেদনশীল মানুষ ও তার সচেতন সরকারের কাছে আমাদের আবেদন, এই সব দেশবিরোধী, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী, জাতির জনকের উদার বিশ্বাস আর বর্তমান সরকারের নীতির বিরোধী, বিদ্বেষমূলক ও প্ররোচনামূলক এই শক্তিগুলিকে সত্বর চিহ্নিত করুন এবং তাদের নিষ্ক্রিয় করুন। যারা এবার দুর্গাপূজার উপদ্রব করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন, যাতে এই অপশক্তিরা বোঝে যে অন্যের ধর্মের ক্ষতি করে নিজের ধর্মের মহিমা প্রতিষ্ঠা করা যায় না, রাষ্ট্রও সে অপরাধ ক্ষমা করে না।

বাংলাদেশ সরকারের কাছে আমাদের নিবেদন– আমরা নিজেদের দুই দেশের মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু মনে করি, তাদের এই ব্যাকুল আবেদন , পবিত্র সরকার, মহঃ সেলিম, দীপঙ্কর ভট্টাচার্য, মনোজ ভট্টাচার্য,দেবশঙ্কর হালদার,বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য,কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়,কৌশিক সেন,পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়,চন্দন সেন( অভিনেতা),একরাম আলি,মারুফ হোসেন,সুজয়প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়,ইসমাইল দরবেশ,শান্তিলাল মুখার্জী,ঋত্বিক চক্রবর্তী ,পদ্মনাভ দাশগুপ্ত, ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত সহ আরও অনেকের।”

‘প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকই হিন্দু, ইসলাম ধর্ম এসেছিল আক্রমণকারীদের সঙ্গে’: RSS-প্রধান

নিউজ ডেস্ক: তালিবান জঙ্গি সংগঠন কী না সেই বিষয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করা উচিত। দিনকয়েক আগেই এই দাবি তুলেছিলেন মজলিশ-ই-ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (মিম) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি৷ এবার সেই তালিবান ইস্যুতেই মুখ খুলুক ভারতীয় মুসলিমসমাজ, বিরুদ্ধাচারন করুক আফগানিস্তানের অবস্থার। এই উদ্যোগই নিল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)।

আরও পড়ুন তালিবানদের পঞ্জশির দখলের নেপথ্যে কি পাক বাহিনী?

পড়শি দেশে তালিবানের ক্ষমতা দখল এবং তাতে ভারতের বিপদের সম্ভাবনার নিয়ে সোমবার দেশের মুসলিম সমাজের কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে মুম্বইয়ে বৈঠকে বসেছিলেন RSS-প্রধান মোহন ভাগবত। যদিও শুধু তালিবান এবং ভারত নয়, আলোচনার মূল উদ্দেশ্য ছিল কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে কথা বলা।

আরও পড়ুন ২৫০০ বছরের অজেয় পঞ্জশিরের পতন, উড়ল তালিবান পতাকা


আরও পড়ুন আফগানিস্তান: রাষ্ট্রসংঘের মানবিক বিষয়ক মহাসচিবের সঙ্গে তালিবান প্রতিনিধি দলের বৈঠক

সেখানেই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন সংঘ প্রধান। দেশের হিন্দু-মুসলমানদের পূর্বপুরুষ এক। প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকই হিন্দু। ইসলাম ধর্ম এসেছিল আক্রমণকারীদের সঙ্গে। হিন্দুরা কারও সঙ্গে শত্রুতা করে না। সকলের ভাল চায়। এখানে ভিন্নমতের অনাদর হয় না। এর আগেও এই মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সংঘ প্রধান।

বিজেপির নেতৃত্বাধীন গোয়া, মণিপুর, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ড-সহ পাঁচ রাজ্যে ভোট আসন্ন। তা নিয়েও দু’দিনের দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে নাগপুরের সংঘের দফতরে। গত বছরের নভেম্বর থেকে কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে দিল্লির সীমানায় আন্দোলনে বসে রয়েছেন কৃষকেরা। মূলত পঞ্জাব এবং পার্শ্ববর্তী রাজ্যের ওই কৃষকদের বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হবে তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচন হয়েছিল সংঘের সদর দফতরে।

আরও পড়ুন ত্রিপুরা: মমতার টার্গেট কংগ্রেস ভোট! সন্তোষমোহন কন্যা সুস্মিতায় আপ্লুত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার

তারপরেই দেশের মুসলিম সমাজের বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন তিনি। ‘রাষ্ট্র প্রথম-রাষ্ট্র সর্বোপরি’ শীর্ষক ওই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান, কাশ্মীর কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য তথা প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আটা হুসেনের মতো বিশিষ্ট মানুষেরা।

আফগানিস্তানে তালিবানের ক্ষমতা দখল ভারতে যাতে প্রভাব না ফেলে, সে জন্য শিক্ষিত মুসলিম সমাজকে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন মোহন ভাগবত। সেখানেই তিনি দাবি করেন, প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকই হিন্দু। দেশের হিন্দু-মুসলমানদের পূর্বপুরুষ এক। যদিও এর মাধ্যমে বিভেদ নয়, দেশের মানুষদের ঐক্যকেই তুলে ধরতে চেয়েছেন সংঘ প্রধান বলেই মনে করছেন দেশের বিশিষ্টজনেরা।