Corona Updates: গত ২৪ ঘন্টায় দেশে বাড়ল আক্রান্তের হার, কমল সুস্থতার হার

corona india

নতুন বছরের শুরু থেকেই করোনার (Corona) দৈনিক সংক্রমণ লাফিয়ে বাড়ছে। শেষ ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৭৫০ জন। সংখ্যাটা রবিবারের থেকে ৬ হাজারের বেশি। অর্থাৎ ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২২.৫ শতাংশ বেড়েছে। একইসঙ্গে করোনা অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫৮২। কমেছে সুস্থতার হার। ২৪ ঘন্টায় দেশে সুস্থতার হার কমে হয়েছে ৯৮.২০ শতাংশ।

গত কয়েকদিন ধরেই দেশে দৈনিক পজিটিভিটি রেট বেড়েছে। পাশাপাশি ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ১০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে ওমিক্রন আক্রান্ত হয়েছেন ১৭৫ জন। এরই মধ্যে ২৪ ঘন্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১০৮৪৬ জন। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ১২৩ জনের। যা রবিবারের তুলনায় অনেকটাই কম।

সর্বাধিক ওমিক্রন আক্রান্তের খবর এসেছে মহারাষ্ট্র থেকে। দ্বিতীয় স্থানে আছে রাজধানী দিল্লি। এছাড়াও গুজরাত, রাজস্থান, তামিলনাড়ুতেও অনেকেই ওমিক্রন আক্রান্ত হয়েছেন।

করোনা রুখতে প্রতিটি রাজ্যই নতুন করে বেশ কিছু বিধিনিষেধ জারি করেছে। উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক, রাজস্থানে রাত ১০ টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত নাইট কারফিউ জারি করা হয়েছে। মানুষকে মাস্ক ছাড়া বাইরে না বেরুতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ সরকার জিম, স্টেডিয়াম, সিনেমা হল, রেস্তোরাঁ ৫০ শতাংশ মানুষের উপস্থিতিতে খোলা যাবে বলে জানিয়েছে। মহারাষ্ট্র সরকার জানিয়েছে, যেকোনো ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠানে ৫০ জনের বেশি লোক উপস্থিত থাকতে পারবে না। শেষকৃত্যানুষ্ঠানে সর্বাধিক ২০জন থাকার অনুমতি মিলেছে। এই রাজ্যে রাত ৯ টা থেকে সকাল ৬ টা পর্যন্ত নাইট কারফিউ জারি থাকছে। বিধি লংঘন করলে এখানে আদায় করা হবে ৫০০ টাকা জরিমানা।

হরিয়ানাতে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকছে স্কুল-কলেজ-সহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিয়ের অনুষ্ঠানে সর্বাধিক ১০০ এবং শেষকৃত্যানুষ্ঠানে সর্বাধিক ৫০ জনের উপস্থিত থাকার ছাড়পত্র মিলেছে। এছাড়া হোটেল ও রেস্তোরাঁয় ৫০ শতাংশের বেশি মানুষ থাকতে পারবেন না। রাজস্থানে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত স্কুলের ক্লাস বন্ধ থাকছে। অন্যদিকে দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন জানিয়েছেন, ২০২১-এর শেষ দুদিনে রাজধানীতে যতজন আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে ৮৪ শতাংশের শরীরে মিলেছে ওমিক্রন।

এদিনই জানা গিয়েছে, বিহারের নালন্দা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৮৪ জন চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা ঠেকানোর উদ্দেশ্যে সোমবার থেকেই দেশজুড়ে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণ শুরু হয়েছে। আক্রান্তের হার যেভাবে বাড়ছে সে বিষয়টি মাথায় রেখে প্রতিটি রাজ্যকেই হাসপাতালে সব ধরনের পরিষেবা তৈরি রাখার জন্য কেন্দ্র পরামর্শ দিয়েছে।

দেশের ২৩ রাজ্যে ছড়াল ওমিক্রন, ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ল

omicron

নিউড ডেস্ক, নয়াদিল্লি: মাত্র এক মাসের মধ্যেই পরিস্থিতিটা আমূল বদলে গিয়েছে। ডিসেম্বরের (december) শুরুর দিকেও দৈনিক করোনা সংক্রমণের (corona infection) সংখ্যা ছিল ৬ হাজারের আশেপাশে। কিন্তু নতুন বছরের প্রথম দিনেই গোটা দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ৭৭৫ জন। ৬ অক্টোবরের (october) পর এই প্রথম দেশে এতজন মানুষ আক্রান্ত হলেন। একই সঙ্গে শেষ ২৪ ঘন্টায় দেশে ওমিক্রন (omicron) আক্রান্ত হয়েছেন ১৪৩১ জন। শুক্রবারের তুলনায় শনিবার ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা আরও ১৬১ জন বেড়েছে।

সংক্রমণ বাড়ায় স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা। নতুন বছরের প্রথম দিনেই অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা এক লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ২৪ ঘন্টায় মৃতের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। শেষ ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে দেশের ৪৬০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ওমিক্রন আক্রান্তদের মধ্যে অবশ্য ৩৭৪ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

ওমিক্রন আক্রান্তের নিরিখে এখনও পর্যন্ত মহারাষ্ট্রই এগিয়ে আছে। এই রাজ্যে ৪৫৪ জন ওমিক্রন আক্রান্ত হয়েছেন। এর পরেই আছে দিল্লি। রাজধানীতে ৩৫১ জন ওমিক্রন আক্রান্ত হয়েছেন। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে যত আছে যথাক্রমে কেরল ও গুজরাত এই দুই রাজ্যে যথাক্রমে ১১৮ এবং ১১৪ জন ওমিক্রন আক্রান্ত হয়েছেন।

তবে গোটা দেশেই সুস্থ হওয়ার হার কিছুটা বেড়ে হয়েছে ৯৮.৩২ শতাংশ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত দেশের ২৩ টি রাজ্যে ওমিক্রনের সংক্রমণ ছড়িয়েছে। দেশের দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। দিল্লি ও মুম্বইয়ের মত বড় শহরে ইতিমধ্যেই করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে। যা নিশ্চিতভাবেই সরকারকে উদ্বেগে রেখেছে।

Omicron: দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৩৩

omicron

নিউজ ডেস্ক: সারাদেশেই ওমিক্রন (omicron) ভেরিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশই বাড়ছে। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে (maharastra) নতুন করে ওমিক্রন আক্রান্ত হয়েছেন ৭ জন। যার মধ্যে একটি সাড়ে তিন বছরের শিশুও আছে।

একই সঙ্গে শনিবার গুজরাতে (gujrat) আরও দু’জনের এবং দিল্লিতে একজনের ওমিক্রন আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। ফলে গোটা দেশে করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৩। যার অর্ধেকেরও বেশি ১৭ জন মহারাষ্ট্রের।

মহারাষ্ট্রের আক্রান্তদের মধ্যে তিনজন মুম্বই শহরের বাসিন্দা। ওই তিনজন সম্প্রতি ব্রিটেন, তানজানিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে ফিরেছেন। অপর চারজন মুম্বইয়ের পিম্পিরি এলাকার বাসিন্দা। আক্রান্তদের মধ্যে চারজন করোনা টিকার দুটি ডোজই নিয়েছিলেন। একজন নিয়েছেন একটি ডোজ। অপরজন অবশ্য করোনার টিকা নেননি। বৃহনমুম্বই কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তানজানিয়া থেকে দেশে ফেরা ওই ব্যক্তি ধারাভি বস্তির বাসিন্দা।

ওই ব্যক্তির শরীরে কোনও উপসর্গ ছিল না। তাই ওই ব্যক্তি বস্তির কতজন মানুষের সংস্পর্শে এসেছিলেন সেটাই সবচেয়ে বড় চিন্তা। তবে বস্তির মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়ার আগেই ওই ব্যক্তিকে সনাক্তকরণ করা গিয়েছে বলে পুরসভা জানিয়েছে। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মুম্বইয়ে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে এবং ১১ ও ১২ ডিসেম্বর মুম্বইয়ে কোনও ধরনের বড় জমায়েত করা যাবে না বলে পুরসভা জানিয়ে দিয়েছে।

দিল্লিতে এদিন খোঁজ মিলল ওমিক্রন আক্রান্ত আরও একজনের। ফলে দিল্লিতে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল দুই। ওই ব্যক্তি কয়েকদিন আগে জিম্বাবোয়ে থেকে দেশে ফেরেন। জিম্বাবোয়ে যাওয়ার আগে ওই ব্যক্তি দক্ষিণ আফ্রিকাও গিয়েছিলেন বলে খবর। তবে দিল্লির ওই ব্যক্তি টিকার দুটি ডোজই নিয়েছেন। টিকার দু’টি ডোজ নেওয়ার পরেও যেভাবে মানুষ ওমিক্রনে আক্রান্ত হচ্ছেন সেটাই সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়।

মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট থেকে বাঁচতে প্রত্যেকেই যেন করোনাজনিত বিধিনিষেধ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে মেনে চলেন। মানুষকে অযথা ঝুঁকি না নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে কেউ বাইরে থেকে দেশে ফিরলে সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপর নজর রাখার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

পেনশন প্রাপকদের জন্য স্বস্তি, বাড়ল লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার সময়সীমা

Relief for Pensioners

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: পেনশন প্রাপকদের (Penson Holder) জন্য সুখবর শোনাল নরেন্দ্র মোদি সরকার (Narendra Modi Government)। শনিবার কেন্দ্র জানিয়েছে, যারা অবসর নিয়েছেন তাঁদের লাইফ সার্টিফিকেট বা জীবনের প্রমাণপত্র (Life Certificate) জমা দেওয়ার সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর (December) পর্যন্ত বাড়ানো হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতির জন্যই সময়সীমা বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত।

সাধারণত সরকারি পেনশন প্রাপকদের প্রতিবছরই লাইফ সার্টিফিকেট জমা দিতে হয়। এই সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার মাধ্যমে পেনশন প্রাপকদের নিশ্চিত করতে হয় যে তাঁরা জীবিত আছেন। সার্টিফিকেট জমা না করলে পেনশন বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণত লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা ৩০ নভেম্বর। সেই সময়সীমা ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু করানোজনিত কারণে দেশের পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। সে কারণেই শনিবার কেন্দ্র এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানাল, পেনশন প্রাপকদের জীবনের শংসাপত্র বা লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হল।

করোনাজনিত পরিস্থিতিতে প্রবীণ মানুষেরা অনেকেই বাড়ির বাইরে বের হওয়ার ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। তাই বয়স্ক মানুষদের কাছে লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়া এক সমস্যার বিষয় হয়ে উঠেছে। তাই হুড়োহুড়ি না করে সকলেই যাতে ধীরেসুস্থে এই সার্টিফিকেট জমা দিতে পারেন তার জন্যই সময়সীমা বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত। সরকার আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যাঁরা শংসাপত্র জমা করতে পারেননি তাদের পেনশন আটকে রাখা হবে না।

তবে অবসর প্রাপ্তদের শুধু যে ব্যাংকে গিয়ে এই সার্টিফিকেট জমা করতে হবে তা নয়। প্রয়োজন মনে করলে অবসরপ্রাপ্ত ব্যাক্তি অনলাইনে বাড়ি থেকেও এই সার্টিফিকেট জমা দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তাঁর মোবাইলে ‘জীবন প্রমাণ মোবাইল অ্যাপ’ ডাউনলোড করতে হবে। সেখানে আধার নম্বর, পেনশনের অর্ডার নম্বর, ব্যাংকের বিবরণ ও অন্যান্য কিছু তথ্য জানাতে হবে। দিতে হবে আঙুলে ছাপ।

Number of women: দেশের ইতিহাসে এই প্রথম পুরুষের তুলনায় বাড়ল নারীর সংখ্যা

women

Number of women has increased
নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: দেশের জনসংখ্যার ইতিহাসে তৈরি হল এক নতুন মাইলফলক। দেশের জনসংখ্যার ইতিহাসে এই প্রথম পুরুষের (Male) তুলনায় মহিলার (Female) সংখ্যা বেশি হল। একই সঙ্গে কমল জনসংখ্যা (Population)। ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভের (National family health survey) সমীক্ষা রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে ভারতে প্রতি ১০০০ পুরুষে নারীর সংখ্যা ১০২০জন। যা কিছুদিন আগে পর্যন্তও ছিল ৯৯১।

কেন্দ্রীয় নীতি আয়োগের স্বাস্থ্য বিভাগের সদস্য ড. বিনোদ কুমার পাল ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রকের সচিব রাজেশ ভূষণ এই খবর জানিয়েছেন। এই পরিসংখ্যান নিঃসন্দেহে উল্লেখযোগ্য। কারণ এতদিন দেশে ছেলের তুলনায় মেয়ের সংখ্যা ছিল অনেকটাই কম। এই প্রথম হিসাবটা পুরোপুরি উল্টে গেল। দেশের ২২ টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে ছিল ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভে। এটা ছিল তাদের পঞ্চম দফার সমীক্ষা।

দিল্লি, চণ্ডীগড়, ছত্রিশগড়, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, অরুণাচল প্রদেশ, পাঞ্জাব, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ-সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মোট ৭০০টি জেলায় ছয় লাখেরও বেশি পরিবারের উপর এই সমীক্ষা চালানো হয়েছে। কয়েক লক্ষ কর্মী এই কাজ করেছেন।

প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, জাতীয় স্তরে মহিলাদের সন্তান জন্ম দেওয়ার সংখ্যাও আগের তুলনায় কিছুটা হলেও কমেছে। ২০২০ সালে দেশের প্রতি মহিলার সন্তান সংখ্যা ছিল ২.২। চলতি বছরে যেটা কমে হয়েছে ২.০। চণ্ডীগড়ে এই হার আরও কম ১.৪। তবে উত্তরপ্রদেশে এই হার জাতীয় স্তরের তুলনায় সামান্য হলেও বেশি। উত্তরপ্রদেশে প্রতি মহিলার সন্তান সংখ্যা ২.৪। সমীক্ষা বলছে, গ্রামীণ এলাকার তুলনায় শহরে মহিলাদের সন্তান জন্ম দেওয়ার হার অনেকটাই কম। ওই সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে, দেশের জনসংখ্যা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি নয় বরং কিছুটা কমেছে।

সমীক্ষা রিপোর্ট আরও বলছে, সারাদেশে হাসপাতালে শিশু জন্মের হার আগের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে ৮৯ শতাংশ হয়েছে। তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির মত রাজ্যে ১০০ শতাংশ শিশু হাসপাতালেই প্রসব হয়েছে। সেই সঙ্গে অন্য সাতটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে হাসপাতালে শিশু জন্মের হার ৯০ শতাংশেরও বেশি।

দীপাবলির দুঃসংবাদ: প্রতি সিলিন্ডারে দাম বাড়ল ২৬৫ টাকা

LPG Gus kolkata

News Desk, New Delhi: দীপাবলির ঠিক আগেই ফের একবার দুঃসংবাদ বয়ে আনলো কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। দীপাবলিতে যখন সকলেই একটু আনন্দ করার কথা ভাবছেন তখনই মোদি সরকার প্রতিটি বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ২৬৫ টাকা করে দাম বাড়াল।

সপ্তাহের প্রথম দিনেই এই দুঃসংবাদ পেল সাধারণ মানুষ। তবে এদিন গৃহস্থবাড়িতে ব্যবহৃত বা ভর্তুকিযুক্ত রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়নি। যদিও সাধারণ মানুষের আশঙ্কা দু’একদিনের মধ্যেই এই গ্যাসের দামও বাড়ানো হবে।

দীপাবলি বা উৎসবের মরসুমে অনেকেই হোটেল-রেস্তোরাঁয় দু’একদিন খেতে যান। এক ধাক্কায় রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ২৬৫ টাকা বাড়ায় হোটেল-রেস্তোরাঁয় খাওয়ার জন্য যে বাড়তি দাম দিতে হবে তা না বললেও চলে। পাশাপাশি যারা বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে হোম ডেলিভারির মাধ্যমে খাবার আনান তাঁদেরও এবার বাজেট বাড়াতে হবে। সোমবার প্রতিটি বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ২৬৫ টাকা বাড়ার পর কলকাতায় ১৯ কেজি একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ২০৭৩.৫০ টাকা। কলকাতার পাশাপাশি দিল্লি এবং চেন্নাইয়েও বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ২০০০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। মুম্বইয়ে দাম প্রায় ২০০০ টাকা ছুঁইছুঁই।

এই মুহূর্তে ভর্তুকি যুক্ত গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ৯২৬ টাকা। সাধারণ মানুষ মনে করছেন, দু-একদিনের মধ্যেই এই দাম বেড়ে ১০০০ টাকায় পৌঁছবে। বাজার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধির কারণেই ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ছে। চলতি বছরে এ পর্যন্ত আটবার ভর্তুকিযুক্ত গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হয়েছে। হয়তো আগামীকাল বা পরশুই বাড়বে ভর্তুকি যুক্ত গ্যাস সিলিন্ডারের দাম। ২০২১- এর জানুয়ারিতে ভর্তুকি যুক্ত গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ছিল ৬৯৪ টাকা। তারপর আট দফায় তার দাম বেড়ে এই মুহূর্তে হয়েছে ৯২৬ টাকা।

দেশের বাজারে পেট্রোল, ডিজেল ও গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধির পেছনে দুটি কারণ থাকে। একটি হল আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম এবং টাকা ও ডলারের বিনিময় হার।

তবে এই মুহূর্তে যে আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম দারুন কিছু বেড়েছে তা নয়। এই মুহূর্তে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ৮৪ ডলারের মত। কিন্তু মোদি সরকার পেট্রোল, ডিজেল-সহ সবধরনের পেট্রোপণ্যের উপর এতটাই কর আরোপ করেছে যে সাধারণ মানুষের কোনওভাবেই স্বস্তি মিলছে না। অন্যদিকে টাকা ও ডলারের বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৫ টাকা।

ঘন ঘন রান্নার গ্যাসের দামবৃদ্ধি সম্পর্কে আপনার মতামত কী? লিখে জানান

[contact-form][contact-field label=”Name” type=”name” required=”1″][contact-field label=”Email” type=”email” required=”1″][contact-field label=”Message” type=”textarea”][/contact-form]