BSF: ভারতে ঢুকে ধৃত জাল আধার কার্ড চক্রের বাংলাদেশি দুষ্কৃতিরা

bsf lady constable

News Desk: সীমান্তে বড় সাফল্য বিএসএফের। বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের সময় দুষ্কৃতী লুৎফর রহমানকে গ্রেফতার করেছে বিএসএফ।

উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুর সীমান্ত পেরনোর সময় ৫ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে আটক করে সীমান্তরক্ষীরা। হাকিমপুর সীমান্ত পেরনোর সময় তারা ধরা পড়ে।

বিএসএফ জানিয়েছে, সেই দলেই ছিল বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের সাতক্ষীরার বাসিন্দা লুৎফর রহমান। জাল আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড তৈরি করার চক্র চালায় সে। লুৎফর সহ পাঁচ অভিযুক্তকে উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর থানার হাতে তুলে দেয় বিএসএফ।

পুলিশ সূত্রে খবর, লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ রয়েছে বাংলাদেশে। বিভিন্ন সময় ভারতে ঢুকে নকল আধার কার্ড, ভোটার কার্ডের কারবার করে। বাকি ধৃতদের মধ্যে ২ জন পুরুষ ১ জন মহিলা ও একজন তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি।

সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে আগাম সতর্কতা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএসএফ। সীমান্তে বসানো হয়েছে বিশেষ আলো। ফলে সীমান্ত সুরক্ষা আরও বেশি জোরদার হয়েছে বলে দাবি বিএসএফের।

অন্যদিকে নদিয়ার হাঁসখালির গোগড়ায় আন্তর্জাতিক ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিপুল পরিমাণ রুপোর গহনা উদ্ধার করেছে বিএসএফ। সোমবার ভোরে সীমান্ত অতিক্রম করবার সময় পাচারকারীদের তাড়া করে বিএসএফ। জওয়ানরা কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটিয়ে পাচারকারীদের ধরে ফেলে। ৬ কেজি রুপোর গহনা উদ্ধার করা হয়।

চিনা বৌদ্ধ ভিক্ষুর ভারতে অনুপ্রবেশ, গোপনে নেপাল ঢোকার সময় ধৃত

Chinese monk arrested near indo nepal panitanki border

নিউজ ডেস্ক: বৌদ্ধ ভিক্ষুর বেশধারী এক চিনা নাগরিক বিনা অনুমতিতে ভারতে ঢুকে ধরা পড়ল। ভারত থেকে নেপাল যাওয়ার আগে দার্জিলিং জেলার পানিট্যাংকি সীমান্তে তাকে ধরেন এসএসবি রক্ষীরা। ধৃতের নাম সোনম ফুৎসক। বছর ৩৮ এর সোনম চিনের নাগরিক। তার সঙ্গে সন্দেহভাজন আরও একজন ধৃত। তার নাম তেনজিন ওদেন লামা। সে নেপালের গোর্খা জেলার বাসিন্দা।

এসএসবি জানিয়েছে,শুক্রবার এই দু’জন ভারত থেকে নেপালে ঢুকছিল মেচি নদীর সেতু পেরিয়ে। পানিট্যাংকি চেক পোস্টে তাদের আটকায় এসএসবি। তল্লাশিতে সোনমের কাছে চিনা নাগরিকত্বের প্রমাণ মিলেছে। এর পরেই দুজনকে পুলিশের হাতে তুলে দেয় এসএসবি।

নিয়মানুসারে ভারত ও নেপালের মধ্যে অবাধ যাতায়াত করেন দুই দেশের নাগরিকরা। প্রয়োজন হয়না ভিসার। কিন্তু চিনা নাগরিকের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। ফলে সোনমকে অনুপ্রবেশকারী বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। তল্লাশিতে ধৃত সোনমের কাছে থেকে চিনা নাগরিকত্বের পরিচয়পত্র ছাড়াও ভারতীয় প্যান কার্ড, আধার কার্ড মিলেছে। এছাড়া মোবাইল, বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর পরিচয়, ২০০ মার্কিন ডলার এবং ভারতীয় ৩২,২০০ টাকা মিলেছে। কেন সোনম নিয়ম ভেঙে ভারতে এসেছিল তা সন্দেহজনক।

সম্প্রতি এক তিব্বতি বংশজাত চিনা নাগরিক ধরা পড়ে পানিট্যাংকি সীমান্তে। তার সঙ্গে ছিল শিলিগুড়ির এক দালাল। তার আগে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ করে চিনা নাগরিক হান জুয়েন। সে একজন ‘চিনা গুপ্তচর’ বলে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে নামে বিএসএফ ও উত্তর প্রদেশের জঙ্গি দমন শাখা (এটিএস)। তদন্তে উঠে আসে বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে মানদহের কালিয়াচকের মিরিক সুলতানপুরে হান ঢুকেছিল। তদন্তে জানা যায় হান একজন ভয়ঙ্কর অপরাধী। এর আগে ৪ বার ভারতে এসেছিল। গুরুগ্রামে (গুড়গাঁও) একটি হোটেলের মালিক তার স্ত্রী আগেই দিল্লি ও উত্তর প্রদেশ পুলিশের নজরদারিতে আছে। তারপরেই থেকেই গা ঢাকা দিয়েছিল হান।

Exclusive ছবি: মিজোরাম সীমান্ত রক্তাক্ত, ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের পথে মায়ানমার

Chin defense force

বিশেষ প্রতিবেদন: গণতন্ত্র নাকি সামরিক শাসন এই প্রশ্নেই ফের ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের পথে মায়ানমার। এর ফলে ভারত সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ। হাজার হাজার বর্মী ঢুকতে শুরু করেছেন মিজোরামে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে সাহায্য চেয়েছেন।

কী অবস্থা এই সীমান্তের? www.ekolkata24x7.com উত্তর পূর্বভারতের একেবারে দুর্গম বিপদসংকুল আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকার কিছু ছবি প্রকাশ করল। এই ছবি পাঠিয়েছে মায়ানমারের বর্তমান সামরিক সরকার বিরোধী গোষ্ঠি চিন ডিফেন্স ফোর্স।

Myanmar army
হামলার মুখে বর্মী সেনা

চিন জাতির প্রতিরোধ:
চিন প্রদেশের নাম এসেছে চিন জাতি থেকে। তারা মায়ানমারে দুটি প্রদেশ চিন ও কাচিনে থাকেন। মায়ানমারের চিন প্রদেশ ভারত লাগোয়া। আর কাচিন প্রদেশটি ভারত ও চিন দেশ উভয়ের নিকটস্থ।

myanmar border
মিজোরাম মায়ানমার সীমান্ত চেকপোস্ট

গত ১ ফেব্রুয়ারি মায়ানমারের নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দিয়ে রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানে ক্ষমতা দখল করেছেন বর্তমান সেনা শাসক মিন অং হ্লাইং। ঠান্ডা মাথার সেনাপ্রধান তিনি। একের পর এক মামলায় জড়িয়ে সু কি কে বাকি জীবন জেলে রাখতে মরিয়া সামরিক সরকার।

Chin defense force
চিন গোষ্ঠীর অস্ত্র

মায়ানমারে সেনা শাসনের প্রতিবাদে সর্বাত্মক আহ্বান জানানো হয় সম্প্রতি। দেশটির নোবেলজয়ী বন্দি নেত্রী আউং সান সু কি (রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিতর্কিত অবস্থান)। তাঁকে রক্ষা করতে ও গণতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে অপসারিত সরকারের কয়েকজন আত্মগোপনকারী নেতা দিচ্ছেন সেনা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন নেতৃত্ব।

Chin defense force
চিন গোষ্ঠীর হামলা প্রস্তুতি

গণতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে গণআন্দোলনে মায়ানমারের রাজধানী নেপিদ সহ বিভিন্ন প্রান্তে শয়ে শয়ে মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। তবে সর্বাধিক রক্তাক্ত পরিস্থিতি মায়ানমারের চিন প্রদেশ।

অতি আগ্রাসী অঞ্চল বলে কুখ্যাত চিন প্রদেশ। এখানকার চিন জাতির মধ্যে বর্মী সেনা শাসনের তীব্র বিরোধিতা থেকে সশস্ত্র প্রতিরোধ শুরু হয়েছে। সেনাবাহিনী বসে নেই। চলছে গুলি।  আন্তর্জাতিক সীমান্তের এদিকে মিজোরামের দুটি জেলা সাইহা ও লুংগলেই। সংঘর্ষের মাঝেই দুর্গম বন নদী পেরিয়ে মিজোরামের দিকে আসছেন মায়ানমারের চিন জাতির ঘরছাড়া, দেশহীন শরণার্থীরা।

Chin province
চিন ডিফেন্স ফোর্স চিহ্ন

পরিস্থিতি ভয়াবহ প্রতিবেশি দেশ মায়ানমারে। সে দেশের সামরিক সরকার বিরোধী গণতন্ত্রীদের সংঘর্ষ আর ‘গান্ধীগিরি’ পথ নিচ্ছে না। বরং এর উল্টো ছবিটা স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। মায়ানমারে চিন প্রদেশ সরকার তাদের চিনল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্স নামিয়েছে। তাদেরই পাঠানো ছবিতে স্পষ্ট, গত কয়েকদিনে কীরকম অবস্থা সীমান্তের ওপারে।

Chin defense force
নদী পেরিয়ে মায়ানমার থেকে মিজোরামে আসছেন বর্মীরা।

মায়ানমারের চিন প্রদেশের থান্টলাং এলাকায় বর্মি সেনা ও সেদেশের গণতন্ত্রপন্থী মিলিশিয়াদের সংঘর্ষ চলছেই। গার্ডিয়ান জানাচ্ছে, বর্মী সেনার বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণে যাচ্ছে মায়ানমারের দুর্গম এলাকায় সক্রিয় সরকার বিরোধী মিলিশিয়া চিন ডিফেন্স ফোর্স। তাদের দাবি, গত কয়েক দিনের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন মিলিশিয়া মৃত।
পরিস্থিতি সবথেকে খারাপ চিন প্রদেশের থান্টলাংয়ে। বর্মী সেনারা থান্টলাং এলাকা বারবার হামলা চালায়। এর পরেই ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে মিজোরামে আসতে শুরু করেন স্থানীয় চিন জাতির বাসিন্দারা। এমনই জানাচ্ছে উত্তর পূর্বের সংবাদমাধ্যমগুলি।

একদল সশস্ত্র জঙ্গির অনুপ্রবেশের চেষ্টার পরেই উরিতে মোবাইল-ইন্টারনেট বন্ধ

Kashmir Indian Army

নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের উরি সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বরাবর একদল সশস্ত্র জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে৷ তারপরে সেখানকার ইন্টারনেট এবং মোবাইল ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সোমবার সেনা কর্মকর্তারা এই তথ্য দিয়েছেন। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অনুপ্রবেশ বিরোধী অভিযান চলছে।

জঙ্গিরা ফের বড় ধরনের কোন নাশকতা করতে পারে, এই শঙ্কায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনীকে ডেকে আনা হয়েছে৷ পাশাপাশি বিশাল এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে। সেনাবাহিনীর জানাচ্ছে, চলতি বছরে এটি দ্বিতীয় বড়সড় অনুপ্রবেশের চেষ্টা।

সেনাবাহিনীর এক কমান্ডার সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, এই বছর সীমান্তে কোন যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হয়নি৷ সীমান্তের ওপার থেকে কোন প্রকার উস্কানি দেওয়া হয়নি।

Kashmir Indian Army

১৫ কোরের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডিপি পান্ডে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘এই বছর যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হয়নি৷’ তিনি বলেন, “অনুপ্রবেশের কিছু প্রচেষ্টা হয়েছে৷ তবে আগের বছরগুলোর মত নয়। খুব কমই কোন সফল প্রচেষ্টা ছিল। আমি যতদুর জানি, এখনও পর্যন্ত অনুপ্রবেশের মাত্র দুটি প্রচেষ্টা সামনে এসেছে৷
তিনি আরও জানান, গত ৪ ঘণ্টা ধরে উরিতে অভিযান চলছে৷ সেনাবাহিনী জানতে পেরেছ অনুপ্রবেশের চেষ্টা হয়েছে। অনুপ্রবেশকারীদের খোঁজা হচ্ছে। তারা কি এই দিকে আছে, নাকি তারা ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়৷

কে এই তিব্বতি বংশজাত? দার্জিলিং থেকে নেপাল যাওয়ার আগেই ধৃত সন্দেহভাজন

indo nepal border

শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গে ফের চিনা (Chinese) নাগরিকের সন্দেহজনক উপস্থিতি। এবার দার্জিলিং (Darjeeling) থেকে প্রতিবেশি দেশ নেপালে ঢোকার আগেই পানিট্যাংকি সীমান্তে (Panitanki Border) তাকে ধরে ফেলেন পাহারায় থাকা ভারতীয় এসএসবি রক্ষীরা। মেচি নদী পেরিয়ে নেপালের কাঁকরভিটা সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের ছক ছিল এই চিনা নাগরিকের।

সোমবার রাতে ভারতের দিক থেকে নেপালে যাওয়ার সময় এই চিনা নাগরিককে গ্রেফতার করে এসএসবি। ধৃত তার সাগরেদ। এই ‘দালাল’ শিলিগুড়ির বাসিন্দা। তার নাম পেম্বা ভুটিয়া। আর সন্দেহজনক চিনা যুবকের বয়স ৩২ বছর।

এসএসবি জানিয়েছে, ধৃত চিনা যুবকের জন্মসূত্রে তিব্বতি। তার কাছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট এবং আশ্চর্যজনকভাবে ভারতের প্যান কার্ড মিলেছে। পাসপোর্ট ও প্যান কার্ডে যুবকের নাম আলাদা। তবে তদন্তের স্বার্থে নাম জানানো হয়নি।

indo nepal border

এসএসবি সূত্রে খবর, ভারত থেকে গোপনে নেপাল যেতে যাওয়া চিনা যুবক হিমাচল প্রদেশের ধরমশালায় তিব্বতি ধর্মগুরু চতুর্দশ দলাই লামার তৈরি স্কুলে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে।

ভারতে আশ্রিত দলাই লামা চিনের নজরে ‘তিব্বতি বিচ্ছিন্নতাবাদী’। ১৯৫৯ সালে তিব্বত দখল করে চিন সরকার। সেই সময় দলাই লামা (তেনজিন গিয়াতসো) ভারতে পালিয়ে চলে এসেছিলেন। তাঁকে ভারত সরকার রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়। এর জেরে বারবার চিন-ভারত সম্পর্ক গরম হয়েছে। তিব্বতি ধর্মগুরু থাকেন হিমাচল প্রদেশের ধরমশালায়। তাঁর নেতৃত্বে সেখানে নির্বাসিত তিব্বতি সরকার চলছে।

দলাই লামার সেই ধরমশালার তিব্বতি বিদ্যালয়ে পড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চলে গিয়েছিল ধৃত চিনা-তিব্বতি যুবক। সে কী উদ্দেশ্যে ভারতে ফের এসেছে, কেনই বা রাতে অন্ধকারে গোপনে নেপালে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। সন্দেহজনক গতিবিধি খতিয়ে দেখছে এসএসবি।

মাস খানেক আগে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ করে চিনা নাগরিক হান জুয়েন। সে একজন ‘চিনা গুপ্তচর’ বলে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে নামে বিএসএফ ও উত্তর প্রদেশের জঙ্গি দমন শাখা (এটিএস)। তদন্তে উঠে আসে বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে মানদহের কালিয়াচকের মিরিক সুলতানপুরে হান ঢুকেছিল। তদন্তে জানা যায় হান একজন ভয়ঙ্কর অপরাধী। এর আগে ৪ বার ভারতে এসেছিল। গুরুগ্রামে (গুড়গাঁও) একটি হোটেলের মালিক তার স্ত্রী আগেই দিল্লি ও উত্তর প্রদেশ পুলিশের নজরদারিতে আছে। তারপরেই থেকেই গা ঢাকা দিয়েছিল হান।