চিন-কিমের মাখো মাখো বন্ধুত্বের কাঁটা জাপানের সামরিক কৌশলে চমক

চিন-উত্তর কোরিয়াকে চাপে ফেলতে নয়া কৌশল জাপানের। বলতে গেলে হাত মেলাল জাপান ও আমেরিকা। চিন ও উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে উত্তেজনার মাঝেই মার্কিন বাহিনীকে আরও সমর্থনের ঘোষণা করেছে জাপান। মার্কিন বিদেশমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ঘোষণা করেছেন যে জাপানের মাটি প্রায় ৫০,০০০ মার্কিন সৈন্য মোতায়েনের মেয়াদ বৃদ্ধির ব্যাপারে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে। ব্লিঙ্কন ভার্চুয়ালি এক বৈঠকে বলেন, এই নতুন চুক্তি “আমাদের সামরিক প্রস্তুতি এবং আন্তঃক্রিয়াশীলতা আরও গভীর করার জন্য বৃহত্তর সম্পদ বিনিয়োগ করবে” তিনি আরও বলেন, “আমাদের মিত্রদের কেবল আমাদের কাছে থাকা সরঞ্জামগুলিকে শক্তিশালী করাই নয়, নতুন সরঞ্জামগুলিকেও আরও বিকাশ করতে হবে।”

বিগত কয়েকবছর ধরে টোকিও দেশে মার্কিন বাহিনীর পাশাপাশি মার্কিনিদের অন্যান্য ইউটিলিটিগুলির জন্যেও খরচ বহন করে। প্রসঙ্গত, পূর্ববর্তী চুক্তিটি ২০২১ সালের মার্চ শেষ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ওয়াশিংটনে প্রশাসনিক রদবদলের জন্য এই মেয়াদ এক বছরের জন্য বাড়ানো হয়েছিল।

মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন বলেন, “মিত্র দেশগুলি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় জাপানের ক্রমবর্ধমান অবদানের ক্ষমতা প্রতিফলিত করার জন্য আমাদের ভূমিকা এবং মিশনগুলি বিকশিত করছে”। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপান যুদ্ধ করার অধিকার ত্যাগ করে এবং তারপর থেকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ জোট গড়ে তোলে, যা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি রক্ষার জন্য চুক্তিবদ্ধ। বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন পাঁচ বছরের প্যাকেজের পরিমাণ হবে ২১১ বিলিয়ন ইয়েন (১.৮ বিলিয়ন ডলার), যা প্রায় ৫% বৃদ্ধি পাবে। এহেন খবরের জেরে চিনের যথেষ্ট অস্বস্তি বাড়বে তা বলাই বাহুল্য। ব্লিঙ্কেন বলেন, “বেজিংয়ের উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড তাইওয়ান এবং পূর্ব ও দক্ষিণ চীন সাগর জুড়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে।”

তাক লাগাল জাপান, একই গাড়ি ছুটবে সড়ক ও রেলপথে

News Desk: কখনও সড়কপথে, কখনও বা রেলপথে। একই গাড়ি দুই পথেই সমান রকম সাবলীল ভাবে চলতে সক্ষম। অর্থাৎ একই গাড়িতে বসে বাস ও ট্রেনে চড়ার অনুভূতি অনুভব করতে পারবেন সাধারণ যাত্রীরা। না এটা কোনও অবাস্তব কল্পনা নয়। বিশ্বে প্রথম এ ধরনের ‘ডুয়েল মোড ভেহিকেল’ (duel mode vehicel) বা ‘ডিএমভি’ চালু হল জাপানে (japan)। শনিবার জাপানের টোকুশিমা অঞ্চলের কাইয়ো শহরে (kiyo town) ডিএমভির যাত্রা শুরু হল। ডিএমভি দেখতে অনেকটা মিনি বাসের মতই। সড়ক পথে আর পাঁচটা গাড়ির মতো তাকে চলতে দেখা যাবে। অন্য গাড়ির সঙ্গে তাকে আলাদা করাও কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। কিন্তু রেললাইনে ওঠার সময় এর পেটের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসবে স্টিলের চাকা। তখন এটা পুরোদস্তুর ট্রেনের (train compartment) বগিতে পরিণত হবে। এই গাড়িতে একসঙ্গে ২১ জন যাত্রী চড়তে পারবেন। রেলপথে ঘন্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে এটি চলবে। তবে সড়কপথে সর্বোচ্চ গতি (highest speed) হবে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার। এটি একটি ডিজেল চালিত গাড়ি।

বিশ্বে প্রথম এ ধরনের ডুয়েল মোট গাড়ি চালু করে গোটা দুনিয়াকে তাক লাগিয়ে দিল জাপান। সড়কপথে ডিএমভির চাকা হিসাবে আর পাঁচটা সাধারণ গাড়ির মতোই রবারের টায়ার ব্যবহার করা হবে। কিন্তু যখন রেলপথে উঠবে তখন সেই রবারের টায়ার পেটের ভিতরে ঢুকে যাবে। পরিবর্তে বেরিয়ে আসবে ইস্পাতের চাকা। একেবারে হুবহু আমাদের রেল গাড়ির মতোই। তবে অনেকেই বলছেন, রেলপথে ডিএমভির গতিবেগ আরও কিছুটা বেশি হলে ভাল হত। যদিও বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আগামী দিনে তাঁরা রেলপথেও ডিএমভির গতিবেগ বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। খুব শীঘ্রই হয়তো গতি বাড়বে। আপাতত নীল, লাল, হলুদ বিভিন্ন রংয়ে এই গাড়িগুলি তৈরি হয়েছে। তবে গাড়িগুলির আকার খুব একটা বড় নয়। জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ শিকোকুর উপকূলীয় এলাকায় কয়েকটি ছোট শহরের মধ্যে এই ডিএমভি চলাচল করবে। তবে আগামী দিনে দেশের অন্যান্য অংশেও ডিএমভি চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে জাপান সরকারের। মূলত পর্যটকদের আকর্ষণ করতেই এই ডিএমভি চালানোর সিদ্ধান্ত। উপকূলীয় এলাকায় যাত্রীরা যাতে ডিএমভিতে বসেই সমুদ্রতীরের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জানা গিয়েছে, জাপানের আসা কোস্ট রেলওয়ে এডিএমভি পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। এই সংস্থার সিইও শিগেকি মিউরা বলেছেন, এই বিশেষ ধরনের যান গ্রামাঞ্চলের বসবাসকারী মানুষ বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য খুবই উপোযোগী হবে। শীঘ্রই ডিএমভি জনপ্রিয় গণপরিবহণ মাধ্যম হয়ে উঠবে বলে আশা করছি। পাশাপাশি এডিএমভি পর্যটকদের জন্যও এক বিশেষ আকর্ষণ। অনেকেই উইক-এন্ডে সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন। এই সমস্ত মানুষ নিশ্চিতভাবেই ডিএমভি চড়ে আনন্দ পাবেন।

Japan : জাপানের বহুতল ক্লিনিকে বিধ্বংসী আগুন, জীবন্ত দগ্ধ ২৭ জন

japan fire

নিউজ ডেস্ক : সাতসকালে বড়সড় বিপত্তি জাপানে (Japan)। অফিস বিল্ডিংয়ে আগুনে পুড়ে মৃত্যু হল ২৭ জনের। ওসাকা (Osaka)শহরের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, ৯ তলা বিল্ডিংয়ে ছড়িয়ে পড়া আগুন নেভাতে দমকল বাহিনীর অন্তত ৭০ টি ইঞ্জিন কাজ করছে। যে ২৮ জনকে বিল্ডিংয়ের ভিতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ২৭ জনের প্রাণ নেই। ১ জনকে দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। সংবাদসংস্থা এএফপি (AFP) সূত্রে এমনই খবর।

বিল্ডিংয়ের অধিকাংশ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। স্থানীয় সময় অনুযায়ী ঘড়িতে তখন ১০টা ১৮ মিনিট। ওসাকা শহরের কর্মব্যস্ত এলাকা কিতাশিনচি রেলস্টেশনের কাছে ৯ তলা একটি বহুতলে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পথচলতি মানুষ। আগুনের উত্‍স ছিল বহুতলের ৫ তলা। এখানে কাউন্সেলিং এবং মানসিক সমস্যায় কাবু রোগীদের জন্য একটি ক্লিনিক (Clinic) রয়েছে। এই ক্লিনিকেই আগুন লাগে বলে জানা যায়।

এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছিল চারপাশ। কিছু দেখা যাচ্ছিল না। এই বহুতলে একটি পোশাকের দোকান এবং ইংরাজি মাধ্যম স্কুলও রয়েছে। ওই স্কুলের জানলা থেকে এক মহিলাকে চিত্‍কার করে সাহায্য চাইতে দেখেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে খবর পাঠানো হয় ওসাকার দমকল বিভাগে। পর্যাপ্ত ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। তবে এলাকাটি ঘিঞ্জি এবং অপ্রশস্ত হওয়ায় কাজ করতে সমস্যা হচ্ছিল। তবে দুপুর পর্যন্ত ৭০ টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় ৩০ মিনিটেরও বেশি সময় পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

Tashirojima: বেড়ালের ‘রাম রাজত্ব’ চলে এই দ্বীপে

tashirojima cat-island

বিশেষ প্রতিবেদন: আফ্রিকায় সিংহের রাজত্ব। সুন্দরবনে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের রাজত্ব। আর এখানে বেড়ালের রাজত্ব। ঘটনাচক্রে বাঘ , সিংহ এরা সবাই ‘ক্যাট ফ্যামিলি’র। কিন্তু বেড়ালের এমন রাম রাজত্ব আফ্রিকায় সিংহ কিংবা সুন্দরবনে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারেরও নেই। এখানে মানুষের থেকে মার্জারের সংখ্যা বেশি। যেদিকেই তাকাবেন কিলবিল কড়ছে বেড়াল আর ‘ম্যাও’ ডাক। বেড়ালের এমন রাম রাজত্ব রয়েছে জাপানে তাশিরোজিমায় (Tashirojima)।

তাশিরোজিমা, জাপানের একটি ছোট্ট দ্বীপ। আয়তন দেড় বর্গকিলোমিটার। এই দ্বীপটি ‘দ্য কিংডম অফ ক্যাটস’। এখানে মানুষ থাকেন মেরেকেটে ১০০ জন। বেড়ালের সংখ্যা কত জানেন ? জানলে চমকে যাবেন। প্রায় ৬০০। বিশ্বাস করতে না পারলেও এটাই বাস্তব। এখানে যেদিকেই তাকাবেন বিভিন্ন ধরনের বেড়াল দেখতে পাবেন। রাস্তাঘাট, বাজার দোকান, শ’খানেক মানুষের বাড়ির ছাদ ঘর সর্বত্র ওদের রাজ চলে। এই দ্বীপের নামই হয়ে গিয়েছে ‘বেড়াল দ্বীপ’ (cat island)।

cat island of japan

কিন্তু কীভাবে গড়ে উঠল এমন বেড়াল সাম্রাজ্য? এখানকার মানুষ নিজেরাই দায়িত্ব নিয়ে এই কাণ্ড করেছেন।
৭৫ থেকে ৭৭ বছর পিছনে যেতে হবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ হয়ে গিয়েছে। সেই সময়ে তাশিরোজিমায় প্রায় তিন হাজার মানুষের বাস। প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলবর্তী অঞ্চল। জলরাশিতে ঘেরা সুন্দর সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্যে ভরতি দ্বীপ। মাছ শিকার করে মানুষ জীবিকা চালাতেন। পাশাপাশি শুককীট চাষের প্রচলন ছিল। যা থেকে তৈরি হত রেশমের পোষাক। সব বেশ সুন্দর ছিল। বাধ সাধল ইঁদুরের দল।

হঠাৎ করেই এখানে শুরু হয় ইঁদুরের উৎপাত। তারা শুককীটের ব্যাপক ক্ষতি করতে শুরু করে। রেশমের পোষাক উৎপাদন ব্যাহত হয়। এতেই থামেনি ইঁদুরের দল। মৎস্যজীবীদের মাছ ধরার জালও কেটে দিতে শুরু করে এই তারা।

cat island of japan

মূষিক তাড়াতে স্থানীয় বাসিন্দারা এক অভিনব পন্থা অবলম্বন করেন। তারা কিছু বেড়াল নিয়ে এসে ছেড়ে দেন দ্বীপে। দারুন ফল পেল তারা। ইঁদুরের উৎপাত কমে গেল। কিন্তু কিছুদিন পরে ‘গল্প’ অন্যদিকে ঘুরে গেল। বেড়ালের সংখ্যা হু হু করে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।

সুখ সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বেড়াল রেশমের ক্ষতি করেনি। মৎস্যজীবীরা যে মাছ কষ্ট করে ধরে আনত তা মনের আনন্দে সাবাড় করে দিতে শুরু করে বেড়ালের দল। তাদের খাটতেও হয় না। মাছ একদম মুখের সামনে। গপাগপ খেয়ে ফেলতে শুরু করে তারা।

tashirojima cat

<

p style=”text-align: justify;”>আর ঝামেলা না নিয়ে বাসিন্দারা অন্য জায়গায় চলে যেতে শুরু করেন। থেকে যায় বয়স্ক মানুষরা। তাদের নিঃসঙ্গ জীবনের সঙ্গ হয়ে ওঠে বেড়ালের দল। তারাই এখন সেখানকার বাসিন্দা। প্রসঙ্গত, জাপানিদের কাছে বেড়াল সৌভাগ্যের প্রতীক। ২০১১ সালের সুনামি হয়। সৌভাগ্যের প্রতীক বেড়াল দ্বীপে কিচ্ছুটি হয়নি। এই দ্বীপে বেড়াল রক্ষা করতে কুকুরের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা করেছে জাপান সরকার।

Japan: কিমের মিসাইল উড়ে আসছে দেখে কুঁকড়ে গেল জাপান

ballistic missile kim

নিউজ ডেস্ক: কিম ছুঁড়েছে মিসাইল। মনের আনন্দে তার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চলছে। উত্তর কোরিয়ার সর্ববময় শাসকের নির্দেশে সেই ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে এসে পড়ছে জাপানের সমুদ্র সীমান্তে। জাপানি জনগণ আতঙ্কিত।কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে উঠেছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, কোরীয় উপদ্বীপের চলতে থাকা উত্তেজনা কমাতে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিওলে বৈঠক হবে। এতে অংশ নিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা প্রধানরা। বৈঠকের আগেই উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে আসতে শুরু করেছে।

আলজাজিরা জানাচ্ছে পরপর ক্ষেপণাস্ত্র চালাতে শুরু করেছে উত্তর কোরিয়া। জাপান টাইমসের খবর,  ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার উৎসবে মেতেছে উত্তর কোরিয়া। গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন কিম জং উন।

বিবিসি জানাচ্ছে, ক্রুজ মিসাইল থেকে শুরু করে হাইপারসনিক মিসাইল, বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের পর এবার ফের সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল উত্তর কোরিয়া।

উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ  এই ছবি প্রকাশ করেছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত প্রধান সাবমেরিন ঘাঁটি থেকে ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৬০ কিলোমিটার উচ্চতায় উঠে, সাড়ে ৪০০ কিলোমিটার দূরে জাপান সাগরে গিয়ে পড়ে।

কিম জং উন সম্প্রতি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় বিশেষ মনোযোগী। তাঁর এই ভূমিকায় চিন্তিত বন্ধু দেশ চিন।পর পর ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় আঞ্চলিক নিরাপত্তায় পিয়ংইয়ংকে সংযত হতে আহ্বান জানিয়েছে বেজিং। চিন সরকার জানায়, উত্তর কোরিয়ার ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি জটিল আকার ধারন করছে।

অন্যদিকে জাপানে তীব্র শোরগোল। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাপান সরকার তাদের নৌবাহিনীকে সতর্ক থাকতে বলেছে। জাপানের সমুদ্র সীমায় উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র এসে পড়ায় টোকিও প্রবল প্রতিবাদ জানায়।

Princess Mako: জাপানের রাজকন্যার বিয়ে

অনলাইন ডেস্ক: জাপানের রাজকন্যের বিয়ে হবে। রাজমহলে সাজো সাজো রব। রাজকুমারী ম্যাকো রাজমহলের আদরে বৈভবে বড় হয়েছেন। এবার যাবেন সাধারণ পরিবারের বৌমা হয়ে। ভালোবাসার কাছে ঐশ্বর্য তুচ্ছ। রাজকন্যা ম্যাকো বন্ধু কেমুরোকে বিয়ে করছেন। শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছে রাজ ঘটক।

আগামী ২৬ অক্টোবর বিয়ের দিন পাকা হয়েছে। বিয়ের পর প্রাসাদ ছাড়বেন প্রিন্সেস ম্যাকো। জাপান থেকে চলে যাবেন মার্কিন মুলুকে। জাপানের রাজকন্যার বিয়ে নিয়ে দীর্ঘ সময় টালবাহানা চলছিল। এবার বিয়ে। রাজকন্যার বিয়ে।

করোনালিম্পিক! জাপান উপকূলে ভাইরাস সুনামি

Tokyo cancels public viewing sites for summer Olympics

নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়েছে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ রঙ্গমঞ্চ-অলিম্পিক। একইসঙ্গে জাপান উপকূলে ধেয়ে এসেছে ভাইরাস সুনামি। রাজধানী টোকিও অর্থাৎ অলিম্পিক নগরীতে “গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ” যেমন চলছে, তেমনি চলছে জরুরি অবস্থা। করোনা ও অলিম্পিকের মাঝে পড়েছেন টোকিওবাসী।

চলতি বিশ্ব শ্রেষ্ঠ ক্রীড়ানুষ্ঠানের মাঝেই জাপানে করোনার আরও একটি ঢেউ আসার সম্ভাবনা প্রবল। চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা। প্রশ্ন উঠছে চিকিৎসক মহলে, কেন এই ঝুঁকি নিতে গেল সরকার।

পরিস্থিতি এমনই যে অলিম্পিক নগরী টোকিওর রাস্তায় রাস্তায় বিক্ষোভ চলছেই। এতে অংশ নিয়েছেন চিকিৎসার সঙ্গে যুক্তরা। আছেন চিকিৎসক, নার্স, চিকিৎসা কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, যেভাবে গত কয়েকদিনে করোনা ছড়িয়েছে তাতে অলিম্পিকের মাঝেই বড়সড় ভাইরাস সংক্রমণ হবে।

জাপানের বহুল প্রচারিত সংবাদপত্র জাপান টাইমসের রিপোর্ট, শুক্রবার সকালে টোকিও শহরে করোনা সংক্রমণের তালিকায় ১৩৫৯ জন এসেছেন। জাপানের সামগ্রিক করোনা পরিস্থিতি বলছে ১৫ হাজারের বেশি মৃত। ৮৬ হাজারের অধিক আক্রান্ত।

তবে অলিম্পিক আসরে আসা বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের কড়া স্বাস্থ্যবিধির মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে। তার পরেও সংক্রমণের চেহারা দেখে চিন্তার সুনামি ধেয়ে আসছে জাপান উপকূলে।

জন জীবনে করোনার ভয় প্রবল। সেটাই পুঞ্জিভূত ক্ষোভের আকার নিয়ে বড়সড় বিক্ষোভে ফেটে পড়ার দিকেই এগোচ্ছে। শুক্রবার অলিম্পিক শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে টোকিও শহরের করোনা চিত্র রীতিমতো আশঙ্কাজনক বলেই জানাচ্ছে জাপান টাইমস।

অভিযোগ উঠেছে, খোদ অলিম্পিক ভিলেজেই করোনা সংক্রমিত বহু। তাদের মধ্য দিয়ে সংক্রমণ আরও ছড়ানোর আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।জাপানবাসীর বেশিরভাগ আগে থেকেই অলিম্পিক বন্ধের জন্য সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন। পরে অলিম্পিক কমিটির চাপের মু়খে সরকার রাজি হয় প্রতিযোগিতা চালিয়ে যেতে।

করোনার লাল চোখ সর্বত্র। তবে করোনাকে চ্যালেঞ্জ করেই বিশ্বজোড়া আশার বার্তা দিতে মরিয়া অলিম্পিক কমিটি। পরিস্থিতি কতটা খারাপ হতে পারে সেই আশঙ্কায় টোকিও শহরের চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে জড়িতদের বিক্ষোভ থেকেই আন্দাজ করা যাচ্ছে।

করোনা ভাইরাসের পরিসংখ্যান দেওয়া ওয়ার্ল্ডোমিটার জানাচ্ছে, জাপানে শুক্রবার পর্যন্ত সংক্রমিত রোগী ৮ লক্ষ ৫২ হাজারের বেশি। মৃত ১৫ হাজার পার করেছে। তবে গত এক সপ্তাহে করোনার সংক্রমণ বেড়েছে জাপানে। অলিম্পিক নগরী টোকিওতে সংক্রমণের রেখচিত্র উর্ধমুখী। অলিম্পিক ভিলেজে করোনা হানা ও সংক্রমণ ছড়ানোর ঘটনায় জাপানবাসী আরও আতঙ্কিত। অতি সংক্রামক এই ভাইরাস অলিম্পিকের মাঝেই তার রূদ্ররূপ নেবে এমনই আশঙ্কা।