कपिल देव का रिकॉर्ड तोड़ने से मात्र छह विकेट दूर जसप्रीत बुमराह

Jasprit Bumrah Dominates ICC Test Rankings as Jaiswal Moves Up to Second Spot in Batting Charts

बॉक्सिंग डे टेस्ट में भारतीय टीम के प्रमुख तेज गेंदबाज जसप्रीत बुमराह (Jasprit Bumrah) इतिहास रचने के करीब हैं। मेलबर्न क्रिकेट ग्राउंड (MCG) पर गुरुवार, 26 दिसंबर से शुरू होने वाले टेस्ट मैच में बुमराह कपिल देव का रिकॉर्ड तोड़ने की दहलीज पर खड़े हैं।

चल रही टेस्ट सीरीज में बुमराह भारतीय गेंदबाजी के प्रमुख सितारे रहे हैं। उन्होंने अब तक तीन मैचों में 21 विकेट लेकर सबसे अधिक विकेट लेने वाले गेंदबाज का स्थान हासिल किया है। पहले तीन टेस्ट में दो बार 5 विकेट लेकर उन्होंने अपनी काबिलियत साबित की है। अब बुमराह का लक्ष्य 6 विकेट लेकर टेस्ट क्रिकेट में 200 विकेट पूरे करना है। यदि वह ऐसा करते हैं, तो वह कपिल देव को पीछे छोड़ते हुए यह उपलब्धि हासिल करने वाले सबसे तेज भारतीय तेज गेंदबाज बन जाएंगे।

कपिल देव ने 200 टेस्ट विकेट 50 मैचों में पूरे किए थे। बुमराह यदि 6 विकेट लेते हैं, तो वह मात्र 44 टेस्ट मैचों में इस रिकॉर्ड को तोड़ देंगे। फिलहाल उनके नाम 194 विकेट हैं, उनका औसत 19.52 है और उन्होंने 12 बार 5 विकेट लिए हैं।

ऑस्ट्रेलिया में बुमराह का जलवा
ऑस्ट्रेलिया के खिलाफ चल रही टेस्ट सीरीज में बुमराह का प्रदर्शन शानदार रहा है। पहले टेस्ट में, जो पर्थ में खेला गया था, बुमराह ने रोहित शर्मा की गैरमौजूदगी में भारत को 295 रनों की बड़ी जीत दिलाने में महत्वपूर्ण भूमिका निभाई। उन्होंने उस मैच में 8 विकेट लिए।

दूसरे टेस्ट में, जो एडिलेड में खेला गया, बुमराह ने मेजबानों की पहली पारी में 4 विकेट लेकर अपनी धार दिखाई। हालांकि, भारत वह मैच 10 विकेट से हार गया, लेकिन बुमराह अकेले संघर्ष करते नजर आए।

तीसरे टेस्ट में, जो गाबा में बारिश से प्रभावित रहा, बुमराह ने कुल 9 विकेट लिए और सीरीज में सबसे ज्यादा विकेट लेने वाले गेंदबाज बन गए।

विश्व टेस्ट चैंपियनशिप फाइनल की दौड़ में भारत
बॉक्सिंग डे टेस्ट बुमराह और टीम इंडिया दोनों के लिए बेहद अहम है। सीरीज फिलहाल बराबरी पर है, और यह मैच भारत के लिए विश्व टेस्ट चैंपियनशिप (WTC) 2023-25 फाइनल में पहुंचने की राह तय कर सकता है। यदि भारत यह मैच हारता है, तो फाइनल में जगह बनाने की उसकी उम्मीदें लगभग खत्म हो जाएंगी।

Indian cricketers: কোটি টাকা আয় করা ৭ ভারতীয় ক্রিকেটার করেন সরকারি চাকরি

Indian cricketers are earning in crores but still do government jobs

স্পোর্টস ডেস্ক: ভারতের কিংবদন্তি খেলোয়াড় (Indian cricketers) সচিন তেন্ডুলকার এবং প্রাক্তন অধিনায়ক এমএস ধোনি তাদের খেলার জন্যে বিশ্বে যতটা বিখ্যাত,ততটাই তাদের অর্থ উপার্জনের কারণেও লাইমলাইটে রয়েছেন।

এই দুই ক্রিকেটারের আয় কোটি টাকা। কিন্তু খুব কম লোকই জানেন যে, কোটি টাকা আয় করা এই ক্রিকেটারেরা সরকারি চাকরিও (government jobs) করেন। শুধু তাইই নয়, আরও কিছু খেলোয়াড় আছে, যারা তাদের খেলার পাশাপাশি এই সরকারি কর্মী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এই প্রতিবেদনে আমরা আপনাদের ওই সমস্ত খেলোয়াড়দের নিয়ে অজানা কিছু তথ্য তুলে ধরছি৷

Yuzvendra Chahal
Yuzvendra Chahal

খুব অল্প সময়েই যুজবেন্দ্র চাহাল (Yuzvendra Chahal) বিশ্ব ক্রিকেটে নিজের একটা বড় নাম করে নিয়েছেন। নিজের স্পিনের জাদুতে চাহাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন। তবে খুব কম লোকই জানেন যে, এই পরিচয় ছাড়াও চাহাল আয়কর বিভাগে ইন্সপেক্টর পদে রয়েছেন।

Umesh Yadav
Umesh Yadav

উমেশ যাদব (Umesh Yadav) আন্তজার্তিক ক্রিকেটে অনেকবার টিম ইন্ডিয়াকে জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। যদিও ছোটবেলা থেকেই উমেশের ইচ্ছে ছিল পুলিশ অথবা আর্মিতে চাকরি করার৷ কিন্তু তা হতে পারেনি। যদিও তাকে ২০১৭ সালে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কে সহকারী ম্যানেজার পদ চাকরি দেওয়া হয়েছিল।

Kapil dev
Kapil Dev

ভারতের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক কপিল দেব (Kapil dev)। এই অলরাউন্ডারের এতবড় অবদানের কারণে তাঁকে ২০০৮ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে লেফটেন্যান্ট কর্নেলের পদ দেওয়া হয়েছিল। এছাড়াও কপিল দেবকে ২০১৮ সালে হরিয়ানা স্পোর্টস ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর হিসাবেও নিযুক্ত করা হয়েছিল।

Joginder Sharma
Joginder Sharma

২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টিম ইন্ডিয়া চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল৷ ওই চ্যাম্পিয়নশিপে যোগিন্দর শর্মা (Joginder Sharma) শেষ ওভার করেছিলেন এবং দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন। তবে তিনি বেশি দিন ভারতীয় দলের অংশ হয়ে থাকতে পারেননি এবং বাদ পড়েছিলেন স্কোয়াড থেকে। কিন্তু এখন যোগিন্দর হরিয়ানা পুলিশের ডিএসপি পদে কর্মরত।

Harbhajan Singh
Harbhajan Singh

টিম ইন্ডিয়ার অন্যতম সফল স্পিন বোলারদের তালিকায় হরভজন সিং (Harbhajan Singh) এর নাম আসবে। ভাজ্জি টেস্টে ৭০০ টিরও বেশি উইকেট নিয়েছেন এবং এই অবদানের জন্য তাঁকে পাঞ্জাব পুলিশে ডিএসপি করা হয়েছে।

Harbhajan Singh
Harbhajan Singh

বিশ্বের সফলতম ক্রিকেটারদের মধ্যে প্রথমেই উঠে আসে সচিন তেন্ডুলকারের (Sachin Tendulkar) নাম। সচিনকে তার সাফল্যের জন্য ভারতীয় বায়ুসেনা সম্মানিত করে এবং ২০১০ সালে সচিনকে ভারতীয় বিমান বাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন করা হয়েছিল।

Lt. Col. MS Dhoni
Lt. Col. MS Dhoni

টিম ইন্ডিয়ার সবচেয়ে সফল অধিনায়ক এমএস ধোনি (Lt. Col. MS Dhoni) ছোটবেলা থেকেই সেনাবাহিনীতে যেতে চেয়েছিলেন৷ ভারতীয় ক্রিকেট দলকে আন্তজার্তিক ক্রিকেটের শিখরে নিয়ে যাওয়ার পরে ধোনির স্বপ্ন পূরণ হয়েছিল। ২০১৫ সালে ধোনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসাবে নিযুক্ত হন। অবসর সময়ে প্রায়শই ভারতীয় সেনাবাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে সময় কাটাতে এবং কমব্যাট মুভমেন্টে দেখা যায় মাহিকে।

T20 World Cup: ভারতের অকাল বিদায়ে বিস্ফোরক কপিল দেব

Kapil-dev

Sports Desk: ভারতীয় (India) কিংবদন্তি ক্রিকেটার কপিল দেব বলেছেন যে দেশের ক্রিকেট খেলোয়াড়রা জাতীয় দায়িত্বের চেয়ে নগদ অর্থে ভরপুর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগকে অগ্রাধিকার দিয়েছিল।

প্রাক-টুর্নামেন্ট ফেভারিটদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পরে কপিল দেব বলেছেন, “খেলোয়াড়রা যখন দেশের হয়ে খেলার চেয়ে আইপিএল খেলতে পছন্দ করে, তখন আমরা কী বলতে পারি? আমি বিশ্বাস করি যে প্রত্যেক খেলোয়াড়ের তাদের দেশের হয়ে খেলায় গর্ববোধ করা উচিত।” কপিল দেব ভারতকে (India) ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জয়ে নেতৃত্ব দিয়ে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন।

১৯৮৩ ভারতের (India) বিশ্বকাপ জয়ী দলের অধিনায়ক অত্যন্ত জোরের সঙ্গে বলেন, “আমি বিশ্বাস করি যে আপনার জাতীয় দল প্রথমে আসা উচিত এবং তারপরে ফ্র্যাঞ্চাইজি বা অন্য কোনও দল।” নিউজিল্যান্ড (New Zealand) আফগানিস্তানকে(Afghanistan) হারিয়ে গ্রুপ ২ থেকে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার পরে ভারত (India) রবিবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে।

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বিরাট কোহলির দল ফেভারিট টিম হিসাবে টুর্নামেন্টে গিয়েছিল। আফগানিস্তান (Afghanistan) এবং স্কটল্যান্ডকে (Scotland) পরাজিত করেছিল কিন্তু অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল, কেননা আগেই চির প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান (Pakistan) এবং নিউজিল্যান্ডের (New Zealand) কাছে লজ্জার এবং হতাশাজনক পারফরম্যান্স টিম ইন্ডিয়ার (India) ‘অন্তর্জলি যাত্রার’ পথকে সুগম করে তুলেছিল।

১৫ অক্টোবর দুবাইতে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ শেষ হওয়ার মাত্র দুই দিন পরে ভারতীয় (India) খেলোয়াড়রা জাতীয় ক্রিকেট দলের প্ল্যাটফর্মে একত্রিত হয়। সঙ্গে খেলোয়াড়দের কোভিড -১৯ প্রটোকল মেনে নিভৃতবাসে থাকতে হয়েছিল।

৬২ বছর বয়সী কপিল দেব ভারতীয় (India) ক্রিকেট বোর্ডকে নিশানা করে বলেছেন, “আমি বলছি না সেখানে ক্রিকেট খেলবেন না (ফ্রাঞ্চাইজিগুলির জন্য) তবে ভবিষ্যতের জন্য তাদের ক্রিকেট (সূচি) আরও ভাল পরিকল্পনা করা এখন বিসিসিআইয়ের দায়িত্ব।”

কিংবদন্তি ভারতীয় (India) ক্রিকেটার কপিল দেব আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে বলেছেন, “এই পরাজয় থেকে আমরা যা শিখতে পারি তা হল যে ভুলগুলো হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি না করা। এটাই সবচেয়ে বড় শিক্ষা।”

প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই ‘বিরাট’ ভারতের (India) অকাল বিদায় নিয়েছে চলতি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে। এমন আবহে টিম ইন্ডিয়ার খোলনলচে পরিষ্কারের এটাই সেরা সময় তা দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটারেরা এক বাক্যে সহমত। এখন বিসিসিআই এবং ভারতের (India) নব নিযুক্ত হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় কত দ্রুত ক্ষত মেরামত করে, বেলাইন হওয়া টিম ইন্ডিয়াকে (India) ট্র‍্যাকে ফিরিয়ে আনতে পারে এমনই কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে।

কপিল দেবের ম্যাচ পরবর্তী মন্তব্যের জন্য বিরাট কোহলির নিন্দায় মুখর

kapil-virat

স্পোর্টস ডেস্ক: ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী প্রাক্তন অধিনায়ক কপিল দেব স্বীকার করেছেন যে তিনি রবিবার চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ নক আউটে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের পরে অধিনায়ক বিরাট কোহলির “আমরা যথেষ্ট সাহসী নই” মন্তব্যে অবাক হয়েছেন।

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ড ভারতকে ৮ উইকেটে পরাজিত করেছে, এটি ‘মেন ইন ব্লু’র দ্বিতীয় হার। ম্যাচের পরে অধিনায়ক বিরাট কোহলি ব্ল্যাকক্যাপসের কাছে পরাজয়ের বিষয়ে বলেছেন, “বেশ উদ্ভট। সামনে খুব সৎ এবং আগামীতে নৃশংস হতে হবে, আমি মনে করি না যে আমরা ব্যাটিং বা বোলিং’এ যথেষ্ট সাহসী ছিলাম।”

একটি বেসরকারি নিউজ চ্যানেলে কপিল দেব কোহলির মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, “অবশ্যই, বিরাট কোহলির মতো উচ্চতার একজন খেলোয়াড়ের কাছ থেকে এটি একটি খুব দুর্বল বক্তব্য। আমরা সবাই জানি যে তার দলের জন্য গেম জেতার খিদে এবং আকাঙ্ক্ষা দুই’ই রয়েছে। কিন্তু, যদি ক্যাপ্টেনের শারীরিক ভাষা এবং চিন্তা ভাবনা দলের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে ছাপ মেলে ধরতে না পারে, তাহলে ড্রেসিংরুমের ভিতরে খেলোয়াড়দের তাঁতিয়ে তোলা খুব কঠিন।”

কপিল দেব ১৯৮৩ বিশ্বকাপে ভারতকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, টিমকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। টিম ইন্ডিয়ার হেড কোচ রবি শাস্ত্রী এবং মেন্টর এমএস ধোনির অভিজ্ঞতা ব্যবহার করার জন্য এবং দলকে অনুপ্রাণিত করার জন্য অনুরোধ করেছেন। তিনি আরও যোগ করেছেন যে দলের সমালোচনা ন্যায়সঙ্গত, এবং খেলোয়াড়দের এটি মোকাবিলা করা উচিত।

টিম ইন্ডিয়া এখন সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্য অন্য দলের পারফরম্যান্সের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। তাদের বাকি খেলা জিততে হবে এবং আশা করি বিশ্বকাপের অন্যান্য দলের ফলাফল তাদের (ভারতের অনুকূলে) পথে যাবে।
রবিবার ভারতের টপ অর্ডার সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়ে কারণ নিউজিল্যান্ডের পেসারদের কতকগুলি উচু মানের ডেলিভারির মুখে ভারতীয় দল ২০ ওভারে ১১০ রান তোলে ৭ উইকেটের বিনিময়ে। ভারতের বোলিংও কিউইদের সমমানের নিচে ছিল, কারণ শুধুমাত্র জসপ্রিত বুমরাহ ব্ল্যাকক্যাপসদের বিপক্ষে কয়েকটি উইকেট (২) নিতে পারে। এর আগে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ১০ উইকেটে হেরেছিল ভারত।