ড্রিম ডেস্টিনেশনের তালিকায় রাখুন এই পাঁচটি শহরকে

Put these five cities on the Dream Destination list

ছুটির দিনে বাড়িতে বসে থাকতে কে চায়! করোনা সঙ্গী হলেও মনের বাসনাকে তো আর দূরে সরিয়ে রাখা যায় না!সকলেরই ড্রিম ডেস্টিনেশন রয়েছে ভ্রমণের তালিকায় । আর সেই স্বপ্নপূরণের জন্য এই নতুন বছরের শুরুতেই বানিয়ে ফেলুন একটা লিস্ট ।
আজ রইল বিদেশের পাঁচটি ড্রিম ডেস্টিনেশনের তালিকা

১) কাঠমান্ডুর কাছে পোখারা শহর প্রতিটি ভ্রমণকারীর কাছে যেন পৃথিবীর বুকে একটুকরো স্বর্গ। সবুজ বন, মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং শান্ত হ্রদে ঘেরা নয়নাভিরাম পোখারা নেপালের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন স্থান। প্রতিবছর প্রকৃতির টানে আচ্ছন্ন হয়ে নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে হাজারও দেশী-বিদেশী পর্যটকদের ভিড় জমে এই শহরে।

২) ক্যাপাডোসিয়ায় হট এয়ার বেলুনিং। এই ক্যাপাডোসিয়া হল তুরস্কের প্রাণকেন্দ্র। এই রোমাঞ্চকর ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তুরস্কে গেলে নিশ্চয় ট্রাই করা চাই-ই চাই। খরচ পড়বে ১৩০-১৪০ইউরোর মধ্যে।

৩) ব্যাংককের ফ্লোটিং মার্কেটে প্যাডলিং করা। এই বাজারের সঙ্গে একাত্ম ব্যাংককের স্থানীয়রা। এমন ভাসমান বাজার ব্যাংককে বেশ কয়েকটি রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত ড্যামনোয়েন সাদুয়াক । শুধু খাওয়া দাওয়াই নয়, এখানে পাবেন ভেষজ সাবান, নানান হস্তশিল্প, থাই সাজসজ্জা সহ অরগ্যানিক জিনিসপত্র।

৪) ইরানের মসজিদ পরিদর্শন করা। শেখ লোতফোল্লা মসজিদ, নাসির ওল-মোলক মসজিদ, শাহ চেরাঘ, ব্লু মসজিদ এবং আগা বোজোর্গ মসজিদ এখানে অবশ্যই দেখার মতো মসজিদ। মসজিদে প্রবেশের জন্য আপনাকে ধর্মের উপর নয়, বরং মানুষের বিশ্বাস ও আত্মার উপর ভরসা রাখা প্রয়োজন।

৫) আন্টার্কটিকায় পেঙ্গুনের সঙ্গে সময় কাটানো। এমন অসাধারণ অ্যাডভেঞ্চারের কথা অনেকেই ভাবেন। অত্যাধিক ঠান্ডার মধ্যে দাঁড়িয়ে চারিদিকে কালো কোট পরা পেঙ্গুইনদের হেঁটে চলা, শিশুকে আদর করা, জলে সাঁতার দিয়ে মাছ ধরার মতো দৃশ্য নিজের চোখে দেখা, এ এক স্বপ্ন। মেরু অভিযানে যেতে গেলে অক্টোবর ও নভেম্বর মাসকে মাথায় রেখে ভ্রমণের প্ল্যান করতে পারেন।

কামান ফাটল, কৈলাস থেকে দুর্গা এলেন কাঠমাণ্ডুতে

নিউজ ডেস্ক: বড়া দাসিন শুরু নেপালে। দাসিন অর্থাত দুর্গাপূজা। দাসিনের সপ্তম দিনে হয় আনুষ্ঠানিক দুর্গা বরণ। অনুষ্ঠানের নাম ফুলপাতি। বিশ্বে একমাত্র গণতান্ত্রিক নেপালেই সামরিক মর্যাদায় বা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দুর্গা বরণ করা হয়। প্রাচীন বন্দুক থেকে বারুদ ঠিকরে এলো। পুরনো কামান থেকে গোলা দাগা হলো। পুরনো রীতি মেনে সামরিক মর্যাদায় নেপালি সেনা বরণ করল দেবী দুর্গা। কাঠমাণ্ডুর তুন্ডিখেল ময়দানে মূল কুচকাওয়াজ হয়। অনুষ্ঠানে সামরিক অভিবাদন গ্রহণ করেন নেপালে নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভান্ডারি। অত্যাধুনিক কপ্টার থেকে ফুল বর্ষণ করা হয়।

Durga Puja 2021: সামরিক মর্যাদায় নেপালে দেবী বরণ শুরু

অনলাইন ডেস্ক: সামরিক অভিবাদনে দেবী দুর্গা বরণ শুরু গণতান্ত্রিক নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে। অনুষ্ঠানের নাম ‘ফুলপাতি’। এই অনুষ্ঠানে নেপাল সরকার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দেবী বরণ করে। কাঠমাণ্ডুর তুন্ডিখেল ময়দানে হবে মূল অনুষ্ঠান। সামরিক অভিভাদন অনুষ্ঠানে থাকবেন রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভান্ডারি। ফুলপাতি অনুষ্ঠানে মেতেছেন নেপালিরা।

Nepal: রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দুর্গা বরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে নেপালি সেনা

নিউজ ডেস্ক, কাঠমাণ্ডু: সাত সকালেই কেঁপে কেঁপে উঠছে কাঠামান্ডুর সেনা নিবাস। ফাটছে কামান, পুরনো বন্দুকে টোটা ভরে গুলি চালিয়ে দেখা সবকিছু ঠিক তো! মঙ্গলবার নেপাল সরকার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরাচরিত রীতিতে দেবী দুর্গা বরণ করবে। সেই অনুষ্ঠান হবে কাঠমাণ্ডুর ঐতিহাসিক বিশাল তুন্ডিখেল ময়দানে।

নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভান্ডারি সামরিক অভিবাদন নিয়ে দেবী বরণের সবুজ সংকেত দেবেন। বিশ্বে একমাত্র নেপালেই হয় দেবী দুর্গার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বরণ।

Nepali soldiers fire cannons as part of preparation of dashin

অনুষ্ঠানটির নাম ‘ফুলপাতি’। সপ্তমীর সকালে দেবী দুর্গার ঘট নিয়ে নেপালি সেনা বিশেষ কুচকাওয়াজ করবে। পুরো অনুষ্ঠানটি হবে তুন্ডিখেল ময়দানে। অনুষ্ঠানে থাকবেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী ও রাজ পরিবারের সদস্যরা।

Nepali soldiers fire cannons as part of preparation of dashin

দুর্গাপূজা নেপালে ‘দাসিন’ নামে সুপরিচিত। এই দাসিন উৎসবের অন্যতম হল ফুলপাতি অনুষ্ঠান। কাঠমাণ্ডু প্রদক্ষিণ করা ঘট তুন্ডিখেল ময়দানে আসতেই নেপালি আর্মি সামরিক রীতিতে সেটিকে অভিবাদন জানাতে প্রস্তুতি নিয়েছে।

Nepali soldiers fire cannons as part of preparation of dashin

নেপালের জনসংখ্যার বৃহত্তম অংশ হিন্দু। দ্বিতীয় স্থানে আছে বৌদ্ধরার। কিছু অংশে রয়েছেন মুসলিমরা। সব উৎসবেই নেপালিরা অংশ নেন। আন্তর্জাতিক পর্যটনের অতি গুরুত্বপূর্ণ দেশটির দুর্গাপূজা হয় বিশেষ রীতিতে। সেটি দেখতে বহু পর্যটক আসেন নেপালে। চলতি বছর করোনার দাপট কমে এলেও এখনও পুরো নিশ্চিন্ত হয়নি নেপাল সরকার। ফলে দাসিন উৎসব উপলক্ষে রয়েছে বিধি নিষেধ।