Bangladesh: খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি, আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ বহু

khaleda zia

News Desk: ফের উত্তপ্ত পরিস্থিতি। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার দাবিতে আন্দোলন রক্তাক্ত। বিএনপি সমর্থকরা গুলিবিদ্ধ।

ঘটনাস্থল সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ। বিএনপি-নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে হবিগঞ্জ শহরে প্রবল উত্তেজনা। 

হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজা আক্তার শিমুল জানান, বুধবার দুপুরে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ অন্তত ৫০ রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করেছে। সংঘর্ষে পুলিশসহ কমপক্ষে শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ২০ জন গুলিবিদ্ধ।

পুলিশের দাবি, বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়।  বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, সমাবেশে আসতে নেতাকর্মীদের বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার সমাবেশের আয়োজন করে জেলা বিএনপি।

ঢাকায় চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া। তাঁর অবস্থা ভালো নয় বলে দাবি বিএনপি ও জিয়া পরিবারের। আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জেল খাটা বেগম জিয়ার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আছে।

Bangladesh: ফের রক্তক্ষরণ খালেদা জিয়ার, আন্তর্জাতিক মহলের চাপে হাসিনা

Bangladesh Khaleda Zia

News Desk: চিকিৎসকরা আরও একবার জানিয়েছেন, ফের রক্তক্ষরণ হয়েছে বর্ষীয়ান প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার। আর বিএনপি দলের দাবি, মরনাপন্ন দলনেত্রী। সরকার দ্রুত তাঁকে বিদেশে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার অনুমতি দিক। বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকার রাজি নয়। আ সরকারের তরফে বলা হয়েছে আইনি প্রক্রিয়ায় আর্থিক দুর্নীতির মমলায় জেল থেকে ছাড়া পেলেও খালেদা জিয়ার দেশত্যাগে আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি আছে।

খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে সরকার ও বিএনপির মধ্যে টানাপোড়েনের মাঝে আন্তর্জাতিক চাপ আসতে শুরু করল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে দ্রুত মুক্তি দিয়ে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দিন। এই মর্মে আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়েছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ড. আইভান স্টেফানেক। বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস থেকে স্থানীয় সময় বুধবার এই চিঠি পাঠান তিনি। চিঠিতে ড. আইভান স্টেফানেক বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়টিকে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বিএনপির দাবি, তাদের দলনেত্রীকে মুক্তি দিতে বারবার আবেদন জানানো হয়েছে। এমনকি খালেদা জিয়ার পরিবারের তরফেও আবেদন করা হয়েছে। সরকারে থাকা দল আওয়ামী লীগের দাবি, খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি করছে বিএনপি।

বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা জিয়া এতিমখানা ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের আর্থিক দুর্নীতির মামলায় দোষী সাব্যস্ত খালেদা জিয়ার মোট ১৭ বছরের জেলের সাজা হয়। তিনি জেলে ছিলেন । তবে করোনা সংক্রমণ ও বয়স জনিত অসুস্থতার কারণে জেল থেকে বাড়িতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়।

ঢাকার বাড়িতে থাকা অবস্থায় করোনা আক্রান্ত হন খালেদা জিয়া। এরপর বেশ কয়েকবার তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। গত ১৩ নভেম্বর খালেদা জিয়া ফের অসুস্থ হন। তাঁকে ঢাকার বেসরকারি এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন তিনি। 

গত বুধবার রাত থেকে খালেদা জিয়ার অন্ত্রে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসকরা ইনজেকশন দিয়ে তা বন্ধ করতে সক্ষম হন। বৃহস্পতিবার সকালে আবারও রক্তক্ষরণ হলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন খালেদা জিয়া। তবে ওইদিন দুপুরের আগে তার সেই অবস্থার কিছুটা উন্নতি ঘটে বলে মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক জানান।

Bangladesh: সংকটে খালেদা, সরকার পতনের আন্দোলন হুমকি বিএনপির

bangladesh-bnp-mass-protest-khaleda-zia

News Desk: বাংলাদেশে (Bangladesh) বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বিদেশে না পাঠালে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় বন্দি ছিলেন জেলে। কোভিড পরিস্থিতি ও অসুস্থতার কারণে তিনি জেল থেকে ছাড়া পান। তবে দেশের বাইরে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। খালেদা জিয়া অসুস্থ। তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিদেশে করানোর দাবিতে সরব বিএনপি। শনিবার সকালে দলটির এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, ‘খুব পরিষ্কার করে সরকারের কাছে বলতে চাই আর বিলম্ব করবেন না। অবিলম্বে দেশনেত্রীকে মুক্তি দিন এবং তাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় এ দেশের জনগণ আপনাদেরকে ক্ষমা করবে না। আপনাদেরকে হটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে এবং এই আন্দোলনই হবে এই সরকার পতনের শুরু।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের ছাত্ররা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে, অনেকে গুম হয়ে গেছে, অনেকে খুন হয়েছে, কারাগারে এখনও আমাদের ছাত্রনেতারা নির্যাতন ভোগ করছে। এ দেশকে মুক্ত করতে হলে, অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হলে আজকে যুবকদের জেগে উঠতে হবে, তরুণদের জেগে উঠতে হবে, ছাত্রদলকে জেগে উঠতে হবে। বাংলাদেশে সব বিজয় অর্জন হয়েছে ছাত্রদের নেতৃত্বে।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের উদ্যোগে বিএনপি নেত্রীর বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে সুচিকিৎসার জন্য পাঠানোর দাবিতে এই সমাবেশ হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের কয়েক হাজার নেতাকর্মী খালেদা জিয়ার প্রতিকৃতি হাতে নিয়ে এই সমাবেশে অংশ নেন।  সমাবেশে ব্যাপক নেতাকর্মীর উপস্থিতির কারণে এই সড়কে একটা পর্যায়ে যানবাহন চালাচলও বন্ধ হয়ে যায়।

Khaleda Zia: রক্তক্ষরণ হচ্ছে খালেদা জিয়ার, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী সংকটজনক

khaleda zia

News Desk: বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া (Khaleda Zia) লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে তাঁর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

খালেদা জিয়ার শরীরে তিন দফায় রক্তক্ষরণ হয়েছে। আবার রক্তক্ষরণ হলে তার মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক বেড়ে যাবে বলে খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়াকে জেল থেকে অসুস্থতার কারণে ছাড়া হয়। তিনি ঢাকার বাসভবনেই ছিলেন। সম্প্রতি অসুস্থ হন ফের।

বিবিসি জানাচ্ছে, ঢাকায় রবিবার সন্ধ্যায় একটি সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের সর্বশেষ তথ্য তুলে ধরেন তাঁর চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা। তবে যে বেসরকারি হাসপাতালে খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন রয়েছেন সেই হাসপাতালের কোনও চিকিৎসক সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন না।

চিকিৎসকরা বলছেন, তাদের সাধ্য অনুযায়ী যতটুকু করার ছিল তারা তারা করেছেন। পরবর্তী চিকিৎসা, ব্রিটেন, জার্মানি অথবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হোক বলেই জানানো হয়। আবার রক্তক্ষরণ হলে তাঁর মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক বেড়ে যাবে বলে খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

বাংলাদেশের অন্যতম বিরোধী দল বিএনপির সুপ্রিম নেত্রী খালেদা জিয়া। তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বিরুদ্ধে গণতন্ত্র লুণ্ঠন, ভোট বানচাল, আর্থিক দুর্নীতির মামলা রয়েছে। খালেদা পুত্র তারেক রহমানের বিরুদ্ধে নাশকতার ষড়যন্ত্র করার মামলায় যাবজ্জীবন জেলের সাজা দিয়েছে আদালত। তবে তারেক বাংলাদেশ সরকারের চোখে পলাতক। লন্ডনে বসবাসকারী তারেক রহমান বিএনপির ভবিষ্যত সুপ্রিমো।

বিএনপির অভিযোগ, তাদের নেত্রী সরকারে থাকা আওয়ামী লীগের গলার কাঁটা। খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য অনুমতি না দিয়ে শেখ হাসিনার সরকার অমানবিক আচরণ করছে। সরকার চায়না খালেদা জিয়া বেঁচে থাকুক।

সরকারপক্ষের দাবি, দুর্নীতির মামলায় জেলে ছিলেন খালেদা জিয়া। করোনা সংক্রমণ ও বয়স জনিত কারণে তাঁকে জেল থেকে মুক্তি দিয়েছে আদালত। তবে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আছে। সরকার আইন ভাঙতে পারেনা।

Bangladesh: ‘মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন খালেদা জিয়া, বিএনপির দাবি, গুজব ছড়াচ্ছে দ্রুত

khaleda zia

News Desk: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে সোশ্যাল সাইটে অত্যুৎসাহী বিএনপি সমর্থকরা লাইভ শুরু করেছেন ঢাকার বসুন্ধরা এভার কেয়ার হাসপাতালের সামনে থেকে। ক্রমে ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। বর্ষীয়ান খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে গিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য দাবি জেরালো হচ্ছে। গুজব ও বিএনপির উগ্র বিক্ষোভ আঁচ করেই বাংলাদেশ (Bangladesh) জুড়ে পুলিশ, গোয়েন্দা বিভাগ, ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ বিভাগের সব ছুটি বাতিল।

কেমন আছেন বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি দলের প্রধান নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ? তাঁর দল বিএনপির দাবি নেত্রী সংকটজনক। তাঁকে উন্নত চিকিৎসা না দিয়ে সরিয়ে দিতে চাইছে আওয়ামী লীগের সরকার। বিএনপির এক মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর দাবি, বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

খালেদা জিয়াকে দ্রুত মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে ঢাকা জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায়চৌধুরী সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসকরা নাম প্রকাশ না করার অনুরোধে জানান, উনি অসুস্থ তবে পরিস্থিতি গত দু দিনের তুলনায় খানিকটা স্থিতিশীল। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর আরও ভালো চিকিৎসার দরকার।

খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতার ভুয়ো খবর রটিয়ে যে কোনও সময় বাংলাদেশ জুড়ে হিংসাত্মক আন্দোলন চালাতে পারে অন্যতম বিরোধী দল বিএনপি। এমনই আশঙ্কা করছে শাসক দল আওয়ামী লীগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ সরকার পুলিশ বিভাগের সব ছুটি বাতিল করেছে। বুধবার সকাল থেকে ঢাকা সহ মোট ৮টি বিভাগের সর্বত্র ব্যাপক পুলিশ ও গোয়েন্দা মোতায়েন করা হয়েছে।

BD-Police

খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা করানোর জন্য অনুমতি আদায়ের দাহিবে বিএনপি আগেই বিক্ষোভ করেছে। নাটোরের পরিস্থিতি ছিল অগ্নিগর্ভ। বিশৃংখলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ গুলি চালায়। রাবার বুলেটে অনেকে জখম হন। জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের তকমা না থাকলেও বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি চিহ্নিত। আর সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি রংপুর সহ কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ। বি়এনপির অভিযোগ, খালেদা জিয়াকে নিষ্ক্রিয় করে রাখলে আওয়ামী লীগ নিরাপদ থাকবে। সেই কারণে তাঁর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে না।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, যতটুকু সরকারের এক্তিয়ারভুক্ত ততটাই করা হচ্ছে। দুর্নীতির মামলায় উনি জেলে ছিলেন, তাঁকে মানবিকতার কারণে জেল থেকে রেহাই দিয়েছে আদালত। তবে বিদেশে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা আছে। সরকার আইন মেনে চলছে। অভিযোগ, ক্ষমতায় থাকাকালীন তিনি তো বিরোধী নেতাদের হাসপাতালের ব্যবস্থাতেও হস্তক্ষেপ করতেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ এই দুটি সংস্থার আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জেলে ছিলেন খালেদা জিয়া। কোভিড পরিস্থিতি ও তাঁর অসুস্থতার কারণে জেল থেকে বাড়িতে পাঠানো হয় বেগম জিয়াকে। তিনি কোভিড আক্রান্ত হন। এর পর থেকে বারবার অসুস্থ হয়ে পড়ছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। গত কয়েকদিন ধরে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

Bangladesh: আচমকা বাংলাদেশ জুড়ে গোয়েন্দা ও পুলিশি তৎপরতা তুঙ্গে, কেন?

BD-Police

News Desk: রাস্তার মোড়ে মোড়ে সশস্ত্র পুলিশ তৈরি। তৎপরতা গোয়েন্দা পুলিশ, ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন ব্যাটেলি(ব়্যাব) সহ প্রশাসনিক সব মহলেই। বাংলাদেশে দিন শুরু হয়েছে আশঙ্কা নিয়ে। কেন এমন পরিস্থিতি ? জনজীবনে প্রশ্ন ও আশঙ্কা।

বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অসুস্থ। তাঁর অসুস্থতা নিয়ে গুজব ছড়িয়ে জনজীবনে অশান্তি ছড়াতে মরিয়া বিএনপি দল। পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে না যায় তার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

রাজধানী ঢাকা তো বটেই, সবকটি বিভাগ চট্টগ্রাম, রংপুর, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহের সর্বত্র পুলিশকে অতি মাত্রায় সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সব জেলা, উপজেলা ও জনবহুল এলাকায় গোয়েন্দা কর্মীরা সক্রিয়। পুলিশ বিভাগের সব ছুটি বাতিল।

দেশের অন্যতম বিরোধী দল বিএনপি। দলটির নেত্রী
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগে বিএনপি নেতৃত্ব ও জিয়া পরিবার। তাঁর অবস্থা খুবই খারাপ বলে দাবি করেছেন বিএনপি শীর্ষ নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির। আর জিয়া পরিবারের তরফে সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে। আওয়ানী লীগ সরকার রাজি নয়।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ এই
দুটি সংস্থার আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জেলে ছিলেন খালেদা জিয়া। কোভিড পরিস্থিতি ও তাঁর অসুস্থতার কারণে জেল থেকে বাড়িতে পাঠানো হয় বেগম জিয়াকে। তিনি কোভিড আক্রান্ত হন। এর পর থেকে বারবার অসুস্থ হয়ে পড়ছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। গত কয়েকদিন ধরে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যেতে মরিয়া তাঁর পরিবার। বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশে তাঁর দেশত্যাগ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আইন মেনেই দেশে চিকিতসার সুযোগ পাবেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

দলনেত্রীর উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে নিতে বিএনপি দেশজুড়ে অবস্থান বিক্ষোভ করে। নাটোরের পরিস্থিতি ছিল উদ্বেগজনক। উত্তেজিত মিছিলকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। গুলি চলে। রাবার বুলেটে জখম হন অনেকে। বিএনপি নেতৃত্ব তাদের নেত্রীর জন্য গণঅবস্থানের ডাক দিয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের কর্মকর্তারা বলেছেন, খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে স্বার্থান্বেষী বিভিন্ন গোষ্ঠী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব বা অসত্য তথ্য ছড়াতে পারে এমন আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর জন্য পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। 

Bangladesh: খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে বিক্ষোভে পুলিশের গুলি, জখম সাংবাদিকরাও

nator

News Desk: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য দেশত্যাগে অনুমতি দেওয়া হোক। এই দাবিতে সোমবার বাংলাদেশের সর্বত্র বিক্ষোভ সমাবেশ করে অন্যতম বিরোধী দল বিএনপি। কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয় নাটোরে।

নাটোরে বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই সময় পুলিশ, সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন জখম হয়েছেন।

khaleda zia

বিএনপি নেত্রীর খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নাটোর শহরের আলাইপুর দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ অংশ নেন দলটির নেতাকর্মীরা। ভিড়ের চাপে সড়কের একপাশ বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ আসলে শুরু হয় বিশৃঙ্খলা। একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিপেটা শুরু ককে। বিএনপির নেতাকর্মীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট নিক্ষেপ শুরু করে। সংঘর্ষে থানার ওসি সহ কয়েকজন সাংবাদিক জখম হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েক রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ ও ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে পুলিশ।

অন্যদিকে ঢাকার প্রেসক্লাবের সামনেও বিএনপি সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ হয়। অভিযোগ মিছিল থেকে হামলা করা হয়।

বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া অসুস্থ। তাঁর পরিবার ও দলের তরফে বিদেশে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার আবেদন খারিজ করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। দুর্নীতির মামলায় জেলে ছিলেন খালেদা জিয়া। অসুস্থতার কারণে তিনি জেলে থেকে ছাড়া পান। তবে তাঁর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।

 

Bangldesh: খালেদার বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে অনশনে সমর্থকরা

elease khaleda zia movement by Bnp supporters creating politics controversy

News Desk: পরিবার ও বিএনপি দলের দাবি, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থ। তাঁকে বিদেশে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। সরকার অনুমতি দিক। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সরকার অনড়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, যা সুবিধা খালেদা জিয়া পাচ্ছেন সেটাই পাবেন।

সরকার ও অন্যতম বিরোধী দলের টানাপোড়েন চলছেই। এই অবস্থায় । খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দেওয়ার দাবিতে গণঅনশন কর্মসূচি শুরু করল বিএনপি।

khaleda zia

শনিবার সকাল থেকেই শুরু হয় কর্মসূচি। ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের নিচে চলছে অনশন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটিসহ শীর্ষপর্যায়ের সব নেতারা অংশ নিয়েছেন।আছেন সমর্থকরা।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নেতাকর্মীদের ভিড় বাড়তে থাকে। আশেপাশের সড়কগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে যানজট। ঢাকার পাশাপাশি বাংলাদেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহর ও জেলাগুলোতেও অনশন কমর্সূচি পালন করছে বিএনপি।

বিএনপির মহাসচিব জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। তাঁকে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দিক সরকার। বিএনপির নেতাদের অভিযোগ, খালেদা জিয়াকে শর্তসাপেক্ষে জেল থেকে মুক্তি দিলেও তিনি ‘গৃহবন্দি’।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে খালেদা জিয়া ২০০৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান। করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে গত বছরের ২৫ মার্চ সরকার শর্তসাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়।  তিন দফায় খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়।

Bangladesh: অসুস্থ খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার আবেদন খারিজ হাসিনা সরকারের

khaleda-zia-

News Desk: অসুস্থ বেগম জিয়ার পরিবারের তরফে আবেদন ফের খারিজ করল শেখ হাসিনার সরকার।

বিএনপি নেত্রী ও বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে গিয়ে চিকিৎসার কোনও সুযোগ নেই। সংসদে এমনই  মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া। তাঁর শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। রক্ত দিতে হচ্ছে। বারবার তাঁকে হাসপাতালে আনতে হচ্ছে। পরিবারের দাবি, বিদেশে নিয়ে গিয়ে উন্নত চিকিৎসা করানোর অনুমতি দিক সরকার।

৭৬ বছর বয়সী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী আর্থ্রারাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। করোনায় আক্রান্ত হন। এরপর অসুস্থতার জন্য টানা ২৬ দিন হাসপাতালে ছিলেন। বাড়ি ফেরার ছয়দিনের ব্যবধানে খালেদা জিয়াকে আবার ঢাকায় বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিসিইউ চিকিৎসাধীন তিনি। 

khaleda zia

বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী জানান, খালেদা জিয়ার পরিবারের তরফে এমন আবেদন আগেই নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। আর নতুন করে আবেদন গ্রহণ করার সুযোগ নেই। আইন সবার জন্য সমান। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিকতার কারণে উনি বাড়তি কিছু সুবিধা পাচ্ছেন। খালেদা জিয়ার আমলে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকে সঠিক হাসপাতালে পর্যন্ত যেতে দেওয়া হয়নি।

খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যেতে সোমবার সরকারের কাছে ফের আবেদন করেন  ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। বোন সেলিমা ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়ার এখন বিদেশে চিকিৎসা প্রয়োজন। চিকিৎসকরা এমনই পরামর্শ দিচ্ছেন।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে খালেদা জিয়া ২০০৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জেলে যান। করোনা মহামারির কারণে গত বছরের ২৫ মার্চ সরকার শর্তসাপেক্ষে তাঁকে সাময়িক মুক্তি দেয়। জেল থেকে মুক্তি পেলেও তাঁর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত। তবে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের যুক্তি, সরকার চাইলে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারে।

Bangldesh: রক্ত দিতে হচ্ছে, অসুস্থ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, উদ্বেগে পরিবার

khaleda zia

News Desk: নিস্তেজ হয়ে পড়ছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তাঁর চিকিৎসা চলছে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। রবিবার থেকে অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসকরা চিন্তিত। এই অবস্থায় খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার জন্য ফের সরকারের কাছে আবেদন জানাল তাঁর পরিবার। যদিও দুর্নীতির মামলায় দোষী প্রমাণিত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তাঁর শারীরিক প্যারামিটারগুলো এখনও আপডাউন করছে। সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় শরীরের অবস্থা খুব একটা ভালো নেই। হিমোগ্লোবিন কমে গিয়েছে। রক্ত দিতে হচ্ছে। বেশ কয়েকবার বমি করেছেন খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়ার অসুস্থতার খবরে বিএনপি দলের নেতা কর্মী সমর্থকরা উদ্বেগে। বারবার বিএনপি ও জিয়া পরিবারের তরফে আবেদন করা হয় বিদেশে চিকিৎসার জন্য। ইংল্যান্ডে থাকেন খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জোবাইদা রহমান। তারেকের বিরুদ্ধে একাধিক ষড়যন্ত্র ও নাশকতার মামলায় জেলের সাজা দিয়েছে আদালত। তবে বাংলাদেশ সরকারের কাছে লন্ডন প্রবাসী তারেক ‘পলাতক’।

khaleda zia

সূত্রের খবর, তারেক পত্নী জোবাইদা চিকিৎসক হওয়ায় শাশুড়ি খালেদা জিয়াকে তাঁর কাছে এনে চিকিৎসার করাতে চান। তবে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় আবেদন কার্যকর করা হয়নি। বিএনপি ও খালেদা জিয়ার পরিবারের অভিযোগ, সরকার আইনি জটিলতা দেখিয়ে সেই আবেদন আটকে রেখেছে। দুর্নীতির দানে জেলের সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।

বাংলাদেশের অন্যতম বিরোধী দল বিএনপির সুপ্রিমো খালেদা জিয়া। তিনি প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্ত্রী। বিএনপি জামাত জোটের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া এতিমখানা (অনাথ আশ্রম) ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট (দাতব্য সংস্থা) এই দুটি সংস্থার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় জেলের সাজা হয়েছিল। কোভিড পরিস্থিতিতে তিনি জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ঢাকার বাসভবন ‘ফিরোজা’তে ছিলেন। বাড়িতেই করোনা আক্রান্ত হন। এর পর থেকে বারে বারে অসুস্থ হচ্ছেন বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।

<

p style=”text-align: justify;”>গত ১২ অক্টোবর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। গত ৭ নভেম্বর তিনি ঘরে ফিরেছিলেন। ফের শনিবার অবস্থার অবনতি ঘটলে বেসরকারি হাসপাতালেের সিসিইউতে নিয়ে যাওয়ায় হয় খালেদা জিয়াকে।

Bangladesh: দুর্গাপূজায় হামলার ছক হয় লন্ডনে, খালেদা পুত্রকে জড়িয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

bangladesh-information-minister-said-durga-puja-violence-plot-organized-by-bnp-leaders

News Desk: বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তাঁর অভিযোগ, দুর্গাপূজায় সাম্প্রদায়িক হামলায় বিএনপি-জামাত ইসলামি জড়িত। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান সবকিছুর পরিকল্পনা করে।

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি দলের প্রধান নেত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান দীর্ঘদিন দেশছাড়া। নাশকতা ও ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত। তাকে পলাতক ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। তারেক লন্ডনে থাকেন। সেখান থেকেই দল পরিচালনা করেন।

মঙ্গলবার রাজশাহীতে সাংবাদিকদের তথ্যমন্ত্রী ড হাছান মাহমুদ বনেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরিকল্পনায় সারা দেশে সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর পরিকল্পনা হয়েছে সুদূর লন্ডনে বসে। দীর্ঘ একমাস ধরে এই পরিকল্পনা চলে। তিনি বলেন, সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট। এই উদ্দেশ্যে দুর্গাপূজার সময় পূজামণ্ডপে হামলা পরিচালনা করেছে তারা।

দুর্গাপূজা চলাকালীন কুমিল্লায় একটি পূজা মণ্ডপে কোরান শরিফ রেখে হামলা ছড়ানো হয়েছিল। এর জেরে বাংলাদেশে পরপর আক্রান্ত হয় সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাড়ি, দোকান। হামলাকারীদের রুখতে পুলিশ গুলি চালায়। ৫ জন মারা যায়। আর হামলাকারীদের হাতে দুই সংখ্যালঘু খুন হন। দুর্গা মণ্ডপে কোরান রাখার অভিযোগে ইকবাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি ধৃত। সাম্প্রদায়িক উস্কানি ছড়ানোয় ঢাকার বদরুন্নেসা কলেজের সহকারী অধ্যাপিকা রুমা সরকারকে জেলে পাঠানো হয়েছে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সাম্প্রদায়িক হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে খুঁজে বের করা হবে। এদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। ষড়যন্ত্রকারীরা সবকিছুতে ব্যর্থ
হয়ে এবার দুর্গাপূজায় হনুমানের মূর্তির কাছে কোরান শরিফ রেখে আসে। কারা রেখেছে? যে রেখেছে, তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে তো আসলে রাখেনি। সে কারও নির্দেশে সেখানে রেখে এসেছে। কারা এর পেছনে আছে, সেটি খুব সহসা বের হবে। খুবই স্পষ্ট যে, কারা এগুলো ঘটিয়েছে।

তিনি বলেছেন, সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে রাজনীতি করে বিএনপি-জামায়াত, ধর্মান্ধ-উগ্রবাদীরা। বাংলাদেশের কোনও সম্প্রদায়ের লোক অপরের ধর্মগ্রন্থ অবমাননা করার মানসিকতা পোষণ করেন না।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যারা এটি করেছে এবং তাকে যারা প্ররোচনা দিয়েছে, তারা আমাদের পবিত্র ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করেছে। একইসঙ্গে হিন্দু ধর্মকেও অবমাননা করেছে। এই দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করেছে। তাদেরকে খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে সরকার বদ্ধপরিকর।এই যুবককে কারা প্ররোচিত করেছে, কারা অর্থ দিয়েছে, কারা পালিয়ে যাওয়ার জন্য চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার পাঠিয়েছে- সবকিছুই বের হবে।

বাংলাদেশে দুর্গাপূজায় হামলার ঘটনায় সরকার ঘটনার পর ১০২টি মামলা করেছে। সাতশোর মতো দুষ্কৃতকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কঠোর হস্তে সরকার এটি দমন করেছে।

ঘরবন্দি খালেদা জিয়া, বেগম-বিহীন ‘৪৩’ এর বিএনপি ছন্নছাড়া

Khaleda Zia

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: বাংলাদেশ (Bangladesh) জাতীয় রাজনীতিতে প্রধান বিরোধী দল কোনটি? ধাঁধার প্রশ্ন। উত্তরটা মজার। বিএনপি বিরোধী দল আবার নয় ! দলটি ৪৩ বছরে পা রেখে এই ধাঁধা গোলকে ঘুরপাক খাচ্ছে।
বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম দল বিএনপির ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ১ সেপ্টেম্বর। ১৯৭৮ সালের এই দিনে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদ ও ইসলামী মূল্যবোধ সামনে রেখে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই দল গঠন করেন।

বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সেনা অভ্যুত্থানে খুন করা হয় ১৯৭৫ সালে। এর পরেই ততকালীন অন্যতম সেনাকর্তা জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসেছিলেন। চূড়ান্ত অরাজকতা তখন ঢাকায়। রাষ্ট্রপতি ভবন অর্থাৎ বঙ্গভবন ঘিরে যুযুধান দুই সেনা পক্ষের ট্যাংক ঘিরে রেখেছিল। তেমনই পরিস্থিতে ক্ষমতার শীর্ষে চলে যান জিয়াউর রহমান।

সেই বিখ্যাত ধাঁধা!
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন আওয়ামী লীগ জোয়ার। আর জাতীয় সংসদের বিরোধী আসনে নেই একসময়ের ক্ষমতাধর বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (বিএনপি)। ভোটে বিলীন হয়ে গিয়েছে দলটি। টায়টোয় ৬টি আসন! তবে যে কোনও মুহূর্তে রাজপথ দখল করে নিতে পারে বা নেয় বাংলাদেশের এই দলটি। বাংলাদেশের জনগণ জানেন বিরোধী দল বিএনপি। আর সরকারি হিসেবে গত দুটি জাতীয় নির্বাচনের পর সংসদে বিরোধী দল হয়েছে একদা সামরিক শাসক প্রয়াত হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের দল জাতীয় পার্টি (জাপা)।

দ্বিতীয় ধাঁধা, বাংলাদেশের বিরোধী নেত্রী কে? একশ জনের মধ্যে নিরানব্বই জন বাংলাদেশি বা বিদেশি যারা বাংলাদেশের খবর রাখেন-এক ঝটকায় বলে দেবেন খালেদা জিয়ার (Khaleda Zia) নাম। আদৌ তা নয়। দেশটিতে প্রায় অস্তিত্বহীন ‘জাপা’ দলের (রংপুর বাদে) নেত্রী রওশন এরশাদ বিরোধী নেত্রী। তিনি প্রয়াত এরশাদের স্ত্রী।

দুটি ধাঁধাতেই লুকিয়ে আছে বাংলাদেশের গত তিনটি জাতীয় নির্বাচনের চরিত্র। পরপর তিনবার জয়ী হয়েছে আওয়ামী লীগ। পরপর তিনবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত তিনটি নির্বাচনের মধ্যে প্রথম দুটি নির্বাচনে ব্যাপক রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে ভোট বয়কট করেন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী খালেদা জিয়া। জোট শরিক জামাত ইসলামিকে পাশে নিয়ে হিংসাত্মক জ্বালাও-পোড়াও নীতি নিয়েছিল বিএনপি। শতাধিক মৃত্যু হয়। বিএনপির উগ্র আন্দোলন দলটিতে রাজনৈতিকভাবে জনবিমুখ করে তেমনই দলটির কট্টরপন্থী সমর্থকরা আরও সংঘবদ্ধ হয়। তবে দলের অভ্যন্তরে খালেদা জিয়া ভোট বয়কট প্রশ্নে বিদ্ধ হন।

বিএনপির এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের তকমা পায় এরশাদ প্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টি। কুর্সিতে থাকা আওয়ামী লীগের সঙ্গে নরম সম্পর্কের খাতিরে বিরোধী দল হয়েও ‘জাপা’ এখন সরকারি দলের বর্ধিত অংশ বলেই বিবেচিত। এই অবস্থায় বিএনপি সংসদে প্রায় না থেকেও বাংলাদেশের রাজপথের বিরোধী দল হিসেবে পরিচিত।

১৯৮১ সালের ৩০ মে ফের সেনা অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খুন হন। তাঁর সহধর্মিনী বেগম খালেদা জিয়া আসেন নেতৃত্বে। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৯১ ও ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসে বিএনপি। এর পরেই হয় তাদের বিপর্যয়ের শুরু। আওয়ামী লীগের দ্রুত উত্থান। ফের কুর্সিতে বসেন শেখ হাসিনা। টানা হাসিনা শাসনে ঢুকে পড়েছে বাংলাদেশ।

তবে বিএনপি দলনেত্রী খালেদা জিয়া যিনি দলের অভ্যন্তরে ম্যাডাম ও বাংলাদেশের সর্বত্র বেগম জিয়া নামে সুপরিচিত তিনি রাজনৈতিক বিপর্যয়ের সাথে দুর্নীতির মামলায় জর্জরিত হতে থাকেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দুটি মামলা দায়ের করে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল সোসাইটির আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জেলে যান খালেদা জিয়া। অসুস্থতার কারণে তিনি এখন ঘরবন্দি। দেশ ছেড়ে বাইরে যেতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

এই অবস্থায় বিএনপি দিশেহারা। আন্দোলনের ডাক দিলে হাজার হাজার সমর্থক রাজপথে জড় হন। কিন্তু আন্দোলনের নেতৃত্বে রয়েছে ঘাটতি।

এক যুগের দেশ শাসন, টানা এক যুগেরও বেশি ক্ষমতার বাইরে। দুই দফা আন্দোলনে ব্যর্থতা, দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবন্দিত্ব এবং দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা। এমন বাস্তবতায় প্রতিষ্ঠার ৪৩তম বছরে এসে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।

চারবার রাষ্ট্র ক্ষমতা এবং দু বার বিরোধী দলে থাকা বিএনপির ভবিষ্যৎ ঘরবন্দি বেগমের নির্দেশে চলে। তবে ক্ষয় হচ্ছে দ্রুত।