রাজ্যের পৌরসভায় গ্রুপ সি পদে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

Publication of recruitment notice for Group C posts in the state municipalities

News Desk: রাজ্যের পৌরসভায় কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। একাধিক পদে নিয়োগ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কমিউনিটি অরগানাইজারের জন্য এই মুহূর্তে শূন্যপদ রয়েছে ২ টি।

এই পদে আবেদনকারীদের নূন্যতম যোগ্যতা থাকতে হবে উচ্চমাধ্যমিক পাশ। পাশাপাশি, সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে ৩ থেকে ৫ বছর। জানতে হবে এমএস অফিস। প্রার্থীদের প্রতিমাসে বেতন দেওয়া হবে ১০,০০০ টাকা। এছাড়া, আবেদনকারীদের বয়সসীমা ১৮-৪০ বছর।

একাউন্ট্যান্টের ১ টি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে কর্মী।

আবেদনকারীদের নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হতে হবে স্নাতক পাশ। এছাড়া, এমএস অফিসে কাজ করার দক্ষতা থাকতে হবে এবং সরকারি সোসাইটি, ফার্ম, অ্যাসোসিয়েশনে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে কমপক্ষে ৩ বছর। ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সীরা আবেদন করতে পারবেন। প্রতিমাসে বেতন হবে ১৪,০০০ টাকা।

KMC Election: বিক্ষিপ্ত অশান্তি নিয়ে শুরু হল কলকাতা পুরভোট

KMC Election

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা : আজ কলকাতা পুরনিগমের ১৪৪টি ওয়ার্ডে ভোট (KMC Elections 2021)। সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তার মধ্যে চলছে ভোটগ্রহণ পর্ব। ভোট শুরু হতেই বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর সামনে আসছে। ফলে শহরের বুকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করানোটাই বড়ো চ্যালেঞ্জ কমিশনের কাছে। পাশাপাশি কলকাতা পুলিশেরও (Kolkata Police) বড়ো ভূমিকা রয়েছে। যদিও পুলিশের তরফে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে।

সর্বত্র পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত রয়েছেন। শুধু কলকাতার রাস্তায় নয়, জলপথেও হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ভোটের নিরাপত্তা নিয়ে প্রতি ঘণ্টায় রিপোর্ট দেওয়ার জন্য ডিজিপি(DGP) ও সিপিকে(CP) নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। ভোটে অবাধ ভোট হবে কিনা তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে বিরোধীদের। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল বিরোধীরা। সেখানে দাঁড়িয়ে কলকাতা পুলিশের উপরই আস্থ রেখেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

রবিবার ২৩ হাজার পুলিশ কর্মী মোতায়েন রয়েছে গোটা শহরজুড়ে। ৫ হাজার রাজ্য পুলিশের কর্মী কাজ করছেন। জয়েন্ট সিপি পদমর্যাদার আধিকারিকদের ময়দানে নামানো হয়েছে। প্রায় এমন ১০ জন পুলিশ আধিকারিক ভোট কলকাতায় রাজপথে রয়েছেন। এছাড়াও ডেপুটি কমিশনার রয়েছেন ২৬ জন। ৭১ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার কাজ করছেন। এছাড়াও শহরের একাধিক জায়গাতে ২০০টি পুলিশ পিকেটিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহরে ঢোকা এবং বের হওয়ার প্রত্যেকটি জায়গাতে পুলিশ পিকেট রয়েছে। জলপথেও রিভার পেট্রোলিং চলছে ৬ জায়গায়। আরএফএস(RFS) ও আরটি(RT) মোবাইল দিনে-রাতে মিলিয়ে থাকছে ৭২টি, এইচআরএফএস(HRFS) থাকবে ৩৫টি। ১৮টি স্পেশাল ক্যুইক রেসপন্স টিম থাকবে। বাড়তি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে বিধাননগর ও হাওড়া কমিশনারেট, বারুইপুর ও ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলাকে। চালু হয়েছে কমিশনের কন্ট্রোল রুম-২২৯০ ০০৪০/৪১।

এদিকে অবাধ ভোট করাতে তৈরি কলকাতা পুলিশ। পুরভোটের জন্য বাহিনীর প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাজপথে নামেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র। রাতেই কলকাতার সবকটি ডিসি অফিসে পৌঁছে যান। খতিয়ে দেখেন অবস্থা। পরে সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘আমরা আত্মবিশ্বাসী এই ভোটও শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হবে। আমরা নির্বাচনের জন্য তৈরি। এর আগে অনেকগুলি নির্বাচনে কাজ করেছি আমরা। সব মিলিয়ে কলকাতা ভালো ভোট হওয়ার আশ্বাস দেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার।’

যদিও রবিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন জায়গাতে অশান্তির খবর সামনে আসছে। কোথাও ভুয়ো ভোটার নিয়ে অভিযোগ আবার কোথাও বুথ দখলের অভিযোগ। একের পর এক বিরোধীদের অভিযোগ সামনে আসছে।

‘নিকাশি উন্নয়নে’ এশিয়ান ব্যাঙ্ক থেকে 10 কোটি ডলার পেলেও জলে ভাসছে Kolkata

Rain, kolkata, neighborhood, Weather

নিউজ ডেস্ক: জলের তলায় কলকাতা (Kolkata)। কোথাও গোড়ালি, কোথাও হাঁটু, কোথাও কোমর-সমান জল। এককথায় এটাই এখন তিলোত্তমার চিত্র। যদিও ‘এখন’ শব্দটি এক্ষেত্রে প্রয়োগ করা অনুচিত। কারণ, প্রতি বছর বর্ষাতেই এই অবস্থাই হয় কলকাতার। এবছর গত কয়েকদিনে কলকাতার জমা জলে বিদ্যুতপৃষ্ট হয়ে মৃতের সংখ্যাটা প্রায় ১০। যদিও কলকাতার পুরসভার পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম জানিয়ে দিয়েছেন উত্তরাখণ্ডে প্রবল বৃষ্টিতে গঙ্গার জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে বলেই কলকাতা ভাসছে। উল্লেখ্য, বাংলায় বন্যার জন্য বারবারই ঝাড়খণ্ড এবং ডিভিসিকে দায়ী করে এসেছে মমতা সরকার। খোদ মুখ্যমন্ত্রী একবার বলেছিলেন, ঝাড়খণ্ডের বাঁধ থেকে জল ছাড়ার দরুন বাংলায় বৃষ্টি বাড়ছে। সত্যিই কি তাই?

আরও পড়ুন NASA Report: কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চলসহ দেশের ১২টি শহর নিশ্চিহ্ন হবে

তিন বছর আগে, ২০১৮ সালের অক্টোবর মাস নাগাদ একটি সরকারী বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, কলকাতা শহরের নিকাশি ব্যবস্থা উন্নত করতে, জমা জলের সমস্যা থেকে শহরবাসীকে মুক্তি দিতে এবং সর্বোপরি কলকাতা পৌর কর্পোরেশনের (কেএমসি) সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভারত এবং এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB) ১০০ মিলিয়ন ডলার (১০ কোটি ডলার) চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ৪০০ মিলিয়ন ডলারের কলকাতা এনভায়রনমেন্টাল ইমপ্রুভমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (Kolkata Environmental Improvement Investment Program) অধীনে তৃতীয় এবং চূড়ান্ত কিস্তি হিসেবে এই টাকা দেওয়া হয়েছিল।

kolkata

ভারত সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, এটি কমপক্ষে ৩০০০ টি পরিবারে কেএমসির নির্বাচিত পেরিফেরাল এলাকায় ড্রেনেজ পরিষেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করবে। এবং কমপক্ষে ১০০০০০ পরিবারের জন্য স্যুয়েজ ব্যবস্থা উন্নত করবে।

ভারত সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সমীর কুমার খারে এবং এডিবি’র ইন্ডিয়া রেসিডেন্ট মিশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর কেনিচি ইয়োকোয়ামা চুক্তিটি স্বাক্ষর করেছিলেন। ভারতীয় টাকায় সেই টাকার অঙ্কটা ৭,৩৭,৬৬,০৫,০০০। এই বিপুল পরিমান টাকা পাওয়ার পরেও বারবার কেন একই অবস্থা হচ্ছে কলকাতার? তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিপুল জনমতে জিতে ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল। অথচ এখনও এই জল-যন্ত্রনা কেন কমেনি শহরবাসীর? এই প্রশ্নগুলিতেই এখন রাজ্যের শাসকদলকে কোনঠাসা করতে চাইছে বিরোধীরা।

জাতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির ২০১৮ সালের এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক থেকে লোন পাওয়ার খবর শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূলকে একহাত নিয়েছেন ডঃ ইন্দ্রনীল খাঁও। কলকাতার রাস্তায় জমা জলের একটি ছবি দেখিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, “আপনাদের ১০০ মিলিয়ন ডলার”।