बिहार के लालू और नीतीश को मिला अनंत अंबानी की शादी का निमंत्रण

पटना: अनंत अंबानी अरबपति उद्योगपति मुकेश अंबानी के सबसे छोटे बेटे हैं। वहीं राधिका मर्चेंट एनकोर हेल्थकेयर के सीईओ वीरेन मर्चेंट और उद्यमी शैला मर्चेंट की बेटी हैं। दो प्रमुख उद्योगपति परिवारों का मिलन 12 जुलाई को होने जा रहा है। जिसमें बिहार के दो दिग्गज नेताओं को निमंत्रण मिला है।

मुकेश अंबानी ने अपने पुत्र अनंत अंबानी की शादी में शामिल होने के लिए मुख्यमंत्री नीतीश कुमार और राजद अध्यक्ष लालू प्रसाद को आमंत्रित किया है। शादी 12 जुलाई को मुंबई में होनी है।

शादी समारोह के लिए अंबानी परिवार ने देश की लगभग सभी प्रमुख हस्तियों को आमंत्रित किया है। जिसमें बिहार के ये दो दिग्गज नेता भी शामिल हैं। लालू प्रसाद से जुड़े करीबी सूत्रों का कहना है कि स्वास्थ्य खराब होन के कारणों से वे शायद शादी समारोह में न शामिल हो पाएं. लेकिन ऐसी स्थिति में विपक्ष के नेता तेजस्वी यादव समारोह में शामिल हो सकते हैं।

पारंपरिक हिंदू वैदिक रीति-रिवाजों का पालन करते हुए, शादी के उत्सव की योजना बनाई गई है। शादी का कार्यक्रम शुक्रवार, 12 जुलाई को सुनिश्चित किया गया है. इस मौके पर अंबानी परिवार की ओर से मेहमानों को पारंपरिक भारतीय पोशाक पहनकर आने की गुजारिश की गई है।

12 जुलाई को अनंत और राधिका एक दूसरे के साथ शादी के बंधन में बंध जाएंगे। लेकिन, शादी का कार्यक्रम शनिवार, 13 जुलाई को शुभ आशीर्वाद के साथ जारी रहेगा। अंतिम कार्यक्रम, मंगल उत्सव या शादी का रिसेप्शन, रविवार, 14 जुलाई को निर्धारित की गई है।

Bihar: আমাকে গুলি করে মারার ছক করেছেন লালু, বিস্ফোরক নীতীশ

nitish kumar vs lalu prasad yadav

News Desk: নীতীশ কুমারের আশঙ্কা তিনি খুন হতে পারেন। তাঁকে খুন করাতে পারেন লালুপ্রসাদ যাদব। চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। পাটনায় তিনি বলেছেন, লালু যাদব চাইলে গুলি করে মারানোর ছক করতে পারেন। তিনি তো আর কিছুই পারেন না।

সম্প্রতি পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির মামলায় জেলবন্দি লালুপ্রসাদ যাদব অসুস্থ হয়ে দিল্লিতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি বিশেষ আইনি প্রক্রিয়ায় বিহারে ফিরেছেন। আরজেজি প্রধান ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ ফিরতেই বিহারের রাজনৈতিক মহল নতুন করে সরগরম।

পাটনায় ফিরে লালুপ্রসাদ বলেন, এসেছি নীতীশ কুমারের বিসর্জন করাতে। তাঁর এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় খুন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার।

রাজ্যে দুটি কেন্দ্র তারাপুর ও কুশেশ্বরস্থানে উপনির্বাচন আসন্ন। এই উপনির্বাচন ঘিরেই বিহারের রাজনীতি সরগরম। সরকারপক্ষ এনডিএ এর দিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন লালুপুত্র তেজস্বী যাদব। তিনি বলেছেন, দুটি আসনে জয়লাভ করলেই বিহারে আরজেডি নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠন হবে। একই কথা বলছেন লালু প্রসাদ যাদব। প্রশ্ন উঠছে, বিহারে কি সরকারপক্ষে ভাঙন ধরাচ্ছেন লালু।

তবে আরজেজি মহাজোট থেকে কংগ্রেস বেরিয়ে গেছে। লালুপ্রসাদ পাটনায় ফিরতেই তাঁর সঙ্গে কথা বলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। জোট ফের হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। নির্বাচনে মহাজোট থেকে কংগ্রেস ১৯ টি আসন পায়। আর জোটের বাম শরিকরা বিহারে অভাবনীয় ফল করে। তবে সরকার গড়ে বিজেপি-জেডিইউ সহ শরিকদের এনডিএ জোট।

মানুষের ভালবাসাই তাঁকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে এনেছে, বললেন লালুপ্রসাদ

lalu prasad

National Desk: শারীরিক সমস্যা ও জেলবন্দি থাকায় শেষ দু’টি বিধানসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেননি আরজেডি নেতা লালু প্রসাদ যাদব। শারীরিক অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন ভর্তি ছিলেন দিল্লির এইমসে। গত সপ্তাহেই তিনি দিল্লি থেকে পাটনায় ফিরেছেন। পাটনায় ফিরেই মঙ্গলবার জানালেন, মানুষের ভালোবাসার কারণেই তিনি ফিরে আসতে পেরেছেন। শুধু ফিরে আসাই নয়, আবার তিনি আগের মত সক্রিয় রাজনীতিতে অংশ নেবেন বলেও জানালেন লালু।

এদিন সংবাদ সংস্থা এএনআইকে লালু বলেন, শারীরিক অসুস্থতা এবং জেলের ভিতর থাকায় আমি গত দু’টি বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নিতে পারিনি। এই মুহূর্তে রাজ্যে দুটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে। উপনির্বাচনের আগেই আমি বিহারের ফিরতে পেরেছি। আমি ওই দুই কেন্দ্রে প্রচারে যাব। মানুষের ভালবাসাই আমাকে বিহারে ফিরিয়ে এনেছে। মানুষের ভালবাসার প্রতিদান তিনি শীঘ্রই ফিরিয়ে দেবেন। লালু আরও বলেন, ২৭ অক্টোবর তিনি কুশেশ্বর আস্থান ও তারাপুর কেন্দ্রের উপনির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখবেন।

সম্প্রতি কংগ্রেসের সঙ্গে জোট ছিন্ন করার কথা বলেছেন লালু। পাশাপাশি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এদিন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে তীব্র কটাক্ষ করেন। লালু বলেন, নীতীশ অত্যন্ত লোভী ও ক্ষমতা পিপাসু। যে কারণে এখন তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। অন্যদিকে বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, মোদির আমলে সামান্য ভোজ্যতেলের দামও আকাশছোঁয়া হয়েছে। সরষের তেল ছাড়া মানুষ কী দিয়ে রান্না করবে? ডিজেল তো এখন ঘিয়ের থেকেও দামি হয়ে গিয়েছে। লালু বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। পরিযায়ী শ্রমিকরা নিদারুণ কষ্টে পড়েছেন। কিন্তু মোদি সরকার এসব দেখতেই পাচ্ছে না। তারা প্রতিদিন পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়িয়ে চলেছে। ভোজ্যতেল মানুষের আয়ত্বের বাইরে নিয়ে চলে গেছে। অন্যদিকে হাজার হাজার মানুষ কাজ হারিয়ে বেকার হয়ে পড়েছেন। কিন্তু এসব কথা ভাবার মত সময় মোদির নেই। সাধারণ মানুষকে বাঁচতে হলে এই দলকে আগে ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে।

কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে লালু বলেন, জোট সবসময় সম মানসিকতাসম্পন্ন দলগুলির মধ্যে হয়। রাজ্যস্তরে আমরা কংগ্রেস, বাম-সহ বিভিন্ন দলের সঙ্গে জোট করেছি। কংগ্রেসকে আমরা যে ধরনের সহযোগিতা করেছি অন্য কোনও দল তা করেনি। কংগ্রেস অত্যন্ত পুরনো দল। জাতীয় স্তরে তাদের স্বীকৃতি রয়েছে, আমরা সেটা মানি। কিন্তু ওরা আমাদের প্রাপ্য সম্মান দেয়নি। তাই কংগ্রেসের সঙ্গে পথ চলার কোনও অর্থ হয় না।

উল্লেখ্য, ১৯৯০ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত বিহার শাসন করেছে লালুপ্রসাদ যাদবের আরজেডি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে কেন্দ্রে রেল মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন আরজেডি সুপ্রিমো। কিন্তু ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন বিহারে পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েন লালু। ওই কেলেঙ্কারির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে জেলে ছিলেন তিনি। তবে জেলে থাকলেও বেশিরভাগ সময়ই তিনি কাটিয়েছেন ঝাড়খণ্ডের রিমসে। চলতি বছরের প্রথম দিকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় লালুকে দিল্লির এইমসে ভর্তি করা হয়েছিল। এইমসের চিকিৎসকদের সম্মতি মেলায় গত সপ্তাহেই লালু দিল্লি থেকে পাটনা ফিরেছেন।

রাজনৈতিক চমকের অপেক্ষায় বিহার, তিন বছর পর পাটনায় ফিরছেন লালুপ্রসাদ

Lalu Prasad

News Desk: দীর্ঘ তিন বছর পর পাটনায় ফিরছেন প্রাক্তন রেলমন্ত্রী তথা আরজেডি নেতা লালু প্রসাদ যাদব। পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে দীর্ঘদিন জেলবন্দি ছিলেন তিনি। জামিনে মুক্তি মিললেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন ভর্তি ছিলেন দিল্লির এইমসে।

এসব কারণে টানা তিন বছর লালু বিহারের বাইরে ছিলেন। রবিবার সন্ধ্যায় স্ত্রী তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবী এবং মেয়ে মিশাকে নিয়ে দিল্লি থেকে পাটনায় ফিরবেন তিনি। লালুর ফেরার অপেক্ষায় টানটান উত্তেজনা পাটনায়। একই সঙ্গে আরজেডির সদর দফতরেও।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, রাজ্যে ফিরে ফিরে বড় কোনও চমক দিতে পারেন লালু। এই মুহূর্তে নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন জেডিইউ ও বিজেপি জোট রাজ্যে ক্ষমতায় থাকলেও সরকারের হাতে প্রয়োজনীয় বিধায়ক সংখ্যা খুব বেশি নেই। একটু এদিক ওদিক হলে অর্থাৎ কয়েক জন বিধায়ক এই জোট ছেড়ে বেরিয়ে এলেই নীতীশ সরকারের পতন হতে পারে।

এরই মধ্যে রাজ্যের দুটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপ নির্বাচন হচ্ছে। লালুপ্রসাদের মহাজোট ছেড়ে ইতিমধ্যেই বেরিয়ে গিয়েছে কংগ্রেস। এই দুই উপনির্বাচনে কংগ্রেস আলাদা করে লড়াইও করছে। এই অবস্থায় বহু যুদ্ধের নায়ক লালু কতটা চমক দিতে পারেন তার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে রাজনৈতিক মহল। তাদের অনুমান, লালুপ্রসাদ রাজ্যে ফিরলে ঘোড়া কেনাবেচা শুরু হতে পারে। সেক্ষেত্রে জেডিইউ- বিজেপি সরকার ভেঙে গেলে ক্ষমতা দখল করতে পারে লালুপ্রসাদের আরজেডি। তবে শেষ পর্যন্ত কি হয় তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে গোটা দেশ।

দীর্ঘদিন জেলে কাটানো এবং বিভিন্ন রোগের কারণে লালুর শারীরিক অবস্থা অবশ্য বেশ দুর্বল। যদিও এইমসের চিকিৎসকরা লালুকে পাটনা ফিরে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। লালুপ্রসাদ বিজেপি- জেডিইউ জোটে ফাটল ধরাতে পারেন এমন আশঙ্কা থাকলেও, তাঁর নিজের সংসারেও চলছে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব। লালুপ্রসাদ বরাবরই তাঁর ছোট ছেলে তেজস্বী যাদবকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। অন্যদিকে তাঁর স্ত্রী রাবড়ি দেবী বড় ছেলে তেজপ্রতাপকে আলাদা গুরুত্ব দেন।

লালুপ্রসাদের এই দুই ছেলের দ্বন্দ্ব আরজেডিতে প্রবল। কয়েকদিন আগে লালুর বড় ছেলে তেজপ্রতাপ অভিযোগ করেছিলেন, ভাই তেজস্বী তাঁর বাবা লালুকে দিল্লিতে গৃহবন্দী করে রেখেছেন। তবে এখন দেখার লালু রাজ্যে ফিরলে নীতীশ কুমার কী ভূমিকা নেন। রাজনৈতিক মারপ্যাঁচ বা কূটকৌশলের ক্ষেত্রে নীতিশের থেকে লালু অনেকটাই এগিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকলেও বিজেপির সঙ্গে নীতীশের সম্পর্ক আদৌ ভাল নয়। লালু সম্পর্কের এই রসায়ন কতটা কাজে লাগাতে পারবেন তা নিয়ে কৌতুহলী হয়ে আছে রাজনৈতিক মহল। লালুপ্রসাদ দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনের প্রচার করবেন বলেও খবর। এখন দেখার রাজ্যে ফিরে লালু এবার কি চমক দেন।