এই ৫ বলিউড তারকা নিজেদের ফ্যানেদের প্রেমে পড়ে ছাদনাতলায় বসেছেন

বায়োস্কোপ ডেস্ক: অনেকেরই ফ্যান্টাসি থাকে নিজেদের পছন্দের তারকাকে বিয়ে করার। পছন্দের তারকাদের এক ঝলক দেখার জন্য বা তাদের প্রতি পদক্ষেপ এর খবর জানার জন্য মুখিয়ে থাকেন সবাই।

আবার পছন্দের তারকা কারুর সঙ্গে মাখোমাখো প্রেম করছেন বা বিয়ে সেরে ফেলেছেন জানলে অনুরাগীদের মন যাওয়ার গল্প নতুন নয়। এদিকে বলিউডে এমনও অনেক নজির রয়েছে যারা নিজেদের অনুরাগীদের প্রেমে পড়েছেন আর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

madhuri-dixit-and-sriram-nene

১. মাধুরী দীক্ষিত ও শ্রীরাম নেনে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তার ভাইয়ের অনুরোধে মাধুরী দীক্ষিত ডাঃ শ্রীরাম নেনের সাথে দেখা করেছিলেন। ডঃ নেনে আগে থেকেই মাধুরীর নাচ ও অভিনয়ের প্রতি অনুরাগী ছিলেন। তিন মাস প্রেম করার পর অবশেষে ১৯৯৯ সালের ১৭ অক্টোবর তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

Vivek-Oberoi-and-Priyanka

২. বিবেক ওবেরয় ও প্রিয়াঙ্কা আলভা
বিবেক তার প্রেম জীবনে অনেক চড়াই -উতরাই পেরিয়ে তার জীবনসঙ্গী খুঁজে পেয়েছিল। কর্ণাটকের একজন মন্ত্রীর মেয়ে, প্রিয়াঙ্কা আলভা সবসময় বিবেকের কাজের প্রশংসা করেছেন এবং স্বীকার করেছেন যে তিনি তার ভক্ত। এই দম্পতি ২০১০ সালের ২৯ অক্টোবর তারিখে গাঁটছড়া বাঁধেন।

Isha-Deol-and-Bharat-Takhta

৩. ইশা দেওল ও ভারত তাখতানি
শৈশবের স্কুল রোমান্স অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তার পথ খুঁজে পায় ইশা ও ভারতের প্রেম কাহিনীর মধ্যে দিয়ে। ইশা স্বীকার করেছিলেন যে ভারত ১৩ বছর বয়েস থেকে তার প্রেমে মত্ত ছিলেন অথচ তাকে কখনো মুখ ফুটে বলে উঠতে পারেননি। ২০১২ সালের জুন মাসে ইশা ও ভারত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

Shilpa-Sethi-and-Raj-Kundra

৪. শিল্পা শেঠী ও রাজ কুন্দ্রা
সম্প্রতি বলিউডের চর্চার কেন্দ্রে থাকা দম্পতি শিল্পা শেঠী ও রাজ কুন্দ্রাও এই লিস্টের ব্যতিক্রম নন। শিল্পার ফিটনেস ও জীবনদর্শনের প্রতি মুগ্ধ হন অনেকেই। ব্রিটিশ-ভারতীয় ব্যবসায়ী রাজ কুন্দ্রা তার আরেক ভক্ত ছিলেন এবং সৌভাগ্য বসত তাকে বিয়ে করার সুযোগ পান। ২০০৯ সালের ২২ শে নভেম্বর তাদের বিয়ে হয়।

৫. ইমরান খান ও অবন্তিকা মালিক
‘জানে তু ইয়া জানে না’ খ্যাত অভিনেতা ইমরান খানের কিশোর রোমান্স সত্য হয়েছিল যখন তিনি অবন্তিকা মালিককে ১০ বছর ডেটিং করার পর বিয়ে করেছিলেন। এই দম্পতি ২০১১ সালের ১০ জানুয়ারী গাঁটছড়া বাঁধেন।

Rahul Dravid: টিনেজারের দ্রাবিড়ীয় ‘ক্রাশ’ আজও অমলিন

টিংকু মণ্ডল: একবিংশ শতাব্দীর দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আজকের জেনারেশনের কাছে সবচেয়ে থেকে আকর্ষণীয় বিষয় হল মোবাইল, ইন্টারনেট ও সোশাল মিডিয়ায় নিজের স্ট্যাটাস আপডেট করা৷ এমনকি এই চটকদারিতে পিছিয়ে নেই এখনকার টিনেজাররাও৷ তাদের কাছে সব থেকে প্রিয় বিষয় হল ইন্টারনেট গেম ও একবিংশ শতাব্দী ‘ক্রাশ’ শব্দটিকে তারা তাদের গেমিং সুপার হিরোদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করে থাকে৷

নব্বইয়ের দশকে ভারতীয়দের কাছে অন্যতম প্রিয় ‘গেম’ হল ক্রিকেট এবং গেমিং ক্রাশ বলতে সেই সময়কার জনপ্রিয় খেলোয়াড়দের নাম৷ যাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন রাহুল শরদ দ্রাবিড়৷ তাঁর ব্যক্তিত্ব, লুকস, স্টাইল, ব্যাটিংয়ের ধরন ও স্মার্টনেস সবকিছু নিয়ে তিনি ছিলেন অনবদ্য৷ তাঁর সবথেকে আকর্ষণীয় যে বিষয়টি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করত তা হল, তাঁর নম্রতা ও ভদ্রতা৷ আর সব থেকে বেশি যে জিনিটির প্রতি সব মেয়েরা পাগল ছিল, তা হল স্মাইল৷

রাহুল দ্রাবিড় সে সময় শুধুমাত্র অষ্টাদশী মহিলাদেরই নয়, মন জয় করে ছিলেন টিনেজারদেরও৷ সেই সময় নেটদুনিয়া ও সোশাল মিডিয়ায় এখনকার মতো আড়ম্বর ছিল না৷ তাই, সেই জেনারেশনের কাছে একটা দু’ টাকা দামের পোস্টকার্ডই ছিল অনেক বেশি দামি৷ শুধু পোস্ট কার্ডই নয়, যে কোনও ক্রিকেটবুক থেকে পাওয়া ছবি এমনকি পেপার কাটিংয়ের চল ছিল প্রচুর৷ পেপসির বোতোলের গায়ে লাগানো ব়্যাপার থেকে শুরু করে পোস্টকার্ড, স্ট্যাম্প সাইজ ফোটো সবকিছুকেই ডায়েরিতে স্মৃতি হিসেবে সংগ্রহ করে রাখা ছিল টিনেজারদের কাছে অনেকবেশি গুরুত্বপূর্ণ৷

তখন ভারতীয় ক্রিকেট দলে রাহুল দ্রাবিড় ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের জুটি ছিল অনবদ্য৷ ১৯৯৯ সালের ২৬ মে, টনটনে বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলে ক্রিকেটবিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন টিম ইন্ডিয়ার এই দুই তরুণ তুর্কি৷ ওয়ান ডে ক্রিকেটে প্রথমবার তিনশোর পার্টনারশিপের রেকর্ড গড়েছিলেন রাহুল ও সৌরভ৷ ম্যাচে দ্রাবিড় মাত্র ১২০ বলে একটি ছক্কা ও ১৭টি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ১৪৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন৷ যা ছিল ‘দ্য ওয়াল’-এর স্বভাববিরুদ্ধ৷ সৌরভ-রাহুলের এই পার্টনারশিপ ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে স্বর্ণময় মুহূর্ত হিসেবে লেখা হয়েছে৷ সৌরভ বাঙালি হিসেবে আমাদের মনে এক আলদা জায়গা করে নিয়েছিলেন৷ কিন্তু প্রচুর বাঙালি টিনেজার থেকে শুরু করে বয়স্ক ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে ‘ঘরের ছেলে’ হয়ে উঠেছিলেন দ্রাবিড়৷

নিজের ড্যাশিং পার্সোনালিটি দিয়ে টিনেজারদের স্বপ্নের নায়ক হয়ে উঠেছিলেন রাহুল৷ সেই সময় এখনকার মতো সারা বছর ধরে ক্রিকেটেদর দাপাদাপি ছিল না৷ ছিল না টি-২০ বা আইপিএল-এর মতো জনপ্রিয় ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণ৷ ফলে সে সময় ভারতীয় দলের খেলা মানেই সবার মনে আলাদা উদ্বেগ থাকত৷ বাংলা মিডিয়াম স্কুলের পরীক্ষার সময় টিভি-তে ভারত-পাক ম্যাচ থাকলেও তা যেন কিছুতেই মিস করা যেত না৷ তখন অংক পরীক্ষার যোগ-বিয়োগ, গুণ-ভাগকে দূরে সরিয়ে রেখে বাইশ গজে কোনও খেলোয়াড় কত রান করল বা কোন দল কত উইকেট হারাল তা জেনে ওঠাই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ৷ আর এই হিসেব থেকে বাদ পড়তেন না দ্রাবিড় নিজেও৷

টিভি-র ওপারে রাহুলের রানের যোগ-বিয়োগ হিসেব করতে বসতেন টিভি-র এপারে থাকা ক্রিকেটপ্রেমীরা৷ তখনকার টিনেজারের কাছে রাহুলের জনপ্রিয়তা আজও বিদ্যমান৷ সেদিনের টিনেজার আজ মাঝ বয়সি মহিলা হয়ে উঠলেও পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই দ্রাবিড়ের প্রেমে মশগুল৷ সদ্য ভারতীয় দলের কোচ হয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে যাওয়া দ্রাবিড় দু’দশক আগের সেই প্রেমকেই যেন আবার প্রাণবন্ত করে তুললেন৷ ক্রিকেটের ‘দ্য জেন্টেলম্যান’ আজও তাঁর ফ্যানদের মনের মণিকোঠায় জায়গা ধরে রেখেছেন৷

বলিউডে সবচেয়ে জনপ্রিয় ৭ পরকীয়া প্রেম কাহিনি

amitabh-rekha

নিউজ ডেস্ক: বলিউড তারকাদের পরকীয়ার ঘটনা সব সময় খবরের শিরোনামে থাকে।সারা বিশ্বের নজর তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনের ওপর সব সময় থাকে। সেই কারণেই তারকাদের জীবনে যে কোন ছোট বড় ঘটনা মানুষের কাছে চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে।

অমিতাভ বচ্চন-রেখা
অমিতাভ-রেখার প্রেম কাহিনী আজীবন রহস্যময় রয়ে গেছে। বলিউডে এই জুটি একের পর এক সুপারহিট ছবি দিয়েছে তা।র সঙ্গেই তাদের প্রেম কাহিনীর গল্পও আনাচে-কানাচে কান পাতলেই শোনা যেত। তবে অমিতাভের স্ত্রী জয়া বচ্চন ,রেখা কে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে কোনও ভাবেই তিনি তার স্বামী অমিতাভ বচ্চনকে ছাড়বেন না। পরবর্তী সময়ে এই জুটিকে আলাদা হয়ে যেতে হয়। তবে আজও তাদের কাহিনী যেন অজানাই রয়ে গেছে।

মিঠুন চক্রবর্তী- শ্রীদেবী
মিঠুন শ্রীদেবীর সম্পর্কের কথা মানুষের কাছে অজানা ছিল না। তবে স্ত্রী যোগিতা বালির সম্মানের কথা ভেবে কোনদিনও লোক সমাজে শ্রীদেবীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি মিঠুন চক্রবর্তীর। অনেকে বলে মিঠুন চক্রবর্তী এবং শ্রীদেবী চুপিসারে বিয়ে করেছিলেন। তবে যোগিতা বালির আত্মহত্যা করার চেষ্টার ফলে তাদের এই বিয়ে এবং সম্পর্ক ভেঙ্গে দিতে হয়।

শাহরুখ খান -প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
বি-টাউনের সবথেকে সত স্বামী হিসেবেই পরিচিত ছিলেন শাহরুখ খান ।তবে কিং খান এবং প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার পরকীয়ার গুঞ্জনে তার এই ছবি ভেঙে যায়। বলা হয় ‘ডন’ ছবির শুটিংয়ের সময় তারা সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এই সম্পর্কের জেরে নাকি শাহরুখ গৌরীর সংসার ভাঙতে বসেছিল। তবে শেষ রক্ষা করতে সফল হয়েছিলেন কিং খান। অন্যদিকে গৌরি খান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে কোন দিন প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে ছবি করতে পারবেন না শাহরুখ। তার পর থেকে এই জুটিকে কোন ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতে দেখা যায়নি।

গোবিন্দা -রানী মুখার্জি
‘হদ কর দি আপনে’ ছবিতে গোবিন্দা এবং রানী মুখার্জি অভিনয় করেছিলেন ।সেই সময় তাদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয় বলে গুঞ্জন ছিল বলিপাড়ায়। সেই সময় গোবিন্দা বিবাহিত ছিলেন এবং দুই সন্তান ছিল তার। নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করতে গোবিন্দা প্রায়শই দামি দামি উপহার দিতেন রানী মুখার্জিকে। শুধু তাই নয় সেই সময়ে বলিউডের নতুন অভিনেত্রী রানী মুখার্জিকে বিভিন্ন পরিচালকদের সঙ্গে কাজের জন্য দেখা করাতেন গোবিন্দা। গোবিন্দা এবং রানীর সম্পর্কের কথা গোবিন্দার স্ত্রী সুনিতা জানতে পারেন এই ঘটনার জেরে তাদের সংসারে অশান্তি শুরু হয় ।সুনিতা বাড়ি ছেড়ে চলে যাবেন বলেও প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেন ।তবে শেষমেশ রানী এবং গোবিন্দা সম্পর্কে অজানা কিছু কারণে চিড় ধরে। গোবিন্দা নিজের সংসার ভাঙতে দেননি এবং সুনিতার সঙ্গে এখনও ঘর করছেন।

শত্রুঘ্ন সিনহা- রিনা রায়
শত্রুঘ্ন এবং রিনার সম্পর্কের কথা বলিউডের সকলেই জানতেন। তবে রিনা এই সম্পর্ককে নাম দিতে চেয়েছিলেন ।আর সেখানেই আপত্তি ছিল শত্রুঘ্ন সিনহার।তিনি তার স্ত্রী পুনমকে কোনভাবেই ছেড়ে দিতে রাজি হননি। যার জেরে শত্রুঘ্ন এবং রিনা রায় সম্পর্ক ভেঙে যায় ।অনেকে বলে থাকেন সোনাক্ষী সিনহা রিনার মুখের অদ্ভুত মিল রয়েছে। এমনকি বলা হয় শত্রুঘ্ন রিনা সন্তান সোনাক্ষী। তবে সে কথা কখনওই পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়নি ।এমনকি এই ধরনের গুজব উড়িয়ে দিয়েছে সিনহা পরিবার।

হৃত্বিক রোশন-বারবারা মোরি
‘কাইট’ ছবিটি নাম না করতে পারলেও এই ছবিতে অভিনীত জুটি হৃত্বিক রোশন এবং বারবারা মোরির সম্পর্ক যথেষ্ট চর্চায় এসেছিল ।সেই সম্পর্কের জেরে সুজান এবং ঋত্বিককের সম্পর্কে চিড় ধরা শুরু করে ।এমনকি ঋত্বিক রোশনের বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা ভেবেছিলেন সুজান। তবে সেই সময় পরিস্থিতি সামলে নেন হৃত্বিক রোশন। সুজানকে বাড়ি ছেড়ে যেতে হয়নি। তবে পরবর্তী সময়ে ২০১৪সালে ঋত্বিক এবং সুজানের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

আদিত্য পাঞ্চোলি- কঙ্গনা রানাওয়াত
আদিত্য পাঞ্চোলির স্ত্রী জারিনা ওয়াহাব নিজে সকলের সামনে স্বীকার করেছিলেন যে তার স্বামী আদিত্য পাঞ্চোলির সঙ্গে কঙ্গনা রানাওয়াত এর সম্পর্ক রয়েছে। ধীরে ধীরে বলিউডের সমস্ত অনুষ্ঠানে কঙ্গনা এবং আদিত্যকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছে ।তাদের সম্পর্কের কথা আর অজানা ছিলনা ।তবে পরবর্তী সময়ে তাদের সম্পর্ক ভেঙে যায় এবং তা পরিণত হয় শত্রুতায়। আদিত্য পাঞ্চোলি এবং কঙ্গনা রানাওয়াত একে অপরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন একাধিক সময়।