फिरहाद, मदन के घर पर सीबीआई की तलाशी से अभिषेक खुश: सुकान्त

sukanta mazumdar

भर्ती भ्रष्टाचार मामले में फिरहाद हकीम, मदन मित्रा के घरों पर सीबीआई की तलाशी से तृणमूल महासचिव अभिषेक बनर्जी खुश हैं. यह बात भाजपा के प्रदेश अध्यक्ष सुकांत मजूमदार ने रविवार दोपहर प्रेस कॉन्फ्रेंस में कही. उन्होंने कहा कि अगर ममता बनर्जी के साथ राजनीति करने वालों को हटा दिया जाए तो अभिषेक बनर्जी पार्टी संभालने में खुश हैं. इस दिन सुकांत ने कहा कि मुझे खबर है कि अभिषेक बनर्जी फिरहाद के घर पर सीबीआई सर्च से खुश हैं. हकीम और मदन मित्रा. ये चीजें दिखाकर वह आसानी से टीम को मैदान से बाहर भेजकर उस पर नियंत्रण हासिल कर सकते हैं।

अब तृणमूल के अंदर 2 पार्टियां बन गयी हैं. एक गुट ममता बनर्जी के साथ राजनीति करने वालों के साथ है, दूसरा अभिषेक और उनके समर्थकों के साथ है. कोई भी अभिषेक को नेता के रूप में स्वीकार नहीं करेगा यदि वह करुणा के साथ राजनीतिकरण को दूर नहीं कर सकते। इसलिए पार्टी के पोस्टर बैनर से ममता बनर्जी की तस्वीर गायब है. यहां तक कि अभिषेक के धरना मंच पर ममता का पसंदीदा नीला और सफेद रंग भी छूट गया है. इस दिन सुकांत ने सवाल उठाया, सुबह से कई घंटे से मदन, फिरहाद के घर पर सीबीआई सर्च चल रही है. अभिषेक बनर्जी मंच पर हैं. उन्होंने अभी तक जवाब क्यों नहीं दिया? क्योंकि वह मन ही मन प्रसन्न है. नियुक्ति में हुए भ्रष्टाचार की जांच के लिए रविवार सुबह 9 बजे से सीबीआई फिरहाद और मदन के अलावा राज्य के कई नगर निगमों के घरों की तलाशी ले रही है। सीबीआई का दावा है कि 2014 से अब तक 68 नगर पालिकाओं में 6000 में से 5000 नियुक्तियां फर्जी हैं.

আইকোর মামলায় এবার স্বপুত্র মদনকে তলব করল সিবিআই

নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের দুই মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানস ভুঁইয়ার পর আইকোর মামলায় এবার মদন মিত্রকে তলব করল সিবিআই। যদিও একা মদন নয়, তাঁর বড় ছেলে স্বরূপ মিত্রকেও একই মামলায় তলব করা হয়েছে। আইকোর মামলায় আগে ইডি-র জেরার মুখোমুখি হয়েছিলেন স্বরূপ।

আরও পড়ুন ‘এক ভাঁড় ১৫ লক্ষ টাকা’, মোদীকে ঠুঁকলেন চা-বিক্রেতা মদন

সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, আজই মদন মিত্রকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার হাজিরা দিতে বলা হয়েছে মদন-পুত্র স্বরুপ মিত্রকে। যদিও কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক আজ সিজিও-তে যাবেন কিনা তা এখনও জানা যায়নি। মদন জানিয়েছেন, ‘‘এখনও পর্যন্ত সিবিআই এর তরফ থেকে কোনও নোটিস আমি পাইনি। নোটিস পেলে তদন্তে সহযোগিতা করব।” 

আরও পড়ুন কয়লাকাণ্ডে ইডির জেরা শেষে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন অভিষেক

আইকোর কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে একটি ভিডিয়ো ফুটেজ এসেছে। যেখানে দেখা গিয়েছে,সংস্থার কর্ণধার অনুকূল মাইতির সঙ্গে একটি অনুষ্ঠান মঞ্চে হাজির রয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তারপরই রাজ্যের দুই মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মানস ভুঁইয়াকে তলব করেছিল সিবিআই। কিন্তু পার্থ সিবিআই-কে জানিয়েছিলেন, ভবানীপুর উপনির্বাচনের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তিনি হাজিরা দিতে পারবেন না। এর পর সিবিআই আধিকারিকরা শিল্প দফতরে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন পার্থকে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে রাজ্যের জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়াকেও। খাদ্য ভবনে গিয়ে তাঁকে জেরা করে সিবিআই গোয়েন্দারা।

‘ওহ লাভলি’: পরনে হলুদ ধুতি আর খালি শরীরে সোশাল মিডিয়ায় মদন-ঝড়

madan mitra

মদন মিত্র নামেই বৈচিত্র৷ রাজনীতি ছাড়াও তাঁর নানা কীর্তিকলাপ সুপার ডুপার হিট৷ আর সোশ্যাল মিডিয়ায় আর পাঁচটা রাজনৈতিক নেতার চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয় সবার ‘মদনদা’৷ আর সেই মদন মিত্রের স্যোশাল মিডিয়া শেয়ার করা ছিল রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছে৷ রইল সেই সমস্ত ছবি৷

‘এক ভাঁড় ১৫ লক্ষ টাকা’, মোদীকে ঠুঁকলেন চা-বিক্রেতা মদন

Madan mitra

নিউজ ডেস্ক: মদন মিত্র মানেই আন লিমিটেড বিনোদন! ভোটে জেতার পর প্রথমদিন বিধানসভায় গিয়েছিলেন খোদ দুবাই থেকে আমদানী করা জুতো পা’য়ে দিয়ে। দিনকয়েক আগেই পেট্রোপণ্যের মূল্যবূদ্ধির প্রতিবাদে হাতে টানা রিকশা চালিয়েছিলেন। তারপর পেগাসাস ইস্যুতে পক্ষীরাজের আদলে সাজানো ঘোড়া নিয়ে চোখে কালো কাপড় বেঁধে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মিছিল করেছেন। চলতি সপ্তাহের রবিবারও তেমনই সবাইকে চমকে দিলেন তিনি।

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বর্তমানের তৃণমূল বিধায়ক রবিবাসরীয় দুপুরে নিজের পাড়া ভবানীপুরে চা বিক্রি করলেন। যার এক ভাঁড়ের দাম ১৫ লক্ষ টাকা। চা বানাতে বানাতে দুকলি গানও গাইলেন বাংলার ক্রাশ। তাঁর পিছনে তখন অনুগামীরা সবাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুখোশ পরে দাঁড়িয়ে।

২০১৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে বিদেশ থেকে কালো টাকা এনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নরেন্দ্র দামোদরদাশ মোদী। আর তা হলে প্রত্যেক দেশবাসীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পনেরো লক্ষ টাকা করে দেবেন, এমনটাও জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ক্ষমতায় আসার সাত বছর পরের দেশে ফেরেনি কালো টাকা। উল্টে জ্বালানি-রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে নাভিশ্বাস আমজনতার। বহুদিন আগেই সেঞ্চুরি করে ফেলেছে পেট্রোলের দাম। সেই সমস্ত কিছুর প্রতিবাদেই অভিনব পন্থা নিলেন মমতার বিশ্বস্ত সঙ্গী।

এদিন মদন মিত্রের গলায় স্লোগান ছিল, “এক কাপ চায়ের দাম ১৫ লক্ষ টাকা। এমন চা আমেরিকার রাষ্ট্রপতিও খাওয়াতে পারেননি। যা নরেন্দ্র মোদী আমাদের খাওয়াচ্ছেন।” অন্যদিকে ভোটে জেতার জন্য নিজের চা-বিক্রেতা ইমেজকেও হাতিয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ইমেজকেও ঠুঁকে দিলেন বাংলার এই রসিক রাজনীতিবিদ।