लीची लदे ट्रक की हाइजैकिंग के मामले में तीन दोषी करार, 13 को मिलेगी सजा

कोलकाता : एक दशक पहले पश्चिम बंगाल के मालदा से धनबाद जा रहे 84 हजार लीचियों से भरे एक ट्रक को आसनसोल के सालानपुर थाना क्षेत्र के मेलेकोला के पास हाइजैक कर लिया गया था। आसनसोल जिला अदालत ने केस पर 11 साल की लंबी सुनवाई के बाद मामले में गिरफ्तार पांच आरोपियों में से तीन आरोपियों अमित राउत, रामकुमार साव, अजय साव को दोषी करार दिया।

तीनों को न्यायिक हिरासत में फिलहाल जेल भेज दिया गया है। सरकारी अधिवक्ता स्वराज चटर्जी उर्फ बच्चू ने बताया कि न्यायाधीश 13 जून को तीनों दोषियों को सजा सुनायेंगे। आपको बतादें कि 23 मई 2013 को मालदा से 84 हजार लीची लेकर एक ट्रक धनबाद जा रहा था। उस ट्रक के सामने एक कार व एक मोटरसाइकिल आ गई और रास्ता रोक दिया।

उस कार व बाइक में सवार लोगों ने ट्रक ड्राइवर व खलासी के साथ मारपीट की और बदमाशों ने ट्रक लूट लिया और उनके मोबाइल फोन, पैसे समेत सब कुछ लेकर भाग गये। ट्रक चालक व खलासी ने सबसे पहले मामले की सूचना पास के कुल्टी थाना चौरंगी चौकी को दी।

लेकिन घटनास्थल सालानपुर थाने का होने के कारण चौरंगी फांड़ी से मामले की सूचना सालानपुर थाने को दी गयी। तभी आसनसोल ने दुर्गापुर पुलिस कमिश्नरेट के पुलिस नियंत्रण कक्ष को चौरंगी फांड़ी की पुलिस ने ट्रक हाइजैकिंग में आरटी संदेश भेजा। उसी दिन शिकायत के आधार पर सालानपुर थाने में कई धाराओं में प्राथमिकी दर्ज की गई।

उस मैसेज के मिलने के बाद आसनसोल और संबंधित पुलिस स्टेशनों को अलर्ट कर दिया गया। इस बीच सालानपुर के थानेदार प्रसनजीत राय ने श्यामल विश्वास से बात करने के बाद इस संबंध में प्राथमिकी दर्ज करायी। उसे पता चला कि बदमाश ट्रक को पुरुलिया की ओर ले जा रहे हैं। पुरुलिया पुलिस को इसकी सूचना दी गयी।

जिसके बाद पुरुलिया पुलिस ने लीची से भरे ट्रक को जब्त कर लिया। सालानपुर थाना प्रभारी प्रसेनजीत राय लीची लदे ट्रक के साथ तीनों आराेपियों को सालानपुर ले आये। फिर उनके खिलाफ मामला दर्ज किया गया। बाद में ट्रक चालक व खलासी ने टीआइ परेड के जरिये अपराधियों की पहचान की. इस बीच, तीनों बदमाशों को हिरासत में लेकर पूछताछ करने पर सालानपुर पुलिस को पता चला कि अपहरण कांड में गिरफ्तार अमित राउत के अलावा रामकुमार साव, अजय राम, घनश्याम यादव और सतीश महतो उर्फ बिट्टू भी शामिल थे। पुलिस ने उन्हें भी गिरफ्तार कर लिया है।

Maldah: TMC মালদা জেলা নেত্রীর দাবি, আগ্নেয়াস্ত্র নয় লাইটার!

Mrinalini Mandal Maity

News Desk: বিতর্কিত ছবির পর সাফাই! মালদা (Maldah) জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মৃণালিনী মণ্ডল মাইতির বন্দুক হাতে সেলফি তোলার কারণ জানালেন। সংবাদমাধ্যমের কাছে তাঁর দাবি, হাতে কোনও আগ্নেয়াস্ত্র নয় ওটা আসলে একটা লাইটার। 

টিএমসি জেলা নেত্রীর অভিযোগ, তাঁকে অপদস্থ করতেই এই ছবি ছড়ানো হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এতে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। তিনি জানান, পরিচিত একজন এই লাইটার দিয়ে ছবি তুলেছিলেন। এটি এক বছরের পুরনো।

এদিকে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সেলফি তুলে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মৃণালিনী মণ্ডল মাইতি চরম বিতর্কে জড়িয়েছেন। ছবি দেখে চমকে যাচ্ছেন নেটিজেনরা। মালদা জেলা টিএমসি নেত্রী বিতর্কে এমন সময় জড়ালেন যখন খোদ দলনেত্রী তথা মুৃখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ সফর শুরু করেছেন।

তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে বারবার বার্তা দেওয়া হয়েছে, আসন্ন পৌর নির্বাচনে কোনওরকম গায়ের জোর বা হুমকি দেওয়া বরদাস্ত করা হবে না। দলের তরফে বার্তার পরেও মালদা জেলা টিএমসি নেত্রীর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সেলফি তুলে বিতর্ক উস্কে দিয়েছেন।

পুরাতন মালদা পঞ্চায়েত সমিতির দফতরের মধ্যেই সভাপতি তথা মালদা জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মৃণালিনী মন্ডল মাইতি এই ছবি তুলেছেন। তিনি আগেও জড়িয়েছেন বিতর্কে। তাঁর বিরুদ্ধে বিডিও অফিসের মধ্যে সরকারি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে। রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেন, আগ্নেয়াস্ত্রটি খেলনা নাকি আসল তা পুলিশ অনুসন্ধান করে বলবে। তবে ছবিতে দেখে এটি আসল আগ্নেয়াস্ত্র বলেই মনে হয়েছে

Maldah: TMC মালদা জেলা নেত্রীর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সেলফি!

Mrinalini Mandal Maity

News Desk: আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সেলফি তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর। দেখে চমকে যাচ্ছেন নেটিজেনরা। মালদা (Maldah) জেলা টিএমসি নেত্রী মৃণালিনীর মণ্ডল মাইতি আগ্মেয়াস্ত্র নিয়ে সেলফি পোস্ট দিয়ে প্রবল বিতর্কে জড়ালেন। তাও এমন সময় যখন খোদ দলনেত্রী তথা মুৃখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ সফর শুরু করেছেন।

এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে বারবার বার্তা দেওয়া হয়েছে, আসন্ন পৌর নির্বাচনে কোনওরকম গায়ের জোর বা হুমকি দেওয়া বরদাস্ত করা হবে না। দলের তরফে বার্তার পরেও মালদা জেলা টিএমসি নেত্রীর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সেলফি তুলে বিতর্ক উস্কে দিলেন।

অভিযোগ পুরাতন মালদা পঞ্চায়েত সমিতির দফতরের মধ্যেই সভাপতি তথা মালদা জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মৃণালিনী মন্ডল মাইতির অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ছবি তুলেছেন। জেলা নেত্রীর আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ছবি দেখে অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। তবে এই ছবির সত্যতা যাচাই করেনি kolkata24x7.in

পুরাতন মালদা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা মালদা জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মৃণালিনী মন্ডল মাইতি আগেও জড়িয়েছেন বিতর্কে। তাঁর বিরুদ্ধে বিডিও অফিসের মধ্যে সরকারি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে।

রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেন, আগ্নেয়াস্ত্রটি খেলনা নাকি আসল তা পুলিশ অনুসন্ধান করে বলবে। তবে ছবিতে দেখে এটি আসল আগ্নেয়াস্ত্র বলেই মনে হয়েছে

মালদহের কলেজে চাকরিতে বাধ্যতামূলক ‘হিন্দি’, প্রতিবাদে পথে বাংলাপক্ষ

নিউজ ডেস্ক: মালদহে গনি খান চৌধুরীর নামাঙ্কিত কেন্দ্রীয় সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে হিন্দি না জানলে চাকরি হয়না, কমিয়ে দেওয়া হয় ভর্তিতে বাংলার ছাত্রছাত্রীদের কোটা, পালন করা হয়না গনি খান চৌধুরীর জন্মদিন। অন্যদিকে ধুমধাম করে পালিত হয় ‘হিন্দি দিবস’, পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত হলেও কলেজের সব ভবন ও সাইনবোর্ডে বাংলা ভাষায় লেখা নেই। এই ইস্যুগুলিকে কেন্দ্র করেই এবার পথে নামল বাংলাপক্ষ। 

আরও পড়ুন বিজেপির ষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাংলাকে বাঁচাতে পথে নামল বাংলাপক্ষ

‘বাংলার মাটিতে বাঙালিকে বেদখল করার চেষ্টা করছে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী বিজেপির কেন্দ্রীয় সরকার। সেই লক্ষ্যেই উত্তরবঙ্গকে আলাদা রাজ্য ঘোষণা করার দাবি তুলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। একইভাবে জঙ্গলমহলকেও আলাদা রাজ্য ঘোষণার দাবি তুলেছে পদ্মশিবির।’ মালদহের নারায়ণপুরে গনি খান চৌধুরী ইন্সটিট্যুট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনলজির সামনে বিশাল মিছিল করে এবং ডেপুটেশন দিয়ে তারই প্রতিবাদ জানাল বাংলাপক্ষ।

মালদহের নারায়ণপুরে গনি খান চৌধুরী ইন্সটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনলজির সামনে বাংলাপক্ষর মিছিল।

আরও পড়ুন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ISIS জঙ্গি শামীমা এখন ফ্যাশন পোশাকে, লন্ডনে ফিরতে মরিয়া

বাংলাপক্ষর কর্মসূচীর দিন কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে কলেজে বাঙালি ছাত্রছাত্রীদের আসতে নিষেধ করা হয় বলে অভিযোগ এই সংগঠনের। কলেজ কর্তৃপক্ষও ডেপুটেশন নিতে প্রাথমিকভাবে অস্বীকার করলেও পরে তারা ডেপুটেশন গ্রহন করে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘এলাকার জমিহারা বাঙালি পরিবারের সদস্যরাও এই জমায়েতে যোগ দেয়।’

আরও পড়ুন বাংলাপক্ষের দাবি মেনে WBSEDCL-এ বাধ্যতামূলক হল বাংলা ভাষার পরীক্ষা

প্রতিবাদে উপস্থিত ছিলেন বাংলাপক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আজ আমরা সহজ পাঠ পড়াতে এসেছিলাম। বাঙালির দাবি না মানলে বাংলাপক্ষ কঠিন পাঠ পড়াবে।” এই প্রতিবাদে অংশ নিতে কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, হাওড়া, কলকাতা থেকেও বাংলাপক্ষর প্রতিনিধিরা এসেছিলেন। উপস্থিত ছিলেন বাংলাপক্ষর মালদা জেলা সম্পাদক মোহম্মদ রাফিক আহমেদ, মালদা বাংলাপক্ষর পর্যবেক্ষক শোয়েব আমিন প্রমুখ।