Sania Mirza: ভারত-পাক ম্যাচ নিয়ে সানিয়া মির্জার চাঞ্চল্যকর মন্তব্য, প্রতিক্রিয়া যুবরাজের

sania mirza

স্পোর্টস ডেস্ক: ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে ক্রিকেট ম্যাচ সকল সময়েই হাই ভোল্টেজ এবং উভয় পক্ষের ভক্তরা সোশাল মিডিয়ায় তাদের নিজেদের দলকে সমর্থন করে। পাকিস্তানি খেলোয়াড় শোয়েব মালিক ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জাকে বিয়ে করেছেন এবং প্রায়শই শোয়েব বা সানিয়া উভয় পক্ষের ভক্তদের দ্বারা ট্রোল হয়ে থাকেন। 

এমন পরিস্থিতিতে এবার সানিয়া টি -২০ বিশ্বকাপে ভারত- পাকিস্তান ম্যাচের দিন সোশাল মিডিয়া থেকে বিরতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রাক্তন ভারতীয় খেলোয়াড় যুবরাজ সিং সানিয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন।

sania-mirza

সানিয়া মির্জার ইনস্টাগ্রামে একটি রিলের ভিডিও রয়েছে যাতে তিনি তার সিদ্ধান্তের কথা বলেছেন। সানিয়া একটি গানে অভিনয় করেছেন এবং কোণে একটি টেক্সট বার্তাও লিখেছেন। বলা হয়েছে যে ভারত এবং পাকিস্তানের ম্যাচের দিন আমি ‘toxicity’ (বিষাক্ততা) থেকে দূরে থাকার জন্য সোশাল মিডিয়াতে অনুপস্থিত থাকবো। এই পোস্টে মন্তব্য করে প্রাক্তন ভারতীয় তারকা যুবরাজ সিং ‘Good idea’ লিখেছেন। সানিয়ার এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন যুবরাজ।

প্রসঙ্গত, ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে ম্যাচ দুবাইয়ে ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। প্রতিবারই দুই দেশের ম্যাচে তীব্র প্রতিযোগিতা হয়। ভারতে সন্ত্রাসবাদী ঘটনার কারণে, দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সিরিজ হচ্ছে না। কিন্তু উভয় দলকে বিশ্বকাপ এবং অন্যান্য আইসিসি ইভেন্টে খেলতে দেখা গিয়েছে।
টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় দল সব সময়ই এগিয়ে। এখন পর্যন্ত সাদা বলের ফর্ম্যাটে উভয় বিশ্বকাপেই ভারতীয় দল প্রতিবারই জিতেছে। টিম ইন্ডিয়া ভালো খেলা দেখিয়ে পাকিস্তানকে পরাজিত করেছে। এবারও কোটি কোটি ভক্ত দুই দলের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা দেখার প্রত্যাশা করছে।

পাকিস্তান ম্যাচের আগে গেইল-ধোনির একান্ত আলাপচারিতা ঘিরে উত্তাপ তুঙ্গে

Gayle and Dhoni

স্পোর্টস ডেস্ক: ২৪ অক্টোবর দুবাই’র মাটিতে আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ মুখোমুখি হতে চলেছে চির প্রতিদ্বন্দ্বী ভারত এবং পাকিস্তান। ইতিমধ্যেই ভারত ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নিজেদের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে ৭ উইকেটে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানও নিজেদের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছে, ৭ উইকেটে।

হাইভোল্টেজ ম্যাচে নামার আগে দুই দলই আত্মবিশ্বাসে টগবগ করে ফুটছে। দুবাই’র আইসিসি আকাদেমি গ্রাউন্ডে সোমবার ৩.৩০ মিনিটে প্রস্তুতি ম্যাচ ছিল পাকিস্তানের, ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে। আর একই ভেন্যুতে ভারতের প্রস্তুতি ম্যাচ ছিল ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতীয় সময়ে সন্ধ্যে ৭.৩০ মিনিটে।

মাঠেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের সঙ্গে মুখোমুখি সাক্ষাৎ ঘটে যায় টিম ইন্ডিয়ার মেন্টর এমএস ধোনির। বেশ কিছুক্ষণ গেইল আর ধোনি কথা বলেন। টি-২০ বিশ্বকাপের উত্তাপে ক্রিস গেইল এবং টিম ইন্ডিয়ার মেন্টর এম এস ধোনির মধ্যে কথাবার্তা নিছকই সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ নয় এটা নিশ্চিত।

বিশেষত আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচ ভারত পাকিস্তানের মধ্যে কয়েকদিন পরেই। আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নিজেদের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে এবং ৭ উইকেটে পরাজিত হয়েছে। তাই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ক্রিস গেইলের ক্রিকেটীয় অভিঞ্জতা, দর্শনকে বুঝে নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইবেন না টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক ধোনি বলাই চলে।

নিজের আন্তজার্তিক ক্রিকেট কেরিয়ারে এম এস ধোনি গোটা ক্রিকেট দুনিয়ার কাছে ‘ক্যাপ্টেন কুল’। ঠান্ডা মাথায়, ছক কষে বিরুদ্ধ দলকে কিভাবে দুরমুশ করতে হয়, সে পাঠ মাহির রক্তে মিলেমিশে গিয়েছে। নার্ভের লড়াইতে ধোনির চালে বারে বারে মাথা ঠুকতে হয়েছে বিশ্বের তাবড় ব্যাটসম্যানদের।

বিশ্বকাপের পরিসংখ্যান ঘাটলে দেখাই যাবে পাকিস্তান কোনও দিনই ভারতের বিরুদ্ধে বাইশ গজে পেরে উঠতে পারেনি। তবে কিংবদন্তী ক্রিকেটার নেভিল কার্ডাসের কথাও ফেলনা নয়। ‘রেকর্ড বুক হল গাধা’ কিংবদন্তী ক্রিকেটারের এমন মন্তব্য কপালে চিন্তার বলি রেখাকে গাঢ় করে তোলে বৈকি। তাইই, এম এস ধোনির সঙ্গে ক্রিস গেইলের সাক্ষাৎ’কে নিছক সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ বললে ভুল বলা হবে। পাক বধের ব্লু প্রিন্ট কষতেই মাহির গেইলের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতা।

আইসিসি ওডিআই(৫০ ওভারের) বিশ্বকাপে ভারত এবং পাকিস্তান মোট ৭ বার মুখোমুখি হয়েছে। আর ভারত বিশ্বকাপের মঞ্চে ৭ বারই পাকিস্তানকে হারিয়েছে। টি- ২০ বিশ্বকাপে দুই দেশ মোট ৫ বার মুখোমুখি হয়ে ৪ বার পাকিস্তান ভারতের কাছে হেরেছে, এবং ১ টি ম্যাচের ফলাফল টাই হয়েছে।২০০৭ সালের এই টি-২০ বিশ্বকাপের ম্যাচটি আনুষ্ঠানিকভাবে একটি টাই ম্যাচ হিসাবে রেকর্ড করা হয়েছে,ভারত পয়েন্ট পেয়েছে বোল্ড আউটে।ভারতের দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচ রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে, ২০ অক্টোবর, দুবাই’র আইসিসি আকাদেমি গ্রাউন্ডে।

Warm-up Match T20 World Cup: শামির দাপট প্রস্তুতি ম্যাচে, ইংল্যান্ড ছুঁড়ে দিল কড়া চ্যালেঞ্জ ভারতকে

স্পোর্টস ডেস্ক: কোচ রবি শাস্ত্রী আর মেন্টর মহেন্দ্র সিং ধোনির জোড়াফলা আর ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির আগ্রাসী মানসিকতা নিয়ে টিম ইন্ডিয়া দুবাই’র আইসিসি আকাদেমি গ্রাউন্ডে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে নেমে পড়েছে,ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে।

আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে সোমবার ভারতের এই প্রস্তুতি ম্যাচ অস্ত্রে শান দেওয়া র সামিল । ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই প্রস্তুতি ম্যাচে ক্যাপ্টেন কোহলি টসে জিতে বোলিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। ২৪ অক্টোবর ভারত মুখোমুখি হচ্ছে বাবর আজমের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে, দুবাই’র মাটিতে।

ভারতের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে ইংল্যান্ড শুরুটা ভালো করেছিল।জেসন রয় এবং জোস বাটলার জুটি সেট হয়ে গিয়েছিল। ইংলিশম্যানদের প্রথম ধাক্কা দেয় ভারতীয় জোরে বোলার মহম্মদ শামি ইংল্যান্ড অধিনায়ক জোস বাটলারকে (১৮) আউট করে। এরপর শামির শিকার জেসন রয়(১৭)। ইংল্যাণ্ড দুই উইকেট খুইয়ে ধুঁকছে ৪৭ রানে। এরই মধ্যে মালান রাহুল চাহালের শিকার হয় ১৮ রানে।

মিডল অর্ডারে হাল ধরে জনি ব্যারিস্টো এবং লিয়াম লিভিংস্টোন। ১৪.৫ ওভারে ইংল্যান্ডের ১২৯ রানের মাথায় লিভিংস্টোন প্যাভিলিয়নের পথে হাটা লাগান শামির বলে বোল্ড আউট হয়ে, ব্যক্তিগত ৩০ রান করে। ১৮.২ ওভারে জসপ্রীত বুমরাহের বলে জনি ব্যারিস্টো ৩৬ বলে ৪৯ রান করে বোল্ড আউটের শিকার হয়, ইংল্যান্ডের ৫ উইকেট খুইয়ে ১৬৩ রান।

মঈন আলি এই সময়ে ঝড়ো ইনিংস খেলে,২০ বলে অপরাজিত ৪৩ রান এবং ক্রিস ওয়কস এক রান করে নট আউট থেকে যায়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ইংল্যান্ড তোলে ১৮৮ রান,৫ উইকেট হারিয়ে। ভারতের হয়ে মহম্মদ শামি ৩,বুমরাহ ১ এবং চাহার ১ টি করে উইকেট নিয়েছে। ভারতে টার্গেট ১৮৯, ২০ ওভারে। রবিচন্দ্রন অশ্বিন উইকেট পায়নি।

SAFF Championship: সুজন পেরেরার দুরন্ত গোলকিপিং, ব্লু টাইগার্সদের লজ্জাজনক পারফরম্যন্স

India-Sri Lanka match draw

স্পোর্টস ডেস্ক: দশজনের বাংলাদেশকে হাতের নাগালে পেয়েও ১-১ গোলে ড্র করে কোচ ইগর স্টিমাচের ভারত।লজ্জা দিয়েই সাফ অভিযান (SAFF Championship) শুরু করেছিল ব্লু টাইগার্সরা। বৃ্হস্পতিবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গোলশূন্যতে ড্র করলো। একা কুম্ভ হয়ে দূর্গ রক্ষা করে গেলেন শ্রীলঙ্কার গোলকিপার সুজন পেরেরা।

সুনীল ছেত্রী,উদান্ত সিং, মনবীর সিং,মন্দার রাও’রা গোলের সুযোগ পায়নি, তাও’ও নয়। আসলে সুজন পেরেরা এদিন ভারতের বিরুদ্ধে ‘চীনের প্রাচীর’ হয়ে দাঁড়িয়ে পড়েছিল। দুরন্ত সেভ, সঠিক সময়ে বেরিয়ে এসে বল ক্লিয়ারেন্স, নিজের মোটিভেশন সঙ্গে টিমকে মোটিভেট করা। একজন গোলকিপারের চূড়ান্ত যর্থাথতা(একুরেসি) বলতে যা বোঝায়, সবটা, হ্যাঁ পুরোটাই নিঙড়ে দিলেন সুজন পেরেরা।

অতিরিক্ত সময়ের দশ মিনিট পেয়েছিল ভারত,গোলের লকগেট খোলার।ম্যাচের ৯৭ মিনিটে শুভাশিস থেকে ফারুখ হয়ে সাহাল আব্দুল সামাদ চিপ করে বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হয়, সুজন পেরেরা সেভ করায়। ম্যাচের ১২ মিনিটে মন্দার রাও দেসাই বাঁ দিক থেকে ক্রস তোলে,আর সঠিক সময়ে বেরিয়ে এসে (Anticipation) গোলকিপার সুজন পেরেরা বল গ্লাভস বন্দী করে ফেলে।

গোটা ম্যাচে ভারত শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ডমিনেট করেও গোলের মুখ খুলতে পারনি। শ্রীলঙ্কার ডিফেন্স সঙ্গে গোলকিপার সুজন পেরেরার অনবদ্য সিদ্ধান্তের কাছে অনিরুদ্ধ থাপা, অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী,লিস্টনরা বারে বারে পর্যুদস্ত হয়।৪৯ মিনিটে লিস্টনের নীচু গতির দুরন্ত শট দুরন্ত ভাবে ক্লিয়ার করে শ্রীলঙ্কার ডিফেন্স লাইন।

৫৩ মিনিটে ক্লোজ সিচুয়েশনে ইয়াসির মহম্মদের সুইং ফ্রি কিক সুনীল ছেত্রীকে লক্ষ্য করে দেওয় হয়।কিন্তু বিপদ বুঝে ফেলতেই শ্রীলঙ্কার গোলকিপার সুজন পেরেরা বেরিয়ে এসে শরীর এবং হাত হাওয়ায় ভাসিয়ে দিয়ে বলকে পাঞ্চ করে দুরন্তভাবে ক্লিয়ার করেন, ভারত অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী বোকা বনে যায়। ৬০ মিনিটে মন্দার রাও’র গোলমুখী নীচু ক্রস অনিরুদ্ধ থাপা বলের নাগাল পায়নি,বল ক্লিয়ার করে ডিফেন্স লাইন লঙ্কার।

৬৫ সুনীল -লিস্টনের যুগলবন্দী গোলের লকগেট খুলতে পারেনি। ৮৮ মিনিটে উদান্ত সিং বল পিছনে সরে এসে মনবীর সিং’কে লক্ষ্য করে বাড়িয়ে দিলেও শ্রীলঙ্কা ডিফেন্স লাইন সতর্ক থাকায় বল ক্লিয়ার করে দেয়। গোটা ম্যাচে ব্লু টাইগার্সদের সুযোগ হাতছাড়া করার খেসারত, ডিফেন্স লাইনে শ্রীলঙ্কার ফুটবলারদের আটোসাটো ঘেরাটোপ আর লাস্ট লাইন অফ ডিফেন্স গোলকিপার সুজন পেরেরার অনবদ্য গোলকিপিং সাফ কাপে মলদ্বীপের ন্যাশনাল ফুটবল স্টেডিয়ামে ইগর স্টিম্যাচের গেম প্ল্যানের সলিল সমাধি ছাড়া কিছুই নয়।