Omicron : মহারাষ্ট্রে বিদেশ থেকে আসা শতাধিক ব্যক্তি বেপাত্তা

40,000 infected daily, the recovery rate is declining in the country

নিউজ ডেস্ক: আরও বাড়ল দেশে ওমিক্রন (Omicron) আক্রান্তর সংখ্যা। মুম্বইয়ে আরও ২ ওমিক্রন আক্রান্তর হদিশ মিলল। জোহানেসবার্গ ফেরত মহিলার শরীরে ও আমেরিকা ফেরত এক ব্যক্তির দেহেও ওমিক্রনের খোঁজ। সূত্রের খবর, আক্রান্ত উপসর্গহীন। ফাইজারের টিকা নিয়েছিলেন তিনি। শুধু মহারাষ্ট্রেই ওমিক্রন আক্রান্তর সংখ্যা বেড়ে ১০। দেশে ওমিক্রন আক্রান্তর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩। 

ওমিক্রন (Omicron) আতঙ্কের মধ্যে মহারাষ্ট্রে বেপাত্তা বিদেশ থেকে আসা ১০০-র বেশি ব্যক্তি। কল্যাণ ডোম্বিভালি পৌর কর্পোরেশনের ( Kalyan Dombivali Municipal Corporation ) প্রধান বিজয় সূর্যবংশী (Vijay Suryavanshi ) জানান, ‘সম্প্রতি ২৯৫ জন বিদেশ থেকে ফিরেছেন, তার মধ্যে ১০৯ জনের কোনও হদিশ নেই। থানের  টাউনশিপ এলাকার এই বাসিন্দারা বিদেশ থেকে ফিরেই নিখোঁজ।

এর মধ্যে কয়েকজনের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে এবং সর্বশেষ দেওয়া অনেক ঠিকানায় গিয়ে বাড়ি বন্ধ অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। সমস্ত ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশ থেকে কেডিএমসি (KDMC )-তে যারা ফিরেছেন তাঁদের ৭ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। অষ্টম দিনে করোনা পরীক্ষা করতে হবে। কোভিড ফল নেগেটিভ  হলেও, তাঁদের আরও ৭ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে এবং নিয়ম লঙ্ঘন যাতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে হাউজিং সোসাইটির সদস্যদের অনুরোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি জমায়েতের উপরও নজর রাখা হয়েছে।’ 

সোমবার নেপাল (Nepal) সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় সেখানে ২ ব্যক্তি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, নেপাল করোনাভাইরাসের (Coronavirus) ওমিক্রনের দুটি কেস চিহ্নিত করেছে। এঁদের মধ্যে ৬৬ বছর বয়সি এক বিদেশি। যিনি ১৯ নভেম্বর নেপালে এসেছিলেন। মনে করা হচ্ছে, তিনিই করোনার এই নয়া রূপের বাহক ছিলেন। ওই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে এমন এক ৭১ বছরের ব্যক্তির দেহেও ওমিক্রন পাওয়া গিয়েছে। যদিও নেপাল সরকারের তরফে ওই ২ ব্যক্তি কোন দেশের নাগরিক তা জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, ব্রিটেনে আরও ৮৬ জনের শরীরে মিলল করোনার বিপজ্জনক ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। এই নিয়ে ওই দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৪৬।

File missing: হাইকোর্ট থেকে ‘ভ্যানিশ’ ফরেন্সিক রিপোর্ট ফাইল!

high court

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: মামলার ফাইলের হদিস (File missing) নেই। শুনানির দিন ধার্য থাকলেও মামলার ফাইল আসেনি এজলাসে। ফাইল কোথায় বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ রেজিষ্টার জেনারেল কে।

২০১২ সালে কল্লোল গুহ ঠাকুরতা ফরেনসিক পরীক্ষার বিলম্ব নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। এর আগে শুনানির দিন থাকলেও সেদিনও এজলাসে মামলার ফাইল পাঠায়নি হাইকোর্টের ফাইল বিভাগ। শুক্রবার পুনরায় শুনানির দিন থাকলেও কোর্ট মাস্টার প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চকে জানায় আজও ফাইল পাওয়া যাচ্ছে না।

এরপরই প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ বিভাগীয় তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে।

Omicron আতঙ্ক: দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আসা ৫০০ জন নাগরিকের কোন খোঁজ নেই

mumbai

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: ওমিক্রনের (Omicron) আবহে আতঙ্ক আরব সাগর তীরে৷ গত ১৫ দিনে দক্ষিণ আফ্রিকা (south africa) থেকে মুম্বইয়ে বেড়াতে এসেছেন এক হাজারের মত পর্যটক। কিন্তু বৃহনমুম্বই কর্পোরেশন (grater municipal corporation) মাত্র ৪৬৬ জন দক্ষিণ আফ্রিকান নাগরিকের খোঁজ পেয়েছে।

বাকিদের কোনও খোঁজ নেই। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আসা ওই ৪৬৬ জনের মধ্যে ইতিমধ্যেই ১০০ জনের সোয়াব (soab test) পরীক্ষা হয়েছে। বাকি ৫০০-রও বেশি দক্ষিণ আফ্রিকান নাগরিককে খুঁজে বের করতে বৃহনমুম্বই কর্পোরেশন আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে। সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনার নতুন স্ট্রেন ওমিক্রনের (omicron)৷ সন্ধান মিলেছে। উদ্বেগজনক ভাইরাস ওমিক্রন ঠেকাতেই পুরসভার এই বাড়তি উদ্যোগ।

মঙ্গলবার বৃহনমুম্বই মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের অতিরিক্ত কমিশনার সুরেশ কাকানি বলেছেন, মুম্বই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাঁদের জানিয়েছেন গত ১৫ দিনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১০০০ পর্যটক মুম্বই এসেছেন। যাদের মধ্যে ৪৬৬ জন পর্যটকের নাম ঠিকানা-সহ বিস্তারিত বিবরণ পুরসভাকে জানানো হয়েছে। কিন্তু বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে বাকিদের কোনও তথ্যই নেই। কাকানি আরও বলেছেন, ৪৬৬ জনের মধ্যে ১০০ জনের সোয়াব পরীক্ষা করা হয়েছে।

বুধবার সেই পরীক্ষার ফলাফল জানা যাবে। ওই ফলাফল আসলেই বোঝা যাবে আর ওই পর্যটকদের মধ্যে কেউ করোনা পজিটিভ আছেন কিনা। পরীক্ষায় যদি কোনও করোনা পজিটিভ পর্যটকের খোঁজ মেলে তবে তাদের বাধ্যতামূলকভাবে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হবে। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার নিখোঁজ নাগরিকদের মধ্যে যদি কেউ করেনা পজিটিভ বিশেষ করে ওমিক্রন ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তবে সেটা মুম্বই তথা দেশের পক্ষে অত্যন্ত উদ্বেগজনক। স্বাভাবিকভাবেই মুম্বই পুরসভার উদ্বেগ বাড়িয়েছে নিখোঁজ থাকার ৫০০-রও বেশি দক্ষিণ আফ্রিকান নাগরিক। কারণ তাঁদের মধ্যে যদি কেউ ওমিক্রন আক্রান্ত হয়ে থাকেন তবে সহজেই সেটা এ দেশেও ছড়িয়ে পড়বে।

কাকানি আরও বলেছেন, আফ্রিকা থেকে আসা ওই সমস্ত পর্যটকের যদি কেউ করোনা পজিটিভ হয় তবে তাঁদের কোয়ারেন্টাইনে রাখার জন্য ইতিমধ্যেই সেভেন হিল হাসপাতালে বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওই হাসপাতালের কোরেন্টাইন সেন্টারের পরিকাঠামো নতুন করে তৈরি করা হয়েছে। দু-একদিনের মধ্যেই সেখানে অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানো হবে। আক্রান্তদের চিকিৎসা ও ২৪ ঘণ্টার নজরদারির জন্য থাকবেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। আপাতত সেভেন হিল হাসপাতালে দুটি ওয়ার্ড চালু করা হচ্ছে। প্রয়োজনে ওয়ার্ড সংখ্যা আরও বাড়ান হবে।

ট্রেকিং করতে গিয়ে নিখোঁজ ৭ বাঙালি-সহ ১১ জন পর্যটক, উদ্বেগ ছড়াচ্ছে কলকাতায়

Eleven tourists went missing while trekking in Himachal Pradesh.

নিউজ ডেস্ক: হিমাচলপ্রদেশে ট্রেকিং করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে গেলেন ১১ জন পর্যটক। যার মধ্যে ৭ জন বাঙালি। নিখোঁজ হওয়া এই ১১ জন পর্যটক প্রত্যেকেই চলতি মাসের ১১ তারিখে উত্তরাখণ্ডের হর্ষিল থেকে রওনা দিয়েছিলেন। ১৯ অক্টোবর তাঁদের হিমাচল প্রদেশের ছিটকুলে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেখানে পৌছতে পারেননি। তারা এই মুহূর্তে কোথায় আছেন তাও জানা যাচ্ছে না।

আয়োজকরা ইতিমধ্যেই উত্তরকাশী জেলা বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরকে বিষয়টি জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ট্রেকিং টিমের সকল সদস্যকে খোঁজার কাজ শুরু করেছে আইটিবিপি জওয়ানরা।

ট্রেকিং এর আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ অক্টোবর উত্তরাখণ্ডের হর্ষিল থেকে ১১ সদস্যের দলটি ছিটকুলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। ওই পর্যটক দলের ৭ জন কলকাতার বাসিন্দা। নিখোঁজ বাঙালি পর্যটকের মধ্যে রয়েছেন রিচার্ড মন্ডল, মিঠুন দাঁড়ি, সুখেন মাঝি, তন্ময় তিওয়ারি, সাবিয়ান দাস, সৌরভ ঘোষ ও বিকাশ মাকাল। এছাড়াও ওই ট্রেকারদের দলে উত্তরকাশীর তিনজন রাঁধুনি ছিলেন। তাঁদের নাম উপেন্দ্র, দেবেন্দ্র ও জ্ঞানচন্দ্র। ১১ অক্টোবর রওনা দেওয়ার পর তাঁরা কেউই ছিটকুলে গিয়ে পৌঁছয়নি।

উত্তরাখণ্ডের ডিজিপি অশোককুমার সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, খুব সম্ভবত ওই ট্রেকারদের দলটি উত্তরাখান্ড ও হিমাচলের মধ্যবর্তী লামখাগা পাশের কাছে আটকে রয়েছেন। আবহাওয়ার একটু উন্নতি হলে হেলিকপ্টারে তাদের খোঁজার কাজ শুরু হবে। ইতিমধ্যেই জেলা পুলিশ ও বন বিভাগের কর্মীরা ওই পর্যটকদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছেন।

তবে এখনও পর্যন্ত ওই পর্যটকদের হদিশ মেলেনি। আবহাওয়া খারাপ থাকায় বেশিরভাগ এলাকাতেই বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন। সে কারণে ওই ট্রেকারদের কাছে মোবাইল ফোন থাকলেও তা কোন কাজ করছে না। সে কারণে তাদের কোনও খবর মিলছে না। চলতি মাসের ১৭ তারিখ থেকে একটানা প্রবল বৃষ্টি হয়ে চলেছে উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল প্রদেশে। মেঘভাঙা প্রবল বৃষ্টির কারণে দুই রাজ্যই বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। সা

ধারনত অক্টোবর মাসের প্রথম থেকেই নভেম্বর মাসের শেষ পর্যন্ত উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল প্রদেশে ট্রেকিংয়ের জন্য প্রচুর পর্যটক আসেন। কিন্তু আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ হওয়ায় পর্যটকরা অনেকেই হিমাচলে আসতে পারেননি। যারা এসেছেন তাঁরাও এভাবে আটকে যাওয়ায় অনেকেই প্রমাদ গুনছেন। ইতিমধ্যেই কলকাতার বাঙালি পর্যটকদের বাড়িতে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।

তাঁরা সকলেই উত্তরাখণ্ড প্রশাসনের কাছে উদ্ধারের ব্যাপারে খোঁজখবর করছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও আলোর দিশা দেখা যায়নি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফেও উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল প্রদেশ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বাঙালি পর্যটকদের যাতে দ্রুত এবং নিরাপদে উদ্ধার করা যায় সে বিষয়ে সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে হিমাচল প্রদেশ সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।