IPS शिवदीप लांडे ने दिया इस्तीफा

पटना: चर्चित आइपीएस शिवदीप लांडे ने अपने पद से इस्तीफा दे दिया है। वे वर्तमान में पूर्णिया में आइजी के पद पर तैनात थे। 2006 बैच के भारतीय पुलिस सेवा के अधिकारी शिवदीप लांडे ने कहा है कि वो बिहार में ही रहेंगे और यहां के लोगों की सेवा करते रहेंगे। अपने इस्तीफे की जानकारी उन्होंने खुद दी है। इस संबंध में उन्होंने सोशल मीडिया पर एक पोस्ट भी किया है। पोस्ट के जरिए उन्होंने यह भी बताया है कि उनकी आगे की क्या प्लानिंग है।

बिहार के सिंघम के रूप में चर्चित शिवदीप लांडे के वेरीफाइड सोशल मीडिया एकाउंट से यह घोषणा सार्वजनिक की गयी है। दो हफ्ते पहले पूर्णिया आईजी के रूप में उन्होंने योगदान दिया था। तिरहुत जैसे बड़े इलाके से पूर्णिया भेजे जाने पर उनकी नाराजगी की बात फिज़ा में थी और दो हफ्ते बाद ही उनका इस्तीफा सामने आ गया है। बिहार में एक माह के अंदर यह दूसरा मामला है जब कोई आइपीएस अधिकारी ने नौकरी से इस्तीफा दिया है। कुछ दिन पहले लेडी सिंघम के नाम से चर्चित आईपीएस अधिकारी काम्या मिश्रा ने भी निजी कारणों से इस्तीफा सौंप दिया था।

गुरुवार दोपहर सोशल मीडिया पर वर्दी में तिरंगे को सलामी देते हुए तस्वीर शेयर करते हुए आईपीएस शिवदीप लांडे ने लिखा कि शिवदीप लांडे ने लिखा- “मेरे प्रिय बिहार, पिछले 18 वर्षो से सरकारी पद पर अपनी सेवा प्रदान करने के बाद आज मैंने इस पद से इस्तीफा दे दिया है. इन सभी वर्षो में मैंने बिहार को ख़ुद से और अपने परिवार से भी ऊपर माना है। अगर मेरे बतौर सरकारी सेवक के कार्यकाल में कोई त्रुटि हुई हो तो मैं उसके लिए क्षमाप्रार्थी हूं। मैंने आज भारतीय पुलिस सर्विस (IPS) से त्यागपत्र दिया है, परन्तु मैं बिहार में ही रहूंगा और आगे भी बिहार मेरी कर्मभूमि रहेगी।” शिवदीप लांडे के इस्तीफा के बाद अब उनकी आगे की योजना पर चर्चा शुरू हो गयी है।

 

 

Mumbai: বর্ষবরণে হুল্লোড় নয়, আজ থেকে মুম্বইয়ে জারি ১৪৪ ধারা

Covid 19: 6 thousand infected in one day in the country, 351 deaths in Corona

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই : করোনা সংক্রমণের (Covid 19) বাড়বাড়ন্ত রুখতে মুম্বইয়ে (Mumbai) ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেছে মুম্বই প্রশাসন। পাশাপাশি জারি করা হয়েছে একাধিক সতর্কতা। নতুন যে কড়া বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, কোনও বদ্ধ বা খোলা জায়গা, যেমন রেস্তোরাঁ, হোটেল, পাব, বারে কোনওরকম পার্টি করা যাবে না।

দেশে ওমিক্রনের সংক্রমণ ও কোভিড আতঙ্কের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মুম্বই পুর প্রশাসন। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ৩০ ডিসেম্বর মধ্যরাত থেকে গ্রেটার মুম্বইয়ে এই নির্দেশ কার্যকর করা হবে। আগামী ৭ জানুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত এই নির্দেশিকা কার্যকর থাকবে। কেউ যদি এই নিয়ম ভাঙেন, তাহলে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৮৮ নম্বর ধারায় তাঁকে শাস্তি দেওয়া হবে। মামলা রুজু হবে অতিমারি আইন ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা আইনেও। এমনটাই জানিয়েছেন মুম্বইয়ের ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ চৈতন্য এস।

প্রসঙ্গত, বুধবার মুম্বইয়ে নতুন করে ২৫১০ জন করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে, মৃত্যু হয়েছে ১ জনের। সে শহরে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৮০৬০। রিকভারি রেট ৯৭%। এখন মুম্বই শহরের ৪৫টি ভবন বন্ধ করে রেখেছে পুর প্রশাসন।

বুধবার গোটা বিশ্বের জন্যই চরম সতর্কবার্তা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization)। সংস্থার তরফ থেকে বলা হয়েছে, করোনার ডেল্টা (Delta) ও ওমিক্রন (Omicron) প্রজাতির সংক্রমণ পৃথিবীর উপর সুনামির মতো আছড়ে পড়বে। যার ফলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার তীব্র আশঙ্কা রয়েছে।

শেষ এক সপ্তাহে করোনা সংক্রমণের পরিমাণ ১১% বৃদ্ধি পেয়েছে, রেকর্ড সংক্রমণ দেখা দিয়েছে ফ্রান্স ও আমেরিকায়। হু-এর প্রধান বুধবার জেনেভায় বলেছেন, ‘আমরা ওমিক্রন সংক্রমণ নিয়ে বিপুল ভাবে চিন্তিত। কারণ এই ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ও সংক্রমণের সুনামি তৈরি করেছে।’

সমীরসহ এনসিবির কয়েকজন আধিকারিকদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করছে মুম্বই পুলিশ

Sameer Wankhede

News Desk:মুম্বইয়ের প্রমোদতরীর মাদক মামলার রহস্য যেন জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। প্রতিদিনই বদলে যাচ্ছে মামলার গতিপ্রকৃতি। ইতিমধ্যেই এই মামলার তদন্তকারী অফিসার সমীর ওয়াংখেড়ের (Sameer Wankhede) বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে সমীর-সহ এনসিবির আরও কয়েকজন অফিসারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে চলেছে মুম্বই পুলিশ। এজন্য চার সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়েছে।

মুম্বই পুলিশের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, চারটি পৃথক তোলাবাজির অভিযোগে শীঘ্রই তদন্ত শুরু হচ্ছে। এই চারটি পৃথক মামলার তদন্তের জন্য চারজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এনসিবির মাদক মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী প্রভাকর সইল, কনিষ্ক জৈন, আইনজীবী সুধা দ্বিবেদী এবং নীতিন দেশমুখ চারটি তোলাবাজির অভিযোগ দায়ের করেছেন। ওই চারজন আলাদাভাবে ওই চার অভিযোগের তদন্ত করবে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে মুম্বই পুলিশ ইতিমধ্যেই প্রভাকরের বক্তব্য রেকর্ড করেছে।

এই চারটি অভিযোগের তদন্তকারী অফিসারদের নামও এদিন জানানো হয়েছে। তদন্তকারীরা হলেন মুম্বইয়ের সহকারী পুলিশ কমিশনার মিলিন্দ খেতলে, পরিদর্শক অজয় সাওয়ান্ত , পিআই কারকরে এবং সাব-ইন্সপেক্টর প্রকাশ গাওয়ালী। এই তদন্তকারীদের যদি অতিরিক্ত সাহায্যের প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে পুলিশ কমিশনার তাঁদের সাহায্য করবেন।

উল্লেখ্য, সমীরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলির তদন্ত করতে এনসিবির ৫ সদস্যের একটি দল বুধবারই দিল্লি থেকে মুম্বই এসেছে। দিল্লি থেকে আসা ওই অফিসাররা বুধবার সমীরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও করেছেন বলে খবর। যদিও আরিয়ান খান মামলার তদন্তভার এখনই সমীরের কাছ থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে না বলেই জানা গিয়েছে। বরং এনসিবির শীর্ষকর্তা জ্ঞানেশ্বর সিং স্পষ্ট জানিয়েছেন, সমীরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আরিয়ান মামলার তদন্তভার তাঁর হাতেই থাকবে।

উল্লেখ্য, মুম্বইয়ের প্রমোদতরীতে তল্লাশি অভিযান ও আরিয়ানকে গ্রেফতার করার নেতৃত্বে ছিলেন সমীর। মাদক মামলায় আরিয়ানকে গ্রেফতার করে রাতারাতি নায়ক বনে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠায় সমীর এখন যথেষ্টই ব্যাকফুটে।

কুন্দ্রার কীর্তি: বেটিং থেকে বিটকয়েন কেলেঙ্কারির নায়ক রাজ

Raj Kundra is involved in bitcoin scandal from betting

নিউজ ডেস্ক: শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রা এখন খবরের শিরোনামে। বিশ্বজুড়ে এখন শোরগোল এই দম্পতিকে নিয়ে। যেভাবে নীল ছবি তৈরির ব্যবসায় জড়িয়ে থাকার অভিযোগ উঠেছে রাজের বিরুদ্ধে, তার জেরে সকলেই চমকে উঠেছেন। তবে রাজ কুন্দ্রার সঙ্গে বিতর্কের একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। জীবনে সবসময় বিতর্ক ঘিরে থাকে রাজ কুন্দ্রাকে।এ ক নজরে দেখা যাক ‘কীর্তিমান কুন্দ্রার কীর্তি’।

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ
রাজ কুন্দ্রা জড়িৎ সব থেকে বড় বিতর্ক ছিল আইপিএলে ম্যাচ ফিক্সিং-এর। শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রা রাজস্থান রয়েলস দলটির সহ মালিক ছিলেন। বিশ্ব বিখ্যাত এই ব্যবসায়ী আইপিএল ম্যাচ ফিক্সিং এর জন্য দীর্ঘদিন সন্দেহের তালিকায় ছিলেন। লোধা কমিশন তাকেও অভিযুক্ত পেয়েছিল।রাজ ক্রিকেটের কোন বিষয়বস্তুর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারবেন না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়। রাজস্থান রয়েলস টিম কে দু’বছরের জন্য ব্যান করা হয়েছিল।

Raj kundtra with samita

বিটকয়েন স্ক্যামে জড়িৎ রাজের নাম
রাজ কুন্দ্রার নাম বিটকয়েন দুর্নীতির সঙ্গেও জড়িয়ে ছিল। পুনে পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ এবং ই ডি-র তদন্তে বলিউডের একাধিক ব্যক্তিত্বদের পাশাপাশি রাজ কুন্দ্রার নামও উঠে এসেছিল। ওয়েবসাইট তৈরি করে বহু মানুষকে প্রতারণা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন তদন্তকারীরা। এই ঘটনায় অনেকেই জড়িত ছিলেন বলে অনুমান করেছিলেন পুলিশ আধিকারিকরা। তার মধ্যে অন্যতম নাম ছিল রাজ কুন্দ্রা।

২৪ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ
২০১৭ সালে মহারাষ্ট্র পুলিশ একটি কাপড়ের কোম্পানির অভিযোগের ভিত্তিতে রাজকুন্দ্রা এবং শিল্পা শেট্টির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছিল। এই কাপরের কোম্পানির মালিক অভিযোগ করেছিলেন যে তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে শিল্পা এবং রাজ টাকা তুলেছেন।এই টাকার তারা কোন ভাগ দেননি এই কোম্পানিকে বলেও অভিযোগ করেছিলেন এই ব্যবসায়ী। এই দম্পতির বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ২৪ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ এনেছিলেন।

Raj Kundra Son of a bus conductor and now a business baron

রাজ কুন্দ্রার বিরুদ্ধে অভিনেত্রী পুনম পান্ডের অভিযোগ
মডেল-অভিনেত্রী পুনাম পান্ডে রাজকুন্দ্রা এবং তার সহযোগীর বিরুদ্ধে বোম্বে হাই কোর্টে অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন রাজ কুন্দ্রা এবং তার কোম্পানি পুনম পান্ডের ছবি ভুল কাজের জন্য ব্যবহার করেছে। তবে রাজ এই অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলেছিলেন এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না ।এই ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িৎ নন বলেও দাবি করেছিলেন কুন্দ্রা।

Mumbai police arrest Raj Kundra in a pornography case

প্রাক্তন স্ত্রীকে নিয়েও যথেষ্ট চর্চায় ছিলেন রাজ
কয়েকদিন আগে রাজ কুন্দ্রা নিজের প্রাক্তন স্ত্রী কবিতার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিল যে কবিতার সঙ্গে তার বোনের স্বামীর অবৈধ সম্পর্ক ছিল। এই অবৈধ সম্পর্কের জেরে তাদের বিয়ে ভেঙে যায়। এই ঘটনার পর থেকে রাজ কুন্দ্রা শিল্পা শেট্টি এবং রাজ্যের প্রাক্তন স্ত্রী কবিতাকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।
এখন পুলিশের জালে রাজ কুন্দ্রা। এবার দেখার তার বিরুদ্ধে যে নীল ছবি তৈরি করা এবং অ্যাপের মাধ্যমে ছবি গুলোকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সেই অভিযোগ ধুয়ে মুছে নিজের ছবি পরিষ্কার রাখতে পারেন নাকি আইনের ফাঁদে আগামী দিনেও দিন কাটাতে হয় রাজ কুন্দ্রাকে।

রূপকথা: বাস কন্ডাক্টরের সন্তান থেকে বিজনেস ব্যারন ‘নীলছবি নির্মাতা’ রাজ কুন্দ্রা

Raj Kundra Son of a bus conductor and now a business baron

নিউজ ডেস্ক: পর্নোগ্রাফিকাণ্ডে শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রাকে গ্রেপ্তার করে মুম্বাই পুলিশ ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি বানানো ও তা অ্যাপের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ এনেছে পুলিশ।

অতি দরিদ্র ঘরের ছেলের থেকে বিজনেস ব্যারন হয়ে ওঠা রাজের জীবনের গল্প যেন রূপকথার মতো। তাই ৪৫ বছর আগে রাজ কুন্দ্রার বাবা লুধিয়ানা থেকে লন্ডনে পাড়ি দেন। সেখানে গিয়ে বসবাস শুরু করেন তিনি ও তাঁর পরিবার। বাবা ছিলেন বাস কন্ডাক্টর, মা ছিলেন কারখানার শ্রমিক। দারিদ্রকে দেখেছেন অনেক কাছ থেকে। দারিদ্রকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করতেন রাজ। পড়াশোনায় অমনোযোগী রাজ মাত্র ১৮ বছর বয়সে পড়াশোনা ছেড়ে। কলেজে পড়াশোনার সুবাদে দুনিয়া দেখতে শুরু করেন।  নিজের জীবনকে নতুন রূপে পেতে গিয়েই ধনী হওয়ার লক্ষ্যে অবিচল হন তিনি। 

বাস কন্টাকটারি করে কিছু টাকা অর্জন করে রাজের বাবা একটি দোকানের ব্যবস্থা করেন। তিনি রাজকে ছয় মাসের সময় দিয়ে বলেন তাকে কিছু করে দেখাতে হবে। অথবা তাদের সঙ্গে এই কাজে যোগ দিতে হবে।এই ছয় মাসের সময়কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে মাত্র ২০০০ ইউরো সঙ্গে করে নিয়ে দুবাই পাড়ি দেন রাজ কুন্দ্রা। সেখানে গিয়ে কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বললেও খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। তারপরেই দুবাই থেকে নেপাল চলে যান তিনি। নেপালে গিয়ে খুব কম দামে পাশমিনা শাল কেনেন রাজ। ১০০টি শাল কিনে লন্ডন ফিরে সেগুলো অনেক বেশি দামে বিক্রি করতে শুরু করেন।

এমনকি পরবর্তী সময়ে ইংল্যান্ডের বড় বড় ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন রাজ ।এই ভাবেই পাশমিনা সালের ব্যবসার মাধ্যমে তার বছরের টার্নওভার হয়ে ওঠে ২০ মিলিয়ন ইউরো। তারপরে আর ফিরে তাকাননি রাজ কুন্দ্রা কিছুদিনের মধ্যেই আবার দুবাই ফেরত যান, হীরে সংক্রান্ত একটি কোর্সও করেন। কারণ প্রথম থেকেই এই ব্যবসা করার লক্ষ্যে এগিয়েছিলেন তিনি। লক্ষ্য পূরণের উদ্দেশ্যে এগোতে থাকেন তিনি। ২০০৪ সালে Success Magazine রাজ কুন্দ্রাকে ১৯৮ তম ধনী ব্রিটিশ এশিয়ানের খেতাব দেয়।

২০০৭ সালে রাজ কুন্দ্রা ফের দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে উড়ে যান। সেখানে গিয়ে তিনি একটি কোম্পানি তৈরি করেন। সেই কোম্পানি বিভিন্ন ধরনের কনস্ট্রাকশন ,মাইনিং সহ একাধিক প্রজেক্ট শুরু করে। তার পরবর্তী সময়ে আইপিএল- এর রাজস্থান রয়্যালস দলটির মালিকানা নেন রাজ কুন্দ্রা। ঠিক এই ভাবেই নিজের লক্ষ্য পূরণে এগোতে থাকেন রাজ কুন্দ্রা। বিশ্বজুড়ে তার সম্পত্তি রয়েছে এখন।

প্রথম স্ত্রীস্ত্রী ছিলেন কবিতা। তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হয়। রাজের অভিযোগ তাঁর বোনের স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল কবিতা কুন্দ্রার। কবিতার মতে তাঁদের বিয়ে ভাঙার জন্য দায়ি শিল্পা শেট্টি। ২০০৮ এ শিল্পাকে বিয়ে করেন রাজ কুন্দ্রা।  বিশ্বজুড়ে ‘আইডিয়াল কাপল’ হিসাবেই নিজেদেরকে সমাজে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এই দম্পতি। তবে গত ১৯ জুলাই সব স্বপ্নই চুরমার হয়ে গেল যখন মুম্বই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ এর জালে ধরা পড়লেন রাজ কুন্দ্রা।

পর্নোগ্রাফি নির্মাণের অভিযোগে পুলিশ জালে শিল্পা-স্বামী রাজ কুন্দ্রা

Mumbai police arrest Raj Kundra in a pornography case

নিউজ ডেস্ক: ধৃত শিল্পা শেঠির স্বামী ব্যবসায়ী রাজ কুন্দ্রা।পর্নোগ্রাফি ছবি বানিয়ে তা বিভিন্ন অ্যাপে প্রকাশিত করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে রাজকে।সোমবার রাতে মুম্বই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ তাকে গ্রেফতার করে।

এই মামলায় ইতিমধ্যে পুলিশ ন’জনকে গ্রেফতার করেছে।গত ফেব্রুয়ারি মাসে পুলিশ অভিযোগ দায়ের করে তদন্ত শুরু করে।এই ঘটনায় রাজ মুল ষডযন্ত্রকারী বলে অনুমান পুলিশের।

মুম্বই পুলিশ বিবৃতিতে দিয়ে বলেছে, ‘পর্নোগ্রাফি সিনেমা তৈরি এবং বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে তা প্রকাশ করা নিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে একটি মামলা দায়ের করেছিল ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তদন্তের পর আমরা রাজ কুন্দ্রাকে গ্রেফতার করেছি। যিনি এই মামলায় মূল ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে। সেই মামলায় আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য আছে।’

আবারও আইনি জটে ভাইজান, সমন পাঠিয়ে মঙ্গলবারের মধ্যে জবাব চাইল পুলিশ

salman khan

 

বড়সড় জালিয়াতির অভিযোগ উঠল সলমন খান ও তার বোন আলভিরা খানের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই জালিয়াতির অভিযোগে আট জনকে সমন পাঠাল পুলিশ। আগামী ১৩ জুলাই মঙ্গলবার তাদের কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে। অভিযুক্তরা সকলেই বিং হিউম্যান ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত আছেন। অরুণ গুপ্ত নামে এক ব্যবসায়ী তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে জানিয়েছেন বিং হিউম্যান জুয়েলারি ব্র্যান্ডের জন্য সম্প্রতি তিন কোটি টাকা দিয়ে একটি শোরুম খোলেন। এই শোরুমের যাবতীয় সামগ্রী পাঠানোর কথা ছিল বিং হিউম্যানের। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলে এখনও কোনও সামগ্রী পাঠানো হয়নি।

চন্ডিগড় থানার এসপি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত তাদের সময় দেওয়া হয়েছে। অপরাধ করে থাকলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ব্যবসায়ী অরুণ গুপ্তা আরও জানিয়েছেন প্রায় দেড় বছর আগে শোরুমটি খুলেছিলেন তিনি। কিন্তু বিং হিউম্যানের পক্ষ থেকে কোনও রকম সাহায্য না পাওয়ায় অবশেষে তিনি আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছেন।