ISL: মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে হার ATK মোহনবাগানের

ISL Mumbai Team

Sports desk: আইএসেলের (ISL) তৃতীয় ম্যাচে হোঁচট ATK মোহনবাগানের। তিনদিন আগে হাইভোল্টেজ ডার্বি ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এসসি ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়েছে সবুজ মেরুন শিবির। কিন্তু মহাডার্বি ম্যাচের ‘হ্যাংওভার’ কাটিয়ে উঠতে পারলো না ATK মোহনবাগান।

বুধবার ডিফেন্স বর্ডারকে ফালাফালা করে মুম্বই সিটি এফসির বিক্রম প্রতাপ সিং’র শুরুতেই গোল,৪ মিনিটে। ২৫ মিনিটে সবুজ মেরুনের জালে বল জড়ানোর কারিগর সেই বিক্রম। অধিনায়ক প্রীতম কোটালের আইএসএলের শততম ম্যাচে বিক্রম দাপট।

মুম্বই প্রথম গোল পেয়েই দ্বিগুণ আত্মবিশ্বাসী হয়ে আক্রমণমুখী হয়ে ওঠে বল পায়ে। 20 মিনিটে মুম্বই’র কাছে গোলের সুযোগ!

বিক্রম প্রতাপ সিং বক্সে দুর্দান্ত এক রান তোলেন এবং ক্রস রাখেন, কিন্তু ইগর অ্যাঙ্গুলো ক্রস পিসের সঙ্গে সংযোগ করতে ব্যর্থ হন। মুম্বই কাউন্টার করলেই সবুজ মেরুন ফুটবলারেরা পুরো প্যারালাল লাইনে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। ডিফেন্সের এই ফাঁকফোকর খুঁজে বের করে মুম্বই আক্রমণের ঝড় তুলছে বিপক্ষের বিরুদ্ধে।

৩৭ মিনিটে গোল ইগর অ্যাঙ্গুলোর। মুম্বই’র অধিনায়ক মুরতাদার হেডার পুরোপুরি ইগরের পায়ে পড়তেই গোলের ঠিকানায় বল জালে তৃতীয় গোল মুম্বই সিটি এফসির।

এই মুহূর্তে স্বপ্নের রাজ্যে আছে মুম্বই সিটি এফসি, ATK মোহনবাগানের বিরুদ্ধে গোলের লিড নিয়ে।৪৩ মিনিটে বাগানের ডিফেন্সে বিপদ ঘনিয়ে আসে, মুম্বই’র ফুটবলার ক্রস ডেলিভারি করেন কিন্তু দুরন্ত ব্লক করেন প্রীতম কোটাল। প্রথমার্ধে বিক্রম প্রতাপ সিং’র জোড়া গোল এবং ইগর অ্যাঙ্গুলোর এক গোল। ATKMB 0-3 MCFC।

ম্যাচ বিরতির বাঁশি বেজে ওঠে,খানিক হতাশ রয় কৃষ্ণ,শুভাশিস বসু,গোলকিপার অমরিন্দর সিং বডি ল্যাঙ্গুয়েজে স্পষ্ট। প্রথমার্ধে তিন গোলে পিছিয়ে থেকে ATK মোহনবাগান ফুটবলারেরা বিধ্বস্ত অবস্থায় টানেলের পথে।

দ্বিতীয়ার্ধতে ম্যাচ শুরু হলে ৪৬ মিনিটে লাল কার্ড দেখে দীপক টাংরি। ১০ জনের ATK মোহনবাগান, মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে। বিক্রমকে কড়া চ্যালেঞ্জের জন্য ট্যাংরিকে বিদায় নিতে হয়। এমন ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ফের গোলের লিড মুম্বই’র। ৪৭ মিনিটে মুরতাদা ফলের হেডারে থেকে গোল।

৫২ মিনিটে মুম্বই’র হয়ে বিপিন থংসামের।বাম দিক থেকে কোণ খুঁজে গোলকিপার অমরিন্দরকে কোনও সুযোগ না দিয়ে শট জালে জড়িয়ে যেতেই ATKMB 0-5 গোলের লিড MCFC।

৫৫ মিনিটে মনভীর সিং’র শট অফ টার্গেট। ৬০ মিনিটে গোল সবুজ মেরুনের গোল ডেভিড উইলিয়মসের দৌলতে। স্কোরলাইন ATKMB 1-5 MCFC। ATK মোহনবাগানের বিরুদ্ধে 5 স্টার পারফরম্যান্স মুম্বই সিটি এফসির, চলতি আইএসএলে।

মুম্বই সিটি এফসি ATK মোহনবাগানের বিগত দুই ম্যাচ ফলো করে গেমপ্ল্যান সাজিয়েছে। গোলমেশিন রয় কৃষ্ণর সাপ্লাই লাইন ছেটে দিতেই ফিজিয়ান স্ট্রাইকার এদিনের ম্যাচে নিঃস্পৃহ। ৪২ মিনিটে ইগর ক্যাটাটাউ গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে মুম্বই’র হয়ে। ম্যাচের রেজাল্ট রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই ATKMB 1-5 MCFC।

Mamata Banerjee: আজ মুম্বইতে মমতার একাধিক কর্মসূচি

Mamata Banerjee in mumbai

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) মুম্বই গিয়ে সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে (Siddhivinayak Mumbai) পুজো দিয়ে মহারাষ্ট্রের শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাত্‍ করেছেন।

বুধবার সফরের দ্বিতীয় দিনে শিল্পমহল, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি শরদ পওয়ারের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে তাঁর। তৃণমূল সূত্রের খবর, আজ মুম্বইয়ে মমতার দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ নরিম্যান পয়েন্টের ওয়াইবি চহ্বন সেন্টারে মমতার নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা।

জানা গিয়েছে, জাভেদ আখতার এবং সুধীন্দ্র কুলকার্নি এই বৈঠকের আয়োজন করেছেন। দিন কয়েক আগে দিল্লিতে মমতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন সুধীন্দ্র এবং জাভেদ। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর মমতা যাবেন এনসিপি নেতা শরদ পওয়ারের (sharad pawar) বাড়ি। সেখানে তাঁর পওয়ারের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টায় ফোর সেশনস হোটেলে রাজ্যে শিল্প বিস্তারের লক্ষ্যে মুম্বইয়ের শিল্প মহলের সঙ্গেও দেখা করবেন মুখ্যমন্ত্রী।  

প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গেও মঙ্গলবার দেখা করার কথা ছিল মমতার। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার জন্য হাসপাতালে তিনি ভর্তি হয়েছেন। তাই উদ্ধবের ছেলে আদিত্য ঠাকরে ও শিবসেনার রাজ্যসভার দলনেতা সঞ্জয় রাউত এসেছিলেন মমতার সঙ্গে দেখা করতে।

এই সাক্ষাত্‍ নিয়ে আদিত্য ঠাকরে বলেন, ‘জাতীয় রাজনীতির অনেক বিষয়েই আমাদের কথা হয়েছে। আমাদের পুরনো বন্ধুত্বের সম্পর্ক। আগেও উনি যখন এসেছেন, আমাদের বৈঠক হয়েছে।’ যদিও রাজনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য, শরদ পওয়ারের সঙ্গে বৈঠকের পর বিজেপি বিরোধী লড়াই নিয়ে মমতা কী বার্তা দেন, সেদিকেই আজ সকলের নজর থাকবে।

 

26/11 Mumbai Attacks: পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের ভয়ের কারণ ‘কারকারের হত্যাকারী কে?’

Hemant karkare

26/11 Mumbai Attacks
প্রসেনজিৎ চৌধুরী: আরব সাগর তীরে বিস্তৃত ফেনিল ঢেউ দুই মহানগরের তটরেখায় ধাক্কা খেয়ে ভেঙে খান খান হয়ে যায়। এপারে মুম্বই-ভারতের বাণিজ্য নগরী, ঘুমহীন এক শহর। কোনাকুনি সরলরেখা টানলে সাগরের অন্যদিকে আছে করাচি- পাকিস্তানের বাণিজ্য নগরী, ঘুমহীন আরও এক শহর। ঘুমহীন? কারণ, মুম্বই ও করাচির জীবনযাত্রা হুবহু এক। দিনে রাতে সদা চঞ্চল। জাহাজঘাটা থেকে বিশাল কর্পোরেট অফিসের বহুতল পেরিয়ে সাপের মতো কিলবিলিয়ে এলিয়ে থাকা গলিপথগুলো সদা চঞ্চল। সুপথে-বিপথে রোজগারের প্রাণকেন্দ্র এমনই হয়।

এতদূর পর্যন্ত সব ঠিক। আরও একটা মিল রয়েছে, মুম্বই ও করাচির গোপন ফোনাফুনি। এ একদম সাদা সত্য। দুই শহরের ছায়ামানুষরা ফোনে ফোনে এদিক থেকে ওদিক বা ওদিক থেকে এদিক নিমন্ত্রণ করে। তেমনই এক নিয়ন্ত্রিত ঘটনা ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর জঙ্গি হামলা।

‘মুম্বই খতরে মে’, অনেকবার হয়েছে। আরও আশঙ্কা আছে। এক যুগেরও আগে ২০০৮ সালের সেই জঙ্গি হামলায় পাকিস্তানের বাণিজ্য নগরী করাচি থেকে সুচতুর উপায়ে যেভাবে মুম্বইকে রক্তাক্ত করা হয় সেটি আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ তালিকায় অতি আলোচিত রক্তাক্ত পর্ব।

২৬/১১ মুম্বই হামলার সেই ঘটনায় হামলাকারী পাকিস্তান মদতপুষ্ট লস্কর ই তৈবা জঙ্গিদের রুখতে মুম্বইয়ের জঙ্গি দমন শাখার অফিসার (এটিএস) হেমন্ত কারকারের ভূমিকা যতটা বীরত্বের ততটাই সেদিন জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ হওয়া বিতর্কের। কেন এই বিতর্ক ? হেমন্ত কারকারের মৃত্যু নিয়ে তাঁর পরিবারের তরফেই বারবার প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অভিযোগ হিসেবে উঠে এসেছে ‘উগ্র হিন্দুত্ববাদী শক্তির কিছু নাশকতার পরিকল্পনা বানচাল করা হেমন্ত কারকারের ভূমিকা।’ প্রবল আলোচিত হয় শহিদ আরও এক পুলিশকর্তা অশোক কামতের পরিবারের কিছু বক্তব্য।

karkare-book

‘কারকারের হত্যাকারী কে’ (ভারতে সন্ত্রাসবাদের প্রকৃত চেহারা) বইটি তীব্র আলোচিত। মূল বই “Who Killed Karkare? The Real Face of Terrorism in India” থেকে বাংলা সহ বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে এই বই। লেখক, এস এম মুশরীফ (প্রাক্তন আই.জি পুলিশ, মহারাষ্ট্র)। লেখক তাঁর সুদক্ষ সহকর্মী হেমন্ত কারকারের মৃত্যু নিয়ে কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা দিয়ে গোপন সূত্রের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করেছেন। যুক্তির পর যুক্তি তুলে ধরেছেন। বইটির বাংলা অনুবাদক সব্যসাচী চক্রবর্তী। বাংলায় প্রকাশ করেছে বিশ্ববঙ্গীয় প্রকাশন।
”ভারতে সন্ত্রাসবাদের প্রকৃত চেহারা’ বর্ণনা করতে গিয়ে লেখকের যুক্তি, ভারতের পক্ষে সৌভাগ্যজনক ও তাদের পক্ষে দুর্ভাগ্যজনক, মহারাষ্ট্র পুলিশের এটিএস প্রধান হেমন্ত কারকারে, ২০০৮ সালে মালেগাঁও বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্ত যেভাবে করেছিলেন, তাতে তাদের ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে গেল। স্বপ্নও রয়ে গেল অধরা। কারকারে তদন্তের অর্ধেকটা পথ এগিয়েছিলেন, তারপরেই মুম্বই হামলার ঘটনা।”

লেখক পুলিশের শীর্ষ কর্তা হিসেবে তাঁর গবেষণা ও অনুষন্ধানের ভিত্তিতে তুলে ধরেন “২০০৮ সালে মালেগাঁও বিস্ফোরণ পর যখন আসল সন্ত্রাসবাদীদের গ্রেফতার করা হল, তখন বিস্ফোরণের ঘটনা প্রায় বন্ধই হয়ে গিয়েছিল।”

মালেগাঁও বিস্ফোরণ ও নাশকতার তদন্তে উঠে আসে এতে জড়িত অভিনব ভারত সহ কিছু সংগঠন। মুম্বই পুলিশের তদন্তে বলা হয়েছে এই সংগঠনটি উগ্র হিন্দুত্ববাদী মতবাদ নিয়ে চলে। মালেগাঁও বিস্ফোরণের পরপরই হয়েছিল ২৬/১১ মুম্বই হামলা।

প্রাক্তন পুলিশকর্তার বইটি নিয়ে বিতর্ক ও আলোচনা সমানতালে চলেছে। তাৎপর্যপূর্ণ, বইটির বিষয়বস্তু নিয়ে তৎকালীন ও বর্তমান কোনও কেন্দ্রীয় সরকার উচ্চবাচ্য করেনি। যদিও বিভিন্ন সংগঠনের তরফে বইটি নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে বারবার।

Mumbai: বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা প্রকাশ প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারের

Param Bir Singh

Former Mumbai Police Commissioner Param Bir Singh
নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: কমপক্ষে ছ’টি তোলাবাজির মামলায় নাম জড়িয়েছিল মুম্বইয়ের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার (Former Mumbai Police Commissioner) পরমবীর সিংয়ের। জুন মাস থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি।

কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট থেকে আইনি সুরক্ষা পেতেই প্রকাশ্যে এলেন পরমবীর (Param Bir Singh)। একইসঙ্গে জানালেন দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি তাঁর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস আছে। পুলিশের তদন্তে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা করতেও প্রস্তুত আছেন।

তদন্তে সব ধরনের সহযোগিতা করবেন, এই শর্তেই সুপ্রিম কোর্ট (supreme court) পরমবীরের গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষার আবেদন মঞ্জুর করে। শীর্ষ আদালত থেকে সুরক্ষা কবচ পেতেই বৃহস্পতিবার (thursday) সকাল ১১টা নাগাদ মুম্বই পুলিশের অপরাধ দমন শাখায় হাজির হন পরমবীর। বুধবার রাতেই মুম্বইয়ের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার চণ্ডীগড় থেকে বম্বে ফেরেন।

বিমানবন্দরেই পরমবীর সাংবাদিকদের বলেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে তিনি তদন্তে সহযোগিতা করতে এসেছেন। তবে এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে চাননি তিনি। পরমবীর জানান, তাঁর যা বক্তব্য সেটা আদালতেই জানাবেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের প্রথম দিকে মহারাষ্ট্রের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকা তোলাবাজির অভিযোগ এনেছিলেন প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার। পরবর্তী ক্ষেত্রে তাঁর নামেও তোলাবাজির অভিযোগ দায়ের হয়। চলতি বছরের জুন মাস থেকে তিনি ছুটিতে চলে যান। তারপরে থেকে পরমবীরের আর কোন খোঁজ ছিল না। পলাতক পুলিশ কমিশনারের ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে হাইকোর্ট। বম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি বলেন, পরমবীরকে পলাতক হিসেবে ঘোষণা করতে কোনও সমস্যা নেই। এরপরই পুলিশ প্রাক্তন কমিশনারের বাড়ির সামনে পলাতক নোটিস ঝুলিয়ে দেয়। পুলিশের গ্রেফতারির হাত থেকে বাঁচতে আইনজীবীর মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার। দীর্ঘ কয়েক দিনের শুনানি শেষে শীর্ষ আদালত পরমবীরকে তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তে আইনি সুরক্ষা দেয়। তার পরই প্রকাশ্যে এলেন পরমবীর।

যদিও পরমবীর শীর্ষ আদালতে জানান, তাঁকে পুলিশ তাড়া করে বেড়াচ্ছে। দেওয়া হচ্ছে প্রাণনাশের হুমকি। ভয় পেয়ে তিনি মুম্বই আসছেন না, তা নয়। পরমবীর আদালতকে আরও বলেন, আইনের প্রতি তাঁর পূর্ণ আস্থা আছে। আদালত যদি তাঁকে সুরক্ষা দেয় তবে তিনি অবিলম্বে প্রকাশ্যে আসবেন। তিনি পুলিশ বিভাগের একজন পদস্থ আধিকারিক ছিলেন। তাই তিনি দেশ ছেড়ে কোথাও পালাবেন না।

পরমবীরের আইনজীবীর বক্তব্যে হাইকোর্টের বিচারপতি এস কে কাউল বলেন, পুলিশের প্রাক্তন কমিশনারই যদি পুলিশের হাতে ধরা পড়লে বিপদ হওয়ার কথা বলেন তাহলে রাজ্যবাসীর কী অবস্থা বুঝুন। শেষ পর্যন্ত অবশ্য বিচারপতি পরমবীরকে আইনি সুরক্ষা দেওয়ার কথা জানান। তবে শর্ত দেন, পরমবীরকে পুলিশে র সঙ্গে তদন্তে সব ধরনের সহযোগিতা করতে হবে। এরপরই বৃহস্পতিবার মুম্বই পুলিশের অপরাধ দমন শাখায় উপস্থিত হলেন প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার।

Mumbai: শক্তি মিল গণধর্ষণ কাণ্ডে দোষীদের মৃত্যুদণ্ড রদ

Mumbai Shakti Mill gang rape Case

Mumbai Shakti Mill gang rape Case
নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: জনতার ভাবাবেগ মেনে আইনি ব্যবস্থা কখনওই চলতে পারে না। তাই মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামীর মৃত্যুদণ্ডের সাজা রদ করে আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করল বম্বে হাইকোর্ট (bombay high court)। মুম্বইয়ের শক্তি মিল (shakti mill) গণধর্ষণ কাণ্ডে দোষীদের ক্ষেত্রে এই নির্দেশ দিল বম্বে হাইকোর্ট।

২০১৩ সালের ২২ অগাস্ট শক্তিমিল গণধর্ষণের ঘটনা গোটা দেশে হইচই ফেলে দিয়েছিল। ওই দিন এক তরুণী সাংবাদিককে (woman photographer) শক্তি মিলের ভিতরে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করেছিল দোষীরা। ধর্ষণের এই মামলায় নিম্ন আদালত দোষীদের ফাঁসির (death penalty) সাজা শুনিয়েছিল। মৃত্যুদণ্ডের শাস্তিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দোষী সাব্যস্তরা আবেদন করেছিল বোম্বে হাইকোর্টে।

সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট দোষীদের মৃত্যুদণ্ডের সাজা রদ করে। একই সঙ্গে আদালত দোষীদের আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে।

Mumbai Shakti Mill

বৃহস্পতিবার বম্বে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, শক্তি মিল গণধর্ষণের ঘটনা দেশের সভ্য সমাজকে নাড়া দিয়েছিল। গণধর্ষণের ঘটনা মানবাধিকারের ওপর বড় ধরনের আঘাত। তবে ব্যতিক্রমী কোনও ঘটনার ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড হল শেষ অস্ত্র। শুধুমাত্র জনতার ভাবাবেগের উপর নির্ভর করে কখনওই বিচারব্যবস্থা চলতে পারে না। সে কারণেই দোষী সাব্যস্ত তিনজনের মৃত্যুদণ্ড রদ করা হল। একইসঙ্গে বেঞ্চ জানায়, অপরাধীরা যাতে আর কোনও দিন সমাজের মূল স্রোতে ফিরতে না পারে তার জন্য তাদের আমৃত্যু কারাদণ্ডের চার দেওয়ালের মধ্যে থাকতে হবে। এমনকী, দোষীরা কখনও প্যারোলেও মুক্তি পাবে না।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২২ অগাস্ট একটি খবর করার জন্য সহকর্মীর সঙ্গে মুম্বইয়ের পরিত্যক্ত শক্তি মিল চত্বরে গিয়েছিলেন বছর ২২-এর ওই তরুণী চিত্রসাংবাদিক। সেখানেই ওই তরুণীর সঙ্গীকে মারধর করে বেঁধে রাখা হয়। এরপর শক্তি মিলের ভিতরে ওই তরুণীকে গণধর্ষণ করা হয়। তরুণী সাংবাদিককে গণধর্ষণের ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে।

শুধু তাই নয়, ওই ঘটনাটি নিয়ে যখন গোটা দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে সে সময়ে এক তরুণী টেলিফোন অপারেটর অভিযোগ করেন, মাসখানেক আগে তাঁকেও ওই একই জায়গায় গণধর্ষণ করা হয়েছিল। তদন্তে দেখা যায় দুটি গণধর্ষণের ঘটনাতেই বিজয়, কাসেম, সেলিম নামে তিনজন যুক্ত ছিল। দোষী সাব্যস্ত সকলকেই মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল নিম্ন আদালত। তবে বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড ঘোষণা করল।

Syed Mustaq Ali T20: অজিঙ্ক রাহানের মুম্বই’র কাছে হেরে গেল বাংলা

Syed Mustaq Ali T20

Sports Desk: বিসিসিআই পরিচালই সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-২০ টুর্নামেন্টে মুম্বই(Mumbai) ১০ উইকেটে জিতলো, বাংলার (Bengal) বিরুদ্ধে। শক্তিশালী মুম্বই (Mumbai) ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩১ রান তোলে। ২০ ওভার খেলে ৮ উইকেটের বিনিময় ১২১ রানে থেমে যায় বাংলার (Bengal) লড়াই। টুর্নামেন্টের তৃতীয় ম্যাচে বাংলার (Bengal) হার।

টসে জিতে মুম্বই (Mumbai) ব্যাটিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। পৃথ্বী শাহ (৬), মুম্বই(Mumbai) অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে (১৭) রান করেন। ৬.৪ ওভারে মুম্বই’র (Mumbai) ৪৬ রানের মাথায় দুই উইকেট পড়ে যায়। পৃথ্বী শাহের উইকেট নেয় সাহবাজ আহমেদ, পৃথ্বী’র ক্যাচ বাংলার (Bengal) কিপার ঋদ্ধিমান সাহার গ্লাভস বন্দি হয়। অজিঙ্ক রাহানে ঋতিক চ্যাটার্জীর বলে ক্যাচ দিয়ে বসেন ঋতিক চৌধুরীর হাতে। দুই ওপেনারের উইকেট খুইয়ে মুম্বই (Mumbai) চাপে পড়ে যায়।

দ্রুত ইয়াশভি ভূপেন্দ্র জয়সোয়াল ১৯ রানে করন লাল রান আউট করে। আদিত্য তাড়ে (১১), শিবম দুবে (২৪), এসডি লাড (১৩), আমন হাকিম খান (১২), বিনোদ আঙ্কলকর ১০ এবং তানুস কোটিয়ান ৭ রানে নট আউট থাকে। মুম্বই’র (Mumbai) শিবম দুবে ২৩ বলে ২৪ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন।

বাংলার (Bengal) হয়ে ঋতিক চ্যাটার্জী ২,সাহবাজ, মুকেশ কুমার, প্রদীপ্ত প্রামাণিক, করন লাল একটি করে উইকেট নিয়েছে। বাংলার (Bengal) হয়ে অভিষেক দাস (১৪),ঋদ্ধিমান সাহা (১৫), কাইফ আহমেদ (৩১),ঋতিক চৌধুরী (৩০),সাহবাজ (১২) রান করে।

মুম্বই’র (Mumbai) বোলিং লাইন আপের মুখে পড়ে বাংলার (Bengal) ব্যাটসম্যানরা দাঁড়াতে পারেনি।মুম্বই’র(Mumbai)বোলার মোহিত অবস্থি ৩, এসডি লাড এবং তুষার দেশপান্ডে ২ টি, শিবম দুবে এক উইকেট নিয়েছে। বাংলার (Bengal)আকাশ দীপ ও প্রদীপ্ত প্রামাণিক শেষ পর্যন্ত নট আউট ছিল। বাংলার (Bengal)
চতুর্থ ম্যাচ সার্ভিসেসের (Servives) বিরুদ্ধে, ৮ নভেম্বর।

Mumbai: মুম্বইয়ের মাদক মামলার সঙ্গে বিজেপি জড়িত, অভিযোগ নবাবের

nabab-malik

News Desk, Mumbai: মুম্বইয়ের মাদক মামলায় প্রথম থেকেই এনসিবি ও বিজেপির বিরুদ্ধে একেরপর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক। বৃহস্পতিবার শাহরুখ পুত্র আরিয়ান জামিন পাওয়ার পর ফের একবার বিষোদগার করেছেন নবাব।

তিনি বলেছেন মুম্বইয়ের মাদক মামলার সঙ্গে বিজেপি জড়িত। এটা বিজেপির একটা চক্রান্ত। গেরুয়া দল চায়, মহারাষ্ট্র থেকে বলিউডকে সরিয়ে উত্তরপ্রদেশে নিয়ে যেতে। তাই বলিউডের গায়ে কালি ছেটাতে বিজেপি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করেছে।

উল্লেখ্য, ২০২০-র মাঝামাঝি নাগাদ বলিউড তারকা সুশান্ত সিং রাজপুতের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল। সুশান্তের মৃত্যুর তদন্ত করতে গিয়ে মাদকের কথা সামনে আসে। সে সময়ে অভিযোগ ওঠে, বলিউডের অনেক তারকা এবং তাঁদের ছেলেমেয়েরা মাদকাসক্ত।

চলতি মাসের প্রথমেই শাহরুখের বড় ছেলে আরিয়ান খানকে এক প্রমোদতরী থেকে গ্রেফতার করে নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো। মাদক সেবনের অভিযোগে আরিয়ানকে গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘ ২৬ দিন জেলে কাটানোর পর বৃহস্পতিবারই জামিন পেয়েছেন আরিয়ান। আরিয়ানের জামিনের পরে বিজেপির বিরুদ্ধে ফের আক্রমণ শানালেন এই প্রবীণ এনসিপি নেতা।

সংবাদমাধ্যমকে নবাব বলেন, সকলেরই মনে আছে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ তাঁর রাজ্যে স্বপ্নের ফিল্মসিটি করার কথা ঘোষণা করেছেন। উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় ওই ফিল্মসিটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছেন যোগী। ওই কাজের জন্য ইতিমধ্যেই তিনি মুম্বইয়ের চলচ্চিত্র জগতের শীর্ষস্থানীয় কলাকুশলীদের সঙ্গে যোগাযোগও করেছেন।

বলিউডকে মুম্বই থেকে উত্তরপ্রদেশের সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যই বিজেপি রীতিমতো পরিকল্পনা করে কাজে নেমেছে। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নবাব আরও বলেন ‘মেরে দোস্ত পিকচার আভি বাকি হ্যায়’। এই মন্তব্যের মাধ্যমে নবাব এটাই বলতে চেয়েছেন যে, আগামী দিনে আরিয়ান মামলা আরও নতুন কোনও মোড় নিতে চলেছে।

একইসঙ্গে আরিয়ান মামলায় এনসিবির তদন্তকারী অফিসার সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছেন নবাব। তিনি বলেছেন, সমীর একাধিক প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত। এমনকী, চাকরিটিও পেয়েছেন জন্মের ভুয়ো শংসাপত্র দেখিয়ে। এ ব্যাপারে তাঁর কাছে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ আছে। সময়মতো ঠিক জায়গাতেই তিনি তা পেশ করবেন। সমীরের বোন ইয়াসমিন ওয়াংখেড়ে অবশ্য নবাবের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ প্রসঙ্গে জানতে

Mumbai: কল রেকর্ড দেখলেই বোঝা যাবে কে কত ঘুষের প্রস্তাব দিয়েছে, মন্তব্য গোসাভির

KP Gosavi

News Desk: মুম্বইয়ের মাদক মামলা ক্রমশই যেন জটিল হচ্ছে। চলছে পাল্টা দোষারোপের পালা। কয়েকদিন আগে এই মামলার সাক্ষী প্রভাকর সইল অভিযোগ করেছিলেন, আরিয়ানকে ছাড়ার জন্য ১৮ কোটি টাকা ঘুষ চাওয়া হয়েছিল। এবার প্রভাকরের সেই দাবি উড়িয়ে দিলেন কিরণ গোসাভি। 

বুধবার রাতে এক জালিয়াতির মামলায় পুণে পুলিশ গোসাভিকে গ্রেফতার করেছে। ধৃত গোসাভিও মাদক কাণ্ডে এনসিবির অন্যতম সাক্ষী। প্রভাকর সইল গোসাভির দেহরক্ষী হিসেবেই পরিচিত।

কয়েকদিন আগে প্রভাকর দাবি করেছিলেন, তিনি গোপনে গোসাভির সঙ্গে ফোনে অন্য এক ব্যক্তির কথাবার্তা শুনেছেন। তা থেকেই তিনি জানতে পেরেছেন, গোসাভির পরিকল্পনা ছিল শাহরুখ খানের ম্যানেজার পূজা দাদলানির কাছ থেকে ২৫ কোটি টাকা আদায় করা। শেষ পর্যন্ত অবশ্য তাদের মধ্যে ১৮ কোটি টাকায় রফা হয়েছিল। যার মধ্যে ৮ কোটি টাকা দেওয়ার কথা হয়েছিল এনসিবির তদন্তকারী অফিসার সমীর ওয়াংখেড়েকে। ওই টাকা পেলেই আরিয়ানকে মাদক মামলায় রেহাই দিতেন সমীর।

প্রভাকর আরও দাবি করেছিলেন, এনসিবির আধিকারিকরা তাঁকে বেশ কয়েকটি সাদা কাগজে সই করিয়ে নিয়েছিলেন। জমা নিয়েছিলেন আধার কার্ডের প্রতিলিপি। ওই কাগজে সই করার পরই তিনি আরিয়ান খানকে দেখতে পেয়েছিলেন। পাশাপাশি প্রভাকর আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এনসিবি অফিসার সমীর তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলতে পারেন। নিজের জীবন বাঁচাতে মুম্বইয়ের পুলিশ কমিশনারকে তিনি চিঠিও দিয়েছেন।

প্রভাকর এর এই দাবির প্রেক্ষিতে গ্রেফতারের আগেই মুখ খুলেছেন গোসাভি। এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, প্রভাকর সব কথাই মিথ্যা বলছেন। যদি কেউ প্রকৃত সত্যটা জানতে চান তাহলে প্রভাকর এবং তার দুই ভাইয়ের কল রেকর্ড ও চ্যাট খতিয়ে দেখা হোক। আমার ফোনের কল রেকর্ড ও সমস্ত চ্যাট খতিয়ে দেখা হোক। তাহলেই সকলে বুঝতে পারবে কে কাকে কত টাকা ঘুষের প্রস্তাব দিয়েছে এবং কেন দিয়েছে?

গোসাভি বলেছে,  বিষয়ে তো অস্পষ্টতার কোন জায়গা নেই। তদন্তকারী অফিসাররা আমার এবং প্রভাকরের ফোনের যাবতীয় তথ্য যদি পরীক্ষা করেন তাহলেই তো বিষয়টি দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে যাবে। তবে গোসাভির এই মন্তব্য নিয়ে এনসিবির পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। 

উল্লেখ্য, গোসাভির বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলায় জারি করা হয়েছিল লুক আউট নোটিস। গোসাভি কেপিজে ড্রিমজ সলিউশন নামে একটি সংস্থা চালাতেন। ওই সংস্থা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদেশে চাকরি দেওয়ার লোভ দেখিয়ে বহু মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগেই বুধবার রাতে গোসাভিকে গ্রেফতার করে পুণে পুলিশ।

Aryan Khan Case: ফোন ট্যাপ করে ফাঁসানোর চক্রান্ত করছেন NCB কর্তা সমীর, মন্ত্রীর অভিযোগ

sameer-wankhede

News Desk: মুম্বইয়ের প্রমোদতরীর মাদক কাণ্ডের জল ক্রমশ ঘোলা হচ্ছে। যার কেন্দ্রে রয়েছেন নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর ডিরেক্টর সমীর ওয়াংখেড়ে। খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে সমীরের নাম। ঘুষ নেওয়া থেকে শুরু করে একের পর এক অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এবার মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক অভিযোগ করলেন, সমীর আইন বহির্ভূতভাবে বহু ব্যক্তির ফোন ট্যাপ করেছেন। যার মধ্যে রয়েছেন বলিউড তারকারা।

এনসিবির জোনাল হেড সমীর একজন সৎ এবং দক্ষ অফিসার হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। যে কারণে আরিয়ান খান মামলায় এই তদন্তকারী অফিসার যথেষ্ট ব্যাকফুটে। সম্প্রতি তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে এই আশঙ্কা প্রকাশ করে আদালতেও গিয়েছেন তিনি। এই মানুষটিকে নিয়ে এখন একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে।

অনেকেই বলছেন, কেন্দ্রের মোদী সরকারের ইশারাতেই বিভিন্ন জরুরি বিষয় থেকে মানুষের নজর ঘুরিয়ে দিতেই এনসিবি আরিয়ানকে নিয়ে পড়েছে। এদিন নবাব অভিযোগ করেন, সমীর নিয়মিত বলিউড তারকাদের ফোন ট্যাপ করতেন। এমনকী, তাঁর মেয়ে নিলোফারের কললিস্টও চেয়ে পাঠিয়েছিলেন। তবে মুম্বই পুলিশ সেটা তাঁকে দেয়নি। তাঁর নিজের ফোনও ট্যাপ করা হয়েছে বলে নবাব দাবি করেন।

নবাব আরও বলেন, এনসিবির এক অফিসার নিজের নাম গোপন করে তাঁকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। ওই চিঠিতে ২৬টি মামলার কথা তাঁকে জানানো হয়েছে। ওই সমস্ত মামলাগুলির মধ্যে কয়েকটিতে বলিউড তারকারা জড়িত। ওই সমস্ত মামলাগুলির তদন্ত সমীর যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে করেননি। সমীর সবসময় চেষ্টা করেছেন বিভিন্ন মানুষকে ফাঁসিয়ে দিতে। তাঁদের বিরুদ্ধে এজন্যই তিনি মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন।

ওই চিঠিটি তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, পুলিশের ডিজি, এনসিবির শীর্ষ কর্তা এবং অন্যদের কাছেও পাঠিয়েছেন। একই সঙ্গে ওই মামলাগুলির যথাযথ তদন্তের দাবিও তুলেছেন নবাব। মন্ত্রীর আরও অভিযোগ, সমীর তাঁর নিজের পদমর্যাদাকে কাজে লাগিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা কামিয়ে চলেছেন।

নবাব এদিন বলেন, আমি এনসিবির বিরুদ্ধে কোনও লড়াই করছি না। আমার লড়াইটা অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে। একজন ব্যক্তি যিনি প্রতারণার মাধ্যমে চাকরি পেয়েছেন আমি সেই বিষয়টি সামনে আনতে চাইছি। সমীর তাঁর জন্মের ভুয়ো শংসাপত্র দিয়ে এনসিবির চাকরি পেয়েছেন।

নবাবের তোলা এই সমস্ত অভিযোগের কোনও জবাব দেননি সমীর। তবে, এদিন মুখ খুলেছেন তাঁর স্ত্রী। এদিন সমীরের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী কখনও কোনও অন্যায় কাজ করেন না। এ ধরনের চিঠির কোন সারবত্তা নেই। এসব অভিযোগের বিরুদ্ধে আমরা আদালতে যাব। যারা আমাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ করছেন আদালতে তাদের সেগুলি প্রমাণ করতে হবে। আমরা কোটিপতি নই। আমরা আর পাঁচজনের মতো সাধারণ মানুষ। আমার স্বামী সমীর একজন অত্যন্ত সৎ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল অফিসার। নবাবের পাঠানো চিঠিতে সম্পর্কে এনসিবির ডিরেক্টর জেনারেল অশোক জইন বলেছেন, তিনি একটি চিঠি পেয়েছেন এবং দেখেছেন। সব খতিয়ে দেখে এ ব্যাপারে তিনি নিশ্চিতভাবেই ব্যবস্থা নেবেন।

Mumbai: বহুতলে বিধ্বংসী আগুন, কার্নিস থেকে পড়ে মৃত এক যুবক

young man died after falling from a cornice in a devastating fire in Mumbai

নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড দক্ষিণ মুম্বইয়ের (Mumbai) এক বহুতলে। বুধবার দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ দক্ষিণ মুম্বইয়ের লালবাগ এলাকায় অভিজ্ঞা পার্ক সোসাইটির ৬০ তলা বহুলটিতে আগুন লাগে। ওই আবাসনের ১৯ তলায় প্রথমে আগুন লাগে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই আগুন আবাসনের ১৭ তলা থেকে ২৫ তলা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে গিয়েছে দমকলের ৩০টি ইঞ্জিন।

ওই বহুতলে আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে গোটা এলাকাটি কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। আগুনের হাত থেকে বাঁচার জন্য এক যুবক দ্রুত নামার চেষ্টা করতে গিয়ে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গেই ওই যুবকের মৃত্যু হয়।

দমকল কর্মীদের আশঙ্কা, ওই বহুতলে বহু মানুষ আগুনের ফলে আটকে পড়েছেন। তাঁদের দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। দমকলের ৩০টি ইঞ্জিন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ করছে। ইতিমধ্যেই আগুন নেভানোর কাজ তদারকির জন্য ঘটনাস্থলে গিয়েছেন মুম্বইয়ের মেয়র কিশোরী পেডনেকর।

দমকল বাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবার দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ আচমকাই বহুতলের ১৯ তলা থেকে গল গল করে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ পরেই দেখা যায় ১৯ তলাটি দাউদাউ করে জ্বলছে। আগুন ক্রমশ আবাসনের উপর ও নিচ দুইদিকেই ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। স্বাভাবিকভাবেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১৭ থেকে ২৫ তলার মধ্যে বসবাস করা হয় বহু মানুষ আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, অরুণ তিওয়ারি নামে এক যুবক প্রাণ বাঁচাতে কার্নিশের উপরে গিয়ে দাঁড়ান। কিন্তু হঠাৎই হাত ফসকে তিনি নিচে পড়ে যান। দমকল কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গেই ওই আহত ব্যক্তিকে কেইএম হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

আগুনের হাত থেকে প্রাণে বাঁচতে ওই যুবক তড়িঘড়ি বারান্দা টপকে কার্নিশ বেয়ে নিচে নামার চেষ্টা করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। জনবহুল ওই এলাকায় ইতিমধ্যেই আশেপাশের মানুষকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দমকলের ইঞ্জিন যাওয়ার রাস্তা করে দিতে ইতিমধ্যেই কারি রোডের রাস্তাটি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গোটা এলাকা পুলিশ ব্যারিকেড করে ঘিরে রেখেছে। ইতিমধ্যেই ওই বহুতলটির আশপাশের বাড়ি ও দোকানগুলিও ফাঁকা করে দেওয়া হয়েছে। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত একজনের মৃত্যুর খবর ছাড়া হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। তবে দমকল কর্মীরা আশঙ্কা করছেন, আগুন নেভানোর কাজ সম্পূর্ণ হলেই প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের পরিমাণ জানা যাবে।

Aryan Khan: আদালতের নির্দেশে স্পষ্ট হয়ে গেল আরও বেশ কিছুদিন মন্নতে ঢুকবে না মিষ্টি

Aryan Khan's bail application was once again rejected

নিউজ ডেস্ক: বুধবার আদালতের নির্দেশে এটা স্পষ্ট হয়ে গেল যে, আরও বেশ কিছুদিন শাহরুখ খানের বাড়ি মন্নতে মিষ্টি ঢুকবে না। শাহরুখ খানের স্ত্রী গৌরী বলেছিলেন, যতদিন না ছেলে আরিয়ান (Aryan Khan) বাড়ি ফিরছে ততদিন মিষ্টি ঢুকবে না বাড়িতে। তাঁরা কেউ মিষ্টি খাবেন না। বুধবার আরিয়ানের জামিনের আবেদন ফের একবার খারিজ হয়ে গেল। জামিনের আর্জি খারিজ হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই মন্নতে যে আরও বেশ কিছুদিনের জন্য মিষ্টি ঢুকবে না এটা নিশ্চিত হয়ে গেল। আরিয়ানকে জামিনের জন্য পরবর্তী ক্ষেত্রে যেতে হবে বম্বে হাইকোর্ট।

চলতি মাসের ৩ তারিখে মুম্বইয়ে এক প্রমোদতরী থেকে আরিয়ানকে গ্রেফতার করেছিল নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো। আরিয়ানের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছিল বেশ কিছু মাদক। শুধু আরিয়ান নয়, ওই ঘটনায় আরিয়ানের ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছিল এনসিবি। গ্রেফতারের পর প্রথম কয়েকদিন আরিয়ানকে নিজেদের হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল এনসিবির তদন্তকারী আধিকারিকরা। আদালতের নির্দেশে ৮ অক্টোবর থেকে মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলে রয়েছেন আরিয়ান। বুধবার আরিয়ানের জামিনের আবেদনের শুনানি শুরু হলে এনসিবি তার বিরোধিতা করে।

তদন্তকারী অফিসাররা জানান, আরিয়ানের কাছ থেকে এখনও বেশ কিছু জিনিস তাঁদের জানার বাকি আছে। জিজ্ঞাসাবাদে আরিয়ানের কাছ থেকে প্রায় প্রতিদিনই মিলছে নতুন তথ্য। তাই এখনই আরিয়ানকে জামিনে মুক্তি দেওয়া সম্ভব নয়। অন্যদিকে আরিয়ানের আইনজীবী এনসিবির অফিসারদের বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, তাঁর মক্কেল তদন্তকারীদের সঙ্গে সব ধরনের সহযোগিতা করছেন। তিনি একজন নামজাদা ব্যক্তির ছেলে। তাই আরিয়ান দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবেন তা নয়। সে কারণে তার মক্কেলকে জামিন দেওয়া হোক। উভয় পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর শেষ পর্যন্ত অবশ্য আরিয়ানের জামিনের আর্জি খারিজ করে দেন বিচারক।

উল্লেখ্য আরিয়ানকে জেরার ভিত্তিতেই গত শনিবার মুম্বইয়ের বান্দ্রা ও জুহুর একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় এনসিবি। আরও বেশ কিছু জায়গায় এনসিবি তদন্ত চালাবে বলে মনে করা হচ্ছে। সে কারণেই এনসিবি এদিন আরিয়ানের জামিনের বিরোধিতা করে। তবে আদালতের এদিনের নির্দেশের পর একটাই প্রশ্ন, দীপাবলীর আগে কি শাহরুখপুত্র আরিয়ান বাড়ি ফিরতে পারবেন। এই মুহূর্তে জামিন পেতে হলে আরিয়ানকে হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে। কারণ এখনও পর্যন্ত পাঁচবার নিম্ন আদালতে আরিয়ানের জামিনের আর্জি খারিজ হয়েছে। জামিন না মেলায় শাহরুখ ও তার ছেলে আরিয়ানের উপর চাপ বাড়ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Mumbai: পেট্রোল পর ডিজেল, জ্বালানি তেলের জোড়া সেঞ্চুরি নজির

diesel-price-cross-century

নিউজ ডেস্ক: দেশে জ্বালানির জোড়া সেঞ্চুরি হয়ে গেল। আশঙ্কা যা ছিল সেটাই হয়েছে। বাণিজ্য রাজধানীতে ডিজেল মূল্য লিটার পিছু ১০০ টাকা পার করেছে। আগেই সেঞ্চুরি করেছে পেট্রোল। জ্বালানি মূল্যের ঝড় তোলা ব্যাটিংয়ে জনগণ আরও বিপাকে।

বাণিজ্য রাজধানী মুম্বইতে ডিজেল মূল্য লিটার প্রতি ১০২.৫২ টাকা। আর পেট্রোল মূল্য লিটারে ১১১.৭৭ টাকা। বাকি মহানগরগুলিতে ডিজেল মূল্য শত রানের দোরগোড়ায় এসে গিয়েছে।

রাজধানী নয়া দিল্লিতে প্রতি লিটারে পেট্রোলের দাম সর্বোচ্চ ১০৫.৮৪ টাকা। ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৯৪.৫৭ টাকা।

চেন্নাইতে লিটার প্রতি পেট্রোলের দাম ১০৩.০১ টাকা এবং ডিজেলের দাম ৯৮.৯০ টাকা। কলকাতায় প্রতি লিটারে পেট্রোলের দাম ১০৬.৪৩ টাকা এবং ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৯৭.৬৮ টাকা।

ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি করে চলেছে রাষ্ট্রীয় তেল সংস্থাগুলি। জ্বালানির দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় মাথায় হাত জন সাধারণের। পেট্রোল ও ডিজেলের দামের উপরে এক্সসাইজ ডিউটি, ডিলার কমিশন ও অন্যান্য চার্জ যুক্ত করার পর প্রায় দ্বিগুণ দাম দিয়ে তেল কিনতে হয় উপভোক্তাদের ৷

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এবং ডলারের তুলনায় টাকার মূল্যের উপর নির্ভর করে দেশের বাজারে পেট্রোলে ও ডিজেলের দাম ৷

পেট্রোলিয়াম আর প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি আগেই জানিয়েছিলেন, সরকার পেট্রোল আর ডিজেলের মূল্যে নজর রেখে চলেছে। পেট্রোল ও ডিজেলের দামে স্থিরতা বজায় রাখার চেষ্টা চলছে। তাঁর ঘোষণা বাস্তবে দেখা যাচ্ছে না।

দু’বছরে এই প্রথম মুম্বইয়ে করোনায় মৃত্যুশূন্য, তৃতীয় ঢেউ নাও আসতে পারে: অনুমান বিশেষজ্ঞদের

third wave may not come: Experts

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: ২০২১-এর মার্চ মাসে থেকে গোটা দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়েছিল। দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে করোনায় সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত ও মারা গিয়েছিল মহারাষ্ট্রে। রাজধানী মুম্বইয়ের পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ। এরই মধ্যে দেড় বছর পর এই প্রথম সামনে এল এক আশার খবর। দীর্ঘ ১৮ মাস ২১ দিন পর রবিবার করোনায় মৃত্যুর কোন খবর নেই মুম্বইয়ে। পাশাপাশি এদিনই এক আশার কথা শুনিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলেছেন, দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ নাও আসতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০২০ – ২৭ মার্চ মুম্বইয়ে প্রথম করোনায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছিল। তারপর ক্রমশ করোনার হটস্পট হয়ে উঠেছিল মুম্বই। গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন মুম্বইয়ে। করোনা রুখতে মহারাষ্ট্রের উদ্ধব ঠাকরে সরকার সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছিল। সরকারের সেই গৃহীত ব্যবস্থার সুফল এতদিনে মিলল। করোনার প্রথম ঢেউয়ে মুম্বইয়ে ২০২০-র ২১ জুন সবচেয়ে বেশি ১৩৬ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

third wave may not come: Experts

২০২১ সালের ১ মে মুম্বইয়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সর্বাধিক ৯০ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। করোনা রুখতে এই শহরে জোর গতিতে চলছে টিকাদান। জানা গিয়েছে মুম্বইয়ে ৯৭ শতাংশ মানুষ ইতিমধ্যেই করোনা টিকার অন্তত একটি ডোজ পেয়েছেন। ৫৫ শতাংশ মানুষ পেয়েছেন দুটি ডোজ। মুম্বইয়ের পুরো কমিশনার ইকবাল সিং চাহাল জানিয়েছেন মুম্বইতে, খুব শীঘ্রই দৈনিক মৃত্যু শূন্যে নেমে আসবে। এজন্য বৃহনমুম্বই পুরোনিগমের স্বাস্থ্য কর্মীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

বিএমসির অতিরিক্ত কমিশনার সুরেশ কাকানি বলেছেন, শেষ পর্যন্ত আমরা মৃত্যুর সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে সফল হয়েছি। এই মুহূর্তে শহরে করোনা পজিটিভিটি রেট ১.২ শতাংশ।

অন্যদিকে বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করছেন করানোর তৃতীয় ঢেউ ভারতে নাও আসতে পারে। হরিয়ানার সোনিপত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গৌতম মেনন বলেছেন, দেশে দ্রুত গতিতে টিকাকরণ চলছে। মানুষের শরীরে অ্যান্টিবডির পরিমাণ বেড়েছে। পাশাপাশি ডেল্টা ভেরিয়েন্টের প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। এসবের জেরে শেষ পর্যন্ত হয়তো ভারতে করোনার তৃতীয় ঢেউ নাও আসতে পারে।

দেশের মহামারী বিশেষজ্ঞ চন্দ্রকান্ত লাহড়িয়া বলেছেন, ডেল্টা ভেরিয়েন্ট অনেক ক্ষেত্রেই মানুষের শরীরে বন্ধুর মতন আচরণ করে। ডেল্টা ভেরিয়েন্টের জন্যই কোভিডের অন্যান্য ভেরিয়েন্ট আর সংক্রমণ ছড়াতে পারছে না। লাহড়িয়া আরও বলেন, সম্প্রতি দেখা গিয়েছে প্রায় ৭৬ শতাংশ মানুষের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। দেশের প্রাপ্তবয়স্কদের ৭০ শতাংশকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়ে গিয়েছে। এসবের কারণে ভারতে করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা এখন অনেক কম।

Mumbai: চলন্ত ট্রেনে মহিলাকে যৌন নিগ্রহের ঘটনায় ধৃত NCB অফিসার

NCB officer molests woman

নিউজ ডেস্ক: চলন্ত ট্রেনে এক মহিলাকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগে গ্রেফতার হলেন নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর সুপারিনটেনডেন্ট পদ মর্যাদার এক অফিসার। সংশ্লিষ্ট মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতেই এনসিবির ওই অফিসারকে গ্রেফতার করেছে ঔরঙ্গবাদ এলাকার রেল পুলিশ।

বছর পঁচিশের এক তরুণী হায়দরাবাদ থেকে পুণে যাচ্ছিলেন। ওই মহিলা যে বগিতে ছিলেন সেই বগিতেই ছিলেন এনসিবির অফিসার দীনেশ চৌহান। দীনেশ হায়দরাবাদ থেকে মুম্বই ফিরছিলেন। তরুণীর অভিযোগ, তিনি যখন ঘুমিয়ে পড়েছিলেন সে সময় তাঁর সঙ্গে দীনেশ অশালীন আচরণ করেন। তরুণীর ব্যাগ থেকে তাঁর অন্তর্বাস বের করে নিয়ে অশালীন অঙ্গভঙ্গিও করেন। এমনকী, তরুণীকে জোর করে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করেন। তরুণী চিৎকারে বগির অন্য যাত্রীরা ছুটে এসে ওই অফিসারকে ধরে ফেলেন। ঔরঙ্গাবাদ রেল পুলিশ এনসিবির ওই আধিকারিককে গ্রেফতার করে। বর্তমানে ওই অফিসার পার্লি থানার হেফাজতে রয়েছেন।

অন্যদিকে শনিবার রাতে মুম্বইয়ে চলন্ত ট্রেনের মধ্যে এক মহিলা গণধর্ষণের শিকার হন। ওই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৪ দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি চারজন পলাতক।

পুলিশ জানিয়েছে, লখনউ থেকে মুম্বাইগামী পুষ্পক এক্সপ্রেসে এই ঘটনা ঘটে। ইগতাপুরি হল্ট নামে একটি স্টেশনে ওই ট্রেনটি কিছুক্ষণ দাঁড়ায়। সে সময় দুষ্কৃতীরা ট্রেনের একটি বগিতে উঠে পড়ে। এরপরই তারা শুরু করে লুটতরাজ। লুটতরাজ পর্ব মেটার পর এক মহিলাকে পরপর আটজন ধর্ষণ করে। তবে ট্রেনটি কাসারা স্টেশনে পৌঁছাতেই যাত্রীরা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। ধরা পড়ে ৪ দুষ্কৃতী, বাকি চারজন অবশ্য পালিয়ে গিয়েছে।

মুম্বই ক্রুজ কাণ্ডের সঙ্গে কোন যোগসূত্র নেই শাহরুখ খানের: এনসিবি আধিকারিক

NCB Sameer Wankhede

বায়োস্কোপ ডেস্ক: শাহরুখ খান ও তাঁর পরিবারের ওপরে দুঃসময় নেমে এসেছে৷ শাহরুখের বড় ছেলে আরিয়ান খান গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই। সূত্র মাধ্যমে জানা যাচ্ছে, আরিয়ানের পুলিশ হেফাজত ৭ অক্টোবর পর্যন্ত বেড়েছে৷ আরিয়ান গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই মান্নাতে ভিড় করেছে শুভাকাঙ্ক্ষী থেকে তারকা বন্ধুরাও। সলমন খান, নিলাম কোঠারি, সীমা খান এবং আরও অনেকে দেখা করতে গিয়েছে শাহরুখের পরিবারের সামনে।

এদিকে নেটিজেনরা আরিয়ানের মাদকাসক্তির জন্য দায়ী করছেন বাবা শাহরুখ খানকেই। এনসিবি কর্তৃপক্ষও গোটা ঘটনার পিছনে শাহরুখ খানের অবদান কতখানি তা খুঁটিয়ে দেখার জন্য উঠে পড়ে লেগেছিল। এরই মধ্যে এনসিবি কর্তৃপক্ষ বয়ান দিয়ে শাহরুখ খানের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত প্রশ্ন খারিজ করে দিয়েছে।

Aryan Khan

শাহরুখ খানকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন এনসিবির জোনাল ডিরেক্টর সমীর ওয়াংখেড়ে। তিনি জানিয়েছেন, “আমরা কাউকেই এই তদন্তে টার্গেট করে এগিয়ে যাচ্ছি না। গত ১০ মাসে আমরা ৩০০ জনের বেশি লোককে গ্রেফতার করেছি। তাদের মধ্যে তিন থেকে চারজন পরিচিত মুখ।” এনসিবি কর্তৃপক্ষের তদন্ত সম্পর্কে এমন গুজব শুনে তাজ্জব হয়ে গিয়েছেন অফিসার ওয়াংখেড়ে।

তিনি আরও বলেছেন, ” গত এক বছর ধরে আমরা দাগী মাদক পাচারকারীদের পাকড়াও করেছি। তিনি উল্লেখ করেন যে, এনসিবি মাদকদ্রব্যের নির্মূলের জন্য কাজ করে।

এনসিবি কর্তৃপক্ষের সূত্র ধরে এও জানা গেছে যে, মুম্বই ক্রুজ কাণ্ডের প্রসঙ্গে অনুষ্ঠান আয়োজকের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই ঘটনার সূত্র ধরে এনসিবি কর্তৃপক্ষ আরও বড় মাদক চক্রের কিনারা করতে চান বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার এনসিবি আধিকারিক সমীর ওয়াংখেড়ের স্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি স্বামীর কৃতিত্বে গর্ব বোধ করেন। তিনি মুম্বই ক্রুজ কাণ্ড ছাড়াও যুক্ত থেকেছেন একাধিক বলিউড মাদক চক্রের

উন্মুক্ত বক্ষে দুধ-সাদা পোষাকে মুম্বইয়ের রাজপথে ‘আগুন’ ঝড়াল নোরা

Nora Fatehi

বায়োস্কোপ ডেস্ক: ডান্সার নোরা ফতেহি (Nora Fatehi) যে কোন পুরুষের কাছেই কার্যত ক্রাশ৷ যতদিন যাচ্ছে নোরার টি আর পি যেন তর তর করে বেড়েই চলেছে৷ একদিকে তার ডান্স যেমন আম জনতার মন জয় করেছে৷ অন্যদিকে, স্বপ্ল পোশাকের নোরা যেন পুরুষ মনে আগুন ঝড়াচ্ছে৷

Nora Fatehi

এবার তার আরও কিছু ছবি এবং একটি ভিডিও রাতারাতি ভাইরাল হয়েছে৷ আর সেই ছবিগুলো থেকে রীতিমতো আগুন ছড়িয়ে পড়ছে৷ ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মুম্বইয়ের কোলাবার এলাকার রাজপথে নোরা৷ তার পরনে দুধ সাদা স্বল্প পোশাক৷ যে পোশাকের কাপড়ে নোরার শরীর কোনভাবেই ঢাকছে না৷ একই সঙ্গে রীতিমতো উন্মুক্ত বক্ষ৷ এই পোশাকে তিনি নানা পোজ দিয়ে একাধিক ছবি তুলেছেন৷ আর সেই দৃশ্য দেখে মুম্বইয়ের রাজপথ যেন থমকে পড়েছে৷ রাস্তার দুই ধারে মানুষের ঢল নেমে পড়ে হট নোরাকে দেখতে৷

Nora Fatehi

একই সঙ্গে তিনি একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ তার এক সহকর্মীর সঙ্গে গান করছেন৷ পরনে সেই দুধ সাদা স্বল্প পোশাক৷ তাতেও তার উন্মুক্ত বক্ষ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে৷ এই ভিডিওটি পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে লাইক আর শেয়ারে বন্যা বইয়ে গিয়েছে৷ এই ভিডিওটি তোলা হয় মুম্বইয়ের তাজ হোটেলের সামনে৷

কেউ কেউ টুইটারে সেই ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, কোলাবার রাস্তা গরম হয়ে উঠছে ৷ আর এরজন্য সম্পূর্ণ দায়ী নোরা ফাতেহি৷ আবার কেউ লিখেছেন, তিনি (নোরা) আজকের দিনটাতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন৷ একজন ফ্যান লিখেছেন East or west #NoraFatehi is best৷ সব মিলিয়ে একদিকে যেমন তিনি ফ্যানের মনে আগুন ধরিয়েছেন৷ অন্যদিকে তাঁর এই দুধ সাদা পোশাকে ছবিও সোস্যাল মিডিয়াতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছেন৷

NASA Report: কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চলসহ দেশের ১২টি শহর নিশ্চিহ্ন হবে

Mumbai, Chennai to Submerge Due to Rising Sea-Levels by 2050

নিউজ ডেস্ক: গলছে বরফ! গঙ্গায় তলিয়ে যাবে কলকাতার খিদিরপুর! এমনই আতঙ্কের কথা শোনাল মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা৷ শুধু কলকাতার খিদিরপুর এলাকীয় নয়, নাসার সতর্কবার্তার তালিকায় রয়েছে মুম্বই, চেন্নাই, কোচিসহ ভারতের একডজন শহর৷ সর্তকবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, এই ১২টি শহর শিগগির জলের তিন ফুট গভীরে চলে যাবে৷

বিশ্ব উষ্ণায়ন নিয়ে রিপোর্ট দিয়েছে ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (আইপিসিসি)। আর নাসা সেই রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে বিশ্ববাসীকে সতর্ক করেছে৷ নাসার সেই রিপোর্ট রীতিমতো চিন্তার কারণ ভারতের কাছে৷ তাতে বলা হয়েছে, ভারতের ১২টি উপকূলীয় শহর এবং বন্দর এক থেকে তিন ফুট জলের তলায় চলে যাবে। এই শহরগুলির মধ্যে রয়েছে বাণিজ্য রাজধানী মুম্বই, দক্ষিণ ভারতের অন্যতম প্রধান শহর চেন্নাই। এছাড়া কেরলের কোচি, অন্ধ্র প্রদেশের বিশাখপত্তনম এবং পশ্চিমবঙ্গের খিদিরপুর বন্দর এলাকা এই তালিকায় রয়েছে।

বিশ্বে পরিবেশ দূষণ, উষ্ণায়নসহ বিভিন্ন কারণে সমুদ্রের জলস্তর বাড়ছে। এশিয়ায় জলস্তর বৃদ্ধির পরিমাণ অন্য জায়গার তুলনায় বেশি। আইপিসিসি’র মতে, আগে একশ বছরে যে পরিবর্তন হত, ২০৫০ সালের মধ্যে প্রতি ছয় থেকে নয় বছরে তা হবে। এই শতাব্দী জুড়ে উপকূলে জলস্তর বাড়বে৷ ব্যাপক ভাঙন দেখা দেবে৷ অনেক শহর জলের তলায় চলে যাবে। এককথায় পরিস্থিতি খুব একটা সুখের নয়।

Mumbai, Chennai to Submerge Due to Rising Sea-Levels by 2050

কী করে ঠেকানো যাবে এই ভয়ঙ্কর ভবিষ্যৎকে? পরিবেশবিজ্ঞানী পুনর্বসু চৌধুরী অ্যান্টার্কটিকায় ভারতের মিশন থেকে সম্প্রতি ফিরেছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টা সেখান থেকেই সব চেয়ে ভাল বোঝা যায়। গত ফেব্রুয়ারিতে অ্যান্টার্কটিকায় তাপমাত্রা ছিল রেকর্ড ১৮ ডিগ্রি। তখনও তিনি সেখানে ছিলেন।

একটি সংবাদমাধ্যমকে পুনর্বসু জানিয়েছেন, ”জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে জলবায়ু পরিবর্তন রোধে নানারকম আলোচনা হয়। প্যারিস কনভেনশন থেকে শুরু করে নানা জায়গায় বহু সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু পরিবেশকে তখনই নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে, যখন ব্যক্তিপর্যায়ে কার্বন নিঃসরণ কমানো যাবে। আমাদের বর্তমান জীবনযাত্রায় কার্বন নিঃসরণের হার কমানো অসম্ভব।” তাঁর মতে, ”গাড়ি, এসিসহ বিভিন্ন জিনিসের ব্যবহার বা অভ্যাস বদল না করলে, শুধু জাতীয় বা আন্তর্জাতিকস্তরে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকানো যাবে না।”

পরিস্থিতি কতটা খারাপ তা বোঝাতে একটা উদাহরণ যথেষ্ট। শিল্পবিপ্লবের সময় কার্বন নিঃসরণের যে পরিমাণ ছিল, এখন তা দ্বিগুণেরও বেশি। ফলে মানুষকে বাঁচতে গেলে, বিশ্বকে বাঁচাতে হলে প্রত্যককে উদ্যোগী হতে হবে এবং ব্যবস্থা নিতে হবে বলে মনে করেন পুনর্বসু।

দীর্ঘদিন সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন অমিতাভ রায়। পরিকল্পনা কমিশনের অবসরপ্রাপ্ত এই কর্তার মতে, ”আমরা প্রায়ই শপথ নিই যে, কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে ফেলব৷ বাস্তবে তা হয় না। খাতায়-কলমে অনেক পরিকল্পনা নেওয়া হয়৷ আমরা অনেক প্রতিজ্ঞা করি৷ অনেক চুক্তিতে সই করি৷ বাস্তবে তার প্রয়োগ করা হয় না বলেই আইপিসিসি যে রিপোর্ট দিয়েছে, তা সত্যি হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।”

অমিতাভবাবু একটি সংবাদমাধম্যকে আরও জানিয়েছেন, ”এর আগে রাষ্ট্রসংঘ সব দেশের জন্য মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল বেঁধে দিয়েছিল। ২০০০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হত৷ তাতে ১৫ দফা বিষয় ঠিক করা হয়ছিল। ২০১৫ সালে মূল্যায়নের সময় দেখা গেল, তার রূপায়ণ হয়নি।” অমিতাভবাবু বলছেন, ”এরপর ২০১৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল ঠিক করল জাতিসংঘ। সেটাও পূরণ হবে এমন আশা কম। তখন হয়ত আবার ১৫ বছরের জন্য অন্য নামে কোনও লক্ষ্যমাত্রা তৈরি করা হবে। জলবায়ু পরিবর্ত রোধ করার কাজটাও এভাবেই হচ্ছে।”

ফলে পরিস্থিতি খুব সুখের নয়। আইপিসিসি রিপোর্ট বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আঞ্চলিকস্তরেও নানা পরিবর্তন হতে পারে। বৃষ্টি বেশি হবে৷ আবার কোথাও বৃষ্টি হবে না। খরা দেখা দেবে। কোথাও প্রচুর বরফ পড়তে পারে। ২০০৬-১৮ সালের মধ্যে সমুদ্রের জলস্তর নিয়ে যে সমীক্ষা করা হয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে, গোটা বিশ্বে প্রতি বছর জলস্তরের গড় বৃদ্ধি হয়েছে ৩.৭ মিলিমিটার। ফলে এখন থেকেই সতর্ক হয়ে পরিবর্তন রোধ করার চেষ্টা না করলে, ভবিষ্যৎ ভয়ঙ্কর হতে বাধ্য। কারণ, পরিবর্তন রোধ করার কাজ রাতারাতি হয় না। তাতে অনেক সময় লাগে। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। অবিলম্বে ব্যক্তি থেকে সরকার প্রতিটি পর্যায়ে উদ্যোগ দরকার।