Myanmar: ভারত সীমান্ত প্রদেশে বর্মী সেনার ‘গণহত্যা’, মাটি খুঁড়লেই দেহ

Myanmar military attack started on rebel force controlled chinland states

News Desk: মায়ানমারে ‘গণহত্যা’ চালাচ্ছে দেশটির সামরিক সরকার। এই ভয়াবহ ঘটনার কেন্দ্র দেশটির সাগাইং প্রদেশ। বিবিসি জানাচ্ছে সাগাইং প্রদেশের সাগাইং জেলায় ‘গণহত্যা’ চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও কোনওরকমে বেঁচে যাওয়া কয়েকজনের বিবরণে উঠে এসেছে মৃতদেহগুলি মাটির তলায় চাপা দেয় সেনা। দু চার হাত মাটি খুঁড়লেই দেহ মিলছে। ভয়াবহ পরিস্থিতি এই জেলায়।

সাগাইং প্রদেশটি ভারত সীমান্ত লাগোয়া। তবে এই প্রদেশের সাগাইং জেলাটি সীমান্ত থেকে দূরে। এখানেই অন্তত ৪০ জনকে খুন করেছে বর্মী সেনা। সাগাইং প্রদেশের সাগাইং জেলাটি বর্মী সেনার বিরোধী গোষ্ঠী শক্তিশালী।

বিবিসি জানাচ্ছে, প্রত্যক্ষদর্শী এবং বেঁচে থাকা ব্যক্তিরা বলেছেন এলাকাবাসীদের জড়ো করে তাদের মধ্য থেকে পুরুষদের আলাদা করে হত্যা করে বর্মী সেনা। এদের মধ্যে অনেকের বয়স মাত্র ১৭ বছর।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিডিও ফুটেজ এবং ছবি দেখে জানা যায় যে, নিহতদের বেশিরভাগকে প্রথমে নির্যাতন করা হয়েছিল। তারপর তাদের খুন করে অগভীর কবরে মাটি চাপা দেওয়া হয়।

মায়ানমারের সাগাইং জেলায় বিরোধীদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কানি শহর। এখানে চারটি আলাদা ঘটনায় জুলাই মাসে এই গণহত্যাকাণ্ড হয়েছিল।

বেঁচে যাওয়া কয়েকজন ভয়াবহ নির্যাতন ও খুনের বর্ণনা দিয়েছেন। কয়েকজন গোপনে মোবাইলে গণহত্যার ছবি রেকর্ড করেন। সেই ভিডিও ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ থেকে বিবিসি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

মায়ানমারে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে দেশটির জনগণ প্রবল বিদ্রোহে সামিল হয়েছেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচিত আউং সান সু কি-এর সরকারকে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে উৎখাত করা হয়। ক্ষমতা দখল করেন বর্মী সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং। তিনিই এখন মায়ানমারের সামরিক সরকারের প্রধান।

Myanmar: বর্মী সেনার বিমান হামলা, বিদ্রোহী চিন প্রদেশে বিশ্বযুদ্ধের ভয়াল স্মৃতি

Myanmar military attack started on rebel force controlled chinland states

News Desk: আশঙ্কা মিলিয়েই মায়ানমারের সামরিক সরকারের নির্দেশে শুরু হয়েছে বর্মী সেনার হামলা। বিশেষ সূত্র থেকে www.ekolkata24.com সরাসরি মায়ানমার থেকে সেই ভয়াবহ হামলার ছবি সংগ্রহ করেছে।

Myanmar military attack started on rebel force controlled chinland statesবিমান হামলা শুরু করেছে বর্মী সেনা। জ্বলছে চিন প্রদেশের বহু এলাকা। চার্চ, মন্দিরের উপরে বৃষ্টির মতো বোমা ফেলা হয়েছে। বহু এলাকায় বোমা মেরেছে বর্মী সেনা। সঠিক সংখ্যা জানা না গেলেও হতাহত অনেকে বলেই খবর আসছে।

Myanmar military attack started on rebel force controlled chinland states

রাষ্ট্রসংঘ আগেই আশঙ্কা করেছিল মায়ানমারে সেনা প্রধান তথা সামরিক সরকারের সুপ্রিমো মিন অং হ্লাইং রক্তাক্ত পরিবেশ তৈরি করবেন। সেই লক্ষ্যেই সেনা শাসন বিরোধী বিদ্রোহী গোষ্ঠীদের দখলে থাকা দুটি রাজ্য চিন ও কাচিনে হামলা শুরু হয়েছে শুক্রবার বিকেলের পর থেকে।

Myanmar military attack started on rebel force controlled chinland states

মায়ানমারের জাতীয় নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়ে ফের সরকার ধরে রাখে নোবেল জয়ী নেত্রী আউং সান সু কি নেতৃত্বে চলা এনএলডি। সেনা সমর্থিত দল তেমন কিছু করতে পারেনি। সরকার গড়ার আগেই জেনারেল হ্লাইং অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা করেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে রক্তপাতহীন সামরিক অভ্যুত্থানে বন্দি হন ততকালীন দেশটির সর্বময় নেত্রী সু কি সহ সরকারের মন্ত্রীরা।

Myanmar military attack started on rebel force controlled chinland states
মায়ানমারে বর্তমান সামরিক সরকারের প্রধান জেনারেল মিন অন হ্লাইং, বন্দি সু কি বিচারের মুহূর্তে আদালতে

অভ্যুত্থানের পর থেকেই গণতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে আন্দোলন শুরু হয় মায়ানমারে। আন্দোলন রুখতে বর্মী সেনা গুলি চালায়। হাজারের বেশি মৃত। হাজার হাজার গণতন্ত্রীপন্থীরা বন্দি হয়েছেন। মায়ানমারের সামরিক সরকারের অধীনতা মানতে নারাজ বরাবরের বিদ্রোহী দুটি প্রদেশ চিন ও কাচিন। দুই প্রাদেশিক সরকার তাদের মিলিশিয়া বাহিনী নিয়ে সেনা শাসনের বিরোধিতা শুরু করেছে। অভিযোগ, বর্মী সেনা গণহত্যা শুরু করেছে।

রাষ্ট্রসংঘ সম্প্রতি জানায়, মায়ানমারে গৃহযুদ্ধ শুরু হতে চলেছে। ভারত সীমাল্ত লাগোয়া মিজেরাম, মনিপুর ও নাগাল্যান্ডের লাগোয়া চিন ও কাচিন প্রদেশে সেনা বনাম বিদ্রোহী চিনল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্স ও কাচিন আর্মির সংঘর্ষ চলছে।

Myanmar: মাস্ক পরা সু কি’র চিন্তিত মুখ দেখল বিশ্ব, আমৃত্যু জেল আশঙ্কা

aung san suu kyi

News Desk: সামরিক সরকারের আদলতে হাজিরা দিলেন মায়ানমারের গণতন্ত্রীকামী নেত্রী আউং সান সু কি। নোবেল জয়ী নেত্রীর সরকারকে গত ফেব্রুয়ারি মাসে উৎখাত করেছে বর্মী সেনা। চলছে সামরিক সরকার। সেই থেকে অত্যন্ত গোপনে বন্দি করে রাখা হয়েছে সু কি সহ অপসারিত সরকারের বাকিদেরকে। বন্দি প্রেসিডেন্টও।

বিবিসি জানাচ্ছে, টানা কয়েকমাস বিশ্বের নজর থেকে সু কি-কে সরিয়ে রাখার পর মঙ্গলবার তাকে আদালতে হাজির করায় সামরিক সরকার। সবই চলছে ঠান্ডা মাথার সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং।

রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানে মায়ানমারে ক্ষমতা ফের দখল করার পর সেনাবাহিনী সু কির বিরুদ্ধে করোনার বিধিনিষেধ লংঘন, অবৈধভাবে ওয়াকিটকি আমদানি ও রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের করা হয়েছে।

হাজিরার সময় আদালতে মাস্কে মুখ ঢেকে রেখেছিলেন সু কি। দেখা গিয়েছে তাঁর চিন্তিত চোখ। আশঙ্কা সু কি জীবদ্দশায় আর বন্দিত্ব কাটাতে পারবেন না। দেশদ্রোহ মামলায় তাঁকে আমৃত্যু জেলে থাকার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।

তবে সেনা সরকার জানিয়েছে সু কি আইনি উপদেষ্টা রাখতে পারবেন আদালতে। তাঁর আইনজীবীও সেনা অনুমোদিত ব্যক্তি ! তিনি জানান, আদালতে নিজেকে নির্দোষ বলে প্রমান দাখিল করেছেন সু কি। তথ্য বিচার করেই রায় দেবে আদালত।

বিশ্বজুড়ে প্রশ্ন, সু কি মুক্তি পাবেন কি? মায়ানমারে সামরিক সরকার হয়ত তাঁকে আর প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক কর্মসূচচিত নামতে দেবে না। দোষী প্রমানিত হলে অন্তত ১৫ বছরের জেল হবে সু কির।

Mayanmar: Chin-Kachin সেনার মুখোমুখি হচ্ছে বর্মী বাহিনী, গণহত্যার প্রবল আশঙ্কা

myanmar-army

News Desk: টানা ৪৮ ঘন্টা ঘরে মুখোমুখি মায়ানমারের সামরিক সরকারের সেনা ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী পরিচালিত দেশটির চিন ও কাচিন প্রদেশের নিজস্ব বাহিনী।

রাষ্ট্রসংঘ আশঙ্কা করছে মায়ানমারের সেনা সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের নির্দেশে বর্মী সেমা ফের গণহত্যা চালাতে প্রস্তুত। যদিও www.ekolkata24.com বিশেষ সূত্র থেকে মিজোরাম, মনিপুর ও নাগাল্যান্ড সীমান্ত লাগোয়া মায়ানমারের কিছু এলাকায় প্রতিরোধ ব্যবস্থার ছবি সংগ্রহ করেছে।

myanmar

দুই সেনার মুখোমুখি
বর্মী সেনা (Myanmar Army) বনাম চিন (Chin) ও কাচিন (Kachin) বাহিনীর সংঘর্ষ যে কোনও সময় বাঁধতে পারে। বহু বর্মী সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের দিকে ঢুকেছেন, আরও আসছেন। পরিস্থিতি কেমন সেটা জানতে আগে চোখ রাখুন এলাকার মানচিত্রে।

myanmar 2

মানচিত্র
আন্তর্জাতিক সীমান্তের ওপারের ঘটনাবলী কেমন তা তুলে ধরছি আমরা। ফেব্রুয়ারি মাসে রক্তপাতহীন সেনা অভ্যুত্থানে মায়ানমারে নির্বাচিত এনএলডি (NLD) সরকারকে উৎখাত করা হয়। সেই থেকে বন্দি মায়ানমারের সর্বচ্চো নেত্রী সু কি ও তাঁর সরকারের প্রেসিডেন্ট সহ বহু মন্ত্রী নেতারা। বর্মী জনগণ গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছেন। সেনা বাহিনীর গুলিতে মৃত এক হাজারের বেশি। শয়ে শয়ে বন্দি। দেশটির দুটি প্রদেশ চিন (Chin) ও কাচিন (Kachin) এর প্রাদেশিক সরকার বর্মী সেনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

myanmar 3

 

বিবিসি জানাচ্ছে, মায়ানমারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি আরও রক্তাক্ত হতে পারে। কাচিন আর্মি ও চিনল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্স প্রত্যাঘাতের জন্য তৈরি। বোমা মেরে বিভিন্ন এলাকার সেতু ভেঙে দিয়েছে তারা।

myanmar 4

বর্মী সেনার ট্যাংক বহর দুটি প্রদেশেই প্রবেশ করতে শুরু করেছে। কয়েকটি এলাকায় হচ্ছে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ।

myanmar 5

সীমান্তের এপারে মিজেরাম সরকার উদ্বিগ্ন। মিজোরামের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় ঢুকে পড়া বর্মীরা শরণার্থী শিবিরে রয়েছেন।

myanmar
আশঙ্কা করা হচ্ছে, সামরিক সরকারের প্রধান জেনারেল হ্লাইংয়ের নির্দেশ এলেই শুরু হবে চূড়ান্ত অভিযান। গণতন্ত্রী গোষ্ঠী বিশেষ করে মায়ানমার সরকারের বিরোধী সশস্ত্র চিন আর্মির বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।

Myanmar: ফের গণহত্যার আশঙ্কা, ট্যাংক নিয়ে ঘিরছে বর্মী সেনা

myanmar-military

নিউজ ডেস্ক: রক্তপাতহীন সেনা অভ্যুত্থানের পর রক্তাক্ত পরিস্থিতি তৈরি করেছে মায়ানমারের সামরিক সরকার। গণতন্ত্রের পক্ষে থাকা জনগণের উপর হামলা চলছেই। হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ফের একবার সেনা অভিযানের পথে মায়ানমারের সেনা প্রধান জেনারেল মিন অন হ্লাইং।

বিবিসি জানাচ্ছে, উত্তর মায়ানমারের বিদ্রোহী মনোভাবাপন্ন এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রসংঘের মায়ানমার বিষয়ক বিশেষজ্ঞ টম অ্যান্ডুস জানিয়েছেন, বর্মী সেনা মোতায়েন করা হয়েছে দেশটির দুর্গম উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে। হাজার হাজার সেনা এবং ভারী অস্ত্র নিয়ে হামলার আশঙ্কা থাকছে।

আশঙ্কা করা হচ্ছে, জেনারেল হ্লাইংয়ের নির্দেশ এলেই শুরু হবে চূড়ান্ত অভিযান। গণতন্ত্রী গোষ্ঠী বিশেষ করে মায়ানমার সরকারের বিরোধী সশস্ত্র চিন আর্মির বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।

বর্মী সেনার বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংঘর্ষের পথেই গিয়েছে চিন (Chin) ও কাচিন (Kachin) দুই প্রদেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠী। সম্প্রতি সেখানে আক্রমণ করেছিল বর্মী সেনা। বহু মানুষ পালিয়ে ভারতের দিকে ঢুকে পড়েন। নাগাল্যান্ড, মিজোরাম ও মনিপুরের সীমান্তে পলাতক বর্মীরা আশ্রয় নিয়েছেন।

এএফপি জানিয়েছে, মায়ানমারে বর্মী সেনার রক্তক্ষয়ী অভিযানে হাজারের বেশি অসামরিক নাগরিক নিহত। ৮ হাজারের বেশি গ্রেফতার। দেশটির উৎখাত হওয়া সরকারের সর্বময় নেত্রী আউং সান সু কি ও প্রেসিডেন্ট সহ মন্ত্রিসভার অনেকেই বন্দি।

ওপারে বাড়ি জ্বলছে, রাস্তায় মৃতদেহ বর্মী সেনার ভয়ে হাজার হাজার শরণার্থী মিজোরামে

Myanmar Democratic force versus military clashes

নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের দিকে যাচ্ছে মায়ানমার। দেশটির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত, প্রধান নেত্রী আউং সান সু কি-কে বন্দি করার প্রতিবাদে বর্মী সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে নেমেছে গণতন্ত্রী মিলিশিয়া বাহিনী। দু তরফের সংঘর্ষে রক্তাক্ত মায়ানমারের চিন প্রদেশ।

বর্মী সেনার অভিযানে ঠিক কতজনের মৃত্যু তার হিসেব নেই। তবে প্রানভয়ে মায়ানমারের দিক থেকে ভারতে ঢুকে পড়া হাজার হাজার বর্মীর একটাই কথা, বাড়ি জ্বলছে রাস্তায় পড়ে বহু দেহ। বিবিসি, গার্ডিয়ানের এমন খবর।

মিজোরাম সরকার চিন্তিত। আইজলের সংবাদমাধ্যমের খবর, ভীত বর্মীরা মায়ানমারে চিন প্রদেশের বাসিন্দা। এই এলাকাটি আন্তর্জাতিক সীমান্তের মিজেরাম রাজ্য ঘেঁষা। ফলে হাজার হাজার বর্মীরা এখন মিজোরামের মাটিতে শরণার্থী। মিজোরাম সরকার কড়া চোখে রাখলেও পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। এদের মধ্যে অন্তত সাড়ে পাঁচ হাজার বর্মী নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে মিজোরামে ঢুকে পড়েছেন।

মায়ানমারের চিন প্রদেশের থান্টলাং এলাকায় বার্মি সেনা ও সেদেশের গণতন্ত্রপন্থি মিলিশিয়াদের সংঘর্ষ চলছেই। গার্ডিয়ান জানাচ্ছে, বর্মী সেনার বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণে যাচ্ছে মায়ানমারের দুর্গম এলাকায় সক্রিয় সরকার বিরোধী মিলিশিয়া চিন ডিফেন্স ফোর্স। তাদের দাবি, গত কয়েক দিনের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন মিলিশিয়া মৃত।

পরিস্থিতি সবথেকে খারাপ চিন প্রদেশের থান্টলাংয়ে। বার্মী সেনারা থান্টলাং এলাকা বারবার হামলা চলায়। এর পরেই ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে মিজোরামে আসতে শুরু করেন স্থানীয় চিন জাতির বাসিন্দারা। এমনই জানাচ্ছে উত্তর পূর্বের সংবাদমাধ্যমগুলি।

মায়ানমারের জাতীয় নির্বাচনে ব্যাপক রিগিং করে জিতেছেন সু কি এমন অভিযোগ তুলে দেশটির সেনাবাহিনী রক্তপাতহীন অভ্যুত্থান ঘটিয়ে সরকারকে অপসারিত করে। চলতি বছর  ১ ফেব্রুয়ারি বন্দি করা হয় সু কি সহ সরকারের সবাইকে। সেনা শাসন শুরু হয়। মায়ানমারের ক্ষমতা এখন সেনা বাহিনীর প্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের নিয়ন্ত্রণে। গণতন্ত্র ফেরাতে তীব্র আন্দোলনে এর পর থেকে রক্তাক্ত হচ্ছে মায়ানমার।