नदिया के युवक शिवांकुर ने जीता स्वर्ण: जिला गौरव में फिर जोड़ा नया पंख

National Table Tennis Champion Shivankur Returns to Nadia, Honored for Gold Win

नदिया (Nadia) जिले के पालपाड़ा के निवासी और पेशे से भूविज्ञानी शिवांकुर ने एक बार फिर अपनी मेहनत और समर्पण का प्रमाण दिया है। सर्वभारतीय इनडोर बैडमिंटन और टेबल टेनिस प्रतियोगिता में स्वर्ण पदक जीतकर नदिया जिले का गौरव और बढ़ाया है। बचपन से ही खेलों में रुचि रखने वाले शिवांकुर ने चकदह रामलाल एकेडमी से पढ़ाई की। इसके बाद प्रेसिडेंसी कॉलेज से भौतिक विज्ञान में स्नातक और धनबाद से भूविज्ञान में स्नातकोत्तर की पढ़ाई पूरी की। वर्तमान में वे भूविज्ञानी के रूप में कार्यरत हैं, परंतु खेलों के प्रति उनका जुनून कभी कम नहीं हुआ।

इस बार की प्रतियोगिता में पदक जीतने का श्रेय वे अपनी पत्नी को देते हैं, जिन्होंने उन्हें हर कदम पर प्रेरित किया। शिवांकुर ने अपने माता-पिता और पत्नी का आभार व्यक्त करते हुए कहा, “2018 से ही मैं इस खेल में लगा हूँ और धीरे-धीरे यह मेरी पसंद बन गया।”

नदिया के लोगों के बीच अपनी इस उपलब्धि को साझा करने के लिए पालपाड़ा में इंटरनेशनल हरिचांद गुरुचांद मिशन की ओर से शिवांकुर का सम्मान किया गया। शिवांकुर ने अपने भविष्य के लक्ष्यों पर भी रोशनी डालते हुए कहा कि वे पालपाड़ा में एक बैडमिंटन प्रशिक्षण केंद्र खोलने का इरादा रखते हैं, ताकि जिले के अन्य युवाओं को खेलों में अपना करियर बनाने के लिए प्रेरित कर सकें। इसके साथ ही, उन्होंने अंतरराष्ट्रीय स्तर पर अपनी यात्रा शुरू करने के लिए विदेश जाने का कदम भी उठाया है।

सारांश: शिवांकुर ने नदिया जिले को गर्व से गौरवान्वित किया है। उनकी इस सफलता ने युवाओं में उत्साह और प्रेरणा का संचार किया है।

Nadia: তৃণমূল শূন্য! বাম দখলে নদিয়ার বিটহুদা পঞ্চায়েত

গণনার প্রাথমিক ট্রেন্ড আসতে শুরু করেছে। প্রাথমিক ভাবে দেখা যাচ্ছে, গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপিকে জোর টক্কর দিচ্ছে বামেরা, তার সঙ্গে রয়েছে কংগ্রেসও। এদিকে তৃণমূল ৯ হাজার আসনে জয়ী।

তবে নদিয়ার বিটহুদা গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলের অঙ্কটা ভিন্ন। একটাও আসনে জিততে পারেনি টিএমসি। নদিয়া চাপড়া ব্লক বিটহুদা গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল শূন্য। জোর টক্কর দিয়ে ১১ টি আসনে জয়ী সিপিআইএম। 

নদিয়া চাপড়া ব্লক বিটহুদা গ্রাম পঞ্চায়েতে সিপিআইএম ১১ আসন টিএমসি ০, পঞ্চায়েত cpim জয় করল।

পঞ্চায়েতের মনোনয়ন জমা, নির্বাচন, পুনর্নির্বাচনকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠে গোটা রাজ্য। দিকে দিকে সন্ত্রাস এবং মৃত্যুমিছিল। ভোট পর্বে রাজ্য মৃতের সংখ্যা ৪১।

কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে দিয়েই সকাল ৮ টায় শুরু হয়েছে ভোট গণনা। গণনাকেন্দ্রের ধারেকাছে জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। প্রত্যেক কেন্দ্রে মোতায়েন করা হয়েছে এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
প্রথমে হবে গ্রাম পঞ্চায়েতের গণনা, তারপর পঞ্চায়েত সমিতি এবং শেষে জেলাই পরিষদের। ৩৩৯ টি কেন্দ্রে গণনা চলছে।

রক্তাক্ত পঞ্চায়েত ভোটের গণনা শুরু। গ্রাম বাংলার রায় ব্যালটবাক্স বন্দি। সেই ব্যালট গণনার সর্বশষ ফলাফল আসতে রাত হয়ে যাবে। চূড়ান্ত ফলাফল তারও পরে। তবে এসবের মধ্যে একটি প্রশ্ন ও একটি আশঙ্কা প্রবল। প্রথমত গ্রামাঞ্চলে বিরোধী পক্ষ কারা? দ্বিতীয়ত কেন্দ্রীয় নিরাপত্তায় গণণা হলেও গণনা কেন্দ্রের বাইরে খুন হবে না তো?

কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে চলবে গণনা। জেলায় জেলায় রাজনৈতিক পারদ চড়ছে। ফলাফল ঘোষণার আগেই বিজয় উৎসবের বার্তা দিয়ে রেখেছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা নজর রেখেছেন, বিরোধীদের ভোট প্রাপ্তির দিকে। নজরে থাকছে বিধানসভায় বিরোধী দল বিজেপি নাকি বর্তমান বিধানসভায় না থাকা পূর্বতন দুই শাসক দল কংগ্রেস ও সিপিআইএম জোট-কোন পক্ষ গ্রামাঞ্চলে নিজেদের শক্তি দেখাল।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে থাকবে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তার বলয়। প্রতিটি জেলায় এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও সঙ্গে রাজ্য পুলিসের সশস্ত্র বাহিনী থাকবে।সিসিটিভির নজরদারিতে হবে গণনা। গণনা কেন্দ্রেও সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকছে। ভোট পরবর্তী সংঘর্ষে রক্তাক্ত পরিস্থিতির তীব্র আশঙ্কা।

তিস্তা তীর থেকে রায়মঙ্গলের তীর পর্যন্ত পঞ্চায়েত ভোট আগেও রক্তাক্ত হয়েছে এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। গ্রাম বাংলার গরম মেজাজের ভোট। ২০২৩ এর পঞ্চায়েত ভোটে একের পর এক রাজনৈতিক খুন, বোমা হামলা, গ্রাম দখলের রাজনৈতিক সংঘর্ষে সবকটি জেলা উত্তপ্ত।রক্তাক্ত ও অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস দিল্লি গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সাথে বৈঠক করেন। শাসকদল তাঁকে বিজেপির দালাল বলেছে। আর রাজ্যপালের নিশানায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। তবে কমিশনের সমালোচনা করছেন রাজ্যপালও বিতর্কে জড়িয়েছেন। কারণ, তিনিই রাজীব সিনহার নামে শিলমোহর দেন।

BJP: বড়দিনেই বড় ধসের শুরু? ৫ বিধায়ক যাবেন কি থাকবেন?

Alipurduar, Siliguri, Darjeeling, BJP, TMC

News Desk: ধসাতঙ্ক এতটাই যে রাজ্য বিজেপি নেতারা কিছুতেই মুখ খুলতে চাইছেন না। সবার মনেই আতঙ্ক, তথাগত রায়ের ভবিষ্যৎবাণী মিলতে শুরু করেছে। এবার কী হবে? প্রবল উত্তেজনা উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়ার জেলা রাজনীতিতে। সেই রেশ ছড়িয়েছে রাজ্য জুড়ে।

দুই জেলার ৫ বিজেপি বিধায়ক পরপর দলীয় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন। তাঁরা কিছুতেই মুখ খুলতে চাইছেন না। দলীয় সংশ্রব ত্যাগের পথে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ উত্তর, গাইঘাটা, হরিণঘাটার বিধায়করা। একইভাবে নদিয়ার কল্যাণী ও রানাঘাটের বিধায়করা ছেড়েছেন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ।

হিমশৈলের মতো বিপদ সংকেত পাচ্ছেন রাজ্য বিজেপি নেতারা। তাঁদের আশঙ্কা, আরও অন্তত ডজন খানেক বিধায়ক বিদ্রোহী হতে চলেছেন।

কী বলছেন বিদ্রোহীরা ? সরাসরি মুখ না খুললেও দুই জেলার এই দলীয় হোয়াটসঅ্যাপ ত্যাগী বিধায়কদের অভিযোগ, মতুয়া প্রতিনিধি নেই কেন বিজেপি রাজ্য কমিটিতে? মতুয়া রাজনীতির কারণেই উত্তর ২৪ পরগনায় বিরাট শক্তি নিয়ে এসেছে বিজেপি। অথচ তাদের প্রতি ন্যুনতম সহানুভূতি নেই এখন।

তবে দুই জেলার রাজনৈতিক অন্দরমহলের গুঞ্জন, কলকাতা পুরনিগমের ভোটে বিজেপির ভরাডুবি ও বামফ্রন্টের উত্থানে বিভিন্ন জেলার রাজনীতিতে লেগেছে ধাক্কা। আসন্ন ৫টি পুরনিগম ও পৌর ভোটে এর প্রভাব পড়তে চলেছে। বিধায়কদের সঙ্গে তৃণমূলের খাতির বেশ বলেই গুঞ্জন।

বিধানসভায় বিরোধী দল বিজেপি যে অচিরেই প্রান্তিক দলে পরিণত হবে তার ইঙ্গিত দিয়েছেন তথাগত রায়। সেই বিস্ফোরক টুইটের পর রাজ্য জুড়ে বিজেপি শিবির সরগরম। প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়েন রাজ্য নেতা সায়ন্তন বসু। তাঁর সঙ্গে টিএমসির ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে। এবার পাঁচ বিধায়ক একই পথে।

BSF: ভারতে ঢুকে ধৃত জাল আধার কার্ড চক্রের বাংলাদেশি দুষ্কৃতিরা

bsf lady constable

News Desk: সীমান্তে বড় সাফল্য বিএসএফের। বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের সময় দুষ্কৃতী লুৎফর রহমানকে গ্রেফতার করেছে বিএসএফ।

উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুর সীমান্ত পেরনোর সময় ৫ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে আটক করে সীমান্তরক্ষীরা। হাকিমপুর সীমান্ত পেরনোর সময় তারা ধরা পড়ে।

বিএসএফ জানিয়েছে, সেই দলেই ছিল বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের সাতক্ষীরার বাসিন্দা লুৎফর রহমান। জাল আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড তৈরি করার চক্র চালায় সে। লুৎফর সহ পাঁচ অভিযুক্তকে উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর থানার হাতে তুলে দেয় বিএসএফ।

পুলিশ সূত্রে খবর, লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ রয়েছে বাংলাদেশে। বিভিন্ন সময় ভারতে ঢুকে নকল আধার কার্ড, ভোটার কার্ডের কারবার করে। বাকি ধৃতদের মধ্যে ২ জন পুরুষ ১ জন মহিলা ও একজন তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি।

সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে আগাম সতর্কতা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএসএফ। সীমান্তে বসানো হয়েছে বিশেষ আলো। ফলে সীমান্ত সুরক্ষা আরও বেশি জোরদার হয়েছে বলে দাবি বিএসএফের।

অন্যদিকে নদিয়ার হাঁসখালির গোগড়ায় আন্তর্জাতিক ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিপুল পরিমাণ রুপোর গহনা উদ্ধার করেছে বিএসএফ। সোমবার ভোরে সীমান্ত অতিক্রম করবার সময় পাচারকারীদের তাড়া করে বিএসএফ। জওয়ানরা কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটিয়ে পাচারকারীদের ধরে ফেলে। ৬ কেজি রুপোর গহনা উদ্ধার করা হয়।

Bangladesh 50: কৃষ্ণনগর স্টেডিয়ামের সেই ফুটবল ম্যাচ, বিশ্বে প্রথম গেরিলা যোদ্ধাদের গোল

50 years of Shadhin Bangla Football Team football match guerillas of bangladesh

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: বাঁশি বাজল। শুরু হয়ে গেল বল নিয়ে গোল করার খেলা। কৃষ্ণনগর স্টেডিয়ামে তিল ধারণের জায়গা নেই। গ্যালারি থেকে চিৎকার জয় হিন্দ-জয় বাংলা। কে কোন দলের সমর্থক বোঝার উপায় নেই।

পাকিস্তানি সেনার বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা যুদ্ধ চলছিল পূর্ব পাকিস্তানের মাঠে ঘাটে।এই রক্তাক্ত অধ্যায়ের এক পর্বে ফুটবলের বাঁশি বেজেছিল। বাঙালির রক্তে মিশে থাকা খেলা।

ফিফা মানেনি, মেনেছে কোটি কোটি হৃদয়…
১৯৭১ সালের ২৫ জুলাই। ফুটবল ইতিহাসে এক স্বর্ণালী দিন। বিশ্বে প্রথম এমন ম্যাচ যাতে সরাসরি গেরিলা যোদ্বারা খেলেছিলেন। ফিফা স্বীকৃত না হলেও এই ফুটবল ম্যাচ হয়েছে গবেষণার বিষয়। একটি দেশের স্বাধীনতার লড়াইয়ে জড়িয়ে আছে বল দখলের খেলা।
সেদিন পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ কৃষ্ণনগর স্টেডিয়াম। নদিয়া জেলা প্রশাসন কর্তাদের ঘুম উড়ে গেছে। যে সে ব্যাপার নাকি! এতজন গেরিলা যোদ্ধা খেলতে নেমেছে। আজ খেলবে, কাল যুদ্ধে নামবে! কাল কী হবে কেউ জানে না।

50 years of Shadhin Bangla Football Team football match guerillas of bangladesh

খেলা চলছে। নদিয়া জেলা দল বনাম ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’-এর, যেটি বাংলাদেশি মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে গড়া। আর নদিয়ার দল একপ্রকার ভারতীয় একাদশের ভূমিকা নিয়েছে। ‘মুক্তি’ লোকেরা কেমন? যাদের কথা রোজ কাগজে আসছে, আকাশবাণীর সংবাদে বলছে, তাদের দেখতেই দর্শকদের বেশি আগ্রহ। কৃষ্ণনগর স্টেডিয়ামের দর্শকরা প্রবল উত্তেজিত।
গেরিলা ফুটবল দলটির সবাই পূর্ব পাকিস্তানের সীমান্ত পেরিয়ে এসেছেন। তাদের সমর্থকরাও সীমান্তের ওপারে মুক্তাঞ্চল দিয়ে নদিয়া ঢুকেছেন। প্রবল আক্রমণাত্মক ম্যাচটি ২-২ গোলে অমীমাংসিত হয়েছিল। ৫০ বছরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লড়াইয়ের ইতিহাসে এই ম্যাচটিরও সুবর্ণ জয়ন্তী।

প্রথমবার রবীন্দ্রনাথ রচিত দুই জাতীয় সঙ্গীত
সেদিন খেলার আগে কৃষ্ণনগর স্টেডিয়ামে একইসঙ্গে বেজেছিল দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীত। তথ্য পরম্পরা মিলিয়ে নিলে ১৯৭১ সালের ২৫ জুলাই বিশ্বে প্রথমবার রবীন্দ্রনাথের লেখা দুটি জাতীয় সঙ্গীত বেজেছিল কৃষ্ণনগর স্টেডিয়ামে। বাংলাদেশ সরকারিভাবে তখনও স্বীকৃত নয়। তবে কলকাতায় থাকা প্রবাসী মুজিবনগর সরকার (অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার) আগেই রবীন্দ্রনাথ রচিত ‘আমার সোনার বাংলা…’কে জাতীয় সঙ্গীতের মর্যাদা দেয়।

চাকরি গেল ভারতীয় আমলার!
বিতর্ক মিশে আছে এই ম্যাচে। তখনও আন্তর্জাতিকভাবে অস্বীকৃত বাংলাদেশ। সেই দেশের পতাকা ওড়ানোর দায়ে নদিয়ার তৎকালীন জেলা কর্তা (ডিসি) দীপককানত্ম ঘোষকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। কারণ তিনি কূটনৈতিক প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করেছিলেন।৩

<

p style=”text-align: justify;”>৩৪ জন খেলোয়াড়, ম্যানেজার এবং কোচ সহ মোট ৩৬ জন নিয়ে গড়া ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল’ দলের অধিনায়ক ছিলেন জাকারিয়া পিন্টু। সহ অধিনায়ক ছিলেন প্রতাপ শঙ্কর হাজরা। কোচ ছিলেন ননী বসাক।গেরিলা বাহিনীর ফুটবল দল পরপর ১৬টি ম্যাচ খেলেছিল ভারতে। কলকাতায় সৌজন্য ম্যাচে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে (গোষ্ঠপাল একাদশ) ও মুম্বইতে (তখন বম্বে) মহারাষ্ট্র দলের বিরুদ্ধে খেলে। মোট ১২টি ম্যাচে জয়ী হয়েছিল ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’। প্রায় ৫ লক্ষ টাকা মুক্তিযুদ্ধের জন্য সংগ্রহ করে।

Nadia: থলি খুলতেই গলা বাড়াল বাংলাদেশি রাজহাঁস, পাচারকারীরা পলাতক

Swan smuggling was going on at Nadia's Banpur border

News Desk, Kolkata: আন্তর্জাতিক সীমান্ত কাঁটাতারের পাশে সন্দেহজনক ঘোরাঘুরি দেখে বিএসএফ জওয়ানরা বন্দুক তুলে থামতে বললেন। বিপদ বুঝে ফের বাংলাদেশের দিকে ঢুকে পড়ল অনুপ্রবেশকারীরা। তাদের তাড়া করে গিয়ে কয়েকটা থলি পড়ে থাকতে দেখেছেন সীমান্তরক্ষীরা।

থলি খুলতেই গলা বাড়িয়ে দিল হাঁস। তারপর হেলতে দুলতে বাইরে এসে নিজের মতো চরতে শুরু করল। সবকটা থলিতেই হাঁসের প্যাঁকপ্যাঁকানি শুরু ততক্ষণে। বাকি থলি খুলতেই গোটাকয়েক রাজহাঁস ফের গলা বাড়িয়ে দেয়।

নদিয়ার বানপুর সীমান্তে এমনই চোরাই রাজহাঁস উদ্ধার করেছে বিএসএফ। মোট ৯টি থলিতে বাংলাদেশ থেকে এই হাঁস পাচার করা হচ্ছিল। তবে পাচারকারীরা পলাতক।

জানা গিয়েছে বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, পাবনায় রাজহাঁসের লাভজনক চাষ চলছে। হাঁস পালনের সঙ্গে বাড়ছে তার চোরাচালান। উদ্ধার করা বাংলাদেশি রাজহাঁসগুলি এখন বিএসএফ জিম্মায়।

কুষ্টিয়া লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের নদিয়ার বানপুর সীনান্ত দিয়ে চোরাকারবার চলে। কখনও ফেন্সিডিল, মাদক তো কখনও বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র সহ বিভিন্ন জিনিষের লেনদেন হয়।

Shantipur: লকডাউনে রাত-বিরেতের ‘অক্সিজেন দাতা’ বাম প্রার্থী সৌমেন ‘জামানত বাঁচাতে’ লড়বেন

Soumen Mahato

নিউজ ডেস্ক: লড়াই হবে জমানত বাঁচানোর। আপাতত এই লক্ষ্যেই আসন্ন উপনির্বাচনে ঝাঁপিয়ে পড়েছে টানা ৩৪ বছর রাজ্যের শাসকপক্ষ বামফ্রন্ট! এই পর্বের উপনির্বাচনে বামেদের অন্যতম প্রার্থী শান্তিপুর (Shantipur) বিধানসভার কেন্দ্রের সৌমেন মাহাতো।

কে তিনি? সিপিআইএমের যুব সংগঠনের নেতা। তার থেকেও বড় কথা, সৌমেন রেড ভলান্টিয়ার্স এই নামে একটি মোবাইল নম্বর নদিয়ার শান্তিপুর বা সংলগ্ন এলাকায় বহুজনের মোবাইলে সেভ করা আছে।

করোনাভাইরাস হামলা ও তীব্র অক্সিজেন সংকটের সময় যখন ঘরে ঘরে মৃতদেহ পড়ে থাকছিল বা অক্সিজেন চেয়েও না পাওয়া মানুষ অসহায় হয়েছিলেন তখন এগিয়ে আসে রেড ভলান্টিয়ার্স।

তীব্র অক্সিজেন সংকটের সেই সময়ে বারবার ভাইরাল হয় রেড ভলান্টিয়ার্স কর্মকান্ড। শান্তিপুরের বাম যুব কর্মীদের নেতা সৌমেন মাহাতো অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে করোনা আক্রান্তদের ঘরে ঘরে চলে যান। পরিস্থিতি এমন হয় যে রেড ভলান্টিয়ার্সে-ই ভরসা করেন তৃ়ণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের মোবাইলেও নম্বরগুলো সেভ করা আছে।

Soumen Mahato

সিপিআইএম ও বিভিন্ন বাম দলগুলির ছাত্র যুব সংগঠনের কর্মীদের নিয়ে গঠিত রেড ভলান্টিয়ার্সের ভূমিকায় রাজ্যবাসী চমকে যান। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকস্তরে প্রবল আলোচিত হয় সংগঠনটির ভূমিকা। প্রশাসনিক স্বাস্থ্য পরিষেবা কাঠামো ভেঙে পড়ছিল। তখন বিপদের বন্ধু ছিল রেড ভলান্টিয়ার্স।

শান্তিপুরের করোনা রোগীদের জন্য ‘অক্সিজেন দাতা’ সৌমেন মাহাতো আর অন্যান্য রেড ভলান্টিয়ার্সদের বিভিন্ন মুহূর্ত ভাইরাল হতে শুরু করে।

আসন্ন উপনির্বাচনে সেই ভূমিকা থেকে ভোটের লড়াইতে শান্তিপুরের ‘অক্সিজেন দাতা’।সিপিআইএম এই কেন্দ্রে সৌমেন মাহাতো কে প্রার্থী করার পরেই পুরো বিধানসভা জুড়ে শোরগোল। মূলত তৃ়ণমূল ও বিজেপিতে বিভক্ত ভোটারদের কাছেও দ্বিধা তৈরি হচ্ছে।

চমক ছিল সৌমেন মাহাতোর মনোনয়ন জমার মিছিল। সদ্য সমাপ্ত তিনটি কেন্দ্রের উপনির্বাচনে যা দেখা যায়নি। সর্বত্রই জামানত খোয়ান বাম প্রার্থীরা।

বিধানসভা ভোটে জিতেও শান্তিপুরের বিধায়ক পদ ছেড়েছেন বিজেপির জগন্নাথ সরকার। ফলে আগামী ৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন।

শান্তিপুরে বামফ্রন্টের সিপিআইএম প্রার্থী সৌমেন কি ‘জামানত কাঁটা’ দূর করতে পারবেন? সেটাই মূল প্রশ্ন বাম শিবিরে। বহু ভোটের পোড় খাওয়া বাম নেতারা জানেন জনসেবা এক বিষয় আর ভোটের লড়াই ভিন্ন।