Nagaland: ফের অসম রাইফেলসের গুলি চালানোর অভিযোগ, আরও মৃত্যু

Nagaland

News Desk: নাগাল্যান্ডের (Nagaland) পরিস্থিতির তীব্র উত্তেজনপূর্ণ। মন জেলার অসম রাইফেলসের বিরুদ্ধে ফের গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল। আরও দুই ব্যক্তির মৃত্যুর খবর আসছে।গুয়াহাটি ও কোহিমার বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবর,মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬ জন। মৃতদের মধ্যে ১৫ জন নাগাল্যান্ডের মন জেলার তুরি-ওটিং গ্রামের বাসিন্দা। মৃত এক অসম রাইফেলস জওয়ান।

পড়ুন: Nagaland: বড়দিনের আগেই রক্তাক্ত নাগাভূমি, নাগা পাহাড়ে ভয়ের মেঘ

জঙ্গি সন্দেহে গ্রামবাসী শ্রমিকদের উপর শনিবার গুলি চালায় অসম রাইফেলস। রক্তাক্ত পরিস্থিতির পর নাগাল্যান্ড সহ উত্তর পূর্বাঞ্চল জুড়েই ধিক্কার শুরু হয়েছে। রাজ্য ও কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে অসম রাইফেলস ‘ভুল’ করে গুলি চালিয়েছিল। এতে ক্ষোভ সামলানো যায়নি।

Mon district massacre

গ্রামবাসীদের গুলি করে মারার প্রতিবাদে রবিবার দুপুর থেকে নাগাল্যান্ডের মন জেলা তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ। স্থানীয় অসম রাইফেলস ক্যাম্পে ভাঙচুর ও আউট পোষ্ট জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে স্পষ্ট সামগ্রিক পরিস্থিতি নাগাল্যান্ড রাজ্য প্রশাসনের হাতের বাইরে।

গুয়াহাটির সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে, আউট পোস্টে হামলা, আগুন ধরানো রুখতে শূন্যে গুলি চালায় অসম রাইফেলস। অভিযোগ এবারেও গুলি লেগে আরও দুই ব্যক্তি মারা গেছেন।

Nagaland Assam rifles

নাগাল্যান্ডের মন জেলার তুরি-ওটিং সড়কের পাশে ওটিং গ্রামে রক্তাক্ত পরিস্থিতির প্রতিবাদে ক্ষোভ ছড়িয়েছে অসম, মেঘাল়য, মনিপুর, মিজোরামে। বিক্ষোভের আক্রোষে উত্তপ্ত পুরো উত্তর পূর্বাঞ্চল।

দিল্লি সফর কাটছাঁট করে তড়িঘড়ি কোহিমা ফিরছেন নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেইফিউ রিও। তিনি ডিমাপুর হয়েই আসবেন। এদিকে ক্ষোভের আঁচে উত্তপ্ত ডিমাপুর। বিভিম্ন সংগঠনের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে ঘেরাও করার প্রস্তুতি চলছে। রাজধানী কোহিমা শহরেও তীব্র ক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Nagaland: জ্বলছে অসম রাইফেলস ক্যাম্প, সরে গেছে বাহিনী

Nagaland Assam rifles

News Desk: অসম রাইফেলসের গুলিতে ১৩ জনের মৃত্যুর পর থেকে পরিস্থিতি তীব্র উত্তপ্ত নাগাল্যান্ডে (Nagaland )। যেখানে গুলি চলেছিল সেই মন জেলায় একের রক্ষীদের আউটপোস্টগুলিতে স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন ধরিয়ে দিচ্ছেন। তাদের বাধা দেওয়ার কেউ নেই। উত্তেজিত জনতা দখল করেছেন ওটিং গ্রামের আউট পোস্ট। সেখান থেকে সরে গিয়েছে অসম রাইফেলস।

মায়ানমার সীমান্তবর্তী নাগাল্যান্ডের মন জেলায় ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। জঙ্গি সন্দেহে স্থানীয় শ্রমিক গ্রামবাসীদের উপর নির্বিচারে গুলি চালায় জওয়ানরা। রক্তাক্ত ওটিং গ্রাম। ১৩ জন গ্রামবাসী মৃত। এক অসম রাইফেলস জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে।

Nagaland Assam rifles

শনিবার রাতে নাগাল্যান্ডের মন জেলার ওটিং গ্রামে সন্ত্রাস দমন অভিযান চলছিল। অসম রাইফেলস অভিযানে নেমেছিল। মায়ানমার থেকে নিয়ন্ত্রিত নাগা বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন NSCN খাপলাং গোষ্ঠী এই এলাকায় বেশি সক্রিয়। অভিযোগ, এই গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সাধারণ নাগরিকদের উপর গুলি চালায় অসম রাইফেলস জওয়ানরা।

Nagaland Assam rifles

অসম রাইফেলসের গুলিতে ১৩ জন মারা গেছে। এই ঘটনার পর থেকে মন জেলা তীব্র উত্তপ্ত। প্রশাসন নিষ্ক্রিয়। উত্তেজিত জনগণের লক্ষ্য অসম রাইফেলস ও স্থানীয় পুলিশের চৌকি। একের পর এক আউট পোস্টে হামলা চলছে। মন জেলার ওটিং গ্রাম এখন প্রশাসন বিহীন। সরে গেছে অসম রাইফেলস। গুলি চালানোর ঘটনার জেরে তীব্র প্রতিবাদে নাগাল্যান্ডবাসী আফস্পা আইন তুলে নেওয়ার দাবিতে সরব।

এদিকে মন জেলায় গুলিবিদ্ধ আরও কয়েকজনকে রাজধানী শহর কোহিমাতে আনা হয়েছে। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। মুখ্যমন্ত্রী নেইফিউ রিও জানিয়েছেন ভুলবসত অসম রাইফেলস গুলি চালিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে।

Nagaland: জঙ্গি ভেবে শ্রমিকদের ‘ঠাণ্ডা মাথায় খুন’ অভিযোগে বিদ্ধস্থ অসম রাইফেলস-সরকার

Nagaland mon district massacre controversy

News Desk: হামলা হয়েছিল ভুলবশত এমনই স্বীকার করে নিয়েছেন নাগাল্যান্ডের (Nagaland) মুখ্যমন্ত্রী নেইফিউ রিও। ‘১৩ জন গ্রামবাসীকে গুলি করে মারা ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে এমনই দাবি করছে বিভিন্ন উপজাতি সংগঠন।’ মর্মান্তিক এই ঘটনায় চরম বিদ্ধস্ত অসম রাইফেলস।

রবিবার ভোরে অসম রাইফেলস জওয়ানদের গুলিতে নাগাল্যান্ডের মন জেলার তুরি গ্রামে ১৩ জন গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়। ক্ষোভের মুখে পড়ে এক জওয়ানেরও মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যায় বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা।

মৃত গ্রামবাসীরা সবাই শ্রমিক। তাদের জঙ্গি সন্দেহে গুলি করে জওয়ানরা। জানা গিয়েছে, তুরি গ্রামের কাছে বাস স্ট্যান্ডে গাড়ি ধরার জন্য অনেকে এসেছিলেন।

Mon district massacre

মন জেলায় মর্মান্তিক এই ঘটনার পর শোক জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেছেন, কেন গুলি চালাল অসম রাইফেলস তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে।

নাগাল্যান্ড অশান্ত হতে শুরু করেছে। রাজ্যের সর্বত্র পালিত হচ্ছে ‘কালো দিল’। একের পর এক উপজাতি গোষ্ঠী তাদের ক্ষোভ উগরে দিয়ে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন AFSPA বাতিলের দাবিতে সরব।

সূত্রের খবর, একাধিক উপজাতি গোষ্ঠীর তরফে রাজ্য সরকারের উপর চাপ তৈরি করা হয়েছে। সরকারে থাকা দল এনপিএফের বিধায়করা বিভিন্ন গোষ্ঠীভুক্ত। আসছে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি। মু়খ্যমন্ত্রী নেইফিউ রিওর সরকার কি সংকটে?

বিশেষ সূত্রে www.kolkata24x7.in জানতে পেরেছে, বদলা নিতে প্রস্তুতি শুরু করেছে নাগাল্যান্ডের বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন NSCN(K), এই সংগঠনটি ভারতের সবথেকে আক্রমণাত্মক বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী। মায়ানমারে তাদের মূল ঘাঁটি।

Nagaland: বড়দিনের আগেই রক্তাক্ত নাগাভূমি, নাগা পাহাড়ে ভয়ের মেঘ

Nagaland

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: আসন্ন বড়দিনের আগেই খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগাল্যান্ড (Nagaland) হয়ে গেল ফের রক্তাক্ত।
নাগাল্যান্ডের জঙ্গি হামলা উপদ্রুত মন জেলা। সেখানকার ওটিং গ্রামে অনুপ্রবেশকারী ও সন্দেহজনক আচরণ মনে করে গুলি চালাল নিরাপত্তারক্ষীরা। মৃত কমপক্ষে ১৩ জন। গ্রামবাসীদের প্রত্যাঘাত ১ জওয়ান মৃত বলে দাবি।

এর পরের পরিস্থিতি কোন দিকে যেতে পারে?
নাগা পাহাড় ফের রক্তাক্ত হবে? সেই রেশ ধরে অন্যান্য রাজ্য ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয়, মনিপুর জুড়ে ছড়িয়ে থাকা জম্পুই পাহাড়, লুসাই পাহাড় গারো-জয়ন্তিয়া-খাসি পাহাড় জুড়ে ভয়ের মেঘ ছড়িয়েছে। আশঙ্কার হরেক প্রশ্ন জন্মাতে শুরু করেছে।

উত্তর পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন উপজাতি ও জনজাতির মধ্যে পারস্পরিক বৈরিতা থাকলেও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন (AFSPA) নিয়ে প্রবল ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভকে পুঁজি করে উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলি বদলা নিতে নামবে এমনই আশঙ্কা।

Mon district massacre

সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন বা আফস্পা প্রয়োগ নিয়ে উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির প্রতিবাদ চলেই। অভিযোগ, বিশেষ ক্ষমতার বলে নিরীহরা অত্যাচারের মুখে পড়েন। আবার যে উপজাতি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির বিচ্ছিন্নতাবাদী হামলা হয় সেটি উত্তর পূর্বের জনজীবনেই লুকিয়ে আছে। একের পর এক ভয়াবহ হামলা তারই উদাহরণ। উল্টোদিকে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান নিয়ে আগেও প্রশ্ন উঠেছে উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিতে, উঠছেও।

আফস্পা আইনের প্রতিবাদে কখনও মনিপুরে মহিলারা নগ্ন হয়ে প্রতিবাদে সামিল হন, বিশ্ব স্তম্ভিত হয়। আবার কখনও প্রতিহিংসায় নেমে পড়ে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। গুলি চলে, বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। জওয়ানদের মৃত্যু হয়। বছরের পর অনশনের নীরব প্রতিবাদও হয়েছে।

নাগাল্যান্ডের রক্তাক্ত ঘটনার পর আশঙ্কা করা হচ্ছে, এর বদলা নিতে নাশকতা ঘটাবে সশস্ত্র নাগা গোষ্ঠীগুলি। মনে করা হচ্ছে, হামলায় মূল ভূমিকা নেবে ভারত সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় নারাজ নাগা বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন NSCN(K) গোষ্ঠী। প্রয়াত নাগা বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা এসএস খাপলাং কোনওদিনই শান্তি আলোচনা চাননি। মায়ানমারের ঘাঁটি থেকে তার নির্দেশে বারবার নাশকতা ঘটিয়েছে এনএসসিএন। তবে খাপলাং প্রয়াত হবার পরে সংগঠনে চিড় ধরে। অন্যতম বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা নিকি সুমি তার গোষ্ঠী নিয়ে নাশকতা ঘটাচ্ছে।

মন জেলার ঘটনায় নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেইফিউ রিও দু:খ প্রকাশ করেছেন। তাঁর দু:খপ্রকাশ কতটা শান্তির জল এই রক্তাক্ত পর্বে ছিটিয়ে দিল সেটি আলোচ্য। তবে ভয়াবহ হামলার আশঙ্কা কালো মেঘের মতো ঘিরে নিয়েছে নাগা পাহাড়।

Nagaland: হর্নবিল ফেস্টিভ্যালের মাঝেই রক্তাক্ত নাগাভূমি, রক্ষীদের গুলিতে নাগরিকরা মৃত

Mon district massacre

News Desk: বিশ্ববিখ্যাত হর্নবিল ফেস্টিভ্যালের মাঝেই আগেই রক্তাক্ত নাগাভূমি। রক্ষীদের গুলিতে নাগরিকরা মৃত। নাগাল্যান্ড সরকার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। কমপক্ষে ১৩ জন মৃত। অসমর্থিত সূত্রে খবর, তিন জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থল মন জেলা।

নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেইফিউ রিও বিবৃতি দিয়ে জানান, ভুলবশত গুলি চলেছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বিখ্যাত হর্নবিল ফেস্টিভ্যালের মাঝে রক্তাক্ত নাগাভূমি। ১-১০ ডিসেম্বর এই আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পর্যটন উৎসব। নাগা উপজাতিদের এই উৎসব চলছে রাজ্য জুড়ে। তার মধ্যেই মন জেলায় ঘটল রক্তাক্ত ঘটনা।

সূত্রের খবর, নিরাপত্তা রক্ষীরা গুলি চালায় মন জেলার তুরি গ্রামে। ভোরে ওই গ্রামবাসীরা গাড়ি ধরার জন্য এসেছিলেন। গুলিতে ঘটনাস্থলেই অধিকাংশ মারা যান। এরপর গ্রামবাসীরা হামলা করেন।

পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত যে নাগা জঙ্গি সংগঠন NSCN (K) যখন তখন প্রত্যাঘাত করতে পারে বলে আশঙ্কা।

(বিস্তারিত আসছে)