नागपुर में विस्फोटक पदार्थ बनाने वाली फैक्ट्री में ब्लास्ट, 4 महिलाओं समेत 5 की मौत

नागपुर :  नागपुर में विस्फोटक पदार्थ बनाने वाली एक फैक्ट्री में आज अचानक ब्लास्ट हो गया, इसमें 5 लोगों की मौत हो गई जबकि कुछ अन्य घायल हैं। मृतकों में 4 महिलाएं शामिल हैं। दमकल विभाग की कई गाड़ियां मौके पर पहुंच कर आग पर नियंत्रण किया। फिलहाल राहत और बचाव कार्य जारी है।

नागपुर से लगभग 25 किलोमीटर दूर हिंगना पुलिस थाना क्षेत्र के अंतर्गत धमना इलाके में स्थित चामुंडी एक्सप्लोसिव प्राइवेट लिमिटेड कंपनी में यह धमाका हुआ है। धमाके की आवाज इतनी तेज थी कि आस-पास के कई इलाकों तक इसकी गूंज सुनाई दी।

ब्लास्ट के बाद फैक्ट्री में भीषण आग लग गई। धमाके की आवाज सुनकर लोग फैक्ट्री की तरफ दौड़े और स्थानीय प्रशासन को ब्लास्ट की सूचना दी। जानकारी मिलते ही फायर ब्रिगेड के कर्मचारी कई दमकल गाड़ियों के साथ मौके पर पहुंचे और आग बुझाने में लग गए। इस दौरान फैक्ट्री के अंदर फंसे हुए लोगों को भी बाहर निकालने का काम शुरू किया गया। जिस समय फैक्ट्री में ब्लास्ट हुआ वहां लोग काम रहे थे जिसमें महिलाएं भी शामिल थीं। हालांकि अभी तक ब्लास्ट के कारणों का सही पता नहीं चल सका है। घायलों को इलाज के लिए अस्पताल में भर्ती कराया गया है।

 नागपुर के पुलिस कमिश्नर रविंदर सिंघल ने बताया कि 5 लोगों की मौत हुई है जिसमें 4 महिलाएं शामिल हैं। राहत एवं बचाव कार्य किया जा रहा है। पुलिस के साथ क्राइम ब्रांच की टीम मौके पर मौजूद है और पड़ताल कर रही है। जांच के बाद जो भी चीजें निकलकर सामने आएंगी उनका खुलासा किया जाएगा। वहीं घटना की जानकारी मिलते ही शरद पवार गुट वाली एनसीपी के नेता अनिल देशमुख मौके पहुंचे और उन्होंने पुलिस अधिकारियों से हालात का जायजा लिया। इस दौरान उन्होंने घायलों से भी मुलाकात की।

RSS: মমতা-মোদীর দ্বৈরথে বঙ্গে আরও শাখা বিস্তার করতে মরিয়া সংঘ

rss to establish more branch in west bengal

News Desk: উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ভোট নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তেমন সাড়াশব্দ নেই। তিনি সরাসরি জোর দিয়েছেন গোয়া ও ত্রিপুরায়। রাজনৈতিক মহলের গুঞ্জন, দিদির মোদী বিরোধিতাকে নরম চোখেই দেখছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ (RSS)। দিদি-মোদী দ্বৈরথের মাঝেই পশ্চিমবঙ্গে ব্লক ভিত্তিক শাখা সম্প্রসারণে জোর দিচ্ছে বিজেপির শিরদাঁড়া সংঘ পরিবার।

সূত্রের খবর, নাগপুর থেকে সংঘ কর্তার বার্তা এসেছে বঙ্গ সংঘীদের কাছে। বিধানসভা ভোটে সরকার গড়তে না পারা ও পরপর উপনির্বাচনে জমানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে সংঘের রাজনৈতিক শাখা বিজেপির। আর বিশ্লেষকদের যুক্তি, তৃ়ণমূল কংগ্রেস নেত্রী যতটা মোদী-অমিত শাহ নেতৃত্বের বিজেপি বিরোধী মন্তব্য করেন তার এক ছটাকও আরএসএসের বিরুদ্ধে বলেন না।

RSS

সূত্রের খবর, এই সুযোগটি নিতে মরিয়া সংঘ। কারণ, পশ্চিমবঙ্গে বিগত বাম জমানায় সংঘের অস্তিত্ব থাকলেও চরম বিপরীত শক্তি কমিউনিস্ট নেতৃত্বের হাতে রাজ্যের ভার ছিল। বাম জমানার আগে কংগ্রেস ও যুক্তফ্রন্ট সময়ে সংঘ সফল হয়নি, বামমুখী রাজনৈতিক ঝড়ে। সেই বঙ্গ এখন বাম বিমুখ। বিধানসভায় বামেদের শূন্য করে দিয়েছেন মমতা। আগামী সময়ে বামপন্থীরা যে দ্রুত শক্তি অর্জন করতে পারবে এমন আশা করছে না সংঘ। এই পরিস্থিতিতে শাখা সম্প্রসারণ গুরুত্ব পেয়েছে সংঘ নেতৃত্বের কাছে।

Modi Vs RSS

সূত্রের আরও খবর, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নেতাদের ভূমিকা নিয়ে বঙ্গ সংঘীদের বেশিরভাগই ক্ষুব্ধ। তাঁদের যুক্তি, এই রাজ্যের বিজেপি নেতদের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার অভাব এতটাই যে ক্ষমতায় আসার লোভে বাছবিচার করা হয়নি। ফলে দ্রুত বিজেপি ভেঙে যাবে। সেই ভাঙন থেকে ফের বাম শক্তি বেড়ে উঠবে বলে মনে করছে সংঘ।

বঙ্গ সংঘী নেতা যাঁরা জেলার গ্রামাঞ্চলে কাজ করেন, তাঁদের কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, বামেদের পুনরায় উত্থান হতেই পারে। তাঁদের যুক্তি, জনসমর্থন হারালেও কমিউনিস্ট মতাদর্শের কোনও ক্ষতি হয়না। ঠিক যেভাবে সংঘ দীর্ঘ সময় পশ্চিমবঙ্গে ক্ষীণকায় ছিল কিন্তু টিকে ছিল।

<

p style=”text-align: justify;”>কিছু সংঘ নেতার স্পষ্ট দাবি, পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে হিন্দি বলয়ের মানসিকতার সঙ্গে তুলনা করে বড় ভুল করেছেন নেতারা। তাঁদের দেখছেন না, একটা যে কোনও মিছিলে বামেদের ভিড়। সাংগঠনিক কারণে সেই ভিড়কে ভোটের দিকে ঠেলে আনতে পারছে না কমিউনিস্ট পার্টি। তবে দীর্ঘ বাম শাসনের ফলে রাজ্যবাসীর কাছে তারা পরিচিত। সেটি ফিরে যেতে পারে।

RSS: দুর্গাপূজার মাঝেই সংঘ সদরে পরাজয়ের বিষাদ সুর

RSS

নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) মূখ্য কার্যালয়ে দুর্গাপূজার মাঝেই বাজছে বিষাদ সুর। মহারাষ্ট্রে ক্রমশ জমি হারাচ্ছে সংঘের রাজনৈতিক শাখা বিজেপি। খোদ সংঘ সদর কার্যালয় নাগপুর (Nagpur) জেলায় বিরাট ধস নেমেছে।
মহারাষ্ট্র পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে নাগপুর জেলাতে আরএসএসের বোলবোলাও কমতি লক্ষনীয়। সেখানে ভাগ বসিয়েছে কংগ্রেস। নাগপুর জেলা পরিষদের ১৬টি আসনের মধ্যে ৯টি দখল করে নিয়েছে কংগ্রেস। বিজেপির দখলে তিনটি। নাগপুর পঞ্চায়েত সমিতি ও পুর নিগমের জনসমর্থন ঢলতে শুরু করেছে কংগ্রেসের দিকে। 

নাগপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকেই বিজেপির সুপার হেভিওয়েট নীতীন গডকরি সাংসদ। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের বাড়ি নাগপুরেই। তার থেকেও উল্লেখযোগ্য, নাগপুরে আরএসএস কার্যালয় থেকেই কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বে চলা এনডিএ জোট সরকার নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।

এদিকে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগেই সংঘ সদরে ভোটের ধস নেমে যাওয়ায় উল্লসিত কংগ্রেস শিবির। মহারাষ্ট্র প্রদেশ কংগ্রেস নেতাদের ধারণা, এই ধাক্কা দেখা যাবে উত্তর প্রদেশে।

বিজেপির অন্যতম ভরসার রাজ্য এখন কৃষক আন্দোলনে তপ্ত। লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার মামলায় প্রবল অস্বস্তিতে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। এই মামলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় শর্মার পুত্র আশিস শর্মা গ্রেফতার হয়েছেন। অভিযোগ, তার নির্দেশে লখিমপুর খেরিতে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কৃষকদের উপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়া হয়েছে।

উত্তর প্রদেশের কৃষক আন্দোলনের রেশ এই রাজ্যের বিধানসভা ভোটে পড়তে চলেছে। এমনই আশঙ্কা সংঘ পরিবারের। তাৎপর্যপূর্ণ, সংঘ পরিবারও কৃষকদের উপর জোরজবরদস্তির বিরোধিতা করে। এতে অস্বস্তিতে পড়েন প্রধানমন্ত্রী মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

খবর এও এসেছে, পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজার পর পরই বিজেপিতে ধরে নামতে চলেছে। ডজন খানেক বিধায়ক দলত্যাগ করতে চলেছেন। বেশ কিছু সাংসদ দলত্যাগ করবেন। পশ্চিমবঙ্গের মতো ত্রিপুরায় বিজেপির ভাঙন স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।

মাঝ আকাশেই হার্ট অ্যাটাকের পর কোমাচ্ছন্ন বাংলাদেশি পাইলট মৃত নাগপুরে

Biman Bangladesh Pilot Who Suffered Heart Attack Mid-Air is dead

নিউজ ডেস্ক: ওমান থেকে বাংলাদেশ যাওয়ার পথে নাগপুরের কাছাকাছি এসেই হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়েছিলেন বিমান চালক ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম। কোনওরকমে কলকাতা এটিসির সহযোগিতায় সহকারী পাইলট নাগপুরে বিমান অবতরণ করান। সেখানেই সোমবার মৃত্যু হয়েছে নওশাদের।

বাংলাদেশের বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কবলে পড়া বিমানটির যাত্রীরা নিরাপদে ঢাকা পৌঁছেছেন রবিবার। তবে অসুস্থ পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউমের চিকিৎসা নাগপুরেই চলছিল।

টানা ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় কোমায় ছিলেন নওশাদ। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট এখন না ফেরার দেশে। সোমবার সকালে তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেন নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালের চিকিৎসকরা। তার আগেই নওশাদের ব্রেনডেথ হয়েছে বলে জানানো হয়।

বাংলাদেশ পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, গত শুক্রবার ওমানের রাজধানী মাস্কট থেকে ঢাকা আসছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এই ফ্লাইট। ঢাকা আসার পথে পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। 

পরে মহারাষ্ট্রের নাগপুরে ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ করানো হয়। এরপর নাগপুরের ওই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য তাকে ভর্তি করা হয়। শনিবার রাতেই নওশাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় তিনি কোমায় চলে যান।

ক্যাপ্টেন নওশাদ ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’ হলেও স্বজনরা লাইফ সাপোর্ট খুলে দিতে রাজি হচ্ছিলেন না। আরও পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পর লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন তারা। এরপর সোমবার তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দিয়ে নওশাদকে মৃত ঘোষণা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। 

বহু জীবন বাঁচাল কলকাতা ATC, মুখ থুবড়ে পড়ার আগে রক্ষা বাংলাদেশগামী বিমানের

নিউজ ডেস্ক: একেবারে জীবন মৃত্যুর মাঝখানে পড়ে গিয়েছিলেন বিমান বাংলাদেশের যাত্রীরা। কোনওরকমে বাঁচলেন। ততপরতার সাথে তাদের রক্ষা করেছে কলকাতা বিমান বন্দর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বিভাগ। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিরাপদে অবতরণ করল মহারষ্ট্রের নাগপুর বিমান বন্দরে।

আরও পড়ুন NASA Report: কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চলসহ দেশের ১২টি শহর নিশ্চিহ্ন হবে

ঢাকা থেকে বিমান বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, ওমানের রাজধানী মাস্কট থেকে ঢাকার উদ্দেশে আসা ফ্লাইটটি শুক্রবার ১১টা ৪০ মিনিটে ভারতের নাগপুরে জরুরি অবতরণ করেছে। বিমানটির পাইলট ১১টার দিকে রায়পুরের কাছাকাছি আসার পর অসুস্থতা বোধ করেন। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। দ্রুত পরিস্থিতির গুরুত্ব আঁচ করে সহকারী পাইলট কলকাতা এটিসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

কলকাতা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল অতি দ্রুত যোগাযোগ করে হয় নাগপুর বিমানবন্দরের সঙ্গে। জরুরি ভিত্তিতে ওই বিমানটিকে সেখানে অবতরণ করানো হয়েছে। নাগপুরেই পাইলটের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আপাতত তার অবস্থা স্থিতিশীল। ফ্লাইটের যাত্রীরাসবাই অক্ষত ও নিরাপদ আছেন।

ঢাকায় বিমান বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ফ্লাইটটি ওমান যায়। সেখান থেকে স্থানীয় সময় মধ্যরাত ২টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসার কথা থাকলেও ফ্লাইটটি ভোর সাড়ে ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে উড়েছে। এরপর নাগপুরের কাছাকাছি এসে হৃদরোগে আক্রান্ত হন বিমান চালক।

তবে ভারতের স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় ফ্লাইটটি ঢাকার দিকে না এসে নাগপুর বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। বিমানের যাত্রীরা নাগপুর বিমানবন্দরেই অপেক্ষা করছেন। যাত্রীদের আনতে নতুন ফ্লাইট পাঠানো হবে কিনা, এই ফ্লাইটে আনা হবে তা নিশ্চিত করেনি বিমান বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ।