NCB: ১৬ জন আধিকারিকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ স্বীকার তদন্তকারী সংস্থার

NCB: Investigating agency admits allegations of corruption against 16 officers

News Desk: রক্ষকই ভক্ষক। মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো বা এনসিবির ১৬ জন শীর্ষ আধিকারিক দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত। তথ্য জানার অধিকার আইনে করা এক প্রশ্নের উত্তরে এই কথা জানিয়েছে এনসিবি।

তথ্য জানার অধিকার আইনে করা এক প্রশ্নের উত্তরে এনসিবি জানিয়েছে, এই তদন্তকারী সংস্থার কোনও আধিকারিকের বিরুদ্ধে প্রথম দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে ২০০৯ সালে। যদিও পরের পাঁচ বছরে এনসিবির কোনও অফিসারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা অভিযোগের আঙুল ওঠেনি। তবে ২০১৫ সালে সবচেয়ে বেশি ৮ জন অফিসার দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হন। এর পরের তিন বছর অর্থাৎ ২০১৮, ২০১৯ এবং ২০২০ সালে এনসিবি অফিসারদের বিরুদ্ধে ফের দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। ২০১৮ সালে ৩ জন এবং ২০১৯ এবং ২০২০ সালে দুজন করে আধিকারিকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের হয়। সব মিলিয়ে ২০০৯ থেকে ২০২০ পর্যন্ত মোট ১৬ জন এনসিবি আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে বলিউড তারকা শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খানকে গ্রেফতার করেছিল এনসিবি। আরিয়ানকে গ্রেফতারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এনসিবির জোনাল ডিরেক্টর সমীর ওয়াংখেড়ে। সমীরের বিরুদ্ধেও উঠেছে দুর্নীতির অভিযোগ। সমীর শাহরুখ খানের ছেলেকে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়। এমনকী, তিনি এই অভিনেতার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন বলেও অভিযোগ ওঠে।

সমীর নন, আরিয়ান খান মামলার তদন্ত করবেন এনসিবির সিনিয়র অফিসার সঞ্জয় সিং

Sanjay Singh

News Desk: আরিয়ান খান (Aryan Khan) মামলার তদন্তভার পাচ্ছেন নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর সিনিয়র অফিসার সঞ্জয় সিং (sanjay sing)। তবে শুধু আরিয়ান খান মামলাই নয়, আরও পাঁচটি মামলার তদন্ত করবেন সঞ্জয়। যার মধ্যে রয়েছে মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিকের (nabab malik) জামাই সমীর খানের মামলাটিও।

একদিন আগেই আরিয়ান খান মামলার তদন্তভার সমীরের হাত থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার সন্ধ্যাতেই এনসিবির পক্ষ থেকে মুথা অশোক (mutha ashok) জানিয়েছিলেন, আরিয়ান খান মামলা-সহ মোট ৬টি মামলার তদন্ত করবে এনসিবির বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিটি। যথারীতি সিটের নেতৃত্বে থাকছেন এনসিবির ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল (অপারেশন) সঞ্জয় সিং। যদিও সমীরের (samir) দাবি, তিনি নিজেই আরিয়ান খান মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছিলেন।

তবে সমীর যাই বলুন না কেন, সকলেই মনে করছেন, ঘুষ, তোলাবাজি, প্রতারণার মতো একের পর এক অভিযোগ ওঠার কারণেই সমীরের হাত থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে মাদককাণ্ডে আগেই গ্রেফতার হয়েছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিকের জামাই সমীর খান। বর্তমানে জামিনে মুক্ত মন্ত্রীর জামাই। সমীর খানের জামিনের বিরোধিতা করে এনসিবি এবার নতুন করে আদালতে যেতে পারে। নবাবের জামাই সমীরের জামিনের বিরোধিতা করে এনসিবি আদালতে গেলে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হতে পারে বলে অনুমান।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এনসিবি একটি মাদক পাচারের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মন্ত্রীর জামাই সমীরকে গ্রেফতার করেছিল। এনসিবির অভিযোগ, ২০০ কেজি মাদক পাচারের ঘটনায় যুক্ত ছিল নবাবের জামাই। যদিও মন্ত্রীর দাবি, তাঁর জামাইয়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যা। অকারণেই তাঁর জামাইকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় আট মাস লড়াইয়ের পর সেপ্টেম্বর মাসেই জামিন পেয়েছেন সমীর।

সূত্রের খবর, এই ৬ মাদক মামলার তদন্তের দায়িত্ব নিয়ে এনসিবির বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রধান সঞ্জয় সিং সমীরের জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। এনসিবি যদি শেষ পর্যন্ত নবাব মালিকের জামাইয়ের জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে আর্জি জানায় সে ক্ষেত্রে এই মামলা এক চাঞ্চল্যকর মোড় নিতে পারে। মাদক মামলায় আরিয়ান খান গ্রেফতার হওয়ার পরই এনসিবি তথা সংস্থার জোনাল ডিরেক্টরের সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ করেছেন এনসিপি নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী নবাব মালিক।

রাজনৈতিক মহলের অনুমান ঘুষ, তোলাবাজি, প্রতারণার মত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ ওঠার কারণেই সমীরকে এই মামলার তদন্ত থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। শুধু তাই নয় সমীরের বিরুদ্ধে শীঘ্রই বিভাগীয় তদন্ত শুরু হতে চলেছে বলে সূত্র খবর।

Mumbai: কল রেকর্ড দেখলেই বোঝা যাবে কে কত ঘুষের প্রস্তাব দিয়েছে, মন্তব্য গোসাভির

KP Gosavi

News Desk: মুম্বইয়ের মাদক মামলা ক্রমশই যেন জটিল হচ্ছে। চলছে পাল্টা দোষারোপের পালা। কয়েকদিন আগে এই মামলার সাক্ষী প্রভাকর সইল অভিযোগ করেছিলেন, আরিয়ানকে ছাড়ার জন্য ১৮ কোটি টাকা ঘুষ চাওয়া হয়েছিল। এবার প্রভাকরের সেই দাবি উড়িয়ে দিলেন কিরণ গোসাভি। 

বুধবার রাতে এক জালিয়াতির মামলায় পুণে পুলিশ গোসাভিকে গ্রেফতার করেছে। ধৃত গোসাভিও মাদক কাণ্ডে এনসিবির অন্যতম সাক্ষী। প্রভাকর সইল গোসাভির দেহরক্ষী হিসেবেই পরিচিত।

কয়েকদিন আগে প্রভাকর দাবি করেছিলেন, তিনি গোপনে গোসাভির সঙ্গে ফোনে অন্য এক ব্যক্তির কথাবার্তা শুনেছেন। তা থেকেই তিনি জানতে পেরেছেন, গোসাভির পরিকল্পনা ছিল শাহরুখ খানের ম্যানেজার পূজা দাদলানির কাছ থেকে ২৫ কোটি টাকা আদায় করা। শেষ পর্যন্ত অবশ্য তাদের মধ্যে ১৮ কোটি টাকায় রফা হয়েছিল। যার মধ্যে ৮ কোটি টাকা দেওয়ার কথা হয়েছিল এনসিবির তদন্তকারী অফিসার সমীর ওয়াংখেড়েকে। ওই টাকা পেলেই আরিয়ানকে মাদক মামলায় রেহাই দিতেন সমীর।

প্রভাকর আরও দাবি করেছিলেন, এনসিবির আধিকারিকরা তাঁকে বেশ কয়েকটি সাদা কাগজে সই করিয়ে নিয়েছিলেন। জমা নিয়েছিলেন আধার কার্ডের প্রতিলিপি। ওই কাগজে সই করার পরই তিনি আরিয়ান খানকে দেখতে পেয়েছিলেন। পাশাপাশি প্রভাকর আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এনসিবি অফিসার সমীর তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলতে পারেন। নিজের জীবন বাঁচাতে মুম্বইয়ের পুলিশ কমিশনারকে তিনি চিঠিও দিয়েছেন।

প্রভাকর এর এই দাবির প্রেক্ষিতে গ্রেফতারের আগেই মুখ খুলেছেন গোসাভি। এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, প্রভাকর সব কথাই মিথ্যা বলছেন। যদি কেউ প্রকৃত সত্যটা জানতে চান তাহলে প্রভাকর এবং তার দুই ভাইয়ের কল রেকর্ড ও চ্যাট খতিয়ে দেখা হোক। আমার ফোনের কল রেকর্ড ও সমস্ত চ্যাট খতিয়ে দেখা হোক। তাহলেই সকলে বুঝতে পারবে কে কাকে কত টাকা ঘুষের প্রস্তাব দিয়েছে এবং কেন দিয়েছে?

গোসাভি বলেছে,  বিষয়ে তো অস্পষ্টতার কোন জায়গা নেই। তদন্তকারী অফিসাররা আমার এবং প্রভাকরের ফোনের যাবতীয় তথ্য যদি পরীক্ষা করেন তাহলেই তো বিষয়টি দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে যাবে। তবে গোসাভির এই মন্তব্য নিয়ে এনসিবির পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। 

উল্লেখ্য, গোসাভির বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলায় জারি করা হয়েছিল লুক আউট নোটিস। গোসাভি কেপিজে ড্রিমজ সলিউশন নামে একটি সংস্থা চালাতেন। ওই সংস্থা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদেশে চাকরি দেওয়ার লোভ দেখিয়ে বহু মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগেই বুধবার রাতে গোসাভিকে গ্রেফতার করে পুণে পুলিশ।

জামিন অমিল: বুধবার রাতেও জেলে থাকতে হবে আরিয়ানকে

ariyan khan

News Desk: শুনানি শেষ না হওয়ায় বুধবারও জামিন হল না শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানের। ফলে বুধবার রাতেও জেলেই কাটাতে হবে আরিয়ানকে। বৃহস্পতিবার বম্বে হাইকোর্টে ফের এই জামিন মামলার শুনানি হবে। মুম্বইয়ের প্রমোদতরী কর্ডেলিয়া থেকে ধৃত আরিয়ান ১৯ দিন হল জেল হেফাজতে রয়েছেন।

বুধবার বিকেল ৩ টে ৫০ মিনিট নাগাদ বম্বে হাইকোর্টে আরিয়ানের জামিনের আর্জির শুনানি শুরু হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উভয় পক্ষের আইনজীবীর সওয়াল-জবাব শেষ না হওয়ায় আদালত শেষ পর্যন্ত এ দিনের শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি রাখতে বাধ্য হন। এই নিয়ে পরপর দু’দিন বম্বে হাইকোর্ট আরিয়ানের জামিনের আর্জির শুনানি মুলতবি রাখল। বিচারপতি এন সামব্রে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটা থেকে এই জামিন মামলার শুনানি শুরু হবে।

এদিন জামিন না মেলায় বুধবারও যে আরিয়ানকে আর্থার রোড জেলেই থাকতে হবে তা স্পষ্ট। এদিন হাইকোর্টে এনসিবির হয়ে সওয়াল করেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অনিল সিং। অন্যদিকে আরিয়ানের হয়ে সওয়াল করেন দেশের প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল মুকুল রোহতাগি। এদিন রোহতাগি প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁর মক্কেলের জামিনের জন্য জোরদার সওয়াল করেন। রোহতাগির বক্তব্য শেষ হওয়ার পর বিচারপতি সামব্রে এনসিবির আইনজীবীর কাছে জানতে চান, তাঁর বক্তব্য রাখতে কতক্ষণ সময় লাগবে। এর উত্তরে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন কমপক্ষে ১ ঘন্টা। এনসিবির আইনজীবীর ওই মন্তব্য শোনার পর বিচারপতি বলেন, তাহলে আজ আর সময় নেই। আগামীকাল বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হবে। শুনানি শুরু হবে বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার সময়।

আদালতের এদিনের শুনানি শেষে স্বস্তি ফিরল না খান পরিবারে। আরিয়ানের পাশাপাশি অপর দুই অভিযুক্ত আরবাজ মার্চেন্ট এবং মুনমুন ধামেচার জামিনের আর্জিও খারিজ হয়ে গিয়েছে। বুধবার শুনানি চলার সময় এনসিবির আইনজীবী আরিয়ান খানের একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট আদালতে পেশ করেন। এক নায়িকার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে আরিয়ান মাদক নিয়ে লম্বা চ্যাট করেছেন। সেই চ্যাট-ই আইনজীবী বিচারপতির কাছে জমা দেন। ওই হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট খতিয়ে দেখেন বিচারপতি।

অন্যদিকে আরিয়ানের আইনজীবী তাঁর মক্কেলের জামিনের জন্য জোরদার সওয়াল করেন। আরিয়ানের আইনজীবী বলেন, তাঁর মক্কেল মাদক সেবন করেছিলেন এমন কোনও তথ্য-প্রমাণ এনসিবির কাছে নেই। তারপরেও এনসিবি কী করে আরিয়ানের জামিনের বিরোধিতা করছে। বিচারপতি উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর শেষ পর্যন্ত অবশ্য এ দিনের শুনানি স্থগিত রাখেন। বিচারপতি জানান আগামীকাল বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি চলবে।

বোম্বে হাইকোর্টের এদিনের সিদ্ধান্তের ফলে স্বভাবতই উদ্বেগ বেড়েছে শাহরুখ ও গৌরী খানের। সূত্রের খবর, শাহরুখ এবং তাঁর স্ত্রী আরিয়ানের আইনজীবীর কাজে আদৌ সন্তুষ্ট নন। নিম্ন আদালতে আরিয়ানের জামিন না হওয়ায় একদফা আইনজীবী সতীশ মানসিন্ডেকে সরিয়ে দিয়ে নতুন আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ করেন অমিত দেশাইকে। কিন্তু দু’দিন হাইকোর্টে শুনানি চলার পরেও আরিয়ানের জামিন করাতে পারলেন না অমিত।

যদিও অমিত এদিন আদালতে বলেন, এনসিবি তদন্ত করতেই পারে। কিন্তু প্রশাসনিক কারণে কারও মুক্তি আটকাতে পারে না। জামিনের আবেদন কখনওই তদন্তের উপর নির্ভর করে না। কিন্তু অমিত দেশাইয়ের এই যুক্তি আদালতে ধোপে টেকেনি। উল্লেখ্য ৩ অক্টোবর রাতে মুম্বাইয়ের প্রমোদতরী কর্ডেলিয়া থেকে এনসিবি শাহরুখপুত্র আরিয়ানকে আটক করেছিল। দীর্ঘ প্রায় ১৬ ঘণ্টা জেরা করার পর আরিয়ানকে গ্রেফতার করেছিল এনসিবি।

তিনদিন আরিয়ান ছিল নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর হেফাজতে। তারপর থেকেই শাহরুখপুত্র জেল হেফাজতে রয়েছেন। এই মুহূর্তে দেশের হাইপ্রোফাইল মামলাগুলির মধ্যে আরিয়ানের জামিনের মামলাটি অন্যতম। তাই স্বাভাবিকভাবেই বৃহস্পতিবার গোটা দেশের নজর থাকবে বম্বে হাইকোর্টের দিকে।

Aryan Khan Case: ফোন ট্যাপ করে ফাঁসানোর চক্রান্ত করছেন NCB কর্তা সমীর, মন্ত্রীর অভিযোগ

sameer-wankhede

News Desk: মুম্বইয়ের প্রমোদতরীর মাদক কাণ্ডের জল ক্রমশ ঘোলা হচ্ছে। যার কেন্দ্রে রয়েছেন নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর ডিরেক্টর সমীর ওয়াংখেড়ে। খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে সমীরের নাম। ঘুষ নেওয়া থেকে শুরু করে একের পর এক অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এবার মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক অভিযোগ করলেন, সমীর আইন বহির্ভূতভাবে বহু ব্যক্তির ফোন ট্যাপ করেছেন। যার মধ্যে রয়েছেন বলিউড তারকারা।

এনসিবির জোনাল হেড সমীর একজন সৎ এবং দক্ষ অফিসার হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। যে কারণে আরিয়ান খান মামলায় এই তদন্তকারী অফিসার যথেষ্ট ব্যাকফুটে। সম্প্রতি তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে এই আশঙ্কা প্রকাশ করে আদালতেও গিয়েছেন তিনি। এই মানুষটিকে নিয়ে এখন একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে।

অনেকেই বলছেন, কেন্দ্রের মোদী সরকারের ইশারাতেই বিভিন্ন জরুরি বিষয় থেকে মানুষের নজর ঘুরিয়ে দিতেই এনসিবি আরিয়ানকে নিয়ে পড়েছে। এদিন নবাব অভিযোগ করেন, সমীর নিয়মিত বলিউড তারকাদের ফোন ট্যাপ করতেন। এমনকী, তাঁর মেয়ে নিলোফারের কললিস্টও চেয়ে পাঠিয়েছিলেন। তবে মুম্বই পুলিশ সেটা তাঁকে দেয়নি। তাঁর নিজের ফোনও ট্যাপ করা হয়েছে বলে নবাব দাবি করেন।

নবাব আরও বলেন, এনসিবির এক অফিসার নিজের নাম গোপন করে তাঁকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। ওই চিঠিতে ২৬টি মামলার কথা তাঁকে জানানো হয়েছে। ওই সমস্ত মামলাগুলির মধ্যে কয়েকটিতে বলিউড তারকারা জড়িত। ওই সমস্ত মামলাগুলির তদন্ত সমীর যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে করেননি। সমীর সবসময় চেষ্টা করেছেন বিভিন্ন মানুষকে ফাঁসিয়ে দিতে। তাঁদের বিরুদ্ধে এজন্যই তিনি মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন।

ওই চিঠিটি তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, পুলিশের ডিজি, এনসিবির শীর্ষ কর্তা এবং অন্যদের কাছেও পাঠিয়েছেন। একই সঙ্গে ওই মামলাগুলির যথাযথ তদন্তের দাবিও তুলেছেন নবাব। মন্ত্রীর আরও অভিযোগ, সমীর তাঁর নিজের পদমর্যাদাকে কাজে লাগিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা কামিয়ে চলেছেন।

নবাব এদিন বলেন, আমি এনসিবির বিরুদ্ধে কোনও লড়াই করছি না। আমার লড়াইটা অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে। একজন ব্যক্তি যিনি প্রতারণার মাধ্যমে চাকরি পেয়েছেন আমি সেই বিষয়টি সামনে আনতে চাইছি। সমীর তাঁর জন্মের ভুয়ো শংসাপত্র দিয়ে এনসিবির চাকরি পেয়েছেন।

নবাবের তোলা এই সমস্ত অভিযোগের কোনও জবাব দেননি সমীর। তবে, এদিন মুখ খুলেছেন তাঁর স্ত্রী। এদিন সমীরের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী কখনও কোনও অন্যায় কাজ করেন না। এ ধরনের চিঠির কোন সারবত্তা নেই। এসব অভিযোগের বিরুদ্ধে আমরা আদালতে যাব। যারা আমাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ করছেন আদালতে তাদের সেগুলি প্রমাণ করতে হবে। আমরা কোটিপতি নই। আমরা আর পাঁচজনের মতো সাধারণ মানুষ। আমার স্বামী সমীর একজন অত্যন্ত সৎ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল অফিসার। নবাবের পাঠানো চিঠিতে সম্পর্কে এনসিবির ডিরেক্টর জেনারেল অশোক জইন বলেছেন, তিনি একটি চিঠি পেয়েছেন এবং দেখেছেন। সব খতিয়ে দেখে এ ব্যাপারে তিনি নিশ্চিতভাবেই ব্যবস্থা নেবেন।

চাঞ্চল্যকর অভিযোগ: আরিয়ান খান মামলায় ১৮ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন

Aryan Khan

News Desk: এই মুহূর্তে খবরের শিরোনামে রয়েছে নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো বা এনসিবি। শাহরুখ খানের বড় ছেলে আরিয়ানকে মাদক কাণ্ডে গ্রেফতারের পরই এনসিবির নাম নিয়ে সর্বত্র আলোচনা চলছে। এবার এনসিবির বিরুদ্ধেই ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ করলেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। ওই ব্যক্তির দাবি আরিয়ান খান মামলায় ১৮ কোটি টাকার ঘুষ দেওয়া নেওয়া হয়েছে।

প্রমোদতরীতে আরিয়ান খানের সঙ্গে এক ব্যক্তির তোলা সেলফি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল। ওই ব্যক্তিকে নিয়ে প্রথম থেকেই ছিল বিতর্ক। কারণ ওই ব্যক্তি এনসিবির কেউ ছিলেন না। তাহলে তিনি কেন বা কী কারণে আরিয়ানের পাশে ছিলেন তা নিয়েই বিতর্ক বাধে। পরে জানা যায় ওই ব্যক্তির নাম কেপি গোসাভি। তিনি একজন প্রাইভেট ডিটেকটিভ। এই গোসাভির দেহরক্ষী প্রভাকর সইল ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।

প্রভাকরের দাবি, তিনি নিজের চোখে ১৮ কোটি টাকা লেনদেন হতে দেখেছেন। কেপি গোসাভি এবং শ্যাম ডিসুজা নামে দুই ব্যক্তির মধ্যে ১৮ কোটি টাজার একটি চুক্তি হয়। এই ১৮ কোটি টাকা থেকেই ৮ কোটি টাকা পাওয়ার কথা এনসিবি কর্তা সমীর ওয়াংখেড়ের। প্রভাকরের দাবি, সমীর ওই টাকা ঘুষ হিসেবেই পেতেন। সাক্ষী হিসাবে সাদা কাগজে তাঁকে দিয়ে সই করিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

যথারীতি প্রভাকরের এই দাবি সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে এনসিবি। যার বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠছে সেই সমীর ওয়াংখেড়ে এদিন জানিয়েছেন তিনি এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করবেন। ঘুষ নেওয়ার যে অভিযোগ প্রভাকর করেছেন, সেটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং কল্পনাপ্রসূত। যদি তিনি প্রকৃতই এই বিপুল পরিমাণ টাকা নিতেন তাহলে কি এখনও আরিয়ানকে জেলে থাকতে হত, বলে পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন সমীর।

অন্যদিকে এনসিবি দফতরের যে সমস্ত সিসিটিভির ফুটেজ রয়েছে সেখানেও আর্থিক লেনদেনের এমন কোনও কিছুর খোঁজ মেলেনি। এনসিবি পক্ষ থেকে পাল্টা জানানো হয়েছে, আরিয়ান খান একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির পুত্র। কিন্তু মাদক মামলায় তাঁকে জেলে থাকতে হচ্ছে। তাই আরিয়ানকে ছাড়িয়ে আনতে এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হচ্ছে। আসলে এনসিবির গায়ে কালি ছেটাতেই এটা করা হচ্ছে। তবে এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত। ওই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে এনসিবির দফতরে আরিয়ানের পাশে বসে তাঁর সঙ্গে কথা বলছেন গোসাভি। পরবর্তী ক্ষেত্রে গোসাভির মোবাইল থেকে আরিয়ান অন্য কারও সাথে কথা বলছেন। রাউত প্রশ্ন তুলেছেন, আরিয়ান গোসাভির ফোন থেকে কার সঙ্গে কথা বলছিলেন তা জানাক এনসিবি। অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে বলেছেন, মহারাষ্ট্রে বদনাম করতেই কেন্দ্রের ইশারায় এনসিবি চক্রান্ত করছে।

এনসিবি কর্তা ও তাঁর পরিবারকে হেনস্থার অভিযোগ মন্ত্রী নবাব মালিকের বিরুদ্ধে

Minister Nawab Malik

নিউজ ডেস্ক: ৩ অক্টোবর মুম্বইয়ে এক প্রমোদতরী থেকে গ্রেফতার হয়েছিলেন শাহরুখ খানের বড় ছেলে আরিয়ান খান। আরিয়ানকে গ্রেফতার করেই খবরের শিরোনামে এসেছিলেন নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর তরুণ অফিসার সমীর ওয়াংখেড়ে। এনসিবি তথা সমীরের বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই তোপ দেগেছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক।

তিনি বলেছেন এনসিবির তদন্তকারীরা শাহরুখ ও তাঁর ছেলেকে অকারণে হেনস্তা করছে। কিন্তু এবার মন্ত্রী নবাব মালিকের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ করলেন ওই এনসিবি কর্তা। সমীরের অভিযোগ, তাঁকে কাজ করতে প্রতি পদে পদে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকেও নানা ভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। ওই এনসিবি কর্তা আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি নিশ্চিতভাবেই আইনি পদক্ষেপ করবেন।

মাত্র ২৪ ঘন্টা আগে এনসিপি নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী নবাব মালিক অভিযোগ করেছিলেন, করোনা পরিস্থিতিতেও ওয়াংখেড়ে মলদ্বীপে গিয়েছিলেন। সে সময় বহু বলিউড তারকাও মলদ্বীপে ছিলেন। মলদ্বীপে সমীর ওই সমস্ত বলিউড তারকাদের কাছ থেকে রীতিমতো তোলা আদায় করেন বলে সব নবাবের দাবি।

মন্ত্রীর আরও অভিযোগ করেন, এনসিবি অফিসার সমীর মানুষকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দিচ্ছেন। তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট খতিয়ে দেখলেই বোঝা যাবে এনসিবির মাদক মামলা কতটা ভিত্তিহীন। তবে শুধু মলদ্বীপে নয়, সমীর দুবাই থেকেও তোলা আদায় করেছেন বলে নবাবের অভিযোগ। মলদ্বীপ ও দুবাইয়ে সমীর কিভাবে তোলা আদায় করেছেন তার ছবিও তিনি শীঘ্রই প্রকাশ করবেন বলে নবাব জানান।

শুক্রবার নবাবের তোলা অভিযোগের জবাব দিয়েছেন সমীর। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, মন্ত্রী মিথ্যা কথা বলছেন। আমি আমার পরিবার নিয়ে মলদ্বীপে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলাম। অফিসের কাছ থেকে রীতিমতো অনুমতি নিয়ে আমরা বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমি কারোও সঙ্গেই দেখা করিনি। গত ডিসেম্বরে আমি মুম্বইতেই ছিলাম। অথচ মন্ত্রীর অভিযোগ আমি দুবাই গিয়েছিলাম। মন্ত্রী পুরোটাই মিথ্যা বলছেন।

সমীর আরও বলেছেন, তিনি কারও সঙ্গে আপোস করতে রাজি নন। এনসিবির একজন অফিসার হিসেবে সত্য অনুসন্ধান করাই তাঁর কাজ। আর তিনি সেটাই করছেন। সে কারণেই তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে আক্রমণের শিকার হতে হচ্ছে। মন্ত্রী তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করায় তিনি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ করবেন বলেও জানিয়েছেন।

Aryan Khan: আদালতের নির্দেশে স্পষ্ট হয়ে গেল আরও বেশ কিছুদিন মন্নতে ঢুকবে না মিষ্টি

Aryan Khan's bail application was once again rejected

নিউজ ডেস্ক: বুধবার আদালতের নির্দেশে এটা স্পষ্ট হয়ে গেল যে, আরও বেশ কিছুদিন শাহরুখ খানের বাড়ি মন্নতে মিষ্টি ঢুকবে না। শাহরুখ খানের স্ত্রী গৌরী বলেছিলেন, যতদিন না ছেলে আরিয়ান (Aryan Khan) বাড়ি ফিরছে ততদিন মিষ্টি ঢুকবে না বাড়িতে। তাঁরা কেউ মিষ্টি খাবেন না। বুধবার আরিয়ানের জামিনের আবেদন ফের একবার খারিজ হয়ে গেল। জামিনের আর্জি খারিজ হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই মন্নতে যে আরও বেশ কিছুদিনের জন্য মিষ্টি ঢুকবে না এটা নিশ্চিত হয়ে গেল। আরিয়ানকে জামিনের জন্য পরবর্তী ক্ষেত্রে যেতে হবে বম্বে হাইকোর্ট।

চলতি মাসের ৩ তারিখে মুম্বইয়ে এক প্রমোদতরী থেকে আরিয়ানকে গ্রেফতার করেছিল নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো। আরিয়ানের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছিল বেশ কিছু মাদক। শুধু আরিয়ান নয়, ওই ঘটনায় আরিয়ানের ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছিল এনসিবি। গ্রেফতারের পর প্রথম কয়েকদিন আরিয়ানকে নিজেদের হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল এনসিবির তদন্তকারী আধিকারিকরা। আদালতের নির্দেশে ৮ অক্টোবর থেকে মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলে রয়েছেন আরিয়ান। বুধবার আরিয়ানের জামিনের আবেদনের শুনানি শুরু হলে এনসিবি তার বিরোধিতা করে।

তদন্তকারী অফিসাররা জানান, আরিয়ানের কাছ থেকে এখনও বেশ কিছু জিনিস তাঁদের জানার বাকি আছে। জিজ্ঞাসাবাদে আরিয়ানের কাছ থেকে প্রায় প্রতিদিনই মিলছে নতুন তথ্য। তাই এখনই আরিয়ানকে জামিনে মুক্তি দেওয়া সম্ভব নয়। অন্যদিকে আরিয়ানের আইনজীবী এনসিবির অফিসারদের বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, তাঁর মক্কেল তদন্তকারীদের সঙ্গে সব ধরনের সহযোগিতা করছেন। তিনি একজন নামজাদা ব্যক্তির ছেলে। তাই আরিয়ান দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবেন তা নয়। সে কারণে তার মক্কেলকে জামিন দেওয়া হোক। উভয় পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর শেষ পর্যন্ত অবশ্য আরিয়ানের জামিনের আর্জি খারিজ করে দেন বিচারক।

উল্লেখ্য আরিয়ানকে জেরার ভিত্তিতেই গত শনিবার মুম্বইয়ের বান্দ্রা ও জুহুর একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় এনসিবি। আরও বেশ কিছু জায়গায় এনসিবি তদন্ত চালাবে বলে মনে করা হচ্ছে। সে কারণেই এনসিবি এদিন আরিয়ানের জামিনের বিরোধিতা করে। তবে আদালতের এদিনের নির্দেশের পর একটাই প্রশ্ন, দীপাবলীর আগে কি শাহরুখপুত্র আরিয়ান বাড়ি ফিরতে পারবেন। এই মুহূর্তে জামিন পেতে হলে আরিয়ানকে হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে। কারণ এখনও পর্যন্ত পাঁচবার নিম্ন আদালতে আরিয়ানের জামিনের আর্জি খারিজ হয়েছে। জামিন না মেলায় শাহরুখ ও তার ছেলে আরিয়ানের উপর চাপ বাড়ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মুম্বই ক্রুজ কাণ্ডে পক্ষপক্ষপাতিত্ব করছে এনসিবি, সুপ্রিম কোর্টের শরণে শিবসেনা মন্ত্রী

ariyan-khan

বায়োস্কোপ ডেস্ক: শিবসেনার এক প্রবীণ নেতা সুপ্রিম কোর্টের কাছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো এবং বলিউড মেগাস্টার শাহরুখ খানের পুত্র আরিয়ান খানের মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘনের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের একজন সিটিং জজ কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ জানান।

পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ নিয়ে সংবিধানের ৩২ নং ধারায় অভিযোগ দায়ের করেছেন শিবসেনা নেতা কিশোর তিওয়ারি। প্রধান বিচাপতি এনভি রমনার কাছে e বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

প্রবীণ নেতা দাবি করেছেন যে বিগত কয়েক বছর ধরে কেবল জনপ্রিয়তা পাওয়ার জন্য মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, মডেল ও নানা তারকাদের অসৎ উদ্দেশ্যে হেনস্থা করে চলেছেন। তিনি বলেছিলেন যে অনুচ্ছেদ 32 এর অধীনে, সুপ্রিম কোর্ট এবং ভারতের প্রধান বিচারপতি (সিজেআই) মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন সম্পর্কিত প্রতিটি বিষয়কে বিবেচনার জন্য বাধ্যবাধক, যেমন সংবিধানের তৃতীয় অংশের গ্যারান্টিযুক্ত, যা এনসিবি অমান্য করছে।

বিশেষ এনডিপিএস আদালত (মুম্বাই) আরিয়ান খান এবং অন্যান্য আসামির জামিন আবেদনের রায়কে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি ছুটির কথা উল্লেখ করে স্থগিত করার কথা উল্লেখ করে আবেদনে বলা হয়েছে যে এটি অভিযুক্তকে চূড়ান্ত অপমানের শিকার হতে হয়েছে এবং এভাবে অগণতান্ত্রিক উপায়ে ১৭ রাতেরও বেশি সময় ধরে কাউকে বন্দী করে রাখা অনৈতিক।

শিবসেনা নেতা মন্তব্য করেছেন যে, এটি সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার মৌলিক অধিকারকে সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করে এবং ‘জামিনই আদর্শ, জেল হল ব্যতিক্রম’ প্রশ্ন, যা বহুবার সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক বহাল এবং নিষ্পত্তি করা হয়েছে, যেমন প্রাক্তন অ্যাটর্নি পুনরাবৃত্তি করেছেন ভারতের জেনারেল মুকুল রোহাতগী। ওয়াংখেড়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আবেদনে এও বলেছেন যে, অফিসারের স্ত্রী বলিউডে বড় হওয়ার চেষ্টা করছেন, আর সেই কারণেই শুধু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির নেতৃস্থানীয় নাম, তাদের পরিবার, জাতীয়-আন্তর্জাতিক মডেল, প্রযোজক-পরিচালককে এনসিবি লেন্সের আওতায় আনা হয়।

Aryan Khan: কয়েক বছর ধরেই মাদকাসক্ত আরিয়ান, আদালতে জানালেন সলিসিটর জেনারেল

ariyan khan

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো বা এনসিবি আরিয়ান মামলার শুনানিতে আদালতে জানায়, শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ানের (Aryan Khan) কাছ থেকে মাদক পাওয়া যায়নি এটা ঠিক। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, তিনি মাদক নিতেন না। তাই তাঁকে জামিন দিতে হবে। এনসিবির পক্ষে আদালতে এই কথা বলেছেন সলিসিটর জেনারেল অনিল সিং।

বৃহস্পতিবার আরিয়ানের মাদক মামলার শুনানিতে অনিল সিং মডেল রিয়া চক্রবর্তী ও তাঁর ভাই সৌভিক চক্রবর্তীর মামলার কথা উল্লেখ করেন। সলিসিটর জেনারেল বলেন, এই দুইজনের কাছ থেকে মাদক পাওয়া যায়নি। কিন্তু আদালত রিয়া এবং তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল।

অনিল সিং আরও বলেন, এনসিবির কাছে প্রমাণ রয়েছে যে, গত কয়েক বছর ধরেই আরিয়ন নিয়মিত মাদক নিতেন। আরিয়ানের বন্ধু আরবাজ মার্চেন্টের কাছে যে মাদক পাওয়া গিয়েছে সেটা আরিয়ানের কাছে যাবার কথা ছিল। তদন্তে এটা জানা গিয়েছে যে, আরবাজের হাত ঘুরেই মাদক যেত আরিয়ানের কাছে। মাদকচক্রের সঙ্গে যদি কারও যোগ থাকে তবে তো তাকে শাস্তি পেতেই হবে।

সলিসিটর জেনারেল আরও বলেন, আরিয়ানের কাছে মাদক পাওয়া যায়নি এটা সত্যি। কিন্তু আরবাজের কাছে যে মাদক রয়েছে সেটা আরিয়ান জানতো। আরিয়ানের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকেই এটা জানা গিয়েছে।

এরই মধ্যে আরিয়ানের পাশে এক ব্যক্তির ছবি ভাইরাল হওয়ায় রহস্য আরও বেড়েছে। সেই লোকটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ওই লোকটিকে খুঁজে পেতে পুণে পুলিশ লুক আউট নোটিস জারি করেছে। পুলিশের দাবি, পলাতক ওই ব্যক্তির নাম কে গোসাবি। বছর তিনেক আগে এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের হয়েছিল। তিন বছর ধরে সে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

তবে লুক আউট নোটিস জারি হওয়ায় সে আর দেশ ছেড়ে পালাতে পারবে না। আরিয়ানের বিরুদ্ধে মামলায় যে সমস্ত সাক্ষীর নাম রয়েছে তাদের মধ্যে গোসাবির নামও আছে। রাজ্যের মন্ত্রী নবাব মালিক ইতিমধ্যেই এনসিবির অফিসে গোসাবির উপস্থিতি নিয়ে তীব্র আপত্তি তুলেছেন। জানা গিয়েছে, পলাতক ওই ব্যক্তি নিজেকে প্রাইভেট ডিটেকটিভ বলে পরিচয় দিয়ে থাকে। বিদেশে চাকরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সে বহু মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে।

মুম্বই ক্রুজ কাণ্ডের সঙ্গে কোন যোগসূত্র নেই শাহরুখ খানের: এনসিবি আধিকারিক

NCB Sameer Wankhede

বায়োস্কোপ ডেস্ক: শাহরুখ খান ও তাঁর পরিবারের ওপরে দুঃসময় নেমে এসেছে৷ শাহরুখের বড় ছেলে আরিয়ান খান গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই। সূত্র মাধ্যমে জানা যাচ্ছে, আরিয়ানের পুলিশ হেফাজত ৭ অক্টোবর পর্যন্ত বেড়েছে৷ আরিয়ান গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই মান্নাতে ভিড় করেছে শুভাকাঙ্ক্ষী থেকে তারকা বন্ধুরাও। সলমন খান, নিলাম কোঠারি, সীমা খান এবং আরও অনেকে দেখা করতে গিয়েছে শাহরুখের পরিবারের সামনে।

এদিকে নেটিজেনরা আরিয়ানের মাদকাসক্তির জন্য দায়ী করছেন বাবা শাহরুখ খানকেই। এনসিবি কর্তৃপক্ষও গোটা ঘটনার পিছনে শাহরুখ খানের অবদান কতখানি তা খুঁটিয়ে দেখার জন্য উঠে পড়ে লেগেছিল। এরই মধ্যে এনসিবি কর্তৃপক্ষ বয়ান দিয়ে শাহরুখ খানের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত প্রশ্ন খারিজ করে দিয়েছে।

Aryan Khan

শাহরুখ খানকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন এনসিবির জোনাল ডিরেক্টর সমীর ওয়াংখেড়ে। তিনি জানিয়েছেন, “আমরা কাউকেই এই তদন্তে টার্গেট করে এগিয়ে যাচ্ছি না। গত ১০ মাসে আমরা ৩০০ জনের বেশি লোককে গ্রেফতার করেছি। তাদের মধ্যে তিন থেকে চারজন পরিচিত মুখ।” এনসিবি কর্তৃপক্ষের তদন্ত সম্পর্কে এমন গুজব শুনে তাজ্জব হয়ে গিয়েছেন অফিসার ওয়াংখেড়ে।

তিনি আরও বলেছেন, ” গত এক বছর ধরে আমরা দাগী মাদক পাচারকারীদের পাকড়াও করেছি। তিনি উল্লেখ করেন যে, এনসিবি মাদকদ্রব্যের নির্মূলের জন্য কাজ করে।

এনসিবি কর্তৃপক্ষের সূত্র ধরে এও জানা গেছে যে, মুম্বই ক্রুজ কাণ্ডের প্রসঙ্গে অনুষ্ঠান আয়োজকের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই ঘটনার সূত্র ধরে এনসিবি কর্তৃপক্ষ আরও বড় মাদক চক্রের কিনারা করতে চান বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার এনসিবি আধিকারিক সমীর ওয়াংখেড়ের স্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি স্বামীর কৃতিত্বে গর্ব বোধ করেন। তিনি মুম্বই ক্রুজ কাণ্ড ছাড়াও যুক্ত থেকেছেন একাধিক বলিউড মাদক চক্রের

Aryan Khan: মন্নতে হাজির সলমন, হেফাজতে এক মাদক সরবরাহকারী

Aryan Khan’s arrest

বায়োস্কোপ ডেস্ক: আরিয়ান খান গ্রেপ্তার হওয়ার পর রবিবার রাতে মুম্বাইয়ে শাহরুখের বাড়িতে দেখা করতে গেলেন সলমন খান। একদিন আগেই মাদকাসক্তির অভিযোগে মুম্বাইয়ের বিলাসবহুল ক্রুজ থেকে আটক করা হয় শাহরুখ পুত্র আরিয়ানকে।

১২ ঘণ্টারও বেশি সময় জুড়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর গ্রেপ্তার করা হয় শাহরুখ খানের বড় ছেলেকে। আরিয়ান ছাড়াও এই ঘটনায় জড়িয়ে পড়েছে আরো বড় বড় কয়েকটি নাম। ৪ঠা অক্টোবর পর্যন্ত আরিয়ান ও অন্যান্যকে জেল হেফাজতে নেয় এনসিবি কর্তপক্ষ।

রবিবার রাতে মান্নতের বাইরে একটি বিলাসবহুল গাড়িতে সলমন খানকে দেখা যায়। সূত্রের খবর, আরিয়ান খানের গ্রেফতারির বিষয়েই শাহরুখের সাথে আলোচনা করতে মান্নতে এসেছিলেন তিনি। রেঞ্জ রোভার গাড়ির সামনের সিটে বসে থাকতে দেখা যায় ভাইজানকে। আপাতত মুম্বাইয়ের এসপ্লানেড কোর্টে মুম্বাই ক্রুজ কাণ্ডের মামলা চলছে বলে জানা যায়।

সোমবার দুপুরে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। এনসিবি কর্তপক্ষ আরিয়ানের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের মাধ্যমে উদ্ধার করেছে মাদক সরবরাহ সংক্রান্ত খবর। জানা গিয়েছে, আরিয়ান আগেও বহুবার মাদক অর্ডার করেছেন ও নিয়মিত মাদকের সেবন করেন।

বাজেয়াপ্ত ফোনের রেকর্ড ও অন্যান্য সূত্র ধরে এনসিবি কর্তপক্ষ গ্রেপ্তার করেছে এক মাদক সরবরাহকারীকেও। তাকে আজ কোর্টে হাজির করতে পারে এনসিবি অফিসাররা। অন্যান্য অভিযুক্ত নূপুর সতিজা, ইশমিত সিং চাড্ডা, মোহক জয়সওয়াল, গোমিত চোপড়া এবং বিক্রান্ত ছোটকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদের মেডিকেল পরীক্ষার পর আজ আদালতে হাজির করা হবে।

অ্যাডভোকেট সতীশ মানেশিন্দে আরিয়ানের হয়ে কোর্টে মামলা করছেন। তিনি জানিয়েছেন, “আরিয়ান খান ক্রুজ পার্টিতে আমন্ত্রিত ছিলেন কিন্তু তার কাছে বোর্ডিং পাস ছিলনা। তার নামে কোনো সিট বা কেবিনেরও বুকিং ছিলনা। তার থেকে কোনো মাদক সামগ্রীও উদ্ধার করা যায়নি।” তিনি এও দাবি করেছেন যে আরিয়ানকে কেবল হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের ওপর ভিত্তি করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

হাই প্রোফাইল মাদকচক্র: শাহরুখ-পুত্র আরিয়ানের বিরুদ্ধে মামলা, পাশে বলিউডের একাংশ

Aryan Khan

বায়োস্কোপ ডেস্ক: শনিবার মুম্বাইয়ের একটি বিলাসবহুল ক্রুজে পার্টিতে মাদক সেবনের অভিযোগে শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানকে আটক করেছিল এনসিবি। এবার আরিয়ান এর বিরুদ্ধে পাকাপাকিভাবে আইনে মামলা রুজু করল এনসিবি।

শনিবারের ওই ঘটনায় জড়িত মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে আইনি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর জারি করা হয় গ্রেপ্তারি ফরমান। আরিয়ান ছাড়াও এই মামলায় নাম জড়িয়ে আছে মুনমুন ধামেছা ও দুই আরবাজ মার্চেন্ট এর নামও। আটকদের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে এনডিপিসি আইনের ৬৭ ধারা অনুযায়ী।

Aryan Khan remanded to 1 Day NCB Custody by Mumbai Court.

শনিবার মুম্বাইয়ের সুমুদ্রতীরে বিলাসবহুল ক্রুজ থেকে শাহরুখপুত্র আরিয়ান ছাড়াও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ইসমিত সিংহ, বিক্রান্ত চোকর, নূপুর সারিকা, গমিত চোপড়া ও মহাক জয়সাওয়ালকে। ওই পার্টি থেকে এনসিবি দ্বারা বাজেয়াপ্ত করা হয় এসটিসি, কোকেন, মেফেড্রন জাতীয় সমস্ত নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য। মাদক কারোর জামার সেলাইয়ের ভেতর থেকে, তো কারোর জুতোর হিলের নীচ থেকে। সূত্র মাধ্যমে তার খবর, মাদক সরবরাহকারীদের সূত্র ধরেই এনসিবি আধিকারিকরা তল্লাশী চালায় ক্রূজে। সাধারণ পোশাকে ছদ্দবেশী সেজে এনবিসি পার্টিতে হানা দেয় বলে জানা গিয়েছে।

শাহরুখপুত্রের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটেও মাদক অর্ডার করার নিদর্শন পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে সূত্র মাধ্যমে। এদিকে, আরিয়ান খান গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে শাহরুখ পুত্রের পাশে দাঁড়িয়েছে বলিউডের এক অংশ। এ প্রসঙ্গে সুনীল শেট্টি মন্তব্য করেছেন, “ছেলেটি এখনও বাচ্ছা। ওকে একটু দম নিতে দিন।”

তিনি আরো বলেছেন যে তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করে দেওয়া ঠিক নয়। “যতক্ষণ না পর্যন্ত তদন্ত সম্পন্ন হচ্ছে, আরিয়ান কি মাদক আসক্ত বলে দাগিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না”, মন্তব্য করেছেন সুনীল শেট্টি। আটক অভিযুক্তদের থেকে বেশ কিছু জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তাদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ও কল রেকর্ড খতিয়ে দেখছে এনসিবি কর্তপক্ষ।