নীরজ হওয়ার স্বপ্নে মজে দেশের কচিকাঁচারা

Neeraj chopra

নিউজ ডেস্ক: ১৩ বছরের অপেক্ষা। অভিনব বিন্দ্রার পর আবার ব্যক্তিগত ইভেন্টে সোনা জিতেছে ভারত। ১৩৩ কোটি ভারতবাসীর মুখে হাসি ফুটিয়েছেন নীরজ চোপড়া। টোকিও অলিম্পিক্স থেকে দেশকে জ্যাভলিন থ্রো’তে সোনা এনে দিয়েছেন তিনি। তারপর থেকেই গোটা ভারতের কচিকাঁচাদের এখন লক্ষ্য একটাই, নীরজ চোপড়া হয়ে ওঠা। অ্যাথলেটিক্স ট্রেনিং সেন্টারগুলোতে ঢল নেমেছে ছাত্র-ছাত্রীদের।

আরও পড়ুন রেট্রো কিট; পরে মোহনবাগানে হোসে র‍্যামিরেজ ব্যারেটো

জ্যাভলিন যাঁরা শেখেন বা প্র্যাক্টিস করেন, স্টেডিয়ামে তাঁদের জন্য আলাদা সময় বরাদ্দ করা হয়। যাতে তাদের ছোঁড়া বর্শায় কোনও ভাবে কেউ আহত না হন। ফলে সাধারণত যেঁ সময় অন্যান্য খেলোয়াড়রা প্র্যাকটিস করেন না, সে সময় ট্রেনিং করানো হয় জ্যাভলিন থ্রোয়ারদের। হয় খুব ভোরে না হলে দুপুরে ট্রেনিং চলে। তাতেও কুছ পরোয়া নেহি। জ্যাভলিনের টানে হাজির হয়ে যাচ্ছে কচিকাঁচারা। 

আরও পড়ুন পুজোয় আসছে গোলন্দাজ, তার আগেই নগেন্দ্রপ্রসাদের নামে লিগ চালুর দাবি তুললেন মোহনবাগান কর্তা

এর আগে অলিম্পিক্সের মঞ্চে মিলখা সিংহ, পি টি ঊষা, অঞ্জু ববি জর্জ, বিকাশ গৌড়ার মতো ক্রীড়াবিদরা কাছে এসেও পদক জিততে পারেননি। ব্যক্তিগত ইভেন্টে একমাত্র সোনা ছিল অভিনব বিন্দ্রার কাছে। বিন্দ্রা ২০০৮ সালে বেজিং অলিম্পিক্সে শুটিংয়ে সোনা পান। ১৩ বছর পর ফের সেই নজির গড়েছেন নীরজ।

সংবর্ধনা মঞ্চেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভারতের সোনার ছেলে

Neeraj chopra

স্পোর্টস ডেস্ক: সোনার ছেলেকে স্বাগত জানাতে সেজে উঠেছে নীরজের পানিপথ। টোকিওয় সোনা জিতে ভারতে পা রাখলেও এতদিন বাড়িতেই ফিরতে পারেননি টোকিও অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়া। কিন্তু সেই আনন্দে বাধ সাধল জ্বর। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাঝেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে ভর্তি করাতে হল তাঁকে। 

আরও পড়ুন ইস্টবেঙ্গলের কোর্টে বল, চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পাঠিয়ে দিল শ্রী সিমেন্ট

দিল্লি থেকে পানিপথ পর্যন্ত প্রায় ৬ ঘণ্টার রাস্তার অতিক্রম করে বাড়ি ফিরছিলেন নীরজ। রেড কার্পেট পেতে অলিম্পিকে সোনাজয়ীর জন্য অপেক্ষারত ছিলেন সকলে। পূর্ব পরিকল্পিত ভাবেই শুরু হয়েছিল সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠান চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তাঁর পরিবারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সকালে দিল্লি থেকে পানিপথ আসতে নীরজের ছয় ঘণ্টা লেগে যায়। কখনও রোদে, কখনও গাড়ির এয়ার কন্ডিশনে থাকাতেই ঠান্ডা-গরমে জ্বর এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন দেশ দখল করেছে তালিবানরা, আইপিএল খেলা নিয়ে সংশয়ে রশিদ-নবিরা

কয়েক দিন আগেও তাঁর জ্বর এসেছিল। গলাতেও ব্যথা ছিল। পরে করোনা পরীক্ষা করা হলে সেই রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে তাঁর যোগদানও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি ওই অনুষ্ঠানে যান। অসুস্থ শরীরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি। সেই সব সেরেই মঙ্গলবার বাড়ি ফিরছিলেন নীরজ। টোকিয়ো থেকে ফেরার পর নানা অনুষ্ঠানে যেতে হচ্ছে তাকে। সেই ধকল নিতে না পারার ফলেই বারবার অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তিনি।

আরও পড়ুন ভারতীয় বায়ুসেনার জনকের নামেই রয়েছে জনপ্রিয় ফুটবল কাপ

টোকিয়ো অলিম্পিকে প্রথম ভারতীয় হিসেবে অ্যাথলেটিক্সে (জ্যাভলিন থ্রো) সোনা জেতেন নীরজ চোপড়া। অভিনব বিন্দ্রার পর দ্বিতীয় ভারতীয় অ্যাথলিট হিসেবে অলিম্পিকের ব্যক্তিগত ইভেন্টে সোনা জিতেছেন তিনি। জ্যাভলিনে ৮৭.৫৮ মিটার ছুড়ে ভারতকে সোনার পদক এনে দিয়েছেন। তারপর থেকে অভিনন্দনের বন্যায় ভেসে যাচ্ছেন ভারতের সোনার ছেলে।

নীরজের বর্শায় সোনার লক্ষ্যভেদ ভারতের

Neeraj chopra

নিউজ ডেস্ক: ১৩ বছরের অপেক্ষা। অভিনব বিন্দ্রার পর আবার ব্যক্তিগত ইভেন্টে সোনা জিতল ভারত। ১৩৩ কোটি ভারতবাসীর মুখে হাসি ফোটালেন নীরজ চোপড়া। শনিবার টোকিও অলিম্পিক্স থেকে দেশকে জ্যাভলিন থ্রো’তে সোনা এনে দিলেন নীরজ। এক অবিস্মরণীয় মুহূর্তের সাক্ষী থাকল দেশ। জীবনের প্রথম অলিম্পিক্সেই সোনা ছিনিয়ে নিলেন এই আর্মিম্যান। 

দুর্দান্ত দুই থ্রোয়ে অলিম্পিক্সের ইতিহাসে ভারতের সোনার খরা কাটিয়ে দিলেন এই অ্যাথলিট। অলিম্পিক্সের ইতিহাসে প্রথম ভারতীয় হিসেবে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডের কোনও ইভেন্টে পদক জিতলেন। শনিবার ফাইনালে দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় ৮৭.৫৮ মিটার জ্যাভলিন ছুঁড়ে পদক জিতলেন তিনি। এর আগে অ্যাথলেটিক্সে ভারত কোনও পদকই জেতেনি অলিম্পিক্সে। 

ফাইনালের শুরুতেই প্রথম রাউন্ডে নীরজ ছুঁড়েছিলেন ৮৭.০৩ মিটার, দ্বিতীয় রাউন্ডে নিজেকে ছাপিয়ে ছুড়লেন ৮৭.৫৮ মিটার। ফাইনালে প্রথম তিন প্রচেষ্টার পরেই ছিটকে তিনি ছিটকে জার্মানির জোহানেস ভেটার।

তেরঙা হাতে নীরজ।

ফলে নীরজের লড়াইটা মূলত ছিল চেক প্রজাতন্ত্রের দুই থ্রোয়ারের সঙ্গে। কিন্তু দু’জনেই শেষ দুটি থ্রোয়ে ফাউল করে বসেন। ফলে নিজের ষষ্ঠ থ্রোয়ের আগেই সোনা জিতে যান নীরজ।

এর আগে অলিম্পিক্সের মঞ্চে মিলখা সিংহ, পি টি ঊষা, অঞ্জু ববি জর্জ, বিকাশ গৌড়ার মতো ক্রীড়াবিদরা কাছে এসেও পদক জিততে পারেননি। ব্যক্তিগত ইভেন্টে একমাত্র সোনা ছিল অভিনব বিন্দ্রার কাছে। বিন্দ্রা ২০০৮ সালে বেজিং অলিম্পিক্সে শুটিংয়ে সোনা পান। ১৩ বছর পর ফের কেউ সেই নজির গড়লেন। তিনিও উচ্ছ্বসিত ভারতের নতুন সোনার ছেলের এই পারফরম্যান্সে।