বিশ্বকে প্রথম Happy New Year বলে প্রবাল দ্বীপ কিরিবাটি

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: হ্যাপি নিউ ইয়ার। নতুন বছরে সবাই ভাল থাকবেন। প্রশান্ত মহাসাগরের ছোট্ট দ্বীপ কিরিবাটি বাসিন্দারা একথা জানিয়ে দিলেন বিশ্ববাসীকে।

ভৌগোলিক কারণে লন্ডনের গ্রিনিচ মেন টাইম (GMT) থেকে ১৪ ঘন্টা এগিয়ে থাকা কিরিবাটি দ্বীপের কিরিটিমাটি শহরেই বিশ্বে প্রথম ক্যালেন্ডারের পাতা নতুন বছরে ঢুকে পড়ে। বদলে যায় সাল তারিখ।

নারকেল ফুল, ঝিনুক, প্রবাল দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানান কিরিটিমাটির বাসিন্দারা। এরপর ঘড়ির কাঁটা ধরে সময় এগিয়ে যাবে, আর তারসঙ্গে তাল মিলিয়ে বিভিন্ন দেশে পালিত হবে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পালা।

কেমন সে দেশ? সমুদ্র তরঙ্গে জীবন দেখা শচীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বন্দরে বন্দরে’ যারা পড়েছেন তাদের কাছে মনিমুক্তোর মতো ধরা আছে এই দ্বীপভূমির কথা। যারা অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলম জাদুতে মগ্ন, তারাও পেয়েছেন প্রশান্ত মহাসাগরীয় এমন দ্বীপভূমির অনেক কথা। এখানে সাগর ফেনিল জীবন আর প্রবাল রূপের ছটা। 

দ্বীপ দেশ কিরিবাটি। প্রশান্ত মহাসাগরের বিশাল বিশাল ঢেউ এই দ্বীপের উপকূলে এসে মিলিয়ে যায়। নির্ভয়ে কচ্ছপ আর বিরল সামুদ্রিক প্রাণীরা এখানে ঘুরে বেড়ায়।

এহেন দ্বীপ কিরিবাটির অন্যতম শহর কিরিটিমাটির বর্ষ বরণ কিন্তু ঢাকা পড়ে যায় সিডনি, নিউইয়র্ক, টোকিও, লন্ডনের রোশনাই জৌলুসে। তবে ভৌগোলিক কারণে, ছোট্ট দেশটি সবার আগে ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে দেওয়ার গৌরব অর্জন করে। প্রকৃতি দিয়েছে এই উপহার।হা

<

p style=”text-align: justify;”>জার আলোর, কর্পোরেট তামাশার কোনও ক্ষমতাই নেই কিরিবাটি দ্বীপের কিরিটিমাটি শহরের বর্ষবরণকে টেক্কা দেওয়ার।

Kolkata: বড়দিনের ভিড় থেকে শিক্ষা, বর্ষবরণের আগে আরও জোরদার নিরাপত্তা মেট্রোয়

Kolkata: Learning from the Christmas crowd, more tight security in the metro before the New Year

News Desk: বছর শেষে উৎসবের মরশুমে নিরাপত্তা যে বাড়ানো হবে তা আগেই জানিয়েছিল মেট্রো কর্তৃপক্ষ। তবে বড়দিনের উপচে পড়া ভিড় দেখে বর্ষবরণে নিরাপত্তা আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেট্রো।

মাঝে আর একদিন, তারপরেই নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দে মেতে উঠব শহরবাসী। এই পরিস্থিতিতে কোনোরকম বিপদ এড়াতে মেট্রো স্টেশন গুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, আগামীকাল থেকেই এসপ্ল্যানেড, পার্ক স্ট্রিট, ময়দান মেট্রো স্টেশনে আরও বেশি সংখ্যক আরপিএফে কর্মী মোতায়েন করা হবে। তৈরি করা হয়েছে ৫ টি ক্যুইক রেসপন্স টিম। কোনো বিপদের খবর পেলেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাবে। শিশু ও মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরপিএফের মহিলাদের একটি দল সকাল ১১ টা থেকে উৎসবের শেষ মূহুর্তে পর্যন্ত মেট্রো স্টেশনে নজরদারি চালাবে।

উল্লেখ্য, বর্ষবরণ উপলক্ষে মেট্রো সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি, ভিড়ের সমস্যা মেটাতে টিকিট কাউন্টারে পর্যাপ্ত সংখ্যায় স্মার্ট কার্ড এবং টোকেন মজুত রাখা হচ্ছে।

Omicron: বাবা ভাঙ্গের সতর্কবার্তা দুনিয়ায় নতুন মারণ ভাইরাস হামলা করবে

News Desk: ২০২০-র শুরু থেকেই করোনা ভাইরাস গোটা দুনিয়াকে ঘরবন্দি করে রেখেছে। ২০২১ সালেও সেই ছবিটা বদলায়নি। বরং বছরের শেষে এসে করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন (omicron) আরও আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গোটা বিশ্ববাসী আশা করেছিলেন, ২০২২ সালটা অন্তত ভাল কাটবে।

কিন্তু এরই মধ্যে গোটা দুনিয়ার কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ভাঙ্গেলিয়া পান্দেভা গুস্তেরভো ওরফে বাবা ভাঙ্গে (baba bhange) জানালেন, ২০২২ সালে এক নতুন প্রাণঘাতী ভাইরাস গোটা দুনিয়ায় ত্রাস ছড়াবে। ইতিমধ্যেই সাইবেরিয়ায় (sibaria) এই অচেনা ভাইরাসের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এমনকী, পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। একইসঙ্গে বাবা ভাঙ্গে জানিয়েছেন, আগামী বছর এশিয়ার (asia) একাধিক দেশে বড় মাপের বন্যা দেখা দেবে। বুলগেরিয়ার নাগরিক বাবা ভাঙ্গে জন্মান্ধ। দৃষ্টিহীন হলেও মনের চোখ দিয়েই তিনি ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নির্ভুল সতর্কবার্তা দিয়ে থাকেন।

২০০৪ সালে সুনামির সতর্কবার্তা তিনি আগেই দিয়েছিলেন। ২০০৩ সালেই বাবা ভাঙ্গে জানিয়েছিলেন, ২০০৪ সালে পৃথিবীর এক বিস্তীর্ণ অঞ্চল সুনামির আঘাতে বিপর্যস্ত হবে। তাঁর সেই সতর্কবার্তা অক্ষরে অক্ষরে মিলে গিয়েছিল। তাই ২০২২ নিয়ে বাবা ভাঙ্গের এই সতর্কবার্তা ইতিমধ্যেই বিশ্ববাসীর কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। সাইবেরিয়ায় যে অজানা ভাইরাসের সন্ধান গবেষকরা পেয়েছেন তা নিয়ে ইতিমধ্যেই তাঁরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই মনে করছেন এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে তা নিঃসন্দেহে প্রাণঘাতী হয়ে উঠবে। বাবা ভাঙ্গে সেই কথাই বলেছেন।

একইসঙ্গে বাবা ভাঙ্গে জানিয়েছেন, ২০২২ সালে বহু দেশে জল সঙ্কট দেখা দেবে। মানুষ যদি সচেতন না হয় তবে এই জল সংকটের মাত্রা ক্রমশই আরও বাড়বে। পাশাপাশি বাবা ভাঙ্গে ভারতের জন্য যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন তা আদৌ আশাব্যঞ্জক নয়। এই প্রবীণ ভবিষ্যতবক্তা জানিয়েছেন, আগামী দিনে ভারতে পঙ্গপালের হানার আশঙ্কা রয়েছে। পঙ্গপালের আক্রমণে ভারতের বিস্তীর্ণ জমির ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হবে। পঙ্গপালের আক্রমণ এতটাই চরম আকার ধারণ করবে যে, দেশের খাদ্য ভাণ্ডারে টান পড়তে পারে। স্বাভাবিকভাবেই খাদ্য সামগ্রীর অভাব দেখা দিলে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়বে।