Night Curfew: কারফিউয়ের কারণে বন্ধ রেস্তোরাঁ, হোটেল মালিককে খুন

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ইতিমধ্যেই দেশের প্রায় বেশিরভাগ রাজ্যেই জারি হয়েছে একাধিক বিধিনিষেধ। চলছে নাইট কারফিউ (Night Curfew) । নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর বন্ধ হয়ে গিয়েছিল একটি রেস্তোরাঁ। রেস্তোরাঁ (resturant) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এক ক্রেতা খারার কিনতে এলে তাঁকে খাবার দিতে অস্বীকার করেন ওই রেস্তোরাঁর মালিক। এ ঘটনায় প্রবল ক্ষুব্ধ ওই ক্রেতা গুলি করে খুন করল রেস্তারাঁ মালিককে। শনিবার রাতে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের (utterpradesh) নয়ডায়।

পুলিশ জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশে প্রতিদিন রাত ১১টা থেকে ভোট ৫টা পর্যন্ত নাইট কারফিউ জারি থাকছে। তাই নিয়ম মেনেই রাতে হোটেল বন্ধ করে দিয়েছিলেন কপিল (kapil)। প্রায় মাঝ রাতে দুই যুবক এসে ওই হোটেলে পরোটা খেতে চায়। কিন্তু হোটেল মালিক কপিল জানিয়ে দেন, এত রাতে পরোটা করে দেওয়া সম্ভব নয়।

বিষয়টি নিয়ে ওই দুই যুবকের সঙ্গে হোটেল মালিকের তুমুল তর্কাতর্কি চলে। শেষ পর্যন্ত হাল ছেড়ে দিয়ে ওই দুই যুবক চলে যায়। কিন্তু রাত সাড়ে তিনটে নাগাদ ওই দুই যুবক ফিরে আসে। ফের তারা ডেকে তোলে কপিলকে। এরপর এক যুবক আচমকাই কপিলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। সঙ্গে সঙ্গেই হোটেল মালিককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। তবে পুলিশ অভিযুক্ত দুই যুবক আকাশ ও যোগেন্দ্রকে গ্রেফতার করেছে। কেন তারা এভাবে কপিলকে খুন করল তা জানতে চলছে জেরা।

জেরায় ওই দুই যুবক জানিয়েছে, তারা কপিলের হোটেলে নিয়মিত খেতে আসত। কিন্তু দীর্ঘ দিনের পরিচয় সত্ত্বেও হোটেল মালিক তাদের খাবার না দেওয়ায় তারা প্রবল ক্ষুব্ধ হয়েছিল। সে কারণেই তারা কপিলকে খুন করেছে।

Delhi Night Curfew: আজ থেকে দিল্লিতে ফের নাইট কার্ফু

Covid 19: 6 thousand infected in one day in the country, 351 deaths in Corona

নিউজ ডেস্ক: বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। দিল্লিতে আজ থেকে ফের নাইট কার্ফু (night curfew) জারির সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন। রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত জারি থাকবে নিয়ন্ত্রণ বিধি।

গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে ২৯০ জন করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। ১০ জুনের পর রাজধানীতে এই সংখ্যা একদিনে সর্বাধিক। এই মুহূর্তে সেখানে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ১১০৩। গত ২৪ ঘণ্টায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে দিল্লিতে মোট মৃতের সংখ্যা ২৫,১০৫।

এদিকে ওমিক্রন নিয়ে আশার কথা শুনিয়েছেন দিল্লির লোক নায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালের এমডি তথা চিকিৎসক সুরেশ কুমার(Suresh Kumar)। তাঁর মতে, নতুন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তদের অক্সিজেন সাপোর্ট, স্টেরয়েড, রেমডিসিভির বা ভেন্টিলেটরের প্রয়োজন পড়ছে না। এক সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থাকে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে যে সব রোগী আসছেন, তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই উপসর্গহীন বা অল্প উপসর্গযুক্ত। সব রোগীই সেরে উঠছেন। একজন রোগীরও অক্সিজেন সাপোর্ট, স্টেরয়েড, রেমডিসিভির বা ভেন্টিলেটরের প্রয়োজন পড়েনি।‘

তিনি জানান, এখনও ‘পর্যন্ত এলএনজিপি হাসপাতালে এসেছেন ৫১ জন ওমিক্রন আক্রান্ত। যার মধ্যে ৪০ জনই সুস্থ হয়ে গেছেন। তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এখন ১১ জনের চিকিৎসা চলছে। আজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে ওমিক্রনে আক্রান্ত সন্দেহে আরও ১০ জন এসেছেন। আমরা তাঁদের নমুনা জিনোমিক সিক্যুয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠিয়েছি। এদিকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে ৪২২ জন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হয়েছেন। 

তবে এবার মধ্যপ্রদেশ ও হিমাচলপ্রদেশেও ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ মিলল। এই নিয়ে দেশের ১৯টি রাজ্যে ওমিক্রন সংক্রমণ ছড়াল।