Japan: কিমের মিসাইল উড়ে আসছে দেখে কুঁকড়ে গেল জাপান

ballistic missile kim

নিউজ ডেস্ক: কিম ছুঁড়েছে মিসাইল। মনের আনন্দে তার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চলছে। উত্তর কোরিয়ার সর্ববময় শাসকের নির্দেশে সেই ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে এসে পড়ছে জাপানের সমুদ্র সীমান্তে। জাপানি জনগণ আতঙ্কিত।কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে উঠেছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, কোরীয় উপদ্বীপের চলতে থাকা উত্তেজনা কমাতে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিওলে বৈঠক হবে। এতে অংশ নিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা প্রধানরা। বৈঠকের আগেই উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে আসতে শুরু করেছে।

আলজাজিরা জানাচ্ছে পরপর ক্ষেপণাস্ত্র চালাতে শুরু করেছে উত্তর কোরিয়া। জাপান টাইমসের খবর,  ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার উৎসবে মেতেছে উত্তর কোরিয়া। গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন কিম জং উন।

বিবিসি জানাচ্ছে, ক্রুজ মিসাইল থেকে শুরু করে হাইপারসনিক মিসাইল, বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের পর এবার ফের সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল উত্তর কোরিয়া।

উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ  এই ছবি প্রকাশ করেছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত প্রধান সাবমেরিন ঘাঁটি থেকে ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৬০ কিলোমিটার উচ্চতায় উঠে, সাড়ে ৪০০ কিলোমিটার দূরে জাপান সাগরে গিয়ে পড়ে।

কিম জং উন সম্প্রতি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় বিশেষ মনোযোগী। তাঁর এই ভূমিকায় চিন্তিত বন্ধু দেশ চিন।পর পর ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় আঞ্চলিক নিরাপত্তায় পিয়ংইয়ংকে সংযত হতে আহ্বান জানিয়েছে বেজিং। চিন সরকার জানায়, উত্তর কোরিয়ার ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি জটিল আকার ধারন করছে।

অন্যদিকে জাপানে তীব্র শোরগোল। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাপান সরকার তাদের নৌবাহিনীকে সতর্ক থাকতে বলেছে। জাপানের সমুদ্র সীমায় উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র এসে পড়ায় টোকিও প্রবল প্রতিবাদ জানায়।

Nuclear Bomb: মিলছে না হিসেব! আমেরিকার পরমাণু বোমার সংখ্যা দেখে রেগে আগুন কিম

North Korean leader Kim Jong Un

নিউজ ডেস্ক: অবিশ্বাস্য! এ যেন কল্পনারও অতীত। যে পরিমাণ পরমাণু বোমার (nuclear bomb) তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাতে বিশ্ব জুড়ে হইহই। মস্কোতে পুতিন, তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই, বেজিংয়ে জিনপিং কেউই বিশ্বাস করতে পারছেন না। সব থেকে বড় ব্যাপার পিয়ংইয়ংয়ে কিম জং উন রেগে আগুন।

মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের তথ্য নিয়ে সংবাদ সংস্থা এপি জানাচ্ছে, ওয়াশিংটনের হাতে আছে মাত্র ৭৫০টি পরমাণু বোমা। এত কম! এই তথ্য অবিশ্বাস্য লাগছে ওয়াশিংটনের প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিয়া, চিন, ইরান ও উত্তর কোরিয়ার শাসকের কাছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ মন্ত্রকের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৩ সালে পরমাণু বোমার সংখ্যা ছিল ১০ হাজারের বেশি। প্রশ্ন এখানেই। কোথায় গেল বাকি সব পরমাণু বোমা ? এই বিশাল অস্ত্রভাণ্ডার যে ওয়াশিংটন নিষ্ক্রিয় করেছে তা মানতে নারাজ প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলি।

এপি জানাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর সংগ্রহে সবচেয়ে বেশি পারমানবিক বোমা ছিল১৯৬৭ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে শীতল যুদ্ধের সময়। ওই বছর মোট পরমাণু বোমার সংখ্যা ছিল ৩১ হাজার ২৫৫টি। ১৯৮৯ সালে ২২ হাজার ২১৭টি পরমাণু অস্ত্র ছিল বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু বোমার সংখ্যা কমিয়ে আনছে বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে। তাতে অবস্য চিঁড়ে ভেজেনি এতটুকু। ওয়াশিংটন দাবি করছে স্বচ্ছ তথ্য। প্রতিদ্বন্দ্বীরা বলছে মানা কঠিন।

সরে যাচ্ছেন কিম? চরম আগ্রাসী বোনকে সর্বোচ্চ দায়িত্ব

Kim jong un sister Kim Yo jong

নিউজ ডেস্ক: এমনিতেই ওয়ার্কাস পার্টি সংগঠনের পলিট ব্যুরো সদস্য। তায় আবার শাসক কিম জং উনের বোন ও বিশেষ উপদেষ্টা। ফলে ক্ষমতার একেবারে কাছাকাছি কিম ইও জং। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার হাল ধরতে হলে যে বিশেষ গুণটি দরকারি অর্থাৎ আগ্রাসী মনোভাব সেটি বিস্তর আছে। সবমিলে বোনকেই নিজের উত্তরসূরী হিসেবে আরও খানিকটা এগিয়ে আনলেন কিম জং উন।

উত্তর কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানাচ্ছে, কিম ইও জং এখন সরকারের নীতি নির্ধারণ কমিটির নতুন সদস্য। বিবিসি, রয়টার্স সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার খবর, অচিরেই নীতি নির্ধারণ কমিটির রাস টেনে নেবেন কিম ইও। বছর ৩৪ এর ইও পারিবারিক দিক থেকে দেশের একছত্র শাসক কিম পরিবারের সরাসরি সদস্য।

Kim jong un sister Kim Yo jong

বোনকে সরকারি নীতি নির্ধারণ কমিটির সদস্য করার পর থেকেই বিশ্ব জুড়ে ফের গুঞ্জন, উত্তর কোরিয়া সরকারের প্রধান কিম জং উন দায়িত্ব ছাড়বেন। তিনি বোন ইও-কেই ক্ষমতায় দেখতে চান। কেসিএনএ জানিয়েছে, কিম ইয়ো জং এখন স্টেট অ্যাফেয়ার্স কমিশনের (এসএসি) সদস্য হয়েছেন। এই কমিশনের প্রধান তার ভাই। এসএসি সদস্য হওয়া তার সর্বোচ্চ রাজনৈতিক অবস্থান।

কিমের নির্দেশে সরকারি নীতি নির্ধারণ কমিটির নতুন সাত জনকে যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে কিম ইয়ো জং একমাত্র নারী। ন’জন সদস্যকে অবসর নিতে বাধ্য করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন গত এক দশক ধরে কিম জং উনের অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারকের দায়িত্বে থাকা ৮২ বছর বয়সী প্যাক পং জু।

North Korea: কিমের ছোঁড়া মিসাইলে সকালেই কেঁপে গেল পূর্ব এশিয়া

north Korea fires another missile

নিউজ ডেস্ক: সময় বলছে তখনও ভোরের আলো ফোটেনি। তার মধ্যেই হাউই বাজির মতো এক ক্ষেপনাস্ত্র ছুঁড়ে দিল উত্তর কোরিয়া (North Korea) সরকার। স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের চোটে পূর্ব এশিয়া জুড়ে হই হই কাণ্ড।

দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের দাবি, শান্তিপূর্ণ আলোচনার যে ক্ষেত্র ফের তৈরি হচ্ছে তাতে বিঘ্ন ঘটাবে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ। উত্তর কোরিয়া সরকীর তাদের পূর্বাঞ্চলীয় উপকূল বরাবর সমুদ্রে সেই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উনের সরকার জানিয়েছে, আত্মরক্ষার খাতিরে পিয়ংইংয়ের অস্ত্র পরীক্ষার অধিকার কেউ অস্বীকার করতে পারে না। চলতি মাসের গোড়ার দিকে পিয়ংইয়ং ব্যালিস্টিক এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে।

বিবিসি জানাচ্ছে,দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন তাঁর দেশের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলকে নির্দেশ দিয়েছেন, সর্বশেষ এই ক্ষেপণাস্ত্রের বিষয়ে রিপোর্ট তৈরি করতে।

সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং জানান, সময় এসেছে দুই দেশের মধ্যে শান্তিপূর্ণ অবস্থানের। তবে এর আগেও দুই দেশ একাধিকবার পদক্ষেপ নেয়। সীমান্তের শূন্য রেখায় কিমের সঙ্গে বৈঠক করেন দক্ষিণ কেরিয়ার প্রেসিডেন্ট। তার আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে সিঙ্গাপুরে ঐতিহাসিক বৈঠক করেন কিম।

উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে প্রবল চিন্তিত জাপান। কারণ সবকটি ক্ষেপনাস্ত্রের পাল্লায় রয়েছে এই দেশ। কিমের পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় পড়ে যাওয়ায় চিন্তিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।