Maldah: সুজাপুরে আইন কলেজ তৈরির জন্য জমি অধিগ্রহণের বিজ্ঞপ্তি জারি রাজ্যের

Bangla Pokkho

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: বেশ কয়েক বছর ধরেই মালদা (Maldah) জেলায় একটি আইন কলেজ (law college) তৈরির দাবি জানিয়ে আসছিল সাধারণ মানুষ। আমজনতার সেই দাবি আদায় করতে আন্দোলনে সামিল হয়েছিল বাংলা পক্ষ (Bangla Pokkho)। শেষ পর্যন্ত বাংলা পক্ষের প্রবল আন্দোলনের চাপে মালদহের সুজাপুরে (sujapur) আইন কলেজ তৈরির জন্য জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করতে চেয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার।

বাংলা পক্ষের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সরকারের আইন কলেজ তৈরির এই দাবি মেনে নেওয়া অবশ্যই অভিনন্দনযোগ্য। সুজাপুরের মানুষের কাছে এটি একটি বড় পাওনা। তবে যতক্ষণ না আইন কলেজ তৈরি হচ্ছে ততক্ষণ নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। কারণ এর আগেও সুজাপুরে কলেজ তৈরির কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু জমি নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হলেও শেষ পর্যন্ত কলেজ গড়ে ওঠেনি। তবে আশা করা যায়, এবার আর তেমনটা হবে না।

Bangla Pokkho

বাংলা পক্ষের তরফ থেকে আরও বলা হয়েছে, সুজাপুরে আইন কলেজ তৈরি হলে শুধু যে এলাকার ছাত্রছাত্রীরা উপকৃত হবে তা নয়। উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলা থেকেও ছাত্র-ছাত্রীরা পড়তে আসবে। যা সুজাপুরের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সহায়ক হবে। তবে বাংলা পক্ষ এখনই তাদের লড়াই থেকে সরে আসছে না। আইন কলেজের পাশাপাশি সুজাপুরে একটি ডিগ্রী কলেজ তৈরির দাবিও জানিয়েছে বাংলা পক্ষ। সুজাপুরের সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা যাতে বিএ, বিএসসি এবং বিকম পড়ার সুবিধা পায় সে জন্যই এই কলেজ তৈরির দাবি তুলেছে বাংলা পক্ষ।

সংগঠনের দাবি, এই মুহূর্তে যদি আলাদা করে কলেজ তৈরির সামর্থ্য সরকারের না থাকে তাহলে আইন কলেজের পরিকাঠামো ব্যবহার করেই এই ডিগ্রী কলেজ চালানো সম্ভব। সে ক্ষেত্রে আইন কলেজের মধ্যেই প্রাতঃকালীন বিভাগ বা সান্ধ্যকালীন বিভাগে ডিগ্রী কলেজ চলতে পারে। আগামী দিনে সুজাপুরে ডিগ্রী কলেজ তৈরির জন্য বাংলা পক্ষ আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ: দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন চাকরির সুযোগ

job DVC

অনলাইন ডেস্ক: আংশিক সময়ের আরোগ্য পরিচারক পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল দামোদর ভ্যালী কর্পোরেশন (ডিভিসি) । প্রাথমিকভাবে এক বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করার কথা জানিয়েছে ডিভিসি. যদিও কর্মমেয়াদ পরবর্তীকালে তিন বছর পর্যন্ত বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। কর্মমেয়াদ বৃদ্ধি সংক্রান্ত পর্যালোচনা করা হতে পারে প্রার্থীর এক বছরের কর্মক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে। 

পদপ্রার্থীর যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.বি.বি.এস. ডিগ্রি ও কমপক্ষে এক বছরের পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকা প্রয়োজন। এম.সি. আই. বা যেকোনো মেডিক্যাল কাউন্সিল অনুমোদিত মেডিক্যাল রেজিস্ট্রেশনের মানপত্র থাকা বাধ্যামূলক বলেও দাবি করা হয় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে। স র্বাধিক ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত প্রার্থীরা আবেদন জানাতে পারবেন উল্লেখ্য পদে।

নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি কেবল ঝাড়খণ্ডের রামগড় শাখা দপ্তরের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য বলে জানানো হয়েছে। ডিভিসির বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, নিয়োগের পর কর্মীকে সপ্তাহে অন্তত তিনদিন শাখাদপ্তরে উপস্থিত থাকতে হবে এবং কমপক্ষে চার ঘণ্টা প্রতিদিনের চুক্তিতে কাজ করতে হবে। যদিও চূড়ান্ত কর্মঘন্টার বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হতে পারে বলে উল্লেখিত প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে। নির্বাচিত প্রার্থীকে প্রতিমাসে একত্রীকৃত ১০ হাজার টাকা প্রদানের কথাও জানানো হয়েছে ডিভিসির পক্ষ থেকে। নির্বাচিত প্রার্থীকে সমস্ত জরুরীকালিন রোগীদের সুস্রশার কাজে নিযুক্ত থাকতে হবে। নির্বাচিত প্রার্থী প্রয়োজনে রোগীকে নিকটবর্তী ডিভিসি হাসপাতাল কিংবা চিকিৎসালয়ে সুপারিশ করে দিতে পারেন।

আগ্রহী প্রার্থীকে আবেদন জানাতে হবে রামগড় শাখা দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক ইঞ্জিনিয়ারের কাছে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ১৪ দিনের মধ্যে আগ্রহীদের আবেদন জানাতে হবে বলে জানানো হয় ডিভিসির তরফ থেকে। গঠিত বিশেষ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী বাছাই প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে। বাছাই প্রক্রিয়ার সময় প্রার্থীর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল্যায়ন করা হবে। উল্লেখ্য, গত ২৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয় এই বিজ্ঞপ্তি ডিভিসির দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির সাথে সংযুক্ত আবেদনপত্রের সাহায্যে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আবেদন জানাতে পারবেন আগ্রহীরা।