বাংলা পক্ষ বড় সাফল্য! বাংলা পক্ষর আন্দোলনে পোস্ট অফিসে বাংলা ভাষায় পরিষেবা পাওয়া যাবে

Bengali side great success! Services in Bengali will be available at the post office in the Bengali side movement

News Desk: বাংলা পক্ষ পশ্চিম বর্ধমান জেলার লড়াইয়ের ফলে বড়ো সাফল্য এল। পোস্ট অফিসে বাংলা ভাষায় পরিষেবা পাওয়া যাবে। বাংলা পক্ষ কিছুদিন আগেই আসানসোল ও রানীগঞ্জ পোস্ট অফিসে ডেপুটেশন জমা দেয়। আজ পোস্ট বিভাগ বাংলায় পরিষেবা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে রানীগঞ্জ শাখার সম্পাদক দীপায়ন মুখার্জী, আসানসোল উত্তর শাখার সম্পাদক ঋষিক গাঙ্গুলি এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলা সম্পাদক অক্ষয় বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাংলা পক্ষ সমস্ত ব্যাংক, পোস্ট অফিস এবং বীমা পরিষেবায় বাংলা চাই, এই দাবিতে লড়াই চলছে বাংলা জুড়ে। বাংলা পক্ষর পশ্চিম বর্ধমান জেলার এই সাফল্য, পুরো বাংলা পক্ষ সংগঠনকে আরও উজ্জীবিত করবে লড়াইয়ের ময়দানে।
জয় বাংলা

Paschim Bardhaman: কলকাতায় দ্বিতীয় হয়ে দুর্গাপুরে গা গরম করল CPIM

CPM

News Desk: মাত্র ২৪ ঘন্টার ব্যবধান। কলকাতা পুর নিগমের ভোটে দ্বিতীয় হয়ে এবার গরম শুরু করে দিল বামেরা। সামনেই দুর্গাপুর পুরনিগমের ভোট। আচমকা তেড়েফুঁড়ে নেমে উঠতে দেখা গেল সিপিআইএমকে। পশ্চিম বর্ধমান জেলায় হাওয়া গরম।

বুধবার দুর্গাপুর পুরনিগমে ১৮ দফা দাবি নিয়ে সিপিআইএমের ডেপুটেশন দেওয়ার পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি ছিল। মিছিল পুরসভার সামনে আসতেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় বাম সমর্থকদের

সিপিআইএমের সমর্থকরা পুরসভায় ঢুকতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ধস্তাধস্তির মধ্যে পড়ে ট্রাফিক পুলিশের এক আধিকারিক জখম হন। সিপিআইএমের ৬ জন জখম হয়েছেন বলে দাবি করেছেন দলের নেতা পঙ্কজ রায় সরকার।

সিপিআইএমের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে দুর্গাপুর শহরের নাগরিক পরিষেবা ভেঙে পড়েছে। মানুষ চরম সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। সেজন্য তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন। এদিনও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তাঁরা আন্দোলন করছিলেন। অভিযোগ, পুলিশ তৃণমূলের ইন্ধনে কর্মসূচি বানচাল করার চেষ্টা করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, জোর করে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন মিছিলকারীরা। তাদের বাধা দেওয়া হয়। পুরসভার মেয়র পারিষদ (সড়ক) ও তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অমিতাভ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কেউ চায় না সিপিএমকে। অথচ ওরা নির্লজ্জের মতো আন্দোলন করতে আসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পুলিশের গায়ে হাত তোলে ওরা। নিন্দার ভাষা নেই।’’

কলকাতা পুরনিগমের ভোটে আচমকা বাম উত্থান নিয়ে রাজ্য সরগরম। বিরোধী দল বিজেপি নেমেছে তিন নম্বরে। তাৎপর্যপূর্ণ, ভোটের নিরিখে বামফ্রন্ট উঠে এসেছে দু নম্বরে। ভোট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কলকাতার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বামফ্রন্ট এখন প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায়। বিজেপি প্রান্তিক দল হবে অচিরেই।

<

p style=”text-align: justify;”>কলকাতার পর বাকি পুরনগিমের ভোট আসছে। পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুর ও আসানসোল দুটি পুরনিগমেই তৃণমূল কংগ্রেস শক্তিশালী। বিজেপি শক্তিহীন হওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে মূল লড়াই হতে চলেছে সিপিআইএমের।

Uttarakhand: খাদে গাড়ি পড়ে মৃত ৫ বাঙালি পর্যটক, আহতরা আশঙ্কাজনক

Uttarakhand Accident

News desk: উত্তরাখণ্ড থেকে এসেছে ফের দুঃসংবাদ। এবার দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলো পশ্চিমবঙ্গের ৫ পর্যটকের। মৃতরা সবাই পশ্চিম বর্ধমান জেলার বাসিন্দা। জখম হয়েছেন আরও ৭ জন। অনেকেই আশঙ্কাজনক। মৃতরা দুর্গাপুর, আসানসোল ও রানিগঞ্জের বাসিন্দা।

হিমালয়ে দুর্যোগের কারনে গত কয়েকদিন ধরে বারবার উত্তরাখণ্ড থেকে এসেছে পর্বতারোহীদের মৃত্যুর সংবাদ। কমপক্ষে ১১ জন বাঙালি পর্বতারোহী মারা গেছেন। আরও কয়েকজন নিখোঁজ। এর মাঝে এসেছে দুর্ঘটনায় মৃত সাধারণ বাঙালি পর্যটকদের খবর।

উত্তরাখণ্ড সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বুধবার পিথোরাগড় জেলার মুন্সিয়ারি থেকে পর্যটকদের নিয়ে একটি গাড়ি কৌশানি যাচ্ছিল। কাপকোটের শামা এলাকায় জাসরৌলিতে পর্যটক ভর্তি আরেকটি গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। একটি গাড়ি ছিটকে গভীর খাদে গড়িয়ে পড়ে। অন্য গাড়িটি রাস্তার উপরেই উল্টে যায়।

খাদে পড়ে ওই গাড়িতে ১২ জন যাত্রী ছিলেন। এদের মধ্যে ৫ জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। ৭ জন চিকিৎসাধীন। যার মধ্যে দুজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। মৃত পাঁচজনের মধ্যে তিনজন দুর্গাপুর ও দু’জন আসানসোল রানিগঞ্জের বাসিন্দা। তাঁদের নাম সুব্রত ভট্টাচার্য, কিশোর ঘটক চন্দনা খান, শ্রাবনী চক্রবর্তী ও রুনা ভটচার্য।

জানা গিয়েছে, আসানসোল ও রানিগঞ্জ এলাকা থেকে ৩০ জনের একটি দল উত্তরাখণ্ডের কৌশানি গিয়েছিলেন। চলতি মাসের ২১ তারিখে ওই পর্যটক দলটি রওনা হয়েছিল।

Durgapur: রাতে বাড়ল DVC জল ছাড়ার পরিমাণ, সকালে জলমগ্ন পরিস্থিতি

DVC Durgapur

নিউজ ডেস্ক: বন্যা বন্দি হওয়ার আশঙ্কা দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। বিশেষত বাঁকুড়া, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া। নিম্নচাপের অতি বৃষ্টিতে দুর্গা পুজোর আগেই বন্যার আশঙ্কা। তবে আশার কথা নিম্নচাপ কাটছে। কিন্তু ঝাড়খন্ডে বৃষ্টির কারণে দামোদর-অজয় উপত্যকা এলাকার সব নদ নদী এখন ফুলতে শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবারেই অজয়ের ভয়ঙ্কর রূপ দেখা গিয়েছে বীরভূম ও পূর্ব বর্ধমানের বিস্তির্ন এলাকায়। অন্যদিকে বাঁকুড়ায় নজিরবিহীন বৃষ্টির জেরে গন্ধেশ্বরী, কংসাবতী, দারকেশ্বর দু কুল ছাপিয়ে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি করেছে। পশ্চিম বর্ধমানে বরাকর, দামোদর নদের জলস্তর বেড়েছে।

Flood situation in south bengal

এদিকে ধারণ ক্ষমতার বেশি পরিমাণ জল জমা হওয়ায় বৃহস্পতিবার রাতে ডিভিসির (DVC) দুর্গাপুর (Durgapur) ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত জল ছাড়া হয় ২,২১,১৮৬ কিউসেক। রাত দশটার পর তা বাড়িয়ে করা হয় ২,৩১,২৪৮ কিউসেক। ডিভিসি জল ছাড়া বাড়িয়ে দিতেই দক্ষিণবঙ্গের দামোদর সংলগ্ন জেলাগুলিতে জলমগ্ন পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কা থাকছে।

Flood situation in south bengal

ডিভিসির অতিরিক্ত জল শুক্রবার দামোদর হয়ে পূর্ব বর্ধমান থেকে হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুর পৌঁছাবে। এই জলেই প্লাবিত হতে পারে উদয়নারায়ণপুর ও আমতা-২ ব্লকের শতাধিক গ্রাম। আর তাই আগে থেকেই প্রশাসন সতর্ক।বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই শুরু হয়েছে প্রশাসনিক তৎপরতা।

দামোদর তীরবর্তী এলাকাগুলি যেমন প্নাবিত হওয়ার আশঙ্কা, তেমনই অজয়-ময়ুরাক্ষী তীরের বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের বিভিম্ন এলাকায় আতঙ্ক। হুগলির বহু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হবে বলেই প্রশাসনের চিন্তা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ত্রাণ ও উদ্ধারকারী দলকে প্রস্তুত করা হয়েছে।

জলপাইগুড়ি জ্বর: এবার দক্ষিণমুখী, দুর্গাপুরে বহু শিশু আক্রান্ত

Unknown fever bengal

নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ ছাড়িয়ে এবার জলপাইগুড়ির অজানা জ্বরের গতি দক্ষিণবঙ্গে। পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে কমপক্ষে ৪২ জন শিশু আক্রান্ত। তাদের চিকিৎসা চলছে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে।

হাসপাতালের সুপার ধীমান মন্ডল জানিয়েছেন, শিশুদের ওয়ার্ডে মোট ৫৫ টি বেডের মধ্যে ৪২ টি ভর্তি। জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের সর্দি, কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা রয়েছে। তবে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।

অজানা জ্বর জলপাইগুড়ি, কোচবিহারের পর এবার উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও ছড়াচ্ছে। এবার হামলা উত্তর দিনাজপুরে। রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইতিমধ্যেই ১৫ জন শিশু জ্বর সহ অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে ভর্তি। কী কারণে জ্বর জানা যায়নি। হু হু করে ছড়াচ্ছে জলপাইগুড়ি জ্বরাতঙ্ক।

রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে খবর, ১৫-১৬ জন শিশু এখনও চিকিৎসাধীন। মনে করা হচ্ছে ভাইরাল নিউমোনিয়া ফিভার ছড়িয়েছে। রায়গঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসা পর্যাপ্ত বলেই জানানো হয়েছে।

গত এক সপ্তাহ ধরে এই সংক্রামক অজানা জ্বর জলপাইগুড়িতে হামলা করছে। চিকিৎসকরা থই পাচ্ছেন না। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শতাধিক শিশু চিকিৎসাধীন। অনেকের শ্বাসকষ্ট উপসর্গ আছে। ফলে করোনার কিছু লক্ষণের সঙ্গে মিল থাকলেও এটি করোনা সংক্রমণ নয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
জলপাইগুড়ি ছাড়িয়ে কোচবিহার ও শিলিগুড়িতেও শিশুরা এই অজানা জ্বরের কবলে। আশঙ্কা উত্তরবঙ্গের রাজধানী শিলিগুড়িতে এই জ্বর ছড়াতে শুরু করলে, পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হবে। রোগীর দেহের নমুনা নিয়ে কলকাতায় পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্টের অপেক্ষায় চিকিৎসকরা।

করোনা এখনও যায়নি। সংক্রমণ কমলেও আছে চারপাশেই। আসন্ন শারদোৎসবের আগে করোনার দোসর হয়ে এসেছে এক অজানা জ্বর। সেই জ্বরে শয়ে শয়ে শিশু আক্রান্ত। জলপাইগুড়ি কাঁপছে জ্বরে। উত্তরবঙ্গ জুড়ে ভয়, কারণ জ্বর ছড়িয়েছে কোচবিহারেও। শিশু মৃত্যুর খবরে আতঙ্ক বাড়ছে।
অভিযোগ, করোনা পরিস্থিতিতে উপনির্বাচন নিয়ে রাজ্য সরকার যতটা চিন্তিত, তার কণামাত্র নেই অজানা জ্বরের প্রকোপ নিয়ে। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকদের একাংশ ক্ষুব্ধ। জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালেও ক্ষোভ ছড়িয়েছে। কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ এই অজানা জ্বরের দ্বিতীয় কেন্দ্র।
দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ির সঙ্গে পুরো উত্তর পূর্বাঞ্চলের ৮টি রাজ্য ও দেশের বাকি অংশের অনবরত যোগাযোগ। তেমনি উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলার মূল যাতায়াত কেন্দ্র। শিলিগুড়িতে অজানা জ্বর ছড়ালে এর প্রভাব আরও চিন্তার বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।