Omicron: প্রধানমন্ত্রকে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বন্ধের অনুরোধ কেজরির

Arvind Kejriwal urges PM Modi to ban flights from affected countries

New Delhi: মাত্র ২৪ ঘন্টা আগে কেন্দ্রীয় সরকার আন্তর্জাতিক উড়ান (international flight) পরিষেবার চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) অবিলম্বে আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ জানালেন দিল্লির (Delhi) মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Aravind Kejriwal)। মুখ্যমন্ত্রী এদিন প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি জানান, যে সমস্ত দেশে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের (Omicron) খোঁজ মিলেছে সেই সমস্ত দেশের সঙ্গে বিমান চলাচল শুরু করার কথা ভাববেন না।

উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহেই দক্ষিণ আফ্রিকায় নতুন ভ্যারিয়েন্ট বি ১.১.৫২৯ বা ‘ওমিক্রন’ ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ মিলেছে। এই ভ্যারিয়েন্ট অতি মারাত্মক। কারণ টিকাও এই ভ্যারিয়েন্টের কাছে কোনও কাজে আসছে না। সে কারণেই বিশ্বের প্রায় সব দেশেই নতুন করে ওমিক্রন আতঙ্কে ভুগছে। কিভাবে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের মোকাবিলা করা হবে তা নিয়ে আলোচনা করতে জরুরি বৈঠক ডেকেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

অনেকেই মনে করছেন, ওমিক্রনের জেরে বিশ্বের অর্থনীতিতে বড় মাপের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। শনিবার সকালে কেজরিওয়াল এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে টুইট করেন, মোদিজির কাছে আমার অনুরোধ, যে সমস্ত দেশে করোনার নতুন স্ট্রেনের খোঁজ মিলেছে সেই সমস্ত দেশ থেকে কোনও বিমানকে যেন ভারতে আসার অনুমতি দেওয়া না হয়। আপনি ভালই জানেন, বহু কষ্টে এবং অনেক সর্তকতা অবলম্বন করে তবেই আমরা করোনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে পেরেছি। তাই আমাদের আরও সতর্ক হতে হবে। নতুন ভ্যারিয়েন্ট যাতে কোনওভাবেই ভারতে প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

কেজরিওয়াল আরও জানিয়েছেন, করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করতে সোমবার তিনি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক করবেন। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট থেকে কী ধরনের বিপদ হতে পারে তা নিয়েই তিনি আলোচনা করবেন। একই সঙ্গে এই ভ্যারিয়েন্ট থেকে রক্ষা পেতে কী করা দরকার সে বিষয়েও পরামর্শ চাইবেন বিশেষজ্ঞদের। রাজধানীকে কিভাবে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের এর হাত থেকে বাঁচানো যায় সে ব্যাপারেও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ জানতে চাইছেন কেজরিওয়াল।

কৃষি আইন বাতিল: মোদীকে যোগ্য রাষ্ট্রনায়ক বলে উল্লেখ শাহের

Modi with amit

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: কৃষকদের প্রবল আন্দোলনের চাপে নতজানু হয়ে শেষ পর্যন্ত তিন কৃষি আইন বাতিলের কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (narendra modi)। মোদির এই সিদ্ধান্তকে যথারীতি স্বাগত জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ(amit Shah )। শাহকে রাজনীতিতে সকলেই মোদির ডান হাত বলে চেনে। তাই আইন বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে শাহ মোদির মধ্যে একজন যোগ্য রাষ্ট্রনায়ককে খুঁজে পেয়েছেন।

রাজনৈতিক মহলে অমিত শাহ কার্যত মোদির মোসাহেব বলেই পরিচিত। সে কারণেই কৃষি আইন বাতিলের সিদ্ধান্তকে এক দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ বলেছেন তিনি। শাহ এদিন টুইট করেন, কৃষকদের (farmer) স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রী যে কোনও ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত। সে কারণেই তিনি কৃষি আইন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অসাধারণ এক রাষ্ট্রনায়কদের পরিচয় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

modi farm laws withdrawal announcement

শাহর এই টুইট বার্তায় এটা স্পষ্ট যে কৃষি আইন প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্তকে তিনিও সর্বতোভাবে সমর্থন করছেন। কৃষি আইন বাতিলের (cancell) জন্য মোদিকে অভিনন্দন জানাতে গিয়ে অমিত শাহ অনেক কথাই বলেছেন। বেশিরভাগ কথাই মোদিকে তোল্লা দেওয়া ছাড়া আর কিছুই নয় বলে রাজনৈতিক মহলের অনুমান। শাহ বলেন, গুরু পরবের মতো একটি শুভ দিনেই প্রধানমন্ত্রী কৃষি আইন বাতিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ এক সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন। এখানে তাঁর চিন্তা-ভাবনার অভিনবত্ব। এখানেই নরেন্দ্র মোদি অন্যদের থেকে আলাদা। মোদির এই সিদ্ধান্তে এটা স্পষ্ট যে, প্রধানমন্ত্রী কৃষকের উন্নতি ছাড়া আর কিছুই ভাবেন না। প্রকৃতই যোগ্য রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে আজ এক অনন্য নজির গড়লেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিন কৃষি আইন তৈরি করেছিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। ওই আইন পাস হওয়ার পরই তীব্র প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু করেছিলেন কৃষকরা। দীর্ঘ এক বছর পথে নেমে তাঁরা আন্দোলন করে যাচ্ছিলেন। কৃষকদের এই প্রতিবাদ আন্দোলন যে ভুল ছিল না তা ইতিমধ্যেই প্রমাণ হয়েছে। গত এক বছরের মধ্যে প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেশ কয়েক গুণ বেড়েছে। যা চরম সমস্যায় ফেলেছে গোটা দেশের মানুষকে। ইতিমধ্যেই ১৩ টি রাজ্যের বিধানসভা ও লোকসভা উপনির্বাচনের তার ফলও পেয়েছে বিজেপি।

যদিও প্রথম থেকেই মোদি সরকারের দাবি ছিল কৃষক ও দেশের মানুষের উন্নয়ন করতেই তারা এই আইন করেছে। কিন্তু বাস্তব যে ভিন্ন কথা বলছে সেটা বুঝিয়ে দিয়েছেন দেশবাসী তথা কৃষকরা। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ-সহ প্রতিটি রাজ্যের কৃষকরা কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে পথে নেমেছেন। শেষ পর্যন্ত কৃষকদের কাছে হাঁটু মুড়ে বসতে হল মোদিকে।

অমিত শাহর এদিনের মন্তব্য সম্পর্কে রাজনৈতিক মহল মুখ খুলেছে। রাজনৈতিক মহলের দাবি, অমিত শাহ মোদিকে কেন্দ্র করে রাজনীতি করেন। আলাদাভাবে কিছু করে ওঠার মত ক্ষমতা তাঁর নেই। চলতি বছরে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচনেই প্রমাণ হয়ে গিয়েছে অমিত শাহ কী করতে পারেন। তাই মোদিকে সমর্থন করে তাঁর সুনজরে থাকার জন্যই প্রধানমন্ত্রীর নামে এত প্রশংসা করেছেন তিনি।

তীব্র অন্তর্দ্বন্দ্বের জেরে ইস্তফা দেওয়ার কথা জানিয়ে মোদিকে চিঠি সিবিআই কর্তার

CBI-Office

News Desk: সিবিআইয়ের পদস্থ কর্তাদের মধ্যেও অন্তর্দ্বন্দ্ব ক্রমশই বাড়ছে। বিষয়টি এতদূর গড়িয়েছে যে, তা পৌঁছে গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কানে। নিজেদের মধ্যে এই কলহের জেরে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) চিঠি লিখেছেন সিবিআইয়ের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট নমো প্রকাশ মিশ্র (Namo Prakash Mishra)। সিবিআই প্রধানমন্ত্রীর দফতরের অধীনে কাজ করে। সেজন্যই প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এই সিবিআই আধিকারিক।

প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে প্রকাশ যা লিখেছেন সেটা জানলে অবাক হতে হবে। ওই চিঠিতে তিনি লিখেছেন, আমাদের দফতর নরকে পরিণত হয়েছে। শুধুমাত্র ব্যক্তিগত আক্রোশের জন্যই শেষ তিন বছর আমাকে কোনও কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। এভাবে বসে বসে আমি বেতন নিতে চাই না। তাই আমি পদত্যাগ করতে চাই। তবে আমার আর্থিক পাওনাগন্ডার কোনও প্রয়োজন নেই। পেনশন, গ্রাচুইটির মতো কোনও আর্থিক সুবিধাও আমাকে দিতে হবে না। আমার গ্র্যাচুইটির টাকা আইপিএস অফিসার রাম গোপাল গর্গ (gopal garg) ও অমিত কুমার (amit kumar) এবং পেনশনের টাকা অজয় ভাটনগরকে (ajay bhatnagar) দিয়ে দিন। কারণ আমার চেয়ে ওঁদের অনেক বেশি অর্থের প্রয়োজন আছে। আমাকে শুধুমাত্র পদত্যাগ করার অনুমতি দিন।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৯ সেপ্টেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি দিয়েছিলেন প্রকাশ মিশ্র। প্রকাশ ওই চিঠিতেও ভাটনগরের বিরুদ্ধে ভুয়ো সংঘর্ষের অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন।

সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু প্রধানমন্ত্রীর দফতরে নয়, একাধিক সরকারি অফিসেও ইস্তফা দেওয়ার কথা জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন প্রকাশ। ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে এতগুলি চিঠি দেওয়ার পরও তিনি বহাল তবিয়তে সিবিআই আধিকারিক থেকে যাওয়ায় অনেকেই অবাক হয়েছেন। শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে এখনও পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকী, ওই চিঠিতে তিনি স্পষ্ট ভাবে যে সমস্ত আধিকারিকদের নাম করেছেন তাঁরাও কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি।

বিজেপি পরিবারতান্ত্রিক দল নয়, বললেন বিশ্বের জনপ্রিয় নেতা নরেন্দ্র মোদি

Narendra Modi

News Desk, New Delhi: রবিবার দিল্লিতে বসে ছিল বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক। এই বৈঠকে কংগ্রেসের নাম না করে শতাব্দী প্রাচীন এই দলকে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিশ্বের জনপ্রিয় নেতা তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তিনি বললেন, বিজেপি কখনওই পরিবারতান্ত্রিক দল নয়। একমাত্র বিজেপিতেই সমাজের একেবারে প্রান্তিক শ্রেণীর মানুষও শীর্ষস্থানে আসতে পারেন।

রবিবারই গ্লোবাল লিডার অ্যাপ্রুভাল রেটিং অর্থাৎ বিশ্ব নেতাদের জনপ্রিয়তার সূচক প্রকাশ হয়েছে। প্রকাশিত তালিকায় দেখা গিয়েছে এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে উঠে এসেছেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি ৭০ শতাংশ মানুষের সমর্থন পেয়েছেন। মার্কিন গবেষণা সংস্থা মর্নিং কনসাল্ট এই তালিকা প্রকাশ করে। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট লোপেজ ওব্রাডর। চূড়ান্ত পর্যায়ে বিশ্বের ১৩ জন নেতার মধ্যে এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। এই সমীক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে পিছনে ফেলে প্রথম স্থানটি দখল করেছেন মোদি।

আগামী বছরের শুরুতেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন সে কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী এদিন দলীয় কর্মীদের ভোকাল টনিক দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি মানুষের সেবা করাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। মানুষের সেবা করাই বিজেপির ধর্ম। তাই বিজেপি কর্মীদের ওপর মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অটুট আছে। বিজেপি নেতাদের উপর মানুষের আশীর্বাদ ও ভরসা আছে বলেই আজ এই দল দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। আগামী দিনেও মানুষের প্রতি এই আচরণ পালন করতে হবে। অর্থাৎ মানুষের আপদে-বিপদে তাঁদের পাশে দাঁড়াতে হবে।

এদিনের বৈঠকে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে বিজেপি কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গেরুয়া দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের এক লাখ চার হাজার ভোটকেন্দ্রের সর্বত্র বুথ কমিটি গঠন করবে। ২০২২ সালের ৬ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ভোটার তালিকা সম্পর্কে নজর রাখার জন্য একজনকে নিয়োগ করা হবে। একইসঙ্গে ২০২২-এর মে মাসের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন কি বাত অনুষ্ঠান যাতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে প্রচারিত হয় সে বিষয়টিও নিশ্চিত করা হবে।

এদিনে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের ভাষণ দেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। অর্থমন্ত্রীও এদিন বিরোধীদের কড়া সমালোচনা করেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, গোটা বিশ্বের সামনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে প্রধানমন্ত্রী দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন। কিন্তু বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সরকারের গায়ে কালি ছেটাতে চাইছেন। গোটা বিশ্ব ভারতের টিকাকরণ কর্মসূচি প্রশংসায় পঞ্চমুখ। অথচ এদেশে বিরোধীরা টিকাকরণ কর্মসূচি সম্পর্কে রীতিমতো সন্দেহ প্রকাশ করছে। কাজের নিরিখেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশ্বের জনপ্রিয়তম নেতায় পরিণত হয়েছেন। কিন্তু বিরোধীরা সেটা মানতে রাজি নয়। সে কারণেই তাঁরা মোদির নামে কুৎসা রটিয়ে চলেছেন।

COP26: জলবায়ুর পরিবর্তন রোধ করা না গেলে বিশ্ব বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠবে: মোদি

PM Narendra Modi

News Desk: গ্লাসগোর বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন সিওপি-২৬-এর (COP26) মঞ্চে গোটা বিশ্বকে চমকে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। জলবায়ু সম্মেলনের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিলেন, ২০৭০ সালের মধ্যে ভারতে কার্বন নির্গমনের পরিমাণ শূন্যের পৌছবে। মোদি যেমন জোর গলায় এই কথা বলেছেন, এই সম্মেলনে অন্য কোন দেশের রাষ্ট্রনেতা তা বলতে পারেননি।

এদিন প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বলেন জলবায়ু পরিবর্তন ক্রমশই গোটা দুনিয়ার কাছে ভয়ঙ্কর এক আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠছে। বাস্তব অভিজ্ঞতা বলছে, বিশ্বের কোনও দেশই জলবায়ুর পরিবর্তনের কুপ্রভাব থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারেনি। সে যত ধনী দেশ হোক বা গরিব। কেউই জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারেনি। মানুষের জীবনযাপনের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে জলবায়ু পরিবর্তন। তাই জলবায়ুর উন্নতি সাধনের জন্য মানুষের জীবন যাপনে বদল আনতে পারে এমন পাঁচ অমৃত তত্ত্বের সন্ধান দিয়েছেন মোদি।

প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, আমরা যদি জলবায়ুকে রক্ষা করতে না পারি তবে আগামী দিন এই বিশ্ব মানুষের বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠবে। স্বাভাবিকভাবেই প্রধানমন্ত্রী মোদির এই ঘোষণায় বিশ্বের অন্য দেশগুলোর প্রতিনিধিরা কিছুটা অবাক হয়ে যান। মোদির এই বার্তা পশ্চিমী দেশ ও চিনের ক্ষেত্রে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। কারণ এই দেশগুলি নিজেদের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে বিশ্ব উষ্ণায়ন নিয়ন্ত্রণ করতে কোনও রকম পদক্ষেপ করেনি।

গ্লাসগোর এই সম্মেলনে মোদি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পরিবেশকে অবশ্যই দূষণমুক্ত রাখতে হবে। বিশ্ব উষ্ণায়ন বাড়ছে। এটা কোনও একটি দেশের উদ্বেগের বিষয় নয়। গোটা মানব জাতি ও সভ্যতার ক্ষেত্রেই ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করবে বিশ্ব উষ্ণায়ন। দূষণ কমিয়ে বিশ্ব উষ্ণায়ন নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের প্রতিটি দেশকে একযোগে পদক্ষেপ করতে হবে।

লবায়ু সম্মেলনের এই মঞ্চে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানান মোদি। মোদির আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে জনসন জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলে যত শীঘ্র সম্ভব তিনি ভারত সফরে আসবেন। গ্লাসগোতে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে একই মঞ্চে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও জনসন। ওই বৈঠক চলাকালীন জনসনকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানান মোদি।

মঙ্গলবার বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, গ্লাসগোর ওই সম্মেলনে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি, গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন বন্ধ, অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা, সন্ত্রাসবাদের মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন মোদি। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এসব বিষয় নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা করার জন্যই জনসনকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মোদি।

উল্লেখ্য, চলতি বছরে সাধারণতন্ত্র দিবসের প্যারেডে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল জনসনের। কিন্তু করোনাজনিত কারণে সেই জনসনের সেই সফর বাতিল হয়। শেষ পর্যন্ত মোদির আমন্ত্রণে ভারতে আসার কথা জানিয়ে এক ইতিবাচক বার্তা দিলেন জনসন।

এয়ারপোর্টে কৃত্রিম পা নিয়ে অসুবিধা, মোদীর নজর টানতে ‍‘নাচে ময়ূরী’র পাশে লক্ষ্মীবাঈ

sudha chandran and kangana ranaut

নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কাতর আর্জি জানিয়ে খবরের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছিলেন সুধা চন্দ্রন। কৃত্রিম পা নিয়ে প্রবীণ অভিনেত্রী বিমানবন্দরের সাধারণ পর্যবেক্ষণের সময় যথেষ্ট হয়রানির শিকার হয়েছিলেন।এ বিষয়ে নজর দেওয়ার জন্য তিনি অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রীকে।

শনিবার তার ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে সুধার গল্প শেয়ার করেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। বিজেপি সরকার ঘনিষ্ঠ কঙ্গনা সুপারস্টার সুধা চন্দ্রনকে তাঁর পেশাগত কৃতিত্বের জন্য প্রশংসা করেছেন।

সুধা চন্দ্রনের হয়রানির অভিজ্ঞতা ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে বলিউডের কুইন লিখেছেন, “সুধা জি একজন অভিজ্ঞ শিল্পী, একজন মহান নৃত্যশিল্পী এবং অভিনেত্রী, পা হারানো সত্ত্বেও তিনি নাচের ক্ষেত্রে অনেক সাফল্য অর্জন করেছন। আশা করি তিনি যথাযথ সম্মান পাবেন।”

কয়েকদিন আগেই সুধা চন্দ্রন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, যতবার বিমানে যাতায়াত করেন ততবারই এয়ারপোর্টে নিরাপত্তার কারণে তার প্রস্থেটিক পা খুলে নেন নিরাপত্তারক্ষীরা। এর ফলে বারবার হয়রানির শিকার হতে হয়। ওই ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সুধা চন্দ্রন প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি জানিয়েছেন তিনি যেন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন। তার মতো আরো অনেক প্রতিবন্ধীদের এই একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় বলেও দাবি করেন।

অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত তার পাশে দাঁড়ানোর পর নেটিজেনদের এক অংশ মনে করছেন সুধা চন্দ্রনের বিষয়টি সরকারের নজরে আসবে। ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সমালোচনা ও অমানবিকতার অভিযোগ তুলে ধরেছেন প্রবীণ অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী সুধা চন্দ্রন।

তিনি জানিয়েছিলেন, ” আমি অনেক সময় বিমানবন্দর কর্মীদের কাছে অনুরোধ করি যে আমার প্রস্থেটিক পায়ের জন্য যেন ইটিডি (এক্সপ্লোসিভ ট্রেস ডিটেক্টর) ব্যবহার করা হয় কিন্তু তারা বেশিরভাগ সময় শোনেন না এবং আমাকে আমার প্রস্থেটিক পা খুলতে বাধ্য করা হয়।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের দেশ কি এই বিষয়ে কথা বলছে? এই সম্মান কি আমাদের সমাজে একজন নারী অন্য নারীকে দেয়? মোদীজি আপনার কাছে আমার বিনীত অনুরোধ যে দয়া করে প্রবীণ নাগরিকদের একটি কার্ড দিন যাতে লেখা থাকে যে তারা প্রবীণ নাগরিক”।

Rao Inderjit Singh: শুধু মোদির নামে ভোট চাইলে জেতা অসম্ভব, স্বীকার করে নিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

Union Minister Rao Inderjit Singh

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা নিজের দলের অন্দরেই কি ক্রমশ কমছে! সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাও ইন্দ্রজিৎ সিংয়ের এক বক্তব্যে সেই ধারণাই স্পষ্ট হয়েছে। জনপ্রিয়তা যে ক্রমশ কমছে তাই নয় শুধু মোদির নামে আর ভোট পাওয়া যাবে এমন কোনও নিশ্চয়তাও নেই। তাই কেন্দ্র ও হরিয়ানায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতা দখল করতে শুধু মোদির নামের উপর নির্ভর করলে চলবে না।

মোদির জনপ্রিয়তা যে ক্রমশ কমছে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল তারই প্রমাণ। মোদি একের পর এক সভা করলেও পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি তিনি। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, ২০১৪-র আগে মোদির যে জনপ্রিয়তা ছিল তা আজ তলানিতে এসে ঠেকেছে।

হরিয়ানায় বিজেপির এক অভ্যন্তরীণ বৈঠকেই কর্পোরেট বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রজিৎ সিং দলীয় নেতাদের বলেন, মোদির জনপ্রিয়তা আজও আছে এটা ঠিক। কিন্তু শুধু তাঁর নামে ভোট চাইলে যে জয় আসবে এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। নরেন্দ্র মোদির নাম বাদ দিয়েও যাতে ভোটে জেতা যায় আমাদের সেই চেষ্টা করতে হবে। মোদির জনপ্রিয়তাকে কিভাবে ফের চাগিয়ে তোলা যায় তাও ভাবতে হবে দলের নেতাকর্মীদের।

কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কৃষক আন্দোলন আমাদের যথেষ্টই বিপাকে ফেলেছে। কৃষকদের সঙ্গে যে ধরনের আচরণ করা হচ্ছে তা মানুষকে বিজেপি সরকারের উপর ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। মানুষের রোষ থেকে রেহাই পাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিও। সে কারণে আমরা যদি শুধুমাত্র মোদির উপরে নির্ভর করে নির্বাচনী ময়দানে নামি তাহলে দলের জয় সম্পর্কে একটা সন্দেহ থেকেই যায়। শুধু মোদি-মোদি করে কখনওই চিরকাল চলতে পারে না। মোদিকে ছাড়াও যাতে ভোটে জেতা যায় আমাদের সেই ক্ষমতা অর্জন করতে হবে। অন্যথায় কেন্দ্র এবং হরিয়ানায় তৃতীয়বারের জন্য সরকার গঠনের আশা আমাদের ছাড়তে হবে।

প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার সুবিধা নিলে আপনার কারাবাসও হতে পারে

নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকার দেশে অনেক নতুন স্কিম চালু করেছে৷ করোনাভাইরাস সংকটকালে কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিনিয়ত মানুষকে আর্থিক অনটন থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। অনেক সময় যারা এগুলির অধিকারী নয়, তারাও এই প্রকল্পগুলির (পিএম কিষাণ সম্মান যোজনা) সুবিধা নেওয়া শুরু করে। কিন্তু, মোদী সরকার এবার এই ধরনের ভুয়ো সুবিধাভোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েছে। আপনিও যদি এই ভুল করে থাকেন, তাহলে এই পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন।

টাকা সরাসরি কৃষকের অ্যাকাউন্টে যায়
পিএম কিষাণ সম্মান যোজনার আওতায় একজন প্রান্তিক কৃষককে একটি সম্মান নিধি থেকে বছরে ছয় হাজার টাকা দেওয়া হয়। এই অর্থ সরাসরি কৃষকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যায়। প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী কৃষি আশির্বাদ যোজনার সুবিধা (সিএম কৃষি আশির্বাদ যোজনা ঝাড়খণ্ড) ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম জেলায় পূর্ববর্তী রঘুভার সরকার শুরু করেছিল। এর অধীনে প্রায় ৯০ হাজার সুবিধাভোগী নথিভুক্ত হয়েছিল। আর এখানেই ধরা পড়েছে বড়সড় একটা অনিয়ম৷

পিএম কিষাণ যোজনায় বিশেষ বিধান
পিএম কিষাণ যোজনার আওতায় কেন্দ্রীয় সরকার কৃষকদের অ্যাকাউন্টে অষ্টম কিস্তির টাকা পাঠিয়েছিল। দেশের প্রায় ৯.৫ কোটি কৃষকের প্রতিবার দুই হাজার করে সবার অ্যাকাউন্টে প্রায় ২০ কোটি টাকা পাঠানো হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে, পিএম কিষাণ যোজনায় একটি বিধান করা হয়েছে যে, একজন কৃষক যদি প্রথমবারের মতো এই প্রকল্পে নিজেকে নিবন্ধন করেন, তাহলে তিনি একই সঙ্গে দুটি কিস্তির পরিমাণ পান। মুখ্যমন্ত্রী কিষাণ সমৃদ্ধি যোজনা ২০১৯ পর্যন্ত ঝাড়খণ্ডেও বাস্তবায়িত হয়েছিল, যাতে পূর্ব সিংভূম জেলার প্রায় এক লক্ষ কৃষক এই তালিকায় ছিলেন।

সরকার তদন্ত করছে
এখন সরকার কিষাণ যোজনার আওতায় কেলেঙ্কারির ব্যাপারে কঠোর নজর রাখছে। সরকার এখন এমন লোকদের কঠোরভাবে তদন্ত করছে, যারা যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও পিএম কিষাণ যোজনার সুবিধা নিচ্ছে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছে যে তাদের নাম আধারের সঙ্গে সংযুক্ত এবং আধারও প্যানের সঙ্গে যুক্ত। এভাবে সরকারের পক্ষে তাদের আয় বের করা সহজ হয়। ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম বাদে অনেক জেলায় এমন লোকদের চিহ্নিত করা হয়েছে ,যারা অযোগ্য হয়েও প্রধানমন্ত্রী কিষানের সুবিধা নিয়েছেন। এখন তাদের সকলের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করা হচ্ছে।

সোমবার মাঝরাতে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে টাকা দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

PM Kisan Samman Nidhi Scheme

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগামিকাল, ৯ অগস্ট কিষাণ সম্মান নিধি প্রকল্পের (PM Kisan Samman Nidhi Scheme Latest Updates) নবম কিস্তি দেওয়ার কথা ঘোষণা করবেন৷ ফলে এখন কৃষকদের জন্য অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৯ অগস্ট রাত সাড়ে ১২ টায় কৃষকদের অ্যাকাউন্টে নবম কিস্তির (PM Kisan Samman Nidhi Scheme) টাকা দেবেন। MyGovIndia- ভারত সরকারের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেল (MyGovIndia) থেকে এই তথ্য দেওয়া হয়েছে।

PM Kisan Samman Nidhi Scheme

কৃষকদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি এবং তাদের আয় বৃদ্ধির জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ২০০০ টাকার তিনটি কিস্তি (PM Kisan Yojana Benefits) অর্থাৎ ৬০০০ টাকা সরাসরি কৃষকদের অ্যাকাউন্টে পাঠায়। এখন পর্যন্ত কৃষকদের অ্যাকাউন্টে PM কিষাণ সম্মান যোজনার ৮ কিস্তির টাকা দেওয়া হয়েছে। এখন পরবর্তী অর্থাৎ নবম কিস্তির টাকা কৃষকদের অ্যাকাউন্টে আসতে চলেছে। এর আগে অষ্টম কিস্তির টাকা ১৪ মে দেওয়া হয়েছিল।

কী করে জানতে পারবেন আপনার কিস্তির অবস্থান
1. আপনার কিস্তির অবস্থা দেখতে আপনি প্রথমে ওয়েবসাইটে যান।
2. এর পর ডান পাশে Farmers Corner এ ক্লিক করুন।
3. এখন বেনিফিশিয়ারি স্ট্যাটাস অপশনে ক্লিক করুন।
4. এখন আপনার সামনে একটি নতুন পেজ খুলবে।
5. এখানে আপনি আপনার আধার নম্বর, মোবাইল নম্বর লিখুন।
6. এর পরে আপনি আপনার অবস্থা সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য পাবেন।

এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য দেশের কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করা এবং তাদের সরাসরি আর্থিক সাহায্য করা। পরবর্তী কিস্তির অপেক্ষায় থাকা কৃষকরা অগস্টে আবার সুখবর পেতে চলেছেন। আপনি যদি এর জন্যও আবেদন করেছেন, তাহলে আপনি এইভাবে তালিকায় আপনার নাম চেক করতে পারেন।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারী বা আয়কর প্রদানকারী কৃষকদের যোগ্য বলে গণ্য করা হয় না। এর বাইরে ১০ হাজার টাকার বেশি পেনশন পাওয়া ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সিএ এবং কর্মচারীরাও এই স্কিমে যোগ দিতে পারবেন না।

পাকিস্তানে ইমরান জমানার অবসান হতে চলছে

Pakistan's PM Khan

নিউজ ডেস্ক, ইসলামাবাদ: পাকিস্তানে ইমরান-সরকারের দিন ফুরিয়ে আসতে চলেছে৷ দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এমনটাই আভাস দিচ্ছে৷ প্রকৃতপক্ষে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) নেতা বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি তাঁর কর্মীদের সাধারণ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন৷ তাঁর এই নির্দেশের পরেই মনে করা হচ্ছে দেশের রাজনীতিতে বড় কিছু ঘটতে যাচ্ছে। জেনে রাখা ভালো, ইমরান খান সরকার প্রায় সব ক্ষেত্রেই ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। এই কারণে বিরোধীদের পাশাপাশি দেশের জনমনেও ইমরানের ভুমিকায় বেশ ক্ষুব্ধ।

পাকিস্তানের ‘দুনিয়া নিউজ’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি দলীয় কর্মীদের বলেছেন পাকিস্তানে যে কোনও সময় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে৷ তাই এর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। বিলাওয়াল কর্মীদের আরও বলেছেন, ‘প্রত্যেকের উচিত নিজেদের মধ্যে বসে সমস্ত বিভেদ দূর করে নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করা৷ কারণ যে কোনও সময় দেশে সাধারণ নির্বাচন হতে পারে’।

Bilawal tells party workers to be ready for general elections

বিলাওয়ালের এই বক্তব্যটিও গুরুত্বপূর্ণ৷ কারণ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়ে উঠছে বলে মনে হচ্ছে। তার একটি উদাহরণ কিছুদিন আগে দেখা যায়৷ যখন সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়াত পিপিপি নেতাকে তাঁর বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান। ‘ জিও টিভি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাজওয়াত অতীতে বিলাওয়াল ভুট্টোকে তাঁর ছেলের ভালিমায় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। পাকিস্তানের রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর ভূমিকা কারও কাছে গোপন নয়। অতএব, বিলাওয়ালের বক্তব্যের ফলে জল্পনার বাজার গরম হয়ে উঠেছে।

যারা পাকিস্তানের রাজনীতি সম্পর্কে অবগত, তার মনে করেন, বিলাওয়াল যদি সেনাবাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ইমরান খানকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে, তাহলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। একই সঙ্গে পিপিপি নেতার এই বক্তব্যের পর ইমরান খান টেনশনে পড়ে গিয়েছেন৷ ইমরান যদিও এখনও পর্যন্ত সেনাবাহিনীর সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার দাবি করেছেন৷ কিন্তু এখন তার সম্পর্ক দুর্বল হয়ে যাচ্ছে এবং তাতে বিলাওয়াল ভুট্টো উপকৃত হতে পারেন।