जिन कामों को 50 साल लगते, उन्हें महज तीन माह में किया गया’, शाह ने पीएम मोदी की तारीफों के बांधे पुल

Amit Shah Commends PM Modi

केंद्रीय गृह मंत्री अमित शाह ने कहा कि जिन कामों को करने में किसी को 50 साल लगते उन्हें प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी ने तीन महीने में करके दिखा दिया। दरअसल, वह नए संसद भवन, चंद्रयान-3, जी-20 शिखर सम्मेलन और महिला आरक्षण विधेयक को लेकर पीएम मोदी की सराहना कर रहे थे।

शाह ने शनिवार को एक सभा में कहा कि पीएम मोदी ने भारतीय अंतरिक्ष अनुसंधान संगठन (इसरो) का कायाकल्प करने और इसके वैज्ञानिकों को प्रेरित करने के साथ-साथ जी-20 शिखर सम्मेलन के माध्यम से यह संदेश दिया है कि भारत विकसित और विकासशील दोनों देशों के साथ है।

उन्होंने यह भी कहा कि मोदी ने विधानसभाओं और लोकसभा में 33 प्रतिशत आरक्षण प्रदान करने वाले विधेयक के माध्यम से ‘मातृ शक्ति’ को सम्मान दिया है।उन्होंने कहा कि मैं बड़े विश्वास के साथ कह सकता हूं कि नरेंद्र भाई ने तीन महीने के भीतर चार काम पूरे किए, जबकि एक भी काम पूरा होने में 50 साल लग जाते। यह दिखाता है कि नरेंद्र भाई के नेतृत्व में एनडीए सरकार भारत को विश्व में उसका स्थान दिलाने के लिए प्रतिबद्ध है।नारी शक्ति वंदन अधिनियम पर शाह ने कहा कि यह वर्षों से अधर में लटका हुआ था। पर प्रधानमंत्री ने इसे पटरी पर ला दिया।

बता दें, अमित शाह अहमदाबाद पहुंचे थे, यहां उन्होंने अपने लोकसभा क्षेत्र गांधीनगर के लिए विभिन्न विकास परियोजनाओं के उद्घाटन और शिलान्यास समारोह भाग लिया। इस मौके पर उन्होंने कहा कि मोदी ने महिलाओं के नेतृत्व वाले विकास की अवधारणा को हकीकत में बदल दिया है।उन्होंने कहा कि प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी ने इसरो का कायाकल्प किया और अन्य वैज्ञानिकों को भारत को अंतरिक्ष क्षेत्र में शीर्ष पर ले जाने की कल्पना के साथ प्रेरित किया। चांद पर तिरंगा देखना पूरे देश और दुनिया के लिए सौभाग्य की बात है।

शाह ने कहा कि कई देशों में जी-20 का आयोजन हो चुका है। पर सभी देशों के नेताओं ने एक स्वर में कहा कि भारत ने जिस तरह से जी-20 का आयोजन किया, वह आने वाले 25 वर्षों तक सभी देशों के लिए चुनौती होगा। उन्होंने कहा, ‘जी-20 का आयोजन इतना शानदार था कि रूस, चीन और अमेरिका की मौजूदगी के बीच अंतरराष्ट्रीय कूटनीति को चुनौती देने के बावजूद हमारे प्रधानमंत्री ने पूरी दुनिया को संदेश देते हुए सर्वसम्मति से घोषणापत्र जारी कराया।

उन्होंने कहा कि पीएम मोदी ने अफ्रीकी संघ को जी-20 की सदस्यता दिलाने में मदद की और संदेश दिया कि भारत विकसित और विकासशील दोनों देशों के साथ है। शाह ने विश्वकर्मा योजना के बारे में भी बात की। उन्होंने कहा कि प्रधानमंत्री ने उन लोगों को आगे लाने और समान दर्जा देने के लिए कदम उठाए जो विकास में महत्वपूर्ण योगदान देते हैं, लेकिन समाज में पिछड़ गए हैं।

Punjab: কেজরিকে প্রকাশ্যেই মিথ্যাবাদী ও রাজনৈতিক পর্যটক বললেন সিধু

sidhu and kejriwal

নিউজ ডেস্ক, চণ্ডিগড়: আগামী বছরের শুরুতেই পাঞ্জাব (Punjab)বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই নির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। সব রাজনৈতিক দলই রণকৌশল প্রস্তুত করতে ব্যস্ত। রাজনৈতিক প্রস্তুতির পাশাপাশি পরস্পরের প্রতি আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চলছে।

এই চাপান উতোরের মধ্যে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে তীব্র কটাক্ষ করলেন পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি নভজ্যোত সিং সিধু (n.s sidhu)। শনিবার আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরীবালকে (aravinbd kejriwal) ‘রাজনৈতিক পর্যটক’ ও মিথ্যাবাদী বলে কটাক্ষ করেন সিধু। অভিযোগ করেন, কেজরিওয়াল ‘মিথ্যা প্রতিশ্রুতি’ (false assurance) দিচ্ছেন।

রবিবার এক জনসভায় সরাসরি কেজরিওয়ালকে তাঁর সঙ্গে বিতর্কে বসার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন সিধু। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সিধুর অভিযোগ, কেজরিওয়াল দিল্লিতে ৮ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি করেছেন বলে যে দাবি করেন সেটা ঠিক নয়। আসলে তিনি চাকরি দিয়েছেন মাত্র কয়েক হাজারকে মানুষকে। সিধু এদিন কেজরিকে লক্ষ্য করে বলেন, “পাঞ্জাবের যেকোনও জায়গায় আমার মুখোমুখি বসুন। দরকার হলে আমাকে দিল্লিতেও ডেকে পাঠাতে পারেন। আমি আপনার বাড়িতেই আলেচনায় বসব। ওই আলোচনায় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরাও থাকবেন। সেখানে যদি যুক্তিতে আমি পরাজিত হই তবে রাজনীতি ছেড়ে দেব।

পাঞ্জাবে প্রচারে গিয়ে কেজরিওয়াল প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, আপ ভোটে জিতলে পাঞ্জাবের প্রত্যেক মহিলাকে মাসে ১০০০ টাকা ভাতা দেওয়া হবে। দিল্লিতেও মহিলাদের এই ভাতা দেওয়া হয়। কেজরি আরও বলেছিলেন, পাঞ্জাবে বেআইনি বালি খাদান থেকে আইন বিরুদ্ধভাবে ২০ হাজার কোটি টাকার বালি উত্তোলন করা হয়। আম আদমি পার্টি সরকারে এলে, এই পরিস্থিতি বদল করা হবে। এই প্রতিশ্রুতি নিয়েও কেজরিকে কটাক্ষ করেছিলেন সিধু। পাঞ্জাব প্রদেশ সভাপতি পাল্টা বলেছেন, “কেজরিওয়াল বলছেন, বালি খাদান থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা আসে। পূর্ববর্তী অকালি দল ও বিজেপির সরকার বালি খাদান থেকে প্রতি বছর ৪০ কোটি আয় করেছে। বর্তমান কংগ্রেস সরকার সেই আয়কে ৩০০ কোটি টাকায় নিয়ে গিয়েছে। কেজরি ২০ হাজার কোটি টাকা কোথায় পেলেন আমি বুঝতে পারছি না। আমাকে এমন কোনও একটি রাজ্য দেখান যেখানে বালি খাদান থেকে বছরে ৩০০০ কোটি টাকার বেশি আয় হয়।”

সিধু আরও বলেন, “কেজরিওয়াল পাঞ্জাবের ব্যপারে কিছুই জানেন না। আপনি রাজনৈতিক পর্যটক এবং একজন মিথ্যেবাদী। সাড়ে চার বছর পর পর একবার আসেন এবং ভুয়ো প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলে যান। আপনি উত্তর দিন সাড়ে চার বছরে কেন একবারও পাঞ্জাবে আসেননি?” দিল্লিতে মদের দোকানের দেদার অনুমতি দেওয়া নিয়েও কেজরিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি সিধু। তিনি বলেন, রাজ্যের আয় বাড়াতেই মদের দোকানের ঢালাও লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এভাবেই দিল্লির যুব সমাজকে অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছেন কেজরি। অন্যদিকে পাঞ্জাবে কংগ্রেস সরকার মদের রমরমা কমানোর কাজ চালাচ্ছে। এখন মানুষকেই বেছে নিতে হবে তাঁরা কেজরির কথায় বিশ্বিস করবেন নাকি, কংগ্রেসকে।

Kerala: ২৪ ঘণ্টায় জোড়া রাজনেতা খুনে তপ্ত বামরাজ্যে ১৪৪ ধারা

Two Political Leaders Killed In 12 Hours

নিউজ ডেস্ক, তিরুঅনন্তপুরম: ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে বাম শাসিত কেরলে (Kerala) দুই রাজনৈতিক নেতার খুন ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল। শনিবার খুন হয়েছিলেন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা কেএস শান (KS Shan)। 

এর পর রবিবার ভোরে খুন হলেন বিজেপি নেতা ও দলের ওবিসি মোর্চার রাজ্য সভাপতি রণজিৎ শ্রীনিবাসন। দুষ্কৃতীরা রণজিৎকে তাঁর বাড়ির মধ্যে ঢুকে খুন (Murder) করে। জোড়া খুনের ঘটনায় প্রবল উত্তেজনা ছড়ানোয় আলাপ্পুজা জেলায় দুদিনের জন্য জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিদিনের মতোই রবিবার সকালেও প্রাতঃভ্রমণে যাওয়ার জন্য বের হচ্ছিলেন বিজেপি নেতা রণজিৎ শ্রীনিবাসন। সে সময়ই তাঁর বাড়িতে চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। স্ত্রী ও মায়ের সামনেই রণজিৎকে প্রথমে মারধর করে দুষ্কৃতীরা। আটজন দুষ্কৃতী বাড়ির গেটের মুখেই শ্রীনিবাসনকে এলোপাথাড়ি ছুরি চালাতে থাকে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। এই খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শ্রীনিবাসনের দেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। কী কারণে এই বিজেপি নেতাকে খুন করা হল তা জানা যায়নি। তবে পুলিশ ধৃতদের জেরা করে খুনের কারণ জানার চেষ্টা করছে। এই ঘটনার পিছনে কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতাও ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন।

শনিবারই সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়ার (এসডিপিআই)( SDPI) রাজ্য সচিব কে এস শানকেও খুন করে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা। শনিবার রাতে তিনি যখন কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন, সেই সময়ই তাঁর বাইকে একটি গাড়ি দ্রুতগতিতে এসে ধাক্কা মারে। শান রাস্তায় পড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দুষ্কৃতীরা গাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে তাঁকে কোপাতে থাকে। আহত অবস্থায় শানকে এরনাকুলামের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানান, তাঁর দেহে ৪০টিরও বেশী গভীর ক্ষত ছিল এবং মাথাতেও ছিল গুরুতর চোট। রবিবার সকালে হাসপাতালেই তাঁরও মৃত্যু হয়।

সানকে খুনের ঘটনায় বিজেপি-আরএসএস জোটের দিকে আঙুল তুলেছেন এসডিপিআই রাজ্য সভাপতি মুভাত্তুপুজা আশরফ মৌলবি। আশরফ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আরএসএস ও বিজেপি এই ধরনের খুনের রাজনীতি বন্ধ না করে তবে তাদের কড়া মাসুল চোকাতে হবে। সময় মতোই বিজেপি ও সংঘকে কড়া জবাব দেওয়া হবে।

পর পর দুই খুনের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন রাজ্যের প্রবীণ কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমমন্ত্রী রমেশ চেন্নিথালা। তিনি বলেন, বিজেপি ও এসডিপিআইয়ের উচিত এই ধরনের খুনোখুনির রাজনীতি বন্ধ করা। রক্ত দিয়ে রাজনীতি হয় না। একই সঙ্গে রমেশ এই ঘটনায় রাজ্যের বাম সরকারকেও তোপ দেগেছেন। রমেশের অভিযোগ, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা করতচে ব্যর্থ পিনারাই বিজয়ন সরকার। গোটা রাজ্যেই দুষ্কৃতীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। পুলিশ বাম সরকারের আজ্ঞাবহ দাসে পরিণত হয়েছে। সেকারণেই তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে পারছে না। রাজ্যে একের পর এক খুনোখুনির ঘটনা ঘটলেও পুলিশ দর্শক হয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে।

মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এই ঘটনার নিন্দা করে বলেন, অপরাধীদের কেউ পার পাবে না। আলাপ্পুজায় যে জোড়া রাজনৈতিক খুন হয়েছে, তার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পুলিশ খুঁজে বের করবেই। রাজ্যে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এই ধরনের অমানবিক ঘটনা কখনওই ভাল নয়। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা মানে খুনোখুনি নয়।

রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে কটাক্ষ করে নিজের নতুন দলের নাম জানালেন ক্যাপ্টেন

Captain Amarinder Singh

News Desk: মঙ্গলবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে দলনেত্রী সোনিয়া গান্ধীর কাছে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ ছাড়ার কথা জানিয়েছিলেন পাঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং (Captain Amarinder Singh)। সকালে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ ছাড়ার পর বিকেলে নিজের নতুন দলের নাম ঘোষণা করলেন ক্যাপ্টেন।

এদিন অমরিন্দর জানিয়েছেন, তাঁর নতুন দলের নাম হবে ‘পাঞ্জাব লোক কংগ্রেস’। এই রাজ্যে আর কয়েক মাস পরেই বিধানসভা নির্বাচন। পাঞ্জাবে ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস। আসন্ন নির্বাচনে পাঞ্জাবে কংগ্রেসকে বড় মাপের সমস্যায় ফেলতে পারে ক্যাপ্টেনের নতুন দল, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিতে এদিন ক্যাপ্টেন সাত পাতার একটি চিঠি দেন সোনিয়া গান্ধীকে। ওই চিঠিতে তিনি রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকেও তীব্র কটাক্ষ করেছেন। ক্যাপ্টেন লিখেছেন, সোনিয়াজি আমি আপনার ছেলে-মেয়ের আচরণে গভীর মর্মাহত। আপনার ব্যবহারেও আমি দুঃখ পেয়েছি। একজন অস্থিরমতি লোক, যিনি পাকিস্তানের ষড়যন্ত্রী রাষ্ট্রকাঠামোর সহযোগী তাকে আপনারা ভরসা করলেন। তার কথা মেনে নিলেন। এরপর আর আপনাদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা যায় না। পাকিস্তানের ষড়যন্ত্রী রাষ্ট্রকাঠামোর সহযোগী বলতে ক্যাপ্টেন যে বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নভজ্যোত সিং সিধুকেই ইঙ্গিত করেছেন তা স্পষ্ট।

অমরিন্দরের কংগ্রেস ছাড়ার পিছনে সিধুর বিশেষ অবদান রয়েছে। কারণ সিধু প্রথম থেকেই অমরিন্দরের ঘোরতর বিরোধী। সম্প্রতি সিধুকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন রাহুল। তারপরেই ক্যাপ্টেনের সঙ্গে সিধুর বিরোধ চরমে ওঠে। সেই বিরোধে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা সিধুর পাশে দাঁড়ান। তার ফলেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হয় অমরিন্দরকে। এদিনের চিঠিতে তিনি সে কথাই উল্লেখ করেছেন।

এদিন নতুন দলের নাম ঘোষণা করার পাশাপাশি অমরিন্দর বলেছেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তিনি রাজ্যের ১১৭ টি আসনেই প্রার্থী দেবেন। এখন দেখার এই নির্বাচনে অমরিন্দর কংগ্রেস বা বিজেপির মত কোনও দলের সঙ্গে জোট করে কিনা।