Who is the new CDS: নতুন সেনা সর্বাধিনায়ক কে? চলছে জল্পনা, এই পদের দায়িত্ব জানুন

Who is the new chief of defence staff

News Desk: শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে জেনারেল বিপিন রা়ওয়াতের। বুধবার দুপুরে তামিলনাড়ুর কুন্নুরে কপ্টার দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন দেশের প্রথম সেনা সর্বাধিনায়ক (Chief of Defence Staff) বিপিন রাওয়াত ও তাঁর স্ত্রী সহ অফিসার, জওয়ানরা। কে হবেন পরবর্তী সেনা সর্বাধিনায়ক?

দেশে প্রথম সেনা সর্বাধিনায়কের পদটি তৈরি করে নরেন্দ্র মোদীর সরকার। ১৯৯৯ সালে কারগিল রিভিউ কমিটির রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পর এই পদটি তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এনডিএ সরকার। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত ও পরিস্থিতি অনুযায়ী যাতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় সেজন্যই এই সেনা সর্বাধিনায়ক পদটি তৈরি করার পরামর্শ দিয়েছিল কারগিল রিভিউ কমিটি। সেই পদে প্রথম বসানো হয় জেনারেল বিপিন রাওয়াতকে।

এই পদের দাবিদার হিসেবে মূল আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে বর্তমান সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে ও অবসরপ্রাপ্ত বায়ুসেনা প্রধান আর কে এস ভাদুরিয়ার নাম। শেষ পর্যন্ত সেনা সর্বাধিনায়ক পদে কে আসবেন প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বা সেনা সর্বাধিনায়ককে কী কাজ করতে হয়?
খাতায়-কলমে সেনা সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব স্থল সেনা, নৌসেনা,বায়ুসেনা অর্থাৎ তিন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় করে পরামর্শ দেওয়া।

সেনাবাহিনীর সুপ্রিম কমান্ডার রাষ্ট্রপতি। তাঁর ও তিন বাহিনীর প্রধানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদ হলো সেনা সর্বাধিনায়ক। এই পদাধিকারীকে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ও তিন বাহিনীর প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন সেনা সর্বাধিনায়ক।

এছাড়া সিডিএসকে পালন করতে হয় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
১. পদাধিকার বলে সিডিএস চিফ ও স্টাফ কমিটির স্থায়ী চেয়ারম্যান। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর আওতাধীন প্রতিরক্ষা বিষয়ক পরিষদের স্থায়ী সদস্য সিডিএস।
২. সেনাবাহিনীর উপদেষ্টা হিসেবে পরমাণু কমান্ড অথোরিটির দায়িত্ব থাকে সিডিএসের কাঁধে।

৩. সেনার তিন শাখার অপারেশন, সরবরাহ, প্রশিক্ষণ, পরিবহণ, যোগাযোগ, সহায়তা পরিষেবা, মেরামতের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব সিডিএসের ঘাড়ে।

৪ সেনাবাহিনীর তিন শাখার দক্ষতা বৃদ্ধি করা, যুদ্ধের সক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা এবং তিন বাহিনীর পরিকাঠামোগত গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করার দায়িত্বও থাকে সিডিএস পালন করেন।

সেনা সর্বাধিনায়ককে চারতারা পদমর্যাদার জেনারেল হিসেবে সম্মানিত। সেনাবাহিনীর তিন শাখার প্রধানরা যে বেতন পান সিডিএস সেই পরিমাণ বেতন পান।

সচিনের অভিষেক টেস্ট ম্যাচ নিয়ে বিসিসিআই’র আবেগঘন টুইট পোস্ট

Sachin

Sports desk: ১৯৮৯ এর ১৫ নভেম্বর  আজকের দিনে ভারতের ব্যাটসম্যান সচিন তেন্ডুলকর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক করেছিলেন। ১৯৮৯ সালে করাচিতে অনুষ্ঠিত ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে টেস্ট ম্যাচে তেন্ডুলকরের অভিষেক হয়েছিল। একই ম্যাচে পাকিস্তানের পেসার ওয়াকার ইউনিসেরও অভিষেক হয়েছিল। ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ড্র হয়েছিল। এই বিশেষ টেস্ট ম্যাচে, প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৫ রানে ওয়াকার ইউনিসের হাতে আউট হয়েছিলেন তেন্ডুলকর।

বছরের পর বছর ধরে, তেন্ডুলকর বাইশ গজে ঘাম ঝড়িয়েছেন। বিপক্ষ বোলারদের চোখে চোখ রেখে, তাদের ডেলিভারিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রতিটি ডেলিভারিকে ব্যাটের মাঝখান দিয়ে পিটিয়ে শাসন করে ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যাটসম্যান’ হিসাবে ইতিহাসের পাতায় নাম করেছেন এবং তিনি ‘মাস্টার ব্লাস্টার’ নামে ডাকনামও পেয়েছেন।

Sachin Tendulkar

তেন্ডুলকর, ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলেন এবং আজ পর্যন্ত, সচিন টেস্ট এবং ওডিআই উভয় ফর্ম্যাটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক রয়েছেন। সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি করার রেকর্ডও রয়েছে সচিন তেন্ডুলকরের ঝুলিতে।

তেন্ডুলকর ষষ্ঠ ভারতীয় হিসেবে আইসিসি হল অফ ফেমে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। ৪৬ বছর বয়সী ১৬ বছর বয়সে ভারতের হয়ে অভিষেক হয়েছিল এবং দুরন্ত গতিতে দেশের প্রিয় ক্রিকেটার হয়ে ওঠেন।

এমন এক ঐতিহাসিক দিনকে স্মরণ করে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) নিজেদের অফিসিয়াল টুইটে এক আবেগঘন মুহুর্ত পোস্ট করেছে। ‘ক্রিকেটের ঈশ্বর’ সচিন তেন্ডুলকরের বাইশ গজে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে করাচি টেস্টে অভিষেক মুহুর্ত এবং মুম্বইতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সচিনের আন্তজার্তিক ক্রিকেট কেরিয়ারের শেষ টেস্ট ম্যাচের পর্দাপণের মুহুর্তকে কুর্নিশ জানাতে ভোলেনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বিসিসিআই’র টুইট পোস্ট “এই দিনে
1989: @sachin_rt তার #TeamIndia আত্মপ্রকাশ করেছিল।
2013: কিংবদন্তি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শেষবারের মতো ব্যাট করতে বেরিয়েছিলেন।”

<

p style=”text-align: justify;”>ক্রিকেটের সমস্ত ফর্ম্যাট জুড়ে মোট ৩৪,৩৫৭ রান করেছেন, যা দ্বিতীয় স্থানে থাকা শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন ক্রিকেটার কুমার সাঙ্গাকারার চেয়ে ৬.০০০ রানের বেশি। মাস্টার ব্লাস্টার ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মেন্টর হিসেবেও কাজ করেছেন।

খুশির খবর পোস্ট করলেন সস্ত্রীক রয় কৃষ্ণা

roy krishna with wife

Sports desk: আইএসএল শুরু হওয়ার আগে খুশির খবর এটিকে মোহনবাগান পরিবারের। দলের ফিজিয়ান স্ট্রাইকার রয় কৃষ্ণা বাবা হতে চলেছেন। বুধবার নিজের ইনস্ট্রাগ্রাম পোস্টে রয় কৃষ্ণা এবং তার স্ত্রী নাজিয়া দুজনে একসাথে একটি ছবি পোস্ট করেন।

ওই ইনস্ট্রাগ্রাম পোস্টে রয় কৃষ্ণা লিখেছেন,”আমার প্রিন্সেস (রাজকন্যা) আসতে চলেছে”, সঙ্গে ওই প্রিন্সেস একটি ‘কন্যা সন্তানে’ এই খবর জানিয়ে ফুটবলার রয় কৃষ্ণা ভীষণভাবে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েছেন তা পোস্ট করা ইমোজি থেকেই পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে।

roy krishna with wife

<

p style=”text-align: justify;”>আইএসএল টুর্নামেন্টের জন্য এটিকে মোহনবাগান এখন গোয়াতে। ১৯ নভেম্বর থেকে আইএসএল শুরু। প্রথম দিনে এটিকে মোহনবাগান খেলবে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে, ফতোদরা স্টেডিয়ামে।

ঋষভের পন্থের আবেগঘন পোস্ট কোচ তারক সিনহার প্রয়াণে

Rishabh coach Tarak Sinha

Sports desk: ভারতের India) উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান ঋষভ পহ্ন ক্রিকেট কোচ তারক সিনহার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে একটি আবেগপূর্ণ পোস্ট লিখেছিলেন। ঋষভের শৈশব কোচ যিনি গত দুই মাস ধরে ফুসফুসের ক্যান্সারের সাথে লড়াই করার পরে, শনিবার সকালে মারা গিয়েছিলেন।

সামাজিক মাধ্যমে লেখা ওই পোস্টে ঋষভ পহ্ন লিখেছেন, “আমার পরামর্শদাতা, প্রশিক্ষক, প্রেরণাদাতা, সবচেয়ে বড় সমালোচক এবং আমার পরিবার। আমি এমনকি এই এক সঙ্গে শুরু কোথায় জানি না. আমি বিধ্বস্ত 💔 তুমি আমাকে তোমার ছেলের মতো লালনপালন করেছিলে। আমি যখনই মাঠে যাব তখনই তুমি আমার সাথে থাকবে। আমার আন্তরিক সমবেদনা ও প্রার্থনা। আপনার আত্মা শান্তিতে থাকুক, আমি আপনাকে মিস করব 💔তারক স্যার।”

৭১ বছর বয়সী তারক সিনহা দিল্লির বিখ্যাত সনেট ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা, তার ক্লাবের অংশ হওয়া ক্রিকেটারদের কেরিয়ার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এই ক্লাব দিল্লি এবং ভারতকে (India) মনোজ প্রভাকর, কেপি ভাস্কর, অজয় ​​শর্মা, অতুল ওয়াসান, আকাশ চোপড়া, আঞ্জুম চোপড়া, রুমেলি ধর, আশিস নেহরা, শিখর ধাওয়ান, ঋষভ পহ্ন, নীতীশ রানা সহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ক্রিকেটার দিয়েছে।
২০১৮ সালে তারক সিনহা দ্রোণাচার্য পুরস্কারে ভূষিত হ