উদ্বোধনের আগেই নাম বদলের চেষ্টা হাবিবগঞ্জ রেলস্টেশনের

Habibganj railway station

নিউজ ডেস্ক: সোমবার মধ্যপ্রদেশের হাবিবগঞ্জ (habibgang) রেল স্টেশনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু উদ্বোধনের আগেই ওই স্টেশনের নাম বদলের জন্য কেন্দ্রকে অনুরোধ করে চিঠি দিল মধ্যপ্রদেশ সরকার।

সম্প্রতি হাবিবগঞ্জ রেলস্টেশনের আমূল সংস্কার করা হয়েছে। এর জন্য খরচ হয়েছে ৪৫০ কোটি টাকা। দেশের মধ্যে হাবিবগঞ্জ হল প্রথম রেলস্টেশন যার আধুনিকীকরণ হয়েছে বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায়। সোমবার অর্থাৎ ১৫ নভেম্বর এই স্টেশনের উদ্বোধন করার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (narendra modi)। কিন্তু উদ্বোধনের আগেই তৈরি হল রাজনৈতিক বিতর্ক। যার মূলে রয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর লেখা একটি চিঠি।

হাবিবগঞ্জ রেলস্টেশনের নাম বদলের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান (shibraj singh chouhan)। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর চিঠিতে জানিয়েছেন, হাবিবগঞ্জ স্টেশনের নাম বদলে ভোপালের (bhopal) গোন্দ (gond) বংশের শেষ রানি কমলাপতির (kamalapati) নামে এই স্টেশনের নামকরণ করা হোক।

মধ্যপ্রদেশের পরিবহণ দফতরও ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে একটি চিঠি দিয়েছে। ওই চিঠিতে লেখা হয়েছে, ষোড়শ শতকে গোন্দ বংশ ভোপাল শাসন করতো। ওই বংশের শেষ রানি ছিলেন কমলাপতি। তাঁর স্মৃতিকে ধরে রাখতেই হাবিবগঞ্জ রেলস্টেশনের নাম পরিবর্তন করে রানি কমলাপতির নামে রাখা হোক। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই ভোপালের সাংসদ ঠাকুর প্রজ্ঞা সিং, মধ্যপ্রদেশের এক প্রাক্তন মন্ত্রী-সহ একাধিক বিজেপি নেতা দাবি করেছিলেন হাবিবগঞ্জ স্টেশনের নাম বদল করে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর নামে করা হোক। শেষপর্যন্ত হাবিবগঞ্জ স্টেশনের নাম বদলে যাবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে সেটা উদ্বোধনের আগেই হবে কিনা তা নিয়েই যাবতীয় কৌতুহল।

উল্লেখ্য, জার্মানির (germany) হাইডেলবার্গ (hidelbarg) রেলস্টেশনের অনুকরণে এই স্টেশনটি তৈরি করা হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো অত্যাধুনিক স্টেশনকে কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিতে পারবে নতুন হাবিবগঞ্জ স্টেশন।

ভারতের এই রেলস্টেশনে ভিসা ছাড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ

Atari Shyam Singh Railway Station

News Desk: সাধারণত কোনও দেশের রেল স্টেশনে ঢুকতে গেলে সে দেশের নাগরিকদের পাসপোর্ট-ভিসা লাগে না। সাধারণত পাসপোর্ট ভিসা প্রয়োজন হয় বিদেশি নাগরিকদের। কিন্তু আমাদের দেশে এমনই একটি রেলস্টেশন আছে যেখানে ঢুকতে গেলে পাসপোর্ট এবং ভিসা থাকা আবশ্যিক। বিনা পাসপোর্ট-ভিসায় এই স্টেশনে ঢুকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেফতার করবে পুলিশ। শুধু তাই নয়, তাঁর বিরুদ্ধে নেওয়া হবে আইন মোতাবেক ব্যবস্থাও। ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে ব্যতিক্রমী এই স্টেশনটির নাম ‘আটারি’ (Atari Shyam Singh Railway Station )।

সীমান্তবর্তী এই স্টেশনে ভারতীয় নাগরিকদের প্রবেশ করতে গেলে পাসপোর্ট এবং ভিসা রাখা বাধ্যতামূলক। যদি কেউ বিনা ভিসায় স্টেশনে প্রবেশ করেন তাহলে তিনি আইন ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত হবেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জামিন পাওয়া যথেষ্ট কঠিন। জামিন পেতে কয়েক বছর গড়িয়ে যেতে পারে। শুধুমাত্র দেশের এই স্টেশনে প্রবেশ করতে গেলেই ভারতীয় নাগরিকদের কাছে পাকিস্তানের ভিসা থাকা বাধ্যতামূলক।

আটারি স্টেশন থেকেই চলাচল করে সমঝোতা এক্সপ্রেস। ট্রেন চলাচলের ক্ষেত্রে এখানে এক বিশেষ নিয়ম মানা হয়। এই স্টেশনে সমঝোতা এক্সপ্রেস ছাড়ার আগে যাত্রীদের অনুমতি নেয় কর্তৃপক্ষ। কোনও কারণে যদি এই স্টেশনে ট্রেন লেট করে ছাড়ে বা প্রবেশ করতে দেরি করে সে ক্ষেত্রে ভারত-পাকিস্তান দুই দেশের রেজিস্টারেই স্বাক্ষর করতে হয়।

সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার এই রেল স্টেশনটি কড়া সুরক্ষা বলয়ে মোড়া। স্টেশনে রয়েছে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। একাধিক সুরক্ষা সংস্থা স্টেশনের উপর সর্বদা নজরদারি চালায়। স্টেশনের সুরক্ষার দায়িত্ব রয়েছে সেনাবাহিনীর হাতে। যা অন্য কোনও স্টেশনের ক্ষেত্রে থাকে না। পাশাপাশি এই স্টেশনের ওয়েটিং রুমের টেলিভিশনে সর্বদাই দেশপ্রেমের গান চালানো হয়।

এই স্টেশনে যেমন পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়া প্রবেশ করা যায় না তেমনই অতিরিক্ত জিনিসপত্র নিয়ে গেলেও যাত্রীদের সমস্যায় পড়তে হতে পারে। কারণ এই স্টেশনে মালবাহকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। যাত্রীদের নিজেদের জিনিসপত্র নিজেদেরই বহন করতে হয়। তবে জিনিসপত্র নিয়ে যাবার জন্য রয়েছে বিশেষ ধরনের ট্রলি। এই স্টেশনের আরও একটি বিশেষত্ব রয়েছে। সেই বিশেষত্ব হল, এখানে এমন এমন সব খাবার মেলে যা একবার চেখে দেখলে ওই খাবারের টানেই বারবার আটারি স্টেশনে ছুটে আসতে হবে। বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু খাবারের জন্য আটারি স্টেশন বিখ্যাত।

Chattisgarh: হাত পিছলে পড়ল বারুদের বাক্স, পরপর বিস্ফোরণে জখম CRPF জওয়ানরা

6 CRPF personnel injured in blast at Raipur railway station

নি়উজ ডেস্ক: রায়পুর স্টেশন থেকে ট্রেন ছাড়েনি তখনও। জম্মু-কাশ্মীর যাওয়ার জন্য জওয়ানরা সবকিছু নিয়ে উঠছিলেন। আচমকা ডিটোনেটরের বাক্স হাত পিছলে পড়ে গিয়ে বিস্ফোরণ হয়। 

বিস্ফোরণের মুহূর্তে কেঁপে গেল ছত্তিসগড়ের রাজধানী রায়পুর শহরের স্টেশন এলাকা। পরপর ফাটতে থাকে বাকি ডিটোনেটরের বাক্সগুলি। দুর্ঘটনায় জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন সিআরপিএফ(CRPF) জওয়ান।

ইন্ডিয়া টুডে জানাচ্ছে, সিআরপিএফের ২১১ নম্বর ব্যাটেলিয়নের জওয়ানরা জম্মু যাওয়ার জন্য স্পেশাল ট্রেনে উঠছিলেন সেই সময় ডিটোনেটর বাক্স পড়ে যায়।

প্রাথমিকভাবে মনে করা হয় কোনও নাশকতা। তবে কিছু পরেই সব স্পষ্ট হয়। এই বিস্ফোরণ একটি দুর্ঘটনা। রায়পুর স্টেশনে বিস্ফোরণের জেরে আতঙ্ক ছড়ায়। ইন্ডিয়া টুডে জানাচ্ছে, বিস্ফোরণে জখম জওয়ানদের চিকিৎসা চলছে। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

বিস্ফোরণের খবর পেয়েই রায়পুর স্টেশন ঘিরে নেয় আরপিএফ (RPF) । রেল সুরক্ষা বাহিনীর রক্ষীদের ঘেরাটোপে বাকি বিস্ফোরক বাক্সগুলি সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই সিআরপিএফ অফিসাররা ঘটনাস্থলে যান। রেল প্রশাসনিক কর্তারাও ছিলেন।