Weather Update: ত্রিমুখী আক্রমণে বাংলায় বিরাজমান দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া

weather update kolkata

নিউজ ডেস্ক,কলকাতা: একদিকে জোড়া নিম্নচাপ, অন্যদিকে পূবালী হওয়ার দাপট। এই ত্রিমুখী আক্রমণে ফের বাংলায় শুরু হয়েছে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া। শুক্রবারের পর শনিবার দক্ষিণবঙ্গে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। 

রবি ও সোমবার ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির দাপট বাড়বে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার শুরু হয় দশমী থেকেই। সকালবেলা পূবালী হাওয়ার জেরে ব্যাপক গরম এবং বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত প্রচণ্ড বৃষ্টি, সঙ্গে ছিল বজ্রপাতের বাড়বাড়ন্ত।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে এই মুহূর্তে বঙ্গোপসাগর, আরব সাগরে দু’টি নিম্নচাপ রয়েছে। লাক্ষাদ্বীপ দক্ষিণ পূর্ব আরব সাগরে রয়েছে একটি নিম্নচাপ। অন্য নিম্নচাপটি পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। ক্রমশ দক্ষিণ ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে পৌঁছাবে। বাংলা ও বাংলাদেশ উপকূলে আগামীকাল থেকে পূবালী হাওয়ার দাপট বাড়বে।

দশমীর সকাল থেকেই কলকাতায় আকাশ ছিল আংশিক মেঘলা। সন্ধ্যা পর থেকে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি শুরু হয়ে যায় বেশ কিছু এলাকায়। সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়া, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৫৭ শতাংশ। এর ফলে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি অত্যন্ত থাকছে। বৃষ্টি হয়েছে ২৬.৬ মিলিমিটার। আজও হতে পারে বৃষ্টি।।

নিম্নচাপের জেরে দক্ষিণবঙ্গে রবি ও সোমবার খারাপ আবহাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই মঙ্গলবার পর্যন্ত বৃষ্টি চলবে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।

উত্তরবঙ্গে আজ শনিবার থেকে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। রবি ও সোমবার বাড়বে বৃষ্টির দাপট। সমুদ্রে যাঁরা রয়েছেন তাঁদের শনিবার সন্ধের মধ্যে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রবি ও সোমবার সমুদ্র উত্তাল থাকবে। তাই এই দু’দিন মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

Weather update: অষ্টমীতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের

Kolkata Weather update

নিউজ ডেস্ক: অষ্টমীর দিন দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে৷ তবে পুজোর মধ্যেই নিম্নচাপ ও ঘূর্ণাবর্তের জেরে কোনও বড় দুর্যোগের তেমন সম্ভাবনা নেই বলেই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

মৌসম ভবনের পূর্বাভাস বলছে, আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল, উপকূলবর্তী কর্ণাটকের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা রয়েছে৷ পাশাপাশি তামিলনাড়ু, লাক্ষাদ্বীপ, কর্ণাটকের বিভিন্ন এলাকা, মধ্য মহারাষ্ট্র, কোঙ্কন ও গোয়ার কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। মৌসম ভবন জানাচ্ছে জম্মু ও কাশ্মীর, গিলগিট, বাল্টিস্তান এবং মুজফরবাদে বৃষ্টি হবে৷ আইএমডি এও জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, দক্ষিণ পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ, দক্ষিণ গুজরাত. উত্তরাখণ্ড, হিমাচলে বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে৷

অন্যদিকে জম্মু-কাশ্মীরে এলাকায় বরফপাত এবং বেশ কিছু জায়গায় বৃষ্টি-র জেরে শৈত্যপ্রবাহ দেখা গিয়েছিল৷ গুলমার্গ সহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় ইতিমধ্যেই বরফ পড়েছে৷ কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় কয়েক ঘণ্টা টানা বৃষ্টি হয়েছে।

মৌসম বিভাগ কেরলের বিভিন্ন জেলায় অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করেছে৷ ১২,১৩, ১৪ অক্টোবর কেরলের ছয় জেলায় প্রবল বৃষ্টি হবে৷ কোট্টায়াম, ইদ্দুকি, এর্নাকুলাম সহ বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি হবে৷ তিরুবনন্তপুরম , পলক্কড, মলপ্পুরম এবং কোঝিকড় জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে৷

Weather update: পুজোর আবহাওয়ায় পট পরিবর্তনের সম্ভাবনা

rain in Kolkata during Pujo

নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেদন: পুজোর আবহাওয়া নিয়ে নয়া আপডেট দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বলা হচ্ছে বৃষ্টির চেয়ে বেশি।মেঘলা আকাশ থাকতে পারে কলকাতায়। এমনটাই পূর্বভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।
আজ শনি ও রবিবারও কলকাতায় বৃষ্টি হতে পারে বিক্ষিপ্তভাবে। আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা গণেশকুমার দাস জানিয়েছেন,’ বৃষ্টির পরিমাণ এখন অনেকটাই কমে এসেছে।

দক্ষিণবঙ্গে সেভাবে আর জলীয় বাষ্প জমাট বাঁধছে না। ফলে দক্ষিণবঙ্গে সেভাবে আর বৃষ্টি হবে না। আগামী ১৩,১৪ ও ১৫ অক্টোবর কলকাতায় আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।’ তবে এর সঙ্গেই আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর আন্দামান সাগরে একটি একটি নিম্নচাপ তৈরি হবে। তারপর সেটি সরে যাবে ওডিশা ও অন্ধ্র উপকূলের দিকে। এর জেরে উপকূলের জেলাগুলিকে ১৩,১৪ ও ১৫ অক্টোবর হালকা বৃষ্টি হতে পারে।’ তবে এটা আরও পরিষ্কার হবে আর দিন দুয়েক পর।

কলকাতায় দিনের তাপমাত্রা বেশিই থাকবে। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকবে। এর জেরে ঘর্মাক্ত পরিস্থিতি তৈরি হবে বেলার দিকে। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকবে। এর জেরে ঘর্মাক্ত পরিস্থিতি তৈরি হবে বেলার দিকে। দিনের বেলা ৩৪-৩৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকবে। রাতের দিকে তাপমাত্রা থাকবে ২৭-২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি এই সাত জেলায়। মাঝে মাঝে হতে পারে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতও। এছাড়া দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে আংশিক মেঘলা আকাশ সহ হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের আকাশ থাকবে পরিষ্কার।

Weather update: বাংলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস

Calcutta. Chance of Rain with Thunderstorms

নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্রবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হবে কলকাত-সহ বাংলার বেশ কয়েকটি অঞ্চলে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও থাকছে। তবে শনিবার থেকে মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশ থাকতে পারে, বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে। কিন্তু পুজোয় দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছেই।

সূত্রের খবর, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে বাংলায়। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুষ্ক আবহাওয়ার পরিস্থিতি থাকবে দক্ষিণবঙ্গে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, পুজোর আগে রবিবার উত্তর আন্দামান সাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরের চার-পাঁচ দিনে সেটি পশ্চিম-উত্তর পশ্চিমে অগ্রসর হয়ে ওডিশার দক্ষিণ ও অন্ধ্রপ্রদেশের উত্তর উপকূলে পৌঁছবে। তার প্রভাবে পুজোয় বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে বলা হয়েছে, বৃষ্টি হতে পারে অষ্টমীতে! নবমী ও দশমীতে কলকাতায় বৃষ্টি বাড়বে বলে পূর্বাভাস। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে দক্ষিণবঙ্গের মুখ ভার হলেও, পুজোর সময় উত্তরবঙ্গের আকাশ পরিষ্কার থাকবে৷ ৬ অক্টোবর থেকে, উত্তর পশ্চিম ভারতে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে, বাংলা থেকে কবে বর্ষা কবে বিদায় নেবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

এদিকে বৃষ্টি একটু থামতেই বেড়েছে তাপমাত্রা এবং ভ্যাপসা গরম। আজ শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৭ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬২ শতাংশ।
মঙ্গলবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৫ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬৭ শতাংশ।

এদিকে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, ৬ অক্টোবর বর্ষা বিদায় শুরু হবে দেশে। উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলি থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নেবে। বাংলায় বর্ষা-বিদায় নেয় অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এ বছর তা কিছুটা পিছবে বলেই আশঙ্কা।

Weather update: নিম্নচাপের জেরে পুজোয় বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল হাওয়া অফিস

rain in durga puja

নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গের পিছু যে বৃষ্টি ছাড়বে না তা স্পষ্ট করে দিল হাওয়া অফিস। তৈরি হবে নিম্নচাপ তার জেরেই পুজোর সময় উপকূলীয় সাত জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে অষ্টমী থেকে দশমী পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি শুরু হতে পারে অষ্টমীর রাত থেকে। এমনটাই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। এর কারণ কী? জানা যাচ্ছে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর জেরেই দুর্গাপুজোয় বৃষ্টি হবে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ষষ্ঠী ও সপ্তমীতে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই। অষ্টমী, নবমী ও দশমী এই তিন দিন কলকাতা, দুই পরগনা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া এবং হুগলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে বলেই জানানো হয়েছে। এই সময়ে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, হিমালয়ের পাদদেশ এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। তার প্রভাবে আগামী সপ্তাহে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। তার পর থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহে রবিবার উত্তর আন্দামান সাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরের চার-পাঁচ দিনে সেটি পশ্চিম-উত্তর পশ্চিমে অগ্রসর হয়ে ওডিশার দক্ষিণ ও অন্ধ্রপ্রদেশের উত্তর উপকূলে পৌঁছবে। তার প্রভাবে পুজোয় বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে।

এদিকে এখন কলকাতায় ভ্যাপসা গরম থাকছে। মাঝে মাঝেই মেঘলা হয়ে যাচ্ছে আকাশ। সঙ্গে বেলার দিকে প্রত্যেক দিনই অল্প বৃষ্টি হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.১ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৭ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৫৯ শতাংশ। বৃষ্টি হয়নি।

Weather update: উত্তরে কমবে বৃষ্টি, দক্ষিণে বাড়ছে গরম

নিউজ ডেস্ক: আজ মঙ্গলবার থেকেএবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির কমবে।এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির তেমন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। উলটে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকবে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, “বিহার এবং সংলগ্ন এলাকায় উত্তরবঙ্গের উপরে যে নিম্নচাপ ছিল, তা অনেকটাই দুর্বল হয়ে গিয়েছে। এটিই উত্তরবঙ্গকে ঘাটতিতে থাকা বৃষ্টি দিচ্ছিল। সেটি আজ থেকে অনেকটাই কমে যাবে। আগামী ২৪ ঘন্টায় উত্তরবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। আগামী বৃষ্টি হবে শুধুমাত্র কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে”

দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। দু-একটা জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টি হলেও বিক্ষিপ্তভাবে হবে। তবে তার সম্ভাবনাও খুব কম। উল্টে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে। থাকবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও।” কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে হয়েছে। সর্বনিম্ন ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যেতে পারে। আপেক্ষিক আর্দ্রতা বাড়ছে। আর আর্দ্রতাজনিত যে অস্বস্তি সেটাও কিন্তু বাড়বে।

শুধুমাত্র আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা মুর্শিদাবাদ ও বীরভূম জেলায়। কলকাতার তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩৪ ও সর্বনিম্ন ২৮-এর আশেপাশে থাকবে। কলকাতায় আজ আংশিক মেঘলা আকাশ। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা। জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়বে।

মঙ্গলবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৫ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬৭ শতাংশ।

এদিকে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, ৬ অক্টোবর বর্ষা বিদায় শুরু হবে দেশে। উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলি থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নেবে। বাংলায় বর্ষা-বিদায় নেয় অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এ বছর তা কিছুটা পিছবে বলেই আশঙ্কা।

Weather update: পুজোর মুখে ঘর পোড়া বাঙালি রৌদ্রজ্জ্বল আকাশেও দেখছে আশঙ্কার মেঘ

Durga puja rain

নিউজ ডেস্ক: এত তো বৃষ্টি হল। তাহলে পুজোতেও কী ঝামেলা পাকাবে বৃষ্টি? এমন হলে তো এই যে সরকার রাতে ঘোরাফেরায় ছাড় দিল সবই যাবে খরচার খাতায়! বাঙালির অবস্থা এখন সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরানোর মতো। রোদ দেখেও বাঙালি ভাবছে এর পিছনে আবার বৃষ্টির ষড়যন্ত্র লুকিয়ে নেই তো?

ভাবনায় ভুল নেই। এখনও স্পষ্ট করে কিছু না বললেও সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে বৃষ্টির। কারণ বর্ষার স্লো বাট স্টেডি এবং জমাটি ব্যাটিং। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘আরও এক সপ্তাহের মধ্যে বিষয় পরিষ্কার হবে’। তাই এখনই কিছু বলছেন না তিনি। দিল্লির মৌসম ভবনের তরফে জানা গিয়েছে ৬ অক্টোবর মহালয়ার দিন থেকে থেকে, উত্তর পশ্চিম ভারতে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। এটা শুনে বেশি উচ্ছসিত হবেন না, কারণ বাংলা পূবের রাজ্য।

সেখান থেকে কবে অঝোরে বৃষ্টি দেওয়া এবারের বর্ষা হবে বিদেয় হবে ত বোঝাই যাচ্ছে না। এতেই, চিন্তার মেঘ ঘোরাঘুরি করছে প্রতিমা শিল্পী থেকে শুরু করে পুজো উদ্যোক্তা এবং সাধারণ মানুষের মনে। তথ্য এও বলছে যে, অন্যান্য বছর সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহেই বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সে জায়গায় এবার অনেক দেরী করে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে আপাতত কয়েকদিন এমনই রোদ-ঝলমলে আবহাওয়া থাকবে। তবে, শনিবার থেকে উত্তরবঙ্গে শুরু হবে বৃষ্টি।সপ্তাহান্তে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, এবারের বর্ষায় গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে স্বাভাবিকের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। শুধু সেপ্টেম্বরেই কলকাতায় স্বাভাবিকের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে বলে খবর। 

Weather update: বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সতর্কতা হাওয়া অফিসের

flood indian army

নিউজ ডেস্ক: শনিবার সকালে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিতে সতর্কতা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দফতর৷ আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঝেপে বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব বর্ধমান জেলায়।

তবে আজ শনিবারও কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলায় কয়েক বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে কারণ বর্ষার বিদায় এখনও শুরু হয়নি। এদিকে আজও প্রবল বৃষ্টি হতে পারে উত্তরবঙ্গে। মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুরে বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার। কোথাও কোথাও সর্বোচ্চ ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কোচবিহার, কালিম্পঙ, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার। ৩ অক্টোবর ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে। দার্জিলিং, কালিম্পঙ, জলপাইগুড়িতে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। শনিবার কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টি হতে পারে তবে দুর্যোগের আবহ নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

এদিকে বৃষ্টি থামতে কলকাতার তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে, তবে তা অসহ্যকর হয়ে ওঠেনি।শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৬ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা বেড়ে ৩৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে যায় , যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৭ ও সর্বনিম্ন ৫৭ শতাংশ।

শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা বেড়ে ৩২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে যায় , তবে তা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম ছিল। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭০ শতাংশ। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ছয় ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

Weather update: দক্ষিণ ভাসিয়ে বৃষ্টি উত্তরমুখী, ভুটান পাহাড়ে হাতির মতো ঘুরছে মেঘ

heavy rain darjeeling

নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টিসুর আর মেঘাসুরের জোড়া হামলা শারদোতসবের আগে দক্ষিণবঙ্গ জলে ডুবিয়ে এবার মত্ত হাতির মতো মেঘ (Weather update) গজরাচ্ছে উত্তরবঙ্গের মাথায়।

আবহাওয়া বিভাগ উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও সমতলে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে জল থই থই চেহারা হবে। শনি ও রবিবার উত্তরবঙ্গ জুড়ে ভারি বৃষ্টি হবে।

প্রতিবেশি দেশ ভুটানের পাহাড়ে জমছে মেঘ। ভুটানের সীমান্ত এলারার বিভিন্ন জেলায় ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। থিম্পু থেকে এমন জানাচ্ছে দেশটির সংবাদ মাধ্যম। ভুটান পাহাড়ের মেঘ হুড়মুড়িয়ে নেমে আসে উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলায়। কলকাতা আবহাওয়া বিভাগ জানাচ্ছে, রবিবার কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

ভারি বৃষ্টির কারণে ভুটান থেকে ভারতে আসা নদী তিস্তা, জলঢাকা, কালজানি, ডান সহ উত্তরবঙ্গের অন্যান্য নদীতে জলস্তর বাড়বে বলেই আশঙ্কা। দুর্যোগের কারণে, দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার পাহাড়ি পথে ধ্বস নামতে পারে। তেমনই সিকিম যাওয়ার রাস্তা বিচ্ছিন্ন হতে পারে ধ্বসের কারণে। রবিবার বিকেল থেকে বৃষ্টির দাপট কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইতিমধ্যেই নজিতবিহীন বৃষ্টিপাতের জেরে দক্ষিণবঙ্গের বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমের বহু এলাকায় দারকেশ্বর, দামোদর, অজয়, কংসাবতী, গন্ধেশ্বরী সহ বিভিন্ন নদনদীর জলস্তর বেড়েছে। বাঁকুড়ার পরিস্থিতি খুব খারাপ। বীরভূমেও বন্যা পরিস্থিতি। ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টির জেরে ডিভিসি জল ছাড়তে শুরু করেছে। এর ফলে দামোদরের জলে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান ছাড়িয়ে হুগলি, হাওড়ার বিস্তির্ণ এলাকা জলমগ্ন। আবহাওয়া বিভাগ জানাচ্ছে, শনিবার বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে ভারি বৃষ্টি হতে পারে।

ফের আমতা-উদয়নারায়ণপুরে বন্যার আশঙ্কা, ঘুম উড়েছে বহু মানুষের

নিউড ডেস্ক: দু-মাস কাটতে না কাটতেই আবারও বন্যার ভ্রুকুটি আমতা ও উদয়নারায়ণপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। ডিভিসির রেকর্ড পরিমাণ জল ছাড়ার ফলে ডুবতে পারে আমতা ও উদয়নারায়ণপুর বিধানসভার বিস্তীর্ণ অঞ্চল। আর সেই আশঙ্কাতেই ঘুম উড়েছে আমতা ও উদয়নারায়ণপুরবাসীর।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার প্রায় দু’লক্ষ কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি। সেই জল শুক্রবার দামোদর হয়ে উদয়নারায়ণপুর পৌঁছাবে। এই জলেই প্লাবিত হতে পারে উদয়নারায়ণপুর ও আমতা-২ ব্লকের শতাধিক গ্রাম। আর তাই আগে থেকেই প্রশাসন। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই শুরু হয়েছে প্রশাসনিক তৎপরতা। এদিন বিকালে উদয়নারায়ণপুর বিডিও অফিসে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হাওড়া জেলার অতিরিক্ত জেলা শাসক (ডেভলপমেন্ট) রজত নন্দা, উলুবেড়িয়ার মহকুমা শাসক শমীক কুমার ঘোষ, উদয়নারায়ণপুরের বিডিও প্রবীর কুমার শীট, উদয়নারায়ণপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুলেখা পাঁজা সহ অন্যান্যরা। এদিন বিকাল থেকেই উদয়নারায়ণপুরের বিভিন্ন গ্রামে পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়। ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আপাতত ব্লক অফিসের সরকারি কর্মীদের সমস্ত ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

amta-meeting-flood

ইতিমধ্যেই উদয়নারায়ণপুরে ২০ টি নৌকা। আগাম প্রস্তুতি হিসেবে উদয়নারায়ণপুর ব্লকের ৪০ টি স্কুল খুলে দেওয়া হয়েছে এবং শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ বেবি ফুড মজুত রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি, বিপর্যয় মোকাবিলায় এনডিআরএফ ও এসডিআরআফ টিমও মোতায়েন করা হচ্ছে বলে সূত্র মারফত জানা গেছে। একই চিত্র আমতা-২ ব্লকেও। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলাশাসকের সাথে ভিডিও কনফারেন্স করেন আমতার বিধায়ক সুকান্ত কুমার পাল। তারপর আমতা-২ ব্লক অফিসে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উলুবেড়িয়ার মহকুমাশাসক শমীক কুমার ঘোষ, আমতার বিধায়ক সুকান্ত কুমার পাল, আমতা-২ ব্লকের বিডিও মাসুদুর রহমান, আমতা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন মিদ্দ্যা সহ অন্যান্যরা। আমতা-২ ব্লক প্রশাসনের তরফে সমস্ত রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, মাস দু’য়েক আগেই ডিভিসির ছাড়া জলে উদয়নারায়ণপুর ও আমতা-২ ব্লকের বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়ে ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন এলাকার বাসিন্দা থেকে শুরু করে বহু কৃষিজীবী মানুষ। সেইসময় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে আমতায় এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধুমাত্র উদয়নারায়ণপুর বিধানসভা এলাকার হরালী, রামপুর ডিহিভূরশুট আসন্ডা,কানুপাট মনসুকা,কুড়চি শিবপুর সহ প্রায় ১৬ টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা কমবেশি জলের তলায় চলে যায়। পরে এই বন্যার জল আমতা-২ ব্লকের প্রায় ১০ টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাকে প্লাবিত করে। বন্যার সেই ক্ষত কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবার বন্যার ভ্রুকুটি। আর তাতেই ঘুম উড়েছে আমতা ও উদয়নারায়ণপুরবাসীর।

১০০ বছরের বৃষ্টির রেকর্ড ভাঙল লাল মাটির দেশে, ভাসছে শিল্প শহর

Rain Bengl

বিশেষ প্রতিবেদন: বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া , আসানসোল অর্থাৎ রাজ্যের পশ্চিম দিকে আজ বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলেই জানিয়েছিল আবহাওয়াবিদরা। তা বলে তা এই পর্যায়ে পৌঁছাবে, ভাবনাতীত ছিল। বাঁকুড়ার বৃষ্টি ভেঙে দিয়েছে ১০০ বছরের রেকর্ড। আসানসোল ভেঙেছে গত চার বছরের রেকর্ড। 

আবহাওয়া দফতরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘন্টায় ৪৩৪.৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বাঁকুড়ায় বৃষ্টি হয়েছে ৩৫৪.৩ মিলিমিটার বৃষ্টি। বাঁকুড়ায় এত বৃষ্টি হয়েছিল ১৯২২ সালের ২২জুন। বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ২৯২.৪মিলিমিটার। আসানসোলে ২০১৮ সালের ২৭ জুলাই বৃষ্টি হয়েছিল ১৯২ মিলিমিটার। সেই রেকর্ড ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে।

এদিন পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়াও বয়। সৌজন্যে পুরুলিয়া জেলার পশ্চিম দিকে সরে যাওয়া ওই নিম্নচাপ। আজ বৃহস্পতিবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও দুই মেদিনীপুরের কিছু অংশে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। কোথাও কোথাও তারও বেশি বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া দুই বর্ধমান ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু অংশেও হয়েছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। আর বাকি জায়গায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল হালকা থেকে মাঝারি।

এদিকে জুন সেপ্টেম্বর মাসের বৃষ্টিতে গাঙ্গেয় বঙ্গের অবস্থা করুন। আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে উবুচুবু অবস্থা বাংলার দক্ষিণ অংশের বেশিরভাগ রাজ্যের। এরপরে আবার বৃষ্টি হলে যে কোনও মুহূর্তে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে।

উত্তরবঙ্গে এবারে তেমন বৃষ্টি হয়নি, উলটে ঘাটতি রয়েছে।আবার অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে যে দক্ষিণবঙ্গ বানভাসি পরিস্থিতি। তথ্য বলছে, সারা বাংলায় এবারে ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। শুধুমাত্র সেপ্টেম্বর মাসের চিত্র দেখলে তা রীতিমত ভয় ধরাবে। সারা বাংলায় চলতি মাসে ৩৯ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ৮০ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। কলকাতায় ৯৬ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। সেখানে উত্তরবঙ্গে এই মাসে ৪০ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে।

এখনও পর্যন্ত হলদিয়ায় ২২০, মোহনপুরে ১৯০, মেদিনীপুর-খড়গপুর- কলাইকুন্ডায় ১৭০, ডায়মন্ডহারবার-সাগরদ্বীপে ১৫০, কাঁথিতে ১০০, আলিপুর-উলুবেড়িয়া-হাওড়ায় ৯০, ঝাড়গ্রাম-কাকদ্বীপে ৭০ এবং দমদম-সল্টলেকে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

Weather Alert: গাঙ্গেয় বঙ্গে অতিবৃষ্টির রেকর্ড, সম্ভাবনা বড় বিপর্যয়ের

big disaster in South bengal

বিশেষ প্রতিবেদন: জুন সেপ্টেম্বর মাসের বৃষ্টিতে গাঙ্গেয় বঙ্গের অবস্থা করুন। আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে উবুচুবু অবস্থা বাংলার দক্ষিণ অংশের বেশিরভাগ রাজ্যের। এরপরে আবার বৃষ্টি হলে যে কোনও মুহূর্তে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে।

উত্তরবঙ্গে এবারে তেমন বৃষ্টি হয়নি, উলটে ঘাটতি রয়েছে।আবার অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে যে দক্ষিণবঙ্গ বানভাসি পরিস্থিতি। তথ্য বলছে, সারা বাংলায় এবারে ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। শুধুমাত্র সেপ্টেম্বর মাসের চিত্র দেখলে তা রীতিমত ভয় ধরাবে। সারা বাংলায় চলতি মাসে ৩৯ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ৮০ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। কলকাতায় ৯৬ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। সেখানে উত্তরবঙ্গে এই মাসে ৪০ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে।

এখনও পর্যন্ত হলদিয়ায় ২২০, মোহনপুরে ১৯০, মেদিনীপুর-খড়গপুর- কলাইকুন্ডায় ১৭০, ডায়মন্ডহারবার-সাগরদ্বীপে ১৫০, কাঁথিতে ১০০, আলিপুর-উলুবেড়িয়া-হাওড়ায় ৯০, ঝাড়গ্রাম-কাকদ্বীপে ৭০ এবং দমদম-সল্টলেকে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

কলকাতায় বুধবার সারাদিন হয় বৃষ্টি। বৃষ্টির জেরে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের অনেকটাই নীচে নেমে এসেছে কলকাতার। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ২১.৭ মিলিমিটার। বুধবার রাত পর্যন্ত শহরে ৩৬.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা কমে ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ছয় ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

বুধবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছিল ৭২ মিলিমিটার। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৮০ শতাংশ।

মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৬ ও সর্বনিম্ন ৭২ শতাংশ। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭৫ শতাংশ। বৃষ্টি হয় ১২.৪ মিলিমিটার।

এদিকে বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে আবহাওয়া উন্নতি হবে বলে জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।সেটাই হয়েছে। তবে বৃষ্টি একেবারে বন্ধ হয়নি। বৃষ্টি হয়েছে বিক্ষিপ্তভাবে।

Bankura: অতি বৃষ্টিতে শিলাবতী ভয়াবহ, স্রোতের টানে নিখোঁজ ব্যক্তি

flood situation in bankura

বাঁকুড়া: সিভিক ভলান্টিয়াদের নিষেধ অমান্য করে শিলাবতী নদী পেরোতে গিয়ে জলের তোড়ে ভেসে গেলেন এক ব্যক্তি। নিখোঁজ ব্যক্তির নাম সুভাষ গুলি মাঝি (৫০)। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার সিমলাপাল থানা এলাকার পাথরডাঙ্গা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে খবর, নিম্নচাপজনিত ধারাবাহিক বৃষ্টির ফলে শিলাবতী নদীর পাথরডাঙ্গা কজওয়ে জলের তলায়। এদিন সকালে মাচাতোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের জফলা গ্রামের বাসিন্দা সুভাষ গুলি মাঝি নদী পেরিয়ে নিজের কুমড়ো চাষের জমি দেখতে যাওয়া চেষ্টা করেন। সিভিক ভলান্টিয়াররা বাধা দেন।

কোনও নিষেধ না শুনে ওই ব্যক্তি নদী পেরোনোর চেষ্টা করলে জলের তোড়ে ভেসে যান। পুলিশের পক্ষ থেকে বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীদের দিয়ে নদীতে তল্লাশি চলছে। নিম্নচাপজনিত ধারাবাহিক বৃষ্টির ফলে জলমগ্ন বাঁকুড়ার একটা বড় অংশ। জেলার গন্ধেশ্বরী, দ্বারকেশ্বর, শিলাবতী, কংসাবতী, দামোদর সহ প্রতিটি নদীতেই জলস্তর বাড়ছে। 

দ্বারকেশ্বর নদের মীনাপুর, ভাদুল, গন্ধেশ্বরীর ছাতনা, মানকানালী, জেলার দক্ষিণের শিলাবতীর হাড়মাসড়া সংলগ্ন ইঁটাপোড়া, পাথরডাঙ্গা ও সিমলাপাল সেতু জলের তলায়। ফলে জেলার একটা বড় অংশ জুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন।

হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত বাঁকুড়া জেলায় ৩৫৪.৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। রেকর্ড পরিমান এই বৃষ্টিপাতের ফলে বাঁকুড়া শহরের একটা অংশে বন্যা পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে।

বর্ষায় চুলের সমস্যা? সমাধানে আপনাকে যা করতে হবে জেনে নিন

Hair problems in the rain?

অনলাইন ডেস্ক: বৃষ্টি বায়ুমণ্ডলে আর্দ্রতার মাত্রা বাড়ায়, যা আপনার মাথার ত্বক এবং চুলের উপর প্রভাব ফেলে। বর্ষাকালে আর্দ্রতা চুলের পুষ্টি বৃদ্ধিকে আটকায় এবং চুল শুষ্ক ও ক্ষতিগ্রস্ত করে। সুতরাং, বর্ষার সময় চুল এবং মাথার ত্বকের সংক্রমণ রোধ করা খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। আপনি নিম্নলিখিত টিপসগুলির সাহায্যে বর্ষাকালে এই চুল এবং মাথার ত্বকের সমস্যাগুলি কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করতে পারেন:

১। বর্ষায় আপনার চুল ভিজা এড়ানোর চেষ্টা করুন: বৃষ্টি বায়ুতে থাকা বেশ কিছু দূষিত কণা বহন করে। এই দুষিত কণা শেষ পর্যন্ত খাদ বন্ধককে দুর্বল করে দেয়, যা আপনার চুলকে নিস্তেজ এবং প্রাণহীন করে তোলে। অতএব, চুলের স্বাস্থ্যর স্বার্থে বৃষ্টিতে ভেজা এড়ানোর চেষ্টা করুন। আপনার চুল বৃষ্টির জলের সংস্পর্শে আসার পর হালকা শ্যাম্পু ব্যবহার করে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া বাধ্যতামূলক।

২। চুল ধোয়া এবং পরিষ্কার করার অভ্যাস বজায় রাখার চেষ্টা করুন: চুল পড়া রোধ করতে একটি পরিষ্কার এবং শুষ্ক মাথার ত্বক বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্ষার আর্দ্র অবস্থা মাথার ত্বকে ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাকের বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে, যা চুলকানি, অতিরিক্ত তৈলাক্ততা এবং এমনকি চুল পড়াকে প্রভাবিত করে। অতএব, একটি ভাল শ্যাম্পু দিয়ে সপ্তাহে অন্তত দুবার চুল ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। উল্লেখযোগ্যভাবে, সালফেট-মুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করার চেষ্টা করুন এবং অত্যন্ত গরম জলে চুল ধোয়া এড়িয়ে চলুন, কারণ তাপে মাথার ত্বক শুকিয়ে যায় এবং আপনার চুলের ক্ষতি করে।

৩। আপনার চুল কন্ডিশন করতে ভুলবেন না: প্রতিটি ধোয়ার পরে একটি কন্ডিশনার ব্যবহার করতে ভুলবেন না। চুলের কন্ডিশনিং চুলকে বিচ্ছিন্ন করে এবং এটি আঁচড়াতে সুবিধা হয়। এছাড়া, এটি চুল ধোয়ার পরে চুল ভাঙা হ্রাস করে। অ্যান্টি-ফ্রিজ কন্ডিশনার ব্যবহার চুলের ফ্রিজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং চুল মসৃণ রাখতে সাহায্য করে। মনে রাখবেন, চুলের খাদে কন্ডিশনার লাগান, মাথার তালু এবং চুলের গোড়ায় নয়।

৪। আপনার চুল একটি আলগা বাধনের মধ্যে আবদ্ধ রাখুন: পনিটেল, বিনুনি, উপরের হালকা গিঁট বর্ষার জন্য আদর্শ চুলের স্টাইল। তবে ভেজা চুল বেঁধে রাখবেন না। আপনার চুল বিচ্ছিন্ন করার জন্য প্রশস্ত দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করুন।

৫। ক্ষতিকারক রাসায়নিক এবং স্টাইলিং পণ্যগুলিকে এড়িয়ে চলুন: স্টাইলিং সরঞ্জামগুলির ব্যবহার কমিয়ে আনা এবং রাসায়নিক লোডযুক্ত স্টাইলিং পণ্যগুলির অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ চুলের স্বাস্থ্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। হেয়ারস্টাইলিং সরঞ্জাম এবং পণ্যগুলি আপনার চুলের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। যাইহোক, যদি স্টাইলিং প্রয়োজন হয়, অতিরিক্ত চুলের ক্ষতি এড়াতে একটি সুরক্ষামূলক সিরাম প্রয়োগ করতে পারেন ।

৬। নিয়মিত গরম তেল দিয়ে মাথার তালু এবং চুলে ম্যাসাজ করুন: সপ্তাহে একবার বা দুবার গরম তেল দিয়ে মাথার তালু এবং চুলে ম্যাসাজ করুন। তেল মালিশ রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে সাহায্য করে। ঘন ঘন ধোয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং চুলের আর্দ্রতা বজায় রাখতে আপনার মাথার তালু এবং চুলে তেল দেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।

৭। সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন: তৈলাক্ত জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। একটি তাজা এবং স্বাস্থ্যকর সুষম খাদ্য বিবেচনা করুন যা ভিটামিন এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ। আপনার দৈনন্দিন ডায়েটে ফল এবং সবজি অন্তর্ভুক্ত করতে ভুলবেন না। এছাড়াও, নিজেকে হাইড্রেটেড রাখার জন্য দিনে পর্যাপ্ত জল পান করুন।

Bankura: কে বলবে শরৎকাল! ৩৫৪.৩ মিলিমিটার বৃষ্টির রেকর্ড

flood situation in bankura district

অনলাইন ডেস্ক, বাঁকুড়া: আকাশ দেখে কে বলবে শরৎকাল ! এ যেন ভরা বর্ষা। জল থই থই বাঁকুড়ায় বন্যা পরিস্থিতি। সবকটি নদ-নদীর জলস্তর বাড়ছে। নিম্নচাপজনিত ধারাবাহিক বৃষ্টির ফলে জলমগ্ন বাঁকুড়ার একটা বড় অংশ। জেলার গন্ধেশ্বরী, দ্বারকেশ্বর, শিলাবতী, কংসাবতী, দামোদর সহ প্রতিটি নদীতেই জলস্তর বাড়ছে। 

দ্বারকেশ্বর নদের মীনাপুর, ভাদুল, গন্ধেশ্বরীর ছাতনা, মানকানালী, জেলার দক্ষিণের শিলাবতীর হাড়মাসড়া সংলগ্ন ইঁটাপোড়া, পাথরডাঙ্গা ও সিমলাপাল সেতু জলের তলায়। ফলে জেলার একটা বড় অংশ জুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন।

হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত বাঁকুড়া জেলায় ৩৫৪.৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। রেকর্ড পরিমান এই বৃষ্টিপাতের ফলে বাঁকুড়া শহরের একটা অংশে বন্যা পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে।

সকাল থেকে গন্ধেশ্বররী নদী সংলগ্ন বাইপাস রোড সম্পূর্ণ জলের তলায়। প্রায় কোমর সমান জল রাস্তার উপর দিয়ে বইছে।  বেশ কিছু দোকান জলে ডুবে গেছে।  একই সঙ্গে শহরের লক্ষ্যাতড়া মহাশ্মশান, ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের হরিতকী বাগান, জুনবেদিয়া রামকৃষ্ণ পল্লী, পলাশতলা, ২০ নম্বর ওয়ার্ডের মল্লেশ্বর পল্লী, প্রতাপবাগান এলাকায় জল থৈ থৈ অবস্থা। বেশ কিছু বাড়িতেও ইতিমধ্যে জল ঢুকে গেছে। চরম সমস্যায় শহরবাসী।

Weather update: বৃষ্টি কমলেও এখনই নয় ফুলস্টপ

Rain girl

নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে আবহাওয়া উন্নতি হবে বলে পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে বৃষ্টি একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে না। এমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলেই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়াও বইতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। কারণ পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার পশ্চিম দিকে রয়েছে ওই নিম্নচাপ। ফলে আজ পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও দুই মেদিনীপুরের কিছু অংশে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দুই বর্ধমান ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু অংশেও হতে পারে ভারী বৃষ্টিপাত। আর বাকি জায়গায় বৃষ্টির পরিমান থাকবে হালকা থেকে মাঝারি।

এখনও পর্যন্ত হলদিয়ায় ২২০, মোহনপুরে ১৯০, মেদিনীপুর-খড়গপুর- কলাইকুন্ডায় ১৭০, ডায়মন্ডহারবার-সাগরদ্বীপে ১৫০, কাঁথিতে ১০০, আলিপুর-উলুবেড়িয়া-হাওড়ায় ৯০, ঝাড়গ্রাম-কাকদ্বীপে ৭০ এবং দমদম-সল্টলেকে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে পূর্বাভাস মতোই খেল দেখায় আবহাওয়া। বুধবার সারাদিন হয় বৃষ্টি। বৃষ্টির জেরে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের অনেকটাই নীচে নেমে এসেছে কলকাতার। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ২১.৭ মিলিমিটার। বুধবার রাত পর্যন্ত শহরে ৩৬.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা কমে ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ছয় ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

বুধবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছিল ৭২ মিলিমিটার। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৮০ শতাংশ।

মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৬ ও সর্বনিম্ন ৭২ শতাংশ। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭৫ শতাংশ। বৃষ্টি হয় ১২.৪ মিলিমিটার।

Weather update: সকালে হালকা, বেলা বাড়লে বাড়তে পারে বৃষ্টি

Weather update kolkata

নিউজ ডেস্ক: Weather update: সকালে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। শহরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে মঙ্গল ও বুধবার বৃষ্টির ভোগান্তি আছে শহরে তা স্পষ্ট করছে এদিন সকালের মেঘাচ্ছন্ন আকাশ।

আজ মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৬ ও সর্বনিম্ন ৭২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হয়েছে শহরে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা থাকবে সর্বনিম্ন ২৬ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। অর্থাৎ বৃষ্টি যে হবে তা স্পষ্ট কারণ, তার হাত ধরেই নামবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭৫ শতাংশ। বৃষ্টি হয় ১২.৪ মিলিমিটার। এই পুরো বৃষ্টিই হয় রবিবার দুপুরবেলায়। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা থাকবে সর্বনিম্ন ২৬ থেকে সর্বোচ্চ ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।

Kolkata Weather update

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, “পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটু ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে ২৭ সেপ্টেম্বর। এর জেরে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হবে। সেটি ধীরে ধীরে উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে গিয়ে ২৯ তারিখ এসে পৌঁছাবে বাংলার উপকূলে। এর জেরে ঝড়ো হাওয়া এবং প্রচুর বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে।”

২৮ ও ২৯ তারিখ কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ২৮ সেপ্টেম্বর কলকাতায় সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার গতিতে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া, পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমানে। ২৯ সেপ্টেম্বরেও একই রকম।গতিতে শহরে বইবে ঝড়ো হাওয়া।

ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া, পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমানে। বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার। এই দুই দিনেই পূর্ব মেদিনীপুর,উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণায় সর্বোচ্চ ৬৫ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে

Weather update: বঙ্গ উপকূল ভাসাতে প্রস্তুত পাক ঝড় Gulab

cyclone

বিশেষ প্রতিবেদন: যে পারছে সে বাংলায় এসে বৃষ্টি ঢেলে দিয়ে যাচ্ছে। ঘটনা হল, চিন যদি রাজ্যে বৃষ্টি দিতে পারে তাহলে বঙ্গোপসাগর তো ‘একান্ত আপন’। আর এই একান্ত আপন সাগরের গহ্বর থেকে উঠে আসছে নতুন ঝড়। নাম গুলাব, যা নামকরণ করেছে পাকিস্তান।

তালিকা অনুযায়ী কথাই ছিল ইয়াসের পরে যে ঘূর্ণিঝড় আসবে তার নাম হবে গুলাব। এবার আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন সমুদ্রে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যার জেরে উপকূল এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এমনটাই পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতরের।

cyclone

তবে বাংলার এই ঝড় নিয়ে কপালে ভাঁজ বাড়ানোর কোনও ব্যাপার নেই, যা বিরক্তির কারণ হতে পারে তা হল বৃষ্টি। গুলাবের সম্ভাব্য গতিপথ ভুবনেশ্বর থেকে ভাইজ্যাগের দিকে। সোজা কথায় বহু দূর। একটু হাওয়া এসেও পৌঁছবে না, যা সুখের কথা। দুখের কথা হল বৃষ্টি। এর প্রভাবে রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। কলকাতা-সহ বাকি দক্ষিণের জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। একেই দক্ষিণবঙ্গ জলে টইটুম্বুর হয়ে রয়েছে, তার উপর আবার বৃষ্টি শহর থেকে গ্রামের হালদ খারাপ করবে তা বলাই যায়।

হাওয়া অফিস জানাচ্ছে ঝড় আরও দক্ষিণে সরে যেতে পারে। কিন্তু বৃষ্টি , তা বাংলাকে না দিয়ে সে যাবে না। গুলাব বর্তমানে গভীর নিম্নচাপ রূপে রয়েছে। ক্রমশ তা অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। এবং শেষে ঘূর্ণিঝড়ের পরিণত হবে। উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ঝড়ের গতি হতে পারে সর্বোচ্চ ৮০-৯০ কিলোমিটার। ওই বলা যেতে পারে ছোটখাটো ঘূর্ণিঝড় হানা দেবে বঙ্গোপসাগরের পারে আর বৃষ্টি দেবে বাংলাকে।

Weather update: তৈরি হচ্ছে নয়া ঘূর্ণাবর্ত, বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

kolkata Weather

নিউজ ডেস্ক: কলকাতা: প্রায় এক সপ্তাহ পর রোদের মুখ দেখল দক্ষিণবঙ্গ। এদিন সকাল থেকে রোদের দেখা মিলছে কিন্তু তা বেলা হলেও একই পরিস্থিতি বহাল নাও থাকতে পারে। কারণ বৃষ্টির আবহ এখনও জারি রয়েছে রাজ্যে। পাশাপাশি ঘনীভূত হচ্ছে দুটি ঘূর্ণাবর্তও। তার প্রভাবও পড়বে খুব শীঘ্রই। হাওয়া অফিস বলছে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই।

এদিন সকাল থেকে বৃষ্টি হয়নি। তবে বেলার দিকে এর সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার ঠিক এমনভাবেই বেলা থেকে দুপুর পর্যন্ত বিপুল পরিমাণ বৃষ্টি হয় কলকাতার প্রায় সর্বত্রই।

শুক্রবার আকাশ বেশ কিছুটা পরিষ্কার হলেও বৃষ্টির রেশ যে পুরোপুরি কাটেনি তা স্পষ্ট এমন সম্ভাবনা থেকেই , সৌজন্যে মৌসুমি অক্ষরেখা এবং পিছু পিছু তৈরী হওয়া দুই ঘূর্ণাবর্ত। গত দুই দিনের মতো আজ শুক্রবার মূলত, পাহাড়ের সমস্ত জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পঙ, আলিপুরদুয়ার, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা গনেশকুমার দাস জানিয়েছেন, “দুটি ঘূর্ণাবর্ত আবারও সাগরে তৈরি হচ্ছে, যা বাংলা-ওডিশা উপকূল দিয়ে আসতে পারে। তাই আবারও আর্দ্র বাতাস রাজ্যে ঢুকছে তাই বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছেই। পাশাপাশি বৃষ্টি কম হলে থাকবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। ২৬ তারিখ থেকে ভারী বৃষ্টি হবে।”

মঙ্গলবার দিনভর ৮৪.৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। বুধবার সারাদিনে ১৭.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ ১৬.৬ মিলিমিটার। শুক্রবার বৃষ্টি হয়েছে ১৭.৩ মিলিমিটার। শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৮১ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমান ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৮৩ শতাংশ। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমান ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৯৬ শতাংশ। অর্থাৎ আর্দ্র হাওয়ার আগমন শহরে বন্ধ হচ্ছে না তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে এই অঙ্ক।

Weather update:: আর্দ্র হাওয়ার সৌজন্যে বহাল বৃষ্টির আবহ

Weather kolkata

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা, তার মাঝে অল্প সূর্যের দেখা মিলছে। দিন দুয়েক আগে যেমন মেঘে পরিপূর্ণ ছিল দক্ষিণবঙ্গের আকাশ তা থেকে সামান্য কমেছে মেঘের আনাগোনা। তবে যে কোনও মুহূর্তেই আবারও বৃষ্টি হতে পারে। হাওয়া অফিস বলছে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই।

এদিন সকাল থেকে বৃষ্টি হয়নি। তবে বেলার দিকে এর সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার ঠিক এমনভাবেই দুপুরের দিকে অঝোরে বৃষ্টি হয় কলকাতার প্রায় সর্বত্রই।

বৃহস্পতিবার আকাশ আরও একটু পরিষ্কার হলেও তবে বৃষ্টির রেশ যে পুরোপুরি কাটেনি তা স্পষ্ট এমন সম্ভাবনা থেকেই , সৌজন্যে মৌসুমি অক্ষরেখা। আজ বৃহস্পতিবার মূলত, পাহাড়ের সমস্ত জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পঙ, আলিপুরদুয়ার, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা গনেশকুমার দাস জানিয়েছেন, “উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপরে থাকা ওই বিশাল ঘূর্ণাবর্ত এখন বাংলাদেশ উপকূলের দিকে বেশিরভাগটাই সরে গিয়েছে তবে মৌসুমী অক্ষরেখা এখনও কিছুটা দক্ষিণবঙ্গের দিকে , পাশাপাশি আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত আবারও সাগরে তৈরি হচ্ছে, যা বাংলা-ওডিশা উপকূল দিয়ে আসতে পারে। তাই আবারও আর্দ্র বাতাস রাজ্যে ঢুকছে তাই বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছেই। পাশাপাশি বৃষ্টি কম হলে থাকবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি।”

মঙ্গলবার দিনভর ৮৪.৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। বুধবার সারাদিনে ১৭.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ ১৬.৬ মিলিমিটার। বৃহস্পতিবার স্বাভাবিক রয়েছে কলকাতার তাপমাত্রা। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমান ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৮৩ শতাংশ। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমান ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৯৬ শতাংশ। অর্থাৎ আর্দ্র হাওয়ার আগমন শহরে বন্ধ হচ্ছে না তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে এই অঙ্ক।