बारिश के मौसम में दोपहिया वाहन के टायरों का ऐसे रखें ख्याल

नई दिल्ली :  बारिश के मौसम में दोपहिया वाहन वालों को एक बड़ी परेशानी होती है कि जरा सा संतुलन बिगड़ने पर गाड़ी गिर जाती है। फिलहाल मानसून धीरे-धीरे अपना दायरा बढ़ा रहा है। ऐसे में बाइक से सफर करने वालों को एक चीज का खास ख्याल रखना होता है हम यहा पर बात कर रहे हैं बाइक के टायरों की जी हां, बहुत कम लोग पता है कि बारिश के मौसम में बाइक के टायरों का प्रेशर कितना होना चाहिए. अगर आप भी इस सवाल का जवाब नहीं जानते हैं तो आपको इस खबर को ध्यान से पढ़ना चाहिए।

बारिश के मौसम के दौरान बाइक के सभी पार्ट्स को नियमित तौर पर चेक करते रहना चाहिए. क्योंकि बाइक के टायर काफी महत्वपूर्ण होते हैं, ऐसे में बाइक के टायरों में सही मात्रा में एयर प्रेशर होना चाहिए.चेक करने के दौरान अगर लगे कि टायर के खांचे घिस गए हैं तो बारिश में बाइक फिसल सकती है। ऐसे में किसी भी हादसे से बचने के लिए नए टायरों को लगवाएं।

वहीं, अगर आपको पता चल जाएगा कि बाइक का टायर बदलना ही है तो बाइक के लिए अच्छी ग्रिप वाला टायर का चुनाव करें। इसके साथ ही रबड़ की गुणवत्ता भी अच्छी होनी चाहिए, ताकि सड़क पर बाइक के टायरों को सही पकड़ मिले। इसके अलावा बाइक में ट्यूबलैस टायर का इस्तेमाल करना चाहिए। यह टायर देर से सिकुड़ते हैं और इनकी लाइफ लंबी होती है.वहीं, ट्यूब वाले टायर बहुत तेजी से सिकुड़ते हैं।

बारिश के मौसम में बाइक चलाने के दौरान जब भी ब्रेक लगाए तो बहुत आराम से लगाएं। क्योंकि अचानक ब्रेक लगाने से टायर फिसलने की संभावना हो सकती है. इसलिए सामान्य ब्रेकिंग का इस्तेमाल करें। बारिश में हमेशा बाइक को धीमी गति से चलाएं. ज्यादा स्पीड में बाइक चलाने से टायरों का ग्रिप सड़क से कम हो सकता है, जिसकी वजह से हादसा होने का खतरा बढ़ जाता है।

मानसून में बारिश जमकर होती है जिसकी वजह से सड़के गीली रहती है इसलिए बाइक को फिसलने से रोकने के लिए टायरों की क्षमता अच्छी होनी चाहिए। कई बार देखा गया है कि बारिश के मौसम में भी टायरों को गर्म और ठंडा वातावरण झेलना पड़ता है। इससे टायरों में तापमान ऊपर-नीचे होता रहता है. ऐसे में बाइक के टायरों में 2 से 3 PSI स्तर का एयर प्रेशर होना चाहिए, ताकि सड़क पर बाइक की पकड़ अच्छी रहे।

Weather Update: সুখবর, বাংলা থেকে বর্ষা-বিদায়

The rainy season is leaving Bengal

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: ​ষষ্ঠীর দিনেই সুখবর। রাজ্যের একাংশে থেকে বিদায় নিল বর্ষা। সোমবার রাজ্যের মালদহ ও দিনাজপুরের ওপর থেকে মৌসুমি বায়ু সরে গিয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। পাশাপাশি শিলিগুড়ি, শান্তিনিকেতন, মেদিনীপুর থেকেও বিদায় নিয়েছে বর্ষা।

সাধারণত ১০ অক্টোবর রাজ্যের ওপর থেকে বর্ষা বিদায় নেয়। এবছর তার থেকে এক দিন পর কেটেছে মৌসুমি বায়ুর প্রভাব। পুজোয় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে নিম্নচাপের জেরে। বৃষ্টি বাড়তে পারে ১৬ অক্টোবর থেকে।

পূর্বাভাস মতো, রবিবার পঞ্চমীর সকালে সামান্য বৃষ্টি হয় কলকাতায়। ষষ্ঠী, সপ্তমী মোটের উপর নির্বিঘ্নেই পুজো দেখতে বের হতে পারবেন সাধারণ মানুষ। তবে অষ্টমী থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নচাপের জেরে দুই মেদিনীপুর-সহ দুই ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও নদিয়া জেলায় আগামী ১৪ ও ১৫ তারিখ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ১৩ তারিখ অষ্টমীতেও বৃষ্টি হবে রাজ্যের একাধিক জেলায়। কিন্তু উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া মোটামুটি ভালো থাকবে।

এদিকে বৃষ্টির পরিমাণ কম থাকলেও আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। বজ্রবিদ্যুত্-সহ বৃষ্টি হতে পারে বিক্ষিপ্তভাবে। কলকাতায় আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে আন্দামান সাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জেরে উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি।

এদিকে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপ, গোয়া, কর্নাটক, কেরল, মাহে, পুদুচেরী, তামিলনাড়ু মহারাষ্ট্রের কোঙ্কন উপকূলের একাধিক জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি হয়েছে।
আজ সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৬ সর্বনিম্ন ৬৫ শতাংশ

বর্ষাকালে আপনার খাবার সতেজ এবং স্বাস্থ্যকর রাখার সেরা টিপস

food-fresh-and-healthy

অনলাইন ডেস্ক: ভারতে বর্ষা ঋতু গ্রীষ্মের দাবদাহ থেকে মুক্তি দেয়। বর্ষা আমাদের চারপাশে সতেজতা আনতে পারে। তবে এই ঋতু আপনার পরিবারের জন্য কিছু রোগ এবং সংক্রমণের জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে আসে। বর্ষাকালে মুখোমুখি হওয়া প্রাথমিক সমস্যাগুলির মধ্যে একটি হল খাদ্য নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা। বর্ষা ব্যাকটেরিয়ার বিকাশের জন্য উপযুক্ত আবহাওয়া এবং ছাঁচ, ছত্রাক, কৃমি এই জাতীয় রোগ গুলি দ্রুত গতিতে বিন্যাস ঘটাতে পারে। বর্ষাকালে নিম্নলিখিত সতর্কতাগুলি আপনাকে এই সময়কালে খাদ্য নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।

বর্ষাকালে আপনার খাবার সতেজ রাখার জন্য স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত সেরা টিপস:
১। বাইরে থেকে আনা সবজি ধুয়ে ফেলুন-
শাকসবজি ধোয়া এই ঋতুর রুটিন বানিয়ে ফেলুন। তবে বর্ষাকালে সবজি ধোয়ার সময় অতিরিক্ত যত্ন নিন। এগুলি ভাল করে ধুয়ে নিন, বর্ষাকালে সবজির ক্ষেতে কীটপতঙ্গের লার্ভা থাকতে পারে। যদি সম্ভব হয়, অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বর্ষাকালে সবজি ধোয়ার লিকুইড ব্যবহার করুন।

২। সঠিক ভাবে ফল এবং শাকসব্জী সংরক্ষণ-
ফল এবং সবজির স্টোরেজ ফ্রিজে রাখা উচিত যাতে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে। ধোয়ার পর সেগুলো সঠিকভাবে শুকানো উচিত এবং ফ্রিজে পৃথক বিভাগে কাগজের ব্যাগে সংরক্ষণ করা উচিত। এগুলি পরীক্ষা করে দেখুন এবং যদি কোনও ফল বা সবজি নষ্ট হয়ে যায় তবে সেগুলি সরিয়ে ফেলুন।

food-fresh-and-healthy

৩। এয়ারটাইট পাত্রে রাখার ব্যাবস্থা করুন –
বর্ষাকালে বাতাসের আর্দ্রতা ব্যাকটেরিয়ার বিকাশের প্রধান কারণ। বায়ুরোধী পাত্রে আপনার খাবারের মজুদ উল্লেখযোগ্যভাবে নষ্ট করতে পারে। কাচের পাত্রে লবণ বা চিনির মতো জিনিস সংরক্ষণ করাও আর্দ্রতা নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি দূর করে। আপনার খাদ্য সামগ্রীগুলি কাঁচ বা স্টেইনলেস স্টিলের এয়ারটাইট জারে সংরক্ষণ করে বর্ষাকালে খাস্তা এবং শুকনো রাখুন।

৪। আপনার ফ্রিজ পরিষ্কার রাখুন-
রেফ্রিজারেটর ছত্রাক দূরে রাখতে পারে এবং খাবার নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কমাতে পারে। যাইহোক, একটি অপরিষ্কার রেফ্রিজারেটর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে কারণ এটি ছত্রাক বা ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার প্রজনন স্থলে পরিণত হয়। খাবারের কণাগুলি ফ্রিজের কোণে আটকে যেতে পারে, তাই নিয়মিত আপনার ফ্রিজ পরিষ্কার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গরম জলের সাথে ভিনেগার এবং বেকিং সোডার একটি মিশ্রন আপনার রেফ্রিজারেটরের তাক পরিষ্কার করার জন্য দুর্দান্ত। আপনার রেফ্রিজারেটরের তাকগুলি পরিষ্কার করার পরে তাদের সঠিকভাবে শুকিয়ে নিন। আপনি এক কোণে বেকিং সোডা সহ একটি ছোট পাত্রে রেখে ফ্রিজে অতিরিক্ত গন্ধ শুষে নিতে পারেন এবং অতিরিক্ত আর্দ্রতা শুষে নিতে পারেন।

৫। আপনার খাবার বাইরে রাখা এড়িয়ে চলুন –
বর্ষা খুব বেশি সময় ধরে আপনার খাবার বাইরে রাখার উপযুক্ত সময় নয়। অতিরিক্ত আর্দ্রতা সহজেই রুটি এবং এমনকি সবজির মতো খাদ্য সামগ্রী নষ্ট করতে পারে। ভারতের গ্রীষ্মমন্ডলীয় আবহাওয়া ছত্রাক বৃদ্ধির জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ এবং বর্ষাকালে বাতাসের আর্দ্রতা আমাদের খাদ্যে ছত্রাক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। আপনার খাবার সবসময় এয়ারটাইট পাত্রে বা রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করুন।

৬। শুকনো চামচ-
মশলা ব্যবহার করার জন্য শুকনো চামচ ব্যবহার করা একটি খুব কম সতর্কতামূলক পদ্ধতি। বর্ষাকালে, আর্দ্রতা ইতিমধ্যে আমাদের রান্নাঘরে মশলা স্যাঁতসেঁতে করে তুলতে পারে। মশলা, ময়দা, লবণ ইত্যাদি ব্যবহার করতে একটি শুকনো চামচ ব্যবহার করুন, এমনকি সামান্য আর্দ্রতাও এই মশলাগুলি নষ্ট করতে পারে।

৭। জমে যাওয়া –
আপনার ফ্রিজার বর্ষাকালে খুব সহায়ক হতে পারে। আপনার ডাল, শস্য এবং চাল কেনার পর সেগুলি হিমায়িত করা পণ্যগুলিকে ডিহাইড্রেট করতে সাহায্য করতে পারে এবং বর্ষাকালে সেগুলি নিরাপদে সংরক্ষণ করতে সহায়তা করে। এই পণ্যগুলি কেনার পর ১-২ দিনের জন্য হিমায়িত করুন এবং তারপরে এয়ারটাইট পাত্রে সংরক্ষণ করুন।

৮। ঘরের প্রতিকার-
বর্ষা মৌসুমে শাকসবজি এবং ফল সহজেই হিমায়িত এবং সংরক্ষণ করা যায় । কিন্তু অন্যান্য খাদ্য সামগ্রীর কী হবে? বর্ষাকালে পোকামাকড়কে খাদ্য থেকে দূরে রাখার জন্য ওঁইষধি ব্যবহার করার মতো বয়স্ক ঘরোয়া প্রতিকারগুলি খুব উপকারী। নিম, লবঙ্গ, হলুদ এবং শুকনো মরিচের মতো ভেষজ এবং মশলা ডাল এবং চালের সাথে সংরক্ষণ করা যেতে পারে যাতে বর্ষায় পোকামাকড় তাদের থেকে দূরে থাকে। এগুলি প্রাকৃতিক কীটপতঙ্গ প্রতিরোধক। চিনি এবং লবণের সাথে কয়েকটা ধান রাখলে তারা আর্দ্রতা থেকে মুক্ত হতে পারে কারণ চালের দানা পাত্রে যে কোন অতিরিক্ত আর্দ্রতা শোষণ করে।

বর্ষা মৌসুমে যেসব খাদ্যাভ্যাস মেনে চলতে হবে: ফল এবং শাকসব্জির ব্যবহার বাড়ান: আপনি যদি বর্ষাকালে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে চান তবে ফল এবং সবজি তালিকার শীর্ষে রয়েছে। এগুলো আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে রাখতে সাহায্য করে এবং স্বাভাবিকভাবেই আপনার ক্ষতি করতে পারে এমন কোন রোগ প্রতিরোধ করে। বর্ষাকালে মৌসুমী ফল ও শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে খাওয়া উচিত কারণ এগুলি ঋতুতে পাওয়া সবচেয়ে নতুন পণ্য।

আপনার ডায়েটে ভেষজ উদ্ভিদ অন্তর্ভুক্ত করুন: তুলসী’, আদা, কালো মরিচ, হলুদ এবং লবঙ্গের মতো ভেষজ ও মশলা বর্ষাকালে খাওয়া ভালো। এগুলি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ভারী বৃষ্টির সময় আমাদের আরামদায়ক রাখতে সাহায্য করে। একটি উষ্ণ কাপ চায়ের সাথে এগুলি যোগ করা সত্যিই বর্ষার একটি বিষণ্ণ দিনকে বাঁচিয়ে তুলতে পারে।

আপনি যেদিন বেকারি পণ্য কিনবেন সেদিনই সেবন করুন: বেকারি আইটেমগুলি বর্ষাকালে ছাঁচ আকৃষ্ট করার জন্য খুব প্রবণ। যেদিন আপনি সেগুলি কিনবেন সেদিন সেগুলি ব্যবহার করুন এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য সেগুলি সংরক্ষণ করবেন না। আপনার যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই কিনুন এবং পরে সেবন করার জন্য সেগুলো কিনবেন না।

এই বর্ষায় এই খাবার গুলি থেকে দূরে থাকার অভ্যাস করুন : অতিরিক্ত ভাজা খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন৷ বৃষ্টির আবহাওয়া ভাজা স্ন্যাক্স উপভোগ করার জন্য উপযুক্ত, তবে, অতিরিক্ত ভাজা আইটেমগুলি ব্যবহার না করার বিষয়ে সচেতন থাকুন। বর্ষাকালে রাস্তার খাবার কঠোরভাবে এড়িয়ে চলুন, তবে ভারী বৃষ্টির সময় সময়ে সময়ে ঘরে তৈরি ভাজা জিনিস আপনার স্বাস্থ্যের জন্য কোনও বিপদ ডেকে আনবে না।

এই সময় মাছগুলি বিশেষ করে নোনা জলে মাছ ডিম পাড়ে। তাদের প্রজনন মৌসুমে, মেনুতে মাছ অন্তর্ভুক্ত করা এড়ানো ভাল কারণ অনেকেরই মাছের ডিম হজম করতে কষ্ট হয়। অবশিষ্ট তেল দিয়ে রান্না করা বর্ষাকালে পাকস্থলীর সংক্রমণ সৃষ্টি করতে পারে ফলে আমাদের পাচনতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ে।

বর্ষায় অস্বস্তিকর পরিবেশ, ঘরের দুর্গন্ধ দূর করার টিপস এবার হাতের মুঠোয়

home

ঘর সকলের কাছেই একটা শান্তির জায়গা।ঘরে দুর্গন্ধ হওয়ার পিছনে অনেক কারণ থাকে। সাধারণত বদ্ধ ঘরে একধরনের বাজে গন্ধ হয়। এর জন্য যতটা সম্ভব ঘরের জানালা-দরজা খুলে রাখা খুব জরুরি। ঘরের ভিতর আলো বাতাস খেললে গন্ধ অনেকটাই কমে যায়। সূর্যের রশ্মি ঘরের জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে। এছাড়াও প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত বিছানার চাদর, বালিশের কভার ইত্যাদি বদলে ফেলতে হবে। ঘরের ভিতর বা বাথরুমের ভেতর ভেজা তোয়ালে, গামছা বা কাপড়চোপড়ও রাখা যাবে না। তাতে দুর্গন্ধ বেশি হয়। চেষ্টা করুন বাথরুম যতটা সম্ভব শুকনো রাখার।
অনেকেই ভেবে পান না এই দুর্গন্ধ দূর করার সমাধান কী? ঘরের এমন সব দুর্গন্ধ দূর করতে প্রথমেই দেখতে হবে দুর্গন্ধের উৎস কোথায়। বেশ কিছু ঘরোয়া উপায়ে দুর্গন্ধের এ সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

আসুন জেনে নেই ঘরের উৎকট দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া কয়েকটি উপায় –

১. ঘরের ভ্যাপসা গন্ধ দূর করতে হলে ভিনিগার খুবই উপকারী। ঘরের মাঝখানে একটা পাত্রে ভিনেগার রাখুন সমস্ত বাজে গন্ধ চলে যাবে।

২. বৃষ্টি না হলে ঘরের দরজা জানালা খুলে রাখুন, ঘরে আলো বাতাস প্রবেশ করতে থাকলে দেখবেন ঘরের গুমোট ভাবটা কেটে গেছে।

৩. কাপড়ে দুর্গন্ধ হওয়ার প্রধান কারণই হলো আদ্রতা বা বলা ভালো আর্দ্রতার কারণেই কাপড়ে দুর্গন্ধ হয়। তাই আলমারির ভেতরে কিছু চক ঝুলিয়ে দিন। চকগুলো আলমারির ভেতরের আর্দ্রতা শোষণ করে নেবে।

৪. ঘরে সিগারেটের গন্ধ দূর করতে হলে, একটা তোয়ালে ভিনিগারে ভিজিয়ে নিয়ে ভালো করে চিপে নিন। তারপর হাত ঘোরাতে ঘোরাতে মশা তাড়ানোর মতো করে সারা ঘর ঘিরে আসুন। সব গন্ধ চলে যাবে ।

৫. ফ্রিজের মধ্যে ও একটা বাজে গন্ধ তৈরি হয়। এর থেকে মুক্তি পেতে অর্ধেক লেবু কেটে রাখুন, সবজির গন্ধ চলে যাবে। এছাড়াও পুদিনা পাতাও রাখতে পারেন, একই রকমের কাজ করবে।

৬. বাথরুমের অপ্রীতিকর গন্ধ দূর করতে একটি মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ রেখে নিভিয়ে দিন। কমোডের গন্ধ দূর করতে কিছুটা ভিনিগার ঢেলে দিন। পাঁচ মিনিট রাখুন, কিছুক্ষন পর ফ্ল্যাশ দিন।

বর্ষার সময় পায়ের সঠিক পরিচর্যা, ঘরোয়া টিপসেই দেখুন ম্যাজিক

foot

শরীর যতই বড় হোক না কেন তার সম্পুর্ণ ভার বহন করে আমদের দুটি পা। মস্তিষ্কের সাথে আমদের পায়ের একটি সম্পর্ক আছে, তা আমরা জানি। তার জন্য আমদের সবসময় পায়ের যত্ন নেওয়াটা অত্যন্ত জরুরী। কারণ সারাদিন অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থেকে অনেক বেশি ধকল সহ্য করে আমদের দুটি পা। আরও ভালো করে বলতে গেলে আমাদের দুটি পায়ের পাতা।

আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে যত্ন নেবেন আপনার দুটি পায়েরঃ-

  • শুকনো রাখুন- এই স্যাঁতস্যাঁতে বর্ষায় পায়ের পাতা যত সম্ভব শুকনো রাখার চেষ্টা করুন। তাতে আঙ্গুলের মাঝে হাজা বা দাদ জাতীয় রোগ হবে না।
  • বৃষ্টির জল ধুয়ে ফেলুন- বর্ষায় বাইরে ছাতা নিয়ে বেরোলে মাথা হয়তো বাঁচে তবে যাবতীয় নোংরা জলের থেকে কিন্তু পায়ের পাতাকে কেউ বাঁচাতে পারে না। তাই সবার আগে অ্যান্টিসেপ্টিক লিকুইড জলে মিশিয়ে ভালো করে পা দুয়ে ফেলুন। তারপর শুকনো করে মুছে নিন।
  • স্ক্র্যাব করুন- অনেকের সারা বছরই পায়ের চামড়া ফেটে থাকে, তাই কিছুদিন ছাড়াছাড়া পায়ের পাতা স্ক্র্যাব করুন। চামড়ায় এবং আঙ্গুলে ঢুকে থাকে নোংরা বেরিয়ে যাবে এবং ব্যাক্টেরিয়ারা পায়ে জমার সুযোগ পাবে না।
  • ময়েশ্চরাইজার- স্ক্র্যাব হয়ে গেলে ভালো করে পুরো পায়ে ময়েশ্চরাইজার লাগান। না হলে চামড়া ফেটে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাবে।
  • বাড়িতে থাকুন- যদি বর্ষাকালে পায়ের পাতায় কোনও দাদ-হাজার সমস্যা দেখেন তাহলে বাড়িতে থাকার চেষ্টা করুন। নাহলে বৃষ্টির জল ও রাস্তার নোংরা জলে আরও রোগ বাড়বে।
  • পা পরিষ্কার রাখুন- সময় মত নখ কেটে, পায়ে ম্যানিকিওর করে পা পরিষ্কার রাখুন।

কয়েকটি ঘরোয়া পদ্ধতি পায়ের যত্ন নেওয়ার জন্যঃ-

  • লেবু ও গুঁড়ো চা পাতা- উষ্ণ গরম জলে অর্ধেক পাতিলেবুর রস ও গুঁড়ো চা পাতা মিশিয়ে নিয়ে ২০-২৫ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন, তাতে পায়ে রক্তচলাচল সঠিকভাবে হবে, সুস্থ বোধ করবেন।
  • নুন ও বেকিং সোডা- তিন চামচ বেকিং সোডার মধ্যে একটু নুন নিয়ে উষ্ণ গরম জল ও পারলে একটু গোলাপ জল ও নারকেল তেল মিশিয়ে নিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। তারপর সেটিকে স্ক্র্যাবার হিসাবে পায়ের পাতায় ব্যবহার করুন তাতে পায়ের সুস্বাস্থ্য বজায় থাকবে।
  • টকদই ও পাকা আনারস- টকদই ও পাকা আনারস নিয়ে তার সাথে একটু চিনি মিশিয়ে পায়ে ম্যাসাজ করুন। তাতে পা কোমল ও স্বাস্থ্যকর হবে।

এই কিছু ঘরোয়া পদ্ধতির মাধ্যমে বর্ষাকালে নিজের ও পরিবারের সকলের পায়ের যত্ন নিন।