UP के बाद HP ने भी भोजनालयों को मालिकों के नाम लिखने का दिया निर्देश

नई दिल्ली: कांग्रेस के नेतृत्व वाली हिमाचल प्रदेश सरकार ने मंगलवार को राज्य के सभी खाद्य विक्रेताओं और  भोजनालयों को ‘पारदर्शिता’ बढ़ाने का हवाला देते हुए मालिकों के नाम और पते लिखने का निर्देश दिया है। रिपोर्ट के मुताबिक, यह निर्णय मंगलवार को राज्य के शहरी विकास और नगर निगम की बैठक के दौरान लिया गया, हिमाचल प्रदेश विधानसभा के अध्यक्ष कुलदीप सिंह पठानिया ने एक सोशल मीडिया पोस्ट में घोषणा की।

पठानिया ने कहा, ‘हिमाचल में हर रेस्तरां और फास्ट फूड आउटलेट को मालिक की पहचान बताना अनिवार्य होगा ताकि लोगों को कोई परेशानी न हो। इसके लिए शहरी विकास और नगर निगम की बैठक में निर्देश जारी किए गए हैं।’

आदेश के कार्यान्वयन की निगरानी के लिए सात सदस्यीय समिति का गठन किया गया है। समिति में मंत्री विक्रमादित्य सिंह और अनिरुद्ध सिंह शामिल हैं।

जिस बैठक में यह फैसला लिया गया, वह विक्रमादित्य सिंह के कार्यालय में हुई थी और इसे राज्य की स्ट्रीट वेंडिंग पॉलिसी को अंतिम रूप देने के लिए बुलाया गया था, जो शिमला की संजौली मस्जिद से संबंधित 11 सितंबर के विवाद के बाद से सुर्खियों में है। इस महीने की शुरुआत में हुए उक्त सांप्रदायिक तनाव के पीछे अलग-अलग समुदायों के दो दुकानदारों के बीच लड़ाई थी।

बैठक में यह भी निर्णय लिया गया कि इस वर्ष 15 दिसंबर तक नीति को अंतिम रूप दिए जाने के पश्चात सभी स्ट्रीट वेंडर अपने पहचान पत्र तथा वेंडिंग लाइसेंस प्रदर्शित करेंगे। विक्रमादित्य ने कहा, ‘पिछले कुछ दिनों में हमारे राज्य में अशांति थी। हमारे निर्णय किसी अन्य राज्य द्वारा प्रेरित नहीं हैं. सभी विक्रेताओं के लिए पहचान पत्र प्रदर्शित करना अनिवार्य होगा – चाहे वे हिंदू, मुस्लिम, सिख, ईसाई या किसी अन्य समुदाय से हों। राज्य में वेंडिंग जोन, वेंडिंग नीति बनाने के लिए उच्च न्यायालय से हमें निर्देश मिले हैं. हाल ही में हुई अशांति एक मजबूत वेंडिंग नीति की न होने से जुड़ी हुई थी।’

यह आदेश उत्तर प्रदेश सरकार द्वारा जारी किए गए इसी तरह के निर्देश के बाद आया है। सबसे पहले जुलाई में कांवड़ यात्रा से पहले योगी आदित्यनाथ सरकार ने इस मामले को उठाया था। हालांकि, सुप्रीम कोर्ट ने इस विवादास्पद कदम पर रोक लगा दी, जिसे कई लोगों ने सांप्रदायिक पहचान और भेदभाव का एक स्पष्ट कृत्य माना था।

भारतीय जनता पार्टी के नेतृत्व वाली सरकार ने यूपी में पिछले दो हफ्तों में कम से कम चार घटनाओं के मद्देनजर इसे फिर से आगे बढ़ाया है, जहां फूड स्टॉल स्टाफ या जूस सेंटर पर कथित तौर पर जूस और रोटियों को मानव मल या थूक से दूषित करने का आरोप लगाया गया था।

बंगला अभिनेता सोहम चक्रवर्ती ने न्यूटाउन में एक रेस्तरां मालिक को मारा थप्पड़

कोलकाता : पश्चिम बंगाल में अभिनेता और चंडीपुर के तृणमूल विधायक सोहम चक्रवर्ती पर न्यू टाउन में एक रेस्तरां मालिक की पिटाई का आरोप लगाया गया है। कथित तौर पर एक्टर ने उस रेस्तरां के मालिक की जमकर पिटाई की है। आरोप है कि सोमहम ने  रेस्तरां बंद करने की धमकी भी दी। उस रेस्तरां के मालिक असुल आलम ने अभिनेता व विधायक पर ‘गुंडागर्दी’ का आरोप लगाया है। सोहम ने भी पिटाई की बात स्वीकार की है।

हालांकि, सोहम का दावा है कि उस रेस्तरां का मालिक तृणमूल के अखिल भारतीय महासचिव अभिषेक बनर्जी और उनके साथ दुर्व्यवहार करने के बाद ही हंगामा बढ़ गया। इसके बाद उसने उसे थप्पड़ मार दिया। लेकिन अनीसुल का जवाबी दावा यह था कि उन्होंने अभिषेक को गाली नहीं दी। अभिषेक के प्रति उनके मन में सम्मान है। अनीसुल ने यह भी कहा कि सोहम अपने अपराध को छिपाने के लिए अभिषेक के नाम का इस्तेमाल कर रहे हैं।

स्थानीय सूत्रों के मुताबिक सोहम रेस्तरां के एक फ्लोर पर शूटिंग कर रहे थे। तभी शूटिंग यूनिट की कार को रेस्तरां के सामने रखने को लेकर अनीसुल सोहम के सुरक्षा गार्डों से बहस करने लगे। अनीसुल का दावा है कि जब सोहम ने उससे पार्किंग स्थल खाली करने को कहा तो उसके सुरक्षा गार्डों ने उसके साथ मार-पीट। आरोप है कि इसके बाद सोहम ने भी उसके साथ मार-पीट की। उसे मुक्का मारा गया। अनीसुल ने यह भी आरोप लगाया कि सोहम ने उसे जोर से लात मारी थी। जिसका एक सीसीटीवी वीडियो भी वायरल हुआ है।

 

Night Curfew: কারফিউয়ের কারণে বন্ধ রেস্তোরাঁ, হোটেল মালিককে খুন

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ইতিমধ্যেই দেশের প্রায় বেশিরভাগ রাজ্যেই জারি হয়েছে একাধিক বিধিনিষেধ। চলছে নাইট কারফিউ (Night Curfew) । নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর বন্ধ হয়ে গিয়েছিল একটি রেস্তোরাঁ। রেস্তোরাঁ (resturant) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এক ক্রেতা খারার কিনতে এলে তাঁকে খাবার দিতে অস্বীকার করেন ওই রেস্তোরাঁর মালিক। এ ঘটনায় প্রবল ক্ষুব্ধ ওই ক্রেতা গুলি করে খুন করল রেস্তারাঁ মালিককে। শনিবার রাতে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের (utterpradesh) নয়ডায়।

পুলিশ জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশে প্রতিদিন রাত ১১টা থেকে ভোট ৫টা পর্যন্ত নাইট কারফিউ জারি থাকছে। তাই নিয়ম মেনেই রাতে হোটেল বন্ধ করে দিয়েছিলেন কপিল (kapil)। প্রায় মাঝ রাতে দুই যুবক এসে ওই হোটেলে পরোটা খেতে চায়। কিন্তু হোটেল মালিক কপিল জানিয়ে দেন, এত রাতে পরোটা করে দেওয়া সম্ভব নয়।

বিষয়টি নিয়ে ওই দুই যুবকের সঙ্গে হোটেল মালিকের তুমুল তর্কাতর্কি চলে। শেষ পর্যন্ত হাল ছেড়ে দিয়ে ওই দুই যুবক চলে যায়। কিন্তু রাত সাড়ে তিনটে নাগাদ ওই দুই যুবক ফিরে আসে। ফের তারা ডেকে তোলে কপিলকে। এরপর এক যুবক আচমকাই কপিলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। সঙ্গে সঙ্গেই হোটেল মালিককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। তবে পুলিশ অভিযুক্ত দুই যুবক আকাশ ও যোগেন্দ্রকে গ্রেফতার করেছে। কেন তারা এভাবে কপিলকে খুন করল তা জানতে চলছে জেরা।

জেরায় ওই দুই যুবক জানিয়েছে, তারা কপিলের হোটেলে নিয়মিত খেতে আসত। কিন্তু দীর্ঘ দিনের পরিচয় সত্ত্বেও হোটেল মালিক তাদের খাবার না দেওয়ায় তারা প্রবল ক্ষুব্ধ হয়েছিল। সে কারণেই তারা কপিলকে খুন করেছে।

Hyderabad: রেস্তোরাঁ কর্মীদের মারধরে মৃত্যু পরিযায়ী শ্রমিকের

Hyderabad

নিউজ ডেস্ক: উড়িশার পরিযায়ী শ্রমিক রাজেশ (rajesh)। হায়দরাবাদের (Hyderabad) বাছুপল্লিতে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। থাকতেন মাধাপুরের (madhapur) ইজ্জতনগরে। স্ত্রী ও দুই বাচ্চাকে নিয়ে ছিল সংসার। কাজের কারণে বুধবার বাড়ি ফিরতে অনেক রাত হয়ে গিয়েছিল রাজেশের। স্ত্রী ও ছেলে মেয়েদের কথা দিয়েছিলেন আসার পথে কিছু খাবার কিনে নিয়ে আসবেন। কিন্তু কাজ সেরে বাড়ি ফিরতে রাত এতটাই বেশি হয়ে গিয়েছিল যে এলাকার বেশিরভাগ খাবারের দোকান বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত কেপিএইটবি (kp-8b)এলাকায় একটি বিরিয়ানির (biriyani )দোকান খোলা দেখে সেখানেই ঢুকে পড়েন রাজেশ।

সে সময় অবশ্য দোকানের কোন কর্মচারীকে তিনি সামনে দেখতে পাননি। সে কারণে দোকানের কর্মীদের খুঁজতে কার্যত বেসমেন্টে নেমে গিয়েছিলেন রাজেশ। সে সময় কয়েকজন যুবক বেসমেন্টে বসে মদ্যপান করছিল। পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার ছিল ওই রেস্তোরাঁ মালিকের জন্মদিন। রেস্তোরাঁর কর্মীরা সেই জন্মদিন সেলিব্রেট করছিলেন। রাজেশ রেস্তোরাঁ কর্মীদের কাছে কোনও খাবার আছে কিনা জানতে চান। এমনকী, যদি কোন খাবার বেঁচেবর্তে থাকে সেই খাবার কিনে নেওয়ার কথাও জানান। কিন্তু মদ্যপ ব্যক্তিরা রাজেশকে চোর সন্দেহে মারতে থাকে। প্রবল মারের চোটে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় রাজেশ বেসমেন্টেই লুটিয়ে পড়েন। মদ্যপরা যে যার বাড়ি ফিরে যায়। পরের দিন সকাল ১১টা নাগাদ রেস্তোরাঁ কর্মীরা রাজেশকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

রাজেশের পকেট থেকে ফোন নম্বর পেয়ে তাঁর স্ত্রী সত্যভামাকে খবর দেওয়া হয়। স্ত্রী এসে রাজেশকে বাড়ি নিয়ে যান। কিন্তু অত্যধিক মারধরের কারণে এবং দীর্ঘক্ষণ পড়ে থাকায় রাজেশের অবস্থার অবনতি হয়। বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালে ভর্তি করার আগেই রাজেশের মৃত্যু হয়।

রাজেশের স্ত্রী সত্যভামা এ ঘটনায় মাধাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করতে যান। কিন্তু থানা থেকে জানানো হয়, ঘটনাস্থলটি তাদের এলাকার মধ্যে পড়ে না। শেষ পর্যন্ত অবশ্য পুলিশ রেস্তোরাঁ কর্মীদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রেস্তোরাঁর চার কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য খাবার কিনতে গিয়ে যেভাবে রাজেশকে মদ্যপদের শিকার হতে হয়েছে গোটা রাজ্য জুড়ে তার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

Kolkata: ১০০ বছর আগের বাঙালি রেস্তোরাঁর উদাহরণ বয়ে নিয়ে চলেছে এই কেবিন

Favorite Cabin

বিশেষ প্রতিবেদন, কলকাতা: পুরোনো কলকাতার (Kolkata) বাঙালি রেটুরেন্ট এর চেহারা কেমন হতো নিজের চোখে দেখার জন্য এইখানে অবশ্যই আসতে হবে । ১৯১৮ সালে চট্টগ্রাম থেকে দুই ভাই নূতন চন্দ্র বড়ুয়া এবং গৌর চন্দ্র বড়ুয়া এসে এই কেবিন খোলেন ৬৯বি, সূর্য সেন স্ট্রিটে। সেই দিনকার কেবিনের চেহারা আজ ও একই ভাবে ধরে রেখেছেন বর্তমান প্রজন্মের মালিকেরা। নাম ফেভারিট কেবিন। সূর্য সেন স্ট্রিট ধরে কলেজ স্কোয়ারকে ছেড়ে একটু এগিয়ে গেলে বাঁ হাতে ​ পাবেন ১০০ বছরেরও বেশি পুরোনো এক রেস্টুরেন্ট, “ফেভারিট কেবিন” (Favorite Cabin)।

যেমন নিরঞ্জন আগার, কয়েকদিন আগে অবধিও সেই কাঠের টেবিল আর বেঞ্চ, কয়েকটা মাত্র চেয়ার। ভিতরের ঘরে সেই একই ভাবে কয়লার আঁচে লোহার জালির ওপর সেঁকা হচ্ছে টোস্ট। কলেজ ষ্ট্রীটের দিলখুশ কেবিন বা হেদুয়ার বসন্ত কেবিন। চা, টোস্ট, আমলেট আর পোচেই আমাদের সকাল টা কে আরও সুন্দর করে তোলে উত্তরের এই কেবিনের প্রতিষ্ঠানগুলো।

Favorite Cabin

এই সব কেবিনের দেওয়াল বা চেয়ার, বেঞ্চ, টেবিলে জমে থাকা একশো বছরের বেশী সময়ের ধুলোর সঙ্গে মিশে আছে আমাদের অনেক শ্রদ্ধেয়, বরেণ্য মানুষের পদধূলি যাঁরা আমাদের ইতিহাসের গৌরবময় অধ্যায়গুলিকে নানান ভাবে রূপ দিয়েছেন। এই রকম কিছু কেবিনের রান্নার ঘরে উনুনের কাছে টেবিলে বসে সে যুগে স্বদেশীরা গোপন মিটিং করতেন, বাইরে ক্যাশ কাউন্টারে মালিক বসে পাহারা দিতেন। কোনও গন্ডগোল দেখলে ভিতরে তাঁর সিগন্যাল পৌঁছে যেত, স্বদেশীরা পিছনের গুপ্ত দরজা দিয়ে পালিয়ে যেতেন।

প্রেসিডেন্সিতে পড়ার সময় সুভাষ চন্দ্র বোস নিয়মিত আসতেন ফেভারিট কেবিনে নজরুলের কবিতা ও গান শুনতে। মাস্টারদা সূর্য সেন ও বেশ কয়েক বার এখানে এসেছিলেন। জানালার ধারে চার নম্বর পাথরের টেবিলটি ছিল কবি নজরুলের। এটি ছাড়া তিনি অন্যত্র বসতেন না । এইখানে বসে অনেক কবিতা লিখেছেন এবং গানে সুর দিয়েছেন।

ফেভরিট এ আসতেন শিবরাম চক্রবর্তী, প্রেমেন্দ্র মিত্র, অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত, অভিনেতা জহর রায়, প্রমুখ। জহর বাবু যদিও কাছেই একটি মেসে কাটাতেন তার জীবনের বেশ খানিকটা অংশ। পথের পাঁচালীর আগে সৌমিত্র চ্যাটার্জি এখানে আসতেন নিয়মিত আড্ডার সদস্য হিসেবে, একথাও শোনা যায়। বেশীরভাগ ছাত্র রাজনীতির সাথে যুক্ত মানুষের প্রিয় বসা ও আড্ডার জায়গা হযেছে উত্তরের এই কেবিন গুলি। শতাব্দী প্রাচীন প্রতিষ্ঠান, বসন্ত কেবিন ও বহু ইতিহাসের সাক্ষী।

কম দামে যত খুশি খেতে চান? চলে আসুন এই রেস্তোরাঁয়

Cheap restaurant in Kolkata

News Desk: দক্ষিণ কলকাতায় আনলিমিটেড বুফে। তাও অবিশ্বাস্য মিলবে অবিশ্বাস্য কম দামে। কোথায় ? ‘The Pink Salt’ এ, হাজরা মোড় থেকে নেমে ক্ষিরোদ ঘোষ মার্কেটের বিপরীত দিকের গলিতেই রয়েছে এই জায়গা। যতীন দাস পার্ক মেট্রো স্টেশন থেকে বেশ কাছেই।

Cheap restaurant in Kolkata

রেস্টুরেন্টের ভিতরে বসার জায়গাটি বেশ সুন্দর এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। একসঙ্গে ১৪ জন মতো বসে খাওয়া দাওয়া করতে পারে। অন্দরসজ্জাও বেশ চমৎকার। এক দারুন ডাইন ইন অভিজ্ঞতা অবশ্যই পাবেন। চলে আসি খাওয়া দাওয়া তে, এখানে পাওয়া যাচ্ছে ৩৪৯/- টাকায় ১২ টি সুস্বাদু ডিশ । এটাতে ভেজ আনলিমিটেড কিন্তু নন ভেজ লিমিটেড, কিন্তু মাত্র আর 50/- টাকা দিলেই অর্থাৎ ৩৯৯ টাকা দিলেই পাচ্ছেন পুরো বুফেটি আনলিমিটেড সঙ্গে আরেকটি ডেজার্ট

দেখে নিন খাবারের তালিকা:- ১. মাসালা চাস (ওয়েলকাম ড্রিংক),২. শোরবা :- মুর্ঘ ধানিয়া শোরবা ,৩. গরম রসুন বেবি পটেটো, ৪. ক্রিস্পি ফ্রাইড ভেজিটেবল মাঞ্চুরিয়ান ৫. আজওয়ানি চিকেন পাকোড়া। মেইন কোর্স – পাতিয়ালা মুর্গ, পনির এবং সবজি কুরচান, হাইওয়ে ডাল তড়কা, সাধারণ চাল/ঘি ভাত, আটা রোটি/ রুমালি রোটি,। ডেজার্ট :- চকোলেট মালপুয়া, সালাদ – মিলি ঝুলি সালাদ, বুফে কিন্তু শুধুমাত্র প্রাক-বুকিংয়ের ভিত্তিতে উপলব্ধ। বুকিং করতে কল করুন : ৭০৪৪০৫৬৪৭৭ নম্বরে।